| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
শের শায়রী
হৃদয়ের কাছে বুদ্ধির বাস ভাল কথা। কিন্তু মাঝে মঝে হৃদয়ের ওপর থেকে বুদ্ধির শাসন তুলে দিতে হয়, হৃদয়কে স্বাধীন করে দিতে হয়, মুক্ত করে দিতে হয়। স্বাধীন মুক্ত হৃদয়ের ধর্মকে সব সময় বুদ্ধি দিয়ে বিচার করতে নেই।।
![]()
“ইহা কেবল অভাগিনীর হৃদয়- জ্বালার ছায়া, পৃথিবীতে আমার কিছুই নেই শুধুই অনন্ত নিরাশা, শুধুই দুঃসময় প্রানের কাতরতা! কিন্তু তাহা শুনিবার লোক নাই। মনের ব্যাথা জানাইবার লোক জগতে নাই। কেন না আমি জগত মাঝে কলঙ্কিনী পতিতা। আমার আত্নীয় নাই, সমাজ নাই, বন্ধু নাই, বান্ধব নাই আমি ঘৃনিত বারনারী।“ বলছিলাম বাংলার ইতিহাসে প্রথম নারী অভিনেত্রী বিনোদিনী দাসীর কথা। যার অভিনয় প্রতিভায় আজকের বাংলা এই পর্যায়ে এসেছে তাকে আমরা ক’জনাই বা চিনি? ক’জনা তার নাম জানি? আমার এ লেখা আজ তার জন্মসার্ধশতবৎসরে তার প্রতি আমার বিন্ম্র শ্রদ্বা নিবেদন।
প্রথম অভিনয় ১২ বৎসর বয়সে ১৮৭৪ সালের ২রা-১২ ডিসেম্বর, আর ১২ বৎসর বাদে ১৮৮৭ সালের ১লা জানুয়ারী তার শেষ অভিনয়ের দিন “স্টার” রঙ্গমঞ্চে অভিনীত নাটকের সংখ্যা ৮১টি।
![]()
উপেক্ষা ছিল সমকালে উপেক্ষা আছে এ কালেও, অমরেন্দ্রনাথ দত্ত অভিনয় শিল্পীদের জীবনি গ্রন্থ “অভিনেত্রী কাহিনী” বলে একটা বই ১৯১৫ সালে প্রকাশ করেন, সেখানে বিনোদিনীর একটি ছবি ও সামান্য মন্তব্য আছে, অথচ সে গ্রন্থেই তারাসুন্দরী, তিনকড়ি, সুশীলাবালা, নরীসুন্দরী, কুসুমকুমারী, বনবিহারী, রানীসুন্দরী, হরিসুন্দরীর কথা যেভাবে স্থান পেয়েছে বিনোদিনীর গুরুত্ব আনুযায়ী সে ভাবে পায়নি। ঊল্লেখ্য উপরোক্ত অভিনেত্রীরা প্রায় সবাই বিনোদিনীর হাত ধরে বাংলা নাট্য মঞ্চে প্রবেশ করে। এর পিছনে কি নাট্য জগতের কোন রাজনীতি কাজ করত? আমি বলব অবশ্যই। কারন বিনোদিনীর সঠিক মূল্যায়ন করতে গেলে সে কালে অনেক রথী মহারথীর নাম এতভাবে পাদ প্রদীপের নীচে আসে না।
![]()
একজন বারবনিতা যে কিনা টাকার কাছে বিক্রি হতে অভ্যস্ত, অথচ থিয়েটার কে ভাল বেসে গুর্মূখ রায়ের ৫০০০০ টাকা ও পায়ে দলে যায়। বিত্তশালী গুর্মূখ চেয়েছিল বিনোদিনী নাটকে না এসে শুধু তার বাধা মেয়ে মানূষ হিসাবে থাকবে। ১৮৮৩ সালের দিকে গিরিশ ঘোষ স্টার থিয়েটার গড়ে তুলেছিলেন।কারণ গ্রেট ন্যাশনাল থিয়েটারের মালিক ছিলেন একজন অবাঙ্গালী ব্যবসায়ী প্রতাপচাঁদ জহুরী, যিনি থিয়েটারকে ব্যবসা হিসেবেই দেখতেন। তাই তাঁর অধীনে কাজ করা গিরিশ ঘোষ এবং বিনোদিনী কারও পক্ষেই সহজ ছিল না। থিয়েটার গড়ে তোলার জন্য যে রকম টাকা পয়সা দরকার ছিল , তা গিরিশ ঘোষের ছিল না। একজন ২০-২১ বছরের ব্যবসায়ী গুরমুখ রায় অর্থ সাহায্য প্রদান করেন।থিয়েটারের চেয়ে তার বিনোদিনীর প্রতিই বেশি আকর্ষণ ছিল। গুরমুখ রায় বিনোদিনীকে ৫০ হাজার টাকায় কিনে নিতে চেয়েছিল যাতে সে অভিনয় ছেড়ে দেয়।বিনোদিনী আংশিক রাজী হন সে প্রস্তাবে কারণ তিনি অভিনয় ছাড়তে রাজী ছিলেন না। গুরমুখ রায়ের রক্ষিতা হন বিনোদিনী।এই ঘটনায় তাঁর পূর্ববর্তী মালিক ধনী জমিদার ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং তিনি লাঠিয়াল দিয়ে নতুন থিয়েটার ভেঙ্গে দিতে চেষ্টা করেন।সেই ধনী জমিদার তলোয়ার হাতে বিনোদিনীর শোবার ঘরে প্রবেশ করে তাকে খুন করতে উদ্যত হন। কিন্তু বিনোদিনী উপস্থিত বুদ্ধির জোরে সে যাত্রা বেঁচে যান। বিনোদিনী তার আত্নকথায় কখন ও নিজের বারবনিতা পরিচয় গোপন করার চেষ্টা করেন নি। কিন্ত অভিনেত্রী হিসাবে তো নয়ই, লেখিকা হিসাবেও নয় হয়ত মানুষ হিসাবেও তার মূল্যায়ন হয়নি। উল্লেখ্য বিনোদিনী ৪০ বৎসর কাল বেশ কিছু লেখা লিখছেন হয়ত সাহিত্যের মান দন্ডে উচু মানের কিছু না কিন্তু তার থেকেও অনেক কাচা হাতের লেখা এ সমাজে প্রতিষ্টা পেয়ে গেছে।
![]()
বিনোদিনীর নাট্য গুরু গিরিশ চন্দ্রর প্রচ্ছন্ন প্রতিদ্বন্দ্বীতা এ ক্ষেত্রে বিনোদিনীকে তার প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত করেছে। গিরিশ্চন্দ্র এ অভিযোগ থেকে কোন দিন রেহাই পাবেনা। বিনোদিনী ধনী যুবক গুর্মুখ রায়ের ৫০০০০ টাকার প্রলোভন ত্যাগ করেন । বরং বাংলা থিয়েটারের উন্নতির জন্য তিনি নতুন থিয়েটার খুলতে রাজি হন এবং গুর্মুখ রায়ের রক্ষিতা হতেও রাজি হন । বিনোদিনীর ইচ্ছা ছিল যে নতুন থিয়েটার তৈরি হবে তা বিনোদিনীর নামে বি-থিয়েটার হবে । কিন্তু কিছু মানুষের প্রতারনার শিকার তিনি হন । যাঁদের মধ্যে তাঁর নিজের অভিনয় গুরু গিরিশচন্দ্রও ছিলেন । বিনোদিনীর ত্যাগ স্বীকারে যে নতুন থিয়েটার তৈরি হয় বিনোদিনীর নাম তাতে থাকেনি । এই নতুন থিয়েটারের নাম হয় স্টার থিয়েটার । অবশ্য অভিনেত্রী হিসাবে বিনোদিনীর প্রসংশা করতে কার্প্যন্য করেন্নি গিরীশচন্দ্র।
এ ক্ষেত্রে স্বপনবুড়োর “শতবর্ষের আলোকে আমার দেখা নাট্য রথী মহারথী” থেকে উল্লেখ্য করা গেল, তখন আমার কৈশর কাল বলা চলে। স্কটিশ বিদ্যালয়ের নিচু ক্লাশে পড়ি, থাকি ভাড়া বাড়িতে ১৪৫ কর্নোয়ালিশ ষ্ট্রিটে। এই বাড়ীর মালিক গিরীশচন্দ্রের মন্ত্র শিষ্যা সেকালের নাট্য সম্রাজ্ঞী শ্রীমতি বিনোদিনী দাসী। বিনোদিনী তখন সবে রঙ্গালয় থেকে অবসর গ্রহন করেছেন। প্রতিদিন একটি কমন্ডুল নিয়ে আমাদের বাসা বাড়ীর সামনে দিয়ে গঙ্গাস্নান করতে যেতেন। গায়ের রং তখনও পাকা মর্তমান কলার মত। বড়দের কাছে গল্প শুনতাম এই বিনোদিনীর গিরীশ চন্দ্রের “চৈতন্যলীলায়” চৈতন্যের ভূমিকায় অভিনয় করে সারা বাংলাদেশকে মাতিয়ে তুলছিলেন। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ চৈতন্য লীলায় অভিনয় দেখে এই বিনোদিনীর মাথায় হাত রেখে আর্শীবাদ করে ছিলেন, তোমার চৈতন্য হোক। আরো শুনছিলাম এই ষ্টার থিয়েটার তার নাম করনে হবার কথা ছিল কিন্ত গীরিশচন্দ্রের আপত্তিতে তা হয়নি।“
বিনোদিনী যখন দ্বিধাহীন চিত্তে বলেন –‘ জ্ঞানী গুনী বিজ্ঞ ব্যাক্তিরা লেখেন লোক শিক্ষার জন্য, পরোপকারের জন্য, আমি লিখিলাম আমার নিজের স্বান্তনার জন্য, হয়তো প্রতারনা বিমুগ্ব নরক পথে পদবিকোর্পোদ্যতা কোন অভাগিনীর জন্য। কেননা আমার কোন আত্নীয় নাই, আমি ঘৃনিত, সমাজ বর্জিতা, বারবনিতা, আমার মনের কথা বলিবার বা শুনিবার কেহ নেই। তাই কালি কলমে লিখিয়া আপনাকে জানাইলাম। আমার কলূষিত কলঙ্কিত হৃদয়ের ন্যায় এই নির্ম্মল সাদা কাগজকে ও কলঙ্কিত করলাম। কি করিব! কলঙ্কিনীর কলঙ্ক ব্যাতীত আর আছে কি?
আছে- অনেক কিছু আছে- যন্ত্রনার, বঞ্ছনার, উপেক্ষার বিস্মৃতির জাল সরাইয়া একটি সৃজনশিল সত্ত্বা আবিস্কারের আমার ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা তো থাকতে পারে
বিখ্যাত মঞ্চ অভিনেত্রী শিমুল ইউসুফ বিনোদিনী চরিত্রকে মূল্যায়ন করেন এভাবে বিনোদিনী দাসী নিজেই তো নেচে-গেয়ে অভিনয় করে যান, আমি তো নিমিত্ত মাত্র। আজ জীবনের অন্য পার থেকে শ্রীমতি বিনোদিনী দাসী আপনি অন্তত এটুকু জানুন ভালোবাসায় ভাগ্য ফেরে না যদিও, ভালোবাসা গড়ে দেয় পূজ্য শিল্পপ্রতিমা। আজ এই মঞ্চায়ন আপনার নামেই সম্মান বহন করবে, যে সম্মান নিরন্তর বহন করে চলেছেন শিমুল ইউসুফ।
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:০৩
শের শায়রী বলেছেন: আমার কৃতজ্ঞতা জানবেন
২|
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৪৬
সবুজসবুজ বলেছেন: সরাসরি প্রিয়তে
![]()
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৪৮
শের শায়রী বলেছেন:
![]()
৩|
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:২৪
শ্রাবণধারা বলেছেন: বিনোদিনী দাসীর কথা প্রথম পড়েছিলাম সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রথম আলোতে..। রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের সাথে তার দেখা হবার ঘটনাটাও ওখানে ছিল...।
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৩২
শের শায়রী বলেছেন: বিঙ্গো।
৪|
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪০
শব্দহীন জোছনা বলেছেন:
আপনার পোস্ট গুলো সুন্দর...
মাইন্ড কইরেন না অনুসরনে নিলাম
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫২
শের শায়রী বলেছেন: এত আনন্দ আমি কোথায় রাখি। সব সময় ভাল থাকবেন
৫|
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৮:০১
রিফাত হোসেন বলেছেন: ++++++
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৮:১৭
শের শায়রী বলেছেন: ধন্যবাদ
৬|
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৮:১০
একজন ঘূণপোকা বলেছেন: ভাল লাগা দিয়ে গেলাম
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৮:১৬
শের শায়রী বলেছেন: মাথা পেতে নিয়ে নিলাম
৭|
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৩৭
শিরিষ গাছ বলেছেন: সম্ভবত সুনীলের প্রথম আলোয় বিনোদিনী নিয়ে অনেক কিছু পড়েছিলাম.....
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৪০
শের শায়রী বলেছেন: খাটি কথা, অনেক কিছু আছে ওখানে
৮|
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৯:৫৩
আরজু পনি বলেছেন:
আপনার পোস্টগুলো কয়দিন থেকে খেয়াল করছি....দারুন দারুন পোস্ট দিচ্ছেন।
এমন ব্লগারই অনসরণীয়।
আপনাকে দেখেই অন্যেরা ভালো লিখতে অনুপ্রাণিত হবে।
অনেক শুভকামনা রইলো।
শেয়ার্ড।
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:১৩
শের শায়রী বলেছেন: আরজুপনি কি বলব, আসলে ব্লগিয়ের ক, খ, গ শিখছি। শুধু এই টুকে জানি আপনি যা বলল্লেন তাতে আমি বলব "এই মনিহার আমায় নাহি সাজে"। আপনাদের দেখেই কিছু শিখছি, ২/৪ লাইন লিখছি। অভিনন্দন আপনাদের, যারা এই রকম একটা অকাট মুর্খকে ২ লাইন লিখতে শিখানোর সাহস দিন।
ভাল থাকুন। সুস্থ্য থাকুন। আমার কৃতজ্ঞতা নিন।
৯|
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৫০
কাউসার রুশো বলেছেন:
পরপর দুটো পোস্ট। দুটোই চলচ্চিত্রে নারীর ভূমিকা নিয়ে। দুটোই দুর্দান্ত পোস্ট।
চলচ্চিত্র বিষয়ক ই-বুক 'এক মুঠো চলচ্ছবি'-র তৃতীয় সংখ্যার জন্য লেখা আহবান
আশা করি আপনার লেখা পাবো
শুভকামনা থাকলো
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১১:০০
শের শায়রী বলেছেন: ভাই আপনার মত মানুষের দৃষ্টি আকর্ষন করতে পারাই অনেক বড় পাওয়া। বলছেন দিতে? দিলাম দিয়ে ওই দুটোই
১০|
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:১১
আখাউরা পূলা বলেছেন: অসাধারন লাগল! উপস্থাপনেও মুগ্ধ! প্রায় দেড়শ বছর আগের সময়ে ১ সো কল্ড বেশ্যার চেতনায় নিজেকে হারিয়ে ফেলেছিলাম….
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:২১
শের শায়রী বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই
১১|
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:১৭
স্বপনবাজ বলেছেন: শব্দহীন জোছনা বলেছেন:
আপনার পোস্ট গুলো সুন্দর...
মাইন্ড কইরেন না অনুসরনে নিলাম ![]()
আমিও
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:২৩
শের শায়রী বলেছেন: কি বলতে হয় যখন কেঊ অনুসরনে নেয়? নয়া ব্লগার ভাই। আমার কৃতজ্ঞতা নিন
১২|
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৫৫
অচল পথিক বলেছেন: দারুন। বেশ ইনফর্মেটিভ! ! ![]()
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১:০০
শের শায়রী বলেছেন: ধন্যবাদ
১৩|
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১:০৩
শিপন মোল্লা বলেছেন: চমৎকার পোস্ট।
+++
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১:৩১
শের শায়রী বলেছেন: ধন্যবাদ
১৪|
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৪০
এম এম ইসলাম বলেছেন: সুন্দর পোস্ট।
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৪২
শের শায়রী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ
১৫|
১৫ ই মার্চ, ২০১৩ দুপুর ২:২৭
অনন্ত জীবন বলেছেন: শ্রাবণধারা বলেছেন: বিনোদিনী দাসীর কথা প্রথম পড়েছিলাম সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রথম আলোতে..। রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের সাথে তার দেখা হবার ঘটনাটাও ওখানে ছিল...।
১৫ ই মার্চ, ২০১৩ বিকাল ৩:০০
শের শায়রী বলেছেন: ঠিক ভাই
১৬|
১৮ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:২২
ফারিয়া বলেছেন: আপনার পোষ্ট অসাধারন! শিক্ষামুলক ও বটে! প্লাস!
১৯ শে মার্চ, ২০১৩ ভোর ৪:৩১
শের শায়রী বলেছেন: আমার কৃতজ্ঞতা জানবেন আপু।
১৭|
২২ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ১২:৫৬
সৌম্য বলেছেন: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের "সেই সময়" বইটাতে বিনোদিনি দাসী অন্যতম মুল চরিত্র।
২২ শে মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৪৭
শের শায়রী বলেছেন: সেই সময় বেশ কিছু চমৎকার নামজাদা ক্যারেক্টারের আর অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা আপনি সময় করে যে আমার ব্লগে আসছেন। আপনার লেখা আমার বেশ লাগে।
২৯ শে নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:২৪
শের শায়রী বলেছেন: ফ
২৯ শে নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:২৮
শের শায়রী বলেছেন: সেই সময় বেশ কিছু চমৎকার নামজাদা ক্যারেক্টারের আর অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা আপনি সময় করে যে আমার ব্লগে আসছেন। আপনার লেখা আমার বেশ লাগে।
১৮|
২৭ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৩:১২
হাসান রাজু বলেছেন: অসাধারন একটা পোস্টে ভালোলাগা জানিয়ে রাখলাম।
২৭ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৩:৫২
শের শায়রী বলেছেন: এত পুরানো পোষ্টে আপনার মন্তব্য আমাকে আপ্লুত করল। কৃতজ্ঞতা জানুন।
©somewhere in net ltd.
১|
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:০১
Ashish বলেছেন: এক কথায় চমৎকার একটা পোস্ট। ভালো লাগা রইল।