নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

এনায়েত-২

এনায়েত-২ › বিস্তারিত পোস্টঃ

অপরাধ দমনে সিসি ক্যামরোর আওতায় আসছে রাজধানী

০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৩ সকাল ৯:৩২

আব্দুল লতিফ রানা, যমুনা নিউজ : বেপরোয়া হয়ে উঠেছে দাগী সন্ত্রাসী গ্রুপ গুলো। চিহ্নিত গডফাদার ও সন্ত্রাসীরা আদালত থেকে জামিন পাওয়ায় অনেকেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।



নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পাল্লা দিয়ে বাড়ছে খুন-ছিনতাইয়ের ঘটনা। ছিনতাই প্রতিরোধে নগরীর ৪৯ থানা এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হচ্ছে।



আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে দেশব্যাপী চরম অস্বস্থি বিরাজ করছে। শুধু সাধারণ মানুষই নয়, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরাও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ক্রমাবনতিতে উদ্বিগ্ন।



আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে কারাগার থেকে সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে ছিনতাই ও চাঁদাবাজিতে নেমেছে। এছাড়া, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে চরমপন্থী সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্যের কাছে সাধারণ মানুষ অসহায় হয়ে পড়েছে।



আবার দেশের পাহাড় অঞ্চলে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে অপহরণ, মুক্তিপণসহ চাঁদাবাজির ঘটনা। আবার দেশের বিভিন্ন এলাকায় নারী নির্যাতনের ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। নববধূকে অস্ত্রের মুখে অপহরণের ঘটনা ভাবিয়ে তুলেছে সাধারণ মহলকে।



আবার টেন্ডার নিয়ে সরকার সমর্থকদের অভ্যন্তরীন কোন্দলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঘটছে সহিংস ঘটনা। ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে দাবি করলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন বলে অনেকেই মন্তব্য করেছেন।



এছাড়া সারাদেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ বাণিজ্য নিয়েও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে।



রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নিরব ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করলেও ফাঁক-ফোকর দিয়েই অসংখ্য ছিনতাইয়ের ঘটনা।



রাজধানীর গুলশান বনানী ধানমন্ডিসহ অভিজাত এলাকাগুলোতে ইতোমধ্যে ছিনতাইকারীদের প্রতিরোধ ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার আওতায় আনার চেষ্টা করছেন।



অভিজাত এলাকায়গুলোতে বিশেষ করে প্রাইভেটকার ও মোটর সাইকেল যোগে ছিনতাই করা হচ্ছে। আবার মোটর সাইকেল ও প্রাইভেটকারও অস্ত্রের মুখে ছিনতাই করা হচ্ছে। এসব ছিনতাইকারীদের অধিকাংশই মাদক সেবনকারী ও ব্যবসায়ী।



ছিনতাইয়ের সাথে পাল্লা দিয়ে চাঁদাবাজিরাও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। আর চাঁদাবাজদের হাতেও অনেক ব্যক্তি মারাও যাচ্ছেন।



সম্প্রতি শীর্ষ সন্ত্রাসীদের পাশাপাশি পাড়া-মহল্লার উঠতি বয়সী মাস্তানরাও চাঁদাবাজিতে নেমেছে। আর এসব সন্ত্রাসীরা শীর্ষ সন্ত্রাসীদের নামেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি শুরু করেছে।



সম্প্রতি বেশ কয়েকটি চাঁদাবাজির ঘটনায় গ্রেফতারকৃত পুলিশ ও র‌্যাবের কাছে স্বীকার করেছেন, তাদের কথিত গুরুরা ভারতে বসে চাঁদা আদায়ের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। তাদের নির্দেশ পেয়েই তারা চাঁদা আদায় করে ভারতে টাকা পাঠিয়ে দেয়।



ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে রাজধানীর ধানমণ্ডি এলাকায় এলাকায় কোজ সার্কিট ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।





ধানমণ্ডি থানার ওসি শেখ মো. আবু সালেহ মাসুদ করিম যমুনা নিউজকে জানান, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে এলাকায় কোজ সার্কিক ক্যামেরা স্থাপন করা ছিল। কিন্ত তা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তা পুনরায় মেরামত করা হচ্ছে।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.