নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আসুন বাংলাদেশপম্থি হই।

মোঃ শফিকুল ইসলাম সজীব

আজ মেঘ করেছে শীতল ঘন কুয়াশা ভেঙে মন খোজে তারে এই মেঘলা দিনে শীতল কুয়াশাতে তার ষ্পর্শে এমনো দিনে তাকে খুজে পেতে চায় তার ছোয়ায় রাঙিয়ে মন চায় উষ্ন ভালোবাসা ...

মোঃ শফিকুল ইসলাম সজীব › বিস্তারিত পোস্টঃ

শুধুই মরিচিকা।

২৮ শে এপ্রিল, ২০১৪ দুপুর ২:১৯

একটি অলিখিত জীবনী ॥ অপ্রীয় হলেও সত্য। এটাই সত্যি বাস্তব জীবন ।

অধিকাংশ মানুষই ইউরোপ আমেরিকার কথা বলতেই পাগল।এর অনেক কারন ও রয়েছে।উন্নত জীবন যাপন তার মধ্য অন্যতম।আমরা অনেকেই তা জানি। কিন্তু এই জীবনযাপনের পেছনেও অনেক না পাওয়ার আর্তনাদ কাজ করছে। এমনই একটি লেখা আপনাদের সামনে এনেছি। এক আন্টির কিছু কথা তার মত করেই বলছি। পড়ুন এবং বিচার করুন আমরা কি খুব একটা খারাপ আছি?



অনেকের ধারনা আমরা যারা বিদেশে থাকি বিশেষ করে western country গুলোতে তাদের জীবন সোনা দিয়ে মোড়ানো, দুঃখ, কষ্ট, ব্যথা বেদনার কোনো ষ্পর্শই আমাদের জীবনে নেই বা থাকতে নেই. কিন্তু সত্যি কি তাই?

যারা এখানে থাকেন, আছেন শুধু তারাই হয়তো জানেন একথার সত্যতা কতটুকু! পেছন

ফিরে তাকালে আজো অশ্রুশিক্ত হয় নয়ন- মানস পটে ভেসে উঠে কতনা স্মূতি-জীবন সংগ্রামের করুন গাথা! আমার husband এখানে আসেন ছাত্র হীসাবে,তার মামা টিকেট

কেটে নামে মাত্র হাত খরচের কিছু টাকা দিয়ে প্লেনে উঠিয়ে দেন! বাবা মার কোনো সামর্থ

ছিলো না তার পরাশুনা বা অন্য কোনো খরচ চালানোর- তারপরের দীর্ঘ কাহিনী বলতে গেলে একটা ছোটো খাটো উপন্যাসই হয়ে যাবে হয়তো. কিন্তু তার ভিতর

আর ঢুকতে চাই না শুধু এই টুকুই - চার বছরের কোর্স সাত বছরে শেষ করতে তাকে এমন কোনো কাজ নাই যা করতে হয় নাই-বাগানের মালী শুরু করে হোটেলের busboy , আরো অনেক কিছু!! সারাদিন কাজ করে এসে রাত জেগে পরাশুনা আবার

সকালে ক্লাস, সেখান থেকে আবার কাজ. এই ছিলো তার জীবন. টাকার অভাবে অনেক সময় না খেয়েও থাকতে হয়েছে, পর্যাপ্ত টাকার জোগার হয়নি বলে পরিক্ষার ফিস

দিতে পারে নাই অনেক সময়, অপেক্ষা করতে হয়েছে পরবর্তি সেমিসটারের

জন্য.এভাবেই সে অর্জন করে তার engineering degree! যার বদৌলতেই হয়তো আমার বাবা, মা তাকে যোগ্য পাত্র বিবেচনায় আমাকে তার হাতে তুলে দিয়েছিলেন.

শুরু হয় যুগল জীবন কিন্তু তখন পর্যন্ত সচ্ছলতার নাম মাত্র জীবনে ছিলো না- নাম মাত্র

বেতনের নুতন চাকরী, এর মধ্যে কোলে এলো পর পর দুটো সন্তান, কি যে কষ্টের ছিলো সেই দিনগুলো- কেউ ছিলো না একটু সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবার. বাঙ্গালী পরিবারের সংখ্যাও ছিলো তখন হাতে গোনা, থাকতো দুরে দুরে! এর মধ্যে আমার Husband decision নিলো Master degree না থাকলে ভালো চাকরী পাওয়া সম্ভব না,সুতরাং শুরু হলো আবার পরাশুনা- এবার সেটা আরো কষ্টসাধ্য হয়ে দাড়ালো- সংসার, ছেলেমেয়ে, part time চাকরী সাথে পরাশুনাও! অর্থাভাবও চরমে পৌছালো এক পর্যায়ে-বাচ্চাদের নিয়ে তো আমি বাইরে কাজ করতে পারছিলাম না, তখন শুরু করলাম

Baby sitting-নিজের দুইটা সাথে আরো তিনটা- সে এক সময় কেটেছে বৈ কি.পরবর্তিতে বাইরেও কাজ করতে হয়েছিলো- সেটা আরো পরের কথা. যাই হোক- সব দিনই কাটে, এদিনও শেষ হয়েছিলো-অর্জিত হয়েছিলো Master degree, চাকরীও হয়েছিলো নামকরা Company তে অবশেষে আমরা ছোট্ট Apartment ছেড়ে শহরতলীতে বাড়ী কিনে move করেছিলাম! সেখানেই জন্মেছিলো আমার তৃতীয় সন্তান.

তারপর থেকে সময় মোটামুটি ভালই হয়তো কেটেছে বলতে গেলে, at least financially ! সমস্যা ছিলো না তা নয় তবে সেটা ভিন্ন issue! চাওয়া পাওয়ার হিসাব

মিলাতে গেলে অবশ্যই পাওয়ার অংশও কম কিছু নয়. শুধু বসে বসে আরাম আয়েষ করে সময় কাটানো এখানে কম মানুষেরি ভাগ্যে জুটে- শরীরে শক্তি থাকা পর্যন্ত কাজই করে যেতে হয়।।



এটাতো প্রবাসীদের জীবনগাথা, ঐদেঅইগুলোর যে স্থানীয় লোকজন আছে তাদের ও জীবন আর বঞ্ছনাময়। বিশেষ করে পারিবারিক জীবনে। সবাই কেমন একটা একাকিত্তে ভোগে।এত উন্নত জীবন তবু যেন কি নেই!!!

মন্তব্য ২ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে এপ্রিল, ২০১৪ বিকাল ৩:০৬

আজীব ০০৭ বলেছেন: এটাই সত্যি বাস্তব জীবন ।

২| ২৮ শে এপ্রিল, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:০৪

মোঃ শফিকুল ইসলাম সজীব বলেছেন: ইয়েস ভাই।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.