| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অস্ট্রেলিয়ার দাবানল যে কতটা ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছে গেছে তা টের পাওয়া যাচ্ছে মানুষের বাড়ি ঘর ছাড়াতে দেখে। এবিসি নিউজ মিডিয়া জানিয়েছে, দাবানল চারপাশ ঘিরে ফেলার পর আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার ফুরসত মিলছে না অনেকের। তাই স্বপরিবারে প্রাণ বাঁচাতে পার্শ্ববর্তী খাল বা নদীতে নামছে জনগণ।
দেশটির কোনো কোনো এলাকায় দাবানলের পাশাপাশি প্রচন্ড- গতির ঝড়ো হাওয়া বইছে আর সেই সঙ্গে ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ায় অনেকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে পারছে না।
খবরে বলা হয়, পানিতে নামার পর একটি পরিবারের সদস্যরা জেটির পাশে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ডুবে থাকে। তাদের বাড়ি সম্পূর্ণ পুড়ে যাওয়ায় দাদি টামি হোলমস ৫ নাতি নাতনিকে নিয়ে পানিতে নেমে পড়ে যাতে আগুনের শিখা তাদের স্পর্শ করতে না পারে।
বাচ্চাদের বাবা হোলমস ঘটনাস্থলে এসে দেখতে পায় তাদের ৬২ বছরের বাড়িটি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
অগ্নিকুন্ড অস্ট্রেলিয়া
নিয়ন্ত্রণহীন দাবানলের কারণে অস্ট্রেলিয়া অগ্নিকুন্ডতে পরিণত হয়েছে। নিউ সাউথ ওয়েলসের ৯০ শতাংশ এলাকাই চরম হুমকির মুখে। পরিস্থিতির ভয়াবহতায় কর্তৃপক্ষ জারি করেছে বিশেষ সতর্কবস্থা।
বাড়ছে তাপমাত্রা
গতকাল দেশটির অনেক এলাকায় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে ৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস (১১৮ ডিগ্রি ফারহানহাইট) পৌছে। দেশটির আবহাওয়া বিভাগ এক পূর্বাভাসে জানায়, আগামী ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযিমী (সোমবার) তাপমাত্রা আরো বৃদ্ধি পেয়ে ৫৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌছাতে পারে।
বিদ্যুৎ বিপর্যয়
প্রচন্ড- তাপদাহ ও উচ্চ তাপমাত্রায় দেশটিতে বড় ধরনের বিদ্যুৎ বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। দক্ষিণ সিডনীতে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় অস্ট্রেলিয়ান নিউক্লিয়ার সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি অর্গানাইজেশন (এএনএসটিও) নামক একটি পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রে আগুন লেগে যায়। এসময় উচ্চ তাপমাত্রায় বেশ কয়েকটি পাউয়ার স্টেশন অকোজো হয়ে যায়, বিদ্যুৎশূণ্য হয় সহস্রাধিক বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
©somewhere in net ltd.