নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অজানা মহাবিশ্বে ভ্রমণশীল...

রাজনীতি-মুক্ত ব্লগ

এস. এম. রায়হান

আমি লেখক নই, নই কোন কবি-সাহিত্যিক কিংবা সাংবাদিক। অবসরে কিছু লেখালেখির চেষ্টা করি মাত্র।

এস. এম. রায়হান › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিবর্তনবাদ তত্ত্ব নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা – ২

১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:২৫

বিবর্তনবাদীরা-সহ মোটামুটি সকলেই চার্লস ডারউইনের মতবাদকে “The theory of evolution” তথা “বিবর্তনবাদ তত্ত্ব” বলে অভিহিত করে থাকেন। কিন্তু এখানে স্মরণ রাখতে হবে যে, ডারউইনের প্রস্তাবিত এই তত্ত্ব কিন্তু পদার্থবিদ্যার কোনো তত্ত্বের মতো নয়। অর্থাৎ পদার্থবিদ্যার তত্ত্ব যেমন গাণিতিক মডেলের উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত, বিবর্তনবাদ তত্ত্ব মোটেও সেরকম কিছু নয়। ফলে “বিবর্তনবাদ তত্ত্ব” নামকরণ অনেকের কাছেই বিভ্রান্তিকর মনে হতে পারে। বিবর্তনবাদ তত্ত্ব আর বিজ্ঞানের কোনো তত্ত্ব যে এক নয় সেটা বুঝানোর জন্য একটি উদাহরণ দেয়া যাক:



১৯০৫ সালে প্রকাশিত এক প্রবন্ধে আইনস্টাইন প্রস্তাব করেন যে, ভর ও শক্তি পরস্পরের সমানুপাতিক। আইনস্টাইন তাঁর এই প্রস্তাবকে শুধুমাত্র কথা বা লিখার মাধ্যমেই ব্যক্ত করেননি, সেই সাথে গাণিতিক সূত্রও দাঁড় করিয়েছেন। তাঁর সেই বিখ্যাত সূত্রটি হচ্ছে, E = mc^2. এখন কেউ যদি আইনস্টাইনের প্রস্তাবিত তত্ত্বের সত্যতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন সেক্ষেত্রে এই গাণিতিক সূত্র দিয়ে পুনঃপুনঃ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে প্রমাণ দেখানো সম্ভব। এক্ষেত্রে বিশ্বাস বা কল্পনার কোনো স্থান নেই। পরীক্ষামূলক উপাত্তই কথা বলবে।



এ-রকম আরো অনেক উদাহরণ দেয়া যেতে পারে। তবে ঠিক কী বুঝাতে চাওয়া হচ্ছে তা যে কেউ বুঝতে পারবেন বলেই বিশ্বাস। অন্যদিকে বিবর্তনবাদ তত্ত্ব যেমন গাণিতিক সূত্র-ভিত্তিক কোন তত্ত্ব নয় তেমনি আবার সে-রকম কোন মডেল বা সূত্র দাঁড় করানোও অসম্ভব। অথচ বিজ্ঞানের নামে আমজনতাকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। আপেক্ষিকতা তত্ত্ব বা নিউটনের গতিসূত্র বা বিজ্ঞানের অন্য যে কোন তত্ত্বই হোক না কেনো – এগুলোর সাথে বিবর্তনবাদ তত্ত্বের কোন তুলনাই হয় না। কারণগুলো নিম্নরূপ:



- বিজ্ঞানের তত্ত্বগুলো গণিত, পদার্থবিদ্যার সূত্র, ও পুনঃ পুনঃ পরীক্ষা-নিরীক্ষা লব্ধ ফলাফলের উপর নির্ভরশীল। কেউ বিশ্বাস না করলে তাকে যে কোনো সময় গণিত-পদার্থবিদ্যার সূত্র দিয়ে বা এমনকি ল্যাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেও প্রমাণ দেখানো সম্ভব। যে সকল ক্ষেত্রে গাণিতিক মডেল নেই কিংবা দাঁড় করানো সম্ভব নয় সে সকল ক্ষেত্রেও অসংখ্যবার পর্যবেক্ষণ করে যৌক্তিক একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায়। যেমন কেউ পৃথিবীর আকার নিয়ে সংশয় প্রকাশ করলে তাকে বিভিন্ন যুক্তি ও পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে বিশ্বাস করানো সম্ভব যে পৃথিবীর আকার সত্যি সত্যি গোলকের মতো, ডিস্কের মতো সমতল নয়। এমনকি তাকে মহাশূন্যে নিয়ে যেয়ে স্বচক্ষে দেখানোও এখন অসম্ভব কোনো ব্যাপার নয়। অনুরূপভাবে, কেউ যদি গাছ থেকে ভূমিতে অ্যাপেল পড়া নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন তাহলেও তাকে অ্যাপেল গাছ তলায় বসিয়ে রেখে মিলিয়ন মিলিয়ন বার একই পরীক্ষা চালিয়ে স্বচক্ষে দেখানো সম্ভব।



- বিজ্ঞানের তত্ত্বের ক্ষেত্রে যেমন প্রতারণা বা কল্পনার কোনো কাজ-কারবার নেই তেমনি আবার কেউ তার প্রয়োজনও মনে করেন না। কোথাও কোনো ভুল-ভ্রান্তি ধরা পড়লে বিজ্ঞানীরা নিজেরাই সেই ভুল সংশোধন করে নিতে প্রস্তুত। অতএব, এই সকল ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীদের উপর আস্থা রাখা যেতে পারে। অন্যদিকে বিবর্তনবাদ তত্ত্ব যেহেতু পরীক্ষা-নিরীক্ষা-নির্ভর কোনো তত্ত্ব নয় সেহেতু এক্ষেত্রে পুনঃ পুনঃ পরীক্ষা-নিরীক্ষার কোনো সুযোগ নেই। বিবর্তনবাদ তত্ত্বে কেউ অবিশ্বাস বা সংশয় প্রকাশ করলে তাকে পুনঃ পুনঃ পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে বিশ্বাস করানো সম্ভব নয়। যেমন আজ থেকে মিলিয়ন মিলিয়ন বছর আগে কোনো একটি প্রাণী থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি প্রাণী বিবর্তিত হয়ে থাকলেও সেটিকে পুনঃ পুনঃ পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ দেখানো অসম্ভব। কারণ এটি একটি অতীত ঘটনা এবং সেটি একবারই ঘটেছে। অনুরূপভাবে, চতুষ্পদী কোনো জন্তু থেকে ধীরে ধীরে তিমির বিবর্তন হয়েছে বলে যে দাবি করা হচ্ছে সেটিকে বারংবার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রমাণ দেখানো সম্ভব নয়, যেমন সম্ভব নয় যীশুর ক্রুসিফিকসন ও রেজারেকশনের ঘটনাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখানো। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে যীশুর ক্রুসিফিকসন ও রেজারেকশনের ক্ষেত্রে অন্তত চাক্ষুস স্বাক্ষী আছে বলে দাবি করা হলেও চতুষ্পদী কোনো প্রাণী থেকে যে ধীরে ধীরে তিমি বিবর্তিত হয়েছে তার পক্ষে যেমন কোনো চাক্ষুস স্বাক্ষী নেই তেমনি আবার এটি একটি অবিশ্বাস্য বা দৈব ঘটনার মতো শুনায়। অতএব, চতুষ্পদী কোনো প্রাণী থেকে ধীরে ধীরে তিমির বিবর্তন একটি অন্ধ বিশ্বাস। এ বিষয়ে রিচার্ড ডকিন্সের ভিডিওটা দেখা যেতে পারে। সেখানে শিশু বাচ্চাদের বিনোদনের জন্য সুন্দর করে কিছু ড্রয়িং দেখানো হয়েছে। বাচ্চাদের বিনোদনের জন্য অবশ্য ঠিক আছে। কিন্তু এগুলোকেই যখন বাচ্চাদের বাপ-চাচা-দাদু’র বয়সী লোকজন বিজ্ঞানের নামে পৃথিবীর ঘূর্ণনের মতো প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে বিশ্বাস করে তখন সত্যিই হাসি পায়! রিচার্ড ডকিন্সও হয়ত প্রাপ্তবয়স্কদের ছেলেমীপনা দেখে সরাসরি কিছু না বললেও মনে মনে হাসেন!



- আধুনিক বিজ্ঞানের সংজ্ঞা অনুযায়ী বিবর্তনবাদ তত্ত্বকে মিথ্যা প্রমাণ করা সম্ভব নয়। যেমন কেউ যদি লক্ষ লক্ষ বছর আগের কোন এক জীবাশ্ম থেকে নিজের মতো ড্রয়িং করে মানুষ ও শিম্পাঞ্জির মধ্যকার ‘মিসিং লিঙ্ক’ বলে দাবি করেন সেক্ষেত্রে তার এই দাবিকে কিন্তু খণ্ডন করা অসম্ভব। অন্যদিকে আবার যৌক্তিক দৃষ্টিকোণ থেকে তার এই দাবিকে কোনো রকম প্রমাণও বলা যাবে না। কারণ যাকে মানুষ ও শিম্পাঞ্জির মধ্যকার ‘মিসিং লিঙ্ক’ বলে দাবি করা হচ্ছে সেটি স্বতন্ত্র একটি প্রজাতির জীবাশ্মও হতে পারে। অতএব, দেখা যাচ্ছে যে লক্ষ লক্ষ বছর আগের জীবাশ্ম বা জীবাশ্মের অংশবিশেষ দিয়ে বিবর্তনবাদ তত্ত্বকে কোনো ভাবেই প্রমাণ করা সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে স্রেফ বিশ্বাস ছাড়া অন্য কোনো পথ খোলা নেই।



- বিজ্ঞানের কোনো তত্ত্বের সাথে কখনো কোনো আইডিওলজি বা দর্শন জড়িত ছিল না বা থাকে না। বিজ্ঞানীরা কখনো ক্যাম্পেন করে তাদের তত্ত্ব-নির্ভরশীল কোনো দর্শন প্রচার করেননি। অন্যদিকে বিবর্তনবাদ তত্ত্বের সাথে ওত-প্রোত ভাবেই একটি বস্তুবাদী দর্শন জড়িয়ে আছে। যদিও সমালোচনা ও প্রশ্নের সম্মুখীন হয়ে বিবর্তনবাদীরা কিছুটা পিছুটান দেয়া শুরু করেছেন তথাপি সেই বস্তুবাদী দর্শনই কিন্তু মূল। তারা চাইলেই তাদের বস্তুবাদী দর্শনকে বাদ দিয়ে স্রেফ জৈব বিবর্তনের উপর গুরুত্ব দিতে পারবেন না। ঘুরে-ফিরে তাদের দর্শন চলে আসবেই – প্রতিনিয়ত আসছে। বিবর্তনবাদী মানেই যে নাস্তিক বা বস্তুবাদী বা ধর্মে অবিশ্বাসী – সেটা তো সবাই দেখছে, যদিও এই অভিযোগ ওঠার পর দু-এক জন ভণ্ড বিবর্তনবাদীর আগমণও লক্ষ্য করা যাচ্ছে যারা নাকি একই সাথে ধর্ম ও বিবর্তনবাদ তত্ত্বে বিশ্বাস করেন। বিজ্ঞানের অন্য কোনো তত্ত্বের ক্ষেত্রে এ-রকম কিছু কখনো ঘটেনি।



উপরোল্লেখিত পয়েন্টগুলো থেকে স্পষ্টতই দেখা যাচ্ছে যে, বিবর্তনবাদ তত্ত্বের ক্ষেত্রে প্রতারণা ও কল্পনার যথেষ্ট সুযোগ রয়ে গেছে। ইতোমধ্যে তার স্বপক্ষে অনেক প্রমাণও আছে। অতএব, খুব সঙ্গত কারণেই বিবর্তনবাদ তত্ত্বকে বিবর্তনবাদীদের হাতে নিশ্চিন্তে ছেড়ে দেয়া যায় না। বিবর্তনবাদীরা এ পর্যন্ত যা করেছেন তা আসলে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির ঠিক বিপরীত। তারা প্রথমেই ধরে নিয়েছেন যে, অতি ক্ষুদ্র একটি অণুজীব থেকে "এলোমেলো পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক নির্বাচন" এর মাধ্যমে মিলিয়ন মিলিয়ন বছর ধরে সকল প্রকার প্রজাতি বিবর্তিত হয়েছে। তারপর তারা সেটা প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন। যুক্তিবিদ্যার পরিভাষায় এটিকে বৃত্তাকার যুক্তি বলে। তারা তাদের অবস্থান থেকে সহজে পিছুটান দিতেও নারাজ, যেহেতু তাদের বিশ্বাসের সাথে নাস্তিক্যবাদী দর্শন জড়িত আছে।



যাহোক, বিবর্তনবাদীদের দাবি অনুযায়ী অতি ক্ষুদ্র একটি অণুজীব থেকে "এলোমেলো পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক নির্বাচন" এর মাধ্যমে মিলিয়ন মিলিয়ন বছর ধরে মিলিয়ন মিলিয়ন ধরণের মাছ, পশু-পাখি, সরীসৃপ, কীট-পতঙ্গ, উদ্ভিদ, ও মানুষ-সহ সকল প্রকার প্রজাতি বিবর্তিত হয়েছে। এবার মাথার মধ্যে পূর্ব-প্রচারিত কোনো ময়লা-আবর্জনা থেকে থাকলে সেগুলোকে পরিষ্কার করে তাদের এই দাবি নিয়ে নিজেকে নিদেনপক্ষে তিন ধাপে প্রশ্ন করুন:



ধাপ-১: বিবর্তনবাদীদের এই দাবি নিদেনপক্ষে যৌক্তিক কি-না? একটি অণুজীব থেকে সে-রকম কিছু বাস্তবে আদৌ সম্ভব কি-না? নিরপেক্ষ মনে নিজেকে বারংবার প্রশ্ন করতে থাকুন। দেখবেন যে প্রতিবারই না-সূচক জবাব চলে আসবে। স্রেফ কল্পকাহিনীর মতই মনে হবে।



ধাপ-২: সবকিছুই যদি "এলোমেলো পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক নির্বাচন" এর ফলাফল হয় তাহলে তো চোখের সামনেই অসংখ্য প্রমাণ থাকার কথা। মিলিয়ন মিলিয়ন বছর আগে এত কিছু ঘটে থাকলে আজ ঘটবে না কেন? মোটের উপর সবকিছুই যেখানে এলোমেলো ও উদ্দেশ্যহীন! চোখের সামনে এক প্রাণী থেকে নতুন কোনো প্রাণী বিবর্তিত হচ্ছে কি-না? নিরপেক্ষ মনে আবারো নিজেকে প্রশ্ন করতে থাকুন। আশেপাশে ভাল করে তাকিয়ে দেখুন। দু-চার হাজার বছরের ইতিহাস ঘেঁটে দেখুন। দেখবেন যে বারংবার না-সূচক উত্তর চলে আসবে।



ধাপ-৩: বিবর্তনবাদীরা কীভাবে নিশ্চিত হলেন যে সবকিছুই মিলিয়ন মিলিয়ন বছর আগে ঘটেছে? তারা এমন কী জানেন যেটা আপনি জানেন না! তারা কি দেবতা নাকি জ্যোতিষী! তাদের দাবির স্বপক্ষে কোনো প্রমাণ আছে কি-না? থেকে থাকলে সেগুলো আসলে কী? সেই তথাকথিত প্রমাণ থেকে কোনো রকম যৌক্তিক সিদ্ধান্তে পৌঁছা সম্ভব কি-না?



তাহলে দেখা যাচ্ছে যে, ধাপ-১ ও ধাপ-২ অনুযায়ী নিজের জ্ঞান, বুদ্ধিমত্তা, অভিজ্ঞতা, বাস্তবতা, ইতিহাস, সাধারণ বোধ, ও পারিপার্শ্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার-বিবেচনা করলে বিবর্তনবাদীদের দাবিকে অবাস্তব বা অসম্ভব বা কল্পকাহিনীর মতই মনে হয়। বাকি থাকে ধাপ-৩!

মন্তব্য ৪৪ টি রেটিং +১০/-১৮

মন্তব্য (৪৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৪৪

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ডারউইনের বিবর্তনবাদ তো একটা বিশ্বাস বা অনুমানের উপর প্রতিষ্ঠিত। মানুষের পূর্বপুরুষ বানর বা হনুমানম বা শিম্পাঞ্জি ছিল- এমন মতবাদ দেয়া যেমন সম্ভব, মানুষ কলাগাছ থেকে, মাটি থেকে, হাতি থেকে, কেঁচো বা উঁইপোকা থেকে রূপান্তরিত হয়েছে এটাও অনুমান করা সম্ভব। তদ্রূপ, মাছের পূর্বপুরুষ মানুষ ছিল, বা হাঁসমুরগি, ভেঁড়া ছিল- এগুলোও ধরে নেয়া যেতে পারে। আমরা তো বিগত ৫-৭ শ বছরের ইতিহাস খুব ভালো করেই জানি। এই সময়ে কী কী বস্তু বিবর্তিত হয়েছে বা হচ্ছে তার একটা লিস্টি ডারউইনবাদীরা প্রকাশ করলে ভালো লাগতো।

২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:০৬

এস. এম. রায়হান বলেছেন: হাহ-হা! ঠিক বলেছেন। ওরা লিস্টি প্রকাশ করে কি-না দেখা যাক।

২| ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৪৫

সাহোশি৬ বলেছেন: তোমার লেখায় প্রচুর ভুল। এত ভুল ধরাতে গেলে জবাব তোমার মূল লেখার তিনগুন বড় হয়ে যাবে। এক কথায় বলতে পারি, তোমার লেখাই প্রমাণ করে, তুমি বিবর্তনবাদ তো বোঝই না, বিজ্ঞান ও বোঝ না।

তোমার যা বিশ্বাস করার তা-ই কর, অর্থাৎ বিবর্তন কোন তত্ত্ব তো নয়ই বরং বিজ্ঞানও নয়!!! যারা বিবর্তনবাদ বিশ্বাস করে তারা একেবারেই বোকা শ্রেনীর অশিক্ষিত মূর্খ মানুষ। তোমার এ বিশ্বাসে বিবর্তনবাদ, তথা ডারউইনবাদেসর তোরাই কিছু আসল গেল।

২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:০৪

এস. এম. রায়হান বলেছেন: আমাকে "তুমি" বলার অধিকার কে দিয়েছে? প্রমাণ ছাড়া বান্দরের মত এখানে আবোল-তাবোল না বকলেই সবায় খুশী হবে।

৩| ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৪৭

অলস ছেলে বলেছেন: +

এত তত্ত্ব পড়তে গেলে হয়রান হয়ে যাবো ;), তাই আপসে সমর্থন কর্লাম।আশা করি ঠিক কথা লিখেছেন

৪| ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৫৩

আবদুল হক বলেছেন: অসম্ভব দরকারি পোস্ট। প্রিয় তালিকায় রাখছি আর আপনাকে আর কেউ কিছু বলছেন না বলে আমি একাই একশোটি ধন্যবাদ দিচ্ছি!

২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:০৫

এস. এম. রায়হান বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৫| ২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:১৬

দন্ডিত বলেছেন: ব্যাপক বিনোদন। আপনি বোধহয় মলিকিউকার এভিউলুশান নিয়ে ঘাটাঘাটি করেন নাই। এখনও ডারউইনের মাঝেই আটকে আছেন। আরে ডারউইনের তত্ব পুরাতন হয়ে গেছে অনেক আগেই। এখন বিবর্তনের গবেষনা হয় মাইক্রো অর্গানিজম নিয়ে।
আসলে এটা এত বড় বিষয় যে আমি আপাতত মন্তব্য করবো না। মলিকিউলার এভিউলিউশান নিয়ে আমার এক বড় ভাই কিছু পোস্ট দিয়েছিলেন। উনি মলিকিউলার বায়োলজিতে পোস্টগ্র্যাড করছেন।

আপনার অনুমতি পেলে লিংক দিয়ে যাব।

২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৩৩

এস. এম. রায়হান বলেছেন: "আরে ডারউইনের তত্ব পুরাতন হয়ে গেছে অনেক আগেই।"


হাহ-হা। এখন এসেছে নিউ আর্থ ও আইডি!

আচ্ছা লিঙ্ক দিতে পারেন।

২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৪৬

এস. এম. রায়হান বলেছেন: পুনশ্চ: আমার লেখা কিন্তু শেষ হয়নি।

৬| ২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৬

সাহোশি৬ বলেছেন: "আমাকে "তুমি" বলার অধিকার কে দিয়েছে?"

- সম্বধনে কিবা এসে যায়? এ পৃথিবীতে কেউ কাউকে অধিকার দেয় না, অধিকার আদায় করে নিতে হয় - survival of the fittest।

"প্রমাণ ছাড়া বান্দরের মত এখানে আবোল-তাবোল না বকলেই সবায় খুশী হবে।"

- সবাই খুশী হবে কিনা তা জানিনা, তবে তুমি বোধ হয় খুশী হবে। আমি তো আগেই বলেছি, তোমার যা বিশ্বাস করার তা-ই কর। এমনকি এও বিশ্বাস করতে পার যে বিবর্তনবাদের ষহরনা অনুযায়ী মানুষ বানর থেকে এসেছে। তোমার বিশ্বাসে বিবর্তনবাদের থোড়াই কিছু আসল গেল।

খেয়ে-দেয়ে কি কাজ নাই যে তোমার সামনে হাজারটা যিক্তি উপস্থাপন করব? থারচেয়ে এই ভালো, তুমি তোমার বিশ্বাস নিয়ে পড়ে থাক, এবং তোমার বিশ্বাসের স্বপক্ষে হাজারো প্রমাণ হাজির কর। তাতে কার কি?

২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২০

এস. এম. রায়হান বলেছেন: তুমিও তুমার বিশ্বাস নিয়ে পড়ে থাক। এখানে ঝামেলা পাকাতে এসেছ কেন।

৭| ২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:০০

শুভ রহমান বলেছেন:

জ্বি ভাই, আপনার সাথে একমত পোষণ করতে গেলে আমার একাডেমিক লেখাপড়ার সবকিছু আগুনে পুড়ায় ফেলতে হয়।

একমত @সাহোশি৬

@দন্ডিত সম্ভবত তত্ব না, গবেষনার ক্ষেত্রের কথা বলতে চেয়েছেন। তিনি ঠিকই বলেছেন, বিবর্তনের ক্ষেত্রে গবেষণা হয় এখন মাইক্রো অর্গানিজম নিয়ে। আমার লেখাপড়ার বিষয়ও এই জীবাণু। এখানে বিবর্তন কিংবা প্রাকৃতিক নির্বাচন ছাড়া এক পাও এগুনো সম্ভব না।

এখন কি ধরণের গবেষনা হয় তার স্যাম্পল,

Click This Link


মশারা কেন এখন ডিডিটি প্রোটেক্টেড? জীবাণুরা কেন এখন এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়ে যাচ্ছে? এগুলো বিবর্তনের ফল।

২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২৩

এস. এম. রায়হান বলেছেন: "জ্বি ভাই, আপনার সাথে একমত পোষণ করতে গেলে আমার একাডেমিক লেখাপড়ার সবকিছু আগুনে পুড়ায় ফেলতে হয়।"

- তা করতে হবে কেন?

"@দন্ডিত সম্ভবত তত্ব না, গবেষনার ক্ষেত্রের কথা বলতে চেয়েছেন। তিনি ঠিকই বলেছেন, বিবর্তনের ক্ষেত্রে গবেষণা হয় এখন মাইক্রো অর্গানিজম নিয়ে।"

-আমার লেখা তো শেষ হয়নি!

"মশারা কেন এখন ডিডিটি প্রোটেক্টেড? জীবাণুরা কেন এখন এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়ে যাচ্ছে? এগুলো বিবর্তনের ফল।"

- তার মানে কি প্রমাণ হচ্ছে যে একটি প্রাণী/প্রজাতি থেকে অন্য একটি প্রাণী/প্রজাতি বিবর্তিত হয়েছে?

২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:০৫

এস. এম. রায়হান বলেছেন: আপনার দেয়া লিঙ্কে শুধু ব্যাকটেরিয়ার মিউটেশন নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। কিন্তু তার সাথে ডারউইনবাদীদের বিবর্তনবাদ তত্ত্বের কী সম্পর্ক তা তো বোঝা গেল না!

৮| ২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২৮

দেশীসাইকো বলেছেন: আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কে যদি আমাদের জানাতেন,তাহলে খুবই খুশী হতাম :)

২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩৮

এস. এম. রায়হান বলেছেন: শিক্ষাগত যোগ্যতা জেনে কী হবে। ব্লগে কেউ কারো শিক্ষাগত যোগ্যতা জানে না। আপনারটাও না।

৯| ২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩৩

পিটার প্যান বলেছেন: বিনোদন আর বিনোদন...... বিনোদনে ভরপুর।

২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩৯

এস. এম. রায়হান বলেছেন: লেখা ছেড়ে আপনার থেকে এরকম আরো বিনোদনমূলক মন্তব্য চাই।

১০| ২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:৫৮

দন্ডিত বলেছেন: আপাতত দুইটা লিংক দিলাম। আমার বিষয় জীববিদ্যা নয়।আমি শুধুমাত্র এই বিষয়ে উৎসাহী। এইজন্যেই সরাসরি তর্কে গেলাম না। যে বিষয়ে আমার এক্সপার্টিজ নেই সেই বিষয়ে তর্ক করাটা , বিশেষ করে টেকনিক্যাল সাবজেক্টে , আমি নির্বুদ্ধিতা মনে করি। আপনি আণবিক জীববিদ্যা পড়ছেন এমন কাউকে পোস্ট টা দেখালে বেশ ভালো হত:)
http://www.cadetcollegeblog.com/arnob/5157
http://www.cadetcollegeblog.com/arnob/7766

১১| ২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:০৪

দন্ডিত বলেছেন: আপনি যেদিন পদার্থবিদ্যা নিয়ে পোস্টাবেন সেদিন তর্ক করব। আর আরেকটা কথা "সায়েন্টেফিক মেথড " বলে একটা টার্মেনোলজি আছে। আপনার এই ব্যাপারে ধারনা খুব পরিস্কার মনে হল না। আপনি উইকি বা ঘেটে কোন ভালো মেকানিক্সের বই দেখতে পারেন। যেমন গোল্ডস্টেইন, ম্যারিওন বা সামারফিল্ড। এসকল বইএর প্রথম অধ্যায়টা সাধারনত ফিজিক্যাল ল এর বৈশিষ্ট্য আলোচনা করে। আর পারলে রিচার্ড ফাইনম্যান এর ক্যারেকটারইস্টিকস অফ ফিজিক্যাল ল টা পড়তে পারেন।

এগুলো বললাম কারন বিজ্ঞান নিয়ে ঘাটাঘাটি করছেন , এতটুকু জানা দরকার বলে আমার মনে হয়।

১২| ২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:৪১

দেশীসাইকো বলেছেন: আমি ইটিই'তে (electronic telecommunication engineering) স্নাতক ।কাইন্ডলি যদি আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতাও একটু বলতেন :)

২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:৪৪

এস. এম. রায়হান বলেছেন: ব্লগে আর দশ জন ব্লগারের মত আমিও একজন ব্লগার হিসেবেই থাকতে চাই। শিক্ষাগত যোগ্যতা জানার তেমন কোন দরকার আছে বলে মনে হয় না। আর বললেও হয়ত বিশ্বাস করতে চাইবেন না। ধন্যবাদ।

১৩| ২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:০০

ফুয়াদ০দিনহীন বলেছেন: এখানে, - দেওয়ার কি হইল, ৫ জন - দিছে । কেন দিছে নিজেও জানে না ।

ডারোয়িন বাদ এমন ভাবে পরানো হয় যে, মানুষ গুলো কেমন জানি ইমোশনাল হয়ে যায় এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে ।
পোষ্টে +

১৪| ২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৭

শুভ রহমান বলেছেন: আপনি বলেছেন
........এই তত্ত্ব কিন্তু পদার্থবিদ্যার কোন তত্ত্বের মতো নয়। অর্থাৎ পদার্থবিদ্যার তত্ত্ব যেমন ম্যাথমেটিক্যাল মডেলের উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত, বিবর্তনবাদ তত্ত্ব মোটেও সেরকম কিছু নয়।......

আমার ভাবনা: জগদীশের গাছের জীবন তত্ত্বে কি কোন গানিতিক সূত্র আছে? কোষ তত্ত্বের তো কোন গাণিতিক মডেলের কথা শুনি নি। কিংবা জৈবরসায়নের কোন জায়গায় কোন গাণিতিক মডেলের কথা তো মনে পড়ে না.....। সুতরাং এগুলা কি ভূয়া?

পুনঃ পুনঃ পরীক্ষার কথা বলছেন? আমার আগের দেয়া লিঙ্ক দেখুন যে কি ধরণের পরীক্ষা এখন হয়।

আপনি ফলসিফিকেশন টেস্টের কথা বলেছেন। যদি কোন একটি ফসিল শিলাস্তরের যে জায়গায় থাকার কথা তা সে জায়গায় না থাকে কিংবা আরো পরে যে শিলাস্তর পড়লো সেখানে পাওয়া যায় তাহলেই বিবর্তনবাদ মিথ্যা হয়ে যায়। দুঃখের বিষয় কোন শিলাস্তর ভূতাত্বিক যুগের যে সময় তৈরি হয়েছে ঐ সময়েই ঐ সময়ের ফসিল পাওয়া গেছে। এ ব্যাখ্যা না মানলে, ফসিলের কি ব্যাখ্যা দেবেন? ফসিল হলো শয়তানের প্রাণী সৃষ্টির ব্যার্থ প্রচেষ্টা? =p~

আপনি বলেছেন
- বিজ্ঞানের কোন তত্ত্বের সাথে কখনো কোন আইডিওলজি বা দর্শন জড়িত ছিল না বা থাকে না

আপনি বলেন নি অথবা জানেন না, বিজ্ঞানের দর্শন বলে কিছু আছে কি না। অথবা বিভিন্ন দর্শন কিভাবে বিজ্ঞানচর্চাকে প্রভাবিত করে। সহজ উদাহরণ রেঁনেসার দর্শনগত বিকাশ, যা ইউরোপে মধ্যযুগে বিজ্ঞানের বিকাশ ও শিল্পবিপ্লবের পথ খুলে দিয়েছে।

সাহোশি৬ বলেছেন: তোমার লেখায় প্রচুর ভুল। এত ভুল ধরাতে গেলে জবাব তোমার মূল লেখার তিনগুন বড় হয়ে যাবে। এক কথায় বলতে পারি, তোমার লেখাই প্রমাণ করে, তুমি বিবর্তনবাদ তো বোঝই না, বিজ্ঞান ও বোঝ না।

২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১০

এস. এম. রায়হান বলেছেন: "আমার ভাবনা: জগদীশের গাছের জীবন তত্ত্বে কি কোন গানিতিক সূত্র আছে? কোষ তত্ত্বের তো কোন গাণিতিক মডেলের কথা শুনি নি। কিংবা জৈবরসায়নের কোন জায়গায় কোন গাণিতিক মডেলের কথা তো মনে পড়ে না.....। সুতরাং এগুলা কি ভূয়া?"

- এগুলো ভূয়া হবে কেন? এই প্রশ্নের জবাব তো আমার লেখার মধ্যেই আছে। গাছের যে জীবন আছে সেটা তো দেখাই যাচ্ছে। আমাদের চোখের সামনেই গাছ বেড়ে উঠছে! জীবন না থাকলে কোন কিছু বেড়ে উঠে না বা মারা যায় না! ফলে এক্ষেত্রে গাণিতিক মডেলের কোন দরকার নাই। জৈবরসায়নের ক্ষেত্রেও গাণিতিক মডেলের দরকার নাই। ল্যাবে অসংখ্যবার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেই প্রমাণ করা সম্ভব।

"পুনঃ পুনঃ পরীক্ষার কথা বলছেন? আমার আগের দেয়া লিঙ্ক দেখুন যে কি ধরণের পরীক্ষা এখন হয়।"

- শুধু পুনঃ পুনঃ পরীক্ষা করলেই হবে না। সেখানে থেকে কী সিদ্ধান্তে পৌছা যাচ্ছে সেটাই বড় কথা।

"আপনি ফলসিফিকেশন টেস্টের কথা বলেছেন। যদি কোন একটি ফসিল শিলাস্তরের যে জায়গায় থাকার কথা তা সে জায়গায় না থাকে কিংবা আরো পরে যে শিলাস্তর পড়লো সেখানে পাওয়া যায় তাহলেই বিবর্তনবাদ মিথ্যা হয়ে যায়। দুঃখের বিষয় কোন শিলাস্তর ভূতাত্বিক যুগের যে সময় তৈরি হয়েছে ঐ সময়েই ঐ সময়ের ফসিল পাওয়া গেছে। এ ব্যাখ্যা না মানলে, ফসিলের কি ব্যাখ্যা দেবেন?"

- তার দ্বারা কিন্তু প্রমাণ হয় না যে একটি প্রজাতি/প্রাণী থেকে অন্য একটি প্রজাতি/প্রাণী বিবর্তিত হয়েছে!

"ফসিল হলো শয়তানের প্রাণী সৃষ্টির ব্যার্থ প্রচেষ্টা?"

লোল!

"আপনি বলেন নি অথবা জানেন না, বিজ্ঞানের দর্শন বলে কিছু আছে কি না। অথবা বিভিন্ন দর্শন কিভাবে বিজ্ঞানচর্চাকে প্রভাবিত করে। সহজ উদাহরণ রেঁনেসার দর্শনগত বিকাশ, যা ইউরোপে মধ্যযুগে বিজ্ঞানের বিকাশ ও শিল্পবিপ্লবের পথ খুলে দিয়েছে।"

- সেটা সম্পূর্ণ আলাদা।

"সাহোশি৬ বলেছেন: তোমার লেখায় প্রচুর ভুল। এত ভুল ধরাতে গেলে জবাব তোমার মূল লেখার তিনগুন বড় হয়ে যাবে। এক কথায় বলতে পারি, তোমার লেখাই প্রমাণ করে, তুমি বিবর্তনবাদ তো বোঝই না, বিজ্ঞান ও বোঝ না।"

- আপনি কিন্তু অন্ধভাবে সাহোশি৬ কে অনুসরণ করলেন!

১৫| ২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪২

কঠিন চিজ বলেছেন: @ দেশীসাইকো বলেছেন: আমি ইটিই'তে (electronic telecommunication engineering) স্নাতক ।কাইন্ডলি যদি আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতাও একটু বলতেন :)
>> এই সাইটে আপনার সমান শিক্ষাগত যোগ্যতার পাব্লিকের অভাব নাই। অনেকে আপনার চেয়ে ২/১ ডিগ্রি উপরে আছে। আর আপনি স্নাতক এখন পুরা করছেন বলে মনে হয়না। নয়া নয়া ভর্তি হইছেন মনে হয়, এজন্য নিজেরে অনেক বিদ্যান মনে হচ্ছে। ম্যাচুউরড হলে এই প্রশ্ন করতে না। বিভিন্ন ব্লগারের লেখার গভীরত্ত্ব দেখেই বুঝতে পারতেন কে কতটুকু বিদ্যান।

১৬| ২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৫৪

শুভ রহমান বলেছেন: :-<
ব্যার্থ প্রচেষ্টা

২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩০

এস. এম. রায়হান বলেছেন: কাকে বলছেন। আপনি তো পাল্টা কোন জবাবই দিতে পারলেন না। যে উদাহরণগুলো দিয়েছেন সেগুলো যৌক্তিক বা যুৎসই নয়।

১৭| ২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩৭

কখনও মানব কখনও দানব বলেছেন: হয়রান ভাই আপনারেই খুজতে ছিলাম । এই পাপীষ্ঠ বান্দাটিকে পথের দিশা খুজিয়া দিতে আজ্ঞা হয় Click This Link

২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:০৮

এস. এম. রায়হান বলেছেন: যে, যেভাবে ভাবে আর-কি। আপনি যে গেলমান সেটা তাহলে বোঝা গেল। তবে চিন্তার কোন কারণ নাই। গেলমান হওয়া তো দোষের কিছু না, তাই না?

১৮| ২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:৩৫

কখনও মানব কখনও দানব বলেছেন: হেহ হেহ খালি হাতে ঘুইরা আসলেন যে । কমেন্ট করা সাহসে কুলাইলনা ।

১৯| ২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:৪৮

অ্যামাটার বলেছেন: এইসব পোষ্টে ইদানিংকালে 'বিবর্তনবাদী'র মন্তব্য পাওয়া যায় না।

২০| ২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:২০

ফুয়াদ০দিনহীন বলেছেন: @দেশীসাইকো

কঠিন চিজ বলেছেন: @ দেশীসাইকো বলেছেন: আমি ইটিই'তে (electronic telecommunication engineering) স্নাতক ।কাইন্ডলি যদি আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতাও একটু বলতেন
>> এই সাইটে আপনার সমান শিক্ষাগত যোগ্যতার পাব্লিকের অভাব নাই। অনেকে আপনার চেয়ে ২/১ ডিগ্রি উপরে আছে। আর আপনি স্নাতক এখন পুরা করছেন বলে মনে হয়না। নয়া নয়া ভর্তি হইছেন মনে হয়, এজন্য নিজেরে অনেক বিদ্যান মনে হচ্ছে। ম্যাচুউরড হলে এই প্রশ্ন করতে না। বিভিন্ন ব্লগারের লেখার গভীরত্ত্ব দেখেই বুঝতে পারতেন কে কতটুকু বিদ্যান ।

স্নাতক কইরা দেশী সাইকোর মাথা সাইকো হইয়া গেছে । কঠিন চিজ দারুন বলেছেন । কঠিন রে +

২১| ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:১৬

বিবর্তনবাদী বলেছেন: @ অ্যামাটার -- এই লেখকের বিজ্ঞান নিয়ে কপি পেস্টের যোগ্যতা কতটুকু তা সাহোশী বলে দিয়েছেন। এদের বিজ্ঞান বুঝাতে হল আবার জন্ম দিতে হবে। যেহেতু পুনজন্ম ব্যাপারটা সম্ভব নয় তাই এদের সাথে বিজ্ঞান নিয়ে আলোচনাও অর্থহীন।

আমি একবার একটা পোস্ট দিয়েছিলাম, বিবর্তনবাদের সরল ব্যাখ্যা। সেটা পড়লে বুঝবে বিবর্তনবাদ নিয়ে আলোচনায় মলিকুলার বায়োলজিই সব।

২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৭

এস. এম. রায়হান বলেছেন: প্রফাইলে ডারউইনের ছবি লাগিয়ে ও বেনামে বার বার মিথ্যা কথা বলছেন। আমার লেখা কোথায় থেকে কপি-পেস্ট করা হয়েছে প্রমাণ দিতে পারবেন? ব্যক্তি আক্রমণ না করে লাইনে থাকলে ভাল হয়। কার যোগ্যতা কেমন সেটা ব্লগে কেউ দেখতে যায় না। তবে আপনি যদি মনে করেন আপনার বিজ্ঞানে সত্যি সত্যি যোগ্যতা ও কিছু অবদান আছে তাহলে সেগুলো সহ এখানে আসুন: http://shodalap.com/

২২| ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:২৫

কঠিন চিজ বলেছেন: যারা অনুবাদকৃত কোরআন এবং হাদীসের ভালো WebSite Link চান, তাদের জন্য :):) লিনক

২৩| ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২৫

বিবর্তনবাদী বলেছেন: কেন সেখানে কোন কুতুব বসে আছে? আর সেখানে যোগ্যতার এটেস্টেড কপি নিয়ে বসতে হবে নাকি। আপনার যোগ্যতার যে লেভেল সেটা বোঝার জন্য বিজ্ঞানের ছাত্র হওয়ার দরকার নাই, কমনসেন্সই যথেষ্ট।

২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৪৭

এস. এম. রায়হান বলেছেন: বেনামে বার বার অন্যের যোগ্যতার প্রশ্ন তুলে এখন পিছলাইয়া গেলে কিছু করার নাই। আর কারো কমনসেন্স বান্দরের মত হলে অনেক কিছুই বুঝতে পারে। তাতেও কিছু বলার নাই।

২৪| ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:২৫

বিবর্তনবাদী বলেছেন: পিছলানীর স্বভাব আপনাদের। এইখানে সুবিধা না করতে পাইরা অন্য ব্লগের লিংক দিচ্ছেন। এইখানে আপনারা অপদস্ত হলে হাজার লোকে দেখবে, ঐখানে দুইচার জন দেখবে। সাহস থাকলে লেখাপড়া কইরা, লেখার যোগ্যতা বাড়ান। তারপর লিখতে বসেন।

২৫| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:০৩

ব্রুটাস বলেছেন: দিলমে লাগাকে চাক্কু

২৬| ১১ ই নভেম্বর, ২০১০ রাত ৮:১৩

আগডুম বাগডুম বলেছেন: মার বিবর্তনবাদ নিয়ে যা সন্দেহ ছিল, আপনার লেখা পড়ে পুরোটাই মাঠে মারা গেল। আবাল ইদানিং গাছেই ধরে দেখি।

১১ ই নভেম্বর, ২০১০ রাত ৯:৪৪

এস. এম. রায়হান বলেছেন: ডারউইনের তত্ত্ব অনুযায়ী ডারউনবাদীরা কিন্তু এক সময় গাছে গাছে ঝুলে বেড়াত। এবার আয়নায় নিজের চেহারা খান দেইখা লন। আর পারলে এইখানে একটু ঢুঁ মারতে পারেন - সন্দেহ আরো কাইট্যা যাইব!

২৭| ১১ ই নভেম্বর, ২০১০ রাত ৯:৫২

গডব্রাদার বলেছেন: আবার সেই একই কথা। নতুন কিছু বলার মত খুঁজে পান না?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.