| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জাপানের উত্তরাঞ্চলীয় হোক্কাইডো দ্বীপে ৬.৯ মাত্রার এক শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এ ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে ছোটাছুটি করতে গিয়ে দশ জনের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে, এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের সুনামির আশঙ্কা নাকচ করে দিয়েছে দেশটির আবহাওয়া অধিদপ্তর।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূ-পর্যবেক্ষক সংস্থার উদ্বৃতি দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম জানায়, শনিবার মধ্যরাতে স্থানীয় সময় রাত ১১:১৭ মিনিটে (আন্তর্জাতিক সময় ২৩১৭ ঘণ্টা) উপদ্বীপের অভিহিরো শহরের কাছে ভূগর্ভের ১০৩ কিলোমিটার গভীরে এ ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। তীব্র এ ভূমিকম্পটি প্রায় ১ মিনিট স্থায়ী ছিল বলে জানায় সংস্থাটি।
স্থানীয় সূত্রের উদ্বৃতি দিয়ে সংবাদ মাধ্যম জানায়, ভূমিকম্পের তীব্রতায় পুরো হোক্কাইডো উপদ্বীপ কেঁপে ওঠে। প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার কথা জানাতে পারেনি সরকারের দুর্যোগ মন্ত্রণালয়। এছাড়া, এ অঞ্চলের পরমাণু কর্মসূচি প্রকল্পেও কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে দাবি করেছে জাপানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এর আগে, সরকারের পক্ষ থেকে টেলিভিশন চ্যানেল ও রেডিওতে সম্ভাব্য ভূমিকম্পের সতর্কতা দিয়ে সব ধরনের গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখার জন্য নাগরিকদের প্রতি নির্দেশনামা দেওয়া হয়। সংবাদ মাধ্যম জানায়, ভূমিকম্পের পর নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং উপকূল থেকে সরে আসার জন্য সকল নাগরিকের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। এছাড়া, সম্ভাব্য ভূমিধস ও ভূমিকম্প পরবর্তী যেকোন ধরনের দালানধসের ব্যাপারে সতর্কতা দিয়েছে সরকারি আবহাওয়া কার্যালয়।
সংবাদ মাধ্যমের ভিডিও সংবাদে দেখা যায়, ভূমিকম্পের সময় অফিস ও বাসা-বাড়ির কম্পিউটার, টেলিভিশন ও অন্যান্য আসবাবপত্র প্রচণ্ডভাবে কাঁপছিল। ভূমিকম্পের পর কাঁচের জিনিসগুলোকে ভাঙা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।
সরকারি দুর্যোগ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভূমিকম্পের পর রাস্তায় বোতল ও কাঁচের জিনিসপত্র ভেঙে টুকরো হয়ে পড়ে রয়েছে। বৈদ্যুতিক খুঁটিগুলো রাস্তায় ভেঙে পড়ায় এ অঞ্চলের মহাসড়কগুলো বন্ধ হয়ে পড়েছে। চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে রেল পরিবহনেরও।
সুত্র
©somewhere in net ltd.