নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বিজলীর খড়ি

নতুন পানিতে শপথ এবার হে মাঝি সিন্দাবাদ

বিজলীর খড়ি

বিজলীর খড়ি › বিস্তারিত পোস্টঃ

ইসলামি দাওয়াত ও আন্দোলন ও তৎকিনিচৎ কথা

১৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ রাত ১০:৩৫

কথা দিয়ে কাজ নাকি কাজ দিয়ে কথা? একজন ব্লগারের মন্তব্য : 'আমাদের ইসলামের প্রচারের চেয়ে অণুসরনের বেশী প্রয়োজন' এর পরে আমার কিছু কথা বলার আছে।

পৃথিবীতে আমরা রঙ্গ দেখতে বা রঙ ছিটাতে আসিনি। চলতে থাকা বেগবান স্রোতে গা ভাসিয়ে দেয়া কোন বাহবা পাওয়ার কাজ নয়, তা একজন কাপুরুষও বোঝে। তাই পৃথিবীতে প্রায় 60 বছর আয়ু পাওয়ার বিনিময়ে আমাদের উচিত আল্লাহর প্রতি অন্তত কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্য হলেও তার কথাগুলো মান্য করা, অর্থাৎ ইসলাম ধর্ম পালন করা।



এবারে মূল প্রসঙ্গ, ইসলামের দাওয়াত দেয়ার ব্যাপার। বিষয়টি সেনসিটিভ, কারন এর মধ্যে সামাজিক-রাজনৈতিক ব্যাপারও এসে যায়। প্রকৃতপ েইসলাম অনুসরনের মধ্যেই এর প্রচার তথা আন্দোলনের বিষয়টি চলে আসে।



এক টুকরা আগুন যেমন কিছুটা হলেও চারপাশ পোড়ায়, আলোকিত করে তোলে, তেমনি মু'মিন ব্যক্তির উপসথিতি পাচ-দশ জনকে আন্দোলিত করে।

একজন মু'মিন সচেতন ব্যক্তি হয়ে কি করে ইসলামি আন্দোলন থেকে নিস্ক্রিয় থাকতে পারে? তার চোখের সামনে যদি শয়তানি নেতৃত্বের আস্ফালন চলে, কুসংস্কৃতির উন্মাদনা প্রতিষ্ঠিত হয়, আর জালিমের অত্যাচার বহাল থাকে তবে সে নিশ্চয় সমাজ পরিবর্তনের আন্দোলনে যোগ দেবে।

আরেকটি বিষয় হচ্ছে, কুরআনে বলা আছে, 'সিবগাতাল্লাহা ওয়া মান আহ সানু মাল্লা সিবগাতা' অর্থাৎ 'আল্লাহর রঙে রঙ্গিন হও। আল্লাহর রঙের চেয়ে উত্তম আর কিছু আছে কি?' মু'মিনের কর্তব্য হচ্ছে এমনভাবে ইসলাম পালন করা যেন তা রঙের মতোই উজ্জলভাবে বোঝা যায়।

'ওয়ামান আহসানু কাওলাম্মিম্মান দা'আ ইলাল্লাহি......' তার চেয়ে আর কে উত্তম হতে পারে যে মানুষকে আল্লাহর দিকে ডাকে। ইসলামের দাওয়াত দেয়া তাই মু'মিনের কর্তব্য যা সামগ্রিক ইসলামি আন্দোলনের প্রাথমিক কর্তব্যও বটে।

ইসলামের অনুসরন ও দাওয়াত এ দুটোর মধ্যে তাই প্র্যাকটিকাল কোন পার্থক্য নেই।

মন্তব্য ১২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৬ ভোর ৪:৪২

অতিথি বলেছেন: আরও চমৎকার কিছু কথা আছে কোরআন এবং হাদীসের, যেগুলো বুঝিয়ে দেয়, ইসলামের সৌন্দর্য অন্যদের দেখানের চেষ্টা করাটাও ভীষণ রকমের দায়িত্ব।

"Thus We have charged you to be a community of the middle way, so that you may bear witness (to the Truth) before all mankind and the Messenger may bear witness (to it) before you" (al-Baqarah 2: 143)

"O believers, be ever steadfast in standing up, for the sake of God, bearing witness to justice" (al-Ma'idah 5: 8)

"And who is a greater wrong-doer than he who suppresses a witness entrusted to him by God" (al-Baqarah 2: 140)


Hadith:
'Abdullah Bin 'Amr narrated that the Prophet (s.a.w.) said, "Convey (my teachings) to the people even if it were a single

২| ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৬ ভোর ৪:৫৯

অতিথি বলেছেন: একমত... তবে সেজন্য প্রয়োজন এখন যারা মুসলিম তাদের ভেতরে ইসলামের মূল বাণী প্রতিষ্ঠা করা। আর সেজন্যই দাওয়াতের চাইতে প্রায়োরিটি পাওয়া উচিত আমাদের সমাজ (মুসলিম সমাজ) প্রতিষ্ঠা করা। আমরা যারা মুসলিম আছি আমাদের নিজেদের ঈমানকে শক্ত করার জন্য বেশী প্রচারনা দরকার।

ইসলাম এতই সুন্দর একটি জীবন ব্যাবস্থা যা পরিপূর্ন ভাবে কোন সমাজ পালন করলে সেটি নি:সন্দেহে পৃথিবীর মানুষদের চোখে পড়বে মডেল হিসেবে। পৃথিবীতে কি এখন একটি এলাকাও দেখানো যাবে যেখানের অন্তত 90 ভাগ লোক খাঁটি মুসলমান? নামে মুসলমান দিয়ে পৃথিবী ভরপুর করে ফেলার কোন অর্থ নেই।

সম্ভবত ভাল করে বুঝাতে পারলাম না। পরে আরো সুন্দর করে উপস্থাপনের চেষ্টা করব ইনশাল্লাহ।

ভাল থাকুন।

৩| ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:৪২

বিজলীর খড়ি বলেছেন: ত্রিভুজের মন্তব্য দারুন হয়েছে, মনে হয় আমার মূল লেখার চেয়েও। আস্তমেয়ের কোরআন উদৃত আয়াতগুলোর ইংরেজি অনুবাদ চমৎকার, ওয়েবে পাওয়া যায়?

আপনাদের দুজনকেই আমার লিংকে এ্যড করলাম। পরে অনুমতি নিয়ে নেব!!!

৪| ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:০৫

অতিথি বলেছেন: পোস্টের উদ্দেশ্য ভালো মনে হচ্ছে। ইসলামী দাওয়াতের দরকার আছে। কিন্তু সমস্যা হলো পরিবেশ-পরিস্থিতি বুঝে সেটা করতে হবে। ইউনিভার্সিটি লাইফে পরীক্ষার মৌসুমে দাওয়াত কারীদের গাস্তের অ্যাকটিভিটি বেড়ে যেত। ওরা নামাজ পড়ার ওপর জোর না দিয়ে বলতো বাদ আসর মসজিদে বয়ান শুনতে। সপ্তাহের কোনো এক বারে (ভুলে গেছি কি বার) কাকরাইলের মসজিদে যাওয়ার কথা। বলতাম সময় পাচ্ছি না ভাই। কে শোনে কার কথা! তারপরে চলতো পরীক্ষার পরে দাওয়াতে বেরোনো 40 দিন না হোক, এক সপ্তাহ না হোক, অন্তত 3 দিনের জন্য যেন বেরোই। আমাকে চলতে হতো টিউশনির টাকা দিয়ে। নিজের খরচ, সাথে পরিবারের খরচের কথাও চিন্তা করতে হতো। ভালো রেজালট করার চাপে পরীক্ষার সময়টা টিউশনি থেকে ছুটি নিতাম। তাই পরীক্ষার পরে সেটা পুষিয়ে দিতে হতো। দেশের বাড়িতেও যাওয়ার দরকার হতো। ওদের যুক্তি ছিলো, যেভাবে হোক, ম্যানেজ করা যাবে 3 দিন। যুক্তি ভালো, কিন্তু ভুক্তভোগী মাত্রেই জানে কত খোঁড়া যুক্তি এটা। আমি কথা শুনে যেতাম ধৈর্য ধরে। আর খুব অবাক হয়ে ভাবতাম, আমাকে দলে টানার কেন এই প্রচেষ্টা। যেন আমার ঈমান নয়, উনাদের দল ভারী করাটাই মূখ্য। এমনটা অনুভূতি হয়েছে আমার, উনাদের উদ্দেশ্য যত ভালো আর মন্দ হোক না কেন। সো, দাওয়াতের প্রক্রিয়াতে কোথাও অবশ্যই গন্ডগোল আছে।

রঙের উজ্জ্বলতার দিকে নজর একটু রয়েসয়ে দেওয়া উচিত। নাহলে বাইরের রঙ টাই থাকবে, ভিতরের সবকিছু wrong হয়ে যাবে।

৫| ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৩১

অতিথি বলেছেন: ইসলামী দাওয়াত দেয়া প্রয়োজন এবং আন্দোলনটাও প্রয়োজন এটা আমরা জানি। তবে প্রশ্নটা সামনে আসে যখন কথা হয় এর পদ্ধতি নিয়ে। জামাত-শিবির যে আন্দোলন করে তাকে কোনভাবেই ইসলামী আন্দোলন বলা যায় না। আর মাসে মাসে মারের ভয় দেখিয়ে ইংানতের নামে চাঁদাবাজিকেও তেমনিভাকে দাওয়াত বলা যায় না। আর তাবলিগের কথা তো চোর বলেছেনই।

৬| ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:০১

অতিথি বলেছেন: ঠিকই আছে উজ্জ্বলের কথাটা। আমি এর সাথেও একমত, শিবির, তাবলীগ সবার পদ্ধতিতেও ভুল ধরা যাবে অসংখ্য। তবে কি, কাজগুলো করছে সাধারণ মানুষই, নবী রাসুল না। পদ্ধতিগত ভুল থাকবেই। আমার একটা ব্যপারই বিরক্ত লাগে, যখন আমি কেবল সমালোচনা শুনি, কিন্তু সমাধানের বাস্তবসম্মত উপায় শুনি না। যারা মাছি তাড়িয়ে দেয়ার মত হাত নাড়িয়ে সমালোচনা করেন, তাদের মাথায় অবশ্যই সমাধান আছে, ধরে নিচ্ছি। প্রশ্ন হলো, তারা কেন এগিয়ে আসছেন না সে সব পন্থায়? এ কি আসলেই ভুল ধরার জন্য সমালোচনা, নাকি কাজ আর দায়বদ্ধতা থেকে পালানোর জন্য অজুহাত?

৭| ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:৫০

অতিথি বলেছেন: সমাধান থাকবে না কেনো? সমাধান সহজ কথায় 'শিক্ষা'। এবং সে শিক্ষা কোনো নামে স্কলারের তাফসীর পড়া শিক্ষা না। আগে কুরআন পড়ে বুঝা, নিজের মধ্যে জিনিসগুলা আয়ত্ব করা, তারপর কুরআন অনুসারে দাওয়াত দেওয়া।

কাকরাইলে গিয়ে বয়ান শুনে বা মৌদিদির দুইখান কেতাব পড়ে যে জোশ আসে, সেই জোশ ইসলামের নামে পাবলিকের কাছে ফলাতে গিয়েই যত গন্ডগোল।

৮| ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ২:০৩

অতিথি বলেছেন: একমত। কিন্তু শিক্ষার তো ক্ষেত্র দরকার। প্রতিষ্ঠান দরকার। রসূলও কোরআন নাজিল হওয়ার পরে সেটা লিখিত কমপ্লিটেড অবস্থায় মানুষের হাতে ধরিয়ে দিতে পারতেন, তিনি তা করেন নি। আমাদের সময়ে কি সেই প্রতিষ্ঠানটা আছে? না এই জোশটা/অনুপ্রেরণা না থাকলে আরও বিপুল সংখ্যক মানুষ নিজেস্ব উদ্যেগে পড়তো? এই জোশ/অনুপ্রেরণার স্পর্শ পায় নি, এরকম কয় জন মানুষ আসলে কোরআন পড়ে বিশাল শিক্ষিত? সংখ্যাটা কি প্র্যাক্টিক্যালি খুব বড়?

৯| ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ২:০৪

অতিথি বলেছেন: আসলে রোল মডেল পাই না, যে অমনটা করে। মওদূদীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়, তার প্রাতিষ্ঠানিক ইসলামিক শিক্ষা ছিল না, নিজে নিজে পড়েছেন। আর কোন রোল মডেল পাই না, এই একটা খুব কম অনুপ্রেরণা দেয় না সত্যিই!

১০| ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ২:৫৭

অতিথি বলেছেন: যারা কুরআন পড়ে শিক্ষিত, শুধুমাত্র তাদের উচিত দাওয়াত দেওয়া। অশিক্ষিত/অর্ধশিক্ষিত পাবলিকদের প্রচারের জন্য উলটো ফল হয়। এদের জন্য আরো অশিক্ষিত/অর্ধশিক্ষিত জন্ম নেয়। আমার ধারণা, এই অতিজোশ (এইডারে অনুপ্রেরণা কয় নাকি?) না থাকলে মানুষ আরো বেশি আগ্রহী হতো। এক কোটি নির্বোধের চাইতে একজন বুদ্ধিমান মানুষ বেশি ইফেক্টিভ। নির্বোধেরা ইসলামের প্রতি মানুষের নেগেটিভ অ্যাপ্রোচ জন্মাতে পজিটিভ ক্যাটালিস্ট হিসেবে কাজ করে।

শিক্ষার প্রতিষ্ঠান অবশ্যই আছে। কিন্তু প্রতিষ্ঠানগুলো ভরে গেছে এইসব ব্যাঙাচিতে। যারা ইসলামী শাসনের কথা বলে, ওদের হাতে এটাকে পুরোপুরি তুলে দিলে এইসব অপরিপকক ব্যাঙাচির সংখ্যা আরো বাড়বে বলেই মনে হয়। গোড়াতেই গলদ থাকলে তার আউটপুট ভালো হওয়ার কথা না।

রোল মডেলের কি দরকার বুঝি না। আল্লাহর কুরআন আছে কি করতে? মওদুদিটাইপ লোকজন তো এমনকি নবী-রাসূলও না, যে তাদেরকে আদর্শ হিসেবে ধরে ইসলামকে জানতে হবে। নাকি ভুল বললাম?

১১| ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৬ রাত ৩:৫৬

বিজলীর খড়ি বলেছেন: পরীক্ষার দুই ঘন্টা আগে কেই যদি মসজিদে বয়ান শোনার জন্য আবদার করে, তবে তাতে রাজি হতে পারা যায় শুধু অনুরোধে ঢেকি গিলেই। আর এয়ানত তোলা বা চিল্ললায় যাওয়া তা ওই সংগঠনগুলোর রাজনৈতিক নিয়্যতের সাথে সম্পর্কিত, আর আমি সেটাই বলছিলাম যে দাওয়াত ইসলামি আন্দোলনের একটা পার্ট। আস্তমেয়ে উদ্্বৃত আয়াতগুলো পুনদৃষ্টব্য।

চোরকে বলছি, ইসলামে কিন্তু' হুজুর' শ্রেনী বলে কোন শ্রেনী নেই, যেমন বাংলাদেশে আছে । তাই দাওয়াত যে কেঊ দিতে পারে, এই যেমন আমি দিচ্ছি, শুধু হুজুররা এর sole agent নয়।

১২| ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ রাত ৮:২৭

জারীর বলেছেন: Assalamu Alaikum

hmm....
Onek discussion dekha jachhe...
amar ekta kotha ase, she ta holo - shobai jodi nije nijei Qur'an pore buzte parto tahole Allah kono Nabi ke pathaten na teacher hishebe...

may Allah bless us all. Ma'assalam.

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.