নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অমরত্বের লোভ কখনো আমাকে পায়না। মানব জীবনের নশ্বরতা নিয়েই আমার সুখ। লিখি নিজের জানার আনন্দে, তাতে কেউ যদি পড়ে সেটা অনেক বড় পাওয়া। কৃতজ্ঞতা জানানো ছাড়া আর কিছুই নেই।

শের শায়রী

হৃদয়ের কাছে বুদ্ধির বাস ভাল কথা। কিন্তু মাঝে মঝে হৃদয়ের ওপর থেকে বুদ্ধির শাসন তুলে দিতে হয়, হৃদয়কে স্বাধীন করে দিতে হয়, মুক্ত করে দিতে হয়। স্বাধীন মুক্ত হৃদয়ের ধর্মকে সব সময় বুদ্ধি দিয়ে বিচার করতে নেই।।

শের শায়রী › বিস্তারিত পোস্টঃ

যোদ্ধাহস্তিঃ বাংলার প্রায় হারিয়ে যাওয়া ইতিহাস

০৩ রা জুন, ২০১৪ দুপুর ১:৩০

বাংলার মধ্যযুগে যোদ্ধা হাতিদের ওপর আমার বরাবর ই দূর্বলতা ছিল। ইচ্ছা থাকার পরও তেমন কিছু জানতে পারি নি। বিভিন্ন বই পত্র প্রবন্ধ পড়ে যে জানতে পেরেছিলাম তা বিশাল সাগরে এক ফোটা পানির মত। কিছুদিন আগে এ ব্যাপারে একটা প্রবন্ধ দেখছিলাম কোথায় যেন লেখক ছিলেন জনাব মাহাবুব আলম। ভদ্রলোক পেশায় কুটনীতিবিদ হলেও ইতিহাসের অপ্রচলিত দিকে তার ঝোক। আমার এই লেখার অধিকাংশ তথ্য তার একটা প্রবন্ধ থেকে নেয়া।







গ্রীকরা যখন মগধ রাজ্যের উপকন্ঠে বিশ্বজয়ের অভিপ্রায়ে তখন তারা হাতি নামক এক বিশাল যোদ্ধা প্রানীর নাম শূনতে পায় যা মগধ রাজার সেনা বাহিনীতে এক বিশেষ ভুমিকা রাখে। ভয়ে গ্রীক সেনারা আর এগোতে সাহস পায় না। পাল ও সেন রাজাদের হাতির বহরের কথা তাদের সভাকবিরা বিভিন্ন উপমা দিয়ে লিখে গেছেন। পলাশির প্রান্তরে নবাব সিরাজের হাতির পাল ষড়যন্ত্রকারীদের কারনে নিশ্চুপ দাড়িয়ে থাকাকেও ইতিহাস বিদগন পরাজয় কে ত্বরান্বিত করে বলে দাবী করেন।







বাংলার বারো ভুইয়াদের ছিল দুর্দান্ত হস্তীবাহিনী। যে হস্তীবাহিনী ছিল মোগলদের কাছে মুর্তিমান আতংক। বারো ভুইয়ারা নিজেদের কোন ইতিহাস লিখে যাননি। মোগল সেনাপতি মির্জা নাথান যদি মোগল আর বারো ভুইয়াদের মধ্যকার যুদ্ধর ইতিহাস না লিখে যেত তবে বারো ভুইয়াদের ইতিহাস বা তাদের অপারেজয় যোদ্ধা হাতিগুলো সন্মন্ধ্যে কিছু জানা যেত না।







মির্জা নাথানের বইটির নাম “বাহারিস্তান-ই-গায়বী”। এটি এখন পর্যন্ত বারো ভুইয়াদের ওপর অন্যতম লিখিত দলিল হিসাবে স্বীকৃত। এই দলিল টি না থাকলে মোগল শক্তির বিরুদ্ধে বারো ভুইয়াদের প্রতিরোধ, বীরত্বগাথা, তাদের আত্মত্যাগ আর দেশের জন্য জীবন দানের যে অপরিসীম সাহস সেটা আমাদের জানা হোত না। আমি এই বই থেকে বারো ভুইয়াদের অপারেজেয় হস্তী বাহিনীর কথা আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই।







মোগলদের সাথে বাংলার বারো ভুইয়াদের যুদ্ধে হাতির ভুমিকার গুরুত্ব বুজাতে একটি মাপকাঠি উল্লেখ্য করি। মোগলরা বারো ভুইয়াদের আত্মসমর্পনের যে শর্ত দিয়েছিল তার মধ্যে উল্লেখ্য যোগ্য ছিল হাতি সম্পর্কিত – পরাজিত ভুইয়াদের হাতিসালার সব “ফিলান-ই-দান্দানদার” মানে সমস্ত দাতাল যোদ্ধা হাতি মোগলদের হাতে সমর্পন করতে হবে। সঙ্গে থাকবে আত্মসমর্পন কারী নেতার কোন ভাই বা ছেলে। হাতি আর নৌকা থাকলে বাংলার জলাজঙ্গলে ঘোড়া না হাতি ই মুল যুদ্ধাস্ত্র ছিল।







এই হাতি গুলো ছিল আধুনিক ট্যাংকের মত যা পদাতিক আর ঘোড়াসওয়ার বাহিনীকে নিমেষে ছত্রভঙ্গ করে দিত। মোগল সেনাপতি যুদ্ধ ক্ষেত্রে তার সেনা দল সাজাতেন বারো ভুইয়াদের হাতি বাহিনীকে মাথায় রেখে। মোগল সেনাবাহিনীর একটা স্পেশালাইজড দল থাকত আধুনিক কমান্ডোদের মত যাদের কাজ ই ছিল যুদ্ধ ক্ষেত্রে যোদ্ধা হাতি গুলোর পা কেটে অকেজো করে দেয়া।







ঐতিহাসিক আর সি মজুমদার বারো ভুইয়ার এক ভুইয়া খাজা ওসমানের প্রধান দুটি হাতির নাম উল্লেখ্যে করেছেন বাজ ও বখত। মির্জা নাথান খাজা ওসমানের আরো কয়টি যুদ্ধ হাতির নাম উল্লেখ্য করেছেন তার “বাহারিস্তান ই গায়বী” তে অনুপা, সিঙ্গালী, দাস্তা, শতরঞ্জী। মোগল হাতিগুলোর মধ্যে নামকরা ছিল বাঘদলন, বালসুন্দর, চঞ্চল, ফাতহা, গোপাল ও রনসিঙ্গার। সিলেটের ভুইয়া বায়জিদের প্রধান হাতির নাম ছিল “আবর”। মোগল সেনাপতি মির্জা নাথান দ্ব্যার্থ হীন ভাবে তার হাতি গুলোর তুলনায় যে বারো ভুইয়াদের হাতি অনেক উৎকৃষ্ট যোদ্ধা ছিল সেটা স্বীকার করে গেছেন।







মাতঙ্গের জমিদার পাহলোয়ান ছিলেন বিখ্যাত যোদ্ধা তিনি তার মোগল প্রতিপক্ষ শামসুদ্দীন কে পরাজিত ও হত্যা করে নিজেও যুদ্ধে জীবন দেন। মির্জা নাথানের বর্ননা থেকে পাহলোয়ানের বিখ্যাত যূদ্ধা হাতি “বাজে”র সাহসিকতার কথা জানতে পারি। বাজ অতি সহজেই শত্রু দূর্গের গেট ভেঙ্গে ফেলত তার অমিত শক্তি দিয়ে। বাজের পায়ে পায়ে ঘেষে পাহলোয়ানের সেনারা শত্রু দুর্গে ঢুকে হাতাহাতি যুদ্ধে লিপ্ত হত। মোগল সেনারা বাজের চারটি পাই কেটে টুকরো টুকরো ফেলে কিন্তু মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও বাজ আমৃত্যু যুদ্ধ করে গেছে।



আমরা ঘোড়া কুকুরের প্রভুভক্তি বা যুদ্ধে সাহসিকতার অনেক নিদর্শন জানি কিন্তু অমিত বিক্রমশালী এইসব বাংলার যুদ্ধ হাতি সন্মন্ধ্যে প্রায় কিছুই জানি না।



নাথান মির্জা ওসমানের প্রধান হাতি “বাখতা”রের বীরত্বের বর্ননা দিয়েছেন তার লেখায়। বাখতা ছিল আকারে পাহাড়ের মত। দুর্গের পাথর ভেঙ্গে ফেলার মত শক্তি বাখতার ছিল। যুদ্ধের মাঠে মাহুতের হুকুম ছাড়া বাখতা কে এক পা ও নড়ানো যেত না এই বিশেষ গুনের জন্য বাখতা ছিল অপ্রতিদ্বন্দ্বী। বাদশাহ জাহাঙ্গীর বাখতাকে তার জীবন স্মৃতিতে “গজপতি” উপাধিতে ভুষিত করেছেন।



এইসব যুদ্ধ হাতি যুদ্ধের ময়দানে ইস্পাত নির্মিত বর্মের মত আচ্ছাদান ব্যাবহার করত যাকে বলা হত “পাখার”। ইকবাল নামায় লেখা আছে খাজা ওসমান বাখতা কে সামনে রেখে মোগলদের আক্রমন করতেন। আবার কখনো কখনো বাখতা কে লুকিয়ে রেখে অন্য হাতি দিয়ে আক্রমন শানানো হত। বাখতাকে লুকিয়ে রাখা হত। যুদ্ধের বিশেষ মুহুর্তে সেই লুকানো বন জঙ্গল ভেদ করে চলমান দুর্গের মত যখন বাখতা যুদ্ধের ময়দানে ধেয়ে আসত শত্রু তখন পালানোর পথ পেত না।



মির্জা ওসমানের সাথে মির্জা নাথানের দৌলাম্বাপুরের ভাগ্য নিয়ন্ত্রক যুদ্ধে হাতির যুদ্ধের বেশ ভালো একটা বর্ননা দেয়া আছে। সে যুদ্ধে মোগল হাতি “গোপাল” বাংলার হাতির পরাক্রমের সামনে টিকতে না পেরে পালিয়ে যায়, মির্জা নাথানের শক্তিশালী হাতি “বাঘদলন” কে ওসমানের আর একটি হাতি “অনুপা” নাজেহাল করে। নাথানের দূরন্ত হাতি “চঞ্চল” ওসমানের অমিত বিক্রমশালী “বাখতা”র দিকে তেড়ে যায় কিন্তু বাখতার এর সওয়ারী গোলন্দাজদের গুলির আঘাতে আহত হয়ে চঞ্চল পালিয়ে যায়।



ওদিকে ওসমানের “সিংহলি” দ্বৈরথে নামে মোগল হাতি “বালসুন্দরে”র সাথে। বালসুন্দর অনেক টা পরাজয়ের দ্বার প্রান্তে চলে যায় এই সময় আর একটি মোগল হাতি এগিয়ে যায় বালসুন্দরের সহায়তায় এ অবস্থায় দ্বৈত আক্রমনে সিংহলি পিছু হটে।



এই দৌলাম্বপুর যুদ্ধে মির্জা ওসমান নিহত হলে মির্জা ওসমানের ছেলে আর ভাইয়েরা বাখতা কে নিয়ে মির্জা নাথানের মোগলসেনাদের ওপর ঘুর্নিঝড়ের মত ঝাপিয়ে পড়েন। বাখতার আক্রমনে মোগল বাহিনী খড় কুটোর মত উড়তে থাকে। এক পর্যায়ে যুদ্ধ মদমত্ত বাখতা মির্জা নাথানের নাগাল পেয়ে তার ঘোড়া সহ শুড় দিয়ে তুলে ফেলে দূরে ছূড়ে ফেলে। ভাগ্য ভালো সে যাত্রা মির্জা নাথান আহত হলেও জানে বেচে যান।







মোগল সেনারা ঘিরে ফেলে বাখতা কে। ধারালো তলোয়ার দিয়ে বাখতার পা, শুড় আর দাত কেটে ফেলতে থাকে। এ অবস্থাতেও মরনপন যুদ্ধ চালিয়ে যেতে থাকে বাখতা। এক পর্যায়ে প্রভু মির্জা ওসমানের বীরের মত শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে যুদ্ধ ক্ষেত্রে। বন্দী হবার থেকে যুদ্ধ ক্ষেত্রে বীরের মৃত্যুকেই বেছে নেন মির্জা ওসমান আর তার প্রান প্রিয় যুদ্ধ হাতি বাখতা। গোলামির থেকে সন্মান জনক মৃত্যু অনেক মহিমার।



এক পর্যায়ে মোগলদের আক্রমনে টিকতে না পেরে মির্জা ওসমানের ভাই ও ছেলেরা আত্ম সমর্পন করে। ওসমানের সব যুদ্ধ হাতি জাহাঙ্গীর নগর সুবেদার ইসলাম খানের নিকট পাঠিয়ে দেয়া হয়। ঢাকার পোলো খেলার মাঠে এসব যুদ্ধ হাতির প্রদর্শনীর ব্যাবস্থা করা হয়। পরে এগুলো দিল্লী পাঠিয়ে দেয়া হয়। ঢাকা থেকে দিল্লীর কঠিন পথ পাড়ি দিতে গিয়ে অনেক হাতিই পথে মারা যায়।



পোলো মাঠে ওসমানের হাতি “দাস্তা” একজন মোগল সেনাকে আক্রমন করে। হাতির স্মৃতি শক্তি দীর্ঘ আর প্রতিশোধ স্পৃহা তার থেকেও লম্বা। ধারনা করা হয় যুদ্ধ ক্ষেত্রে ওই সেনা দাস্তার মাহুত কে নিহত করে ছিল। তবে কি দাস্তা সুযোগ পেয়ে মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও প্রতিশোধ নিয়ে নিল?



আমরা আসলে নিজেদের ইতিহাস ঐতিহ্য নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে পর ইতিহাস নিয়ে মাতামাতি করতে পছন্দ করি, তাইতো আমরা ঘোড়ার ব্যাপারে যা জানি তার ১০০ ভাগের এক ভাগ ও জানি না আমাদের গর্ব আমাদের ঐতিহ্য আমাদের যোদ্ধা হাতিগুলো সন্মন্ধ্যে। আমি শিওর এই সব যোদ্ধা হাতি গুলো আজকে ব্রিটিশ বা গ্রিক ঐতিহ্য র সাথে জড়িত থাকলে বিশ্ব ইতিহাসে এদের বীরত্ব অমর হয়ে থাকত।

মন্তব্য ৭৬ টি রেটিং +২১/-০

মন্তব্য (৭৬) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা জুন, ২০১৪ দুপুর ১:৪১

মুনতাসির নাসিফ (দ্যা অ্যানোনিমাস) বলেছেন: চমৎকার পোস্টে প্লাস (+)

০৩ রা জুন, ২০১৪ দুপুর ২:০৩

শের শায়রী বলেছেন: অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা ভাই

২| ০৩ রা জুন, ২০১৪ দুপুর ১:৫০

বঙ্গভূমির রঙ্গমেলায় বলেছেন: বাংলার হাতি সম্পর্কে আগে ভাসা ভাসা জানা থাকলেও আজকে আপনার পোস্টে অনেক বিস্তারিত জানতে পারলাম।

মধ্যযুগের বাংলার এক গৌরবময় অধ্যায় দখল করে আছে এই হাতিগুলো।

অনেক দিন পর আপনার পূর্নাঙ্গ পোস্ট পেলাম। আশা করি এবার থেকে নিয়মিত লিখবেন।

০৩ রা জুন, ২০১৪ দুপুর ২:১০

শের শায়রী বলেছেন: ভাই আমি নিজেও প্রায় কিছু জানি না।

আমাদের গৌরবের ব্যাপারগুলো আমাদের চোখের অগোচরেই থেকে যাচ্ছে।

হ্যা আনেক দিন পর একটা পোষ্ট দিলাম। অবশ্য ই চেষ্টা করব নিয়মিত লিখার।

অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে ভাই

৩| ০৩ রা জুন, ২০১৪ দুপুর ১:৫০

কান্ডারি অথর্ব বলেছেন:


দ্যাটস মাই ডিয়ার ব্রাদার শের শায়রী +++

০৩ রা জুন, ২০১৪ দুপুর ২:২১

শের শায়রী বলেছেন: ভাই আমার দেখ ভালোভাসার টান কত শক্তিশালী আবার আমরা এক জায়গায়।

ইনশাল্লাহ আমৃত্যু তাই থাকব।

৪| ০৩ রা জুন, ২০১৪ দুপুর ১:৫৩

জনসাধারণের মধ্যে একটি মলিন পট্টবস্ত্র বলেছেন: দারুণ। এসব বিষয় জানতামনা। শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।

০৩ রা জুন, ২০১৪ দুপুর ২:৫১

শের শায়রী বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক কৃতজ্ঞতা।

৫| ০৩ রা জুন, ২০১৪ দুপুর ২:০৩

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: প্রিয় শের শায়রী ভাই! আপনাকে ব্লগে ফিরে আসতে দেখে ভীষন আনন্দিত। আপনার পোষ্টগুলো অনেক মিস করেছি। নতুন ব্লগারদের সামনে উদহারনের জন্য কিছু ভালো ব্লগার প্রয়োজন। আশা করি সেই চাহিদা এখন দূর হবে।


যে বিষয়ে লিখেছেন এই বিষয়ে খুবই অল্প জানতাম! আপনার লেখাটি পড়ে অনেক আগ্রহ সৃষ্টি হলো। আমাদের পাবলিক লাইব্রেরীতে বইগুলো বেশ অগোছালো। আমি কিছু ইতিহাস ভিত্তিক বই খুঁজতে গিয়ে পেলামই না। !

০৩ রা জুন, ২০১৪ দুপুর ২:৫৫

শের শায়রী বলেছেন: ভাই আস সালামুয়ালাইকুম। ভাই আমাকে এত সন্মান দিয়েন না। আমি নিজেই এখনো ব্লগের অনেক কিছুই বুজি না কিভাবে নিজে না জেনে আর একজনের সামনে উদাহরন হব।

তবে এটা ঠিক আমার মত মানুষের সামনে কাল্পনিক ভালবাসার মত উদাহরন ছিল আছে থাকবে।

ভাই আমি পাব্লিক লাইব্রেরীতে যাওয়া ছেড়ে দিয়েছি। নীল ক্ষেত আর বাংলা বাজারের পুরান বইর দোকান গুলো ঘেটে ঘেটে অনেক মনি মুক্তা কুড়িয়ে পাওয়া যায়।

আমার নিজের বেশ কিছু কালেকশান আছে। আসবেন নাকি একদিন আমার ব্যাক্তিগত কালেকশান দেখতে?

কৃতজ্ঞতা জানবেন এত চমৎকার মন্তব্যর জন্য

৬| ০৩ রা জুন, ২০১৪ দুপুর ২:০৯

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: যথেষ্ট তথ্যবহুল পোস্ট। হারিয়ে যাওয়া ইতিহাসের এক টুকরা কাহিনী (যোদ্ধা হাতিদের বিষয়ে) প্রকাশ করে আমাদের অনেক কিছু জানার সুযোগ করে দেওয়ায় আপনাকে ধন্যবাদ, জনাব শের শায়রী।

০৩ রা জুন, ২০১৪ বিকাল ৩:১৭

শের শায়রী বলেছেন: সময় নিয়ে পড়ার জন্য আমার কৃতজ্ঞতা জানবেন ভাই।

৭| ০৩ রা জুন, ২০১৪ দুপুর ২:১৫

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: তথ্যবহুল পোস্ট। পড়ে ভাল লাগলো ।

প্রতিশোধ স্পৃহা ভাল নয়। ক্ষমা করা স্বর্গীয় । আইয়ামে জাহেলিয়তের যুগে আরবের মানুষের মধ্যে এইটা ছিল প্রচুর পরিমানে। তাদের প্রতশোধ স্পৃহা চলতো কয়েক পুরুষ ধরে ।

হাতিকে না ঘাটানো উত্তম ।

++++++++

০৩ রা জুন, ২০১৪ রাত ৯:১৫

শের শায়রী বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইডি

৮| ০৩ রা জুন, ২০১৪ দুপুর ২:২৫

গোঁফওয়ালা বলেছেন: তথ্যবহুল লেখাটার জন্য অবশ্যই ++++++++++++

০৪ ঠা জুন, ২০১৪ সকাল ১০:৩৩

শের শায়রী বলেছেন: আমার সালাম নিন।

৯| ০৩ রা জুন, ২০১৪ দুপুর ২:৩৫

কান্ডারি অথর্ব বলেছেন:


ভাই আমি আপনারে অনেক ভালোবাসি। আজীবন আপনার সাথে আছি। আমিও জানি আপনি আমাদের কত ভালবাসেন। আপনিও যে সবসময় সাথে আছেন তাও জানি। একসাথে আমরা গড়ব স্বর্গভূমি। :)

০৪ ঠা জুন, ২০১৪ দুপুর ১:৫৮

শের শায়রী বলেছেন: কান্ডারি নিশ্চয় ই আমরা আমাদের প্লাটফর্ম কে আবার সেই পুরানো উচ্চতায় ফিরিয়ে নিয়ে যাবার চেষ্টা করব।

১০| ০৩ রা জুন, ২০১৪ দুপুর ২:৪১

মাহমুদ০০৭ বলেছেন: অসাধারণ একটা পোস্ট । প্রিয়তে ।

দিনের পর দিন আপনার বিভিন্ন পোষ্ট পড়ে অনেক কিছু জেনেছি, মুগ্ধ হয়েছি । তখন আইডি ছিলনা ।
আপনি আবার নিয়মিত লিখুন শায়েরি ভাই ।
সামুর আগের দিন আবার ফিরে আসুক ।
শুভকামনা ।

০৪ ঠা জুন, ২০১৪ দুপুর ২:৪৪

শের শায়রী বলেছেন: অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা ভাই। নিশ্চয় ই সামুর সেই সব দিন আপ্নারা ফিরিয়ে আনবেন।

১১| ০৩ রা জুন, ২০১৪ বিকাল ৩:০৩

মুদ্‌দাকির বলেছেন: একে বারেই অজানা ছিল বিষয় গুলো । সুন্দর পোষ্ট ++++

০৪ ঠা জুন, ২০১৪ দুপুর ২:৪৫

শের শায়রী বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই

১২| ০৩ রা জুন, ২০১৪ বিকাল ৩:৩৯

নাভিদ কায়সার রায়ান বলেছেন: দারুন পোষ্ট। পড়লাম আর গিললাম।

০৪ ঠা জুন, ২০১৪ দুপুর ২:৪৯

শের শায়রী বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই

১৩| ০৩ রা জুন, ২০১৪ বিকাল ৩:৪৬

স্নিগ্ধ শোভন বলেছেন:


চমৎকার পোষ্ট!!!!!


আশারাখি আপনার পোষ্টের মাধ্যমে ইতিহাসের না জানা বিষয় গুলো আবারো জানা শুরু করবো।

০৪ ঠা জুন, ২০১৪ বিকাল ৩:৪০

শের শায়রী বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই। আমি আর কি জানি যে আপনাদের জানাব। সামান্য যেটুকু আমি জানি সেটুকু র সব ই আপ্নারা জানেন। আপনাদের মহানুভবতা আমাকে উৎসাহিত করে কৃতজ্ঞতা জানবেন।

১৪| ০৩ রা জুন, ২০১৪ বিকাল ৩:৪৯

জাহাঙ্গীর.আলম বলেছেন:
ব্যতিক্রমী ও তথ্যবহুল পোস্ট ৷


ভিন্ন চোখে ইতিহাস তুলে ধরার প্রচেষ্টা ভাল লাগল ৷ ভাল থাকুন ৷

০৫ ই জুন, ২০১৪ সকাল ১০:২৩

শের শায়রী বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

১৫| ০৩ রা জুন, ২০১৪ বিকাল ৪:২২

আদম_ বলেছেন: গিলা গিলা খাইলাম

০৫ ই জুন, ২০১৪ সকাল ১০:২৬

শের শায়রী বলেছেন: আমি পরিতৃপ্ত। ধন্যবাদ ভ্রাতা

১৬| ০৩ রা জুন, ২০১৪ বিকাল ৪:২৮

লাবনী আক্তার বলেছেন: আজ ঘুরে গেলাম কাল পড়ব ভাইয়া।

০৫ ই জুন, ২০১৪ সকাল ১১:১৩

শের শায়রী বলেছেন: কি বোন এখনো পড়া হয় নি?

১৭| ০৩ রা জুন, ২০১৪ বিকাল ৪:৩৬

আজীব ০০৭ বলেছেন: +++

০৫ ই জুন, ২০১৪ সকাল ১১:১৪

শের শায়রী বলেছেন: কৃতজ্ঞতা

১৮| ০৩ রা জুন, ২০১৪ বিকাল ৫:১৬

দাম বলেছেন: +

প্রিয়তে

০৬ ই জুন, ২০১৪ দুপুর ১২:২৪

শের শায়রী বলেছেন: কৃতজ্ঞতা

১৯| ০৩ রা জুন, ২০১৪ বিকাল ৫:২৯

সময়ের ডানায় বলেছেন: অসাধারন তথ্যমূলক পোস্ট।

এই না হলে শের শায়রী।

পোস্টে++++

০৬ ই জুন, ২০১৪ দুপুর ১২:২৫

শের শায়রী বলেছেন: কৃতজ্ঞতা ভাই

২০| ০৩ রা জুন, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:১৫

ড. জেকিল বলেছেন: সুন্দর পোস্ট। যুদ্ধে মানুষ মারা যাওয়ার চাইতে, অন্য প্রানী মারা যাওয়া দেখলে বেশি খারাপ লাগে।

০৬ ই জুন, ২০১৪ দুপুর ১২:২৮

শের শায়রী বলেছেন: জ্বি ভাই নিরাপরাধ প্রানী গুলো মারা যেতে দেখলে আসলেই খুব খারাপ লাগে

২১| ০৩ রা জুন, ২০১৪ রাত ৯:৪১

রাতুল_শাহ বলেছেন: ব্রিটিশ বা গ্রিক ঐতিহ্য র সাথে জড়িত থাকলে বিশ্ব ইতিহাসে এদের বীরত্ব অমর হয়ে থাকত।

সত্য বলেছেন।
এই ব্রিটিশ রা আমাদের নিজস্বতাকে ছিন্ন ভিন্ন করে ফেলেছে। বিভেদ সৃষ্টি করে দিয়ে গেছে।

যার ভয়াবহ পরিণাম প্রতিদিনই ভোগ করতে হচ্ছে।

ভাই অনেক গর্বিত ইতিহাস আছে যার কিছুই আমরা জানিনা। আমার বন্ধু কিছুদিন আগে প্রাচীণ বাংলার কিছু আধ্যাত্নিক মানুষের কথা নিয়ে বলছিলো। তাদের নিয়ে নাকি আমাদের কোন ধারণা নেই। ভাবছি বন্ধুর কাছে বিস্তারিত জেনে একদিন ব্লগে পোষ্ট দিবো।

০৬ ই জুন, ২০১৪ দুপুর ১২:৩০

শের শায়রী বলেছেন: চমৎকার একটা সাবজেক্ট প্রাচীন বাংলার আধ্যাত্মিক মানুষ গুলা অসাধারন পোষ্ট হবে নিশ্চিত। অপেক্ষায় থাকলাম ভাই

২২| ০৩ রা জুন, ২০১৪ রাত ১০:৩৬

ডি মুন বলেছেন: ওয়েলকাম ব্যাক শের শায়েরী :)

সুন্দর পোস্টে +++++

০৬ ই জুন, ২০১৪ দুপুর ১:৩৭

শের শায়রী বলেছেন: অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা ভাই থ্যাঙ্কস

২৩| ০৩ রা জুন, ২০১৪ রাত ১০:৪৫

হাসান মাহবুব বলেছেন: দুর্দান্ত পোস্ট।

০৬ ই জুন, ২০১৪ দুপুর ১:৩৮

শের শায়রী বলেছেন: হামা ভাই অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা।

২৪| ০৩ রা জুন, ২০১৪ রাত ১০:৪৬

একজন ঘূণপোকা বলেছেন:
কোথায় যেন পড়েছিলাম, বাংলার ইতিহাসে ঘোড়া থেকে হাতির অবস্থানই বেশি।


দারুণ পোস্ট :)


শুভ কামনা প্রিয় ব্লগার

০৭ ই জুন, ২০১৪ বিকাল ৫:২৬

শের শায়রী বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই

২৫| ০৪ ঠা জুন, ২০১৪ রাত ১২:৩৪

মাহী ফ্লোরা বলেছেন: ইদানীং ঐতিহাসিক উপন্যাস পড়ছি বলেই কিনা কে জানে যোদ্ধা হাতি নিয়ে পড়তে খুব ভাল লাগছিলো। আর আপ্নার লেখার স্টাইল ও অন্যরকম।বাবর পড়তে গিয়ে দেখেছি তার ঘোড়া চালনার দক্ষতা আর তার সৈন্যদের হাতি ভীতি।

দারুন পোস্ট। শুভকামনা রইলো।

০৭ ই জুন, ২০১৪ বিকাল ৫:২৬

শের শায়রী বলেছেন: কৃতজ্ঞতা আপা

২৬| ০৪ ঠা জুন, ২০১৪ রাত ১:১২

প্রবাসী পাঠক বলেছেন: অসাধারণ তথ্যবহুল একটি পোস্ট। পোস্টে প্লাস।

দীর্ঘ বিরতির পর আবার ফিরে আসায় ধন্যবাদ শের শায়রী ভাই। সিনিয়র অনিয়মিত ব্লগাররা এভাবে ফিরে আসলে ব্লগের সেই পুরনো সোনালি দিন আবার ফিরে আসবে।

০৭ ই জুন, ২০১৪ বিকাল ৫:২৮

শের শায়রী বলেছেন: ইনশাল্লাহ দেখুন অনেকেই ফিরে আসতে শুরু করছে আমার কিন্তু ভীষন ভালো লাগছে

২৭| ০৪ ঠা জুন, ২০১৪ রাত ১:১৩

বাংলার ঈগল বলেছেন: দেশে যে হারে দলাদলি আর দালালী হচ্ছে তাতে ইতিহাস কি করে জানবে এদেশের বোকা মানুষগুলো? খুন গুম আর নাটক নিয়েই তো ব্যাস্ত সবাই। আর শিক্ষা মন্ত্রনালয়!! ওটা তো কি করে পাশ্চাত্য আর ভারতীয় সংস্কৃতি / ইতিহাস বইয়ের মধ্যে ঢুকানো যায় এই নিয়ে ব্যাস্ত!!!

০৭ ই জুন, ২০১৪ বিকাল ৫:২৯

শের শায়রী বলেছেন: আমি বিশ্বাস করি সব থেকে একদিন এই দেশের মানূষ বের হয়ে আসবে দেশ টাকে আবার সুন্দর করে গড়বে

২৮| ০৪ ঠা জুন, ২০১৪ সকাল ৮:৫২

ঘাসফুল বলেছেন: চমৎকার বর্ণনা...

০৭ ই জুন, ২০১৪ বিকাল ৫:৩০

শের শায়রী বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই

২৯| ০৪ ঠা জুন, ২০১৪ সকাল ১০:৫৩

সুমন কর বলেছেন: শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। গুড পোস্ট।

০৭ ই জুন, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২৪

শের শায়রী বলেছেন: পড়ার জন্য কৃতজ্ঞতা

৩০| ০৪ ঠা জুন, ২০১৪ দুপুর ১:৩৫

ধানের চাষী বলেছেন: বইটার নাম "গুপ্তধনের খোঁজে" - লেখক "মাহবুব আলম" (প্রথমা প্রকাশনী)। কিছুদিন আগেই পড়ে শেষ করলাম। :)

০৭ ই জুন, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২৬

শের শায়রী বলেছেন: রাইট অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই সবাইকে এই ধরনের বই কিনতে উৎসাহ দেয়া উচিত।

৩১| ০৫ ই জুন, ২০১৪ রাত ২:৪০

মহামহোপাধ্যায় বলেছেন: ব্লগে আপনার পোস্ট দেখেই চলে এলাম। চমৎকার পোস্ট। শেষের কথাটা ভাবিয়েছে বেশ!!

"আমি শিওর এই সব যোদ্ধা হাতি গুলো আজকে ব্রিটিশ বা গ্রিক ঐতিহ্য র সাথে জড়িত থাকলে বিশ্ব ইতিহাসে এদের বীরত্ব অমর হয়ে থাকত। "

নিরবিচ্ছিন্ন গতিতে চলুক আপনার ব্লগিং। শুভকামনা রইল।

০৭ ই জুন, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২৭

শের শায়রী বলেছেন: আরে ভাই কেমন আছেন? অনেক অনেক দিন পর দেখা। ভালো আছেন তো। খুব মিস করি আপনাদের মত পুরানো মানূষ গুলোকে তাইতো ফিরে আসা। কৃতজ্ঞতা

৩২| ০৫ ই জুন, ২০১৪ দুপুর ১:১১

জুন বলেছেন: আমি শিওর এই সব যোদ্ধা হাতি গুলো আজকে ব্রিটিশ বা গ্রিক ঐতিহ্য র সাথে জড়িত থাকলে বিশ্ব ইতিহাসে এদের বীরত্ব অমর হয়ে থাকত।
ঠিকই বলেছেন শায়েরী ডগ স্কোয়াডের মত আমাদেরও হাতীর একটা দল থাকতো। ইতিহাসের ছাত্রী হিসেবে জানতাম সেই সব দিনে হাতীর কত গুরুত্ব ছিল। ঢাকার এলিফ্যান্ট রোড দিয়েই পিলখানা অর্থাৎ হাতিশালায় হাতিরা যাতায়ত করতো। অনেক ভালোলাগলো হাতী ইতিহাস।
আমার স্বামীর শখের একটা প্রানী দেখুন খানিকটা সময় পেলে :) অবশ্য এর মধ্যে আরো যোগ হয়েছে ।
Click This Link

০৭ ই জুন, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৩২

শের শায়রী বলেছেন: আপা কমেন্ট দিয়ে আসছি দেখেন। :)

৩৩| ১১ ই জুন, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৪৮

বাংলাদেশী দালাল বলেছেন: আগের দিন গুল ফিরে এসেছে মনে হচ্ছে । বেশ ভাল লাগছে পড়তে। সাথে কমেন্ট গুলিও।

১২ ই জুন, ২০১৪ রাত ২:১৭

শের শায়রী বলেছেন: ভাই পরিচিত মুখ গুলো দেখে কি যে ভালো লাগচে বুজাতে পারব না

৩৪| ১২ ই জুন, ২০১৪ রাত ৩:১৬

অ্যামাটার বলেছেন: চমৎকার পোস্ট। কিছুই জানতাম না এই যোদ্ধা হাতিদের ব্যাপারে।

১২ ই জুন, ২০১৪ বিকাল ৫:৪৯

শের শায়রী বলেছেন: কৃতজ্ঞতা

৩৫| ২৫ শে জুন, ২০১৪ দুপুর ১২:১৭

শাবা বলেছেন: চমৎকার পোস্ট।
“বাহারিস্তান ই গায়বী” বইটি পড়েছি বেশ আগে। বাংলায় অনুদিত বইটি বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত হয়েছিল।
আপনার পোস্ট পড়ে যেন সেই সময়ে পৌছে যাই।

১৯ শে আগস্ট, ২০১৪ সকাল ১০:৩৮

শের শায়রী বলেছেন: অনেক অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা আপনাকে

৩৬| ২৫ শে জুন, ২০১৪ দুপুর ১২:৫৮

রাজিব বলেছেন: আমাদের মূল সমস্যা হল প্রাচীনকাল থেকেই ঐতিহাসিক এর অভাব। গ্রীক বা রোমানদের এর কোন অভাব ছিলনা বলেই আজ তাদের সম্পরকে মানুষ এত জানে। বৃষ্টি আর বন্যার কারণে এদেশে প্রাচীন স্থাপনা খুব বেশি দিন টিকে থাকতে পারেনা। অন্যদিকে মুসলমানরা (আমি নিজেও মুসলমান) জয় করার পর রাজকার্যের ভাষা বদলে ফার্সি হয়ে যায়। ফলে প্রাচীন যুগের সাহিত্য ও রাজকার্যের ভাষা পালি, সংস্কৃত এবং বাংলার কদর ও সম্পর্ক অনেকটা কমে যায়। আর আমাদের আধুনিক যুগে এসে বাংলার ইতিহাস ঐতিহ্যের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ না থাকাই নিয়ম হয়ে গেছে।
চর্যাপদ আমাদের সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন কিন্তু বাংলা বিভাগের বাইরে এ বইটি খুব কম উচ্চ শিক্ষিত লোকেই পড়ে। “রামচরিত” পাল বংশের শাসনামলের ইতিহাসের জন্য একটি অমুল্য গ্রন্থ। বখতিয়ার খলজির যাকে পরাজিত করেছিলেন সে লক্ষ্মণসেন পিতা বল্লালসেনের অসমাপ্ত অদ্ভুতসাগর গ্রন্থটির রচনা সমাপ্ত করেন।
পাল বংশের তৃতীয় রাজা দেবপালের সময় বাংলার প্রভাবভারত ছাড়িয়ে পাকিস্তান পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। পালদের স্থাপত্য রীতির প্রভাব পড়ে নেপাল, শ্রীলংকা, মায়ানমার, ভারত ও ইন্দোনেশিয়াতে। ভাবতে ভালই লাগে যে এতগুলো দেশ আমাদের অনুসরণ করতো। তিব্বতে ও চীনে বৌদ্ধ ধর্ম জনপ্রিয় করার ব্যপারে অতিশ দীপঙ্করের ভুমিকা এখনো স্বীকৃত।

২৭ শে আগস্ট, ২০১৪ বিকাল ৩:৫৪

শের শায়রী বলেছেন: ভাই কখনো কখনো পোষ্টের থেকে মন্তব্য বেশি বাঙ্ময় হয়। আপনার মন্তব্যর পালটা মন্তব্য করা আমার সাহস নাই। শুধু আপনার সাথে সুর মিলিয়ে বলি আমাদের ইতিহাস বিমুখিতা আমাদের কে জাতি হিসাবে আজকে এত নিম্ন পর্যায়ে নিয়ে গেছে।

আমরা শুধু জানি পলাশীর পরাজয়ের কাহিনী কিন্তু আমরা কি জানি সেইসব বীরদের কাহিনী যারা এই বাংলাকে নিশ্চিত পরাজয় জেনেও জীবন দান করেছিল? না জানি না।

আমাদের মাথায় সব নেগেটিভ ভাবনা গুলো ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে আমাদেরকে আমাদের গৌরবের কথা জানতে। অবশ্য ই জানতে হবে। অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা।

৩৭| ১০ ই জুলাই, ২০১৪ রাত ১:৩৪

রাখালছেলে বলেছেন: ধর্মই আমাদের ইতিহাসের এক মারাত্মক অন্তরায় হয়ে গেছে । আমরা মুসলিম হওয়ার পর শুধু মুসলিম ইতিহাস খুজি কিন্তু আমাদের কয়েক পুরুষ আগেও আমরা কিন্তু হিন্দু ছিলাম। তাতে কোন লজ্জা নেই । আমাদের আদি ইতিহাস ধর্মের দিক দিয়ে দেখলে হবে না । আমরা বাঙ্গালী ইতিহাস জানতে চাই । আমি কিছু জানি যোদ্ধাহাতি সম্বন্ধে । আপনার লেখা থেকে আরও জানলাম।

২৭ শে আগস্ট, ২০১৪ বিকাল ৩:৫৬

শের শায়রী বলেছেন: ধর্ম দিয়ে যদি কেউ ইতিহাস বিচার করে ভাই তবে সেটা ইতিহাস হয় না হয় মৌলবাদীতা। আর ধর্ম দিয়ে ইতিহাস না ইতিহাস দিয়েই ধর্মের অনেক গোপন ব্যাপার সামনে নিয়ে আসায় ইতিহাস পরিপূর্নতা ভাই।

৩৮| ০৫ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ২:৪৫

মষ্তিষ্ক প্রক্ষালক দার্শনিক বলেছেন: চমৎকার কাজ করেছেন ভাই। এ ইতিহাসগুলোকে ধরে রাখা দরকার। আপনার পোষ্ট ও আপনার প্রতি ভাল লাগা রইলো। ;)

২৮ শে আগস্ট, ২০১৪ বিকাল ৩:৩৫

শের শায়রী বলেছেন: আমার সালাম জানবেন ভাই।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.