নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নানা দেশ কত কথা

কিছু দেশ দেখার সুযোগ হয়েছে এই জীবনে।ভ্রমণ আমার ভাল লাগে্‌ তাই সবার মাঝে তা জানাতে চাই।সবার উপরে ভালোবাসি বাংলাদেশ । ধন্যবাদ

শোভন শামস

আমার দেখা নানা দেশের কথা সবার জন্য - পাঠকের ভাল লাগাতেই আনন্দ

শোভন শামস › বিস্তারিত পোস্টঃ

বুলেট ট্রেনে বেইজিং থেকে নানজিং- পথের দৃশ্য - ছবি ব্লগ

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ সকাল ৮:০৫

বেইজিং থেকে নানজিং শহরের দূরত্ব ১০২০ কিলো মিটারের বেশী। বুলেট ট্রেনে করে যেতে সময় লাগে চার ঘণ্টা। বুলেট ট্রেনের গতি ঘণ্টায় ৩০০ কিলো মিটার ছুঁয়ে যায়। তিন ধরনের কোচ আছে, বিজনেস ক্লাস, প্রথম শ্রেণী আর দ্বিতীয় শ্রেণী। বেইজিং থেকে সাং হাই যেতে বিশটা স্টেশন পার হয়ে যেতে হয়, বুলেট ট্রেন ৪ টা স্টেশনে থামে। তিয়ান জিন, জু ঝু, বেংবু, নান জিং সবশেষে সাং হাই হোয়াং কি আও স্টেশন। বুলেট ট্রেনের ভাড়া শ্রেণী ভেদে ২৭১ ডলার থেকে ৮৬ ডলারের মধ্যে। দ্বিতীয় শ্রেণীতে এক সারিতে পাঁচটা সিট। একপাশে দুই আরেক পাশে তিনটি চেয়ার। বেশ আরামদায়ক ভ্রমন
বেইজিং শহর থেকে যাত্রা শুরু করে গাড়ীর গতি হঠাৎ করে বেড়ে যায়। প্রথমে গতির সাথে দৃষ্টি সমন্বয় করতে হয়। ভেতরে সব এয়ার টাইট বলে কিছুই বুঝা যায় না।
যাত্রা পথে অনেক আকাশ চুম্বী এপার্টমেন্ট কমপ্লেক্স তৈরি হয়েছে এবং হচ্ছে। চারিদিকে খালি ভাঙ্গা গড়ার খেলা চলছে। বিশাল রাস্তা স্যাটেলাইট শহর, কারখানার পাশাপাশি আধুনিক গ্রিন হাউজ পদ্ধতিতে চাষাবাদ ও চলছে এখানে। চীন একটা সমন্বিত উদ্যোগে সবদিকে উন্নয়নের ধারা চালিয়ে যাচ্ছে।

বিস্তীর্ণ খোলা মাঠ, দুরে সবুজ বনানী। এখানে চাষাবাদের জন্য জমি প্রস্তুত করা হচ্ছে। বিশাল জন গুষ্টির জন্য খাবার উৎপাদিত হয় এই সব খামারে। এত বিশাল দেশ কিন্তু মানুষ খুবই কম দেখলাম। বেইজিং থেকে সাং হাই ১৩১৮ কিলো মিটার আর এই ট্রেনে যেতে সময় লাগে পাঁচ ঘণ্টা।

অজানা জনপদ






অচেনা শহরের পাশ দিয়ে







অচেনা শহরের পাশ দিয়ে



অনেক এরকম কারখানা দেখা যায়



যাত্রা পথে অনেক আকাশ চুম্বী এপার্টমেন্ট কমপ্লেক্স তৈরি হয়েছে



দুরে নাম না জানা শহরের নান্দনিক স্থাপনা



কৃত্রিম খালের উপর ব্রিজ

ট্রেন থেকে- কোন এক নগরে যাওয়ার রাস্তা


দুরে পাহাড়ের উপর বায়ু কল




এই এলাকাতে এরকম অনেক বায়ুকল আছে



নানা রঙ এর বাহারী গাছ পালা



দুরে পাহাড়ের উপর বায়ু কল





একটা ছোট্ট গ্রাম চীনা জনপদ





একটা ছোট্ট গ্রাম, চীনা জনপদ





রেল লাইনের পাশের রাস্তা , সমান্তরাল রাস্তার পাশে বিশাল খোলা মাঠ, হয়ত নুতন ফসল বোনার অপেক্ষায়





গ্রিন হাউজে ফসলের চাষ



মন্তব্য ১৮ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (১৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ সকাল ৯:৫১

মাকার মাহিতা বলেছেন: বেইজিং হতে কুনমিং যাবার ইচ্ছা ছিল...
জি ৪০৫ নং বুলেট ট্রেন।
যাবার পথে এই সব শহরের সাথে মোলাকাত করবার মুঞ্চায়...
বেইজিং পশ্চিম-সিজিয়াজুয়াং-গাওই পশ্চিম-হানদান পূর্ব-আনইয়াং পূর্ব-জেংজু পূর্ব-সিনইয়াং পূর্ব-উহান-ছাংসা দক্ষিণ-সাওশান দক্ষিণ-সুপু দক্ষিণ-হুয়াইহুয়া দক্ষিণ-তংরেন দক্ষিণ-কাইলি দক্ষিণ-গুইয়াং উত্তর-কুনমিং দক্ষিণ।
ওকে...

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ দুপুর ১২:১৬

শোভন শামস বলেছেন: অবশ্যই বেড়িয়ে আসবেন, সাথে থাকবেন। ধন্যবাদ

২| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ সকাল ১০:৪৬

Pollob বলেছেন: আমি কুনমিং এ আছি। আশা করি কিছু দিনের মধ্যে বেইজিং ঘুরতে যেতে পারবো!

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ দুপুর ১২:১৮

শোভন শামস বলেছেন: আপনার ভ্রমন আনন্দ দায়ক হোক, ভাল থাকুন। সাথে থাকবেন। ধন্যবাদ

৩| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ সকাল ১১:৫০

সুমন কর বলেছেন: সুন্দর পোস্ট।

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ দুপুর ১২:১৮

শোভন শামস বলেছেন: সাথে থাকবেন। ধন্যবাদ ++

৪| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ দুপুর ১:৩১

এম এম কামাল ৭৭ বলেছেন: এমন অনুভুতি নিয়ে আমিও একটা ব্লগ লিখেছিলাম....।

বুলেট ট্রেনে ভ্রমন........ জীবনের এক স্মরনীয় মুহুর্ত... (ছবি ব্লগ)

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ দুপুর ২:৪৮

শোভন শামস বলেছেন: আপনার ছবিগুলো দেখলাম, খুব সুন্দর ও স্পষ্ট ছবি।
সাথে থাকবেন ধন্যবাদ

৫| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ৮:৩৩

জাহিদ হাসান বলেছেন: ট্রেনে তো প্রায়:শই দেশে চড়া হয়, বুলেট ট্রেনে আজো চড়ার সৌভাগ্য হয়ে উঠেনি।
সেক্ষেত্রে আপনার অভিজ্ঞতা বেশ আকর্ষনীয় ।

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ১০:৩৮

শোভন শামস বলেছেন: সাথে থাকবেন, ধন্যবাদ ++

৬| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ৯:২৯

জুন বলেছেন: বুলেট ট্রেনে চড়ার সৌভাগ্য হয়নি। তবে রোম থেকে ভেনিসে ইউরোস্টার আর বেইজিং থেকে শিয়ানে যেতে বেশ দ্রুতগামী এক ট্রেনে চড়ার অভিজ্ঞতা হয়েছিল শোভন শামস। চীনে ট্রেন থেকে দেখা দুপাশের দৃশ্যপটের সাথে আপনার ছবিগুলোর বেশ মিল আছে। খুব ভালোলাগলো ছবিগুলো।
+

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ১০:৩৭

শোভন শামস বলেছেন: কুন মিং থেকে বেইজিং এর পথে ও একই দৃশ্য দেখা যায়। বেশ স্পীডে থাকার কারনে ছবি তোলা একটু ঝামেলা।
শিয়ান হয়ে তাকালা মাকান মরু পার হয়ে উরুমচি কাশগর যাবার ইচ্ছে আছে।
সাউথ আমেরিকার দেশগুলো সাথে আমাদের যোগাযোগ কম। বাংলায় সেসব ভ্রমনের বই ও দুর্লভ। ধন্যবাদ +++

৭| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ১২:০২

কালীদাস বলেছেন: সাংহাই থেকে বেইজিং প্লেনে গিয়েছিলাম সময় লাগে মনে হয় দুই ঘন্টার মত। হাইস্পিড ট্রেনে চড়েছি ডেনমার্ক, ইটালি আর জার্মানিতে, ফ্রেঞ্চটা বাকি আছে। এত জোরে চললেও বোঝা যায়না ভেতর থেকে।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ সকাল ১০:০৫

শোভন শামস বলেছেন: আপনার ভ্রমন থেকে অনেক কিছু জানতে পারব আশাকরি।
সাথে থাকবেন, ধন্যবাদ।

৮| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ২:০৫

জাহিদ হাসান বলেছেন: কালীদাস বলেছেন: সাংহাই থেকে বেইজিং প্লেনে গিয়েছিলাম সময় লাগে মনে হয় দুই ঘন্টার মত। হাইস্পিড ট্রেনে চড়েছি ডেনমার্ক, ইটালি আর জার্মানিতে, ফ্রেঞ্চটা বাকি আছে। এত জোরে চললেও বোঝা যায়না ভেতর থেকে। [/sb

আপনি এত দেশ ভ্রমন করেছেন? ওয়াও! আমি কবে বেরুবো বিশ্বভ্রমনে? অপেক্ষায় শুধু দিন গুনি। :(

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ সকাল ১০:০৬

শোভন শামস বলেছেন: সুযোগ পেলে বেড়িয়ে পরবেন, সাথে থাকবেন, ধন্যবাদ।

৯| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ সকাল ৭:২১

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
আপনার ছবিগুলো দেখলাম, খুব সুন্দর।
কিন্তু আনফর্চুনেটলি এত মুল্যাবান ছবি। সবগুলো ছবি অস্পষ্ট।
চীন সরকার মনে হয় ক্যামেরা কেড়ে নিয়ে সব ছবি ব্লার করেদিছে। =p~

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ সকাল ১০:০৮

শোভন শামস বলেছেন: দিনটা ছিল মেঘলা, নানজিং এ নিম্নচাপ ছিল। পথের আকাশ ও তাই একটু মেঘে ঢাকা ছিল।
নানজিং এ বৃষ্টিতে বাসে করে শহরে ঘুরেছি।
ছবি গুলো তাই ঝলমলে হয়নি। সাথে থাকবেন, ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.