| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বাংলাদেশের মতামতের তোয়াক্কা না করে জালিম ভারত একের পর এক বাধ নিয়ে এদেশকে মরুভুমি বানাণোর পরিকল্পনায় মেতেছে । আজ এরাই মরুভুমি হওয়ার পথে ।
তিব্বতে ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর চীনের তিনটি হাইড্রোপাওয়ার বাঁধ প্রকল্প নিয়ে শঙ্কিত ভারতের অরুণাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী নাবাম তুকি। তুকি বলে, “চীনের ওই তিনটি বাঁধ ভাটি অঞ্চলের এলাকার স্বার্থে আঘাত হানবে।”
দুই হাজার ৯০৬ কিলোমিটার দীর্ঘ ব্রহ্মপুত্র তিব্বতে সাঙপু নামে পরিচিত। বঙ্গোপসাগরে পতিত হওয়ার আগে এশিয়ার দীর্ঘতম নদীটি তিব্বতে এক হাজার ৬২৫ কিলোমিটার, ভারতে ৯১৮ কিলোমিটার ও বাংলাদেশে ৩৬৩ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বয়ে গেছে।
চীন খরাপীড়িত প্রদেশে পানির প্রবাহ সরিয়ে নিতে ব্রহ্মপুত্র নদীর ওপর বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা করছে চীন।
চীনের এ পরিকল্পনার বিরোধিতা করছে ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলের সরকারগুলো।
তুকি বলে, “যদি চীন বাঁধ নির্মাণ করে তাহলে আমরা কিছুই করতে পারব না। আমাদের উদ্বেগ হচ্ছে যে ভাটি অঞ্চলের জনগনের জীবন যেন বাঁধের কারণে আক্রান্ত না হয়।”
চীনের সরকার জানিয়েছে, হাইড্রোপাওয়ার বাঁধ বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রচেষ্টা বা ভাটির অঞ্চলের বাস্তুসংস্থানগত পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না।
বিশেষজ্ঞরা জানায়, যদি প্রকল্প বাস্তবায়ন হয় তাহলে ভারত ও বাংলাদেশের মানুষের জীবনে ভয়াবহ বিপর্যয নেমে আসবে।
ভারতের আসাম ও অরুণাচল প্রদেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড হচ্ছে কৃষি। কৃষিবিজ্ঞানীদের মতে, এ দুই রাজ্যের ২ কোটি ৭০ লাখ মানুষের ৮০ শতাংশ জীবন নির্বাহ করে কৃষিকাজ করে।
২|
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:০৯
খুব সাধারন একজন বলেছেন: দেশটা যাচ্ছে।
৩|
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:২৩
শূন্য পথিক বলেছেন:
©somewhere in net ltd.
১|
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:৫৮
চৌকশ বলেছেন: ঢিল মারলে একদিন না একদিন পাটকেল খেতেই হবে। এবার যদি মমতাদি একটু বুঝে, তিস্তার পানিচুক্তি নিয়ে খেলা করলে বাংলাদেশের মানুষের জন্য সেটা কতটা কষ্টকর। এখন পারো যদি চীনকে আটকাও।
কিন্তু নদীর মুখে বাঁধ দেওয়ার ঘোরতর বিরোধী আমি, সে ভারতই হোক আর চীন। মানুষ যদি মানুষের জন্য চিন্তা না করে, অন্তত পানি বা খাদ্য সংকট নিয়ে, তবে কে করবে। এগুলো নিয়ে তো আর রাজনীতি চলতে পারে না।