| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মাদ্রাসায় মানুষ পড়তে যায় মুলত দ্বীনি ইলম শিক্ষা করার জন্য ।হারাম কে হারাম আর হালাল কে হালাল জানার জন্য । এখন দেখা যায় মহিলা মাদ্রাসায় পুরুষ শিক্ষক । তাহলে তো পর্দা করা যে ফরযে আইন তা তো লঙ্গন হচ্ছে । তাহলে শিখবে কি ? শিখাবে কি ?
যার কারনে দেখা যায় মাদ্রাসায় ও নানা অস্লিলতা প্রবেশ করেছে । মেয়েরাও মাদ্রাসার শিক্ষক দ্বারা ধর্ষিত হচ্ছে ।
মহিলা মাদ্রাসায় যদি শুধু মহিলা দিয়ে পড়ান হত তাহলে তো এমন হতনা ।
পর্দা করা হত সাথে সাথে মেয়েদের কর্মসংস্তানের উপায় হত ।
২|
১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:১৪
মুঘল সম্রাট বলেছেন:
ইহা অবশ্যই কোন আলিয়া মাদ্রাসা।
মাদ্রাসার নাম বা ঠিকনা কিছুই তো দিলেন না!!!!
১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:১৭
সোনালীমাঠ বলেছেন: আমি নির্দির্ষ্ট কোন মাদ্রাসার নাম বলি নাই । আপনার আসে-পাশে খোজ নিয়ে দেখলেই জানবেন ।
আমার এলাকার রয়েছে ।
৩|
১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:১৫
আলতামাশ বলেছেন: রাজারবাগ দরবারে মহিলাদের নিয়ে যা করা সেটার কথা কইবা না?
১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:২৩
সোনালীমাঠ বলেছেন: লিখা আপনার অধীকার কিন্তু লিখার আগে দেখে নিয়েন কি লিখতেছেন । আমি এখানে ইসলামের একটা দিক তুলে ধরেছি যেটা সম্পুর্ন শরিয়তবিরোধি । আপনি লিখলেন রাজারবাগের কথা । এই লিখার সাথে কি সম্পর্ক ?
আপনি কি ইহা পছন্দ করেন যে এমন ভাবে মাদ্রাসা চলুক ? আল্লাহ পাক উনার আদেশের বিপরিত করুক ?
হক কথা বলা যে কোন ঈমানদার মুসলমানের কর্তব্য এবার যে ই বলুক ।
৪|
১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:৩১
আলতামাশ বলেছেন: tumi bagi, etai shesh kotha
৫|
১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:০৩
সকাল>সন্ধা বলেছেন: হাদিস শরীফে আছে "যদি একজন হাবসি কৃতদাশ সঠিক কথা বলে তাহলে তার কথাই প্রাধান্য দিতে হবে।"
আসলে জারা কুরআন অনুষারে বালহুম আদল তারা আপনি জাই বলেন না তারা ভেউ ভেউ করতেই থাকবে....
৬|
১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:১০
মোমের মানুষ বলেছেন: মিথ্যা তথ্য দেওয়ার জন্য পোস্টে

লেখকের যদি মাদরাসা সম্পর্কে বিন্দু মাত্র নলেজ থাকত তাহলে ভাল করেই জানতেন কতটা পর্দার সাথে মহিলা কওমী মাদরাসা সমুহে পাঠ দান করা হয়
৭|
১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:৫৩
চারশবিশ বলেছেন: আপনার ধারনা আগে পাল্টাতে হবে
প্রথমেই আপনাকে শিক্ষকদেরকে শিক্ষক হিসাবে দেখতে হবে, উনি মহিলা বা পুরুষ যাইই হোন
আপনার পোষ্ট দেখে মনে হচ্ছে পুরুষ শিক্ষকরা মাদ্রসায় যান শুধু মাত্র ধর্ষন করার জন্য
তার মানে কোন মেয়ে যদি অসুস্থ হয় তাহলে তাকে অনশ্যই কোন মহিলা ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাবেন ততক্ষনে যদি মরেও যায় অসুবিধা নাই
১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৪১
সোনালীমাঠ বলেছেন: দুটো বিষয় কি এক ?
ডাক্তারের কাছে মানুষ যেয়ে কতদিন থাকে ?
৮|
১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:০০
সকাল>সন্ধা বলেছেন: @চারশবিশ: আমার মনে হয় আপনি পোষ্ট দাতার আসল কথা বুঝতে ব্যার্থ হয়েছেন। কারণ ইসলামে বেগানা পুরুষের সাথে দেখা সাক্ষাত করা হারাম।
সে যত তাকওয়া ধারী হওকনা কেন।
৯|
১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:০২
চারশবিশ বলেছেন: আপনার ধারনা আগে পাল্টাতে হবে
প্রথমেই আপনাকে শিক্ষকদেরকে শিক্ষক হিসাবে দেখতে হবে, উনি মহিলা বা পুরুষ যাইই হোন
আপনার পোষ্ট দেখে মনে হচ্ছে পুরুষ শিক্ষকরা মাদ্রসায় যান শুধু মাত্র ধর্ষন করার জন্য
তার মানে কোন মেয়ে যদি অসুস্থ হয় তাহলে তাকে অনশ্যই কোন মহিলা ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাবেন ততক্ষনে যদি মরেও যায় অসুবিধা নাই
১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৪৮
সোনালীমাঠ বলেছেন: আপনার কথামতে পর্দা করতে হবেনা , ধারনা পাল্টাতে হবে ? !!! হারাম করবেন তাও মানবেন্না ?
বাপের সাথে মেয়েরা যেখানে নিরাপদ নয় সেখানে শিক্ষক তো বহু দূরে ।
Click This Link
১০|
১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:১৫
রাতুলবিডি২ বলেছেন: মহিলা মাদ্রাসায় পুরুষ শিক্ষক !!!! ইহা কোন নিয়ম ??
ভাল প্রশ্ন
১১|
১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:২৯
সকাল>সন্ধা বলেছেন: আপনার পোষ্ট দেখে মনে হচ্ছে পুরুষ শিক্ষকরা মাদ্রসায় যান শুধু মাত্র ধর্ষন করার জন্য
নামজ পরার সময় মহিলদের যত টুকু কাপর দ্বারা আবৃত করা থাকে সেখানে যদি একজন বেগানা পুরুষ যায় তাহলে সে মহিলার নামাজ ভঙ্গহয়। কেন হয়?
কারণ বেগানা পুরুষের সাপর্দা করা ফরজ।
এখানে পর্দা তরখ হয় বলে(হারাম কাজ হয় বলে) নামাজ ফউত হয়। এটা যদিও অনিচ্ছা কৃত হয়।
তাহলে বলেন বেগানা মহিলা বেগানা পুরুষ সরা সরি শিক্ষাদান। আবার পশা পাশি বসা কতটুকু শরিয়ত সম্মত।
যেখানে হারাম কাজের বুঝ তাদের মধ্যে উদায়ই হয় না সেখানে তারা মাওলানা হয়ে কি শিখাবে?
আনেক মাঠ দেখবেন আজকাল মাদ্রাসার ছাত্ররা খেলাধুরা করে। তাদের কক্ষেত্রেও একই হুকুম।
১২|
২১ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৪১
সোনালীমাঠ বলেছেন: View this link
©somewhere in net ltd.
১|
১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:০৯
তৌফিক মাসুদ বলেছেন: আলিয়া মাদ্রাসায় এই কাজ বেশী হয়।