নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সোনালি প্রান্তর ।

সাধারন একজন মানুষ

সোনালীমাঠ

গ্রামের প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে যেতে মন চায় ।

সোনালীমাঠ › বিস্তারিত পোস্টঃ

মওদুদীবাদী জামাত-শিবিরের নামের সাথে ‘ইসলামী’ শব্দ ব্যবহার নয়

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:০৭



ইসলাম শান্তির ধর্ম। অন্যায়ভাবে নিরপরাধ মানুষের উপর, তাদের জান-মালের উপর হামলা করা বা ক্ষতি করা ইসলাম কোনো শর্তেই সমর্থন করে না। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যার হাত ও জবান হতে মানুষ নিরাপদ নয়, সে আমার উম্মত নয়।” আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “ফিতনা কতলের চেয়েও ভয়ঙ্কর।” এছাড়াও শান্তি-শৃঙ্খলার বিষয়ে পবিত্র ইসলামী শরীয়তে অনেক আদেশ নিষেধ রয়েছে।

প্রসঙ্গত, মওদুদীবাদী জামাত ও তাদের সহযোগী সংগঠন শিবির তাদের নামের সাথে ‘ইসলামী’ পবিত্র শব্দটি ব্যবহার করে থাকে। যা মূলত পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে অবমাননা করার শামিল।

কেননা, প্রথমতঃ এরা কোনো ইসলামী দল নয়, বরং হারাম গণতন্ত্রের অনুসারী রাজনৈতিক দল। যেটা তাদের গঠনতন্ত্র পরিবর্তন করে ‘আল্লাহ্-রসূল’ পবিত্র শব্দদ্বয় বাদ দেয়া থেকে প্রমাণিত হয়েছে। দ্বিতীয়তঃ এদের কার্যক্রম, আমল, আক্বীদা সম্পূর্ণরূপে অনৈসলামিক।

তৃতীয়তঃ অতীতে বিভিন্ন সময়ে ও বর্তমানে তাদের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ থেকেও স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে- এরা মূলত সন্ত্রাসবাদী। ‘ইসলাম’ শুধু তাদের কাগজে কলমে। অন্তরে যদি ইসলাম থাকতো তবে মহান আল্লাহ পাক উনার ভয় তাদের অন্তরে থাকতো, অন্যায়ভাবে মানুষের উপর হামলা করতো না, তাদের জান-মালের ক্ষতি করতো না, বোমাবাজি করতো না। এই জামাত-শিবির মূলত হচ্ছে মওদুদীবাদী। তারা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার আদর্শ মুবারক অনুসরণ করে না, বরং গুমরাহ মওদুদীর আদর্শ অনুসরণ করে। মৌলবাদ, সন্ত্রাসবাদ অনুসরণ করে। কাজেই তাদের ‘ইসলামী’ বলা যায় না, বলা উচিত নয়। সুতরাং মিডিয়া, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সকলের উচিত বিষয়টি বিবেচনায় এনে তাদের নামের সাথে ‘ইসলামী’ শব্দটি ব্যবহার না করা। প্রয়োজনে এ পবিত্র শব্দটি তাদের নাম থেকে বাতিল করতে বাধ্য করানো উচিত।

মন্তব্য ৫ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:২১

দিশার বলেছেন: সহিহ বোখারি, ভলুম ৫ বই ৫৯ হাদিস ৬৩৭:
বুরায়দা বর্ণনা করলেন:
রসুলুল্লাহ আলীকে খালেদের কাছে পাঠালেন খুমুস (যুদ্ধে লব্ধ মাল) নিয়ে আসার জন্যে। আমি আলীকে ঘৃণা করতাম। সে সময় আলী গোসলে ছিলেন (এক যুদ্ধ বন্দিনীর সাথে সহবাস করার পর); আমি খালেদকে বললাম: আপনি কি তাকে দেখলেন (অর্থাৎ আলীকে)? আমরা নবীজির কাছে পৌঁছিলে তাঁকে এ ব্যাপারে অবহিত করলাম। তিনি বললেন: “হে বুরায়দা, তুমি কি আলীকে ঘৃণা কর?” আমি বললাম: “জী হ্যাঁ”; তিনি বললেন: “তুমি তাকে ঘৃণা করছ, তবে সে তো ঐ খুমুস থেকে আরও বেশী পাবার যোগ্য।”সহিহ বোখারি, ভলুম ৫ বই ৫৯ হাদিস ৬৩৭:
বুরায়দা বর্ণনা করলেন:
রসুলুল্লাহ আলীকে খালেদের কাছে পাঠালেন খুমুস (যুদ্ধে লব্ধ মাল) নিয়ে আসার জন্যে। আমি আলীকে ঘৃণা করতাম। সে সময় আলী গোসলে ছিলেন (এক যুদ্ধ বন্দিনীর সাথে সহবাস করার পর); আমি খালেদকে বললাম: আপনি কি তাকে দেখলেন (অর্থাৎ আলীকে)? আমরা নবীজির কাছে পৌঁছিলে তাঁকে এ ব্যাপারে অবহিত করলাম। তিনি বললেন: “হে বুরায়দা, তুমি কি আলীকে ঘৃণা কর?” আমি বললাম: “জী হ্যাঁ”; তিনি বললেন: “তুমি তাকে ঘৃণা করছ, তবে সে তো ঐ খুমুস থেকে আরও বেশী পাবার যোগ্য।”

২| ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ২:১৮

শার্ক বলেছেন: I read that moududi said Allah can tell a lie. nauzubillah.

৩| ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৩:৫৬

এন্টিবায়োটিক বলেছেন: ভাইজান কোন দলটা করা যায় বলেন তো

৪| ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:২৬

সংকেত মাহমুদ বলেছেন: @ দিশার ,এটা ক্যামন জামাতি স্টাইলে ইসলাম কায়েম!!! ৭১ এ ছাগুরা মুসলমান হয়ে এদেশের মুসলিম মেয়েদের ইজ্জত লুন্ঠন করেছিল আর চোদমারানী মাগীর পোলা দিশার তুই সেইটারে জায়েজ করার জন্য হাদিস দেখাইতাছোস ।

৫| ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:২৭

সংকেত মাহমুদ বলেছেন: ছাগুদের বিশ্বাস হয় না, ধৃত ব্যাক্তিরা অরিজিনাল আলবদর- রাজাকার ।আরে হারামজাদা ছাগুর দল- ধৃত ব্যাক্তিরা তো শুধু রাজাকার বাহিনীর একজন সাধারন সদস্যই না বরং রাজাকার-আলবদর-দোষর বাহিনীর কেন্দ্রীয় লিডার ।
যে নিজামী আলবদরে লিড দিছে, "অস্ত্রের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধর "এই কথা বইলা যে মুজাহিদ গনহত্যাকারী রাজাকারদের নির্দেশ দিছে , যে গোলাম আজম তার কর্মীদের খুনী পাক হানাদার বাহিনীরে সহযোগিতা করার নির্দেশ দিছে , তারা ৭১ এ নিশ্পাপ শিশু । অথচ এরা তো ছিল, গনহত্যাকারী দোষর বাহিনীর কেন্দ্রীয় লিডার ।কেননা ’৭১-এ মুক্তিযুদ্ধকালে রাজাকাররেরা যাদের হত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতন করেছে, তাদের সঙ্গে রাজাকারদের কোনো ব্যক্তিগত বা পারিবারিক শত্রুতা ছিল না। লাখ লাখ মানুষকে ঠান্ডা মাথায় হত্যা করা হয়েছিল দলীয় ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নির্দিষ্ট আদর্শিক প্রেরণায় উদ্বুদ্ধ হয়ে। রাজাকার বাহিনী হত্যাযজ্ঞে মেতে উঠেছিল এই লিডারদের রাজনৈতিক আহ্ববানেই ।
বাংলার স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অধিনস্ত রাজাকারদের অস্ত্র হাতে নিতে মুজাহিদের নির্দেশঃ X(( X(( X(( +
১৯৭১ এর গনহত্যাকারী আলবদর বাহিনীকে একশনে উৎসাহিত করতে আলবদরের নেতা নিজামীর প্রচেষ্টার নমুনাঃ





আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.