নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সনেট কবি রচিত সনেট সংখ্যা এখন ৯৬৫(০৪ ডিসেম্বর ’১৮ পর্যন্ত) যা সনেটের নতুন বিশ্ব রেকর্ড, পূর্ব রেকোর্ড ছিল ইটালিয়ান কবি জিয়েকমো দ্যা ল্যান্টিনির, তাঁর সনেট সংখ্যা ছিল ২৫০।

সনেট কবি

রেকর্ড ভেঙ্গে রেকর্ড গড়ার দারুণ সখ। কিন্তু এমন সখ পূরণ করা দারুণ কঠিন। অবশেষে সে কঠিন কাজটাই করে ফেল্লাম। সর্বাধীক সনেট রচনার সাতশত বছরের পূরনো রেকর্ড ভেঙ্গে নতুন রেকর্ড গড়লাম। এখন বিশ্বের সর্বাধীক সনেট রচয়িতা সনেট কবি, ফরিদ আহমদ চৌধুরী।

সনেট কবি › বিস্তারিত পোস্টঃ

আল্লাহর অকাট্য প্রমাণ

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১১:০৫



কোন ধর্ম বা মত সঠিক সেটা নির্ণয়ে মানুষের চেয়ে যোগ্য প্রাণি আজ অবদি খুঁজে পাওয়া যায়নি। মহাশূণ্য থেকে মহাবিশ্বের উত্তরণে সৃষ্টিকর্তার অনুপস্থিতি প্রমাণ করতে গিয়ে মানুষ যথেষ্ট নাকানি চুবানি খেয়েছে। এ ক্ষেত্রে তাদের হিসেবের খাতায় এখনো মহাশূণ্য বিরাজমান। আর মহাশূণ্য থেকে মহাবিশ্বের উত্তরণে সৃষ্টিকর্তার উপস্থিতি প্রমাণ করতে মানুষ বরাবর সফল। এ বিষয়ে আমার লেখা ‘আল্লাহর অকাট্য প্রমাণ’ গত একুশে বই মেলা ২০১৮-তে প্রকাশ পেয়েছে। বইটি ১৬ পৃষ্ঠার ৪ ফর্মা ছিল। এখন ২য় সংস্করণে বইটিকে ১৬ পৃষ্ঠার ১০ ফর্মা করার প্রচেষ্টা চলছে।
আল্লাহ বলেছেন,‘অলাম ইয়াকুল্লাহু কুফুয়ান আহাদ-কেহ তাঁর মতো হতে পারেনি’। সবাই যদি বানালে হয় আর কেউ তাঁর মতো না হয় তবে তাঁর দাবী অনুযায়ী তিনি একা নিজে নিজে হয়েছেন। তিনি ছাড়া আর কেউ তাঁর মতো নিজে নিজে হতে পারেনি।
কেন হতে পারেনি?
ডারউইন তত্ত্বে নেচারাল সিলেকশনে নেচার তাঁকে সিলেক্ট করেছে। ডারউইন তত্ত্বে যোগ্যতমের জয়ে আর সবার উপর তিনি জয়ী হয়েছেন। সে জন্য তিনি একা নিজে নিজে হতে পেরেছেন। একই কারণে অন্য কেহ নিজে নিজে হতে পারেনি।
কেহ যদি বলে রিক্সা চালক কেন উড়োজাহাজ চালাতে পারে না? এর সহজ উত্তর অযোগ্যতা। যোগ্যতার কারণে আল্লাহ যা পেরেছেন, অযোগ্যতার কারণে অন্যেরা তা’ পারেনি।
আল্লাহ বলেছেন,‘কুল্লুমান আলাইহা ফান ওয়া ইয়াবকা অজহু রাব্বিকা জুল জালালি ওয়াল ইকরাম- তাতে সব বিলিন হয়। বাকী থাকে তোমার মহিমাম্বিত ও দয়ালু প্রতিপালকের সত্ত্বা’। বিজ্ঞান তত্ত্বে যাতে সব বিলিন হয়ে প্রতিপালকের সত্ত্বা বাকী থাকে সেই স্থান মহাশূণ্য। পদার্থ তাতে হতে গিয়ে স্থান লাভের কোন নির্দিষ্ট স্থান না পেয়ে মহাশূণ্যের সর্বব্যাপ্ত মহাঅনির্দিষ্ট স্থানের মহাটানে পড়ে অনু পরমাণু থেকে ভেঙ্গে গিয়ে ইলেক্ট্রণ পোট্রন ও নিউট্রন নামক শক্তি কনিকায় পরিণত হয়েছে।এভাবে সকল পদার্থের সকল শক্তি কনিকা এবং সকল শক্তির সকল শক্তি কণিকার সম্মিলনে সর্ব শক্তিমান রূপে প্রকৃতি নির্বচনে মহান প্রতিপালক আল্লাহ একমাত্র নিজে নিজে হয়েছেন। বিলিন হওয়া সংক্রান্ত প্রাকৃতিক কারণে আর কেহ তাঁর মতো হতে পারেনি।
মহাশূণ্য থেকে একমাত্র তিনি হয়েছেন। এরমানে মহাশূণ্যে তিনি ছাড়া আর কেহ ছিল না। বাইনারি নিয়মে শূণ্য এবং একের শূণ্যে তিনি এবং একও তিনি এজন্য তিনি চিরন্তন। তিনি ছাড়া আর কেহ নিজে নিজে হতে না পারায় আর সব কিছুর সৃষ্টিকর্তা একমাত্র তিনি।

আল্লাহর বাণী কোরআন সম্পর্কে ডঃ মরিস বুকাইলি বলেছেন, মোহাম্মদের (সাঃ) আমলে জ্ঞান বিজ্ঞানের যতটা উৎকর্ষ সাধিত হয়েছিল, তার নিরিখে বিচার করলে দেখা যায়, কোরআনের বাণীতে বিজ্ঞান বিষয়ক যে সব বক্তব্য ও বর্ণনা বিদ্যমান, সে সব বৈজ্ঞানিক বিষয় আদৌ সে সময়কার কোন মানুষের রচনা হতে পারে না। সুতরাং তথ্যগত যুক্তির বিচারে এই সত্য স্বীকার করে নিতে আপত্তির কোন কারণ থাকতে পারে না যে, কোরআন অবতীর্ণ এক আসমানী কিতাব ছাড়া আর কিছুই নয়। তো যার বাণী আছে সে নেই এটাতো হতে পারে না।

আরিফ আজাদ তার প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ গ্রন্থে আল্লাহ সংক্রান্ত বিষয় সমূহ এমন ভাবে উপস্থাপন করেছেন যাতে এগুলো বেঠিক বলার আর কোন সুযোগ অবশিষ্ট নেই।

উপলব্ধির মাধ্যমে আল্লাহকে বিশ্বাস করা ফরজ। কারণ সবার পক্ষে আল্লাহকে প্রমাণ করে বিশ্বাস করা সম্ভব নয়। তাই বলে আল্লাহর প্রমাণ নেই ঘটনা এমন নয়। প্রমাণ আল্লাহ নিজেই দিয়ে রেখেছেন, কিন্তু প্রয়োজনীয় বিজ্ঞানের অভাবে সেটা এতদিন বোধগম্য হয়নি। এখন প্রয়োজনীয় বিজ্ঞানের উপস্থিতি জনিত কারণে আল্লাহর উপস্থাপিত প্রমাণ বুঝতে আর কোন সমস্যা থাকেনি।এখন আর আল্লাহর বিরুদ্ধে উপস্থাপিত কোন অভিযোগ দাঁড়াতে পারছেনা। গ্রহণযোগ্য জবাবের মাধ্যমে আল্লাহর বিরুদ্ধে উপস্থাপিত সব অভিযোগ খন্ডন করা যায়।

শূণ্যে বিবর্তন সম্ভব নয়। শূণ্যে নিজে নিজে হওয়া সম্ভব। আর যে নিজে নিজে হবে সে সসীম হবে না বরং সে অসীম হবে। কারণ তাকে অসীম হতে কেউ বাধা দিচ্ছেনা। আর অসীম হতে পারলে সে কেনইবা সসীম হতে যাবে? আর যে অসীম হবে সে পদার্থ হবে না। কারণ পদার্থের সীমা থাকে। কাজেই নিজে নিজে শক্তি হবে। কারণ শক্তির অসীম হতে সমস্যা নেই। আর অসীম একাধীক হলে সে গুলো আলাদা হবেনা। কারণ আলাদা করতে সীমা দিতে হয়। আর সীমা দিলে অসীম আর অসীম থাকে না। কাজেই সব অসীম একত্রে মিলে একজন সর্ব অসীম শক্তিমান হবেন। এটাই প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়ম। এ জন্যই আল্লাহ বলেছেন,‘ কুলহু আল্লাহু আহাদ-বল আল্লাহ এক’।

সার কথা আল্লাহ প্রমাণীত সত্য এবং এর বিপরীত কথা প্রমাণীত মিথ্যা। এটার আর কোন বিকল্প নেই।

মন্তব্য ৪৯ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৪৯) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:২১

তারেক ফাহিম বলেছেন: আসসলামুআলাইকুম,

আপনাকে চেনা লাগে।
অনেকদিন পর এলেন শ্রদ্ধেয়।

আগে সালাম পরে বাকিটা। ;)

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:২৭

সনেট কবি বলেছেন: ওয়ালাইকুমুস সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। যাক ভুলে যাননি সেটাই অনেক।

২| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:৩১

তারেক ফাহিম বলেছেন: আপনিতো ভুলারমত না।

আপনাদের প্রেরনায় সামুতে টিকে আছি, হোক না তা পাঠক বেসে।

কেমন আছেন আপনি। ঢাকায় আসছেন না এখনও বাড়ী।

আপনি শেষ যাওয়ার কালে মনে হয় বলছিলেন গ্রামের বাড়ীতে যাচ্ছি হয়ত ক দিন বিরত থাকবেন, তাই বললাম।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:৫২

সনেট কবি বলেছেন: বাড়ি থেকে ঝালকাঠি ফিরেছি। আর ফিরেই আপনাকে পেয়ে ভালো লাগছে।

৩| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৩

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
আপনি এখন কেমন আছেন ?

অনেক দিন পর।

শুভকামনা।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:৫৫

সনেট কবি বলেছেন: এখন মোটামুটি আছি, আলহামদুলিল্লাহ।

৪| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:৪৭

যুক্তি না নিলে যুক্তি দাও বলেছেন: মনোযোগ দিয়ে পড়লাম খুব ভাল লাগল। ব্লগে ফেরাই স্বাগতম।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:৫১

সনেট কবি বলেছেন: মনোযোগ দিয়ে পড়ায় অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

৫| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৩:০৭

আলোর পথে বিডি বলেছেন: ইমাম আ’যম আবূ হানীফা নু’মান ইবন সাবিত (রাহ) বলেন:

তাঁর সৃষ্টির মধ্যে কোনো কিছুই তাঁর সাথে তুলনীয় নয়। তিনি তাঁর সৃষ্টির কোনো কিছুর মত নন। তিনি অনাদি কাল থেকে অনন্ত কাল বিদ্যমান, তাঁর নামসমূহ এবং তাঁর যাতী (সত্তীয়) ও ফি’লী (কর্মীয়) সিফাত (বিশেষণ)সমূহসহ। তাঁর সত্তীয় বিশেষণসমূহ: হায়াত (জীবন), কুদরাত (ক্ষমতা), ইলম (জ্ঞান), কালাম (কথা), সাম’ (শ্রবণ), বাসার (দর্শন) ও ইরাদা (ইচ্ছা)। আর তাঁর ফি’লী সিফাতসমূহের মধ্যে রয়েছে: সৃষ্টি করা, রিয্ক প্রদান করা, নবসৃষ্টি করা, উদ্ভাবন করা, তৈরি করা এবং অন্যান্য কর্মমূলক সিফাত বা বিশেষণ। তিনি তাঁর গুণাবলি এবং নামসমূহ-সহ অনাদিরূপে বিদ্যমান। তাঁর নাম ও বিশেষণের মধ্যে কোনো নতুনত্ব বা পরিবর্তন ঘটে নি। তিনি অনাদিকাল থেকেই তাঁর জ্ঞানে জ্ঞানী এবং জ্ঞান অনাদিকাল থেকেই তাঁর বিশেষণ। তিনি অনাদিকাল থেকেই ক্ষমতাবান এবং ক্ষমতা অনাদিকাল থেকেই তাঁর বিশেষণ। তিনি অনাদিকাল থেকেই তাঁর কথায় কথা বলেন এবং কথা অনাদিকাল থেকেই তাঁর বিশেষণ। তিনি অনাদিকাল থেকেই সৃষ্টিকর্তা এবং সৃষ্টি করা অনাদিকাল থেকেই তাঁর বিশেষণ। তিনি অনাদিকাল থেকেই তাঁর কর্মে কর্মী, কর্ম অনাদিকাল থেকে তাঁর বিশেষণ। আল্লাহ তাঁর কর্ম দিয়ে যা সৃষ্টি করেন তা সৃষ্ট, তবে আল্লাহর কর্ম সৃষ্ট নয়। তাঁর সিফাত বা বিশেষণাবলি অনাদি। কোনো বিশেষণই নতুন বা সৃষ্ট নয়। যে ব্যক্তি বলে যে, আল্লাহর কোনো সিফাত বা বিশেষণ সৃষ্ট অথবা নতুন, অথবা এ বিষয়ে সে কিছু বলতে অস্বীকার করে, অথবা এ বিষয়ে সে সন্দেহ পোষণ করে, তবে সে আল্লাহর প্রতি ঈমান-বিহীন কাফির।

"মহাশূন্য থেকে তিনি হয়েছেন ।" কথাটার সাথে একমত নই ।সঠিক ব্যাখ্যা প্রয়োজন । আল্লাহ আমাদেরকে সঠিকভাবে আল্লাহ কে চিনার ও বুঝার তওফিক দান করুন ।আমিন ।

জাজাক আল্লাহ খাইরান ।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৩:৩৫

সনেট কবি বলেছেন: আল্লাহ বলেছেন,‘কুলহু আল্লাহু আহাদ- বল আল্লাহ এক’। আল্লাহর আগে কি? প্রশ্ন করায় ইমাম আবু হানিফা(রঃ) নিজেই উত্তর করেছেন যেহেতু আল্লাহ এক এবং যেহেতু একের আগে শূণ্য কাজেই আল্লাহর আগে শূণ্য। এখন শূণ্য থেকে আল্লাহ কিভাবে হলেন? এর উত্তর আল্লাহ নিজেই দিয়েছেন সূরা ইখলাছের ৫ম এবং সূরা আর রাহমানের ২৬ ও ২৭ আয়াতে। এখানে আল্লাহর সৃষ্টিকর্তা কেউ নেই তিনি নিজেই হয়েছেন। তিনি বলেছেন তাঁরমতো কেউ হতে পারেনি। তো অন্যেরা বানালে হয়। তাাঁর মতো যেহেতু কেউ হয়নি সুতরাং তিনি নিজে নিজে হয়েছেন। তিনি এক, তাঁর পূর্বে শূণ্য যে শূণ্য থেকে তিনি একা হয়েছেন সে শূণ্যে তিনি একাই ছিলেন। তাহলে শূণ্যে ছিলেন তিনি তার থেকে একা হয়েছেন তিনি। সে জন্য সব গুণসহ তিনি অনাদি। শূণ্য থেকে তাঁর হওয়াতে তাঁর অনাদি গুণের কোন সমস্যা হচ্ছে না।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:০৬

সনেট কবি বলেছেন: আল্লাহ অনাদি এবং তাঁর সব গুণ অনাদি এর মানে হলো আল্লাহ ও তাঁর গুণের আগে কিছু নেই। তো কিছু না থাকা আর শূণ্য থাকা তো এক কথাই। কারণ শূণ্য মানেইতো কিছু না। তার মানে আল্লাহ ও তাঁর গুণাবলী কিছু না থেকে হয়নি বা কোন কিছু থেকে হয়নি। এবার আপনি বলুন আবু হানিফার (রঃ) কথার সাথে আমার কথার গরমিলটা কোথায়?

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:০৯

সনেট কবি বলেছেন: যে কালের আদি নেই সে কাল অনাদি কাল। তো এর আগে শূণ্য থাকা বা কিছু না থাকা অনাদির কি ব্যাঘাত ঘটায়? শূণ্য কি আর কোন কিছুতে গণ্য?

৬| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৩:০৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ভালো আছেন দেখলাম, তাই আর জিজ্ঞেস করলাম না। অনেকদিন পর আপনাকে ব্লগে দেখে ভালো লাগলো।

আপনার লেখার ব্যাপারে যদি বলি, বলেছেন, আল্লাহকে বিশ্বাস করা ফরজ, এটাই মূল কথা, নিঃশর্ত আত্মসমর্পন, প্রমানে যাওয়া নিরর্থক। আল্লাহকে প্রমান করে বিশ্বাস করার কিছু নাই।
এখন যারা অবিশ্বাসী তারা বরাবরের মতোই কাউন্টার যুক্তি দেখাবে, বিশ্বাসীদের জন্য তা দেখা জরুরী না।
কারন এই বিতর্ক যুগ যুগ ধরে চলে অাসছে, যুগ যুগ ধরে চলতেই থাকবে!!!
ধন্যবাদ। অনেক ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন, এই কামনা করি।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৩:৪৫

সনেট কবি বলেছেন: এখন আমি যে যুক্তিগুলো দিলাম তার কাউন্টার যুক্তি তারা দিতে পারছে না। সেটাই আমি দীর্ঘকাল থেকে দেখছি।বিশ্বাসীর জন্য প্রমাণের দরকার নেই সেটা সবাই জানে। কিন্তু অবিশ্বাসী প্রমাণ চায় এটা তার জন্য দরকার। আমি প্রমাণ দেওয়ার পর তারা এখন আর অন্ধবিশ্বাসী বলছে না। বরং তাদেরকে অন্ধ অবিশ্বাসী বলা যাচ্ছে। মুশরিকদের বিশ্বাসকে আল্লাহ বলেছেন কাল্পনিক। আর তিনি নিজেও তাঁর বিশ্বাসের সঠিকতার যথেষ্ট প্রমাণ দিয়েছেন। ইব্রাহীমও (আঃ) নমরূদের সাথে তাঁর বিশ্বাসের পক্ষে যথেষ্ট যুক্তি দেখিয়েছেন। কাজেই আল্লাহকে প্রমাণ করা দোষনীয় নয়।

৭| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:০১

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: কেউ এক ঈশ্বরের সংজ্ঞা জানতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৪

সনেট কবি বলেছেন: আপনার কাছ থেকে আরো বড় মন্তব্য আশা করেছিলাম। যাক ছোট হলেও একটা মন্তব্য রেখেছেন সে জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৮| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:২০

চাঁদগাজী বলেছেন:



আপনি ভালো আছেন জেনে খুবই ভালো লাগছে! আপনার চাকুরী ইত্যাদি নিয়ে কোন সমস্যা নেই তো?

আপনার বই প্রকাশিত হয়েছে শুনে খুশী হলাম।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৭

সনেট কবি বলেছেন: চাকুরীতে এখনো জয়েন্ট করিনি। সর্বশেষ এনজিও গ্রামের পর একমাস বেড রেস্ট দিয়েছে। সেটা শেষ হলে চাকুরীতে জয়েন্ট করব ভাবছি।

৯| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০৩

তারেক ফাহিম বলেছেন: আপনাকে পেয়ে আমারও ভালো লাগলো।

ভালো আছেন নিশ্চয়, তাই বলিনি কেমন আছেন।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৮

সনেট কবি বলেছেন: আন্তরিকতার জন্য অনেক ধন্যবাদ ফাহিম ভাই।

১০| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:৪৭

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: ব্যস্ততার কারণে দুই তিন দিন যাবৎ ব্লগে সময় দিতে পারছিনা। কয়েক দিন পর নিয়মিত হবো ইন-শা-আল্লাহ।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:৫৯

সনেট কবি বলেছেন: আপনার ব্যস্ততা কাটার অপেক্ষায় থাকলাম।

১১| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:৪৮

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: ফেরত এসেছেন ভালো লাগছে। আশা করি সামনের দিন ভালো কাটবে।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১১:০১

সনেট কবি বলেছেন: দোয়া করবেন যেন আল্লাহর করুণালাভে ধন্য হতে পারি।

১২| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১১:২৪

মোহাম্মদ সাজ্জাদ খান বলেছেন: বিস্‌মিল্লাহির রাহ্‌মানির রাহীম

কু’ল হুয়া ল্লা-হু আহাদ ৷
আল্লা-হু স্‌সামাদ ৷
লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইয়ুলাদ ৷
ওয়া লাম ইয়াকু ল-লাহু কুফুওয়ান আহাদ!
(বলো, তিনিই আল্লাহ্‌, অদ্বিতীয়!
আল্লাহ অমুখাপেক্ষী ।
তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাকে জন্ম দেয়নি।
তাঁর সমকক্ষ আর কিছুই নেই!)


সূরা ইখলাসের ৫ম আয়াত পেলেন কোথা থেকে ?

"আল্লাহ্র পূর্বে মহাশূন্য ছিল " এ ধারণাটা ই ভুল |

ইমাম আবু হানিফা কখন বললেন আল্লাহ র পূর্বে শূন্য ?

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১১:৩৮

সনেট কবি বলেছেন: চতুর্থের স্থলে পঞ্চম বলা হয়েছে। শূণ্য সে শূণ্যই হোক আর মহাই হোক শূণ্য মানে কিছুই না। তো আল্লাহর পূর্বে কিছুই না থাকাতে ভুলটা পেলেন কোথায়? ইমাম আবু হানিফা বাল্যকালে নাস্তিকের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে তেমনটা বলেছেন। আর সমকক্ষ, সমতুল্য, মতো এক কথা। লাম ইয়াকুন মানে হতে পারেনি।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১১:৪৮

সনেট কবি বলেছেন: আল্লাহ এক হলে তাঁর পূর্বে গাণিতিক নিয়মে শূণ্যই থাকে। অন্য কিছু থাকেনা। আর শুণ্য মানে কিছুনা। আর আল্লাহর পূর্বে কিছুনা ‘ই থাকার কথা, কিছু থাকার কথা নয়। এখন আল্লাহর পূর্বে শূণ্য না থাকলে কি ১ থেকে ৯ পর্যন্ত কিছু ছিল? আর আপনি যদি বলেন আল্লাহর পূর্বে কিছুই ছিলনা। তো সে কিছুই না থাকাকে গণিতের ভাষায় শূণ্য বলে।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৭:৩৬

সনেট কবি বলেছেন: আল্লাহ অনাদি ও অনন্ত। তাঁর আগে ও পরে কিছু নেই। আর কিছু না থাকা আর শূণ্য থাকা এক কথা। কারণ শূণ্য মানেই কিছু না থাকা বা ফাঁকা স্থান। কেউ যদি বলে আল্লাহর পূর্বে শূণ্য নেই তবে সে আল্লাহর পূর্বে অন্য কিছু থাকার ঘোষণা প্রদান করে। যা সুস্পষ্ট শিরেকী। কাজেই আল্লাহর পূর্বে শূণ্য এর অবস্থান মেনেই মুমিন হতে হবে।

১৩| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৯:৫১

নতুন নকিব বলেছেন:



জমে উঠছে মা-শাআল্লাহ! শুভকামনা।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১০:২৬

সনেট কবি বলেছেন: আল্লাহ আউয়াল, আল্লাহ আখির। আল্লাহ প্রথম, আল্লাহ শেষ। প্রথমের পূর্বে কি? কিছু না। শেষের পরে কি? কিছু না। কিছু না মানে কি? শূণ্য। তাহলে আল্লাহর আগে ও পরে শূণ্য। মাঝখানে আল্লাহ এক। তারমানে শূণ্য এক শূণ্য। মোটের উপর শূণ্য ও এক। আল্লাহর পূর্বে শূণ্য থাকা মানে কিছু না থাকা এটাই অনেকে বুঝে না। আল্লাহর পূর্বে এ শূণ্য থাকার কারণেই আল্লাহ অনাদি ও অননন্ত এবং চিরন্তন।
এমন সময় ছিল না যখন আল্লাহ ছিলেন না। কারণ সময় আল্লাহ থেকে আলাদা নয়। আল্লাহ বলেছেন, ‘ইয়াসআলুনাকা আনিদ দাহরি- তোমাকে মহাকাল সম্পর্কে জিজ্ঞাস করা হচ্ছে, বল আমিই মহাকাল’। তারমানে আল্লাহ নিজেই মহাকাল। তাহলে সময়কে আল্লাহর থেকে কিভাবে আলাদা করা যায়? সব কিছুর শুরু আল্লাহ থেকেই। কাজেই তাঁর আগে কিছু থাকা সম্ভব নয় বরং কিছুনা থাকা সম্ভব। আর কিছুনা মানে শূণ্য। আল্লাহর পূর্বের এ শূণ্যকে অস্বীকার করা হলে আল্লাহর পূর্বে কোন কিছু থাকার কথা স্বীকার করা হয়। তাতে আল্লাহর আউয়াল নামক গুণ অস্বীকার করা হয়। যা মূলত কুফরী।

১৪| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:১৯

হাফিজ বিন শামসী বলেছেন:


জেনে ভাল লাগল যে "আল্লাহর অকাট্য প্রমাণ" নামে আপনার লিখিত বই প্রকাশ পেয়েছে।
এই লেখাটা সময় নিয়ে পরে পড়ে নেব।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:৫৫

সনেট কবি বলেছেন: লেখাটা যেহেতু আপনাদের জন্য। সুতরাং আপনারা পড়লেই আমার পরিশ্রম সার্থক হবে।

১৫| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:২২

কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: সালাম, ভাল আছেন জেনে খুশি হলাম।

একই কথা এক ভাবে বল্লে যে অর্থ হয় অন্য ভাবে বল্লে তা বদলে যায়। তাই 'মহাশুন্য থেকে আল্লাহ' বা 'আল্লাহর আগে ও পরে মহাশুন্য' - এ'ভাবে বলার চেয়ে আল্লাহর আগে পরে 'কিছু নাই' বলাই মনে হয় উত্তম। কারণ 'শুন্য'ও একটা কিছু, গনিতে এই 'শুণ্য' এর ব্যাবহারও একজনকে আবিষ্কার করতে হয়েছে ( নামটা মনে নাই )।

আর বিশ্বাসের ক্ষেত্রে সন্দেহের সুযোগও থাকা উচিত। যখন সন্দেহের সুযোগ থাকে না তখন আসলে বিশ্বাসের মুল্যও থাকে না। ফেরাউন নীল নদে ডুবে যাওয়ার সময় আল্লাহর উপর বিশ্বাস স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছিল কিন্তু তার কোন মুল্যায়ন হয়নি কারণ তখন আর তার পক্ষে সন্দেহের/অবিশ্বাসের সুযোগ ছিল না। একই ভাবে যখন আকাশের দরজা খুলে যাবে, ফেরেশতারা নাজিল হবে, কেয়ামত সংঘটিত হবে - তখন আর বিশ্বাসের মুল্য থাকবে না।

কাজেই মানুষের পরীক্ষার প্রয়োজনেই কেয়ামতের আগে পর্যন্ত সন্দেহের সুযোগ থাকবে - বক্র হৃদয়ের মানুষেরা সেই সন্দেহের আবর্তে হাবুডুবু খাবে। আর বিশ্বাসিরা সকল সন্দেহ/সংশয় অতিক্রম করে দৃঢ় চিত্তে এগিয়ে যাবে - এটাই এই দুনিয়ার বাস্তবতা।

ধন্যবাদ

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:৫৩

সনেট কবি বলেছেন: নাস্তিকেরা আমার নিকট আল্লাহর থাকার প্রমাণ চেয়েছিল। আমি তাদেরকে আল্লাহর থাকার অকাট্য প্রমাণ দিয়েছি। প্রয়াত অভিজিৎ রায় ‘শূণ্য থেকে মহাবিশ্ব’ পুস্তক রচনা করে তার নাস্তিক্যবাদী দর্শন প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছে। আর আমি তার দর্শন গুঁড়িয়ে দিতে চেয়েছি। হকিন্সও শূণ্য নিয়ে কাজ করেছেন। নাস্তিকদের বুঝানোর জন্য আমি তাদের প্রিয় শূণ্য ঝেটিয়ে বিদায় করিনি। বরং যে যেটা দিয়ে বুঝে ভাল তাকে সেটা দিয়ে বুঝাতে চেয়েছি। তো কারো যদি শূণ্যতে এলার্জি থাকে সে কিছু না নিয়ে পড়ে থাকুক। আমি বলতে চাই কিছু না ও শূণ্য মূলত একই জিনিস। এমনিতেও শূণ্য বলতে ফাঁকা স্থান বুঝায়।
যার সন্দেহ সে প্রমাণ ছাড়াই সন্দেহ করুক। আমি অকাট্য প্রমাণে সন্দেহ মুক্ত থাকতে চেয়েছি। আর আপনার সারগর্ভ মন্তব্যের মজাই আলাদা। আমি মনে করেছি এ কঠিন গর্তে আপনি ঠাঁই পাবেন না। এখন দেখি এখানেও আপনি ঠাঁই ঠিক বের করে নিয়েছেন। সত্যিকার অর্থে আনন্দ পেয়েছি। চমৎকার মন্তব্যের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

১৬| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:৩৪

মোহাম্মদ সাজ্জাদ খান বলেছেন: আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:
'আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন, ‘আদম সন্তান আমাকে পীড়া দেয়। কারণ, সে যুগ বা সময়কে গালি দেয়। অথচ আমিই হচ্ছি [যুগ] সময়। আমিই [সময়ের] রাত-দিনকে পরিবর্তন করি’। [সহীহ বুখারি, হাদিস নং ৪৭২৬; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২২৪৬]

অন্য বর্ণনায় আছে, ‘তোমরা যুগকে গালি দিওনা। কারণ, আল্লাহই হচ্ছেন যামানা’। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২২৪৬]

আল্লাহ এমন এক সত্তা যিনি সৃষ্ট নন ,তিনি অস্তিত্বে আসেন নি বরং "সর্বদা অস্তিত্বশীল"এবং তিনি সৃষ্টি জগতের স্থান -কাল কাঠামোর অংশ নন |আর এজন্যই তিনি অসৃষ্ট বা অবস্তু , ফলে তার সৃষ্ট হওয়ার প্রয়োজন নেই |

জাজাক আল্লাহ খাইরান |

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১:৩৭

সনেট কবি বলেছেন: আল্লাহ এমন এক সত্তা যিনি সৃষ্ট নন ,তিনি অস্তিত্বে আসেন নি বরং "সর্বদা অস্তিত্বশীল"এবং তিনি সৃষ্টি জগতের স্থান -কাল কাঠামোর অংশ নন |আর এজন্যই তিনি অসৃষ্ট বা অবস্তু , ফলে তার সৃষ্ট হওয়ার প্রয়োজন নেই | এ কথার কি প্রমাণ আছে?

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ ভোর ৬:৪০

সনেট কবি বলেছেন: ক্বোরআন ও হাদিস অনুযায়ী সময় আল্লাহর সত্ত্বাগত। আর সাকুল্যে আল্লাহ বিদ্যমান বা বিরাজমান। এর সাথে আল্লাহর পূর্বে কিছু না থাকার কথাই স্বীকার্য। তো কিছু না থাকাই হলো শূণ্য।

১৭| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:৪৪

মোহাম্মদ সাজ্জাদ খান বলেছেন: তিনি ‘শাইউন’: ‘বস্ত্ত’ বা ‘বিদ্যমান অস্তিত্ব’, তবে অন্য কোনো সৃষ্ট ‘বস্ত্ত’ বা ‘বিদ্যমান বিষয়ের’ মত তিনি নন। তাঁর ‘শাইউন’- ‘বস্ত্ত’ হওয়ার অর্থ তিনি বিদ্যমান অস্তিত্ব, কোনো দেহ, কোনো জাওহার (মৌল উপাদান) এবং কোনো ‘আরায’ (অমৌল উপাদান) ব্যতিরেকেই।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১:৩৯

সনেট কবি বলেছেন: যা বললেন তা’ যে সঠিক তার কি প্রমাণ আছে?

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ ভোর ৬:৩১

সনেট কবি বলেছেন: তিনি ‘শাইউন’ এটা আপনি কোথায় পেলেন? কোন উপাদান ছাড়া যদি তিনি হয়ে থাকেন তবেতো তাঁর মাঝে সে উপাদানের অভাব রয়েছে। আর এ কথা দ্বারা তাঁর নিরভাব হওয়ার কথা অস্বীকার করা হয়। যা সূরা ইখলাছের ২ নং আয়াতের খেলাপ। যা সুস্পষ্ট কুফুরী। কেন যে এসব মনগড়া কুফুরী মত প্রচার করেন, বুঝা মুশকিল।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ ভোর ৬:৩৪

সনেট কবি বলেছেন: আল্লাহর মাঝে কোন উপাদান নেই ঘটনা এমন নয়। বরং তাঁর মাঝে সব উপাদান আছে শক্তিরূপে, পদার্থরূপে নয়।

১৮| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:১৮

মোহাম্মদ সাজ্জাদ খান বলেছেন: "আল্লাহ অনাদি ও অনন্ত। তাঁর আগে ও পরে কিছু নেই। আর কিছু না থাকা আর শূণ্য থাকা এক কথা।"

গণিতে 'শূণ্য' এর একটা মান আছে |

"আল্লাহ এমন এক সত্তা যিনি সৃষ্ট নন ,তিনি অস্তিত্বে আসেন নি বরং "সর্বদা অস্তিত্বশীল"এবং তিনি সৃষ্টি জগতের স্থান -কাল কাঠামোর অংশ নন |আর এজন্যই তিনি অসৃষ্ট বা অবস্তু , ফলে তার সৃষ্ট হওয়ার প্রয়োজন নেই | "কথা গুলি উপলব্ধির |
যেহেতু আল্লাহ ই সৃষ্টিকর্তা ,অতএব আল্লাহর "পূর্বে" বলে কিছু নেই |

"তিনি ‘শাইউন’: ‘বস্ত্ত’ বা ‘বিদ্যমান অস্তিত্ব’, তবে অন্য কোনো সৃষ্ট ‘বস্ত্ত’ বা ‘বিদ্যমান বিষয়ের’ মত তিনি নন। তাঁর ‘শাইউন’- ‘বস্ত্ত’ হওয়ার অর্থ তিনি বিদ্যমান অস্তিত্ব, কোনো দেহ, কোনো জাওহার (মৌল উপাদান) এবং কোনো ‘আরায’ (অমৌল উপাদান) ব্যতিরেকেই।" --কথাগুলি ইমাম আ’যম আবূ হানীফা নু’মান ইবন সাবিত (রাহ) বলেন |অসাবধানতা বশত: রেফারেন্স দেয়া হয়নি | দু:খিত |

আল্লাহ আমাকে ,আপনাকে এবং মুসলিম উম্মাকে 'আল্লাহ' সম্বন্ধে সঠিক জ্ঞান দান করুন |


জাজাক আল্লাহ খাইরান |

০৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ ভোর ৬:৪১

সনেট কবি বলেছেন: আল্লাহর মধ্যে কোন কিছু নেই সৃষ্টি রূপে। কারণ তিনি সৃষ্টি থেকে আলাদা বৈশিষ্টের। সৃষ্টির বৈশিষ্ট উহা সসীম। আল্লাহর বৈশিষ্ট তিনি অসীম। আর সৃষ্টি অসীম হতে পারে না।কাজেই আল্লাহর মধ্যে সব কিছু আছে অসীম রূপে।পদার্থ ও সসীম শক্তি সৃষ্টি। এগুলো আল্লাহর সত্ত্বাগত নয়। আমাদের চুলার আগুন, আমাদের বাতির আলো, লোহা ও পানি আল্লাহর সত্ত্বাগত নয়। বরং সব কিছু অসীম শক্তিরূপে আল্লাহর সত্ত্বাগত। আবু হানিফার (রাঃ) কথা ঠিক মৌল উপাদান লোহা, যৌগ উপাদান পানি আল্লাহর সত্ত্বাগত নয়। এমন কি পানির উপাদান অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন আল্লাহর সত্ত্বাগত নয়। আল্লাহর সত্ত্বাগত হলো যে অসীম শক্তি থেকে আল্লাহ অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন সৃষ্টি করেছেন। আপনার চুল আপনার সত্ত্বাগত কিন্তু আপনি আপনার চুল দিয়ে উল তৈরী করলে সে উল আপনার সত্ত্বাগত নয়। বরং উহা আপনার সৃষ্টি। কাজেই ইমাম আবু হানিফার কথা আমার কথার সাথে সাংঘর্ষিক নয়।

০৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ ভোর ৬:৪৪

সনেট কবি বলেছেন: শূন্যকে যোগ বিয়োগ গুন ভাগ যাই করা হয় না কেন এর মানের কোন পরিবর্তন হয় না। সুতরাং শূন্যের কোন মান নেই।

০৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ ভোর ৬:৫৫

সনেট কবি বলেছেন: আল্লাহর পূর্বে শূন্য ছিল। সেই শূন্যে আল্লাহ ছিল। সুতরাং আল্লাহর পূর্বে ঘোড়ার ডিম ছিল। এবার আপনি ঘোড়ার ডিম নিয়ে গবেষণা করুন।

০৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৭:০৯

সনেট কবি বলেছেন: মনে করি আবুলের বয়স ‘ক’। অংক করার পর আবুলের বয়স হয় ৭০। এখন যদি আপনি বলেন আবুলের বয়স ‘ক’ এটা ভুল। তো এটা যে ভুল সেটা সবাই জানে। কারণ আবুলের বয়স সত্তর। এখন সত্তর না পাওয়া পর্যন্ত আমাকে বাধ্য হয়ে ‘ক’-তে থাকতে হচ্ছে।এখানে ০ ও ১, ক ও ৭০ এর মতো। আমি শূন্য মনে করি ১ এর হিসেব মিলাতে। এটাতে ভুল শুদ্ধ বলার কিছু নেই।

০৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৭:৪৩

সনেট কবি বলেছেন: আল্লাহ বলেছেন,‘কুল্লুমান আলাইহা ফান-তাতে সব বিলিন হয়’- আর রাহমান, আয়াত নং ২৬। কোথায় বিলিন হয়? আর যদি বলেন, ‘তাতে সব বিলিন হবে’ তো কোথায় বিলিন হবে? আল্লাহ সে স্থানের নাম বলেননি। তো সে স্থানের নাম শূন্য ছাড়া কি হতে পারে? শূন্য ছাড়া কিছু হলেতো আপনি আল্লাহর পূর্বে কিছু থাকা স্বীকার করলেন। আলাইহাতে সব বিলিন হয়ে আল্লাহ থাকেন, আলাইহা কি? শূন্য ছাড়া অন্য কিছু? কাজেই ০ মনে করার কাজটা আমি নই আল্লাহ নিজেই করেছেন।আলাইহা একটা স্থান যাতে সব বিলিন হয়ে আল্লাহ বাকী থেকেছেন। আলাইহা একটা স্থান যাতে সব বিলিন হয়ে আল্লাহ থাকবেন। যেহেতু আল্লাহ স্থান থেকে পবিত্র সেহেতু সে স্থান শূন্য স্থান ছাড়া অন্য কোন স্থান হতেই পারে না। মহাশূন্যে আল্লাহ ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন। তাঁকে এর থেকে আলাদা করতে পাবেন না। যখন কোন স্থান থাকবে না সব ফান হবে তখন আল্লাহ কোথায় থাকবেন? নিশ্চয়ই সে স্থান শূন্য স্থান। আর স্থান না থাকলে সেটা শূন্য স্থানই হয়। কাজেই আল্লাহকে শূন্য থেকে সরাতে পাবেন না।

০৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৭:৪৬

সনেট কবি বলেছেন: আপনি যদি মহা শূন্যকে অস্বীকার করেন তবে আলাইহাতে সর্বনাম হিসেবে যে স্থানের কথা বলা আছে তার বিশেষ্য কি সেটা আপনাকে বলতেই হবে।

০৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:০৫

সনেট কবি বলেছেন: আল্লাহর একটা গুণনর নাম হলো আখির। আখির মানে শেষ বা পরে। এখন শেষ এর আগে কিছু না থাকলে শেষ কেমন করে হয়? কিন্তু আল্লাহর আগে তাঁর সৃষ্টি থাকা অসম্ভব। একাধীক আল্লাহ না থাকায় আরেকটা আল্লাহ থাকাও অসম্ভব। এরপর শূন্য ছাড়া আর কিছু বাকী নেই যা আল্লাহর পূর্বে থাকতে পারে। এখন শূন্য হলো আল্লাহর পূর্বে লৌহ শূন্য, তামা শূন্য, পানি শূন্য। এভাবে অনেক শূন্য তারপর আল্লাহ আখির। আবার আল্লাহ যদি আখির হন তবে তাঁর পরেও শূন্য। কাজেই আল্লাহর গুন বলে তাঁর পূর্বে ও পরে অবশ্যই শূন্যের অবস্থান।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.