| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
গণজাগরন মঞ্চের সাহসী যোদ্ধারা দেশে ২য় মুক্তিযোদ্ধের ডাক দিয়েছেন। আর সেই মুক্তিযুদ্ধের প্রথম শহীদ হলেন আমাদেরই ব্লগার ভাই রাজীব হায়দার। তারা রাজীব ভাইকে হত্যা করে আমাদেরকে বুঝিয়ে দিল, গণজাগরনের মিছিলে ৭১ এর ঘাতক গোষ্ঠী ভীত হয়ে পড়েছে। কাপুরুষের মতো তারা পিছন থেকে চোরাগোপ্তা হামলা চালাচ্ছে। রাজীব হায়দারকে হত্যা করার আগেও আমরা দেখেছি দেশের বিভিন্ন স্থানে তারা প্রতিবাদী জনতাদেরকে পিছন থেকে আক্রমন করেছে।
খোদ ঢাকাতেও তারা একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের উপর মটরসাইকেল করে এসে সহিংস হামলা চালিয়েছে। পরে অবশ্য তারা সমাবেশে যোগ দিয়েছিল। আবার গত কয়েকদিন পূর্বে আমাদের সিলেট নগরির মদিনা মার্কেট এলাকায় তারা সমাবেশ ফেরত শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের বহন করা বাসের উপর চড়াও হয়েছিল। এতে কয়েকজন প্রতিবাদী ছাত্র গুরুতর ভাবে আহতও হয়েছিল। এদেরকে জরুরী ভিত্তিতে এম,এ,জি, ওসমানী হাসপাতালে এনে ভর্তি করা হয়েছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত পরশু গোয়াজমদের জারজরা আমাদের ব্লগার রাজীব ভাইকে নির্মভাবে হত্যা করেছে। গতকাল লাখো মানুষের উপস্থিতিতে উনার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রাজীব ভাইকে নাস্তিক বলে অনেকেই আন্দেলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে চায়। তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, আপনারা যারা প্রথম থেকে আন্দোলনের সাথে কোন না কোনভাবে সম্পৃক্ত, তারা হয়তো জানবেন এই আন্দোলন কোন ধর্মযুদ্ধ নয়। এটি দেশের কলঙ্ক মোচর করার লড়াই। এবং এতে দেশের আপামর জনতা শিশু থেকে বৃদ্ধ সবাই সংহতি জানিয়েছে। তারপরেও যারা এই আন্দোলনকে ধর্মের সাথে সামঞ্জস্য করতে চান তাদের জাতীয় পরিচয় তো মউদূদীবাদী ছাড়া আর কিছু নয়।
৭১ এ যেমন আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে সকল দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে অংশগ্রহন করে আমাদের একটি স্বপ্নের সোনার বাংলা উপহার দিয়েছিলেন। আর আমরা আজ জতীয় ইস্যুতে ধর্মকে ব্যবহার করে বিভক্ত হয়ে যাব? আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে কি শুধু কামাল জামালরাই শহীদ হয়েছেন? রাম শ্যামরা শহীদ হননি? কেউ কি হলফ করে বলতে পারবেন ৭১ এ কোন চোর, ডাকাত, বেশ্যা, ঘোষখোর শহীদ হয়নি?
৭১ এর কুলাঙ্গার শক্তি এরকম অনেক কূট কৌশল মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্যবহার করেছিল? এটি তারই অংশবিশেষ মাত্র।
আমরা টেলিভিশনের স্টুডিওর চায়ের আড্ডায় মাইক ফাঁটানো আওয়াজ শুনতে চাইনা। দেখতে চাইনা আর কোন লোক দেখানো মানববন্ধন। রাজীব ভাইয়ের খুনিদের ধরে শাস্তি না দিলে এসব ধর্মান্ধ উগ্র শক্তি যেমন নিরাপদ আবাস পাবে এই বাংলায় তেমনি বাংলাদেশ অচিরেই একটি মৌলবাদের দেশে রূপান্তরিত হবে।
রাজীব ভাই বলেছিলেন ৭১ এ যেমন ১৪ই ডিসেম্বর ছিল, তেমনি ১৩ তেও থাকবে। অতএব ১৬ই এর প্রতিক্ষা মাত্র। কারন আমাদের রক্তে মুক্তিযোদ্ধাদের রক্ত প্রভাহিত হচ্ছে, কোন বেঈমানের আর কাপুরুষের রক্ত নেই।
২|
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:৫৮
shuvoroychow বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
©somewhere in net ltd.
১|
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:৫৭
মশামামা বলেছেন:
ওহে শিবির, ওহে ফ্রান্কেনস্টাইন্ড!
ফিরে এসো বাছাধন - সুস্থ জীবনে
বাঙালী হয়ে প্রজন্ম চত্বরে এসে জড়ো হও -
রাজীব হত্যার ক্ষমা চেয়ে পবিত্র করো কণ্ঠ তোমার,
মুখে তোলো একটাই স্লোগান -
'জয় বাংলাদেশ; রাজাকারমুক্ত বাংলাদেশ,
আমি বাঙালি, বাঙালির জয় হোক,
পাকিস্তানী হানাদারবাদ নিপাত হোক।'
ওহে শিবির, ওহে ফ্রান্কেনস্টাইন্ড!
সবার সামনে এসে প্রকাশ্যে বলো -
আমি দ্বিধাহীন, বিবেকবোধে সমুজ্বল তোমাদের মতই,
আমি বাংলায় জন্মেছি, বাংলায় একাত্ম, বাংলায় গান গাই
আমি তোমাদেরই সন্তান ও ভাই।
ওহে শিবির, ওহে ফ্রান্কেনস্টাইন্ড!
উচ্চস্বরে বলো - আমি লজ্জিত, আমি ভারাক্রান্ত,
আমি মুসলমান; তবে উন্মাদনা নয়, ত্যাগ ও শান্তিই আমার ধর্ম,
আমি জানি - শিবির মানেই উন্নাসিক, মানসিক রোগীদের আস্তানা
করজোড়ে প্রার্থণা করো - প্রজন্মের কাছে প্রজন্ম চত্বরে এসে -
'আমার ভুল হয়ে গেছে; আমায় ক্ষমা করো ।
ওহে শিবির, ওহে ফ্রান্কেনস্টাইন্ড!
আজ জাগ্রত জনতার কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়ে বলো -
'জয় বাংলাদেশ; যুদ্ধাপরাধীমুক্ত বাংলাদেশ,
আমি বাঙালি, বাঙালির জয় হোক,
পাকিস্তানী হানাদারবাদের মৃত্যু হোক।
জামাতীবাদ নিপাত যাক, সন্ত্রাসবাদ নিপাত যাক,
মানবতাবাদের জয় হোক, বাংলাদেশের জয় হোক।'
ওহে জনতা, জেগে ওঠো -
আর একটিবার মুক্তির স্লোগানে মাতো আর বলো -
সারাদেশ জাগ্রত হোক, গোটাজাতি এক হোক
এখনি সময়, দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হবার
পবিত্র মাটির রক্তের ঋণ পরিশোধ করবার।