| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল শাহবাগের গণজাগরণ চত্বর। দীর্ঘ ১৭ দিন ধরে লাখো কণ্ঠে দিনরাত উচ্চারিত হচ্ছে, জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি। ঠিক তখনও শাহবাগের আশপাশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরে গড়ে ওঠা শতাধিক ছাত্রাবাসে চলছে শিবিরের গোপন কার্যক্রম।
রাজধানীতে হরতালসহ শিবিরের নানা কর্মসূচিতে এ সকল মেস থেকে শিবির ক্যাডাররা সক্রিয় অংশগ্রহণ করে বাস ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, ককটেল বিস্ফোরণসহ নানা নাশকতামূলক কর্মকাÐ চালিয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয়রা বলছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরে অন্তত শতাধিক ছাত্রাবাস রয়েছে। বর্তমানে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চাপে কোনঠাসা শিবির এ ছাত্রাবাসগুলোতে গোপনে কার্যক্রম চালাচ্ছে।
ঢাবি সংলগ্ন এলাকায় শিবিরের কার্যক্রম বিষয়ে ডিএমপি’র অতিরিক্ত কমিশনার আব্দুল জলিল মÐল বাংলানিউজকে বলেন, ‘‘নাশকতার জন্য শিবিরের বৈঠক কিংবা মিছিল-মিটিং হলে আমরা সেখানে অভিযান পরিচালনা করছি। তা প্রতিরোধের চেষ্টা করা হচ্ছে।’’।
শাহবাগে যখন গণআন্দোলন তুঙ্গে তখনও এর আশেপাশে অন্তত শতাধিক ছাত্রাবাসে চলছে শিবিরের গোপন কার্যক্রম। বিশেষ করে পরীবাগের ফোকাস কোচিংয়ের গলি ও কাটাবন মসজিদ মার্কেটের সামনে কয়েকটি মেসে প্রতিদিনই শিবিরের গোপন বৈঠক চলছে।
আর এসব গোপন বৈঠকে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আটক জামায়াত নেতাদের মুক্তির দাবিতে চলমান আন্দোলন কি করে আরো বেগবান করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশে পরীবাগ, আজিমপুর, কাটাবন, এলিফ্যান্ট রোড, পলাশী, স্টাফ কোয়ার্টার, সেগুনবাগিচা, ফার্মগেট, বিজয়নগর, সলিমুল্লাহ এতিমখানা, লালবাগ, চানখারপুল, পুরান ঢাকার বিভিন্ন গলি এবং বিজিবি ১ নম্বর গেট এলাকায় শিবিরের শতাধিক ছাত্রাবাস রয়েছে। এ মেসগুলোতে স্থানীয় শিবির ক্যাডারের পাশাপাশি বহিরাগত শিবির ক্যাডাররা থাকে। সম্প্রতি কাওরানবাজার, পান্থপথ, ল্যাব এইড এবং ধানমণ্ডি এলাকায় শিবিরের ঝটিকা মিছিল ও বাস ভাঙচুর হয়েছে, সেগুলোতে এসব এলাকার শিবির ক্যাডাররা সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছে।
স্থানীয় লোকজনের আশঙ্কা, পুলিশের চোখ এড়িয়ে শিবির ক্যাডারদের সক্রিয় অবস্থান আইন-শৃঙ্খলার জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে। তারা যে কোনো মুহূর্তে সংঘটিত হয়ে নাশকতামূলক কর্মকান্ড ঘটাতে পারে। এ এলাকাগুলোতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি ও অভিযান পরিচালনার দাবি জানান তারা।
এসব এলাকার শিবিরের কার্যক্রম বিষয়ে ডিএমপি’র রমনা জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার সৈয়দ নূরুল ইসলাম বলেন, ‘‘আমরা এ ধরনের খবরে প্রতি রাতে অভিযান পরিচালনা করছি।’’
তিনি বলেন, ‘‘এসব এলাকা আমরা নজরদারির মধ্যে রাখি। গোয়েন্দা সদস্যদের দিয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে, কোনটি শিবিরের মেস। এছাড়া কোথায় কোথায় গোপন মিটিং হচ্ছে সে ব্যাপারেও আমরা খোঁজ-খবর নিচ্ছি।’’
নূরুল ইসলাম বলেন, ‘‘নিরাপদ কেউ যাতে হয়রানির শিকার না হয়, সে জন্য শতভাগ নিশ্চিত হয়ে আমরা অভিযান পরিচালনা করছি।’’
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৪১
সোনালীমাঠ বলেছেন: তারা ধর্মের নামে করেনা ।
২|
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৩৬
স্বপ্নের মানুষ বলেছেন: আমরা সাধারণরা পরছি ফান্দে
আশা করি এইখানে লিখবেন
ব্লগ, চ্যাট, ফোরাম
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৪৩
সোনালীমাঠ বলেছেন: ফান্দ চুটতেছে ।
৩|
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৩৭
আমি বীরবল বলেছেন: আপনি নিজে কোন মেসের সদস্য?
৪|
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৩৭
বোকামন বলেছেন: আল্লাহ এদের হেদায়েত দান করুক । প্রকৃত ইসলাম বুঝার তেীফিক দান করুক
আমীন
©somewhere in net ltd.
১|
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৩৫
তন্দ্রামোহ বলেছেন: সোনার ছেলেরা অস্ত্র নিয়ে মহড় দিক সমস্যা নেই। তারা তো সোনার ছেলে। তারা খুন করলেও সাত খুন মাফ। তবে শিবির যদি একটা কুকুরকে লাথি দেয় তবে ভারি অন্যায়।