নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অমরত্বের লোভ কখনো আমাকে পায়না। মানব জীবনের নশ্বরতা নিয়েই আমার সুখ। লিখি নিজের জানার আনন্দে, তাতে কেউ যদি পড়ে সেটা অনেক বড় পাওয়া। কৃতজ্ঞতা জানানো ছাড়া আর কিছুই নেই।

শের শায়রী

হৃদয়ের কাছে বুদ্ধির বাস ভাল কথা। কিন্তু মাঝে মঝে হৃদয়ের ওপর থেকে বুদ্ধির শাসন তুলে দিতে হয়, হৃদয়কে স্বাধীন করে দিতে হয়, মুক্ত করে দিতে হয়। স্বাধীন মুক্ত হৃদয়ের ধর্মকে সব সময় বুদ্ধি দিয়ে বিচার করতে নেই।।

শের শায়রী › বিস্তারিত পোস্টঃ

এক পাকিস্তানী মুক্তিযোদ্ধার কাহিনী (MY HATS OFF TO YOU SIR) ( রিপোষ্ট)

২৩ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:৩৩





বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে অনেক পাকিস্তানী সমর্থন দিয়েছিল শুনেছি কিন্তু এভাবে এই পর্যায়ে এত সাহায্য করেছিল তা আগে জানতাম না।সরকারকে অনুরোধ করবো সৈয়দ আসিফ শাহকারকে যেন স্থায়ী বাংলাদেশী নাগরিকত্ব দেন।শুধু বাংলাদেশী নাগরিকই না,তাকে মুক্তিযোদ্ধার সনদ দেয়া হোক যদি এখনো না দেয়া হয়।একটা সময় হয়তো সকল পাকিস্তানীই অনুধাবন করবে যে তাদের শাসকরা যে কতবড় জঘন্য অপরাধ করেছিল এবং তারাও জালিম শাসকদের সাপোর্ট দিয়েছিল।দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় গণহত্যা আর একক দেশ ও আয়তন হিসেবে পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় গণহত্যার আয়োজকদের একসময় পাকিস্তানের মানুষই অন্তরের সবটুকু ঘৃণা দিয়ে লালন করবে,এই কামনা করি।যদিও প্রশ্ন থেকে যায় এত দেরীতে বাংলাদেশীরা সেটা মার্জনা করবে কি না।আমি করবো না।আসিফ শাহকারের কয়েকটি কথা তাৎপর্যপূর্ণ।সেটা হল "আমার কাছে মনে হয়েছে, গত চার দশকে বাংলাদেশের অর্জন অনেক। আর্থিক, সামাজিক—সব দিক দিয়ে। এ দেশে একটি উদার সমাজ তৈরি হয়েছে। যেখানে স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করা যায়। আপনাকে বলতে পারি, এ দেশের মতো মুক্ত পরিবেশ পাকিস্তানে নেই। বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পাকিস্তানের চেয়ে অনেক ভালো। "-----আমাদের দেশে অনেক হতাশাবাদী ও পাকিস্তান ভাঙ্গার দুঃখে একাকার হয়ে যাওয়া কিছু নির্বোধেরা বলে যে স্বাধীনতা পেয়ে কি লাভ হল? আগেও ছিল মানচিত্র এখনো সেটাই আছে!!তাদের বলবো জীবনবীমা করে একবার মাসখানেক পাকিস্তান ঘুরে আসুন।রিস্ক না নিতে চাইলে dawn.comএ পড়ে দেখতে পারেন যে পাকিস্তানীরা কত আরামে(!!!) আছে!



সৈয়দ আসিফ শাহকার। জন্মসূত্রে পাকিস্তানি। এখন সুইডেনের নাগরিক। সাধারণ নাগরিক নন, সে দেশের বিচারপতি তিনি। এই প্রথম এলেন বাংলাদেশে। অথচ এ দেশটির মুক্তির জন্য লড়াই করেছেন। এ দেশে না এসেও কেমন করে জড়িয়ে পড়লেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে, কেমন করেই বা হয়ে উঠলেন সুইডেনের নাগরিক? ১৩ ডিসেম্বর প্রথম আলোর কার্যালয়ে আসেন তিনি। শোনান বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে তাঁর জড়িয়ে পড়ার বৃত্তান্ত। তিন সন্তানের জনক আসিফ শাহকার গর্ব করেন সেই সংগ্রামে অংশ নিতে পেরেছিলেন বলে।



সাক্ষাৎকার নিয়েছেন: পার্থ শঙ্কর সাহা



প্রথম আলো: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে জড়িয়ে পড়লেন কেমন করে?

সৈয়দ আসিফ শাহকার: আমি তখন ২২ বছরের তরুণ। পাঞ্জাব স্টুডেন্ট ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। এই সময়ে যখন পাকিস্তান সেনাবাহিনী সব শক্তি নিয়ে বাঙালিদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল, তখনো কিন্তু দেশের একটি অংশের মানুষের ওপর ইতিহাসের নিষ্ঠুরতম সেই হত্যাযজ্ঞের খবর রাখেনি বা রাখতে চায়নি পশ্চিম পাকিস্তানের বেশির ভাগ মানুষ। কিন্তু সে অঞ্চলের শুভবুদ্ধির কিছু মানুষ সেই বর্বরতার প্রতিবাদে মুখর হয়ে উঠল। আমাদের সংগঠন খান আবদুল ওয়ালি খানের নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) সমর্থক ছিল। ন্যাপ এই গণহত্যার প্রতিবাদ করেছিল। আমরাও প্রতিবাদ করলাম। গণহত্যা বন্ধের দাবি জানালাম। পাঞ্জাবে তখন সমাবেশ করতাম। প্রতিবাদী লিফলেট বিলি করতাম। সে সময় বাংলাদেশের মানুষের পক্ষে কবিতাও লিখেছি। আমাদের একটা ছোট্ট দল ছিল। এখানে ছিলেন প্রয়াত হাফিজ আহমেদ, দুই ভাই বাসিত মির, আর্সনাল মির ও রাজকুমার ব্যানার্জি। আমাদের এ সময় বেইমান ও দেশদ্রোহী হিসেবে চিহ্নিত করা হতো। লোকজন আমাদের ভীষণ অপছন্দ করতে শুরু করেছিল। আমরা যখন সমাবেশ করতাম তখন কেউ কেউ আমাদের দিকে পাথর ছুড়ে মারত। পাকিস্তানি সামরিক চক্র আমাদের এসব প্রতিবাদ সহ্য করল না, তাই আমাকে গ্রেপ্তার করল। এরপর কারাদণ্ড দিল।



প্রথম আলো: বন্দী অবস্থায় কেমন করে দিন কাটত আপনার?



সৈয়দ আসিফ শাহকার: পাঞ্জাবের লাহোরের ক্যাম্প জেলে বিশেষ ব্যবস্থায় বন্দী করে রাখা হয়েছিল আমাকে। সারা দিনে ২২ ঘণ্টা বন্দী করে রাখা হতো একটি ঘরে। যে ঘরে থাকা, সেই ঘরেই খাওয়া-দাওয়া থেকে শুরু করে সবকিছু। মানসিক ও শারীরিক—সব রকমের নির্যাতন চলেছে আমার ওপর।



প্রথম আলো: আপনি বন্দী হওয়ার পর এর কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছিল? কোনো প্রতিবাদ?



সৈয়দ আসিফ শাহকার: দুর্ভাগ্যজনকভাবে না। কোনো প্রতিবাদ তো দূরের কথা, পাকিস্তানের মানুষের কাছে তখন আমি একজন ঘৃণ্য দেশদ্রোহীতে পরিণত হয়েছিলাম। আমি প্রতিদিন নির্যাতন ভোগ করেছি কারাগারে। আর মগজ ধোলাই হওয়া পাকিস্তানিদের কাছে আমার পুরো পরিবারও এই ছেলের জন্য ঘৃণ্য হিসেবে চিহ্নিত হয়ে গেল। সেই সময় আমাকে জেলে দেখতে আসতেন আমার বাবা। তিনি বলতেন, এত বড় নোংরা কাজ করার জন্য বাবা হিসেবে তিনি লজ্জিত। অন্য কোনো অপরাধ করলেও তিনি এতটা লজ্জা পেতেন না। নিজের বাবার কাছ থেকে এ ধরনের কথা শোনা আমার জন্য কতটা কষ্টদায়ক ছিল, সেটা একবার ভাবুন।



প্রথম আলো: আপনি জেল থেকে ছাড়া পেলেন কবে?



সৈয়দ আসিফ শাহকার: মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির বিজয়ের পরপরই, অর্থাৎ ষোলোই ডিসেম্বরের পর আমি মুক্তি পেলাম অন্যান্য রাজবন্দীর সঙ্গে। এই বাংলাদেশের বিজয় আমাকে জীবন দান করল। যদি সেই যুদ্ধে বাংলাদেশ জয়ী না হতো, তবে আমার একটাই গন্তব্য হতো, তা হলো মৃত্যু। কোথায় যে আমার লাশ থাকত, আমার পরিবারও তার সন্ধান কোনো দিন পেত না। সেই জন্য বাংলাদেশের প্রতি আমার অগাধ ভালোবাসা।



প্রথম আলো: জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর আপনি কী করলেন?



সৈয়দ আসিফ শাহকার: জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর কিছু সময় কাজ করি পাকিস্তান টেলিভিশনে (পিটিভি)। আমি প্রযোজক ছিলাম। কিন্তু এই ‘কুলাঙ্গারের’ পক্ষে পাকিস্তানে থাকাটা দুরূহ হয়ে ওঠে। তাই দেশ ছেড়ে আশ্রয় নিই সুইডেনে, ১৯৭৭ সালে। সুইডেনের নাগরিকত্ব গ্রহণ করি। এরপর মাত্র দুবার পাকিস্তানে গেছি। আমি এখন সুইডেনের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছি।



প্রথম আলো: বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কখনো দেখেছেন? কীভাবে মূল্যায়ন করেন তাঁকে?



সৈয়দ আসিফ শাহকার: শেখ মুজিবের প্রতি আমার অসীম শ্রদ্ধা। তিনি বিরাট মাপের নেতা। তাঁকে দেখার সৌভাগ্য আমার কখনো হয়নি। তবে একবার পাকিস্তানে গিয়ে তাঁকে যে ‘শাহিওয়াল জেলে’ বন্দী রাখা হয়েছিল, সেই জেলখানায় গিয়েছিলাম। ওইখানেই বিপ্লবী ভগৎ সিংকে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছিল।



প্রথম আলো: বাংলাদেশের প্রতি আপনার ভালোবাসা অনেক, কিন্তু দেশ স্বাধীন হওয়ার পর একবারও এখানে আসেননি কেন?



সৈয়দ আসিফ শাহকার: গত ৪১ বছরে এ দেশে না এলেও আমার হূদয়জুড়ে সব সময় থেকেছে বাংলাদেশ। এ দেশের খবর রাখি সব সময়। কখনো একজন পর্যটক হয়ে আসতে চাইনি এ দেশে। এ দেশের সংগ্রামের সহযাত্রী হয়ে আসতে চেয়েছি। এবারে সেই আহ্বান এল। তাই এলাম, মুক্তিযুদ্ধের সুহূদ হয়ে। বাংলাদেশকে আমি আমার দেশ বলে মনে করি। এটাই আমার ঘর। আমি বাংলাদেশের একজন, তা ভেবে গর্ববোধ করি।



প্রথম আলো: স্বাধীনতার চার দশক পর সম্মান পেলেন, আপনার অনুভূতি কেমন?

সৈয়দ আসিফ শাহকার: ৪১ বছরের প্রতিটি মুহূর্তে আমি এই আহ্বানের জন্য অপেক্ষা করেছি। ৪১ বছর পর এই সম্মান আমি পেলাম। এটা আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্মান। আমি আপ্লুত, অভিভূত। আমি এখন গর্ব করে বলতে পারব, আমি দেশদ্রোহী নই। আমি একটি দেশের মুক্তিযোদ্ধা।

বাংলাদেশে না এলেও নিয়মিত বাংলাদেশের খোঁজখবর রাখি আমি। নিয়মিত পড়ি রবীন্দ্রনাথ, তবে ইংরেজিতে।



প্রথম আলো: আপনার জন্মস্থানে আপনি দেশদ্রোহী হিসেবে চিহ্নিত। কোনো কষ্টবোধ আছে আপনার?



সৈয়দ আসিফ শাহকার: পাকিস্তানের কাছে আমি দেশদ্রোহী, এতে আমার দুঃখ নেই। আমি মনে করি, পাশবিকতার বিরোধিতা করতে গিয়ে যদি এর চেয়ে খারাপ কোনো উপমা জোটে, তা-ও মেনে নেব নিশ্চিন্তে। সারা জীবন একটি কষ্ট আমাকে ভুগিয়েছে খুব। যখন বাংলাদেশিদের সঙ্গে পৃথিবীর কোনো জায়গায় পরিচয় ঘটেছে, পাঞ্জাবি মনে করে তাদের কাছেও ভৎর্সনাই পেয়েছি। পাকিস্তানের কাছেও আমি দেশদ্রোহী আর পাঞ্জাবি হওয়ার কারণে যাঁরা আমাকে চেনেন না, সেসব বাঙালির কাছে আমি ঘৃণিত। এটাই আমার জীবনের বড় দুর্ভাগ্য।

তবে আমার সব কষ্ট ম্লান হয়ে গেছে এবার মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা পেয়ে। এখন আমি আর বেইমান নই।



প্রথম আলো: আপনি নিশ্চয়ই জানেন, বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হচ্ছে, আপনার অনুভূতি কী?



সৈয়দ আসিফ শাহকার: ৪১ বছর চলে গেছে, তা-ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়নি, এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল এই বিচার। কিন্তু অনেক দেরিতে হলেও যে শুরু হয়েছে, এর শুভ সমাপ্তি হোক—এটা কামনা করি।



প্রথম আলো: স্বাধীনতার চার দশক পর বাংলাদেশকে কেমন দেখছেন?



সৈয়দ আসিফ শাহকার: আমার কাছে মনে হয়েছে, গত চার দশকে বাংলাদেশের অর্জন অনেক। আর্থিক, সামাজিক—সব দিক দিয়ে। এ দেশে একটি উদার সমাজ তৈরি হয়েছে। যেখানে স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করা যায়। আপনাকে বলতে পারি, এ দেশের মতো মুক্ত পরিবেশ পাকিস্তানে নেই। বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পাকিস্তানের চেয়ে অনেক ভালো।



প্রথম আলো: পাকিস্তান এখনো একাত্তরে তাদের কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা চায়নি। আপনি কি মনে করেন না যে ওদের ক্ষমা চাওয়া উচিত?



সৈয়দ আসিফ শাহকার: অবশ্যই। পাকিস্তান সেনাবাহিনী সে সময় গণহত্যা চালিয়েছিল, পাকিস্তানের নতুন প্রজন্ম কিন্তু এখন সেটা বুঝতে পারছে। আমার মনে হয়, সাধারণ পাকিস্তানিরাই একদিন শাসকদের বাধ্য করবে বাংলাদেশের কাছে ক্ষমা চাইতে।



প্রথম আলো: আপনাকে ধন্যবাদ।



সৈয়দ আসিফ শাহকার: আপনাকেও ধন্যবাদ। প্রথম আলোর মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণকে জানাই ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।

রিপোষ্ট

মন্তব্য ৫২ টি রেটিং +১৯/-০

মন্তব্য (৫২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ১০:০৮

কান্ডারি অথর্ব বলেছেন:


++++++++++++++++++++

২৪ শে মার্চ, ২০১৩ ভোর ৫:৩১

শের শায়রী বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই

২| ২৩ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ১০:১১

কালোপরী বলেছেন: ++++++++++++++++

২৪ শে মার্চ, ২০১৩ ভোর ৫:৩১

শের শায়রী বলেছেন: ধন্যবাদ বোন

৩| ২৩ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ১০:১৮

বইয়ের পোকা বলেছেন: স্যালুট ফর দিস ম্যান।

২৪ শে মার্চ, ২০১৩ ভোর ৫:৩১

শের শায়রী বলেছেন: স্যালুট ফর দিস ম্যান।

৪| ২৩ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ১০:৫২

কামরুল ইসলাম (সুমন) বলেছেন: কিছু জানতাম এতোটা জানতাম না +++

২৪ শে মার্চ, ২০১৩ ভোর ৫:৩১

শের শায়রী বলেছেন: স্যালুট ফর দিস ম্যান।

৫| ২৩ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ১১:২৫

আশিকুর রহমান ১ বলেছেন: সরকারে কাছে তাকে বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিকত্ব দেয়ার দাবী জানাচ্ছি!

২৪ শে মার্চ, ২০১৩ ভোর ৫:৩২

শের শায়রী বলেছেন: সহমত

৬| ২৩ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ১১:৪২

তারছেড়া লিমন বলেছেন: ভাই একদিন মনের দুঃখে নচিকেতার একটা হানের কলি আওরে ছিলাম
কে রাখে খোঁজ এই বুকের ব্যাথার
কার আছে সময়

আজ আবার বলতে ইচ্ছা করছে এই কথা গুলোই।।
কেমন আছেন অনেক দিন কোন খোঁজ পাই না।।

২৪ শে মার্চ, ২০১৩ ভোর ৫:৩৩

শের শায়রী বলেছেন: আপনাকেও কিন্তু মিস করি দেখি না যে। কি ব্যাপার ভাই।

৭| ২৪ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ১২:৫১

ড. জেকিল বলেছেন: দেশ-জাতি-ধর্ম বুঝিনা , যে আমার ভালো চায় সেই আমার বন্ধু। .........তার জন্য কৃ্তজ্ঞতা রইল।

২৪ শে মার্চ, ২০১৩ ভোর ৫:৩৪

শের শায়রী বলেছেন: ধন্যবাদ

৮| ২৪ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ১:১৩

হাসান মাহবুব বলেছেন: এসব অসাধারণ মানুষদের জন্যেই পৃথিবী এখনও বাসযোগ্য আছে।

২৪ শে মার্চ, ২০১৩ ভোর ৫:৩৪

শের শায়রী বলেছেন: সহমত ভাই

৯| ২৪ শে মার্চ, ২০১৩ ভোর ৬:০৯

রুদ্র মানব বলেছেন: এটা অনেক আগেই জানতাম , ব্লগে পোস্টটি পড়ে আরো অনেকে জানবে। তাই পোস্টে +++++++

২৪ শে মার্চ, ২০১৩ বিকাল ৫:২৯

শের শায়রী বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই। এদেরকে যত মানুষের কাছে নিতে পারব আমাদের দায়বদ্ধতা তত কমবে

১০| ২৪ শে মার্চ, ২০১৩ ভোর ৬:১০

আবিদ ফয়সাল বলেছেন: HATS OFF TO YOU SIR !!!

২৪ শে মার্চ, ২০১৩ বিকাল ৫:২৯

শের শায়রী বলেছেন: HATS OFF TO YOU SIR

১১| ২৪ শে মার্চ, ২০১৩ ভোর ৬:৪১

একজন নিশাচর বলেছেন: +++

২৪ শে মার্চ, ২০১৩ বিকাল ৫:২৯

শের শায়রী বলেছেন: কৃতজ্ঞতা ভাই

১২| ২৪ শে মার্চ, ২০১৩ ভোর ৬:৪৯

আমিই মিসিরআলি বলেছেন: শ্রদ্ধা জানাই এই প্রকৃত বীরকে

২৪ শে মার্চ, ২০১৩ বিকাল ৫:২৯

শের শায়রী বলেছেন: HATS OFF TO YOU SIR

১৩| ২৪ শে মার্চ, ২০১৩ দুপুর ২:০১

তারছেড়া লিমন বলেছেন: এই কয়দিন একটু ডুব মেরেছিলাম তাই ..........

২৪ শে মার্চ, ২০১৩ বিকাল ৫:৩০

শের শায়রী বলেছেন: সাথে থাকুন ভাই। ভাল লাগে ভাইদের দেখলে।

১৪| ২৪ শে মার্চ, ২০১৩ বিকাল ৪:৩৯

জাকারিয়া মুবিন বলেছেন: হ‍্যাটস অফ টু হিম।

২৪ শে মার্চ, ২০১৩ বিকাল ৫:৩০

শের শায়রী বলেছেন: HATS OFF TO YOU SIR

১৫| ২৪ শে মার্চ, ২০১৩ বিকাল ৫:৩৩

মনিরা সুলতানা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া ।।
পোস্ট এ +++++

২৪ শে মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:১৪

শের শায়রী বলেছেন: থ্যাঙ্কু আপু।

১৬| ২৪ শে মার্চ, ২০১৩ বিকাল ৫:৫৬

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: ১০ম +++ পাকিস্তানের সাধারণ মানুষ কিন্তু আমাদের উপর তাদের অকথ্য নির্যাতন চায় নাই...শাসকশ্রেণী আর রাজনীতিবিদরা অন্যায় করেছে জুলুম করেছে...অথচ আমাদের বুদ্ধিজীবী মহল অনেকেই পাকিস্তানীদের গালি গালাজ করে মানুষিক দৈন্যতার পরিচয় দেন..লজ্জা পাই খুব এমন কি খেলার মধ্যেও তা নিয়ে আসেন...ওয়াকার ইউনুস তার মতো সুন্দর বোলিং একশন আর কোন বলারের আছে?অথচ

২৪ শে মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:১৫

শের শায়রী বলেছেন: আমাদের দৈন্যতা ই এই যে না যেনে হুজুগে মেতে উঠি।

স ম্পূর্ন সহমত তোমার সাথে

১৭| ২৪ শে মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৪১

অপরিচিত অতিথি বলেছেন: heads off

২৪ শে মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫৪

শের শায়রী বলেছেন: HATS OFF TO YOU SIR

১৮| ২৫ শে মার্চ, ২০১৩ বিকাল ৫:২৬

সোনালী ডানার চিল বলেছেন:

পোষ্টে ++++++++++++++++++++
HATS OFF !!!!

২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:৪০

শের শায়রী বলেছেন: HATS OFF !!!!

১৯| ২৬ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ২:৩১

মাগুর বলেছেন: সম্ভব ভালো লাগলো এই মহান মানুষটির কথা জেনে। ধন্যবাদ লেখক।

পোস্টে প্লাস এবং প্রিয়তে নিলাম।
+++++++++++++++

২৬ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৩:১৫

শের শায়রী বলেছেন: আমার কৃতজ্ঞতা জানুন।

২০| ২৭ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ২:১৩

আহসান ০০১ বলেছেন: স্যালুট

০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ দুপুর ১:৩০

শের শায়রী বলেছেন: স্যালুট

২১| ২৮ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ২:১২

এম হুসাইন বলেছেন: হাসান মাহবুব বলেছেন: এসব অসাধারণ মানুষদের জন্যেই পৃথিবী এখনও বাসযোগ্য আছে।

সহমত ও পোস্টে ++++++++++
অনেক ধন্যবাদ ভাই।

০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ দুপুর ১:৩১

শের শায়রী বলেছেন: ভাই খুব ভালো লাগলো আপনার সাথে ফেবুতে আলাপ করে

২২| ৩০ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ১০:৪৩

ঢাকাবাসী বলেছেন: চারিদিকে হায়েনার দল বিষাক্ত বাতাস তার মাঝে এদের এসব কথা পড়লে তা একরাশ স্বস্তি নিয়ে আসে মনে হয়। পোস্টে +++++++++++++

০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ দুপুর ১:৩২

শের শায়রী বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই

২৩| ৩০ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ১০:৫৭

ইয়েন বলেছেন: স্যালুট... ১ম্যান আর্মির জলন্ত উদাহরণ ....

০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ দুপুর ১:৩২

শের শায়রী বলেছেন: থ্যাঙ্কু ভাই

২৪| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ৯:২৯

স্পাইসিস্পাই001 বলেছেন: জেনে ভাল লাগলো.....+++++

""পাকিস্তান সেনাবাহিনী সে সময় গণহত্যা চালিয়েছিল, পাকিস্তানের নতুন প্রজন্ম কিন্তু এখন সেটা বুঝতে পারছে। আমার মনে হয়, সাধারণ পাকিস্তানিরাই একদিন শাসকদের বাধ্য করবে বাংলাদেশের কাছে ক্ষমা চাইতে।""

অথচ আমাদের দেশের কিছু লোক এখনও এটা বুঝলো না.....

ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য..... ভাল থাকবেন ভ্রাতা....


০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ দুপুর ১:৩২

শের শায়রী বলেছেন: আপ্নিও ভাল থাকুন ভ্রাতা

২৫| ০৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ দুপুর ২:৪০

ভুং ভাং বলেছেন: হাটবাজার বন্ধ!!! মানে গুগোলে HATS OFF মানে হাটবাজার বন্ধ বলে। আর আপনার লেখায় +++++++++++++++। ভালো থাকবেন

০৮ ই এপ্রিল, ২০১৩ দুপুর ১:৩৪

শের শায়রী বলেছেন: গুগ ল আসলে আক্ষরিক অনুবাদ করে। ব্রিটিশ রা কাউকে সন্মান জানাতে মাথার টুপি খুলে। আর ব্রিটিশ টুপিকে হ্যাট বলে। সেখান থেকে হ্যাটস অফ কথাটি এসেছে।

ভাল থাকুন ভাই।

২৬| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৫:৫২

খারাপ লোক বলেছেন: স্যালুট ++++

২৪ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:২১

শের শায়রী বলেছেন: স্যালুট

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.