| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমার কাছে জীবনটা হচ্ছে একখন্ড লোহ দন্ডের মত। আমি যদি এটাকে অযত্নে ফেলে রাখি তবে এটা মরিচা পড়ে নষ্ট হয়ে যাবে, আবার যদি এটা ব্যবহার করতে থাকি তারপরেও এটা একদিন ক্ষয়ে যাবে। আমার কাছে মরিচা পড়ে নষ্ট হয়ে যাবার চেয়ে মেধাকে ব্যবহার করে ক্ষয়ে যাওয়া উত্তম। ফেসবুকে: https://www.facebook.com/sk.foysal
![]()
বিশ্বব্যাপী এখন পরিবেশবান্ধব এবং পাওয়ার এফিসিয়েনন্সি বিষয়ক গবেষণা সবচেয়ে আলোচিত বিষয়। কেনানা কম্পিউটারের কার্যকারিতা বৃদ্ধির সাথে সাথে এর বিদ্যুৎ খরচও বেড়ে যাচ্ছে। তাই অল্প খরচে কম্পিউটার চালাতে গবেষকরা ব্যাপকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমানে মডেল ও ডিজাইনভেদে ডেস্কটপ কম্পিউটার ১৫০ থেকে ৮০০ ওয়াট বিদ্যুৎ খরচ করে থাকে।
তবে সাধারণ কিছু বিষয় মেনে চলা কিংবা কৌশলের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত কম্পিউটার ব্যবহারের অযথা বিদ্যুৎ খরচ সাশ্রয় করা সম্ভব। কেনানা পিসির বিভিন্ন ধরনের কর্মকান্ডের জন্য বিভিন্ন পরিমাণ বিদ্যুৎ খরচ হয়ে থাকে। যেগুলো অনক সময় শুধু অপচয়ই মাত্র। পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে, কোন কোন ক্ষেত্রে প্রায় অর্ধেক বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা সম্ভব। তবে অপনি যদি প্রতিদিন গড়ে ৬ থেকে ৭ ঘন্টা কম্পিউটার ব্যবহার করেন, সে ক্ষেত্রে ৭৫ ভাগ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা সম্ভব।
আপনার কম্পিউটারের বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের কিছু আপডেট টিপস্ নিন্মে দেওয়া হল :
কম্পিউটার ব্যবহার করতে করতে কোনো কাজে অল্প সময়ের জন্য উঠে গেলে আমরা সাধারণত শাটডাউন না করে চলে যাই এবং মনিটরের সুরক্ষার জন্য নির্দিষ্ট সময় পর স্ক্রিন সেভার অপশন চালু করে দেই। এতে যেমন মনিটরের সমস্যার সমাধান হয় না তেমনিভাবে বিদ্যুতের অপচয় হয়ে থাকে। এ অবস্থায় স্ট্যান্ডবাই মোড ব্যবহার করে বিদ্যুৎ ও সময় দুটোই বাচানো যায়। তাই অল্প সময়ের জন্য কম্পিউটার থেকে উঠলে শাটডাউন অপশনে গিয়ে স্ট্যান্ডবাই অপশন সিলেক্ট করুন। আবার কাজে ফেরার সময় শুধু মাউস ক্লিক কিংবা কি-বোর্ডের যে কোন কি চাপলেই কাজে ফিরে যাওয়া যাবে।
উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের জন্য একটি দারুণ কাজের সুবিধা হচ্ছে হাইবারনেট অপশন। এটি একসঙ্গে আপনার কম্পিউটারে বিদ্যুৎ খরচ বাঁচাবে অপরদিকে কাজের ক্ষেত্রে ডাটা ও অন্যান্য বিষয়ে নিরাপত্তা দেবে। যেমন কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার কিংবা ই-মেইলের করেই উঠে যাচ্ছেন, সে ক্ষেত্রে হাইবারনেট অপশন অ্যাকটিভ করা থাকলে ঠিক আগের অবস্থা থেকেই কাজ শুরু করতে পারবেন। সাধারণত ল্যাপটপে এটি অ্যাকটিভ করা থাকলেও ডেস্কটপ ব্যবহারকারীরা এ সম্পর্কে জানে না বললেই চলে। উইন্ডোজ এক্সপি ব্যবহারকারীরা খুব সহজেই হাইবারনেট অপশন চালু করতে পারেন। এ জন্য প্রথমে কন্ট্রোল প্যানেল হয়ে পাওয়ার অপশনে গিয়ে সেখানে হাইবারনেট অপশন এ্যানাবল করে দিলেই এটি এ্যাকটিভ হয়ে যাবে। পরবর্তী সময় পিসিকে হাইবারনেট করতে হলে শাটডাউন মেন্যু আসলে কি-বোর্ডের শিফট কী চাপলে স্ট্যান্ডবাই অপশন হাইবারনেট অপশনে বদলে যাবে। তাতে ক্লিক করলেই করলেই পিসি হাইবারনেট অপশনে চলে যাবে। উল্লেখ্য হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পিসি হাইবারনেটে চলে যাবে।
মনিটর ব্যবহারের ক্ষেত্রে সচেতন হোন। কেনানা সিআরটি মনিটর এলসিডি মনিটর থেকে প্রায় দ্বিগুন বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে। তবে মডেলভেদে বিভিন্ন মনিটরের পাওয়ার কমবেশি প্রয়োজন হয়। তাই মনিটর ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ খরচের বিষয়টি জেনে নিন। বিশেষ ক্ষেত্রে সম্ভব হলে এলসিডি ডিসপ্লে ব্যবহার করুন।
কম্পিউটারে বিদ্যুৎ খরচ বাঁচাতে পাওয়ার সেটিং পরিবর্তন করে নিতে পারেন। যেমন, কম্পিউটারে কি পরিমাণ বিদ্যুৎ খরচ করবে কিংবা কতক্ষণ কাজ না করলে মনিটর, হার্ডডিস্ক বন্ধ হয়ে যাবে এই বিষয়গুলো নির্ধারণ করে দিন।
কম্পিউটারের প্রত্যেকটি যন্ত্রাংশ আলাদা বিদ্যুৎ খরচ করে থাকে। যেমন একটি স্ট্যান্ডার্ড প্রিন্টার কিংবা ফ্যাক্স মেশিন কাজ করার সময় ৩০০ ওয়াট বিদ্যুৎ খরচ করে, যখন স্ট্যান্ডবাই থাকে তখন ৮৫ ওয়াট এবং আইডল থাকে তখন ১০ ওয়াট বিদ্যুৎ খরচ করে থাকে।
একইভাবে স্ক্যানারও আলাদা বিদ্যুৎ খরচ করে। তাই যখন কম্পিউটার বন্ধ করে দিচ্ছেন তখন খেয়াল রাখবেন এগুলো যেন ঠিকভাবে বন্ধ করা হয়। না হলে অযথা বিদ্যুৎ ব্যবহার হতেই থাকবে। এছাড়া যদি প্রয়োজন না থাকে তবে এসব ডিভাইস বন্ধ করে রাখতে পারেন।
কম্পিউটারের নেটওয়ার্কের জন্য মডেম ব্যবহার করা হলে দরকার না হলে নেটওয়ার্ক সুইচ ও মডেমের পাওয়ার বন্ধ রাখুন। এতে কম্পিউটারের নিরাপত্তার বিষয়টি যেমন নিশ্চিত হবে তেমনি পাওয়ার অ্যাফিসিয়েনসিও বৃদ্ধি পাবে।
অনেক সময় বেশি পরিমাণ ডাটা সংরক্ষণের জন্য একাধিক হার্ডডিস্ক ব্যবহারের প্রয়োজন হয়ে থাকে। হার্ডডিস্ক পিসিতে যথেষ্ট বিদ্যুৎ খরচ করে। তাই পিসিতে কম স্টোরেজের একাধিক হার্ডডিস্ক লাগানোর চেয়ে বেশি গিগাবাইটের একটা হার্ডডিস্ক ব্যবহার করুন। আর ডাটা স্টোরের ক্ষেত্রে সিডি কিংবা ডিভিডি ব্যবহারের পাশাপাশি বেশি আয়তনের ফ্লাশ ড্রাইভ ব্যবহার করতে পারেন। কেনানা ফ্লাশ ড্রাইভ তুলনামূলক কম বিদ্যুতে চলে।
অনেক সময় দেখা যায় পিসিতে শুধুমাত্র অডিও গান শুনছি কিন্তু পুরো সিস্টেম চলছে। সেক্ষেত্রে মনিটর এর পাওয়ার বাটন চেপে মনিটর অফ করলে অনেকখানি বিদ্যুৎ খরচ কম হয়। তেমনিভাবে আপনি যখন সাউন্ড রিলেটেড কোন কাজ করছেন না তখন পিসির স্পিকারটি পাওয়ার অফ করে দিন।
সাধারণভাবে মনে হতে পারে, এসব করে কতটুকুই বা বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা যাবে। আপনি যদি অনেক বেশি কম্পিউটার ব্যবহার করেন সেক্ষেত্রে এ ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে আপনি অনেকখানি বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে পারবেন।
যেমন ধরুন; আপনি প্রতিদিন গড়ে ৭-৮ ঘন্টা কম্পিউটার ব্যবহার করেন। সে ক্ষেত্রে প্রতিদিন যদি ১০০-২০০ ওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়, সেটিও বা কম কি !
উপরের বিষয়গুলো মেনে চললে খুব বেশি সমস্যা হবে না শুধু একটু অভ্যাসের পরিবর্তন করতে হবে মাত্র। (আল্লাহ হাফেজ)
২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:২০
এস.কে.ফয়সাল আলম বলেছেন: WELCOME
২|
২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৩০
অনাহুত আগন্তুক বলেছেন:
উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের জন্য একটি দারুণ কাজের সুবিধা হচ্ছে হাইবারনেট অপশন।
যদি আপনি লিনাক্স ব্যবহারকারী হন আমার মনে হয় সাসপেন্ড করে ফেলাটা অনেক ভালো - উইন্ডোজ এর হাইবারনেট বাতাসে মাউস নড়লেই শেষ হয়ে যায় - কম্পিউটার চালু হয়ে যায় - লিনাক্সে সাসপেন্ড সরানোর জন্য পাওয়ার বাটনে চাপ দেয়া লাগে! ![]()
লেখাটা লেখার জন্য ধন্যবাদ! ![]()
২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৩৮
এস.কে.ফয়সাল আলম বলেছেন: ঠিকই বলেছেন।
আপনাকেও ধন্যবাদ।
৩|
২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:১৪
শম্পা শাহরিয়ার বলেছেন: আরেকটা পদ্ধতি আছে যেটা আমি করি তা হল
"display properties " এ গিয়ে "screensaver " -> "power " ->"turn of monitor" -> "after 2 /3 minutes"
এটা করলে পিসির মনিটর এর পাওয়ার অটমেটিক অফ হয়ে যায় কোন কাজ না করলে আর মাউন ক্লিক করলে বা কোন কি প্রেস করলে মনিটর আবার অন হয়ে যায়।
এটা সবসময় এর জন্যই করে রাখা যায়।
আর হাইবার নেট তো আরও জটিল(boss) জিনিস ![]()
৪|
২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:১৩
এস.কে.ফয়সাল আলম বলেছেন: রাস্তা অনেক, যার যেটা ভাল লাগে।
ধন্যবাদ।
৫|
২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৩
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: জনগুরুত্বপূর্ণ পোস্ট
২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:০৩
এস.কে.ফয়সাল আলম বলেছেন: ধন্যবাদ।
৬|
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:০৩
সাইফ সামির বলেছেন:
গুড পোস্ট।
আরেকটা বিষয়, ল্যাপটপের মনিটর ব্রাইটনেস একদম কমিয়ে রাখা যায়।
৭|
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:০৭
সাইফ সামির বলেছেন:
ও হ্যাঁ, আপনি এই গ্রুপ ব্লগের সদস্য হলে ভালো হয়... Click This Link
©somewhere in net ltd.
১|
২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:১৮
ফালতু মিয়া বলেছেন: Thank You!