| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
এ বছরের শুরুর দিকে (২০শে জানুয়ারির
২০১৩) দেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ
নারিকেলজিঞ্জিরা(সেন্টমার্টিন)
দেখতে গিয়েছিলাম ।
আসলে দেখার চেয়ে দেখানোই মুখ্য
উদ্দেশ্য ছিল।
ফ্রান্সের এক ফ্রেন্ড এসেছিল
বেড়াতে,তার সৌজন্যেই যাওয়া।
দ্বীপে(নারিকেলজিঞ্জিরা) যাওয়ার
পরের দিন সকালে আমাদের সিডিউল
ছিল ছেরাদ্বীপে স্নোর্কেলিং(sno
rkeling) করে প্রবাল দেখব।
কিন্তু আমার বেড লাক টাই খারাপ।
স্নোর্কেলিং এর টিউব+গ্লাস একটাই
পেলাম দ্বীপের বিভিন্ন দোকান ঘুরে।
কি আর করা ওটা নিয়েই রওনা হলাম
বোট এ করে ।
যথা সময়ে ছেরা দ্বীপে গিয়ে দেখি ওখ
ডাবের দোকান বেশ কয়েকটা।
ওগুলোরই একটার
দোকানি আমাকে স্নোর্কেলিং এর জন্য
গ্লাস আর টিউবের ব্যবস্থা করে দিল।
কিন্তু ঐ যে বললাম বেড লাকটাই খারাপ
ছিল।প্রায় ২ঘন্টা ঐ অপার সৌন্দর্য্যের
(সমুদ্র পৃষ্ঠে স্নোর্কেলিং করে)
মধ্যে কাটিয়ে ও কোরাল(জীবিত)
দেখা হল না।
কিছুতেই উঠতে ইচ্ছে হচ্ছিল না ঐ নীল
থেকে,কেমন যানি ঘোর
লেগে গিয়েছিল।
ফ্রেন্ডরা তো একবার
আমাকে না দেখে ডুবে গেছি মনে করে নৌ
বের হচ্ছিল । (মাইর ও খাইছি উঠার পর
তার জন্য।)
দোকানির কাছে গ্লাস-টিউব ফেরত
দিতে গিয়ে দেখি ওর কাছে
কোরাল আছে বেশ কয়েকটা,যা ও
বিক্রি করছে (যদি ও দ্বীপের বিভিন্ন
যায়গায় (বোর্ডে) নিয়মাবলিতে স্পস্ট
লেখা আছে কোরাল আহরন সম্পুর্ন
নিশেধ)।
দোকানি কে জিজ্ঞেস করলাম- কোরাল
আহরন যে বেআইনি তা সে জানে কিনা।
দোকানি উত্তর দিল- জানি,কিন্তু পেট
তো আর আইন মানে না।
আমি বললাম-কোরাল দেখতেই তো মানুষ
এখানে আসে,এভাবে কোরাল শেষ
করে দিলে মানুষ যখন আর আসবে না তখন
পেটকে কেমনে মানাবেন?!
যুক্তি তে হেরে উনি এ বিষয়ে আর
কথা বারাননি ।
আমি ও বুঝতে পারলাম যে যতই
তারে বুঝাই সে তার কাজ করেই যাবে।
তাই তার সাথে আর কথা বারালাম না।
পরে দ্বীপ
ঘুরতে গিয়ে দেখেছি অবাদে কোরাল
আহরন ও বেচাকেনা হচ্ছে।
এ ব্যপারে কর্তৃপক্ষ কতটুকু জ্ঞেন
রাখে জানি না।তবে উপযুক্ত
ব্যবস্থা না নিলে,অচিরেই কোরাল
দ্বীপের সৌন্দর্য্য কোরাল(জীবিত)
হারিয়ে যাবে আমাদের কাছ থেক।
ছবি : গুগোল থেকে।
©somewhere in net ltd.