নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভাবনায় ভেবে যাচচি

শিশু বাচ্চা

শিশু বাচ্চা › বিস্তারিত পোস্টঃ

নীল পানির দ্বীপে । সেন্টমার্টিন\'স । ( ভ্রমন ) কিস্তি -১

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:৫৩

গতকাল খুলনা ঘুরে আসার মধ্যে দিয়ে ৫৫ তম জেলা খুলনা ঘুরে আসলাম । ঢাকা এসে আবার সেই দম বন্ধ করা রোবঅটিক জীবনে যখন আমি দিশেহারা তখনি জানতে পারলাম সেন্টমার্টিন যাবার প্লেন করছে ডিপার্টমেন্ট থেকে । কক্সবাজার গিয়েছি অনেকবার কিন্তু সেন্টমার্টিন যাওয়া হয়নি। অনেকেই বল সেন্টমার্টিন যাওয়ার পর নাকি কক্সবাজার আর ভালো লাগবে নাহ । রেজিষ্ট্রেশন করে নিলাম । যাত্রার ডেইট ২৫ অক্টোবর । এক্সম থাকার কারণে সব মনযোগ ঐদিকে থাকলেও যান্ত্রীক কোলাহল থেকে যখন ক্লান্ত শরীর বিছানায় যায় তখন শুধু দিন গুনা কবে যাচ্ছি সেখানে ।

এর মাঝে শুনি তারিখ পিছানো হচ্ছে । জাহাজের নাকি এখনো ক্লিয়ারেন্স পাচ্ছে না । উপকূলীয় এলাকায় বাচ্চা টাইপের ঝড়ের জন্য নাকি আরো পিছিয়ে যাবে জাহাজের ক্লিয়ারেস । এক্সম শেষ । সবাই সবার মতোন বাড়িতে যাচ্ছে কেউ বা যাত্রার আগের দিন আসবে কেউ সে দিন । নতুন যাত্রার ডেইট ৭ নভেম্বর ।

অপেক্ষার পালা শেষ করে আসল সেই দিন,

দুপুরের আগে সবাই ক্যাম্পাসে । টুকি টাকি জিনিস পত্র কেনা, টি-শার্ট নেয়া । ঢাকা থেকে যা যা সাথে নিবে সব এক নজরে দেখা । আমাদের ২ টি ফুটবল কোথাও পাচ্ছিলাম নাহ । এক ভাইয়া ব্যাগে ছিল । কিন্তু তাকেই খুজে পাচ্ছি নাহ । বিকেলে হালকা নাস্তা করে আমরা সবাই সায়দাবাদের উদ্দেশ্যে সন্ধ্যে ৭ টায় ।

সায়দাবাদে আমাদের বাস ছাড়ার কথা৮ টায় । কারণ কুমিল্লার জ্যামে আমরা নিজেরাই মাঝে মাঝে টেনশনে পড়ে যেতাম । শিপ কারো জন্য অপেক্ষা করে নাহ । আমাদের বাস ছাড়তে ছাড়তে ৮ টা ৩০ বেজে গেলো । টেনশন হচ্ছিল যদি আমারা শিপ মিস করি .।

বাসে উঠে কি আর টেনশন থাকে, গান, চিল্লা চিল্লি হৈ হৈল্লুরে সব ভুলে গেলাম । কুমিল্লায় আমাদের ১৫ মিনিটের যাত্রা বিরতি । আমারা অনেক লেইটে ছিলাম । তার উপর জ্যাম । খাবারের জন্য তো আর শিপ মিস করতে পারি না!

খাবার খেয়ে অনেকেই ঘুমে চলে যাচ্ছে । কিন্তু অনেকেই শরীরের শক্তি চলে আসছে । আবার নতুন উদ্ধ্যেমে গান নাচ চলছে । সকাল ৮ টায় ঝেটির পাশে এসে বাস দাড়াল । ঝটপট চোখে মুখে পানি নিয়ে দ্রুত নাস্তা করে সবাই শিপে । ব্যাগ জায়গা মতো রেখে সবাই শিপের বারান্দার । নীল পানির সাথে আকাশের মিতালি দেখবে সবাই । শিপ ছাড়ল

টেননাফ থেকে আমাদের গন্তব্য এখন নারিকেল জিঞ্জিরা

শিপ চলছে সবাই ছবি তুলছে, কেউ বা হা করে তাকিয়ে নাফ নদী পাশে দাঁড়িয়ে থাকা পাহাড় দেখছে । কি অদ্ভুত সৌন্দর্য দেখে মুদ্ধ সবাই ।

অনেকক্ষন শিপের এইকোণা টু ঐকোণা ঘুরা ঘুরির পর সিটে বসে পাওয়ার ন্যাপ নিতেই শব্দে ঘুম ভাংল

ওহ আচ্ছা সেন্টমার্টিন নিয়ে তো বলাই হয় নি - সেন্টমার্টিন একটি ছোট দ্বীপ যা বাংলাদেশের সীমানার সর্ব দক্ষিণে অবস্থিত। নয়নাভিরাম সৌন্দর্য অবলোকনের ও ভ্রমণের একটি আকর্ষণীয় পর্যটন এলাকা। এটি বঙ্গোপসাগরের উওর-পূর্ব অংশে এবং টেকনাফ থেকে ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। আরবের কিছু নাবিক ২৫০ বৎসর পূর্বে এটি আবিস্কার করে। তারা এটিকে “জাজিরা” নামকরণ করেন। বৃটিশ শাসনের সময়কালে এটিকে পুনরায় “সেন্টমার্টিন” দ্বীপ নামে নামকরণ করা হয়। দ্বীপটির স্থানীয় নাম নারিকেল জিনজিরা।
এটিই বাংলাদেশের একমাএ প্রবাল দ্বীপ। এর আয়তন ৮ বর্গ কিলোমিটার। ২০০৬ সালের হিসেব অনুযায়ী এর জনসংখ্যা ৭,০০০ জন। এবং এর ঘনত্ব প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৮৭৫ জন। সেন্টমার্টিনের ব্যপিÍতে ছেঁড়াদ্বিপ নামে একটি সংযোযিত অংশ রয়েছে।


শিপ থেকে নেমে আমি দিশে হারা এত্তো মানুষ ছিল ? তখন সবাই বসে দাঁড়িয়ে ছিল সেজন্য বুঝতে পারি নি কেমন মানুষ ছিল সেখানে ।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:১৮

আতোয়ার রহমান বাংলা বলেছেন: সুন্দর, তবে বানানের দিকে একটু খেয়াল রাখলে আরও ভালো হতো আর ছবি ছাড়া ভ্রমণকাহিনী ঠিক জমে না, ধন্যবাদ।

২| ২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:০৯

রাজীব নুর বলেছেন: ৫৫ জেলা ঘুরেছেন??
গ্রেট। জাস্ট গ্রেট।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.