নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অমরত্বের লোভ কখনো আমাকে পায়না। মানব জীবনের নশ্বরতা নিয়েই আমার সুখ। লিখি নিজের জানার আনন্দে, তাতে কেউ যদি পড়ে সেটা অনেক বড় পাওয়া। কৃতজ্ঞতা জানানো ছাড়া আর কিছুই নেই।

শের শায়রী

হৃদয়ের কাছে বুদ্ধির বাস ভাল কথা। কিন্তু মাঝে মঝে হৃদয়ের ওপর থেকে বুদ্ধির শাসন তুলে দিতে হয়, হৃদয়কে স্বাধীন করে দিতে হয়, মুক্ত করে দিতে হয়। স্বাধীন মুক্ত হৃদয়ের ধর্মকে সব সময় বুদ্ধি দিয়ে বিচার করতে নেই।।

শের শায়রী › বিস্তারিত পোস্টঃ

যীশুর কোষ্টি ঠিকুজি তৈরী করেছিল আবার কোয়ান্টাম মেকানিক্সের ভিত দিয়েছিল যে মানুষটি

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ১২:০৬



তিনি লাতিনে নিজের নাম লিখতেন হিরোনিমাস কারডানাস, ইংরেজরা তাকে ডাকে জেরোম কারদানো আর ইতালিয়ানে তার পিতৃপ্রদত্ত নাম গিরোলামো কারদানো। অদ্ভুত এক মানুষ এই গিরোলামো কারদানো। আপনি যদি উইকিপিডিয়ায় তার খোজ নেন তবে দেখবেন তার পরিচয় দেয়া আছে ম্যাথমেটিশিয়ান, ফিজিশিয়ান, বায়োলোজিষ্ট, ফিজিসিষ্ট, কেমিষ্ট, এ্যাষ্ট্রোলোজার, এ্যাষ্টোনোমার, ফিলোসোফার, রাইটার এবং গ্যাম্বলার হিসাবে। একজন মানুষ আর কত বিচিত্রভাবে পরিচিত হতে পারে?

লিওনার্ডো দ্যা ভিঞ্চির সমসাময়িক এত এত জ্ঞানী মানুষটার ছবি চোখের সামনে ভেসে উঠলে যা সর্বপ্রথম মনে হয় তা হল জগৎ সংসারে উদাসীন সারা দিন গবেষনায় ব্যাস্ত কোন উদাসী সন্নাসীর। কিন্তু কারদানো যেন বিজ্ঞানীর সংজ্ঞা উল্টানোর জন্যই জন্ম নিয়েছিলেন।



ভেনিস শহরের এক চিপা গলি, তার মাঝে আধো আন্ধকারে এই জুয়ার আড্ডায় জুয়া খেলা চলছিলো। যে জুয়ারী প্রায় প্রতিদিন জিতে সে আজকে হারছে গো হারা, এমন তো হবার কথা না কারন জুয়া খেলায় জেতার জন্য কপালের থেকে যে হিসাব নিকাশের একটা সম্পর্ক আছে, সে হিসাব নিকাশে সে পাকা, হয়ত কপালের কারনে দু একবার সে হারতে পারে কিন্তু এভাবে গো হারা! এটা মেনে নিতে পারছিলো না সে হেরে যাওয়া জুয়ারী। যত হারছে তত তার জিদ বেড়ে যাচ্ছিল।



হঠাৎ করে সেই দক্ষ জুয়াড়ী যে হেরে যাচ্ছিল সে ধরে ফেলল তার হেরে যাবার কারন, আলো আধারিতে এতক্ষন বুজতে পারেনি। বিপরীত জুয়ারী তাসের গায়ে এক কোনে চিহ্ন দিয়ে রাখছে। তাসের গায়ে চিহ্ন দিয়ে রেখে জুয়া খেলা? না হেরে কোন কায়দা আছে? ব্যাস আর যায় কোথায়? হেরে যাওয়া জুয়ারী কোমড় থেকে বের করে ফেলল বাকানো ছুরি। ধাম ধাম করে করে কয়েকটি কোপ বসিয়ে দিল জালিয়াত জুয়ারীর গায়ে, পর মুহুর্তে জালিয়াতের হাতে ধরা টাকা গুলো এক থাবায় ছিনিয়ে নিয়ে জানলা দিয়ে অন্ধকারে।



এদিকে তাসের আড্ডায় অন্যান্যরা প্রথমে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে গেলেও কিছুক্ষনে সম্বিত ফিরে পায়, ধাওয়া শুরু করল চাকু মারা জুয়ারীকে। শুরু হল অন্ধকার রাতে ভেনিসের গলি, তস্যগলিতে ধাওয়া। ধাওয়া খেয়ে চাকু মারা জুয়ারী গিয়ে পড়ল ভেনিসের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত এক ছোট নদীতে, এদিকে ওই জুয়ারী সাতার জানে না, প্রানটাই চলে যেত সে যাত্রা কপাল ভালো পাশ দিয়ে যাওয়া এক গন্ডোলা টেনে তোলে ডুবন্ত জুয়ারীকে। রক্ষা পায় সে যাত্রা চাকু মারা জুয়ারী। এতক্ষনে কি বুজতে পারছেন কার কথা বলছি? কে এই চাকু মারা জুয়ারী? হ্যা ঠিকই ধরেছেন ইতিহাস খ্যাত ম্যাথমেটিশিয়ান, ফিজিশিয়ান, বায়োলোজিষ্ট, ফিজিসিষ্ট, কেমিষ্ট, এ্যাষ্ট্রোলোজার, এ্যাষ্টোনোমার, ফিলোসোফার, রাইটার এবং গ্যাম্বলার গিরোলামো কারদানোই এই চাকু মারা জুয়ারী। প্রোবাবিলিটি, কমপ্লেক্স নাম্বার এবং কোয়ান্টাম মেকানিক্সের জনকও বলা হয় এই জুয়ারী কারদানোকে। চলুন সেদিকে একটু দৃষ্টি ফেরাই।



কোয়ান্টাম মেকানিক্স এর ফান্ডামেন্টাল বিষয়ই হচ্ছে প্রোবাবিলিটি বা সম্ভাবনার সুত্র এবং কমপ্লেক্স বা জটিল নাম্বার। এদুটোর আবিস্কারকর্তা কিন্তু ওই জুয়ারী কারদানো। কিভাবে? জুয়ার নেশাতেই কারদানো মেতে উঠছিলেন প্রোবাবিলিটি বা সম্ভাবনার গনিতে। সে সময়ে জুয়া খেলার সব থেকে জন প্রিয় উপায় ছিল ডাইস বা “ছক্কা” ছুড়ে মারা। উদাহরন দিলে ব্যাপারটা একটু ক্লিয়ার হবে।



চামড়ার তৈরী একটি গ্লাসে তিনটি “ছক্কা” থাকবে। দুজন জুয়ারী থাকবে। আমরা এদের “প্রথম জুয়ারী” এবং “দ্বিতীয় জুয়ারী” হিসাবে নামকরন করি। দুজনে খেলার আগে ঠিক করল যদি তিনটি “ছক্কা” বা ডাইসের যোগফল যদি ৯ হয় তবে প্রথম জুয়ারী জিতবে। আর যদি তিন ছক্কার যোগফল ১০ হয় তবে দ্বিতীয় জুয়ারী জিতবে। আর যদি কোনটাই না হয় অন্য কোন সংখ্যা হয় তবে কোন হার জিত হবে না।

আপাত দৃষ্টিতে মনে হবে সব ঠিক আছে এভাবেই তো জুয়া খেলা হয় এটাই তো নিয়ম। আবার যারা একটু শিক্ষিত মাথা ঘামাবে তারা হিসাব করে দেখবে ঠিকই আছে, কারন ৯ হবার ছয়টি উপায় আবার ১০ হবারও ছয়টি উপায়। কিভাবে? আমাদের ডাইস কিন্তু তিনটি এটা মাথায় নিয়ে নীচের দিকে দেখুনঃ

একটি ছক্কায় সংখ্যা থাকে (১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬) এখান থেকে কতভাবে ৯ এবং ১০ হতে পারে নিচে দেখুন।



৯ = (১+২+৬), (১+৩+৫), (১+৪+৪), (২+২+৫), (২+৩+৪), (৩+৩+৩)

১০ = (১+৪+৫), (১+৩+৬), (২+৪+৪), (২+২+৬), (২+৩+৫), (৩+৩+৪)

এবার তিনটি ছক্কায় আলাদা সংখ্যা পড়বে কিন্তু তাদের সমষ্টি হবে এমন সম্ভাবনার সংখ্যা হতে পারে তিন রকম (১+২+৬), (১+৩+৫), (২+৩+৪)। যেহেতু এগুলো আলাদা সংখ্যা তাই এদের প্রত্যেকটির দান পড়ার সম্ভাবনা ৬ রকম (কারন প্রতিটা ছক্কায় ৬ টি সংখ্যা)। তা হলে এভাবে ৯ হবার মোট সম্ভাবনা (৩ X ৬) = ১৮,

দুটো ছক্কায় একই সংখ্যা পড়বে অথচ সমষ্টি হবে ৯ এমন সংখ্যা হতে পারে ২ রকম (২+২+৫) এবং (৪+৪+১) এদের জন্য মোট দানের সম্ভাবনা ৩ X ২ =৬

এবং তিনটি ছক্কায় একই সংখ্যা পড়বে এবং যোগফল দাঁড়াবে ৯ এমন দান একটিই হতে পারে (৩+৩+৩) এদের মোট দানের সম্ভাবনা ১

সেক্ষেত্রে ৯ হবার মোট দানের সম্ভাবনা দাড়ায় ১৮+৬+১ = ২৫

কিন্তু ১০ এর বেলায় এই সম্ভাবনা তিনটি আলাদা সংখ্যা হতে পারে (২+৩+৫), (৩+১+৬) এবং (৪+১+৫) যেহেতু আলাদা সংখ্যা তাই এদের প্রত্যেকটির দান পড়ার সম্ভাবনা ৬ রকমের, এভাবে ১০ হবার মোট সম্ভাবনা ৩ X ৬ = ১৮

দুটো সংখ্যা একই হতে পারে সমষ্টি হবে ১০ এমন সংখ্যা (৩+৩+৪), (২+২+৬), (২+৪+৪) এভাবে ১০ হবার সম্ভাবনা ৩ X ৩ = ৯

আর তিন ছক্কায় একই সংখ্যা পড়ে দান ১০ হতে পারে এমন কোন দানের সম্ভাবনাই নেই। সেক্ষেত্রে

১০ হবার সম্ভাবনা দাড়ায় ১৮+ ৯ = ২৭

তিনটি ছক্কা দিয়ে দান পড়তে পারে কত রকমের? ৬ X৬ X৬ = ২১৬ রকমের

সেক্ষেত্রে ৯ পড়ার সম্ভাবনা কত ২৫ / ২১৬ = ০.১২

আর ১০ পড়ার সম্ভাবনা কত ২৭ / ২১৬ = ০.১৩

অর্থ্যাৎ ১০ হবার সম্ভাবনা সামান্য হলেও বেশী। এই সম্ভাবনা বা প্রোবালিটির সহজ সুত্রটি কিন্তু ওই জুয়ারী কারদানোর আবিস্কার। এখন যদি আপনাকে বলা হয়, আপনি ৯ অথবা ১০ এর পক্ষে বাজী ধরতে আপনি কার পক্ষে ধরবেন? ও হ্যা সম্ভাবনার এমন গানিতিক হিসাবই কোয়ান্টাম মেকানিক্সের ভিত। কোয়ান্টাম মেকানিক্সের নিশ্চয়তা অনিশ্চয়তার হিসাবের মাঝ থেকে এভাবেই বিজ্ঞানীরা বের করে আনেন মুল ব্যাপারটা। ( আবার এই সামান্য সুত্র ধরে কোয়ান্টাম মেকানিক্স হিসাব করতে গেলে ভুল করবেন, আমি শুধু ভিত্তিটাই জানালাম) কোয়ান্টাম মেকানিক্স নিয়ে অনেক আগে একটি মজার লেখা দিয়েছিলাম সময় থাকলে ঘুরে আসতে পারেন বিড়ালটি বেচে আছে আবার মরে গেছেঃ শ্রোয়েডিংগারের সংকট



এই বার আসি জটিল সংখ্যায়। কারদানো তার এক বইতে প্রশ্ন তুললেন কোন দুটো সংখ্যার যোগফল ১০ এবং গুনফল ৪০?

ধরি একটি সংখ্যা X অপর সংখ্যাটি হবে তা হলে (10 – X) এখন এদের গুনফল হবে 4০

X (10 – X) = 40

10X - X² = 40

এখন যদি এই সমীকরনের সমাধান করি তবে X মান আসবে x = 5 + √- 15 এবং 5 - √- 15 রেজাল্ট দুটো নিয়ে যোগ করুন

5 + √- 15 + 5 - √- 15 = 10


আবার পুরন করুন (5 + √- 15) X (5 - √- 15 )

= 5² - (√- 15)²

= 25 – (-15)

= 25+15

=40

এখানে (√-১৫ ) মাইনাস ১৫ এর বর্গমুল এটাই জটিল বা কমপ্লেক্স সংখ্যা। এই জটিল সংখ্যা একটু জটিলই বটে। স্বাভাবিক ভাবে কিন্তু কারদানোর জবাব দেয়া যেত না কিন্তু যেই জটিল সংখ্যার আমদানি হয়েছে কারদানোর প্রশ্ন যতই জটিল হোক তার জবাব কিন্তু দেয়া গেছে। সরল প্রশ্নটার একটু জটিল উত্তর হয়ে গেল। তা হোক জবাব তো অস্বীকার করতে পারবেন না। কোয়ান্টাম মেকানিক্স আপনি ঢুকলেই দেখবেন অনেক সরল প্রশ্নের উত্তর এই জটিল বা কমপ্লেক্স নাম্বারের মাঝে লুকিয়ে আছে।



তার মানে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের যে ভিত্তি মুল তার ভিত কিন্তু গঠিত হয়েছিল ওই জুয়ারীর হাত ধরেই। জন্ম ১৫০১ সালে সালে ইতালির পাভিয়া শহরে বাবা ফাজিয়ো কারদানো, মা চিয়ারা মিচেরি। বাবার পেশা ওকলাতি নেশা ছিল গনিতে। এই ফাজিরোর বড় বন্ধু ছিল লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি। ভিঞ্চি কিন্তু আঁকাআঁকির পারসপেক্টিভ সমস্যার সমাধান নিতেন এই ফাজিরোর কাছ থেকে। পারসপেকটিভ হল ক্যানভাসে আঁকাআঁকির সময় দুরের জিনিস আর কাছের জিনিসের দুরত্বের হিসাব বোজান। ছবিতে দেখুন ল্যাম্পপোষ্ট গুলো কিভাবে দূরে ছোট হয়ে গেছে, এটাই পারসপেকটিভ।

বাঁক প্রতিবন্ধীদের জন্য সাইন ল্যাঙ্গুয়েজের আবিস্কারক হিসাবে এই কারদানোর নাম উচ্চারিত হয়।


Astrology and natal chart of Gerolamo Cardano, born on 1501/09/24

এতো ছিল কারদানোর একটা দিক আর একটা দিক ছিল সম্পূর্ন বিপরীত। মন্ত্র তন্ত্র, জাদুটোনা, সম্মোহন, জ্যোতিষি বিদ্যায় তার ভয়াবহ ঝোক ছিল। চুড়ান্ত কুসংস্কারাচ্ছন্ন বলতে যা বোজায় কারদানো ছিল এক অর্থে তাই, এই রকম বিপরীত চরিত্র আমাকে সব সময় টানে তাই কারদানোর ওপর আমার আলাদা ইন্টারেষ্ট আছে। তার ওপর নাকি কোন এক “গার্ডিয়ান এ্যাঞ্জেলের” প্রভাব আছে যে তাকে বিভিন্ন সময়ে মৃত্যুর মুখ থেকে বাচিয়ে এনেছে।



তিনি নাকি তার জীবনের সব বড় ঘটনা স্বপ্নে দেখতে পেয়েছেন আগে ভাগেই। তিনি বলে বেড়াতেন তিনি নাকি জ্যোতিষি চর্চার এক নতুন শাখা আবিস্কার করেছেন, সেটা কি? মেটোপোসকপি, মানুষের কপালের ভাজ দেখে তার ভাগ্যবিচার। সে আমলে এই করেও অনেক টাকা উপার্জন করতেন। জ্যোতিষি চর্চায় তার কেরামতির একটা উদাহরন দেই, সে কালে তার বিরাট নাম ডাক জ্যোতিষি হিসাবে ইংল্যান্ডের রাজা অষ্টম হেনরি তার ছেলে ষষ্ঠ এডোয়ার্ডের কোষ্ঠি ঠিকুজি করার দায়িত্ব দিলেন এহেন নাম ডাক ওয়ালা জ্যোতিষিকে। রাজা জানতে চান তার সন্তানের ভাগ্য, কারদানো অনেক হিসাব নিকাষ গ্রহ নক্ষত্র বিচার করে বললেন যুবরাজ ২৩, ৩৪, ৫৫ বছর বয়সে সামান্য কিছু রোগ ভোগে বাদ দিলে দীর্ঘ জীবন পাবে। অথচ ষষ্ঠ এডোয়ার্ড মারা গেল ১৬ বছর বয়সে! হায় জ্যোতিষি বিদ্যা।



সব মিলিয়ে প্রায় আড়াইশো বই লিখছিলেন, তার মাঝে নিজের আত্ম জীবনী “দ্য ভিতা প্রপিয়ের লিভা” মানে আমার জীবনীগ্রন্থে নিজেকে চরিতার্থ করেছেন বদমেজাজি, ধুর্ত, একরোখা, ফন্দিবাজ, কুটিল, ঠোটকাটা, পরিশ্রমী, অধৈর্য্য, লোভী আর মিথ্যেবাদী। গুন বোধ হয় একটাও বাকী ছিল না ইতিহাস খ্যাত বিজ্ঞানীর! এটা বুঝাই যাচ্ছে তার বন্ধু না থাকলেও শত্রুর অভাব ছিল না। জুয়া খেলার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছেন “লিবের দ্যা লুদো আলে”তে আর বীজগনিত এর জটিল সংখ্যা নিয়ে আলোচনা করছেন “আরতিস ম্যাগনা সিভ দ্যা রেগুলিস আলজেবরাইসিস লিবের আনাসে”। মুলতঃ এটাই তার বিখ্যাত বই।


Niccolò Fontana Tartaglia

কারদানোর আর এক বিখ্যাত শত্রু ষোড়শ শতাব্দীর গনিতবিদ নিকোলো ফোন্তানা, কিন্তু তোতলা ছিলেন বিধায় তাকে ডাকা হত “তার্তাগলিয়া” বলে ইতালিয়ানে তার্তাগলিয়া মানে তোতলা। সে সময়ে ত্রিঘাত সমীকরনের সমাধান আবিস্কার হয় নি, কিন্তু নিকোলা তার্তাগালিয়া তার সমাধান আবিস্কার করে ফেললেন, সেকালের ধারা অনুযায়ী কোন কিছু আবিস্কার হলে তো সাথে সাথে ছাপার অক্ষরে দেখা যেত না, তাই ওই বিষয়ের ওপর দুই এক জন পন্ডিতকে ডাকা হত যাদের সামনে তার আবিস্কার দেখানো হত এবং কোন ভুল চুক থাকলে তার সাথে তর্ক যুদ্ধে যেত। তর্কে যে জিতত তারটাই মেনে নেয়া হত। সে সময় তার্তাগালিয়া আর এক গনিতবিদ ফিয়রের সাথে তর্কে নামলেন ত্রিঘাত সমীকরন নিয়ে, সে তর্কে অবশ্য তার্তাগালিয়া জিতছিলো। এমন সময় মঞ্চে আবির্ভাব আমাদের ধুর্ত কারদানোর।

সে তখন তার বিখ্যাত বই “আরতিস ম্যাগনা সিভ দ্যা রেগুলিস আলজেবরাইসিস লিবের আনাসে” লিখছিলেন। তিনি চাচ্ছিলেন তার্তাগালিয়া যেন তার বইতে বীজগনিতের এই ত্রিঘাত সমাধান যেন প্রকাশ করে, অনেক খোশামোদের পর তার্তাগালিয়া রাজি হয় তবে এক শর্তে আগে তার নিজের বইতে ত্রিঘাত সমীকরন সমাধানের কৌশল ব্যাখ্যা করে তারপর কারদানোর বইতে দেবেন। রাজী হলেন কারদানো কিন্তু “আরতিস ম্যাগনা সিভ দ্যা রেগুলিস আলজেবরাইসিস লিবের আনাসে” ছাপানোর সময় তার্তাগালিয়ের সাথে দেয়া কথা রাখলেন না কারাদানো কারন ততদিনে নিজে চর্তুঘাত সমীকরন সমাধানের কৌশল আবিস্কার করে ফেলছেন, আর সেটা দিয়ে ত্রিঘাত সমীকরনের সমাধানও করা যায়। বই প্রকাশের পর তার্তাগালিয়া মহা খাপ্পা হয়ে বিভিন্ন জায়গায় গালাগাল দিতে লাগলেন।



জীবনের শেষটা খুব একটা শান্তিতে কাটাতে পারেনি এই মানুষটি। ওদিকে কারদানো যীশুখ্রিষ্টের ঠিকুজি তৈরী করে ফেলছেন গোপনে, সেখানে লেখা ছিল যীশু মোটেই সাধু সন্ত ঈশ্বরের পুত্র ছিল না, দোষে গুনে মানুষ। তার্তাগালিয়া সে গোপন খবর পেয়ে গেলেন কারন কারদানোর ঘরের মানুষ তার ছোট ছেলে এ্যালডোকে ততদিনে বশ করে ফেলছে। চার্চের কাছে গিয়ে এই ভয়ানক কোষ্ঠি ঠিকুজির কথা ফাস করে দিলেন, চার্চ কারদানোকে ডেকে ভয়াবহ রকমের ভৎসনা এবং অপমান করে।

১৫৭৬ সালের ২০শে সেপ্টেম্বর এই বিজ্ঞানী, জুয়ারী, আরো অনেকে বিশেষনে বিশেষিত মারা যান। মজার ব্যাপার হল নিজের মৃত্যুর তারিখটি অনেক আগে থেকেই নিজে ঘোষনা করেছিলেন গননা করে। অনেকেই সন্দেহ করেন তার মৃত্যুটি ছিল আত্মহত্যা! কারন? কারন আর কিছুই না নিজেকে জ্যোতিষী হিসাবে অমর করে রাখা।

উৎসর্গঃ লেখাটা আমি বোন করুনাধারাকে উৎসর্গ করলাম যিনি গনিত বিষয়ে লেখা বিপুল আগ্রহে পড়েন এবং লেখেন ও বটে

সুত্রঃ লেখার মাঝে বিভিন্ন জায়গায় লিঙ্ক দিয়েছি, এছাড়াও বিভিন্ন পত্রিকা।

মন্তব্য ২৮ টি রেটিং +১০/-০

মন্তব্য (২৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ২:১৯

সোহানী বলেছেন: এমন একজন মজার মানুষ সম্পর্কে জানতে পেরে ভালো লাগছে।

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:২৪

শের শায়রী বলেছেন: পাঠে এবং মন্তব্যে কৃতজ্ঞতা বোন।

২| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ৭:৫২

চাঁদগাজী বলেছেন:


সবই বড় ধরণের কাজ করেছেন; শুধু ভুল ধারণা, এস্ট্রোলোজীকে সঠিক প্রমাণ করতে মুল্যবান প্রাণ দিয়েছেন! আপনিও এস্ট্রোলোজীকে বিজ্ঞান হিসেবে প্রমাণ করতে পারবেন কিন্তু

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:৩০

শের শায়রী বলেছেন: সে না হয় প্রমান দেয়া যাবে মুরুব্বী কিন্তু আপনার আত্মজীবনী “দ্য ভিতা প্রপিয়ের লিভা” লিখতে গেলে আমার ধারনা কারদানোর থেকে দু চারটা বিশেষন বেশীই থাকবে :P যেখানে কারদানো নিজেকে বলছেন বদমেজাজি, ধুর্ত, একরোখা, ফন্দিবাজ, কুটিল, ঠোটকাটা, পরিশ্রমী, অধৈর্য্য, লোভী আর মিথ্যেবাদী। অবশ্য কারদানোর মত সৎসাহস সবার থাকে না

৩| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:২৭

রাজীব নুর বলেছেন: বিজ্ঞানে আগ্রহা আপনার আজকের এই পোষ্ট পড়ে আনন্দ পাবেন।

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:৩০

শের শায়রী বলেছেন: ধন্যবাদ রাজীব ভাই।

৪| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:০৬

এস এম মামুন অর রশীদ বলেছেন: মোটামুটি ঠিক আছে বর্ণনা, ভালো বলা যায়, তবে এক জায়গায় কারদানোর অবদান একটু বেশি বলা হয়ে গেছে, যেমন কোয়ান্টাম মেকানিকসের ব্যাপারটি। কারদানো চতুর্ঘাত সমীকরণ সমাধানের কৌশল আবিষ্কার করে ফেলেছেন, এটি ভুল তথ্য; আবিষ্কারটি করেছিলেন কারদানোর শিষ্য ও তাঁর একসময়কার ফরমায়েশ খাটা যুবক লুদোভিকো ফেররারি। এছাড়া চতুর্ঘাত দিয়ে ত্রিঘাত নয়, বরং ত্রিঘাত দিয়ে চতুর্ঘাতের সমাধান করা যায়।

আর নিককোলো ফোনতানা তার্তালিয়া কারদানোর ছেলেকে বশ করে ফেলেছিলেন, এটা হচ্ছে পুরো গাঁজাখুরি কাহিনি, আপনি ধরতে পারেননি বিষয়টি। ইন্টারনেটে যা দেখবেন, তাই বিশ্বাস করে ফেলবেন না।

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১২:১৭

শের শায়রী বলেছেন: প্রথমেই আপনাকে আমার আন্তরিক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আপনার মুল্যবান মন্তব্যের জন্য। এইবার আসি আপনার মন্তব্যের প্রতিউত্তরেঃ

আপনি লিখছেন এক জায়গায় কারদানোর অবদান একটু বেশি বলা হয়ে গেছে, যেমন কোয়ান্টাম মেকানিকসের ব্যাপারটি। আমি কিন্তু খুব ক্লিয়ার করে লিখছি ( আবার এই সামান্য সুত্র ধরে কোয়ান্টাম মেকানিক্স হিসাব করতে গেলে ভুল করবেন, আমি শুধু ভিত্তিটাই জানালাম)।

আপনি লিখছেন কারদানো চতুর্ঘাত সমীকরণ সমাধানের কৌশল আবিষ্কার করে ফেলেছেন, এটি ভুল তথ্য; আবিষ্কারটি করেছিলেন কারদানোর শিষ্য ও তাঁর একসময়কার ফরমায়েশ খাটা যুবক লুদোভিকো ফেররারি। আপনার তথ্য ঠিক আছে এক অর্থে, আবার যদি মধ্যযুগের দিকে তাকান তবে দেখবেন সব বড় বড় আঁকিয়ে বা মাইকেল এ্যাঞ্জেলোর মত মুর্তি গড়িয়ে তাদের নাম করা সব কাজের অধিকাংশ কিন্তু তাদের শিষ্যরা করছেন তারা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আউট লাইনটা দিয়ে গেছেন পরে সে সব কাজের ডিটেইলস বা কাজের ফিনিশিংও কোন কোন ক্ষেত্রে তাদের শিষ্যরা করছে এক্ষেত্রে কিন্তু নাম পড়ছে ওই বিখ্যাত আঁকিয়ে বা গড়িয়েরই। আমার কাছেও ব্যাপারটা তেমন লাগছে, ফেররারি ছিল কারদানোর কাজের ছেলের মত অবশ্য সেকালে এটাই রীতি ছিল শিষ্য গ্রহনের ব্যাপারে। ফেররারি কাজটা করলেও ছাপা হয়েছে কিন্তু আরতিস ম্যাগনায়।

আপনি লিখেছেন, এছাড়া চতুর্ঘাত দিয়ে ত্রিঘাত নয়, বরং ত্রিঘাত দিয়ে চতুর্ঘাতের সমাধান করা যায়। দেখুন উইকিতে লেখা আছে He published with attribution the solution of Scipione del Ferro to the cubic equation and the solution of his student Lodovico Ferrari to the quartic equation in his 1545 book Ars Magna. The solution to one particular case of the cubic equation. আর এখানে আমি চর্তুঘাত বলতে বুজিয়েছি



Where a ≠ 0

যাই হোক আমি কোন ম্যাথমেটিশিয়ান না, শখের বশে বিভিন্ন ব্যাপার গুলো জানার চেষ্টা করি, আর সেক্ষেত্রে নেট, বই এবং পত্রিকা ছাড়া আমার উপায় নেই।

আবারো ধন্যবাদ আপনাকে। সহযোগিতা কাম্য।।

৫| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:২৯

ইমরান আশফাক বলেছেন: বাহ্, চমৎকার এবং খামখেয়ালী এক প্রতিভাবান মানুষের পরিচয় পেলাম আপনার মাধ্যমে।

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:২৭

শের শায়রী বলেছেন: পাঠে এবং মন্তব্যে অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা প্রিয় ভাই।

৬| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:৫২

করুণাধারা বলেছেন: আমার খুবই পছন্দের একটি বিষয়ে লিখেছেন, তাই খুব মন দিয়ে পড়ছিলাম; সবশেষে যখন দেখলাম এই চমৎকার পোস্টটি আমাকে উৎসর্গ করেছেন, তখন আনন্দে আপ্লুত হলাম!

প্রোবাবিলিটি বা সম্ভাব্যতা আমার প্রিয় বিষয়, কিছুটা জটিলও, কিন্তু আপনি লিখেছেন একেবারে সহজ করে। (একজায়গায় ছোট টাইপো আছে, ১০= ১+৩+৫) হয়ে গেছে।)

কারদানোর কথা কিছুই জানা ছিল না। যীশুর ঠিকুজী তৈরি করা, সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন এই প্রতিভাবান ব্যক্তিটির সম্বন্ধে অনেক কিছু জানলাম আপনার এই লেখার কল্যাণে। অসংখ্য ধন্যবাদ।

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:৩৬

শের শায়রী বলেছেন: প্রিয় বোন, গনিত নিয়ে লেখায় আপনার বিপুল আগ্রহ আপনার বিভিন্ন মন্তব্য থেকেই বুজতে পেরেছি, এর পাশাপাশি আপনার গোল্ডেন র‍্যাশিও নিয়ে লেখাটাও আমাকে মুগ্ধ করেছে। লেখাটা লিখে ঠিক করলাম গনিত নিয়ে সমজদার খুব কম মানুষ সেখানে আপনি একজন ব্যাতিক্রম। আমার ধারনা গনিতে আপনার ব্যাক গ্রাউন্ড আছে, এই ব্যাপারে আমার ব্যাক গ্রাউন্ড যিরো। তাই খুব আতঙ্কে থাকি, বোকার মত কিছু লিখে ফেলি কিনা, আপনার মত সমাজদারদের কাছ থেকে এব্যাপারে সাহস পেলে লিখতে উৎসাহ পাই। আর আপনি সব সময়ই উৎসাহ দিয়ে গেছেন। টাইপো ঠিক করে দিয়েছি বোন।

জানি না অঙ্কের পার্ট টি শুদ্ধ হয়েছে কিনা? শুদ্ধ হোক বা না হোক আমার আন্তরিক ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধার্ঘ জানবেন।

৭| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১২:০৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ইয়া মাবুদ, করছেন কি??? :(

এইডা পইড়া মন্তব্য করতে টাইম লাগবো। এইসব পোষ্ট দিয়া আপনে আমার জীবনডারে আরো তেজপাতা বানাইতাছেন। :((

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:৪১

শের শায়রী বলেছেন: খাড়ান আপনারে উৎসর্গ করুম "গোল্ডবাক কনজেকচার"। তার আগে নিজে বুইজা লই ব্যাপারটা ;) ত্যাজপাতার দেখছেন কি! হোইয়া বাইচু পোষ্টে লিঙ্ক দিয়া আমারে যে ঘোল খাওয়াইছেন তার শোধ নিমু আপনারে "গোল্ডবাক কনজেকচার" উৎসর্গ কইরা এবং সেই পোষ্টে আমি ইচ্ছা কইরা একটা ভুল করুম আপনার সেইডা বাইর করতে হবে নাইলে আপনারে নিয়া পোষ্টামু। X((

৮| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৩:৪৬

পদ্ম পুকুর বলেছেন: আমি আপনার পোস্টগুলো দেখে খুবই অবাক হই। আপনি নিজেওতো এই লোকটার মতই রহস্যজনক হয়ে উঠেছেন দেখা যাচ্ছে... করেন টা কি আপনি? ;)

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৩:৫৯

শের শায়রী বলেছেন: এইডা কি কইলেন ভাই? আমি অইলাম পদ্ম পুকুরের পানির মত স্বচ্ছ পরিস্কার.... যার মাঝে কোন .... কিন্তু নাই ;)

৯| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:০৬

পদ্ম পুকুর বলেছেন: আমার আসলেই খুব জানতে ইচ্ছে করে, আপনি কি করেন, এত পড়ার সময় পান কিভাবে... একদিন চায়ের দাওয়াত দিয়েন, দেখা করে আসবো... হালদাভ্যালী টি গার্ডেন ইদানিং খুব মানসম্মত চা বাজারজাত করছে....

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৯:২৪

শের শায়রী বলেছেন: মেইল এ্যাড্রেস পেয়েছেন ভাই? আপনি কি ফটিকছড়িতে?

১০| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:৩২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: পড়লাম এক নাতিদীর্ঘ পোস্ট। পরিচিত হলাম কারদানো ও নিকোলাস ফেস্টুনা ওরফে ইতালি ভাষায় তোতলা তার্তাগালিয়ের পান্ডিত্যের সাথে। বিষয়টি মনের সঙ্গে ম্যাচ না করলেও ধৈর্য্য ধরে পড়েছি।
উৎসর্গে শ্রদ্ধা।

পোস্টে লাইক।

শুভকামনা প্রিয় শায়রী ভাইকে।


১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৯:২৮

শের শায়রী বলেছেন: স্বাচ্ছ্বন্দ্যের বিষয় না হওয়ার পরো যে আপনি ধৈর্য্য নিয়ে পড়ছেন এই অনেক পাওয়া প্রিয় ভাই, আমার অশেষ কৃতজ্ঞতা জানুন।

১১| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:২৩

রাজীব নুর বলেছেন: বিজ্ঞান আর অংকে আমার খুব আগ্রহ। অথচ এদু'টাতেই আমি দুর্বল।

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৯:২৯

শের শায়রী বলেছেন: একটু চেষ্টা করলেই হয়ে যাবে রাজীব ভাই, আমার অবস্থাও অনেকটা একই রকম :)

১২| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:৫১

হাসান রাজু বলেছেন: ছবিতে হলুদের প্রভাব লক্ষণীয়। ;)
সাত রঙের মাঝে হলুদ রঙ আসার কারন হিসেবে এ্যাবিসিনেথ দায়ী হওয়ার সম্ভাবিলিটি কত ? B-))
আপনাকেই ভাবতে হবে।
এইছবিটা ফ্রেম করান নি ? (ভুল বকছি না তো! :( )

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৯:৩১

শের শায়রী বলেছেন: আপনার জবাব এই লিঙ্কের মাঝে নিহিত PERSPECTIVE OF THE NIGHT =p~ গোল্লা খাইছেন :P

১৩| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:৪৭

হাসান রাজু বলেছেন: ইন্টারে পরিসংখ্যান ছিল। এই সম্ভাবিলিটির পুরো চ্যাপ্টারটা ই নিজ গুনে মাফ করে দিয়েছি।
তাই পোস্টে ওই অংশটা কঠিন লেগেছে । যেখানে নাম্বার পাওয়ার লোভ আমাকে গ্রাস করেনি সেখানে আপনার পোস্টে কি লোভ থাকতে পারে !!!

নিজেকে অমর রাখতে আত্মহত্যা । এই টাইপের আধা পাগলা বিজ্ঞানী যিনি নিজেকে বদমেজাজি, ধুর্ত, একরোখা, ফন্দিবাজ.......... হিসেবে নিজেকে আখ্যা দিতে পারেন। আত্মহত্যা করতেই পারেন।


* ধরা খাইছি /:) । তাতে কি? লজ্জা ততটা পাই নি।

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৯:২৬

শের শায়রী বলেছেন: আপনার মন্তব্যগুলো আমি ভীষন উপভোগ করি হাসান ভাই। ভালোলাগা মন্তব্যে :)

১৪| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ১০:১৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: সেই পোষ্টে আমি ইচ্ছা কইরা একটা ভুল করুম আপনার সেইডা বাইর করতে হবে নাইলে আপনারে নিয়া পোষ্টামু। আপনে কি আমারে ভোদাই পাইছেন!! গোল্ডবাক কনজেকচার কেউ সলভ করতে পারে নাই, আমি পারুম কোইত্থে? আর আপনেই ইচ্ছা কইরা কি ভুল করবেন? =p~

অংক আমিও কইলাম ইকটু-আধটু পারি। আমার এই পোষ্টটা দ্যাখেন রহস্যময়তাঃ ফিবোনাচ্চি রাশিমালা থেকে গোল্ডেন রেশিও, মনে কইরেন না আমি কিছুই বুঝি না!! :P

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ১২:১৫

শের শায়রী বলেছেন: আপনেরে নিয়া আমার কোন ভুল ধারনা নাই ভাইডি, আপনি আসলেই একজন প্রতিভাবান (আই মীন ইট ব্রাদার)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.