| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আগেই বলে রাখি, এইটা নাস্তিকতা বা আস্তিকতা বাচক কোন পোস্ট নয়। এটা শুধুই কোয়ান্টাম ফিজিক্সের আলোকে কিছু যুক্তি। দয়া করে কেউ এটাকে অন্য দিকে নিয়ে যাবেন না। আমি শুরু করছি...
সৃষ্টিকর্তা, মানুষ ও সময়ঃ
স্রষ্টা নিজের ইচ্ছায় সৃষ্টি করেছিলেন মহাবিশ্ব। মহাবিশ্বের সৃষ্টিতত্ব সম্পর্কে "বিগব্যাং" তত্বে বলা হয়েছে অসীম ঘনত্বের (10⁹³ kg/m³ এর চেয়েও বেশী) একটি সুক্ষ কণার থেকেই সৃষ্টি হয়েছে এই মহাবিশ্বের। তাই এটা বলা যায় যে, বিগব্যাং এর সময় থেকেই সময়ের সুত্রপাত। এর আগে সব ই ছিল অস্তিত্বহীন।
এখন প্রশ্ন হল এখানে সময় কি? সময় একটা স্বাধীন সত্ত্বা, স্বাধীন সেট। কিন্তু পদার্থবিদ্যায় এই অভিমতের বদলে প্রচলিত ধারণা হল, সময় আর স্থান হল চতুর্মাত্রিক বিশ্বের একটা অবিচ্ছেদ্য অংশ। এ নিয়ে কালে কালে বিভিন্ন মতবাদ এসেছে। এসেছে সময়ের বিভিন্ন হিসাব। সময়ের গণনা যন্ত্রও আছে বিভিন্ন রকমের। সিজিয়াম ঘড়ি থেকে শুরু করে রুবিডিয়াম ঘড়ি নিয়ে এসেছে আজকের সভ্যতা। আমাদের এই সময় গণনা কিন্তু পুরোপুরি আপেক্ষিক একটা ব্যাপার। যা হোক, আমাদের এই সময় প্রত মুহুর্তে হারিয়ে যাচ্ছে কালের গর্ভে। আমরা কি ফিরে পেতে পারি আমাদের এই হারানো সময়কে???
সময় সম্পর্কে একটা ভ্রান্ত ধারণাঃ
ধরি, একটা রকেটে করে ৫ জন নভোচারী "স্বাতী" নক্ষত্রে যাচ্ছে। পৃথিবী থেকে স্বাতীর দুরত্ব প্রায় তেত্রিশ আলোকবর্ষ। এখন ধরা যাক, রকেটের বেগ প্রায় আলোর কাছাকাছি। তাহলে, নভোচারীরা প্রায় ৬৬ বছর পরে পৃথিবীতে ফিরে আস্তে পারবেন। কিন্তু, আইন্সটাইনের মতে, আপেক্ষিক গতি বৃদ্ধির সাথে সাথে সময়ের গতি হ্রাস পায়। তাই, ৬৬ বছর সময়কে হয়ত নভোচারীদের কাছে মনে হবে ৩০ দিন। কিন্তু, পার্তিব জগতে এসে তারা হয়ত দেখবেন, তাদের ১২ বছরের ছেলে তাদের চেয়ে বয়সে ৪০ বছরে বড়।
অর্থাৎ, কাল বা সময় একমুখী নয়। এটা বিশ্বব্রিহ্মাণ্ডের একটা অঙ্গ মাত্র, যার অপর একটা অঙ্গ হল স্থান। এরা একটা আরেকটা দিয়ে প্রভাবিত হয়।
ব্লাক হোল ও সময়ঃ
ব্লাক হোল হল এমন কিছু যার ভর অত্যাধিক। এর মহাকর্ষের মাপটিও বিরাট। কোন নক্ষত্রের আলো এর মহাকর্ষের প্রভাবে বেঁকে যায়, এবং এর প্রভাবে সময়ের বক্রতা সৃষ্টি হয়। ফলে, শেষে ব্লাক হোলে গিয়ে সময় হয়ে যায় স্তব্ধ।
মহাবিশ্বঃ
মহাবিশ্ব সম্ভব্য তিন রকমের হতে পারে।
♣ বর্তুলাকার। যেখানে ক্ষেত্র/স্থান ও কানা বক্রতা লাভ করে।
♣ সমতলীয় মহাবিশ্ব। এখানে বক্রতা হবে শুন্য।
♣ পরাবৃত্তাকার মহাবিশ্ব। এখানে বক্রতা দুই দিকে ছড়ানো। এটা ইলেকট্রন যেমন এটা বিশ্বব্রাহ্মাণ্ডের অংশ, তেমন একটি বিশ্বব্রাহ্মাণ্ড অনে্কগুলো বিশ্বব্রাহ্মাণ্ডের অংশ। মেগা কসমিক ও মাইক্রোকসমিক পর্যায়ে এড়া জটিল বন্ধনে আবদ্ধ থাকে। এক মহাঐকতানে এরা এগিয়ে চলেছে। রাশিয়ার পদার্থবিদ মারকোভবনোন মনে করেন, ক্ষুদ্র বস্তুর পর্যায়ে বিশ্ব অসংখ্য পরবর্তশীল বিশ্ব নিয়ে গঠিত। তিনি বলেন যে, একটি বস্তু অসংখ্য বিরাট বিশ্বকে ধারণ করে চলে। এইটা নিঃসন্দেহে একটা দুঃসাহসিক কল্পনা।
সেই মহাশক্তিঃ
১৯৮৬ সালে কয়েকজন পদার্থবিদ বলেন, বিগব্যাং এর সময় মহাশুন্য ফেটে সূতার মত তন্তুতে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এইসব তন্তুর এক ইঞ্চির ভর অসীম ও পরমাণুর কেন্দ্রকোষের চেয়েও ১০ কোয়াড্রিলিয়ন গুণ সুক্ষ। বিজ্ঞানীরা এদের নাম দেন কসমিক স্ট্রিং। আজও বিজ্ঞানীরা কসমিক স্ট্রিং খুঁজে বেড়াচ্ছেন। হিগস বোসনের আবিষ্কার অবশ্যই এই ক্ষেত্রে একটি মহা গুরুত্বপুর্ণ ব্যাপার। বিজ্ঞানীগণ বলছেন, সমস্ত মহাবিশ্ব একই সুতায় বাঁধা। এই সুতা এক অতি পরিবাহী হিসাবে কাজ করছে। ইসলাম ধর্মে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স) এর যে মিরাজেকে বিজ্ঞানের ভাষায় বলতে গেলে বলা যেতে পারে, এই সুতা বেয়েই তিনি last frontier of the space এ গিয়েছিলেন।
বিজ্ঞানীরা এক নতুর ধরণের কণার কথা বলেছেন, যা নাম "টার্কিয়ন"। টার্কিয়নের ভর হবে অসীম, বেগ আলোর বেগের চাইতে লক্ষ্য গুণ বেশী, কিন্তু আলোর বেগ বা তার চেয়ে নিচের বেগে আনলে এর অস্তিত্বই থাকে না। তবে, এটা তাত্ত্বিকভাবে। হিগস বোসনের আবিষ্কার আমাদের এই মানস গতিকণা টার্কিয়নের কাছে নিয়েও যেতে পারে।
সৃষ্টিকর্তাঃ
আমি এখানে যা বলছি তা শতভাগ কোয়ান্টাম ফিজিক্সের কথা। কারো সন্দেহ থেকে থাকলে দয়া করে ইন্টারনেটে একটু ঘেটুঘুটে দেখবেন। এছাড়া আইন্সটাইনের কিছু লেকচার ফলো করলেও বুঝতে পারবেন।
যাহোক, প্রতিটা জিনিসই অন্য কারো সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে। অজস্র আলাদা আলাদা বস্তু গুলো আছে একটা স্পষ্ট ঐক্যের মাঝে, নিখুত সাম্যাবস্থায়। এই সার্বিক সাম্যাবস্থার মাঝে থেকেই বিজ্ঞানীরা মৌল উপাদান খুঁজে পেতে চেষ্টা করছেন, যা হতে পারে বিগব্যাং এর কারণ। কিন্তু, তারা পেয়েছেন, এক অব্যক্ত শক্তি। এ ব্যাপারে আইন্সটাইনের মত হল, অসীম ক্ষমতাধর কোন এক নৈর্ব্যক্তিক কোন এক শক্তির প্রভাবেই হয়েছিল বিগব্যাং। এখন, তিনি নিজের ইচ্ছায় যদি বিশ্বব্রহ্মাণ্ড তৈরী করতে পারেন তাহলে, তিনি আকষ্মিকতার খেলাও খেলতে পারেন! বিজ্ঞানীরা কোয়ান্টাম কসমোলজির সাহায্যে এও প্রমাণ করেছেন যে, এই নৈর্ব্যক্তিক শক্তি ছড়িয়ে আছে সর্বত্র, একই সময়ে কিন্তু ভিন্ন মাত্রায়। অসীম ক্ষমতাধর অব্যক্ত এই নৈর্ব্যক্তিক শক্তির এই একই সময়ে বিভিন্ন মাত্রায় সর্বত্র ছড়িয়ে থাকাকে বিজ্ঞানীরা বলেন, মহাজাগতিক ডিম্ব বা Cosmic Egg। বিশ্বের সমস্ত বস্তু ও শক্তির সমষ্টি, অর্থাৎ চৈতন্য বিজরিত এই মহাজাগতিক ডিম্ব আর কিছুই নয়, মহান সৃষ্টিকর্তা। অনেক বিজ্ঞানীর মতে, এই কসমিক এগের কোন মাত্রা আসলে নেই। কেননা, সেখান এর কার্যকারণ বিন্দু মাত্র নেই।
বিশ্বের সবকিছু তাঁরই বন্দেগীতে রত। অথচ এর বৈজ্ঞানিক তাৎপর্য হল, প্রতিটি কণাই তার নিজ জায়গায় থেকে কাঁপছে। কোনকিছুই থেমে নেই।
বস্তুঃ
আসলে প্রতিটি বস্তুর মাঝেই লুকিয়ে আছে আলো। বিজ্ঞানীরা এই ধারণাটি করেন এইভাবেঃ
♦বস্তু -> অণু -> পরমাণু -> নিউক্লিয়াস -> নিউট্রন -> কোয়ার্ক।
দেখা যায়, কোয়ার্কের ব্যাসার্ধ প্রায় 1/10²⁴ অটো মিটার। এর পর সেটি পরিণত হয় শক্তিতে। আর সেই শক্তি হল আলোকশক্তি।
মৃ্ত্যুর পরে পুনর্জন্মঃ
বিজ্ঞানী টিপলার বলেন, সময়ের চুড়ান্ত বিভাজনে হারিয়ে যাওয়া সকল কিছুকে তুলে আনা সম্ভব এবং মৃত মানুষের উত্থান সম্ভব। বিজ্ঞানী ফার্গুসন, পলা ডেভিস প্রমাণ করে দেখিয়েছেন যে, কসমিক এগ প্রাকৃতিক সুত্রাবলিকে অগ্রাহ্য করে আমাদের উপর প্রভাব বিস্ার করতে পারে। তাই, কোয়ন্টাম ফিজিক্সের অনুসারীরা বিশ্বাস করেন যে, আল্লাহ/ঈশ্বর/সৃষ্টিকর্তা আছেন; আছে স্বর্গ/বেহেশত, নরক/ দোযখ।
কোয়ান্টাম ফিজিক্স আমাদের এটাই বলছে যে, সৃ্ষ্টিকর্তা আছেন এবং আমাদের উপর প্রভাব বিস্তার করছেন।
বিজ্ঞানীরা এও বলছেন যে, পৃথিবী কোন তথ্যই হারিয়ে যাচ্ছে না। মানুষ যেহেতু সামাজিক জীব, সে প্রতিটি প্রাণীর সাথে সম্পর্কযুক্ত। তাই, সে যখনই কোন কাজ করছে, তখনই তা জমা হয়ে যাচ্ছে,অনেক স্থানে- নিউরনে নিউরনে, রন্ধ্রে রন্ধ্রে । এই তথ্য ধারণ ক্ষমতাও অসীম। ইসরায়েলী বিজ্ঞানীরা দেখিয়েছেন, প্রতিটি DNA অণুর তথ্য ধারণ ক্ষমতাই প্রায় 10¹⁴ টেরাবাইট। এই তথ্য অবশ্যই সময়ের সাথে এগিয়ে যাচ্ছে কোন একটি গন্তব্যের দিকে, যা কেবল হতে পারে সৃষ্টিকর্ার দিকেই। তাই, শেষ বিচারে আমাদের পুনর্জন্ম সত্যিই হবে।
শেষকথাঃ
সময়ের জালকের মাধ্যমে আমরা সৃষ্টিকর্তার সাথে সম্পর্কযুক্ত। সময়, মানুষ আর সৃষ্টিকর্তা- একটা চেইন। সৃষ্টিকর্তা সময় আর স্থানের চতুর্মাত্রিক জালকে আবদ্ধ করেছেন তাঁর সৃষ্টিকে। যাই হোক, মানুষ সৃষ্টিকর্তার দান করা ক্ষুদ্র জ্ঞানেই এগিয়ে চলেছে সেই সৃষ্টিকর্তার দিকেই।
পুনশ্চঃ
আমার ঐ প্রশ্ন আর এই কথাগুলোর কারণ ছিল এক্টাই- একটা মেসেজ পৌছে দেয়া। সেটা হল- আসুন আমরা ভাল কাজ করি। স্থান আর কাল, যার জালে আবদ্ধই হই না কেন, সৃষ্টিকর্তার উপর বিশ্বাস রেখে ভাল কাজের দিকে এগিয়ে যাই। জীবনটাকে অর্থবহ করে গড়ে তুলি। সৃষ্টিকে ভালবাসি।
সংগৃহিত
১৩ ই জুলাই, ২০১২ রাত ৩:০৮
সোনালী সিড়ি বলেছেন:
২|
১৩ ই জুলাই, ২০১২ রাত ২:১১
ক্লান্ত জীবন বলেছেন: নাস্তিকগুলা জাতে মাতাল, তালে ঠিক। এই ধরনের পোস্টের জবাবে এদের যে কিছু বলার নেই সেটা ঠিক ই বোঝে। ওদের সাহস হবে না এখানে কমেন্ট করার।
সুন্দর পোস্ট।
১৩ ই জুলাই, ২০১২ রাত ৩:০৯
সোনালী সিড়ি বলেছেন: ধন্যবাদ,
৩|
১৩ ই জুলাই, ২০১২ রাত ২:২১
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আপনে কি বুইঝা লেখছেন না বুইঝা?
এতো ভুলে ভরা লেখা! পড়নের টেস্টই হারাই ফেললাম!
৪|
১৩ ই জুলাই, ২০১২ রাত ৩:০২
শূন্য সময় বলেছেন: সবখানেই পড়ি নৈর্ব্যত্তিক শক্তি। কিন্তু এই নৈর্ব্যত্তিক শক্তির সঙ্গা কোথাও পাই না।
এখন পর্যন্ত আমরা বিগ ব্যাং পর্যন্ত জেনেছে, এর আগের অবস্থা কল্পনা করতে পারিনা। ব্যপারটা এমন, আমরা সময়,স্থান,কাল - এদের বাইরে যেতে পারছি না। হকিং বলেছেন, তিনি ঈশ্বরে বিশ্বাসী নন। কিন্তু বিগ ব্যং এর পূর্বের অর্থাৎ মহাবিশ্ব সৃষ্টির শক্তির উত্স সম্পর্কে ধারণা দিতে পারেন নি।
বলেছেন- প্রকৃতি।
প্রশ্ন- সব কিছু জাস্ট এমনি এমনি তৈরি?? কোনো প্রভাবক নেই?? এমনিতেই সব তৈরি হলো কোনো কারণ ছাড়াই??
উত্তর- unknown
৫|
১৩ ই জুলাই, ২০১২ রাত ৩:১৬
সোনালী সিড়ি বলেছেন:
৬|
১৩ ই জুলাই, ২০১২ ভোর ৫:৪৯
মোহাম্মাদ রাকিবুল হাসান বলেছেন: উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আপনে কি বুইঝা লেখছেন না বুইঝা?
আপনি বেশী জ্ঞানগর্ভ লিখতে চেয়েছিলেন (যদি নিজে লিখে থাকেন) কিন্তু গোছাতে পারেন নাই... অনেকটা কাট কপি পেষ্ট আর প্যারাফ্রেজ করে থিসিস পেপার লেখার মত... অস্যংখ তথ্য ছড়ানো ছিটানো। নাপড়ে বহয়ত বলাযেতত দারুন লিখেছেন কিন্তু পড়লে ভুলগুলো ধরা পড়ে যায় সহজে।
তবে আপনার লেখার বিষয়টার সাথে একমত..... সমালোচনা করলাম যাতে পরবর্তীতে অনেক ভালো লেখা আপনার কাছথেকে পাই। তবে এমনো হতে পারে আমিই আপনার লেখা বুঝতে ব্যার্থ হয়েছিলাম, সে ক্ষেত্রে দুঃখিত এবং মন্তব্যটি ইগনোর করবেন আশা করি।
১৩ ই জুলাই, ২০১২ দুপুর ২:০০
সোনালী সিড়ি বলেছেন: ধন্যবাদ, ভুলতো অবশ্যই থাকবে হয়ত কম বেশি, যদি ভুল গুলো পয়েন্টড করতেন খুশি হতাম, সবাই বুঝতে পারত কোথায় সমস্যা আছে।
সমালোচনা-আলোচোনা দুটোই গ্রহনযোগ্য,
৭|
১৩ ই জুলাই, ২০১২ ভোর ৫:৫১
মোহাম্মাদ রাকিবুল হাসান বলেছেন: কোয়ান্টাম ফিজিক্স, নাস্তিকেরা জবাব দিন....
=
কোয়ান্টাম ফিজিক্স, আস্তিকেরা জবাব নিন....
৮|
১৩ ই জুলাই, ২০১২ ভোর ৬:০২
সবখানে সবাই আছে বলেছেন: অনেক তো ইন্টারনেট ঘাটিঘাটী করে লিখেছেন বলেছেন। পারলে রেফারেন্স গুলো শেয়ার করেন। রেফারেন্স পড়ে ওয়ান বাই ওয়ান জবাব দিব। যতটুকু বুঝতে পারছি, আগে আস্তিকরা কোরানে মোবাইলফোন, ফ্রিজ খুজে পেত। এখন কোয়ান্টাম ফিজিক্স নিয়ে লাগছে। আপনার হিগস বোসন কনার ব্যাখ্যা পড়লে লার্জ হেড্রন কোলাইডার কলাপ্স করবে। আর ওই প্রজেক্টের সব বিজ্ঞানী আর ইঞ্জিনিয়ার আত্মহত্যা করবে।
৯|
১৩ ই জুলাই, ২০১২ সকাল ৭:৪৪
বলশেভিক বলেছেন: টার্কিয়ন কি জিনিশ।খাদ্য নাকি কোনোরকম?ট্যাকিয়ন নামে এক্সটালুমিনাস
পার্টিকল আছে একটা জানতাম।এই গভীড় গিয়ান নিয়া নাস্তিকদের সাথে লাগতে এসেছেন?
১০|
১৩ ই জুলাই, ২০১২ সকাল ৮:০৬
কান্টি টুটুল বলেছেন:
শূন্য সময় বলেছেন:
প্রশ্ন- সব কিছু জাস্ট এমনি এমনি তৈরি?? কোনো প্রভাবক নেই?? এমনিতেই সব তৈরি হলো কোনো কারণ ছাড়াই??
উত্তর- unknown
========================================
আল্লাহ বলেন......
আমি ছিলাম একটি সুপ্ত ক্ষমতা,আমি নিজেকে প্রকাশ করতে চাইলাম,
ইচ্ছা............পরিচিত হই,
কোন একটা বইয়ে পড়েছিলাম,উংসের সত্যতা সম্পর্কে কোন ধারনা নাই।
১১|
১৩ ই জুলাই, ২০১২ সকাল ৮:১৭
হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আপনে কি বুইঝা লেখছেন না বুইঝা?
এতো ভুলে ভরা লেখা! পড়নের টেস্টই হারাই ফেললাম!
ভুল-শুদ্ধ ব্যাপার না।
সাথে আল্লার নাম যুক্ত করে দিলে সাত খুন মাফ।
দেখেন না 'কোয়ান্টাম' বেইচা আলবদর কমান্ডার 'মহাচোদক' কিভাবে হাজার হাজার মানুষকে হাত করছে ..
১২|
১৩ ই জুলাই, ২০১২ সকাল ৯:২৯
হোরাস্ বলেছেন: ইন্টারনেট ঘাইটা ঘুইটা যা মনে হয় একটা কিছু লিখছেন সেইটা নিয়ে কিছু বলব না। এই বিষয়ের উপর এক্সপার্ট উদাসীর হাতেই সেইটা ছাইড়া দিলাম। কিন্তু তার আগে কন নিচের এই চাপাবাজীটা করলেন কেমনে। একটুও বুক কাঁপলো না?
তাই, কোয়ন্টাম ফিজিক্সের অনুসারীরা বিশ্বাস করেন যে, আল্লাহ/ঈশ্বর/সৃষ্টিকর্তা আছেন; আছে স্বর্গ/বেহেশত, নরক/ দোযখ।
কোয়ান্টাম ফিজিক্স আমাদের এটাই বলছে যে, সৃ্ষ্টিকর্তা আছেন এবং আমাদের উপর প্রভাব বিস্তার করছেন।
এই কথা কইত্থে পাইলেন? কোয়ান্টাম ফিজিক্স ইশ্বরের অস্তিত্ব নিয়ে মাথা ঘামানো শুরু করল কবে থিকা? নিজের মনে যা আসল তা বলে দিলেই হল?
১৩|
১৩ ই জুলাই, ২০১২ সকাল ৯:৩৩
তামিম ইবনে আমান বলেছেন: বুঝিনা
১৪|
১৩ ই জুলাই, ২০১২ সকাল ১০:২০
চলতি নিয়ম বলেছেন: একটা বিশেষ প্রজাতির পোস্টে কমেন্ট করতেও ডর লাগে!!!
যাক ব্লগে আজকাল কোয়ান্টাম মেকানিক্স / কোয়ান্টাম ফিজিক্স !!! নিয়েও জ্ঞান গর্ভ আলোচনা হয় দেখি ! বেশ ভালো বেশ ভালো ।
আমি এখনো কেট আর ব্রা নিয়েই পড়ে আছি !! বেশিদূর আগাতে পারছি না তাই লেখা তাও আমার এন্টেনার বাইরে দিয়ে গেল ।
১৫|
১৩ ই জুলাই, ২০১২ দুপুর ২:০৫
সোনালী সিড়ি বলেছেন:
১৬|
১৩ ই জুলাই, ২০১২ দুপুর ২:১৮
আইজাক_নিউটন বলেছেন: এই বিষয়ে উদাসী ভাই এক্সপার্ট। তাই আপনার প্রশ্নের জবাব দেয়ার ভার তার ওপরই ছাইড়া দিলাম। তয় হোরাস ভাই আপনার যেই চাপাবাজিটা ধইরা দিল সেইটার জবাব আপনে দেন। মোমিন হইলেই কি চাপাবাজ হতে হয়?
১৭|
১৩ ই জুলাই, ২০১২ দুপুর ২:২৭
নক্শী কাঁথার মাঠ বলেছেন: "মহাবিশ্বের সৃষ্টিতত্ব সম্পর্কে "বিগব্যাং" তত্বে বলা হয়েছে অসীম ঘনত্বের (10⁹³ kg/m³ এর চেয়েও বেশী)"
- ভাই এই 10⁹³ kg/m³ দিয়ে কি বোঝেন একটু ব্যাক্ষা করেনতো প্লিজ।
১৮|
১৩ ই জুলাই, ২০১২ দুপুর ২:৪২
সোনালী সিড়ি বলেছেন:
আচ্ছা বিগব্যাং এর মধ্যে ব্যাং দিয়া কি বুঝাইছে আমারে বুঝানতো প্লিজ। মহাবিশ্বে কি আগে ব্যাং সৃষ্টি হইছে?
১৯|
১৩ ই জুলাই, ২০১২ বিকাল ৩:৩৮
শ্রাদ্ধশান্তি বলেছেন: অল্পবিদ্যা ভয়ংকরী আবারো প্রমান করলেন আপনি। আপনি যে তত্ত্বের কথা বলেছেন এখানে তার নাম আপেক্ষিক তত্ত। কোয়ান্টাম- ফিজিক্স এর সাথে আপেক্ষিকতার কোন সম্পর্ক নেই। এমন কি আইনস্টাইন কোয়ান্টাম- ফিজিক্স মেনে নেন নি। কোয়ান্টাম- ফিজিক্স আলোচনা করে অতিক্ষুদ্র কনা নিয়ে। যেমন আলোর কণা, আর আপেক্ষিক তত্ত্ব আলোচনা করে যেখানে কোন কিছুর গতি আলোর গতির কাছাকাছি। বুঝলেন?
ভালো কথা@ বর্তমানে বিজ্ঞানীরা আপেক্ষিকতার সাথে কোয়ান্টাম- ফিজিক্স এর যোগসূত্র করার চেস্তা করতেছেন। কোয়ান্টাম- ফিল্ড থিওরি এতা নিয়ে আলোচনা করে !!
২০|
১৩ ই জুলাই, ২০১২ বিকাল ৫:৪০
মেহেদী পরাগ বলেছেন: @ শ্রাদ্ধশান্তি
@ শ্রাদ্ধশান্তি
আপনার বিদ্যাতেও ভুল আছে! আপেক্ষিক তত্ত্বের সাথে কোয়ান্টাম তত্ত্বের সমঝোতা করা হয় স্ট্রিং তত্ত্বের মাধ্যমে, কোয়ান্টাম ফিল্ড তত্ত্বের মাধ্যমে নয় !
২১|
১৩ ই জুলাই, ২০১২ বিকাল ৫:৪৮
নীড় ~ বলেছেন: হুদাই
২২|
১৪ ই জুলাই, ২০১২ রাত ২:১১
শ্রাদ্ধশান্তি বলেছেন: মেহেদী পরাগ@ string theory অর্থাৎ particle physics এর ব্যাকরণ ই তো field theory, তাই না?
২৩|
১৫ ই জুলাই, ২০১২ রাত ৯:২৭
মেহেদী পরাগ বলেছেন: @ শ্রাদ্ধশান্তি
string theory আর particle physics এক জিনিস নয়। স্ট্রিং তত্ত্বে স্ট্রিং এর কম্পনের ফলে কণার উদ্ভব হয়। particle physics নিয়ে আলোচনা করে কণার স্টান্ডার্ড মডেল থিওরী। এটা সম্পূর্ণ ভিন্ন থিওরী। কোয়ানটাম ফিল্ড থিওরীও অন্য আরেকটি তত্ত্ব। তবে উপরের তিনটি তত্ত্বই (1. String Theory 2. Standard Model 3. Quantum Field Theory) কোয়ানটাম তত্ত্বের (Quantum Mechanics) অন্তর্ভুক্ত।
ব্যাকরণ দিয়া তো আর ফিজিক্স চলেনারে ভাই।
২৪|
২০ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১:৩৩
shfikul বলেছেন: সোনালি সিড়ি নামক নিকধারিকে বলছি,
আমি একজন মুসলিম হিসাবে তোকে বলছি ইসলাম এবং কুরান যদি তোকে এই শিক্ষা দিয়ে থাকে আর তোর নবি যদি হয় মুহম্মদ তবে যেনে রাখ শয়তান আমি আজ থেকেই শুধু তোর মতো বেজন্মা মুসলিমের কারনে আমি সেই ইসলাম সেই কুরানকে ছুরে ফেলে দিলাম আমার ময়লা ফেলার ডাস্টবিনে।যে ধর্ম তোকে প্রকৃত মুসলিম হতে শিখায় নি সেই কুরানের উপর আমি একজন মুসলিম হিসাবে শুধু তোর জন্য থু থু নিক্ষেপ করলাম।আজ একজন মুসলিম শুধু তোর কারনে কেনো নাস্তিক হয়ে গেলো তুই কি দিবি তোর আল্লাহর কাছে এই প্রশ্নের উত্তর ? ? ?
২৫|
২০ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১:৪২
নক্শী কাঁথার মাঠ বলেছেন: শুওরের বাচ্চা, মন্তব্যের জবাবওতো খুঁজে পাস না। তোর মতো আস্তিক যে ধর্মে আছে, সেই ধর্মের আর শত্রুর প্রয়োজন নেই।
২৬|
২০ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১:৫৬
সোনালী সিড়ি বলেছেন: shafikul islam a name contained with islam!!!! but speaks
against islam. you just proved that you're atheist! so no
more talking with you, here, i've spoken about quantum
physics , if there are mistakes; show me, without any
reason ur saying ur through.......what kind of stupidity is
it? for me ur being atheist!!! that's really funny, what the fu
fuck are you talking about? what's the reason behind the scr
screen
? A muslim like you who can say cast out the Quran,
what sort of muslim you are that's my question.
fanqulo a te moltissimo, la scrittura come una cazzata
২৭|
২০ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১:৫৯
সোনালী সিড়ি বলেছেন: নকশি@ টুমারে গালি দিতে বলা হয় নাই, বলা হইছে জবার দিবার জন্য, ভাল পরিবেশে মানুষ হয়ে থাকলে কথা ঠিক ভাবে বলেন, কতিপয় ব্যক্তির জন্য সামুর বাতাস দুষিত হয়।
২৮|
২০ শে জুলাই, ২০১২ সকাল ১০:২৭
শাফিউর রহমান ফারাবী বলেছেন: খুব ভাল লেখা। অনেক ধন্যবাদ
২৯|
২০ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ১২:৩৪
নক্শী কাঁথার মাঠ বলেছেন: @সোনালী সিড়ি - কি করতে বলা হইসে তোমারে জিজ্ঞেস করছি? এর পো্স্টের জবাবে একটা প্রশ্ন করেছিলাম, উপরে দেখো, কারো প্রশ্নের উত্তর দেবার ক্ষমতা তার নাই, পোস্ট দিয়া পালাইছে। কই থেকে কপি-পেস্ট মারছে কে জানে। আর গালিটা দিয়েছি তার সরিয়ে ফেলা পোস্টটার জন্য। এরে কিছুক্ষন লাথ্থাইতে পারলে আরাম পাইতাম।
৩০|
২০ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ১২:৩৭
নক্শী কাঁথার মাঠ বলেছেন: ভালো পরিবেশের কথা এদের জন্য না, মৃত ব্যাক্তিকে সম্মান করতে বলা হয়েছে ধর্মে, বলা হয়েছে মানুষের ভালো খারাপের বিচারের দায়িত্ব তথাকথিত আল্লাহর। তাইলে এই শালা ঐ রকম পোস্ট দেয় কিভাবে? নিজেইতো ধর্ম মানেনা।
২১ শে জুলাই, ২০১২ ভোর ৪:১৬
সোনালী সিড়ি বলেছেন: মৃত ব্যাক্তির কি অসম্মান হইল? হুমায়ুনেরা ৩ ভাই নাস্তিক ওনাদের কি হুজুর বলতে হবে?আর আমি অশ্বীকার ও করিনা তার কোন অবদান ও নাই, অবশ্যই আছে। আর ব্লগে স্বাধীন মতামত প্রকাশের ক্ষমতা আমার আছে, তবে নিশ্চয় তা অন্যায়কর হোক তা নয়। হুমায়ুন আহমেদ সম্পর্কে আমার পোষ্ট আপনাদের মনে কষ্ট দেয়ার আমি তা সরিয়ে ফেলেছি, কারন ব্লগ কাউকে কস্ট দেয়ার স্হান নয়। কিন্ত, সত্যি প্রকাশের অধিকার আমার আছে।
৩১|
২০ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ১২:৪১
অনিক আহসান বলেছেন: সোনালি বরকি তরে এক্ষণ কিছু কমুনা ।সব দেখতাছি হিসাব রাখতাছি।একটু ওয়েট কর লার্জ হর্ডন কোলাইডারের ভিতর দিয়া তগোরে জান্নাতুল ফেরদসে পাঠামু ।
২১ শে জুলাই, ২০১২ ভোর ৪:১৯
সোনালী সিড়ি বলেছেন: অনিক পর্যন্তই থাক আহসান আর কি দরকার? আর হিসাবের চার্টটা আমারে একটু দেখাইও পিচ্ছি। হিসাবে কিছু যোগ করতে হইলে আমিও সাহায্য করব!!
৩২|
২১ শে জুলাই, ২০১২ রাত ২:১১
অক্টোপাস পল বলেছেন: সংগৃহীত লেখা নিয়া এত দাপাদাপি! নিজে লিখলে কি করতেন?
৩৩|
২১ শে জুলাই, ২০১২ ভোর ৪:১৯
পাকাচুল বলেছেন: আপনার জ্ঞানের উৎস কি মহাজাতক?
২১ শে জুলাই, ২০১২ ভোর ৪:২১
সোনালী সিড়ি বলেছেন: স্পাগেত্তি, আর পাছতা, ইউ?
৩৪|
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ৩:৩৩
সাউন্ডবক্স বলেছেন: ই সব ছাগল মারকা লেখা আর লেইখেন না। কথায় কোন আয়াতে বলা হইছে এসব কথা রেফারেন্স দেন প্রতিটা লাইন এর এবং বিজ্ঞানী দের থিওরি কি পাইছেন ওই টার ও রেফারেন্স দেন।
জতসব ছাগল দিয়া ভইরা গেছে সামু।
©somewhere in net ltd.
১|
১৩ ই জুলাই, ২০১২ রাত ১:২৮
ৈসকত ইসলাম বলেছেন: মন্তব্য নিশপ্রয়োজন,,,, অসাধরন লিখেছেন