নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আসুন বাংলাদেশপম্থি হই।

মোঃ শফিকুল ইসলাম সজীব

আজ মেঘ করেছে শীতল ঘন কুয়াশা ভেঙে মন খোজে তারে এই মেঘলা দিনে শীতল কুয়াশাতে তার ষ্পর্শে এমনো দিনে তাকে খুজে পেতে চায় তার ছোয়ায় রাঙিয়ে মন চায় উষ্ন ভালোবাসা ...

মোঃ শফিকুল ইসলাম সজীব › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমি এবং আমার না বলা অতিত ...

০৬ ই মার্চ, ২০১৪ রাত ২:১৪

সময় এবং বাস্তবতা মানুষকে অনেক কিছু ভুলিয়ে দেয়। যেমন আমাকে। আমি ভুলেই গিয়ছিলাম আমার ছোটবেলা। আমার নামে কতো কাহিনী ই না রটানো ছিলো এলাকা জুরে। কথিত আছে আমি নাকি এক কোপ দিয়ে একটা আস্ত ছাগলের বাচ্চা মেরে ফেলেছিলাম! জরিমানা ও দেয়া হয়েছিলো সে জন্য। ছোটবেলা থেকেই মামাবাড়িতে থাকা এবং বেড়ে উঠা । তাই বেশিরভাগ ঘটনাই সেখানে। প্রচুর পরিমানের দুষ্টু ছিলাম আমি। যা ই করতাম তাই ই দুষ্টুমি হয়ে যেত। তারার যখন একটু একটু বুঝতে শিখলাম তখন

বকা খেয়ে মনে মনে বলতাম আর দুষ্টুমি করবোনা কিন্তুু

পরক্ষণেই দুষ্টুমি করে ফেলতাম। আমার বিশ্বাস ছিল আমি কখনোই ভালো হবোনা , দুষ্টুমি ছাড়তে পারবোনা । ক্লাসে নিয়মিত পিটুনি খেতাম স্যারের হাতে , বেশি খেতাম দুষ্টুমি করার জন্য। বাবা দেশের বাইরে থাকতেন আম্মাকেই সব ঝামেলা পোহাতে হতো। এখন বুঝি কি কষ্টাইলে না আম্মাকে দিছি। তার পর মামাবাড়ি আসলাম দাদুবাড়ি থেকে শুরু করলাম নানুকে জালানো। শুধু বিচার আসতো আমার ই নামে। আমার

মামতো ভাই আর আমি এক ই ক্লাসে পরতাম , তাকে নিয়ে কিছু হতনা। যা হবার আমাকে নিয়ে হতো। একবার ক্লাসে কলম দিয়ে বারি মেরে বন্ধুর বিদেশি দামি( ! ) হাত ঘরিয়ে ভেঙ্গে ফেলেছিলাম। আর বিশাল এক বাহিনী নিয়ে নানুর কাছে আসলো বিচার দেয়ার জন্য আর তাদের বাড়ি চিনিয়ে নিয়ে আসেন আমার সেই মামাতো ভাই। খুব রাগ হইছিলো তখন তার উপর.। সেই মামতো ভাই এখন বিড়াট মওলানা হওয়ার পথে আর আমি কি হওয়ার পথে তা আল্লাহ ভালো জানেন। আর সেই বন্ধুটা যার ঘড়ি ভাংছিলাম সে এখন এক মেয়ের বাবা। :-o এইতো কয়েক বছর মনে হলেও অনেক দিন হয়ে গেল বর্ষার পানির স্রোতে ভেসে গিয়ে বাচাও বাচাও বলে চিৎকার করছিলাম আর মনে মনে হাসছিলাম

যে বাচাও তো ছিনেমায় বলে কিন্তুু এখন আমি বলতেছি লজ্জা লাগতেছে! ! মারা যাচ্ছি সে খেয়াল ই নাই। :-) রান্না ঘরের চালে আগুন ধরিয়ে দেয়াটা ছিলো মারাত্বক ঘটনা যদিয়ো সেখানে দাদু থাকায় সব শেষ হওয়ার কিছু

আগে তা নেভানো হয়। একদম স্পস্ট মনে আছে সে ঘটনা। সারা রাত লিখলেও শেষ হবেনা আমার কু কির্তির কথা। ভুতে ধরার কাহিনী ই বা কি বলব। আব্বা কে লোহার খুন্তি দিয়ে মারতে গিয়েছিলাম সেই অবস্থায় , যা কিনা চার পাচ জন লোক ঐ পিচ্চি ছেলের

সাথে পেরে উঠেছিলনা। পরে আমার এক নানা সেই ভুত ছারিয়ে দিয়েছিল। আর আজকের আমি কতটা চেঞ্জ পুরুই অপজিট। ভাবলেই হাসি পায়। আমি মাঝে হাসি , আবার চলে যেতে ইচ্ছা করে সেই সময়ে মারতে ইচ্ছাকরে আর একটি ছাগলের বাচ্চা। ইচ্ছে করে চুরি করে নানুর হর্লিক্স , গুরো দুধ ,

মিস্টি খেতে। বন্ধুদের সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা নদীতে গোসোল করতে , ব্রিজের উপর থেকে লাফিয়ে লাফিয়ে নদীর পানিতে পরতে...।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.