![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
তসলিমা নাসরিন সম্পর্কে আপনারা সবাই কম বেশী অবগত। তাই নতুন করে আমার কিছু বলার নাই। আর তার যে সব বিষয় নিয়ে তর্ক করে তা আমি কল্পনা করতেও পারিনা।
#NasreenTaslima নামে তসলিমা নাসরিনের ব্যক্তিগত ফেসবুক একাউন্টে কোন এক অজানা আগ্রহে ঢু মেরেছিলাম। আর গিয়ে যা দেখলাম তাকে দেখলাম তাকে ঐ দলকানা লোকদের প্রাত্যহিক কার্যক্রমের মতই মনে হলো।
ওয়ালে ঘুরে আসার পর তার সম্পর্কে ভাবতেও ভয় লাগে।
সমাজে একটা কথা চালু আছে তা হলো ‘রোগকে ঘৃণা করুন রোগীকে নয়’। আর নাসরিনের বেলায়ও তাই হয়েছে, তিনি তার ওয়ালে মাথা মুন্ডু দিয়ে ভরিয়ে ফেলেছে। তার কথা তারাই প্রকৃত মুসলমান। তারাই ইসলামের পথ প্রদর্শক। আল্লহ তাআলা তাদেরকে অনুসরণ করতে বলেছেন। আমার মাথায় ধরেনা তার এমন কি সাপোর্ট আছে যার জন্য তিনি আগুন নিয়ে খেলা করার সাহস পাচ্ছে?
একবার এক নাস্তিক লোক আল্লাহ তালার অস্তিত্ব নিয়ে কথা বলছিলেন। কথা বলার এক পর্যায়ে নাস্তিক লোকটিকে বলা হলো ধরুন আল্লাহ বলে কিছু নেই তাহলে আপনার যা হবে আমার ও তাই হবে। আর যদি আল্লাহ বলে একজন থাকে তাহলে আপনার কি হবে?
সম্প্রতি ইউটিউবে কোরআন শরীফের উপর কফির কাপ রেখে তিনি এবং আসিফ মহিউদ্দিনের সাথে ভিডিও প্রকাশ করেছে। এর মাঝেই সে সারা বিশ্বের মুসলিম জাতির সাথে অঘোষিত যোদ্ধ। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনে চলছে। হাজার বছরের নিয়মকে ভেঙ্গে ফেলার মাধ্যমে সে কি প্রমাণ করতে চাইছে তা হয়তো তার কাছেও পরিষ্কার না।
পুরুষের মত চলাফেরা আর পশ্চিমা সংস্কৃতি আক্রিয়ে ধরে কতদূর আগাতে পারবেন সেটাই দেখার বিষয়।
যাই হোক সে তার ভুল বুঝে সঠিক পথে ফিরে আসুক এটাই কাম্য।।
পুনশ্চঃ তিনি তার ফ্রেন্ডলিস্ট এর প্রাইভেসি পাবলিক করে রেখেছেন আর সেখানে সুশীল ব্যক্তিদের আনাগোনা দেখা যায়। তারাইবা কি ধরনের সুশীল যে তাকে সাপোর্ট করে যাচ্ছে?
২| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৩:০৫
আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: এমন পাগলের মৃত্যু (অবশ্যই স্বাভাবিক মৃত্যু) ছাড়া কোন চিকিৎসা নাই।
৩| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৩:১৭
আমায় ডেকো না বলেছেন: একবার এক বনে এক চতুর শিয়াল শিকারীদের পাতা ফাদে পরে লেজটি হারায়।লেজটি হারিয়ে প্রথমে কিছুদিন সে অপস্তুত হয়ে পড়ে এবং নিভৃতে দিন কাটাতে থাকে।আর ভাবতে থাকে বনের অন্যান্য শেয়ালদের সাথে দেখা হলে লেজ হারানোর ব্যাপারে কি জবাব দেবে। ভাবতে ভাবতে এক সময় সে এক ফন্দি বের করল।
সে বেরিয়ে এল বনের শিয়াল সমাজে।সবাই অবাক হয়ে তাকাতে থাকলো লেজ হীন শিয়ালটির দিকে।বলল কি হে এতো দিন কোথায় ছিলে?তখন লেজহীন শেয়ালটি সবাইকে উদ্দেশ্য বলল যে দেখ, গত কয়েকদিন পুর্বে আমি যখন জংগল দিয়ে যাচ্ছিলাম তখন এক দৈব বানি পেলাম যে,যদি আয়ু বাড়াতে চাও তবে লেজটি কেটে ফেল।এইভাবে বারবার দৈব বানি হতে থাকল।তখ আমি শহরে গিয়ে এক ডাক্তারকে দিয়ে অপরাশন করিয়ে লেজটি কেটে ফেললাম। আমার উপর আরো দৈব বানী হলো সকল শিয়ালকে যে বলি সকলে যেন লেজ কেটে ফেলে, তাহলে সকলেই দীর্ঘায়ু হবে।এহেন ভাবে এ চতুর শিয়ালটি বনের অন্যান্য শেয়ালকে লেজ কাটার জন্য প্ররোচিত করতে থাকলো।
এমন সময় এ জায়গায় উপস্হিত হলো ঐ বনের সবচেয়ে বৃদ্ধ ও বুদ্ধিমান শেয়াল।সে সকল শেয়াল হতে ঐ চতুর শেয়াল এর কাহিনী শুনে বুঝে ফেলল যে সকলকে ধোকা দেওয়ার চেষ্টা করছে।তখন সে বলে উঠল,"কিন্তু আমার তো মনে হচ্ছে তুমি শিকারীর ফাদে পরে লেজ হারিয়েছ।"
তখন ঐ চতুর শিয়ালটি যখন টের পেল সে ধরা পরে যাচছে, সে এক লাফে ঐ বন তেকে পালিয়ে গেল।
এখন তসলিমা নাসরিন বহু আগেই তাদের চরিত্র,ঘর-সংসার,দেশ সকল কিছু হারিয়েছে।সুযোগ পেয়ে সবাই তাকে ভোগ করেছে, চেটে দিয়েছে।কিন্তু কেউই আপন করে নেয়নি।তাই সে চায় এই দেশের সকল মেয়েরাই তার মতো সব হারাক।
৪| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৩:৩৪
মোঃ শফিকুল ইসলাম সজীব বলেছেন: আমরা নিজেদের ভালো নিজেরা বুঝার চেষ্টা করি।
আমার স্যার বলতেন পরের বুদ্ধিতে ধনি হওয়ার চেয়ে নিজের বুদ্ধিতে ফকির হওয়া ভালো . . .
©somewhere in net ltd.
১|
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ দুপুর ২:০০
নিজাম বলেছেন: আল্লাহ তসলিমা নাসরিনকে হেদায়েত দান করুন।