নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অমরত্বের লোভ কখনো আমাকে পায়না। মানব জীবনের নশ্বরতা নিয়েই আমার সুখ। লিখি নিজের জানার আনন্দে, তাতে কেউ যদি পড়ে সেটা অনেক বড় পাওয়া। কৃতজ্ঞতা জানানো ছাড়া আর কিছুই নেই।

শের শায়রী

হৃদয়ের কাছে বুদ্ধির বাস ভাল কথা। কিন্তু মাঝে মঝে হৃদয়ের ওপর থেকে বুদ্ধির শাসন তুলে দিতে হয়, হৃদয়কে স্বাধীন করে দিতে হয়, মুক্ত করে দিতে হয়। স্বাধীন মুক্ত হৃদয়ের ধর্মকে সব সময় বুদ্ধি দিয়ে বিচার করতে নেই।।

শের শায়রী › বিস্তারিত পোস্টঃ

সামু ব্লগে কেন আসে না আগের মত লেখা

১০ ই জুন, ২০২০ রাত ৮:৫৪



অনেকদিন ধরেই ভাবছিলাম সামু ব্লগ নিয়ে কিছু লেখা লিখব, কেন আসে না আগের মত সেই সব মন মাতানো লেখা? লিখব লিখব করেও লেখা হয়ে ওঠে নি আজকে হঠাৎ করে দেখলাম ব্লগার জেন রসি লিখে ফেলছেন ব্লগ কি তার কার্যকারীতা হারিয়ে ফেলেছে ভাবছিলাম, উনার পোষ্টে কমেন্ট দেব, কিন্তু দেখলাম মন্তব্য এত বড় হয়ে যাচ্ছে যে আলাদা একটা পোষ্টই দেয়া যাচ্ছে। সেই আলোকে আজকের পোষ্ট .....

পড়াশুনা

আমার প্রায় আট বছর আগে এই সামু ব্লগের সাথে পরিচয় ঘটে। নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে বলতে পারি আমি ব্লগের স্বর্নালী যুগের শেষের অতি সামান্য সময় দেখছিলাম (এই স্বর্নালী সময় নিয়ে অনেকেরই হয়ত দ্বিমত থাকতে পারে, তাতে সমস্যা নেই কারন এটা একান্ত আমার ব্যাক্তিগত মতামত)। সে একটা সময় গেছে, এদিক থেকে হাজীর বিরিয়ানী আসছে তো ওদিক থেকে পুরানো ঢাকার চাপ, কাবাব আবার নজর ফিরাতে ফিরাতে ঘিয়ে ভাজা আস্ত খাসির রোষ্ট। কোনটা ছেড়ে কোন কোনটা খাবর মত অবস্থা। মানে প্রতিটা লেখাই ছিল অসাধারন মানসম্মত। লিখত কারা? লিখত এখনকার মতই যারা ব্লগিং করছে তাদের মতই কেউ একজন। তার কিন্তু রবীন্দ্রনাথ, তলস্তয়, ডিকেন্স বা চেখভের মত মেধা ছিলনা, সাধারন মাপের লেখকরাই লিখতে লিখতে এক সময় নিজস্ব একটা ষ্টাইল বা বলয় তৈরী করে ফেলত। তৈরী হয়ে যেত কিছু মান সম্মত লেখক।

এখন সে সময়ের একজন সাধারন মাপের একজন লেখক আর এখনকার একজন সাধারন মাপের লেখকের মাঝে পার্থক্য কোথায়? সোস্যাল মিডিয়া বলতে আমরা যা বুজি এই নেট কালচার তখনো শৈশবের ঘরে, ফেসবুক সবে মাত্র মার্কেটে আসছে (আমি ২০০৫/২০০৬ এর কথা বলছি) এদেশে তখনো হাতে গোনা কিছু মানুষ সবে ফেসবুক চিনতে শুরু করছে, ব্লগিং তখনো আতুড় ঘরে। তো ওই সময়ে যে মানুষটা লিখতে শুরু করছে তার লেখা শুরু করার আগে সে তার অবসর সময় কিভাবে কাটাত? কিভাবে আবার বই পড়ে আর যারা বই পড়ত না তারা সিনেমা টিনেমা দেখে। কিন্তু মুলতঃ পড়ুয়া গ্রুপটাই ব্লগে এসে লেখা শুরু করে। এর মানে হল, পড়তে পড়তে মোটামুটি ঝুনা ঝুনা পার্টিরাই কি বোর্ডে ভুল ভাল টাইপ করে ব্লগিং শুরু করে। টাইপে ভুল হোক কিন্তু লেখার মাঝে ছিল গভীরতা।

একজন ইমন যুবায়ের মারা যাবার পর কি তার বিকল্প ব্লগে এসেছে? কেন আসে নি? কারন ইমন ভাই (উনার সাথে আমার ব্যাক্তিগত আলাপ কোন দিন হয় নি, আমি ব্লগে আসার অল্প কয়েক মাস পরেই উনি মারা যায়, এরপর উনার ব্যাপারে আমার ব্যাক্তিগত ইন্টারেষ্ট থাকায় উনার সন্মন্ধ্যে আমি জানি) সারা দিন পড়তেন এবং সকালে উঠে লিখতেন। ইমন ভাই বাংলা ব্লগকে অন্য মাত্রায় নিয়ে গিয়েছেন। আবার ম্যাভেরিক এর পোষ্ট গুলো যদি আপনি খেয়াল করেন তবে দেখবেন তার বিজ্ঞান এবং গনিত বিষয়ক লেখার ধারে কাছেও কেউ নেই, এই লেখাগুলো লিখতে গেলে উনাকে প্রচুর পড়তে হয়েছে বলা বাহুল্য শুধু ম্যাভেরিক কেন এই ধাচের আরো কয়েকজন ছিল যারা এই টাইপের অসাধারন লেখা লিখত, এখনে গান নিয়ে লিখত গাংচিল এবং সিরাজ সাই, গানের ব্যাপারে এদের জ্ঞান দেখে অবাক হয়ে যেতাম, কিভাবে এটা সম্ভব?

এখানে গোলাম দস্তগীর লিসানী ভাইর নাম নেবার প্রয়োজন অনুভব করছি তার ধর্মীয় জ্ঞানের গভীরতা দেখে, আবার এর পাশাপাশি ভ্রমন কাহিনী নিয়ে অনেকে লিখতেন সুখের বিষয় জুন আপা এর মাঝে এই টাইপের লেখা দিয়ে সবার মন জয় করে নিয়েছিলেন এবং এখনো মাঝে সাঝে লিখেন, এর পাশাপাশি একটা গ্রুপ ছিল যারা নাস্তিক বা অবিশ্বাসী, এই নাস্তিক বলতে আবার থাবা বাবা টাইপের কাউকে মনে করবেন না, যারা এই ব্লগে নাস্তিক বা অবিশ্বাসী ছিল তারাও ধর্মীয় পোষ্টের মাঝে এবং বিপরীতে পোষ্টও দিত কিন্তু সেটা ছিল সভ্যতা, ভব্যতার মাঝে। বিশ্বাসীর বিশ্বাসে আঘাত না তারা যুক্তি দিয়ে কথা বলে প্রমান দেবার চেষ্টা করত তাদের বিশ্বাস ভুল। বিশ্বাস করুন আমি সেটা উপভোগ করতাম। আল্লাহ বা রাসুলকে গালি দেবার প্রয়োজন হত না তাদের, তারা ছিল যুক্তিবাদী। পুরানো অনেকের কথাই মাথায় ঘুরে যাচ্ছে কিন্তু তাদের সবার নাম নিতে গেলে এই পোষ্ট আর লেখা হবে না, তাই আমার পুরানো একটা সংকলন আছে সেটায় যেসব পোষ্ট আছে তাতে একবার নজর বুলিয়ে আসার অনুরোধ থাকল শের শায়রীর রহস্যের দুনিয়ায় স্বাগতম তাহলেই বুজবেন তারা কেমন ছিল ( বিনয়ের সাথে জানিয়ে রাখি ঐ সংকলনে আমার নিজেরও কিছু পোষ্ট আছে, সেগুলো ওখানে যারা লিখছে তাদের পাশাপাশি জায়গা পাবার মত কিছু না হলেও যেহেতু ধাচটা রহস্য রোমাঞ্চের তাই রেখে দিয়েছি)

এখন কথা হল এরা এত দারুনভাবে কিভাবে লিখত, আসলে তারা পড়ত, লেখার থেকে বেশী পড়ত। যেহেতু এরা কেউ জন্ম সুত্রে লেখা লেখির প্রতিভা নিয়ে আসেনি, তাই পড়াশুনার অভিজ্ঞতার আলোকে লেখালেখি করে একটা সময় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারছে। এখনকার কয়টা মানুষ লেখার আগে নিয়মিত পড়াশুনা করে বলতে পারেন? তা আপনি গল্প লেখেন, বিজ্ঞান লেখেন, আর কবিতা লেখেন।

আস্তিক নাস্তিক ইস্যু

ব্লগের পতনের জন্য কোনভাবেই নাস্তিক আস্তিক বিতর্ককে আমি দায়ী করতে রাজী না। কেউ যদি সেকালে কিছু ব্লগার নাম ধারীদের নবী রাসুলদের নিয়ে নোংরামিকে বিতর্ক হিসাবে দেখাতে যান সেক্ষেত্রে আমি বলব কিছু ব্লগার এই নোংরামিকে উস্কে দিয়ে লাভবান হবার জন্য এটাকে হাইলাইট করে সাধারন ব্লগারদের এর মধ্যে জড়িয়ে ফেলে নিজেদের লাভের গুড় খেয়ে নিয়েছে। আস্তিক নাস্তিক বিতর্ক আগে যেমন ছিল, এখনো আছে ভবিষ্যতেও থাকবে। এতে দোষের কিছু নাই। কিন্তু নাস্তিকতার নামে যখন কোন মানুষের সব থেকে সেনসেটিভ অনুভুতিতে আঘাত দিয়ে যুক্তিবাদী কেউ বিজয়ী হতে চাইবে বলে আমার মনে হয় না। তাই ব্লগের পতনের জন্য আস্তিক নাস্তিক ইস্যু বড় কিছু না বলেই আমার বিশ্বাস। এটাকে যারাই হাইলাইট করতে চাক না কেন সে আস্তিক হোক আর নাস্তিক হোক আমি বলব নির্দিষ্ট কোন উদ্যেশ্য নিয়েই সেটা সে করছে, যার মাঝে সহনশীলতা নাই সে না পারে আস্তিক হতে না পারে নাস্তিক হতে।

ফেসবুককে দায়ী করা

হ্যা অস্বীকার করার উপায় নেই, ফেসবুক আসায় অনেকেই সস্তা জনপ্রিয়তায় ফেসবুকে গেছে, এই যাওয়ায় ব্লগের খুব একটা ক্ষতি হয়েছে তাও না, কারন মিনি মাগনার এই যুগে “ওই চাঁদ প্রিয়া.... ঢ্যাডাং ড্যাঢাং” গানের পাশাপাশি হেমন্তের “এই রাত তোমার আমার” যেমন কোন তুলনা চলে না তেমনি ফেসবুকের দুই লাইনের ষ্ট্যাটাসের সাথে ব্লগের একটা লেখার কোন তুলনাই হয় না। অনেকেই ব্লগের লেখার সাথে ফেসবুককে মিলিয়ে ফেলেন। দুই লাইন পত্রিকা থেকে তুলে অথবা তিন লাইনের একটা লেখা লিখে কেউ যদি ব্লগ পোষ্ট করে আত্মতৃপ্তিতে ভোগে তার জন্য আসলে ব্লগ একটা অবশ্যই ভুল জায়গা। এটা এখনকার অনেকেই জানে না, একটা দারুন মন্তব্য অনেক সময় ব্লগের মুল পোষ্টকে ছাপিয়ে যায়। আমার নিজের লেখার ক্ষেত্রেই এমন দুই চার বার ঘটছে।

বর্তমান ব্লগ জনপ্রিয় না হওয়ার অন্যতম কারন

যেই লিখুক না কেন, সে আমি বা অন্য কেউ সবাই চায় তার লেখা সবাই পড়ুক। এতে দোষের কিছু নেই। অথচ বর্তমানে সামু ব্লগে ঢুকতে গেলে দেশের মধ্যে ওয়াইফাই কানেকশান লাগে, কোন মোবাইল অপারেটরের ডাটা ইউজ করে স্বাভাবিকভাবে ব্লগে ঢোকা যায় না, সেক্ষেত্রে ঢাকা এবং বড় বড় দুই চারটা শহর ছাড়া খুব কম জায়গায় ওয়াইফাই ইউজ হয় অথবা বাসার বাইরে গেলেই মোবাইল ডাটা ইউজ করতে হয়, সেক্ষেত্রে চাইলেও কেউ সহজভাবে ব্লগে ঢুকতে পারছেনা। ঢুকতে গেলে খুব সম্ভবতঃ অপেরা অথবা ভিপিএন দরকার। এত ঝামেলা করে সাধারন কেউ সামু ব্লগে ঢুকতে চায় না, যার কারনে সামু ব্লগ একটা নির্দিষ্ট গন্ডিতে আটকে আছে, অথচ দেখুন রোয়ার বাংলায় একটা পোষ্ট দিলে তার রীচ ৪/৫ হাজার ক্ষেত্র বিশেষ ১৫/২০ হাজার হয়ে যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে দোষ বা ভুল কার? সামুর নাকি সমস্ত ব্লগ কম্যুনিটির? আগে একটা পোষ্ট দিলেই আমার মত নগন্য মানুষের লেখার ভিউও এ্যাভারেজ এক দেড় হাজার হয়ে যেত, এখন টেনে টুনে ৩০০/৪০০। আর ভালো মানের ব্লগারদের লেখার তো কথাই নেই। যতদিন সামু এই মোবাইল নেট ইউজার ফ্রেন্ডলি না করতে পারবে ততদিন হাজার কারন দেখালেও ব্লগের মানের উন্নতি হবে না, মান সম্মত লেখক আসবে না। আসলেও সংখ্যায় অতি নগন্য হবে।

একটা সময় গেছে দিনে তিনটা পোষ্ট দিতাম, মান যাই হোক না কেন নিজের ভালো লাগা থেকেই দিতাম, এখন খুব একটা লিখতে ইচ্ছা বা সময়ও হয় না।

ডিজিটাল আইন

ডিজিটাল আইনের কারনে এখন রাজনৈতিক লেখা লিখতে আর কেউ তেমন উৎসাহী হয় না এটা অতীব সত্য। আর রাজনৈতিক লেখা না আসলে তর্ক বিতর্কের একটা বিরাট অংশ ফাঁকা থেকে যাবে। রাজনৈতিক লেখা যে দুয়েকজন লেখে তাও অতি হিসাব নিকাশের কারনে তার ফ্লেভার হারিয়ে যায়। আগে মুলতঃ ব্লগ মাতিয়ে রাখত এই সব বিভিন্ন রাজনৈতিক ধারার লেখকরা, যেখানে তর্ক বিতর্ক দিয়ে অনেক কিছু আসত।

দলবাজি, সিন্ডিকেটবাজি

দলবাজি, সিন্ডিকেটবাজি খারাপ কিছু না, লেখা লেখিতে একটা পর্যায়ে নিজস্ব বলয় বা কোন গ্রুপের একটা বলয় তৈরী হয়ে যায় তেমনি তার বিপক্ষ বলয়ও তৈরী হয়ে যায়, শুরু হয় দু দলের শব্দাস্ত্র প্রয়োগ, আমি ব্যাক্তিগত ভাবে এটা উপভোগ করি যতক্ষন না এটা ব্যাক্তি আক্রমনে চলে যায়। এই ব্যাক্তি আক্রমন ব্যাপারটাও অনেকে বোঝে না। এই না বুঝাটাই নোংরামিতে পর্যবসিত হয়। তবে আশার ব্যাপার প্রায় ৯৫% ব্লগারই এ ব্যাপারে সচেতন এটাই ব্লগের সৌন্দর্য্য।

ব্লগে মোডারেটররা

আমার কাছে ব্লগের মডুরা সব সময়ই শিখন্ডি। সবাইকে তারা খুশী করতে পারে না। আমি নিজেও কিছু ব্যাপারে কখনো কখনো বিরক্ত হই, কিন্তু হাজার খানেক ব্লগারদের বিভিন্ন মত বিভিন্ন ধারার সবাইকে খুশী রাখা প্রায় অসম্ভব একটা ব্যাপার।

ব্লগ এখন আর নতুন লেখক তুলে আনতে পারছে না আগের মত, এর অন্যতম কারন আমার কাছে সামু ব্লগের সীমিত গন্ডি, এই জেনারেশানের বিভিন্ন লেখকের বই পড়ার অনীহা, ব্লগের টেকনিক্যাল দুর্বলতাই আমার কাছে মুল বলে মনে হয়েছে।

কয়েক বছর আগে লিখছিলাম কেন আসেনা আগের মত সেই সব লেখা? । তার ধারাবাহিকতায় ব্লগার জেন রসির লেখাটা পড়ে একান্ত ব্যাক্তিগত মতামতের ওপর ভিত্তি করে এই লেখাটা লিখলাম। সবাই যে সব ব্যাপারে এক মত হবে তাও না। এক সময় সামু ব্লগ ছিল নতুন লেখক তৈরীর আতুরঘর, কালে কালে তা বিবর্ন হয়ে যাচ্ছে, এতে ব্লগ কর্তৃপক্ষ যেমন দায় এড়াতে পারছে না, তেমনি দায় এড়াতে পারছে না একালে যারা ভিউ লাইক কমেন্টের ইচ্ছা নিয়ে প্রস্তুতি ছাড়া ব্লগে আসে তারাও। আমার কাছে ব্যাক্তিগতভাবে মনে হয়, ব্লগ কর্তৃপক্ষ যতদিন উদসীনতা দেখাবে ততই সামুর মৃত্যু ঘন্টা বাজবে। অতীতের কংকাল হয়ে অতীত গৌরবের জাবর কাটতে হবে।

মন্তব্য ৯৫ টি রেটিং +২৩/-০

মন্তব্য (৯৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:১৫

ডার্ক ম্যান বলেছেন: roar এ ভবিষ্যতে আরো ভাল অবস্থানে যাবে । তাদের মান অনেক ভাল। তারা কিন্তু ফেসবুকে ভালভাবেই লেখাগুলোকে প্রমোট করে। সামু ব্লগ কি সেটা করে??
সামুর আলাদা প্যানেল থাকা উচিত ভাল লেখাকে প্রমোট করার জন্য । ব্লগে যখন লেখার প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পাবে তখন ভাল লেখকের সংখ্যাও বৃদ্ধি পাবে। আমার মত আগডুম বাগডুম পোস্ট করা ব্লগারও লেখার ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করবে ।

১১ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৫:৪৭

শের শায়রী বলেছেন: ডার্কম্যান ভাই প্রথমেই ছোট্ট একটা প্রতিবাদ জানিয়ে রাখি আপনি আপনার নিজের সন্মন্ধ্যে যে মন্তব্য দিয়েছেন, আমি তার তার সাথে এক মত না।

যাই হোক, সামু যদি তার ভালো লেখাগুলোকে প্রমোট করে সেক্ষেত্রে আমারও একই বিশ্বাস তাতে ব্লগের ভিউয়ার বাড়বে, আর ভিউয়ার বাড়া মানে অধিক এ্যাডভার্টাজইমেন্ট পাওয়া এবং ব্লগের আয়ও বেড়ে যাওয়া। হ্যা আমার কাছেও রোয়ারে লেখার জন্য দু’তিন জন বলছিলো। কিন্তু সামু আমাদের প্রথম এবং শেষ ভালোবাসা ব্লগিং এ তাই অন্যদিকে যাবার কথা ভাবতেও রাজি না।

পাঠে এবং মন্তব্যে অশেষ কৃতজ্ঞতা। আশা রাখি সামু কর্তৃপক্ষ আপনার পরামর্শ ভেবে দেখবে।

২| ১০ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:২১

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: দারুন কিছু যুক্তি দৃষ্টান্ত সহকারে তুলে ধরেছেন । আসলে মোবাইল নেটওয়ার্কে একসেস হারিয়ে প্রধান ক্ষতিটি সাধিত হয়েছে । এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ না নিতে পারলে খুব সমস্যা । সবাই আরও উদার হতে হবে লাইক কমেন্ট প্রতিমন্তব্য বিষয়ে। সুন্দর পোস্ট ।

১১ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৫:৫৮

শের শায়রী বলেছেন: প্রিয় কবি, তুমি সমস্যার একেবারে গোড়ায় আঘাত করছ। আমিও কয়েক মাস আগে এনিয়ে পোষ্ট দিয়েছিলাম সামুর প্রতিষ্ঠাতা, মডু এবং লেখক পাঠকদের প্রতি আফসুস প্রায় ছয় মাস হয়ে গেল সে সমস্যার এক বিন্দু সুরাহা হয় নি। জানি না এটা কাদের দুর্ভাগ্য।

পাঠে এবং মন্তব্যে অশেষ কৃতজ্ঞতা। আশা রাখি সামু কর্তৃপক্ষ তোমার পরামর্শ ভেবে দেখবে।

৩| ১০ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:৩৩

আরোগ্য বলেছেন: কিছু বলবো না। সোজা প্রিয়তে তুলে রাখলাম। hat's off মশাই।

১১ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৫:৫৯

শের শায়রী বলেছেন: অনার ইজ মাইন ব্রাদার।

৪| ১০ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:৩৪

নেওয়াজ আলি বলেছেন: দরকারী কিছু কথা । আমরা যে যাই বিশ্বাস করি না কেন একে অন্যের প্রতি সহনশীল থাকতে হবে।আসলে ফেসবুক মানুষের ফ্রী সময়ের অনেকটা দখল করেছে। আর বর্তমানে মানুষ বিরক্তকর সময় পার করছে

১১ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০১

শের শায়রী বলেছেন: পারস্পারিক সহনশীলতা আর শ্রদ্ধাবোধ আমাদের এই কম্যুনিটিকে আরো এগিয়ে নেবে আপনার মত আমারো বিশ্বাস।

পাঠে এবং মন্তব্যে অশেষ কৃতজ্ঞতা নেওয়াজ ভাই।

৫| ১০ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:৩৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: সুলিখিত পোস্ট, সু আলোচিত। + +
"আসলে মোবাইল নেটওয়ার্কে একসেস হারিয়ে প্রধান ক্ষতিটি সাধিত হয়েছে" - সেলিম আনোয়ার এর এ কথাটির সাথে আমি একমত।

১১ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৪

শের শায়রী বলেছেন: শ্রদ্ধেয় খায়রুল ভাই, আমার কাছেও সামুর অন্যতম প্রধান ক্ষতি হিসাবে এটাকেই মনে হয় মানে মোবাইল একসেস হারিয়ে ফেলা। জানি না এটা নিয়ে কেন ব্লগ কর্তৃপক্ষ কাজ করছে না, কারন যেহেতু সরকারী বিধি নিষেধ উঠে গেছে সেক্ষেত্রে কেন বেসরকারী বিধি নিষেধ পুরা সামু কম্যুনিটিকে ক্ষতি করবে?

পাঠে এবং মন্তব্যে অশেষ কৃতজ্ঞতা শ্রদ্ধেয়। আশা রাখি সামু কর্তৃপক্ষ আপনার পরামর্শ ভেবে দেখবে।

৬| ১০ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:৩৭

অপু তানভীর বলেছেন: রোয়ার বাংলার হাজার রিচের কারণ হচ্ছে রোয়ার তাদের পোস্ট ফেসবুকে মার্কেটিং করছে । বলা যায় ফেসবুকে লিংক বুস_ট করেই রোয়ার বাংলাকে মানুষ চিনেছে । আজকে রোয়ার বাংলা ফেসবুকে মার্কেটিং করা বন্ধ করে দিক । ছয় মাসের মধ্যে তাদের অবস্থা নড়বড়ে হয়ে যাবে । যাবেই । ১০ হাজার রিচ কমে এসে ঠেকবে ৫০০তে। ব্লগে ঢুকে পোস্ট পড়ার লোক এখন আর আগের মত নেই । সত্যিই নেই । সামু যদি নিজেদের পোস্ট গুলো নিয়ে ফেসবুকে সক্রিয় হতে পারে সামুর পোস্টও মানুষ পড়বে ।
ইন্ডিয়ার প্রতিলিপ নামে একটা গল্প কবিতা লেখার প্লাটফর্ম আছে । সেখানেও তারা তাদের লেখা প্রতি নিয়ত ফেসবুকে মার্কেটিং করেই চলেছে । সামু কবে শেষ এই মার্কেটিং করেছে ?

আপনার পোস্ট গুলোর কথাই যদি ধরি । যে ধরনের পোস্ট আপনি সামুতে পোস্ট করছেন গুণে মানে সেটা কোন ভাবেই কোন অংশ কম না । তাহলে সেটার রিচ মাত্র এক হাজারে থেমে যাচ্ছে কেন ? মানুষ জানতেই পারছে না আপনার লেখার কথা । রোয়ারে ওরা মানুষকে জানাচ্ছে ।

১১ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:১৩

শের শায়রী বলেছেন: প্রিয় ভাই, আপনার প্রতিটা কথার সাথে এক মত। তারপরো বলব রোয়ারের ফেসবুক মার্কেটিং বন্ধ হলে তাদের রীচ ৫০০ নীচে আসবে এটাও যেমন সত্য তেমনি এটাও সত্য সামুর সাথে রোয়ারের কোণ তুলনা হয় না কারন সামু বাংলা ব্লগের পথিকৃতি, সেক্ষেত্রে সামুর বিরাট একটা পরিচিতি ছিল এবং আছে। এক্ষেত্রে দেখেন সব থেকে বড় প্রবলেম আমি মনে করি সামুর “মোবাইল ডাটা একসেস” হারিয়ে যাওয়া, কারন ফেসবুকে মার্কেটিং করলেও বিশাল একটা অংশ সামুর পোষ্ট পড়তে পারবে না কারন তারা মোবাইল ডাটা ব্যাবহার করে, সেক্ষেত্রেঃ

প্রথমতঃ সামুকে আবার মোবাইল কোম্পানিগুলোর সাথে আলাপ করে তাদের একসেস ফিরিয়ে আনা প্রথম কাজ।

দ্বিতীয়তঃ কিছুদিন ফেসবুকে মার্কেটিং করা, সেক্ষেত্রে অটোমেটিক সামু আবার ভরা যৌবনের মত তর তর করে এগিয়ে যাবে বলে আমার বিশ্বাস।

দারুন এক মন্তব্য। এর পর আর বলার কিছু থাকে না।

পাঠে এবং মন্তব্যে অশেষ কৃতজ্ঞতা ভ্রাতা। আশা রাখি সামু কর্তৃপক্ষ আপনার পরামর্শ ভেবে দেখবে।

৭| ১০ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:৪৪

রাজীব নুর বলেছেন: এখন ভালো লেখা আসে না। আগে আসতো।
সেই ভালো লেখা গুলোর কয়েকটা লিংক দেন। পড়ে দেখি কেমন ভালো। অন্ততপক্ষে সেই সময়ের ৫ জন্ম ব্লগারের নাম বলুন।
ব্লগে ভালো লেখা, মন্দ লেখা সব রকমই আছে। সবাই তো ভালো লিখতে পারে না। নিশ্চয়ই কেউ ইচ্ছা করে খারাপ লিখে না।

যে গান গান সে একদিন গান গেয়ে গায়ক হতে পারে না। গাইতে গাইতে তাকে গায়ক হতে হয়। তবে একটা কথা সত্য প্রচুর পড়তে হবে। এর কোনো বিকল্প নাই। বেশি পড়লেই ভালো লেখা সম্ভব।

তবে সামু ব্লগে আগের চেয়ে এখনকার পরিবেশ ভালো। এখন যারা সামুতে আছেন হাতে গোনা চারজন ছাড়া সবাই ভালো। ভদ্র। অমায়িক।

১১ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১৬

শের শায়রী বলেছেন:
রাজীব ভাই, আপনাকে আমার ভালো লেখার লিংক দেয়া হবে এক রকম মামার কাছে মামাবাড়ীর গল্প বলার মত। এই ব্লগে আপনার পদচারনা আমার অনেক আগে। তাই আপনি আমার থেকে ভালো জানেন ভালো লেখা কোন টা। ভাই পাচ জন কেন আমি যদি ৫০ জনের নামও বলি তার মাঝে থেকে আপনার হয়ত একজনও ভালো না লাগতেই পারে। এটাই স্বাভাবিক। সবার মানসিকতা এবং রুচিবোধ আলাদা। আবার কোন কোন জায়গায় এক হতেও পারে।

জ্বি আপনি যেমন বলছেন “যে গান গান সে একদিন গান গেয়ে গায়ক হতে পারে না। গাইতে গাইতে তাকে গায়ক হতে হয়। তবে একটা কথা সত্য প্রচুর পড়তে হবে। এর কোনো বিকল্প নাই। বেশি পড়লেই ভালো লেখা সম্ভব।” আমিও পোষ্টে কিন্তু এই ব্যাপারটাই প্রথম পয়েন্টে এনেছি।

সামুর পরিবেশ আগেও ভালো ছিল এখনো ভালো আছে, আর সব সময়ই দুই চারজন থাকবে যারা আর সবার থেকে কিছুটা আলাদা হবে, এটাই স্বাভাবিক।

পাঠে এবং মন্তব্যে অশেষ কৃতজ্ঞতা রাজীব ভাই।

৮| ১০ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:৫৩

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:

ভালো লেখা্ আর খারাপ লেখা যাই হোক না কেন পাঠক আগের মতো নেই। এখন পাঠক আমরা নিজেরাই। সাধারণ কোন পাঠক আসে না। মানে যাদের নিক নেই সেই সব পাঠক।

১১ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৯

শের শায়রী বলেছেন: সাজ্জাদ ভাই, সাধারন পাঠক না আসার অন্যতম কারন হল, তারা মোবাইল ডাটা ইউজ করে স্বাভাবিক ভাবে (মানে ভি পি এন ছাড়া) সামুতে ঢুকতে পারে না। এই সমস্যার সমাধান হলেই পাঠক সংখ্যা উল্লেখ্যযোগ্য ভাবে বেড়ে যেত।

৯| ১০ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:০৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: বহু আগে কেবল পাঠক ছিলাম বেশ কয়েকটি ব্লগে । পাঠক হিসেবে আমার বক্তব্য যে সেই সময়ে রাজনৈতিক দলের কঠোর সমর্থকদের বেশি আনাগোনা ছিল ব্লগে ।দুই রাজননৈতিক দলের আনাগোনায় ব্লগ থাকতো সরগরম।

১১ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪৩

শের শায়রী বলেছেন: হ্যা রাজনৈতিক বিতর্ক থাকলে চায়ের দোকান থেকে ব্লগ সবই সরগরম থাকে। কেন জানি ব্লগীয় এই ধারাটা নাই বললেই চলে ঢাবিয়ান ভাই। আগে এই ধারায় কি যে উপভোগ্য ফাইট হত, আমার মত আম ব্লগাররা গ্যালারিতে বসে মজা নিতাম।

পাঠে এবং মন্তব্যে অশেষ কৃতজ্ঞতা ভাই।

১০| ১০ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:৩৫

ওদৃশ্য মানব বলেছেন: বেশ ভালো লিখেছেন, আশা করছি সামু কর্তৃপক্ষ বিষয়গুলো আমলে নেবেন।

১১ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪৫

শের শায়রী বলেছেন: আমিও তাই আশা করি ভাই।

পাঠে এবং মন্তব্যে অশেষ কৃতজ্ঞতা।

১১| ১০ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:৪৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ভালো লিখেছেন। আগের সঙ্গে পরের প্রসঙ্গ উত্থাপন করে যেভাবে ব্লগের বর্তমান সময়ে কালকে যেভাবে ব্যাখ্যায়িত করা হচ্ছে সে সম্পর্কে আমার ধারণা অতি নগন্য। আমি একজন এই প্রজন্মের ব্লগার। যে কারণে গতদিন উল্লিখিত পোস্টে মন্তব্য করা থেকে বিরত ছিলাম। নাই বা করলাম সোনালী দিনের সঙ্গে বর্তমান সময়ের আলোকপাত করা। কিন্তু কতগুলো বিষয়ে আলোচনা করাই যায়।
প্রসঙ্গ যখন ফেসবুক:- ব্যাক্তিগত ভাবে জায়গাটাকে আমার খুব সস্তা, মানহীন বলে মনে হয়। একশ্রেণীর জীবনযাত্রার দেখনদাড়ি বলে মনে হয়। মূলত খাওয়া-দাওয়া সাজ-পোশাক গৃহসজ্জা খানাপিনার মত সস্তা পোস্টের প্রতিযোগিতা আসর। যদিও আজকাল বেশ কিছু ভালো লেখা চোখে পড়ে তবে তাদের সংখ্যা খড়ের গাঁদায় সুঁচ খুঁজার মতই।বাজারে চটকদারি জিনিসের সংখ্যাই বেশি ;কোয়ালিটি জিনিসের সংখ্যা কম।সংগত কারণেই ফেসবুকারের সংখ্যাটা বেশি হওয়াটাই স্বাভাবিক। এখানেই ব্লগ ঠিক উল্টোটাই ফেসবুকের। দিনে দশটা ছবি পোস্ট করা যায়। কিন্তু কিছু লিখতে গেলে যে বুকের পাটা থাকা চাই।

ধর্মটাকে আমি একদম অন্তরের বিষয় বলে মনে করি।কেউ ধর্ম পালন করে শান্তি পায় কেউবা না মেনে।একে অপরের আবেগকে মূল্য দেওয়া প্রতিটি বিবেকবান মানুষের কর্তব্য বলে আমার বিশ্বাস। যে কোন পোস্টে পক্ষ-বিপক্ষ মন্তব্য আসবে। সেখানে আলোচনা মাঝে মাঝে সীমালংঘন করলেও সেটা ধরতে বের মধ্যে নয়। ব্লগে ধর্মীয় পোস্ট দিয়ে এই আক্রমণের ক্ষেত্র তৈরি না করাটাই আমার ব্যক্তিগত। একে অপরের তীর্যক মন্তব্য মাঝেমাঝে সীমালংঘন করে।আর ধর্ম যেহেতু আবেগের বিষয় সেক্ষেত্রে একটা পোস্ট দুটি গোষ্ঠীর সহজে মেরুকরণ করে দেয়। পরিবেশকে করে তোলে কলুষিত। ব্যক্তিগতভাবে যে কারণে ধর্মীয় পোস্টগুলো আমি অ্যাভয়েড করি।

পরবর্তী পয়েন্ট গুলির মধ্যে দলবাজির সিন্ডিকেট বা ডিজিটাল আইন সম্পর্কে আপনার সঙ্গে সহমত পোষণ করলেও একটি বিষয় উল্লেখ না করে পারছি না। নয়াপুর প্রজন্মের পড়াশোনার প্রতি অনীহা। আজ থেকে 10-12 বছর আগে যখন ভার্চুয়াল জগত এতটা প্রসারিত হয়নি তখন একটা সংখ্যা বাধ্য হয়ে ব্লগে চোখ রাখলে বর্তমান জেনারেশন এত সস্তায় ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশ করছে যে পড়াশোনা লেখালেখির প্রতি তারা নিরুৎসাহী বরং সস্তায় ভিডিও গেম বিভিন্ন অ্যাপস প্রভৃতির ব্যবহারের প্রতি মনোযোগী হয়ে উঠছে।

সুন্দর পোস্টের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

শুভকামনা প্রিয় শায়রী ভাইকে।




১১ ই জুন, ২০২০ রাত ৮:৪৬

শের শায়রী বলেছেন: প্রিয় ভাই যা লিখছেন তার পর আসলে আর বলার মত কিছু বাদ রাখেন নাই। শুধু আপনার উল্লেখিত শেষ প্যারাটা আবারো আমি উল্লেখ্য করে নি, আমরা কেউই জন্মগত লেখালেখির প্রতিভা নিয়ে আসিনি, এই ক্ষেত্রে কিছু লিখতে গেলে তা গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, নিবন্ধ যাই বলুন না কেন পড়াশুনার বিকল্প নেই। যে যত বেশী পড়বে, সে তত ভালো লিখবে কারন তার ভাবনার দ্ধার তত উন্মুক্ত হবে। ইউ টিউব, ফেসবুক বা ভিডিও দেখে ব্লগে লেখা অসম্ভব। আর দুঃখ জনক ভাবে এখনকার প্রজন্ম এগুলোতেই আসক্ত বেশী।

আশা রাখি আপনার সুচিন্তিত মতামত ব্লগ কর্তৃপক্ষ আমলে নিয়ে ব্লগকে আরো গতিশীল করবে।

১২| ১০ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:৫৭

রাকু হাসান বলেছেন:

ধন্যবাদ শের শায়রী ভাই । আপনার অভিজ্ঞতা থেকে সোনালী যুগের ধারণা পেলাম । পয়েন্টগুলো যুক্তিযুক্ত মনে হয়েছে। পড় পড় পড় এটার কোনো বিকল্প নেই। ইমন জুবায়ের সাহেবের প্রতি শ্রদ্ধা রইল। প্রিয়তে থাকলো পোস্টটি । এসব বিষয়ে বেশি কিছু বলার অপেক্ষায় আছি। :)

১১ ই জুন, ২০২০ রাত ৮:৫৪

শের শায়রী বলেছেন: প্রিয় রাকু ভাই, আপনার কাছ থেকে আরো কিছু শোনার অপেক্ষায় রইলাম।

পাঠে এবং মন্তব্যে অশেষ কৃতজ্ঞতা ভাই।

১৩| ১০ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:৫৮

জেন রসি বলেছেন: প্রথমেই ধন্যবাদ বিষয়গুলো নিয়ে আপনার ভাবনা চিন্তা তুলে ধরার জন্য। ভেবে দেখার জন্য কিছু পয়েন্ট তুলে ধরলাম।

১। আস্তিক নাস্তিক ইস্যুকে কেন্দ্র করেই ব্লগের উপর একদিকে গোয়েন্দা নজরদারি এবং জঙ্গি নজরদারি শুরু হয়। শুরু হয় গ্রেপ্তার। খুন। তার প্রভাব ব্লগে খুব তীব্র ভাবেই পরেছিল।

২। ফেসবুকে বুদ্ধিবৃত্তিক লেখার চর্চাও অনেকে করে যাচ্ছেন। এ ব্লগের অনেক জনপ্রিয় ব্লগারও আছে তার মধ্যে।

৩। মোডরেটরদের সীমাবদ্ধতার কথা যেহেতু অনেকেই বলছেন সেসব দূর করার উপায় নিয়েও ভাবা উচিৎ।

১১ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:২৪

শের শায়রী বলেছেন: প্রথমেই আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি, আপনার পোষ্টটা দেখে উজ্জীবিত হয়েই এই ভাবনা গুলো প্রকাশ করার সুযোগ করে দেয়ায়।

আপনার পয়েন্ট গুলোর ভিত্তিতেঃ

১। আস্তিক নাস্তিক ইস্যু সে সময় ব্লগে একটা সাময়িক ইম্প্যাক্ট ফেলছিল। তাতে গোয়েন্দা নজরদারি শুরুও হয়েছিল, কিন্তু সে ইস্যুতে কিন্তু কোন ব্লগার গ্রেফতার হয় নি। উপরন্ত মৌলবাদীদের গ্রেফতার করে পুলিশ ব্লগারদের সাহসই দিয়েছিল আমি বলব। হ্যা এই ইস্যুতে খুন খারাবি, কোপ খাওয়া হয়েছে ব্লগারদের কিন্তু আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এই ইস্যুতে কোন ব্লগারকে আটক করছে বলে মনে পড়ে না, হ্যা ফেসবুকে সম্ভবতঃ উগ্রপন্থী কয়েকজনকে আটক করছিলো। কিন্তু এতে ব্লগের খুব একটা ক্ষতি হয়নি, ক্ষতি যেটা হয়েছিল সেটা হল সে সময় অতি অল্প কিছু নাস্তিক (আমি আসলে এদের নাস্তিক ও বলব না, সম্ভবতঃ এরা অন্য কোন গোত্রের) ব্লগারের কারনে যারা অহরহ আল্লাহর রাসুলকে নিয়ে নোংরামির চুড়ান্ত করত তাদের জন্য সব ব্লগারকে সাধারন মানুষের কাছে কিছু দিন ব্লগার মানেই “নাস্তিক” ট্যাগ খেতে হয়।

বাস্তবতা হল, নাস্তিকরা সে ট্যাগ অপসারনে কোন ভুমিকা তো রাখেই নি, বরং এরপর প্রায় সবাই এ্যাসাইলাম নিয়ে বিদেশে চলে যায়, সাধারন ব্লগাররা সে নাস্তিক ট্যাগ অনেক কষ্টে অপসারন করে (এখানে উল্লেখ্য যোগ্য নাস্তিক আমার কাছে বড় কোন বিষয় না, কিন্তু নাস্তিক নামধারী হয়ে আল্লাহর রাসুল বা ভিন্ন ধর্মাবলাম্বীকে গালাগালি করাটাই নোংরামি, এবং যারা এগুলো করছে নির্দিষ্ট কারনেই করছে)।

২। অবশ্যই ফেসবুকে বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা থেকে সব ধরনের চর্চাই হচ্ছে, কিন্তু সেখানে ব্লগের মত একটা ক্লাশ মেইনটেইন করা হয় না যারা পাঠক শ্রেনীর। আর তারা চায় চটুল বিষয়, সিরিয়াস বিষয় নিয়ে চর্চা ফেসবুকে অবশ্যই হয়, কিন্তু যারা করে তারা নিজেরাই জানে ওই একই লেখা ব্লগে আর ফেসবুকে দেবার পার্থক্য কোথায়।

৩। মোডারেশান আমার কাছে একটা থ্যাংকলেস জব মনে হয়, হতে পারে আমার অনুভুতির ভুল। কিন্তু যতদিন ব্লগে আছি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মোডুর নাম শুনছি আর প্রায় ক্ষেত্রেই তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ। তখন মডুদের সংখ্যা ছিল বেশী তাও তারা বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত ছিল, আর আমার জানামতে এখন মডুর সংখ্যা খুব সীমিত সেক্ষেত্রে বেশীরাই যখন অভিযুক্ত, সেখানে কম সংখ্যকরা আরো বেশী অভিযুক্ত হওয়াই স্বাভাবিক। কোন মোডারেটরই নিয়ম নীতি মেনে ব্লগের সবাই কে হ্যাপী করতে পারবে বলে আমার মনে হয় না। আর হ্যাপী না হলেই মডুর বিরুদ্ধে নিয়ম ভাঙ্গার অভিযোগ দেয়া অতি সহজ ব্যাপার। তার মানে এই না যে মডুরা ফেরশতা অবশ্যই অনেক ক্ষেত্রে তারা কিছুটা আবেগের বশে কিছু করে অথবা তারা যখন কোন সিদ্ধান্ত নেয় তা সাধারন ব্লগারদের সবার দৃষ্টিগোচর হবে এমনটাও আশা করা ঠিক না, কারন আমাদের দায়িত্ব লেখা, আর মডুরা হল অনেকটা প্রশাসনিক।

যাই হোক আপনাকে আবারো অশেষ ধন্যবাদ অনেক কিছু সামনে নিয়ে আসায়। এই কম্যুনিটি আমাদের সময় কাটানোর একটা বড় মাধ্যম, আমরা চাইব এটা যেন পরিশিলীত থাকে।

অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা জানবেন।

১৪| ১০ ই জুন, ২০২০ রাত ১১:০১

চাঁদগাজী বলেছেন:


সামুর শুরু থেকেই দেখে আসছি; সামুর সোনালী যুগ হচ্ছে এখন; সামুর শুরুটা ছিল বাংগালীদের জন্য এক ঐতিহাসিক ঘটনা: বাংগালীরা বলতে, লিখতে ও তর্ক করতে পছন্দ করে; তারা সামুতে সেই প্লটফরম পাবার পর, পেটে, মাথায়, ঘরে, বাইরে যা পেতেন, সামুতে এনে ঢালতেন। ওটা ছিলো ইমোশানেল সময়, সোনালী যুগ নয়।

ক্রমেই ব্লগিং তার রূপ নিয়েছে, যারা ট্রাকলোড করে লেখা এনে সামুতে ছাড়তেন, তারা ক্লান্ত হয়ে গেছেন। এখন ব্লগিং হচ্ছে, এটা আরো বিবর্তিত হবে।

১১ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:২৭

শের শায়রী বলেছেন: সেক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে সামুর শুরুতে যারা ব্লগিং করছে তারা আসলে না বুঝে যত সব অখাদ্য কুখাদ্য লিখে গেছে অনেকটা ইমোশনের বসে, তাই না মুরুব্বী?

ধন্যবাদ আপনাকে ভাবনার নতুন দ্ধার উন্মোচিত করে দেবার জন্য। :||

১৫| ১০ ই জুন, ২০২০ রাত ১১:১১

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
জেন রসি ভাইয়ের আজকের স্টিকি পোস্ট
আর শায়রী ভাইয়ের অত্র পোস্টটি সমসাময়িক
বিষয় নিয়ে দ্বিতীয় গুরুত্বর্পূর্ণ পোস্ট। ব্লগের
অনেক সমস্যা চিহ্নিত হয়েছে। আশা করা যায়
সমস্যার তড়িৎ সমাধান হবে এবং ব্লগ আগের
মতো প্রানবন্ত হবে। শুভকামনা

১৩ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১২:২২

শের শায়রী বলেছেন: ব্লগ আবার আগের মত প্রানবন্ত হবে সেই আশায় বুক বেধে বসে আছি নূরু ভাই।

পাঠে এবং মন্তব্যে অশেষ কৃতজ্ঞতা জানবেন।

১৬| ১০ ই জুন, ২০২০ রাত ১১:২৬

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আমার মতে এটা একটা নেভার এন্ডিং ডিসকাশন। আমি এ ব্লগে আছি ২০০৮ সালের মাঝামাঝি থেকে। আমি ব্লগিং করি ২০০১/২০০২ থেকে, কিন্তু সেগুলো ছিল ইংলিশ ব্লগ কিংবা ইংলিশ লেটারে বাংলা ব্লগ। যখন এ ব্লগের সন্ধান পেলাম, মনে হলো আসমানের চাঁদ হাতে পেলাম। ব্লগের কারণে নাওয়া খাওয়া সব কাম বাদ পড়ে যেতে লাগলো। সারাদিন পড়ে থাকতাম ব্লগে। এর বছর খানেক পর ফেইসবুক চলে এলো। তখন আমার কিছু এফোর্ট চলে গেল ফেইসবুকে। একসময় দেখতে পাই, ব্লগ আমার ভালো লাগে না, যত মজা ফেইসবুকে :)

আমার মতো ম্যাক্সিমাম ব্লগারই এরকম। এখন যারা ব্লগিং করেন, তারা ফেইসবুকে নেই এমন সংখ্যা খুব কম। কেন ফেইসবুকে চলে গেলাম, সেটা বহুল কথিত বক্তব্য।

আবার দেখুন, ফেইসবুক ও ব্লগের সাথেই চলে এসেছে ইউটিউব। এখন আমার লেইজার টাইমের ৮৫ ভাগ যায় ইউটিউবে, ১৫ ভাগের মধ্যে কখনো ফেইসবুক, কখনো ব্লগে এফোর্ট দিয়ে থাকি। আমার জানা মতে, ইউটিউবে এত সময় কাটানো ব্লগার খুব বেশি নাই। অর্থাৎ, আমাদের আগের ব্লগীয় টাইমটা আপাতত ব্লগ থেকে ফেইসবুকেই ধাবিত হয়েছে বলে ধরে নেয়া যায়।

আরেকটা চিরাচরিত নিয়ম আছে- আমাদের সময়টা ছিল সোনার যুগ, বর্তমান কাল হরিবল। আবার, আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম, এটাও আছে। কিন্তু ১২ বছরে আমার এখনো এবং কখনো এমন মনে হয় না / হয়নি, আগে ছিল বাঘা বাঘা ব্লগার, আর এখন সব মিনি মিনি ব্লগার। মানুষ মরে গেলে আমরা তাকে নিয়ে লাফাই বেশি। জীবিত থাকতে যোগ্য সম্মান তো দিইই না, নানা ধরনের ইডিয়টিক এবং ননসেন্স কথা বলে ব্লগারদের অপমান করতে ছাড়ি না। কিছু মেধাবী ও আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন ব্লগার ওসব বুল-হেডেড রিবিউকারদের কারণে অবশ্য ব্লগ থেকে সরে যেয়ে থাকবেন।

ব্লগ কিছুদিন ব্লক্‌ড ছিল, ঐ কলঙ্কজনক সময়টা ছাড়া এখনো এ ব্লগের সুবর্ণ সময় বহমান। এই ব্লগের দেখাদেখি আরো অনেক বাংলা ব্লগের সৃষ্টি হয়েছিল, কিন্তু সেগুলোর প্রায় সবগুলোই এখন ফসিল। যে কটা আছে, ওখানে আজ একটা পোস্ট দিলে ১০দিন পরে যেয়ে দেখি ১টা বা ২টা কমেন্ট, ভিউসংখ্যা ১৩। কাজেই, হতাশার কোনো কারণ দেখি না। ব্লক কাটিয়ে ওঠার পর ব্লগ এখন পুরোদমে এর গতি পেয়ে গেছে এবং ২০০৮ সালে আমি যা দেখেছি, এ ব্লগ এখন তার চাইতে আরো বেশি প্রাণবন্ত এবং মুখরিত। এখন যেসব পোস্ট বের হচ্ছে, এত উন্নত ও সমৃদ্ধ অনেক পোস্টই আমি এর আগে দেখি নি। ফেইসবুকের আগ্রাসন ও আকর্ষণের যুগেও এ ব্লগ যে এমন গতিপ্রবাহে এগিয়ে চলছে, তার ক্রেডিট অবশ্যই আমাদের ব্লগারদেরই। এ ব্লগে এখনো একঝাঁক মেধাবী ব্লগার তাদের মেধাবী পোস্ট শেয়ার করে যাচ্ছেন। আজ থেকে ৭ বছর পরের ব্লগাররা আজকের ব্লগারদের নাম উচ্চারণ করবেন। তারা এ সময়ের মিথস্ক্রিয়তার কথা স্মরণ করে নস্টালজিক হবেন।

শূন্যস্থান চিরদিন শূন্য থাকবে না। আসা আর যাওয়ার খেলার মতোই ব্লগটা। এখানে কেউ আসবেন, কিছুদিন থাকবেন, চলে যাবেন। আবার নতুনেরা এসে সেই জায়গা পূর্ণ করবে। আর এই আসা-যাওয়ার মধ্য দিয়েই ব্লগের ইতিহাস রচিত হতে থাকবে।

অন্য কারো নাম নিচ্ছি না, গত ১২ বছরে সেরা ১০ জন ব্লগারের নাম নিলে আপনাম নাম সেখানে উঠে আসে। যদি ৫জনের কথা বলি, সেখানেও আপনি থাকবেন। সুতরাং পেছনে তাকানো নয়, দায়িত্ব নিন, আরো বেশি কিছু দিতে সচেষ্ট হোন।

শুভ কামনা আপনার জন্য, আর আজকের সব বাঘা বাঘা ব্লগারের জন্য।

১৩ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১২:৪১

শের শায়রী বলেছেন: সোনাবীজ ভাই এমন একটা কমেন্টের পর আর খুব বেশী কিছু বলার থাকে না, তবে বিনয়ের সাথে সামান্য একটু দ্বিমত রেখে যাই, আপনি আমার সন্মন্ধ্যে যে অভিমত ব্যাক্ত করেছেন, তা আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া যদিও আমি এর যোগ্য কিনা তা নিয়ে সন্দেহ আছে। তবে সন্দেহ যাই থাকুক এই মন্তব্য আপনার মত একজন সিনিয়র ঋদ্ধ স্বমহিমায় উজ্জ্বল ব্লগারের কাছ থেকে পাওয়া অবশ্যই পাঠেয়। আমার কৃতজ্ঞতা জানুন।

এখানে একটু যোগ করি ফুটবলে বিভিন্ন সময় সময় মেসি, রোনালদো বা রোনালদিনহো এসে মাঠ মাতালেও মানুষ যখন অল টাইম গ্রেট দের স্মরন করে তখন কিন্তু পুশকাস, পেলে, ম্যারাডোনা হয়ত ভবিষ্যতে মেসি বা রোনালদোও যোগ হবে। এই সেন্সে আমি ব্লগের ভিন্ন সেক্টরের সামান্য কয়েকজনের নাম উল্লেখ্য দিয়েছি।

তবে মুলতঃ আমি যে ব্যাপারটা হাইলাইট করতে চেয়েছি তা হল পাঠাভ্যাস। পাঠাভ্যাসই একজন ব্লগারের মুল চালিকা শক্তি সেই সাথে প্রতি মুহুর্তে লেখালেখির প্রাকটিস অবশ্যই একজন ব্লগারকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়।

আসলে আপনার মন্তব্যের পর আর বিশেষ কিছু লেখার নেই।

আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানুন।

১৭| ১১ ই জুন, ২০২০ রাত ১২:০০

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:

আমার মনে হয়, একটা বয়সে এসে ব্লগিং না করে কলাম লেখক হয়ে উঠাটা অনেকে বেশি সম্মানের মনে করেন।

৬-৭ বছর আগে দেখেছি, 'টেকি হেল্প চাই' শিরোনামে এক লাইনেও পোস্ট এসেছে।

এখনকার ব্লগাররা অনেক পরিণত।

১৩ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১:১৭

শের শায়রী বলেছেন: শাইয়্যান ভাই, হ্যা যারা লেখালেখি টাকে এক পর্যায়ে একটা মানে পৌছাতে পারে তারা কেউ কেউ কলাম লেখক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে, আবার কেউ কেউ এখানে কবিতা লিখতে লিখতে বেশ কিছু কবিতার বই বা গল্পের বইও অনেকে বের করেছে হয়ত এদের কেউ কেউ নামও করবে সামনে এটা খুবই সত্যি কথা।

অবশ্যই এই প্রজন্ম টেকি হেল্প চাইবে না, যদি চায়ও আমার মত বুড়োরা এখনো চাইতে পারে, এক্ষেত্রে তারা আমাদের থেকে যোজন যোজন এগিয়ে। কিন্তু যেখানে পিছিয়ে সেটা আমি আমার পোষ্টে উল্লেখ্য করছি পড়াশুনায়, আগে আমরা যেমন সময় কাটাতাম বই পড়ে এখনকার প্রজন্ম সময় কাটায় নেট ঘেটে বা গ্যাজেট নিয়ে।

পাঠে এবং আপনার সুচিন্তিত মন্তব্যে অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা জানবেন।

১৮| ১১ ই জুন, ২০২০ রাত ৩:০৮

রুদ্র নাহিদ বলেছেন: মোবাইল ফ্রেন্ডলি এপস করাটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ন। ব্লগিং এর নতুন মাত্রা যোগ করতে হলে পাঠক আকর্ষণ করতে হবে আগে, যতো বেশি পাঠক হবে ততো বেশি ভালো লেখা আসবে। নতুন প্রজন্মকে পরিচতি করতে হবে তো ব্লগের সাথে। রাস্তা করে দিলে যার খুঁজে নেয়া দরকার এমনেই আসবে।

১৩ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১:২১

শের শায়রী বলেছেন: সম্পূর্ন এক মত আপনার সাথে, এই কথাটাই নানাভাবে আমিও পোষ্টে উল্লেখ্য করছি। মোবাইল ফ্রেন্ডলি করে দিলেই ব্লগে পাঠক সংখ্যা বেড়ে যাবে নির্দ্ধিধায়।

পাঠে এবং আপনার সুচিন্তিত মন্তব্যে অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা জানবেন রুদ্র ভাই।

১৯| ১১ ই জুন, ২০২০ সকাল ৭:৪২

শুভ্রনীল শুভ্রা বলেছেন: পিডিএফের যুগ এসে কী কাগজের বইয়ের প্রয়োজনীয়তা হারিয়ে গেল এমন টাইপ শঙ্কা থেকেই যাবে। কিন্তু কাগজের বইয়ের যে সুন্দর ঘ্রাণ তা নিশ্চয় ইলেক্ট্রনিক বই থেকে পাওয়া যাবেনা। ইউটিউব এসে টিভিদর্শক কমেছে এই কথা যেমন সত্য আবার এটাও সত্য যে ইউটিউবে যে কেউ চাইলেই চ্যানেল খুলে যাচ্ছে তাই করতে পাচ্ছে। তাই, মানের দিক বিবেচনা করলে এই মাধ্যম এক্কেবারে নির্ভেজাল না।

ঠিক তেমনি ফেইসবুক আর ব্লগ। ফেইসবুকে যে কেউই মনের মধ্যে যা হচ্ছে তা লিখে ফেলতে পারছে। ওখানে যেমন জ্ঞানগর্ভ আলোচনা করার মানুষ আছে আবার তেমনকিছুই বুঝেনা টাইপের পাবলিকও আছে। কিন্তু ব্লগে লিখতে হলে অন্ততঃ দু'এক কলম লিখার যোগ্যতা, একটু ভাবনা চিন্তা করার সক্ষমতা দরকার পড়ে। তাই, ফেসবুকের চেয়ে ব্লগে মানুষজন কম হবে সেটা অস্বাভাবিক না। তবে, অথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত ক্রমবর্ধনশীল এই যুগে ব্লগটা'কে অধিক গতিশীল ও যুগোপযুগী করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিলে হয়তো তা আমাদের জন্য আরো সুন্দর প্লাটফর্ম হবে।

১৩ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১:২৩

শের শায়রী বলেছেন: বোন আমার পুরা পোষ্ট টাকে আপনি দু প্যারায় সামারি করে দিয়েছেন। এর ওপর আর কিছু বলার নেই।

পাঠে এবং আপনার দারুন মন্তব্যে অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা জানবেন।

২০| ১১ ই জুন, ২০২০ সকাল ১১:০৯

নতুন বলেছেন: সময়ের সাথে তাল মেলাতে পরিবত`নে নিজেকে মানিয়ে নিতে হয়।

সামু কয়েকটা জায়গায় পিছিয়ে পড়ছে।

* সব ইন্টারনেট প্রভাইডারের থেকে ব্যবহার করতে না পারা।
* মোবাইল থেকে কমেন্ট, লেখা, পড়া সহজ না হওয়া।
* নতুন পাঠক তৌরি করার জন্য প্রচারনা নাই।
* মানুষ এখন ল্যাপটপ এবং ডেক্সটপের চেয়ে মোবাইল বেশি ব্যবহার করে।

দ্রুত কয়েকটা জিনিস করা দরকার।

* ব্লগের আয়ের ব্যাপারে কাজ করা দরকার। আয় না হলে ব্লগ বন্ধ হয়ে যাবে।
* নতুন প্রজন্মের কাছে ব্লগ পরিচিতি বাড়ানো।
* বাংলাভাষা, সাহিত্য,বিজ্ঞান নিয়ে কাজ করে জনগনের মাঝে ব্লগের পরিচিতি বাড়ানো।

১৩ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১:২৯

শের শায়রী বলেছেন: নতুন ভাই এত স্পেসিফিক মন্তব্য করার পর আর কিছু বলার নেই, শুধু সামান্য একটা ব্যাপার আপনিও দেখছেন, রাকু হাসান এই ব্যাপারে দারুন একটা পোষ্ট দিয়েছেন লিঙ্কটা এখানে রেখে দিলাম, আমার নিজের স্বার্থেই এবং ভালো লাগায় somewhereinblog.net বাজেট ভাবনা: যেভাবে সামুর পুনঃজন্ম হতে পারে।

পাঠে এবং আপনার সুচিন্তিত মন্তব্যে অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা জানবেন।

২১| ১১ ই জুন, ২০২০ সকাল ১১:৪২

আহমেদ জী এস বলেছেন: শের শায়রী,




একটা সময়ে অবসরে বই পড়া ছাড়া আমাদের আর কোনও বিনোদন ছিলোনা। বইয়ের বিষয় আসয় নিয়ে বন্ধুদের মাঝে চলতো ভাবের তুমুল আদান প্রদান। সেই বই পড়তে পড়তেই আমাদের মনে হতো, পড়া বইয়ের লেখকের মতো যদি লেখক হওয়া যেত! ব্লগ আমাদের মনের সেই সুপ্ত বাসনাকে হাতের কাছে এনে দিয়েছে বলেই আগের সময়গুলিতে ঋদ্ধ লেখক আর লেখার দেখা মিলতো। প্রতিদিন তারা নব নব রূপে আবির্ভূত হতেন। একটা ব্লগ তেমন মানুষদেরই আড্ডা ।

মনে করে দেখুন, একসময় লব্ধ জ্ঞান আর অভিজ্ঞতা, অনুভব-উপলব্ধি মুখে মুখে সন্তানদের মাঝে সঞ্চারিত করা হতো, শেখানো হতো। এখন জ্ঞানের, শিক্ষার বিষয় কালান্তর হয়েছে, স্থানান্তর হয়েছে। সেসব নিয়ে প্রজন্মান্তরও হয়েছে। আর জ্ঞানবিদ্যা ক্রয়-বিক্রয়ে রূপান্তরিত হয়েছে। ফলে এখনকার সমাজ আর শিক্ষামুখি নয়, জ্ঞান-বিদ্যা, বই-পুস্তক বিহীন একটি শর্টকাট ফলাফল আদায়ী সমাজে পরিনত। তাই এমন অস্থির সমাজে বিদ্যা অর্জন অনীহার বিষয়। সমাজে জ্ঞানটা এখন টবের গাছে আর হাঁড়ির মাছে শোভাবর্দ্ধন করে মাত্র। সে কারনেই সমাজে জ্ঞানের স্বাভাবিক বৃদ্ধির দেখা মেলেনা। ব্লগের এখনকার এই অবৃদ্ধি এরই ধারাবাহিকতা।
তার পরেও মানুষ এই জ্ঞানের অপুষ্টি নিয়েই নিজেকে যতোটা না প্রকাশ করতে আগ্রহ দেখায় তার চেয়ে বেশী আগ্রহ তার বিনোদনে। এই যান্ত্রিক জীবনে হাতের কাছে বিনোদনের প্রচুর উপাদান চাইলেই পাওয়া যায়। সেখানে কষ্ট করে কে আর জ্ঞানার্জনে বেহুদা সময় নষ্ট করে ?
এর ছাপও পড়ে ব্লগে। যেখানে লাঠির মাথায় ফেভিকল লাগিয়ে হাটু পানিতে নেমে ঝটাপট গোটা চারেক পুঁটি মাছ ধরে বিপুল আনন্দ পাওয়া যায়, সেখানে ছিপ ফেলে , ধৈর্য্য নিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থেকে একখানা রুই মাছ ধরার আনন্দ কেই বা আর পেতে চায়?

আস্তিক নাস্তিক ইস্যুও নির্বিরোধী, ভালো লেখকদের ব্লগ থেকে সরিয়ে নেয়ার একটা কারন। অহেতুক ঝামেলা এড়াতেই তারা সরে গেছেন ব্লগ থেকে বা অনিয়মিত হয়েছেন। কে আর ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়াতে চায়?

মডারেশনের লোকসংখ্যার অপ্রতুলতা, সীমাবদ্ধতা আর সঠিক লেখাটি নির্বাচনের তেমন নীতিমালা না থাকার কারনেও অনেকে মনে হয় লেখাতে উৎসাহিত হননা । কারো ঘন্টার পর ঘন্টা খেঁটেখুঁটে লেখাটা যদি তেমন মর্যাদা না-ই পায় তবে তার আরো লেখায় উৎসাহিত হবার কারন থাকেনা। এ কারনেই অনেক ভালো লেখক হারিয়ে যান, গেছেনও

ব্লগের টেকনিক্যাল দিকটির অসহায়তা বা বলতে পারেন অদক্ষতাও ব্লগে ব্লগারদের উপস্থিতি কমিয়ে দেয়ার একটি বড় কারন।

লেখার শেষের দিকের বোল্ড করে দেয়া অংশটুকুর বক্তব্যের সাথে সহমত জানিয়ে এতো কথা লিখতে হলো। অনেক মন্তব্যেও আপনার এই কথাই প্রতিধ্বনিত হয়েছে।

“ব্লগে ভালো লেখা আসুক, ভালো লেখার কদর হোক । ব্লগটা টিকে থাকুক অনন্তকাল।” এই অনুভব আর আকাঙ্খা যদি ব্লগারদের মাঝে থাকে তবে ব্লগের বাগানে ফুল ফুটবেই । ব্লগ কর্তৃপক্ষের কাজ হবে সেই বাগানে নিয়মিত পানি ঢেলে যাওয়া।

১৩ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১:৫১

শের শায়রী বলেছেন: শ্রদ্ধেয় ভাই,

আপনার প্রতিটি উদাহরন যথার্থ। মানুষ এখন ব্যাক্তিগত ভোগ বিলাসে এমন মত্ত হয়ে গেছে যে একটা “ওয়ার এ্যান্ড পিস”, “পার্থিব”, “পূর্ব পশ্চিম” “রবীন্দ্র রচনা সমগ্র” অথবা “শার্লক হোমস” এর বই কয়জন পড়ছে? অথচ দেখেন প্রায় সবাই শার্লক হোমসের দেড় ঘন্টার সিনেমা দেখে ফেলছে। কিন্তু সেই শার্লক হোমস দেখে ডয়েলের হোমসকে মোটেই খুজে পাওয়া যায় না। রবীন্দ্রনাথের টিভি নাটক দেখে যদি কেউ রবীন্দ্রনাথের সেই উপন্যাস দেখার আমেজ খুজতে যায় তবে সেটা হবে অন্ধের হস্তী দর্শন। এখানেই পিছিয়ে যাচ্ছে এই প্রজন্ম। সব কিছুর মিনি ভার্সন খুজতে গিয়ে নিজেরাই যে দিনে দিনে মিনি হয়ে যাচ্ছে এই বোধ টুকু যত দিন তাদের মাঝে না আসবে তত দিনে কোন কিছু থেকে মুক্তি নেই।

একটা নতুন বই কিনে চোখের সামনে ধরার সাথে সাথে তার থেকে যে মাতাল করা গন্ধ আসে সে গন্ধের উপলদ্ধি কি ট্যাবের পিডিএফে পাওয়া যাবে? সামনা সামনি বসে কথা বলা আর মোবাইলে টেক্সট আদান প্রদান করে আলাপ চালানোর মাঝে যতটুকু পার্থক্য তার থেকে বেশী দুরত্ব হয় চিঠির মাধ্যমে প্রেমের ভাবের আদান প্রদান না করে মেসেঞ্জারে চ্যাটের মাধ্যমে ভাব প্রকাশ করায়।

যাই হোক এত সুন্দর বিস্তারিত মন্তব্য দেয়ার পর বিশেষ কিছু লেখার থাকে না শ্রদ্ধেয় ভাই।

পাঠে এবং মন্তব্যে অশেষ কৃতজ্ঞতা জানবেন।

২২| ১১ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১২:২৮

নীল আকাশ বলেছেন: অপু তানভীরা বলেছেন তারপর আর বড় করে কিছু বলার নেই।
সোজা বাংলায় বলছিঃ
ব্লগে ঢুকা এত কঠিন হলে কেউ এখানে আসবে না। আমি আমার অনেক লেখা শেয়ার করেহি বেশ কিছু জায়গায়। কিন্তু কেউ সেগুলি ঢুকে দেখতে পারে নি। বাইরের কারো এত ঠেকা পরেনি যে একটা পোস্ট পড়ার জন্য ভিপিএন ইন্সটল করে নেবে।
ব্লগ যদি মোবাইল নেটওয়ার্ক থেকে ইজি এক্সেস না দিতে পারে তাহলে খুব বেশি দিন নেই, ব্লগে আসা প্রায় বন্ধই হয়ে যাবে। এত ঝক্কি ঝাম্লে করে ব্লগে এসেই বা কী লাভ? পাঠক তো অনেক কম! সবাই কাজের ফাঁকে ফাঁকে অফিসে ব্লগীং করে। এক্সেস বন্ধ থাকলে এত ঝামেলা কয়জন করতে চাইবে?
আমার জানা মতেই ভালো কয়েকজন ব্লগার চলে গেছেন বিরক্ত হয়ে। আমিও আসলাম প্রায় বিশদিন পরে। আবার কবে আসবো কে জানে?

১৩ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১:৫৭

শের শায়রী বলেছেন: প্রিয় ভাই, এটা আসলে একটা পেইন ইন দ্যা এ্যাস হয়ে দাড়িয়েছে, মানে মোবাইল নেটওয়ার্ক থেকে ব্লগে এ্যাকসেস না পাওয়ায়। এই যুগে মোবাইল ছাড়া মানুষ এক রকম অচল, অথচ সমস্ত সুযোগ থাকার পরো কেন যেন কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে কোন গা করে না।
এভাবে চললে সামনে আরো মানুষ মুখ ঘুরিয়ে নেবে।

আপনাদের মত প্রতিথযশা ব্লগারদের কাছ থেকে যদি এই ধরনের বিরক্ত শুনতে হয়, ভবিষ্যতে আরো খারাপ পরিস্থিতি হবে যদি পরিস্থিতির উত্তরনে কোন পদক্ষেপ না নেয়।

পাঠে এবং মন্তব্যে অশেষ কৃতজ্ঞতা জানবেন।

২৩| ১১ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১:২৪

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
যর্থাথ বলেছেন। ব্লগ তার জায়গায় ঠিক থাকুক এটাই চাই।

১৩ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১:৫৯

শের শায়রী বলেছেন: মাইদুল ভাই, মন্তব্যগুলো দেখলেই বুজবেন আমাদের সবারই কিন্তু এটাই চাওয়া। কিন্তু সেক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ আর একটু ইউজার ফ্রেন্ডলি হওয়া দরকার।

পাঠে এবং মন্তব্যে অশেষ কৃতজ্ঞতা জানবেন।

২৪| ১১ ই জুন, ২০২০ দুপুর ২:৫১

পদ্মপুকুর বলেছেন: উপর থেকে যার মন্তব্য পড়ি, মনে হয় এটাই সত্যি... এভাবে পড়তে পড়তে নিচে আসলাম, এখন আমার আর বলার কিছুই নাই দেখছি। তবে একটা বিষয় দেখলাম- আরও কিছু ব্লগ বা লেখার প্লাটফর্মের কথা এখানে এসেছে। আমি সামু ছাড়া কোনোটাকেই জানিনা।

১৩ ই জুন, ২০২০ দুপুর ২:০২

শের শায়রী বলেছেন: আমিও আজ পর্যন্ত সামু ছাড়া অন্য কোন ব্লগে কোন দিন লিখিনি পদ্ম ভাই, তবে হ্যা মাঝে মাঝে অন্য অন্য ব্লগে/ ওয়েবে ঢু মারি দেখি তাদের সাথে সামুর পার্থক্য কোথায়। এটাও এখনো সত্যি ষ্ট্যান্ডার্ডের দিক দিয়ে কেউ কখনো সামুকে টপকাতে পারে নি।

পাঠে এবং মন্তব্যে অশেষ কৃতজ্ঞতা জানবেন।

২৫| ১১ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৩:৪২

নতুন নকিব বলেছেন:



নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
জেন রসি ভাইয়ের আজকের স্টিকি পোস্ট আর শায়রী ভাইয়ের অত্র পোস্টটি সমসাময়িক বিষয় নিয়ে দ্বিতীয় গুরুত্বর্পূর্ণ পোস্ট। ব্লগের
অনেক সমস্যা চিহ্নিত হয়েছে। আশা করা যায় সমস্যার তড়িৎ সমাধান হবে এবং ব্লগ আগের মতো প্রানবন্ত হবে।


-সহমত। পোস্টে +

১৩ ই জুন, ২০২০ দুপুর ২:০৩

শের শায়রী বলেছেন: সেই আশা নিয়েই আছি প্রিয় নকিব ভাই।

প্লাসে পাঠে এবং মন্তব্যে অশেষ কৃতজ্ঞতা জানবেন।

২৬| ১১ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৩:৪৪

জুন বলেছেন: আমিও পদ্মপুকুরের মতই বলি সামু ছাড়া আর কিছুই চিনি না। তবে একেবারে চিনিনা বল্লে ভুল হবে। আরো দু একটা ব্লগে লিখেছি কিন্ত সামুর মত এত আপন আর কাউকে মনে হয় নি। তাই ঘুরে ফিরে এই সামুতেই আছি। কত ঝামেলাই মাথার উপর দিয়ে গেছে তারপরও সামুকে ছেড়ে যাবার কথা মুহুর্তের জন্যও ভাবি নি। এই কিছুদিন আগেই তো কত নিষেধাজ্ঞা, কত কঠিন পথ চলা। তখনও সামু ছেড়ে যাবার কথা ভাবি নি মুহূর্তের মাঝেও ।
একদিন দেখি মাত্র ৩ জন ব্লগার, তাও লগইন হয়ে থেকেছি দিনমান অজানা আশংকা নিয়ে যেন নিভু নিভু প্রদীপ শিখাটি কেউ এক ফুয়ে নিভিয়ে না দিতে পারে। এই ক্ষেত্রে আমাদের ব্লগের দুর্বাষা মুনির মত মুখর চাদগাজী বিশেষ ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য। আরো কয়েকজন ছিল যাদের নাম নাইবা বল্লাম।
সামু বড় ভালোবাসি তোমাকে।

১৩ ই জুন, ২০২০ দুপুর ২:০৯

শের শায়রী বলেছেন: জুন আপা মুরুব্বীকে ইদানিং আস্তে আস্তে বুঝতে শিখছি, বিষ নামানোর মন্ত্রও শিখে ফেলছি। অস্বীকার করার উপায় নেই একটা সময় মুরুব্বী তার বিখ্যাত কর্মকান্ড দিয়ে ব্লগকে মাতিয়ে রেখেছেন ( অতি দুর্ভাগ্য উনার সেই স্বর্নালী সময় দেখার সৌভাগ্য আমার হয় নাই, এখন যা দেখছি তাতে মনে হয় ভাটার টান চলছে কারন উনার সুনামের সাথে বর্তমান মন্তব্য কিছুটা পানসেই হয়ে গেছে, কে যানে সবাই কি উনাকে হ্যান্ডেল করার টেকনিক আবিস্কার করে ফেলছে কিনা!)

জীবনে অন্য কোন ব্লগে কোন নিকও খুলি নাই, বড় জোর দু একটা পোষ্ট পড়ার মাঝেই সীমাবদ্ধ তাদের সাথে পরিচয়। আরো হাজার জনের মত আমারো সামুর প্রতি একটা আলাদা টান আছে, কারন আমাকে লিখতে শিখিয়েছে এই সামুই।

মন্তব্যে অশেষ কৃতজ্ঞতা জানবেন।

২৭| ১১ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৩

আখেনাটেন বলেছেন: যুগের সাথে নিজেকে পরিবর্তিত করতে না পারলে, ট্রেন্ডগুলোকে ধরতে না পারলে জনপ্রিয়তা কমাই স্বাভাবিক। হয়ত কর্তৃপক্ষের সীমাবদ্ধতা রয়েছে, কিন্তু সেগুলোকে ওভারকাম করার জন্য কি কি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে সেটাই এই ব্লগের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। সামুর উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি হোক এই কামনা।

১৩ ই জুন, ২০২০ দুপুর ২:১৩

শের শায়রী বলেছেন: ভ্রাতা আপনি যেমন বলেছেন হয়ত কর্তৃপক্ষের সীমাবদ্ধতা রয়েছে, কিন্তু সেগুলোকে ওভারকাম করার জন্য কি কি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে সেটাই এই ব্লগের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে একমত। সামুর পাঠক লেখকদের থেকে এখন কর্তৃপক্ষের দায় কিছুটা হলেও বেশী হয়ে দাড়িয়েছে। উপরের মন্তব্যগুলো দেখলেই বুঝা যায় সামু ইউজার ফ্রেন্ডলি না হলে সামুর বিবর্নতা আরো বাড়বে বৈ কি।

পাঠে এবং আপনার দারুন মন্তব্যে অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা জানবেন।

২৮| ১২ ই জুন, ২০২০ রাত ১২:১৮

করুণাধারা বলেছেন: প্রথম পয়েন্ট পড়াশোনা কমে যাবার কারণে- সহমত। আমি লক্ষ্য করে দেখেছি, আমি যেমন বই পড়ি কম, আমার আশেপাশের অনেককেই আজকাল তেমন বই পড়তে দেখি না। এ নিয়ে আমি একটা পোস্টও দিয়েছিলাম। ভালো পাঠক না হলে ভালো লেখক হওয়া যায় না। তাই এখন আগের মতো ভালো লেখা পাওয়া যায় না!

কিন্তু সবচাইতে বড় কারন মনে হয় সামু মোবাইল ফ্রেন্ডলী তো নয়ই বরং দিন দিন মনে হয় মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য পড়া, লেখা কমেন্ট করা সব কঠিন করে তুলছে। আমি ছয় বছর ধরে সামুর পাঠক, চার বছর ধরে লেখক। প্রথম লেখা শুরু করেছিলাম ল্যাপটপে, কিন্তু তারপর মোবাইলে। একটা ফোনে কেবল মোবাইল ভার্সন আসে, সেখানে লাইক কমেন্ট করা পর্যন্ত যায় না!! আজকাল সামুর বেশির ভাগ ব্লগার মোবাইল ব্যবহার করেন এবং এই ঝামেলায় লিখতে অসুবিধা বোধ করেন।

তাছাড়া কিছু ভালো পোস্ট পাঠকের নজরেই আসেনা, অনেক খেটে একটা লেখা দাঁড় করাবার পর যদি দেখা যায় পঠিত হয়েছে ২৪ বার, তাহলে লেখক পরবর্তীতে লেখার আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন।

আশার কথা, ব্লগ সমৃদ্ধ করতে আপনি ফিরে এসেছেন, আরো কেউ কেউ আসছেন। হয়ত ব্লগ আগের মত হয়ে উঠবে.......

চমৎকার বিশ্লেষণী পোস্ট- অনেক ধন্যবাদ।

১৩ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৪:৫৯

শের শায়রী বলেছেন: বোন আমারো মুল কথা ছিল, সবাই আরো বেশী পড়ুক, যত পড়বে তত ভালো লেখা হবে, এর বিকল্প নেই। সব থেকে বড় সমস্যা হল সামু ইউজার ফ্রেন্ডলি না মানে মোবাইল ডাটা ইউজ করে সামুতে ঢোকা যায় না, এটা যত দিন সমাধান না হবে তত দিন আসলে সামুর পাঠক বাড়বে না।

আর বোন লজ্জায় ফেলে দিলেন, আমার মত মানুষ কোন কিছু সমৃদ্ধ করার যোগ্যতা রাখে না, এদিক ওদিক দিয়ে জোড়া তালি দিয়ে ব্লগ দাড় করাই, একে ব্লগ বলে কিনা তাও সন্দেহ আছে। তবে হ্যা কেউ কেউ ফিরে আসছে বা নতুন কিছু মুখ চোখে পড়ছে যারা সত্যিকার অর্থে ব্লগকে সমৃদ্ধ করছে বা করবে, তাও আমার মত সাধারনকে যে সন্মান দিলেন তাতে কৃতজ্ঞতা জানানো ছাড়া আর কিছুই নাই।

পাঠে এবং মন্তব্যে অশেষ শুকরিয়া বোন।

২৯| ১২ ই জুন, ২০২০ রাত ১২:৪২

মনিরা সুলতানা বলেছেন: নিঃসন্দেহে চমৎকার , বিস্তারিত ভাবে লেখা পোষ্ট।
ধন্যবাদ আপনাকে।

১৩ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৫:০১

শের শায়রী বলেছেন: পাঠে এবং মন্তব্যে অশেষ শুকরিয়া বোন।

৩০| ১২ ই জুন, ২০২০ ভোর ৪:২৫

মা.হাসান বলেছেন: সূত্রঃ https://www.broadbandsearch.net

এটা পুরাতন হিসেব। ২০২০ সালে মোবাইল ট্রাফিকের পরিমান মোট ট্রাফিকের ৫৫% এর বেশি হবার কথা। বাংলাদেশে এটা আরো বেশি হবার কথা। ২০১৮ সালে বাংলাদেশে স্মার্টফোন ইউজার ছিলো ২৬ মিলিয়নের বেশি (Newzoo's Global Mobile Market Report)। এখন এটা ৩০ মিলিয়নের বেশি হবার কথা। বিটিআরসির হিসেব অবশ্য অন্যরকম। বিটিআরসির হিসেব মার্চ ২০২০ পর্যন্ত বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যব হারকারির সংখ্যা ১০৩ মিলিয়ন, এর মধ্যে ৯৫ মিলিয়ন মোবাইল থেকে ব্যবহার করে ( Click This Link)। অধিকাংশ লোকই একের বেশি সিম কার্ড ব্যবহার করে, বিটিআরসির হিসেব সিমের উপর নির্ভর করে নেয়া, আইএমইআই থেকে নেয়া না বলে এটা পুরোপুরি ঠিক না, কিন্তু এটা পরিস্কার যে বাংলাদেশে ইন্টারনেট ট্রাফিকের ৯০% এর মতো মোবাইল থেকে আসে। যা ব্রডব্যান্ড শোনেন, তার বেশির ভাগ ঢাকা কেন্দ্রিক। উপজেলা পর্যায়ে, এবং অনেক জেলার অনেক অংশেই নাম কা ওয়াস্তের ব্রডব্যান্ড ও নেই। ইউনিয়ন বা গ্রামের কথা বাদ দিলাম।

বাংলাদেশ থেকে সামু ব্লগ মোবাইল ডাটা দিয়ে অ্যাক্সেস করা যায় না।

১৩ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৫:০৫

শের শায়রী বলেছেন: বাংলাদেশ থেকে সামু ব্লগ মোবাইল ডাটা দিয়ে অ্যাক্সেস করা যায় না। এইডাই সামুরে সব থিক্কা পিছনে ফালাইয়া দিতাছে। ম্যালা জনে ম্যালা কতা লিখছে এই বিষয়ে, কিন্তু মাননীয় কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোন এক অজানা কারনে কোন ভ্রুক্ষেপই করে না।

আপনি ম্যালা দিন পোষ্টে আহেন নাই। ব্লগ ও লেখেন নাই। অভিযোগ জানাইলাম X(

যাউজ্ঞা আইজকা যহন আইছেন মোবারকবাদ জাইনা যান।

৩১| ১২ ই জুন, ২০২০ ভোর ৪:৫৯

মা.হাসান বলেছেন:
ব্লগে আগের মত ভালো লেখা আসেনা আপনার এই কথার সাথে আমি একমত হতে পারলাম না ।

ব্লগের পিক ট্রাফিক টাইম বিকেল আনুমানিক সাড়ে পাঁচটা থেকে রাত আনুমানিক সাড়ে দশটার মত। দেখুন আজকে ওই সময়টাতে কোন পোস্ট গুলো আলোচিত পোস্ট হিসেবে যায়গা পেয়েছিলো। যেহেতু প্রতি তিন ঘন্টা পর পর লিস্ট আপডেটেড হয়, ঐ সময়ের দু সেট ডাটা থাকবে। আমি এর স্ক্রিন শট দিলাম (আলোচিত পোস্ট অংশে পাঁচটি করে পোস্ট থাকে, আমি সবগুলো কপি করতে পারিনি কারণ বাকি অংশগুলো স্ক্রিনের বাইরে ছিলো , এজন্য দুঃখিত )।





দুজায়গায়ই ব্লগার রাজীব নূর ভাইয়ের দুটো করে পোস্ট পেয়েছি। লক্ষ করে দেখুন, ব্লগের আইনস্টাইন- টলস্টয়- অমর্ত্য সেনের লেখাও আলোচিত পোস্টে স্থান পায়নি কি! আলোচিত পোস্টে স্থান পেতে গেলে কি রকম ভয়াবহ প্রতিযোগিতা চলে ভেবে দেখুন! এখান থেকেই বোঝা যায় ব্লগে কত উঁচু মানের লেখা আসছে।

আপনি হয়তো বলবেন চোখের সমস্যার কারণে আপনার ভালো পোস্টগুলো পড়া হয়ে উঠছে না। আমি কিন্তু আপনাকে আগেই বলে রাখছি, স্কুল পালাইয়া যেরকম রবীন্দ্রনাথ হওয়া যায় না, চোখ খারাপের ভান দেখিয়ে সেরকম আপনি শমশের হতে পারবেন না।

১৩ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৫:০৯

শের শায়রী বলেছেন: নেন গান শোনেন

৩২| ১২ ই জুন, ২০২০ ভোর ৫:০২

মা.হাসান বলেছেন: বাজে কথা বলে লাভ কি। রাগ কইরেন না। গান শোনেন।

১৩ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৫:১৫

শের শায়রী বলেছেন: এইডা হুনেন

৩৩| ১২ ই জুন, ২০২০ সকাল ৯:২১

জাফরুল মবীন বলেছেন: এ বিষয়ে অনেককিছু বলার আছে।ফিরে এসে আলোচনার ইচ্ছে রইলো।

অট: আমিতো ব্লগার মা. হাসান এর প্রেমে পড়ে গেলাম =p~

১৩ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৫:৫৪

শের শায়রী বলেছেন: অপেক্ষায় থাকলাম প্রিয় ভাই। আপনার লেখা পড়ে আমি কিছুটা হিংসা বোধ করি। এত সুন্দর করে কিভাবে লেখেন?

আর মা হাসান ভাইর প্রেমে পইড়া লাভ নাই, অনেক আগেই এই ব্লগের একজন কে হৃদয় দিয়ে বসে আছে। দেখেন না কি ভিডিও দিছে :P

৩৪| ১২ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১২:০৩

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:



অনেক গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট। আপনাকে ধন্যবাদ, শের শায়রী ভাইয়া।
উপরে প্রিয় সহব্লগারেরা অনেক গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রেখেছেন। আমার আর কিছু যোগ করার নেই।

এমন আরেকটি মহাগুরুত্বপূর্ণ পোস্ট সব্বার সামনে ঝুলাইয়া রাখা হয়েছে। মডুভাইয়াকে সেই অনুরোধই করেছিলাম আমার আরও গুরুত্বপূর্ণ এবং জ্ঞানভর্তি একটি পোস্টে। অতিরিক্তি জ্ঞান ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় লেখাটি নির্বাচন করেন নি মডুভাইয়া। করোনাভাইরাস আক্রান্ত জাতিকে তিনি আর কোন উপদ্রব দিতে চান নি।

যা হোক, এবার অবশ্যই ব্লগের উন্নতি আর কেউ দাবাইয়া রাখতে পারবে না।
আগাম অভিনন্দন রইলো।

১৩ ই জুন, ২০২০ রাত ৮:৩৫

শের শায়রী বলেছেন: ভাই আমিও সাধারন মানুষ আপনার মত, এর আগেও ব্লগের মহা উন্নতি কল্পে একটা পোষ্ট দিয়েছিলাম, কিন্তু কোন পাত্তা পাই নাই। এবার যদি দাবাইয়া না রাখতে পারে তাতে আমার খুব বেশী অবদান থাকবে না :)

৩৫| ১২ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১:৪৬

শহুরে আগন্তুক বলেছেন: মাফ চেয়ে নিচ্ছি শুরুতেই ।

আমার মনে হয় বাংলাদেশে ব্লগ আদতে একটা অসম্ভব ওভাররেটেড প্লাটফর্ম এখন। নাস্তিকতা- ধর্ম বিদ্বেষ এসব ইস্যুতে খুন, শাহবাগ আন্দোলন এসবে ব্লগের ভূমিকা থাকায় ব্লগ তার প্রাপ্যর থেকে বেশি গুরুত্ব পেয়ে গেছে । সরকার একে নিয়ে ভোগে অবান্তর জুজুর ভয় । আদতে এই " শুভেচ্ছা জানবেন, সহমত, ভালো লাগা রেখে গেলাম, মুগ্ধতা রেখে গেলাম, অসাধারণ পোস্ট, এদের মিস করি খুব, হৃদয় ছুঁয়ে গেলো " ইত্যাদি জানানোর ওল্ড হোমের মানুষদের এই প্লাটফর্ম নিয়ে মাথা না ঘামালেও পারে । একটা ছোট্ট খুপরি ঘরে নিজেরা নিজেরা কথা বলে যাওয়ার, পালা করে একে অপরের পিঠ চাপড়ে যাওয়ার বা খুঁচিয়ে যাওয়ার আসর ।

ব্লগে আদতে আসে কয়জন মানুষ?
যারা আসেন, লিখেন, মন্তব্য করেন - তাদের লেখা, মন্তব্যর গুরুত্ব কতটুকু? আদৌ কোন গুরুত্ব বা প্রভাব কি আছে? আমার মনে হয় নেই ।

আমি তো সামু ব্লগে ঘুরে ফিরে ৮/১০ জন মানুষকেই দেখি সবখানে । সবখানে । তারা কীভাবে তা পারছেন তা নিয়ে গবেষণা হওয়া উচিত । এরা দিন-রাত এক করে অকারণ, অর্থহীন লক্ষ-কোটি সংস্পর্শ রেখে চলেছেন জীবনের সব সময় ব্যয় করে । এদের বাদ দিলে ব্লগ মৃতপ্রায় । আবার এদের নিয়ে ব্লগের বেঁচে থাকাও কোনদিক দিয়েই উল্লেখযোগ্য কিছু না ।

আমার মনে হয় এই সময়ের প্লাটফর্ম হিসেবে একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রভাব বিস্তারকারী আসলে ফেসবুক । ব্লগ বড়জোর অবসরপ্রাপ্ত সাইড বেঞ্চের প্লেয়ার । এখানে মাঝেমাঝে ভালো লেখেন, পরিচিত এমন দুই একজনের লেখা পড়তে বা নিজে টুকটাক গল্প লিখলে তা পোস্ট করে রাখতেই আসা যেতে পারে । এর বেশি কিছু না ।

১৩ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:১৫

শের শায়রী বলেছেন: প্রথমেই আমার কৃতজ্ঞতা জানুন ভিন্ন আঙ্গিকে মন্তব্য করায়। আপনার মন্তব্য ব্লগের বর্তমান দৈন্যতাকে খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলছেন, আপনি যেমন বলেছেন, একটা ছোট্ট খুপরি ঘরে নিজেরা নিজেরা কথা বলে যাওয়ার, পালা করে একে অপরের পিঠ চাপড়ে যাওয়ার বা খুঁচিয়ে যাওয়ার আসর।

এক্ষেত্রে আপনাকে আমি ছোট্ট একটা উদাহরন টানব, ক্রিকেট খেলায় বর্তমানে টেষ্ট কয় জন দেখে? হাতে গোনা অল্প কিছু মানুষ। তার ওপর নেই চার ছক্কা, নেই স্বল্প বসনা মেয়েদের (খুব সম্ভবতঃ চিয়ার লীডার না কি যেন নাম) নাচ। দেখার সময়ও নেই এই ব্যাস্ততার যুগে। ওদিকে দেখুন, টি ২০ ক্রিকেট খেলায় চার ছক্কার বন্যা, তার মাঝে সুন্দরীদের উচ্ছ্বল ড্যান্স। গ্যালারী ভর্তি ৪/৫ ঘন্টার বিনোদন। বাসায় ফিরে শেষ।

কিন্তু মজা কি জানেন যে প্লেয়ারটা টি ২০ র মাঠ কাঁপায় সেই যদি টেষ্ট দলে জায়গা না পায় তবে টি ২০ মাঠ কাপানো সেই প্লেয়ারটির নিজের কাছেও মুল্য থাকে না। সারা জীবন টি ২০ তে চার ছক্কার ফোয়ারা তোলার থেকে একজন প্লেয়ারের কাছে বেশী আরাধ্য একটা টেষ্ট সেঞ্চুরী। কেন? সেখানে তো প্রায় দর্শকশুন্য গ্যালারী।

পাঠে এবং মন্তব্যে অশেষ কৃতজ্ঞতা জানবেন ভাই।

৩৬| ১২ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৩:৩৭

হাবিব ইমরান বলেছেন:
কয়েকটি বিষয়ে গুরুত্ব না দিলে দিনদিন সামু ব্লগ জনপ্রিয়তা হারাতে পারে। বর্তমান অনলাইন প্ল্যাটফর্ম হলো চ্যালেঞ্জিং। টিকে থাকতে হলে স্মার্ট হতেই হবে।

১. অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সামু’র স্মার্ট হওয়াকে গুরুত্ব দেয়া যেতে পারেঃ
@ডার্কম্যান সাহেবের ফেসবুককে গুরুত্ব দেয়ার পরামর্শটা আমলে নেয়া উচিৎ। মানুষ বর্তমান সময়ে সহজ বিষয়গুলোকে পছন্দ করতে পছন্দ করে। দেখা যাচ্ছে বর্তমান সময়ে সামু ব্লগ থেকে ফেসবুকে লগইন করাটা সহজ ব্যাপার। সেখানে লেখালখি, কমেন্ট, কমেন্টের রিপ্লাই, লাইক, রিয়েক্ট, শেয়ার সহ নানারকম সুবিধাই ফেসবুককে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ৷‘সামু ব্লগ ফেসবুকের মত মাছবাজার না’ এ চিন্তা করতে গিয়ে দিনদিন মানুষের আগ্রহ থেক দূরে চলে যাচ্ছে।

২. যৌক্তিক সমালোচনা নিশ্চিতে মডুদের আরো সিরিয়াস হতে হবেঃ
নাম বলবো না, দুই একজন স্বঘোষিত বুদ্ধিজীবী যেভাবে অন্যের লেখার ভুল ধরে যাচ্ছে, অপমান করছে, কটূক্তি করছে, রাজনৈতিক লেখার ভুল ধরে যাচ্ছে, লেখকের শিক্ষার মান প্রশ্ন তুলে যাচ্ছে, এরকম বুদ্ধিজীবীদের কারণেই অনেকে ব্লগ ছেড়ে যাচ্ছেন এটা মানতে হবে। ওনারা সমালোচনা করবেন ভালো কথা, যৌক্তিক সমালোচনা না করতে পারলে সে সমালোচনা ব্লগের পরিবেশ নষ্ট করে এ ব্যাপারটা ওনাদের খেয়াল রাখতে হবে।

৩. ফেসবুক পেইজ খোলা যেতে পারেঃ
ব্লগের সেরা পোস্টগুলো নিয়ে ‘রোর বাংলা'র’ মত একটা ফেসবুক পেইজ থাকলে সেখানেও মানুষের আগ্রহ দেখা যেত। মানসম্মত লেখা সবাই পড়তে চায়। কিন্তু সামু ব্লগ এ ব্যাপারে আরো সিরিয়াস হতে হবে।

৪. প্রকাশনার দিকেও গুরুত্ব দেয়া যেতে পারেঃ
নিয়মিত প্রকাশনাও থাকলে ভালো হত। সাপ্তাহিক, মাসিক, ত্রৈমাসিক অথবা ষান্মাসিক একটা পত্রিকা নিয়মিত প্রকাশিত হলে অফলাইনের পাঠকদের কাছেও সামু ব্লগের জনপ্রিয়তা বাড়তো।

সবমিলিয়ে বলা যায়, সামুকে ঢেলে সাজাতে না পারলে নতুন করে গণজোয়ার তৈরি করা যাবে না। বরং দিনদিন সামুর আকৃষ্ট করার ক্ষমতাও নষ্ট হয়ে যাবে ৷তাই সামুর ভবিষ্যত নিয়ে এখন না ভাবলে পরবর্তীতে সামুর বিলুপ্তি আশ্চর্যজনক ব্যাপারই মনে হবে না।

১৪ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১২:৫৬

শের শায়রী বলেছেন: প্রথমেই দারুন এক মন্তব্যে কৃতজ্ঞতা জানুন।

আপনার পয়েন্ট টু পয়েন্ট মন্তব্যে সব কিছু পরিস্কার ভাবে ফুটে উঠেছে। এখন আশা করতে পারি সামু কর্তৃপক্ষ এব্যাপারে যথাযথ পদক্ষেপ নিয়ে সামুর প্রতি সবার ভালোবাসার প্রতিদান দেবে।

৩৭| ১২ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৪:০১

Rajibrpsoft বলেছেন: আমার কাছে মনে হয় যে বিষয় সর্ব সাধারণ না হোক সাধারণ মানুষের ব্যবহার উপযোগী হবে না তা সব সময় আড়াল থাকবে .... ইমন জুবায়ের ভাইকে চেনার কথা ছিল সারা বাংলাদেশের কিন্তু আসলেই কি উনি উনার প্রাপ্যটা পেয়েছে.... এখনও অনেকে লিখে কিন্তু সামু থেকে সরে গিয়ে লিখছে এটাই ....

১৪ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১:১৭

শের শায়রী বলেছেন: অন্ততঃ সামু ব্লগে যারা লিখতে আসে তারাও যদি ইমন ভাইর কথা জানত বা তার লেখা পড়তে পারত সেক্ষেত্রে অনেকেই নিজেকে ঋদ্ধ করতে পারত। শেষ লাইনে এসে আপনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন একটা কথা লিখেছেন এখনও অনেকে লিখে কিন্তু সামু থেকে সরে গিয়ে লিখছে এটাই ....

পাঠে এবং মন্তব্যে অশেষ কৃতজ্ঞতা জানবেন।

৩৮| ১৩ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১:৪২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: সামু ব্লগে কেন আসে না আগের মত লেখা এইডা একটা প্রশ্ন করলেন? কোন কিছুই কি আগের মতোন হয়? দিনে দিনে হক্কলডিই বদলায়। :P

আমার দাদায় কইতেন, উনাদের সময়টা ছিল স্বর্ণযুগ।
আমার আব্বাও কইতেন, উনাদের সময়টা ছিল স্বর্ণযুগ।
আমি কই, আমাগো সময়টা স্বর্ণযুগ!
আর পোলায় (যদি থাকে) কইবো, হ্যাগো সময়ডা হইলো স্বর্ণযুগ!!!

এইসব কথার কোন মানে নাই। আমার কাছে সব যুগই স্বর্ণযুগ, আবার অন্যভাবে দেখলে লৌহযুগ!!!!!! দেখার দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপার। তয়, ব্লগের এই দুরবস্থার জন্য ব্লগারের কোয়ালিটি না, অন্যকিছু দায়ী। বিতং কইরা কিছু কইতে চাই না। B-)

১৪ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১:১৯

শের শায়রী বলেছেন: হ দিনে দিনে সবই বদলায় তয় বাঘ বুড়া হইলেও বাঘ থাকে। থাবা ভুলে না :P

৩৯| ১৩ ই জুন, ২০২০ দুপুর ২:১৯

বিজন রয় বলেছেন: এত হা-হুতাশ করার কি আছে!!

চিরদিন সবকিছু একই রকম থাকে না।

১৪ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১:২১

শের শায়রী বলেছেন: তাও ঠিক ভাই, বিশাল রোম সম্রাজ্যের ও পতন হয়েছে আর এ তো সামু ব্লগ :)

৪০| ১৪ ই জুন, ২০২০ রাত ৮:৪৪

জাফরুল মবীন বলেছেন: কিছু কথা বলতে চেয়েছিলাম তাই আবার ফিরে আসলাম।আপনার পোস্টের শিরোনাম ‘সামু ব্লগে কেন আসেনা আগের মত লেখা’।সুতরাং আমি ব্লগের টেকনিক্যাল বা অন্যন্য প্রতিবন্ধকতাগুলো একপাশে রেখে শুধু ‘ব্লগ পোস্টের মানোন্নয়ন’ বিষয়টাতে সীমাবদ্ধ থাকব।

আমাদের একটা কথা মনে রাখা দরকার কোয়ালিটি এবং কোয়ান্টিটি বিপরীতানুপাতিক।একটা মানসম্মত ব্লগ পোস্ট একটা মুক্তোর দানার মত যা সৃজিত হয় সময় নিয়ে।আর এরকম পোস্টই পাঠকরা পড়ে পাঠ তৃঞ্চা মেটায়।একটু খেয়াল করে দেখুন যারা ব্লগে বড় মাপের ব্লগার হিসাবে পরিগণিত তারা কিন্তু বিরতি দিয়ে পোস্ট দেয়।তাদের পোস্ট পড়লে বোঝা যায় তারা কতটা স্টাডি, মেধা ও শ্রম দিয়ে পোস্টটি সৃজন করেছেন।আমার মনে হয় ব্লগপোস্টের মান উন্নয়নের জন্য ব্লগ কর্তৃপক্ষ কয়েকটা বিষয় বিবেচনা করে দেখতে পারেন-

১)একজন ব্লগার দিনে ১টির বেশি পোস্ট দিতে পারবেন না।

২)একজন ব্লগার সপ্তাহে ৩টির বেশি পোস্ট দিতে পারবেন না।

৩)নির্বাচিত পাতার পোস্ট সিলেকশনে অভিজ্ঞ ও স্বনামধন্য ব্লগারদের জুরি হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে সুনির্দিষ্ট টাইম স্লটে প্রকাশিত পোস্টগুলোর মধ্য থেকে ভালো মানের পোস্ট বাছাই করে সেটা মডারেটরের কাছে পাঠানোর জন্য।মডারেশন প্যানেল এসব বাছাইকৃত পোস্ট থেকে আরেক দফা মান পরীক্ষা করে মানসম্মত পোস্টগুলোকে নির্বাচিত পাতায় দেবেন।

৪)সর্বাধিক মন্তব্য প্রাপ্ত, লাইক প্রাপ্ত ও পঠিত পোস্ট নির্বাচনে কেবলমাত্র নির্বাচিত পাতার পোস্টগুলো বিবেচনা করতে হবে।সেরার সেরা পোস্টগুলো এ কলামে থাকলে নন-ব্লগার পাঠকগণ ব্লগের মান সম্পর্কে একটা ভালো ধারণা পোষণ করবেন আশা করা যায়।

৫)নতুন ব্লগারদের মধ্যে যারা ভালো কিছু লেখার চেষ্টা করছেন তাদের এক্সপোজারের জন্য ‘মডারেটর’র পিক’ নামে ফ্রন্ট পেজে একটা কলাম নিদিষ্ট করা।

আমার মনে হয় উপরোক্ত ব্যবস্থাগুলো নিলে অযাচিত পোস্টের সংখ্যা কমে আসবে এবং পাঠকরা মানসম্মত পোস্ট তুলনামূলক সহজে খুঁজে পাবেন।তড়িঘড়ি লেখকরা পোস্ট লেখা ও তা পরিমার্জনে অধিক সময় ব্যয় করবেন আশা করা যায়।ফলে তাদের পোস্টের মান আরও বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে।কেবলমাত্র মান সম্মত পোস্ট প্রোমোট করেই ব্লগের মান, পাঠক ও প্রকৃত ব্লগারদের ধরে রাখা সম্ভব মনে হয়।

আমার ভাবনাগুলো সবিস্তারে বর্ণনা করতে না পারায় হয়ত যা ভেবে বললাম তা পরিপূর্ণভাবে উপস্থাপন করতে পারলাম না।অপারগতারটুকু কিংবা জ্ঞানের সীমাবদ্ধতার জন্য অগ্রিম ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।

ধন্যবাদ।

১৪ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:২৪

শের শায়রী বলেছেন: জাফরুল ভাই, আমি কেন আপনার একজন ভক্ত? এই মন্তব্য পড়ে তা আবারো বুজতে পারলাম। বলার কিছুই নাই, সম্পূর্ন নতুন কিছু ভাবনা। আশা রাখি ব্লগের যথাযথ কর্তৃপক্ষ ভেবে দেখবেন।

৫)নতুন ব্লগারদের মধ্যে যারা ভালো কিছু লেখার চেষ্টা করছেন তাদের এক্সপোজারের জন্য ‘মডারেটর’র পিক’ নামে ফ্রন্ট পেজে একটা কলাম নিদিষ্ট করা।

এই পয়েন্ট টা আমার কাছে সেরা মনে হয়েছে এই কারনে যে নতুন দের পিক করার কোন বিকল্প নেই, আর সেক্ষেত্রে এই পয়েন্টের অন্য কোন অপশান নেই।

ফিরে এসে মেহেরবানী করে আপনার সুচিন্তিত মন্তব্য দেয়ায় অশেষ কৃতজ্ঞতা জানবেন।

৪১| ১৬ ই জুন, ২০২০ রাত ১২:৫৭

হিজ মাস্টার ভয়েস বলেছেন: এন্ড্রয়েড ফোনে ইউজার ফ্রেন্ডলি ইন্টারফেস একেই অনেকাংশ জটিলতা কমে যাবে। As u said

১৭ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৩:৩৪

শের শায়রী বলেছেন: হ্যা এটাই মুল সমস্যা হিসাবে আপাততঃ চিহ্নিত ব্রাদার।

৪২| ১৭ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৫:৫২

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: একজন পুরানা মানুষ হিসেবে কিছু না কইলে কিরাম হয় ;)
তাই ম্যা’ভাইর পোষ্টেই ভরসা পাইলাম!
অন্যরকম ভাবনা একটু শেয়ার করি।

দেখলাম ঝড়তোলা সব পোষ্ট,
যুক্তি, পাল্টা যুক্তি, পরামর্শ, ভাবনা ... আসলে সবই, সামুর প্রতি সবার একনিষ্ঠ ভালবাসারই প্রকাশ।

তবে একটা কথা থেকে যায় -
যায় দিন ভাল একটা প্রবাদ যেমন আছে তেমনি ভুয়া মফিজ ভায়ার দাদা, বাবা নিজরে সময়রে যুক্তিও একই ধাঁচের।
আর সবচে বড় প্রমাণ নিজেদের জীবন।

স্বর্ণালী শৈশব যেমন কখনোই ফিরবে না
মধুময় বাসরে যেমন কেবলই স্মৃতির জাবর কাটা
তেমনি জীবনের সবকিছুই।
বাস্তবতা, বয়স, প্রয়োজন সবকিছুর সাপেক্ষে জীবন বোধ যেমন বদলায়, রুচি বদলায়
তেমনি সামু্ও বদলায় - অংশগ্রহণ বদলায়, পাঠক বদলায় লেখক বদলায় . . . .

সেই আগের দিনের কথা ভাবুন।
প্রথম প্রেমের প্রথম আবেগের মতো ঝাঁপিয়ে পড়া ব্লগারদের - যাদের প্রকাশেই আনন্দ
তারপর ধীরে ধীরে জমে উঠলো তুমুল! সেখানে কত কিছুইনা ছিল!
যেমন ছিল এ টিম, তেমনি ছিল তুখোর জাতীয়তাবাদীদের পদচারনা, ছিল ত্রিভুজী জামাতীদের উঁকি ঝুঁকি
ছিল হিট সিকার গ্রুপ, ছিল এসাইলাম সিকার গ্রুপ! (যারা মূলত নাস্তিকতার ভেক ধরে তাদের লক্ষ পূরণ করেছিল) যাদের অনেকেই এখন বিভিন্ন দেশে এসাইলাম হিসেবে/বা স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পেয়ে গেছে)
যার যার প্রয়োজনেই ঝাপিয়ে পড়তো তীব্র আকাংখায়- ফল সুপার ডুপার হিট!

শাহবাগ আন্দোলনে যেমন চরম শিখরে পৌঁছে গেল সামু তেমনি শত্রুতায়্ও এসাইলাম সিকারদের সো কল্ড নাস্তিকতার
ট্যাগে ব্লগারগণ হয়ে গেলেন নিষিদ্ধ এলাকার মানুষের মতোন। মনে আছে তখন বইমেলায় কথায় কথায় ব্লগার পরিচয়ের কথা বলতেই প্রকাশক রীতিমতো আতংকিত চেহারায় টেনে ভিতরে নিয়ে গেলেন। অনুরোধ করলেন প্রকাশ্যে এ পরিচয় না দিতে!!

অত:পর -

একসময় এসাইলাম সিকার রা থিতু হলো বিদেশে! তাদের কাছে কি সেই আগের আবেগ পাবেন?
এক সময় এ টিম’ রা হয়ে গেল ক্ষমতার অংশ। নগদ আর জীবনের উত্থানের স্বপ্নে সামু রইলো পেছনে
জাতীয়তাবাদীরা গুম খুন আর আতংকে যেখানে বাড়ী ছাড়া সেখানে সামুতে আসবে কিভাবে?
জামাতী গংও নিজেদের ধুতি সামলাতে ব্যাস্ত!
তার উপর এলো ৩২ হয়ে ৫৭’র খড়গ!!! এ প্রসংগে বলতেই হয়- লঞ্চের কেবিন থেকে তুলে নেয়া ব্লগার জুলভার্ন ভাইর কথা।
কিন্তু আমরা ব্লগাররা কই ছিলাম? সবাই নিরব! একটা শক্তিশালী আ্ওয়াজ উঠাতে পারিনি।
দীর্ঘ ছয় মাসের অসহ্য যন্ত্রনাময় জীবনে শেষে অনেক নাক খত দিয়ে আল্লাহর অশেষ দয়ায় জীবনটা নিয়ে ফিরতে পেরেছেন।

পড়ে রইলো আমাদের মতো আম ব্লগার । প্রাণের টানে সকল সেন্সরকে মাথায় নিয়ে ঢিমে তেতালে টিকে থাকার লড়াইয়ে!
এর মাঝে আসলো চরম খড়গ- ব্লক! হাস্যকর পর্ণগ্রাফির অভিযোগ দিয়ে..........
আইএসপির সাথে চরম ঝগড়া করে প্রুফ বের করলাম আসলেই সরকার ব্লক করেছে কিনা। তালিকায় প্রথম দিকেই নাম!!!
শুরু হলো সামুর যাতনার দিন - - -
এমন্ও দিন গেছে স্রেফ লগিন কন্টিনিউ রাখতে ৩ জন বা ৫/৭ জনেও সারাদিন গেছে!
ভিপিএন, টর, দিয়ে দিয়ে সামু যেন শুন্য লগিন না হয় তার প্রাণান্ত চেষ্টা!
মাসের পর মাস . . .


সেই দু:সময়ে নিজেদের মাঝে যোগাযোগ বাড়াতেই কর্তৃপক্ষ উদ্যোগ নিলো ফেসবুকে সামুগ্রুপ খোলার!
আমরা যেন দম ফিরে পেলাম।
সেই গ্রুপেই একে একে যুক্ত হতে লাগলেন ব্লগারগণ।
পরামর্শ আলোচনা, করণীয়.....

অত:পর ব্লক আনব্লক হলেও রয়ে গেল অতি চেতনাধারীদের ধারাল চেতনা।
আইএসপিকে যখন বলছি -ভাই ব্লকতো উঠায়া নিছে আপনারা আটকে রাখছেন কেন?
-প্রমাণ দেন। স্ক্রীন শট দেন। ডকুমেন্ট দেখান ... কত কি
বাঁশের চেয়ে কঞ্চি বড় বা সূর্যের চেয়ে টিন গরম হয় বেশি টাইপ ! যার ধাক্কা এখনো চলছে!

যে জন্যে অনেক আইএসপিতে ইজি এক্সেস মিলছে না। মোবাইল কোম্পানীগুলোও এক্সেস নিয়ে টালবাহান করছে বলিই জেনেছি। সবিকছুর শেষে সুন্দর সোনালী দিন আসুক।
সকল বাঁধা মুছে যাক। মুক্ত মনে মুক্ত হৃদয়ে মানুষ করুক সত্য আর সুন্দরের চর্চা।

তাই অন্যান্য যৌক্তিক সকল পরামর্শ এবং মতের সাথে একমত হয়ে যোগ করতে চাই

যতদিন গণতন্ত্র মুক্তি না পাবে, একমতাদর্শী চেতনায় কখনোই সুস্থ ডিবেট, সাহিত্য বা ব্লগ কিছুই জমবে না
যতদিন ভিন্নমতের প্রতি সহনশীলতার নূন্যতম মাত্র প্রতিষ্ঠিত না হবে ততদিন আতংকিত মনে সুকুমার বৃত্তির বিকাশ হবে না।
এক দল একদেশদর্শী নীতি দিয়ে হয়তো স্বৈরাচারীতা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারবে, কিন্তু তার মাঝে স্বাভাবিকতার দাবী হাস্যকর বৈকি!

এতসব কিছুর পর এখন সত্যিই ভাল লাগছে।
সবার সামুর জন্য ভাবনা, ভালবাসা সত্যিই মনটা খুশি হয়ে যায়!
আবার জমবে মেলা, বটতলা হাটতলা....র মতোই ভাবতে ভাল লাগে।
আমি/আমরা তো কেউই অমর নই। হয়তো থাকবো্ও না একসময়। নতুনেরা আসবে। লিখবে।
রয়ে যাবে শুধ স্মৃতি। রয়ে যাবে লেখা।

সবাই ভাল থাকুন।
ম্যা'ভাই ক্ষেমা কইরা দিয়েন অতলা বড় কিসসা লিখছি বইলা ;)

১৮ ই জুন, ২০২০ রাত ১১:২৯

শের শায়রী বলেছেন: ম্যা'ভাই কয়েকবার পড়লাম আনার এই মন্তব্য। মাঝে প্রায় ছয় বছর সামুতে অনুপস্থিত থাকায় ওই সময়ের কোন স্মৃতি আমার নেই। কিন্তু আপনার মন্তব্যে সে সময়ের আপনাদের কয়েকজনের সামুর প্রতি ভালোবাসার ছবি পরিস্কার ভাবে দেখতে পেলাম।

ম্যাভাই এমন মন্তব্যের প্রতিউত্তর কি হতে পারে আমার জানা নেই, নতুনরা আসবে, পুরানোরা হারিয়ে যাবে এটাই নিয়ম, তবে যে যখন আসুক সামুর প্রতি একটা ভালোবাসা থেকেই যাবে। একটা গান দেই তার আগে জানিয়ে যেতে চাই আপনাদের দেখে দেখে ব্লগিং সন্মন্ধ্যে আমার মত হাজার হাজার মানুষ ধারনা পেয়েছে, এইভাবে যতদিন পারেন আমাদের সামনে আলোকবর্তিকা হয়ে থাকুন।



৪৩| ১৯ শে জুন, ২০২০ রাত ১:৫৩

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: আগে দেখেছি পোস্টের কমেন্ট সেকসনে ধুমাইয়া আড্ডা হতো। আজাইরা প্যাচাল। সেই প্যাচালটা ফেসবুকে চলে গেছে। যেটাকে সোনালী সময় বলছেন সেইসময় সবাই ব্লগিং করতো পিসিতে। এখন হাতে হাতে মোবাইল। সেই মোবাইলের মাধ্যমে পোস্ট করা কিংবা কমেন্ট করা আরামদায়ক নয়।
কমেন্টে কাউকে ম্যানশন করার উপায় নাই। এই অপশনটা থাকা উচিৎ। নাস্তিক আস্তিক ইস্যু নিয়ে ব্লগাররা ক্যাচাল করতে করতে ক্লান্ত। ব্লগে তখন নতুন নতুন চল ছিল। তাই জমে উঠতো খুব। এখন আর হালে পানি পাবে না। রাজনৈতিক ইস্যূটাও প্রায় কাছাকাছি তাছাড়া এখন চরম নজরদারি চলছে। তাই ব্লগে এই ক্যাচালটা আর জমবে না।
ব্লগকে মোবাইল ফ্রেন্ডলি করুন। কমেন্টে ম্যানশনের মত নতুন কনটেইন যুক্ত করুন।
এখনো অনেক ভালো ব্লগার আছে। ব্লগ চালাতে কবি কিংবা গল্পকার নয় ব্লগার দরকার। এমন ব্লগার কিন্তু এখনো আছে। কবি সাহিত্যিকরা হচ্ছে ব্লগের সৌন্দর্য।

পরিশেষে অসাধারণ পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। স্টিকি হওয়া উচিত। ভালো থাকবেন।

২৪ শে জুন, ২০২০ রাত ১২:৪২

শের শায়রী বলেছেন: প্রিয় ভাই আপনাকে কিন্তু ইদানিং খুব একটা দেখি না। যা বলছেন তাতে সম্পূর্ন সায় আছে, আপনার কথায় আবারো ফুটে উঠছে ব্লগ কে মোবাইল ফ্রেন্ডলি করা উচিত। আর খুবই গুরুত্বপূর্ন একটা পয়েন্ট বলছেন কমেন্ট মেনশানের ব্যাপার।

দারুন এক মন্তব্যে অশেষ কৃতজ্ঞতা জানবেন।

৪৪| ২০ শে জুন, ২০২০ সকাল ৭:০৫

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:
প্রতিমাসে পোস্টকৃত সেরা কবিতা বাছাই করে বছর শেষে যাচাই বাছাই করে সেই সব কবিতার সংকলন নিয়ে কবিতার বই প্রকাশ করা যেতে পারে বই মেলায়। এতে ব্লগের প্রচার হবে খুব । নতুনরা আসতে শুরু করবে। লিখতে শুরু করবে অনুপ্রেরনা পাবে। এইভাবে গল্প/ ফিচার/ অনুভুতির প্রকাশ/স্মৃতিচারণ ভ্রমন/ঐতিহাসিক/উপকথা/ইত্যাদির সংকলন হতে পারে।

২৪ শে জুন, ২০২০ রাত ১২:৪৫

শের শায়রী বলেছেন: আগে দেখতাম কেউ কেউ মাস শেষে ব্লগের ভালো ভালো লেখা নিয়ে অন্ততঃ ভার্চুয়াল একটা সংকলন করছে। এখন আর সেই কালচারটা নেই। আর প্রকাশনা ব্যাপারটা তো আরো দূর হসত।

আশা রাখি আগের মত কেউ না কেউ এগিয়ে আসবে মাস শেষে ভালো কিছু লেখা নিয়ে সংকলন বানানোর।

দারুন মন্তব্যে অশেষ কৃতজ্ঞতা জানবেন।

৪৫| ২৪ শে জুন, ২০২০ রাত ১:০৫

এস এম মামুন অর রশীদ বলেছেন: সংক্ষেপে সুন্দরভাবে মূল কারণগুলো তুলে ধরেছেন। আমার পর্যবেক্ষণ হচ্ছে, বাহ্যিক প্রভাবক হিসেবে ফেসবুক প্রধান নিয়ামক। অভ্যন্তরীণ কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে কারিগরি ও প্রশাসনিক দুর্বলতা যা মাঝেমাঝে অব্যবস্থাপনায় পরিণত হয়। যেমন, ব্লগ কর্তৃপক্ষ অনেক সময় অশ্লীল গালাগালি, মন্তব্য, পোস্ট ও ব্লগারদের দীর্ঘসময় প্রশ্রয় দিত বা এখনও দিয়ে থাকে, যদিও এসব জিনিস ফিল্টার করা খুব সহজ এবং ওয়েবসাইট ব্যবস্থাপনার একেবারে প্রাথমিক বিষয়।

২৫ শে জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৬

শের শায়রী বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ মামুন ভাই, আপনার মুল্যবান পর্যবেক্ষনের জন্য। হ্যা আপনার উল্লেখিত কারন গুলোই ঘুরে ফিরে আলোচনায় এসেছে।

মন্তব্যে অশেষ কৃতজ্ঞতা জানবেন।

৪৬| ০১ লা জুলাই, ২০২০ দুপুর ১:৪৬

জাহিদ হাসান বলেছেন: যেসব ব্লগারদের পোস্ট নির্বাচিত পাতায় যায় প্রতিমাসেই, এবং সবচেয়ে বেশি পঠিত হয় ও মন্তব্য পায় তাদের সবাইকে যদি মাসে মাসে একটা নির্দিষ্ট হারে টাকা দেওয়া হত তাহলে দেখতেন আজকে ব্লগ কোথায় থাকতো।

বেশি না হাজার খানেক টাকা পেলে ব্লগারদের আগ্রহ ও ডেডিকেশনটা তুঙ্গে থাকতো। এখন কিছুই নেই।
সবাই আছে সবার নিজের কাজে।

০১ লা জুলাই, ২০২০ দুপুর ২:৪৩

শের শায়রী বলেছেন: ভালো একটা প্রস্তাব দিয়েছেন জাহিদ ভাই সামান্য অনারিয়াম অনেক বড় রিএজেন্টের কাজ করত। আশা করি ব্লগ কর্তৃপক্ষ আপনার এই পরামর্শ আমলে নেবে।

৪৭| ২৮ শে জুলাই, ২০২০ বিকাল ৪:১৭

ৎঁৎঁৎঁ বলেছেন: ব্লগে এসে এত চমৎকার পোস্ট এবং আলোচনা! নতুন কোনো কিছুই আমার বলার নেই, সহমত অথবা
দ্বিমত হবার মত সবাই সবকিছু বলে ফেলেছে।
আমরা তো মোটামুটি কাছাকাছি সময়েই শুরু করেছি, আমাদের অনেক
অভিজ্ঞতার মধ্যে কমন নোট চলে আসবে। আশা করছি বুঝতে পারছেন।

শুভেচ্ছা নিরন্তর....

২৮ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৯:৪৬

শের শায়রী বলেছেন: কেমন আছেন? আপনাকে খুজছি। হয়ত কোন দিন দেখা হয়েও যাবে। অবশ্যই অনেক কিছু কমন থাকবে আমাদের মাঝে। ভালো থাকুন ভ্রাতা।

৪৮| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ সন্ধ্যা ৬:১৩

মিরোরডডল বলেছেন:




কোন এক পোষ্টে শায়রীর এই মন্তব্য পড়ে অনেক হাসলাম।
তাই এখানে দিয়ে গেলাম।
এরকম কত মন্তব্য মিস করে যাচ্ছি।
ভালো থাকবে শায়রী।


শের শায়রী বলেছেন: আপনার পোষ্টটি ২২৫ বার পঠিত হয়েছে। ভালো। এই ২২৬ নাম্বারের বলদ হলাম আমি। আপনার লিঙ্কে যেয়ে ঐ পাখির মা বাচাও না বাবা বাচাও কি বলছে শুনে অশেষ নেকী হাসিল করছি।

প্রস্তাবনায় আপনি লেখছেন এক পাপিষ্ঠের কবরের পাশে ময়না (কেন টিয়া বা কাউয়া রাখলে সমস্যা যদি ফিঙে পাখি মাগো বাবাগো বাচাও বলতে পারে) রাখলে সেটাও চিক্কুর দিয়া উঠবে। আমি এটা করতে চাই কিন্তু সমস্যা হল আমি সেভাবে কোণ পাপিষ্ঠ চিনি না। আপনার চেনাজানা পাপিষ্ঠ কয় জন আছে? তাদের মাঝে কি কারো মরার চান্স আছে? থাকলে মেহেরবানি করে একটা পোষ্ট দেবেন, অবশ্য ই ময়না হোক আর লাভ বার্ড হোক একটা কিছু নিয়া হাজির হব। তবে সে সময় আপনাকেও আমার সাথে থাকতে হবে কারন আমার ভীষন ভয় ভুত পেত্নির। যদি কোন মতে ধরেন আপনার ভাষ্য মতে ময়না ( এক্ষেত্রে আমি মনে করি বক বা কাউয়া যা কিনা এ্যাভেলেবেল তাতেও কাজ হবার কথা কারন অই ফিঙা চিক্কুর দিতাছিল) চিক্কুর মিক্কুর দিয়া ওঠে আমিও চিক্কুর দিয়া বেহুশ অইয়া যাইতে পারি ভয়ে। এই কারনে।

যাক দো জাহানের নেকী হাসিল করার আমল দেয়ায় আপনাকে যাজাক্কালাহ খায়রুন



আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.