নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বাস্তবতা নিয়ে কথা বলতে চাই।

সৈয়দ মশিউর রহমান

লিখতে চাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে। রাজনীতি,সাংস্কৃতিক বা ধর্মের ব্যাপারে মতামতের ভিন্নতা থাকা সত্বেও মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রে আক্রমনাত্বক বা উষ্কানীমূলক কিছু না লিখে সকলের সহনশীলতার পরিচয়ই লেখার উৎকর্ষ সাধনের একমাত্র হাতিয়ার। যদিও লেখার হাত পাকা না। বাংলা মাতৃভাষা হলেও বানানে হয় অনেক ভুল। তার পরেও চেষ্টা করছি কিছু লেখার। সত্য বলার মতো সাহসী লোকের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। এখন দেখি সবাই দু'ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়েছে। কেউ আওয়ামী লীগ কেউবা বিএনপি। সঙ্গত কারণেই লেখা হয়ে উঠে আওয়ামী পন্থী অথবা বিএনপি পন্থী। পন্থী নিয়ে লিখতে লিখতে আমরা মূল স্রোতধারা থেকে ছিটকে পড়ছি। কি লিখছি বোঝাই দায়। মনে হয় কোন দলকে গালি দিচ্ছি।

সৈয়দ মশিউর রহমান › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিদ্যুৎ-সংকট এবং ‘দায়মুক্তি’ আইন।

২০ শে জুলাই, ২০২২ সকাল ১১:১২


২০১০ সালে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিসংকট মোকাবিলার কথা বলে দুই বছরের জন্য আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছিল। সেটা ছিল টানা তিন মেয়াদে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রথম আমল। এরপর চার দফায় এই আইনের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। ২০১২ সালে ২ বছর, ২০১৪ সালে ৪ বছর, ২০১৮ সালে ৩ বছর এবং সর্বশেষ ২০২১ সালে ৫ বছরের জন্য আইনটির মেয়াদ বাড়ানো হয়। এর ফলে ২০২৬ সাল পর্যন্ত আইনটি কার্যকর থাকার কথা।

‘আদালত, ইত্যাদির এখতিয়ার রহিতকরণ’ উপশিরোনামে আইনটির ৯ ধারায় বলা হয়েছে, ‘এই আইনের অধীন কৃত বা কৃত বলিয়া বিবেচিত কোনো কার্য, গৃহীত কোনো ব্যবস্থা, প্রদত্ত কোনো আদেশ বা নির্দেশের বৈধতা সম্পর্কে কোনো আদালতের নিকট প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।’ ‘সরল বিশ্বাসে কৃত কাজকর্ম রক্ষণ’ উপশিরোনামে ১০ ধারায় বলা হয়েছে, ‘এই আইন বা তদধীন প্রণীত বিধি, সাধারণ বা বিশেষ আদেশের অধীন দায়িত্ব পালনকালে সরল বিশ্বাসে কৃত বা কৃত বলিয়া বিবেচিত কোনো কার্যেও জন্য কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে দেওয়ানি বা ফৌজদারি মামলা বা অন্য কোনো প্রকার আইনগত কার্যধারা গ্রহণ করা যাইবে না।’ ‘এই আইনের অধীন গৃহীত কাজের হেফাজত’ উপশিরোনামে ১৪ ধারায় বলা হয়েছে, ‘এই আইনের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও, এই আইনের অধীন কৃত কাজকর্ম বা গৃহীত ব্যবস্থা এমনভাবে অব্যাহত থাকিবে ও পরিচালিত হইবে যেন এই আইনের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়নি।’

এ আইন থেকে স্পষ্ট যে বিদ্যুতের জন্য জ্বালানি আমদানি অথবা বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন অথবা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে অন্য কোনো কার্যক্রম, গৃহীত কোনো ব্যবস্থা, আদেশ বা নির্দেশের বৈধতা সম্পর্কে কোনো আদালতের কাছে প্রশ্ন উপস্থাপন করা যাবে না। অভিযোগ রয়েছে, এ আইনের আওতায় বিনা দরপত্রে ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎ ক্রয়, দফায় দফায় অতিরিক্ত মূল্যে চুক্তি নবায়ন, অতি উচ্চমূল্যের এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) আমদানি, বিনা দরপত্রে গ্যাস-বিদ্যুতের সঞ্চালন ও বিতরণ, অবকাঠামো নির্মাণ করার সুযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু এ আইন অনুসারে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিসংক্রান্ত কেনাকাটার সঙ্গে যুক্ত সরকারি কর্মকর্তাদের বিচারের আওতায় আনা যাবে না। এসব বৈশিষ্ট্যের কারণে এ আইনকে অনেকে যুক্তিসংগতভাবেই ‘দায়মুক্তি’ আইন বলে অভিহিত করেন।

আলোচিত এই অধ্যাদেশ ও আইন থেকে এটা বোঝা যায়, দায়মুক্তি কোনো সাধারণ বা নিরীহ বিষয় নয়। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা দেখেছি, বড় ধরনের কোনো অপরাধকে ধামাচাপা দিতে এবং এর জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিচারের মুখোমুখি না করার কৌশল হিসেবেই দায়মুক্তি অধ্যাদেশ ও আইন ব্যবহৃত হয়েছে।


বিস্তারিত : এখানে

মন্তব্য ২২ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (২২) মন্তব্য লিখুন

১| ২০ শে জুলাই, ২০২২ সকাল ১১:১৯

জুল ভার্ন বলেছেন: সকল অপকর্মকে বৈধতার নামই দায়মুক্তি!

২০ শে জুলাই, ২০২২ সকাল ১১:২৬

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: দায়মুক্তি আইন কি চিরকালই দায়মুক্তি দিয়ে যাবে?

২| ২০ শে জুলাই, ২০২২ সকাল ১১:২৩

আলমগীর সরকার লিটন বলেছেন: এভাবেই মুক্ত হয়ে যাবে সব
তারপর একদিন গলাশুকে যাবে না
বসন্ত ফুলের গন্ধ ছড়াবে না------------------

২০ শে জুলাই, ২০২২ সকাল ১১:২৬

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: বাহ! কবিতার ভাষায় মন্তব্য।

৩| ২০ শে জুলাই, ২০২২ সকাল ১১:৪৫

খাঁজা বাবা বলেছেন: মগের মুল্লুক শেষ
ইহা বালের মুল্লুক

২০ শে জুলাই, ২০২২ সকাল ১১:৫৪

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৪| ২০ শে জুলাই, ২০২২ দুপুর ১২:১৯

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন:
সময়ের সাথে সাথে নতুন নতুন কৌশলি আইন তৈরির দক্ষতা ও যোগ্যতা অর্জন করছে আমাদের সরকার গুলি ।

২০ শে জুলাই, ২০২২ দুপুর ১২:৩২

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: সময়ের পরিক্রমায় দায়মুক্তি আইন তাদের সুরক্ষা দিতে পারবে কি?

৫| ২০ শে জুলাই, ২০২২ দুপুর ১২:২৮

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: যখনই দায়মুক্তি আইন করেছে তখনই বোঝা গেছে কিছু উল্টাপাল্টা আছে। দায়মুক্তি আইনে কি তাদের দায় মুক্তি হবে?

২০ শে জুলাই, ২০২২ দুপুর ১২:৩৪

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবার হত্যার পর ইনডেমনিটি অরডিন্যান্স জারি করা হয়েছিল। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর জাতীয় সংসদ সেটি বাতিল করে।

৬| ২০ শে জুলাই, ২০২২ দুপুর ১২:৪০

শূন্য সারমর্ম বলেছেন:


বিপ্লব দরকার।

২০ শে জুলাই, ২০২২ দুপুর ১:০২

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: অকারণে টাকাগুলো নষ্ট না করলে দেশ আরো এগিয়ে যেত।

৭| ২০ শে জুলাই, ২০২২ দুপুর ১২:৪৫

অনন্য দায়িত্বশীল আমি বলেছেন: দায়মুক্তি আইন তারা ভেঙ্গে দিয়েছে এই দায়মুক্তি আইনও তো অন্যকেউ ভেঙ্গে দিতে পারে; এটা তাদের বোঝা উচিত।

২০ শে জুলাই, ২০২২ দুপুর ১:০৩

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: একদম ঠিক বলেছেন।

৮| ২০ শে জুলাই, ২০২২ বিকাল ৩:১১

অরণি বলেছেন: দায়মুক্তি আইনে কেউ কি রক্ষা পেয়েছে? যদি না পেয়ে থাকে তাহলে এরাও পাবেনা।

২১ শে জুলাই, ২০২২ সকাল ৯:২২

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: অবশ্যই।

৯| ২০ শে জুলাই, ২০২২ বিকাল ৩:৪৯

ভার্চুয়াল তাসনিম বলেছেন: দেশে দুটি কয়লা ও একটি এলএনজিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য জমি কেনার ক্ষেত্রে ৩৯০ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে।

টিআইবির গবেষণা প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আলোচ্য তিনটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে জমি ক্রয়-অধিগ্রহণ-ক্ষতিপূরণ-এই তিন ক্ষেত্রে দুর্নীতি হয়েছে এবং দুর্নীতিলব্ধ টাকা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ভূমি অধিগ্রহণ শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারী, এনজিওকর্মী ও বিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একাংশের মধ্যে ভাগাভাগি হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ দিতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হয়েছে চট্টগ্রামের বাঁশখালী কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রে।

এ প্রকল্পে দুর্নীতি হয়েছে ২৫৫ কোটি টাকার।

২১ শে জুলাই, ২০২২ সকাল ৯:২৫

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: জমি অধিগ্রহনে সবখানেই দুর্নীতি হচ্ছে। ৮/১০ গুণ বেশিদামে জমি কেনা হচ্ছে।

১০| ২০ শে জুলাই, ২০২২ বিকাল ৫:০৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: সৈয়দ মশিউর রহমান,




এমনটা না হলে লুটেপুটে খেয়ে দেশটাকে অন্ধকারে রাখবেন কিভাবে ???? :||

২১ শে জুলাই, ২০২২ সকাল ৯:৩১

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: প্রতিটি প্রকল্পের নির্ধারিত সময় ও ব্যয় কয়েক বার করে বাড়নো হয় ইই দূর্ণীতির উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

১১| ২০ শে জুলাই, ২০২২ রাত ১১:৪৫

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:


আহমেদ জী এস ভাই,

দেশকে কেউ সেভাবে লুটেপুটে খাচ্ছে না।
দেশকে কেউ অন্ধকারে রাখেনি। এই সাময়িক সমস্যাগুলো গ্লোবাল সারা পৃথিবীব্যাপী।


সেভাবে লুটেপুটে খাওয়া হলে রাষ্ট্রের সম্পদ রাষ্ট্রের তহবিল ৫০ গুণ বৃদ্ধি পেত না।

বিগত সরকারের অবস্থা গুলো দেখেন।
দেশের রিজার্ভের ভান্ডার ক্ষমতায় আসার আগে ৩ ছিল পাঁচ বছর পর ক্ষমতা থেকে যাওয়ার সময় সেই ৩ ই রেখে গেছিল।
দুর্নীতিতে টানা ৫ বছর চ্যাম্পিয়নও ছিল

এরপর স্বাধীনতার পক্ষ সরকার এসে সেই ৩ কে ১১ তে পরিণত করে মাত্র পাঁচ বছরে। বছর এপ্রিলে সেটা পরিণত হয় ৪৮,
যেটা দুর্নীতি আগের মত দুর্নীতি লুটপাট থাকলে ৩ বা সাড়ে তিন থাকতো।

আর দেশটাকে অন্ধকারে রাখার কথা বলছেন।
এক সময় দেশে ৬৫ ভাগ গ্রামবাসী অন্ধকারে থাকতো।
আর এখন সব প্রায় শতভাগ গ্রামবাসী দারিদ্র থেকে সচ্ছল হয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে সক্ষম হয়েছে। আলোকিত থেকেছে।

সেভাবে দুর্নীতি লুটপাট হলে এসব কোনোভাবেই সম্ভব হতো না।

২১ শে জুলাই, ২০২২ সকাল ৯:৩২

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: আপনি প্রায় সবসময়ই ভুল তথ্য উপস্থাপন করেন; ইহা ঠিক না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.