![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
পেশায় সাহিত্যের শিক্ষক। মতাদর্শে মার্কসবাদী। কোলকাতার বাসিন্দা
বাংলাদেশে আছড়ে পড়ছে গণ আন্দোলনের ঢেউ। নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা লাখে লাখে জমায়েত হয়েছেন ঢাকার শাহবাগে, জমায়েত হয়েছেন সিলেট, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, বগুড়া, যশোর, কুমিল্লা, কুষ্টিয়া সহ দেশের সর্বত্র। দাবী মুক্তিযুদ্ধের বিশ্বাসঘাতক গণহত্যাকারীদের ন্যায় বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তি চাই, দাবী মৌলবাদকে শিকড় শুদ্ধ বাংলাদেশের মাটি থেকে উৎপাটন করা হোক। প্রবাসী বাংলাদেশীরা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে আন্দোলনের সহমর্মিতায় জারী রেখেছেন বিভিন্ন ধরণের কার্যক্রম। গোটা বাংলাদেশ জুড়ে আন্দোলন কে কেন্দ্র করে এসেছে কবিতা, গান, ছবি, তথ্যচিত্রসহ বিভিন্ন সৃজনধর্মী কাজের এক জোয়ার। মূলত তরুণ প্রজন্মের এই আন্দোলনের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষ, দেশের বিশিষ্ট জনেরা। পাশাপাশি এই আন্দোলন আবার মুখোমুখি হয়েছে জামাতে ইসলামি সহ বিভিন্ন মৌলবাদী সংগঠনের তীব্র বিরোধিতার। ভাঙচুর, বন্ধ, হত্যার মধ্য দিয়ে তারা রুখতে চাইছেন আন্দোলনের গতি, স্থিমিত করে দিতে চাইছেন এর দাবী গুলিকে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আধুনিক গণতান্ত্রিক এক দেশ গড়ে তোলার স্বপ্ন আর মৌলবাদকে টিকিয়ে রেখে কায়েমী স্বার্থসিদ্ধির অভিলাষ এক মুখোমুখি সংঘর্ষে সামিল আজকের বাংলাদেশে।
১৯৫২ র ভাষা শহীদদের আত্মবলিদানের সেই ফেব্রুয়ারী মাসেই আত্মপ্রকাশ করল মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় শাণিত এবারের এই আন্দোলন। ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৩ একটি রায় বেরোয় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন অপরাধগুলির বিচারের জন্য গঠিত ট্রাইবুনালের। সেই রায়ে ’৭১ এর ঘৃণ্য ঘাতক আব্দুল কাদের মোল্লাকে প্রত্যাশিত মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তার নামে অভিযোগ ছিল কবি মেহেরুন্নেসাকে হত্যা, আলুন্দি গ্রামে ৩৪৪ জন মানুষের হত্যার সঙ্গে যুক্ত থাকা, ধর্ষণ ও অন্যান্য অপরাধের। এইসব মারাত্মক অভিযোগের পাঁচটি প্রমাণিত হবার পরও ঘাতককে সর্বোচ্চ শাস্তি না দেবার এই রায়কে বাংলাদেশের জনসাধারণ মেনে নিতে পারেনি। ট্রাইবুনালের রায় প্রকাশের পরেই বিক্ষুব্ধরা প্রতিবাদ জানাতে জমা হন ঢাকার শাহবাগ চত্বরে। প্রথমে বিভিন্ন ব্লগ ও সোশ্যাল ফোরামের মাধ্যমেই ডাক দেওয়া হয় প্রতিবাদের। পরে সংগঠিত গণমাধ্যমগুলিও এর সমর্থনে দাঁড়ায়। দ্রুতই বাড়তে থাকে প্রতিবাদ ও তার অভিঘাত। ঢাকার শাহবাগ চত্বর সহ গোটা দেশ সমস্ত স্তরের মানুষের, বিশেষত তরুণ প্রজন্মের বিক্ষোভে প্লাবিত হয়ে যায়। শাহবাগেই জমায়েত সংখ্যা পাঁচলক্ষ ছাপিয়ে যায়, জনপ্লাবনে ভেসে যায় সিলেট, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, বগুড়া, যশোর, কুমিল্লা, কুষ্টিয়া সহ গোটা বাংলাদেশের বিক্ষোভ কেন্দ্রগুলি। পাশাপাশি যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তির প্রক্রিয়া ও চলমান আন্দোলনকে রুখতে সক্রিয় হয়ে ওঠে জামায়েতে ইসলামি সহ বিভিন্ন মৌলবাদী সংগঠন, বাংলাদেশে যাদের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংগঠনিক প্রতিপত্তি যথেষ্ট। এতদ সত্ত্বেও যুদ্ধাপরাধীদের উপযুক্ত শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ বর্তমানে বাংলাদেশকে এক যুগসন্ধিক্ষণে এনে দিয়েছে। বিচারের একটি রায়কে উপলক্ষ্য করে যে আন্দোলনের সূত্রপাত, তা নিয়ে আন্দোলন সংঘর্ষ বাংলাদেশের রাজনৈতিক চেহারাকে নতুন করে নির্মাণ করতে আজ উদ্যত হয়েছে।
’৭১ এ বাংলাদেশের স্বাধীনতার সঙ্গেই যুক্ত হয়ে গিয়েছিল অজস্র মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যার করুণ ঘটনা, শত সহস্র নারীর লাঞ্ছনার বেদনাদায়ক ইতিবৃত্ত। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পূর্ব পাকিস্থানের একদল মানুষ মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে পাকিস্থানের পক্ষ নিয়ে এই অপরাধ সংগঠিত করেছিল। দেশদ্রোহী এই মানুষগুলিই, যারা মূলত ছিল জামায়েতে ইসলামি ও তার বিভিন্ন গণ সংগঠনের সদস্য, সমর্থক; বাংলাদেশে ‘রাজাকার’ নামে কুখ্যাত। যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তি দেবার জন্য স্বাধীনতার পরে বাংলাদেশে ১৯৭৩ সালে একটি আইন তৈরি হয়। কিন্তু অচিরেই রাজনৈতিক পালাবদলের সূত্রে যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রক্রিয়াটি স্থগিত হয়ে যায়। রাষ্ট্রপ্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান তাঁর বাড়িতে কয়েকজন সেনাকর্তার ষড়যন্ত্র ও আক্রমণে সপরিবার খুন হন। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্ব জামায়েতে ইসলামিকে পুনরায় বাংলাদেশের রাজনীতিতে বৈধতা দেন এবং তাদের সঙ্গে জোট সরকারও গঠন করেন। স্বাধীনতার পরে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রর জায়গা থেকে সরে এসে বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলামকে স্বীকৃতি দেন সামরিক শাসক এরশাদ। বাংলাদেশের রাজনীতি, অর্থনীতির একটা ভালো অংশের নিয়ন্ত্রক হয়ে বসে জামায়েতে ইসলামির মত মৌলবাদী সংগঠন। এই পরিস্থিতিতে পিছনের সারিতে চলে যাওয়া যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রসঙ্গটিকে ১৯৯২ সালে কিছুদিনের জন্য হলেও সামনে নিয়ে আসেন শহীদ জননী জাহানারা ইমাম। এই শাহবাগের পাশেই বসেছিল তাঁর প্রতীকী গণ আদালত। কিছুদিন আলোড়নের পর বিচার নিয়ে আবার স্থিতাবস্থার পর্ব চলে প্রায় দু দশক। শেষপর্যন্ত বিগত সাধারণ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে ক্ষমতার মসনদে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা আসীন হবার পর ২০১০ সালে যুদ্ধাপরাধের বিচারের জন্য গঠিত হয় আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল। চোরা স্রোতের মত বহমান মুক্তিযুদ্ধকালীন ঘাতকদের উপযুক্ত শাস্তির দাবী আবার স্ফীত হয়।
অবশ্য বাংলাদেশের বর্তমান গণ জাগরণ শুধু মুক্তিযুদ্ধের অতীত কলঙ্কগুলির ক্ষত মোচনের পরিসরেই সীমাবদ্ধ নয়। বস্তুতপক্ষে তরুণ প্রজন্মের আন্দোলনকারীরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় শাণিত হয়ে ডাক দিয়েছে জামায়েতে ইসলামিকে নিষিদ্ধ করার, বাংলাদেশের সমাজ রাজনীতি থেকে মৌলবাদি আস্ফালনকে উৎপাটন করার। ডাক দিয়েছে এক আধুনিক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার। তরুণ প্রজন্মের এই আহ্বান, তাঁদের দৃঢ় মতাদর্শ ও শাণিত উপস্থাপণ বাংলাদেশের রাজনৈতিক শক্তিগুলিকেও বাধ্য করেছে স্পষ্ট অবস্থান নিতে। শাসক আওয়ামী লিগের গরিষ্ঠ অংশ জামায়েতে ইসলামিকে নিষিদ্ধ করা সহ একাত্তরের ঘাতকদের সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যাপারে মত প্রকাশ করেছেন। তাদের নেতৃত্ব শাহবাগ চত্বরে হাজির হয়ে আন্দোলনের প্রতি সংহতিও ব্যক্ত করেছেন। বাংলাদেশের বামপন্থী, প্রগতিশীল শিবির মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবাহী এই আন্দোলনের সক্রিয় সমর্থক ও সংগঠক হিসেবে সামনের সারিতে আছে।
অন্যদিকে স্বাভাবিক ভাবেই জামায়েতে ইসলামি ও তাদের সমর্থক দলগুলি দাঁতে নখে আন্দোলনের বিরোধিতা করছে। আন্দোলন ভাঙতে ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচাল করতে তারা সক্রিয় হয়েছে। বন্ধ, হামলা, আন্দোলনকারীদের খুন জখমের মধ্য দিয়ে তারা বার্তা দিতে চাইছে। একাত্তরের স্মৃতিকে উসকে দিয়ে তারা হত্যা করেছে আন্দোলন সমর্থকদের। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আন্দোলনের শিবির গুলিতে চলছে তাদের সশস্ত্র হামলার চেষ্টাও। প্রধান বিরোধী দল বি এন পি প্রথম দিকে আন্দোলনকে সমর্থন করলেও দ্রুতই তার অবস্থান পরিবর্তন করেছে এবং নিজের নির্বাচনী জোটসঙ্গী জামায়েতে ইসলামির সদস্য সমর্থকদের ওপর পুলিশি নির্যাতন ইত্যাদির বিরোধিতাতেই নিজেকে নিয়োজিত রেখেছে। সমর্থন করেছে জামায়েতে ইসলামির সমর্থক দলগুলির ডাকা ধর্মঘট। কোলকাতাতে জামায়েতে ইসলামির সমর্থকরা আন্দোলনের বিরুদ্ধে তাদের বিক্ষোভ সংগঠিত করার চেষ্টা করেছে। অন্যত্রও তারা তাদের শক্তি সমর্থনকে সংহত করে নিজেদের মৌলবাদী আস্ফালনকে বজায় রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। শাহবাগ আন্দোলনের বিষয়টি তাই শুধুমাত্র বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ব্যাপার হিসেবেই আর সীমায়িত থাকছে না, দাবী করছে বাংলাদেশের বাইরেও মৌলবাদ বিরোধি মানুষের সমর্থন সংহতি। কোলকাতার নাগরিক সমাজ এ বিষয়ে এখনো যথেষ্ট সক্রিয় হয়ে উঠতে পারেন নি। কিন্তু বাংলাদেশের সমস্ত স্তরের মানুষ, বিশেষত তরুণ প্রজন্ম বিভিন্ন আক্রমণ ও প্রতিকূলতাকে অতিক্রম করে যে দৃঢ়তা ও আবেগের সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন, তা আশা জাগায় মৌলবাদী আস্ফালনকে পরাস্ত করে মুক্তবুদ্ধি ও গণতন্ত্র এই উপমহাদেশে আরো প্রসারিত হবে।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১০:৫০
সৌভিক ঘোষাল বলেছেন: আন্দোলনে ওঠাপড়া থাকে। রাজাকারদের শাস্তি, মৌলবাদের পরাজয় এক ধাক্কায় সমাপ্ত করার মতো সহজ বিষয় নয়। তাহলে ব্যাপারটা এতদিনে হয়েই যেত।
২| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৯:২৯
ভালোরনি বলেছেন: বাংলাদেশে যেকোনো অস্থিরতায়/উস্কানিতে দাদাদের সব সময়ই পাশে পাওয়া যায়। দাদারা বরই একটিভ এইসব অভ্যন্তরিন বেপারে। আন্তরিকতার নামে দাদাদের বড় বড় নাক গুলো গলে গলে পরতে থাকে।
কিন্তু ফেলানিদের লাশ যখন কাটাতারের বেড়ায় ঝোলে তখন মনে হয় দাদাদের নেটের লাইন থাকে না।
তিস্তা বেরেজ সহ অন্য বেপারগুলো তো বল্লামি না। এখন বলতে ভালোও লাগতেছে না।
জাস্ট ওয়ান থিং টু ছে, লিভ আছ এলোন।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১০:৫৬
সৌভিক ঘোষাল বলেছেন: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে তো ভারতের অবদান ছিল। সেটা আপামর দেশবাসী দুহাত ভরে গ্রহণ করেছিলেন। ভুল হয়েছিল ভারতের সাহায্য করা বা বঙ্গবন্ধুর সে সাহায্যের জন্য আবেদন করা বা গ্রহণ করা ?
নিশ্চয় ভারতের সম্প্রসারণবাদী বিষয়গুলোর কড়া নিন্দা সমালোচনা দরকার। কিন্তু ভারত রাষ্ট্র আর ভারতের জনগণের যে অংশ আপনাদের মতোই সাধারণ মানুষ, মিত্র, তার মধ্যে একটা পার্থক্য আপনাদের কড়া দরকার।
৩| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৯:৩২
টাইম নাই রাস্তা বেশি বলেছেন: দাদা নিজেদের চরকায় তেল দিলে ভাল হত না ???আপনাদের জন্যও ভাল আমাদের জন্যও ।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১০:৫৭
সৌভিক ঘোষাল বলেছেন: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে তো ভারতের অবদান ছিল। সেটা আপামর দেশবাসী দুহাত ভরে গ্রহণ করেছিলেন। ভুল হয়েছিল ভারতের সাহায্য করা বা বঙ্গবন্ধুর সে সাহায্যের জন্য আবেদন করা বা গ্রহণ করা ?
৪| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৯:৩৩
মেদ বলেছেন: টাইম নাই রাস্তা বেশি বলেছেন: দাদা নিজেদের চরকায় তেল দিলে ভাল হত না ???আপনাদের জন্যও ভাল আমাদের জন্যও ।
৫| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৯:৪৩
যুক্তিপ্রাজ্ঞ বলেছেন: মেদ বলেছেন: টাইম নাই রাস্তা বেশি বলেছেন: দাদা নিজেদের চরকায় তেল দিলে ভাল হত না ???আপনাদের জন্যও ভাল আমাদের জন্যও ।
৬| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১০:০৯
আশিকুর রহমান ১ বলেছেন: দাদা যখন কাঁটাতারে আমার বোন ফেলানির লাশ ঝুলে, যখন তিস্তার পানি থেকে আমাদের ন্যায্য অধিকারা ছুড়ে ফেলা হয়, যখন আমার নীরিহ ভাইদের পাখির মতো বিএসএফ নামের হায়েনারা গুলি করে মারে তখন কোথায় থাকেন আপনারা?
আপনাদের এই সুন্দর সুন্দর কথাগুলা ভন্ডামী ছাড়া আর কিছুই নয়।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১০:৫৭
সৌভিক ঘোষাল বলেছেন: নিশ্চয় ভারতের সম্প্রসারণবাদী বিষয়গুলোর কড়া নিন্দা সমালোচনা দরকার। কিন্তু ভারত রাষ্ট্র আর ভারতের জনগণের যে অংশ আপনাদের মতোই সাধারণ মানুষ, মিত্র, তার মধ্যে একটা পার্থক্য আপনাদের কড়া দরকার।
৭| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১০:১৮
দেখি তাই বলি বলেছেন: দাদা আপনার দেশে বিজেপির মেলৈবাদ নিয়া মাথাখান ঘামাইলৈ সবতেই উপকৃত হইত। িনজেরটা সামলান।
৮| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১১:০৯
নিরব বাংলাদেশী বলেছেন: কথায় আছে মা'র চেয়ে মাসীর দরদ বেশি...মুক্তিযুদ্ধে ভারতের দায় আজো মিটাচ্ছি, শাহবাগে অবদান রাখলে পরবর্তি ১৪ পুরুষকে সে দায় মিটাতে হবে, তাই ক্ষ্যামা দিলে ভাল হয়না?
৯| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১১:৩৩
নিকষ বলেছেন: নিশ্চয় ভারতের সম্প্রসারণবাদী বিষয়গুলোর কড়া নিন্দা সমালোচনা দরকার।
- শুধু নিন্দা সমালোচনা নয় দাদা, বন্ধ করতে নিজের দেশে একটা আন্দোলন তৈরী করেন। নাইলে দূরে থাকেন। যান বহুদূর।
দেখি তাই বলি বলেছেন: দাদা আপনার দেশে বিজেপির মেলৈবাদ নিয়া মাথাখান ঘামাইলৈ সবতেই উপকৃত হইত।
১০| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:৩২
ভালোরনি বলেছেন: লেখক বলেছেন: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে তো ভারতের অবদান ছিল। সেটা আপামর দেশবাসী দুহাত ভরে গ্রহণ করেছিলেন। ভুল হয়েছিল ভারতের সাহায্য করা বা বঙ্গবন্ধুর সে সাহায্যের জন্য আবেদন করা বা গ্রহণ করা?
=দাদা, সেই পুরানো কাসুন্দি আর কতো ঘাটবেন? ৪৭ থেকে ৭১ ভারতের হরিবোল হরিবোল পুরো এশিয়ায় প্রকম্পিত হতো। দুই পাশে পাকিস্তান মাথার উপর চিন। কি মজাই না ছিলো তখন? তাই না? বাংলাদেশীরা আর যাই হোক আপনাদের মতো মুখচোরা না। ভারতের উদ্দেশ্য কি ছিলো তা আপনিও জানেন আমিও জানি মুজিব সাহেবও জানতেন। ভারতের সাহায্য আমরা ভুলি নাই। সেজন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
এক। কিন্তু সব সময় অফটপিকে এই জিনিস টা নিয়ে আসতে হয় আপনাদের। কারন এই টা ছারা গত ৪২ বছরে বলার মতো তো কিছু নাই আপনাদের। এবং অযাচিত ভাবে বার বার এই বেপারটা নিয়ে এসে নিজেদের মানসিক দৈন্যতার পরিচয় ২০১৩ সালে বরই হাস্যকর।
দুই। পৃথিবীর যে প্রান্তে ভারত নাই সেখানেও ছোটো ছোটো অনেক দেশ যুদ্ধ করে নিজের স্বকিয়তা ঠিকি আদায় করে নিচ্ছে। ৯ মাসে না হলে ৯ বছরে হতো। ৯ বছরে না হলে ১৯ বছরে হতো। "৭ কোটি বাংগালিরে কেউ দাবায়া রাখতে পারবানা।" সাহায্যের বিনিময়ে যদি প্রভুত্ব চান তবে শুধু বলবো, দাদা ঘুম থেকে উঠুন।
লেখক বলেছেন: নিশ্চয় ভারতের সম্প্রসারণবাদী বিষয়গুলোর কড়া নিন্দা সমালোচনা দরকার। কিন্তু ভারত রাষ্ট্র আর ভারতের জনগণের যে অংশ আপনাদের মতোই সাধারণ মানুষ, মিত্র, তার মধ্যে একটা পার্থক্য আপনাদের কড়া দরকার।
দাদা, আমরা আমাদের দেশে কি করি কি না করি তাতে আপনাদের কি? এতো কেনো আগ্রহ? এতো কিসের কৌতুহল? কতো টুকু জানেন আপনি শাহবাগ সম্পর্কে? এইদেশে আমরা যা খুশি তাই করি তাতে আপনার কি? এইটা আমার দেশ।
নিকষ বলেছেন: নিশ্চয় ভারতের সম্প্রসারণবাদী বিষয়গুলোর কড়া নিন্দা সমালোচনা দরকার।
- শুধু নিন্দা সমালোচনা নয় দাদা, বন্ধ করতে নিজের দেশে একটা আন্দোলন তৈরী করেন। নাইলে দূরে থাকেন। যান বহুদূর।
১১| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:৩৮
বিস্কুট বলেছেন: পাওলি দামের পাশে কলকাতা, তসলিমার পাশে কলকাতা, সোনাগাছির পাশে কলকাতা।
সর্বোপরি বেশ্যাদের পাশে কলকাতা। কলকাতা শহর নিয়ে গর্ব করার কিছুই নেই কারণ ব্রিটিশদের অবৈধ সন্তান কলকাতার কোন অস্তিত্ব পলাশীর যুদ্ধের আগে ছিল না। তাছাড়া ইতিহাস বলে, এই শহরটি সোনাগাছির মত কয়েকটি বেশ্যালয়কে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।
১২| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১:১০
anonno420 বলেছেন: এ শালার দাদা, বাংলাদেশে কি হবে না হবে ত দিয়ে আপনার মত কলকাতার মালাউন এর কি দরকার? নিজেদের চরকায় তেল দিন। বাংলাদেশে আপনার বাপের সম্পত্তি না জে আপনাকে ভাবতে হবে।শালার ইতর দালাল কোতাকার।
১৩| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১:২২
অসামাজিক ০০৭০০৭ বলেছেন: দাদা আস্তে,
আগে বাড়াই সাহায্যের দরকারনাই আপনাদের.।
এমনেই আপনাদের সাহায্যের ঠেলায় বাঁচা দায়.।
যখন ফেলানিরে ঝুলাই মারলো আপনার ভাই বেরাদার বিএসএফ জোয়ান তখন কৈ ছিল আপনার মানবতা, যখন আমাদের নদীগুলারে পানিতে মারেন তখন কৈ থাকে আপনার বিবেক,
যখন মুক্ত বাণিজ্যের নামে এক চেটিয়া বাজার দখল করেন আমাদের দেশে প্রকারান্তে আমাদের এক প্রকার ঢুকতেই দেওয়া হয়না আপনাদের বাজারে তখন কোথায় থাকে আপনার মতো ওপারের সুশিলদের দরদ!!!
১৪| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৩:০৪
রেজা এম বলেছেন: দাদা দের চুল্কানি বরাবরি বেশি ।
নিকষ বলেছেন: নিশ্চয় ভারতের সম্প্রসারণবাদী বিষয়গুলোর কড়া নিন্দা সমালোচনা দরকার।
- শুধু নিন্দা সমালোচনা নয় দাদা, বন্ধ করতে নিজের দেশে একটা আন্দোলন তৈরী করেন। নাইলে দূরে থাকেন। যান বহুদূর।
দেখি তাই বলি বলেছেন: দাদা আপনার দেশে বিজেপির মেলৈবাদ নিয়া মাথাখান ঘামাইলৈ সবতেই উপকৃত হইত।
সহমত / / / / / / /
আর আপ্নারা পুরাই কম্মুনাল মাল । । ।
নিরব বাংলাদেশী বলেছেন: কথায় আছে মা'র চেয়ে মাসীর দরদ বেশি...মুক্তিযুদ্ধে ভারতের দায় আজো মিটাচ্ছি, শাহবাগে অবদান রাখলে পরবর্তি ১৪ পুরুষকে সে দায় মিটাতে হবে, তাই ক্ষ্যামা দিলে ভাল হয়না?
সহমত ; ;
to DADA ....
১৫| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ৭:০৪
স্বাধীন শোয়েব বলেছেন: লেখক বলেছেন: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে তো ভারতের অবদান ছিল। সেটা আপামর দেশবাসী দুহাত ভরে গ্রহণ করেছিলেন। ভুল হয়েছিল ভারতের সাহায্য করা বা বঙ্গবন্ধুর সে সাহায্যের জন্য আবেদন করা বা গ্রহণ করা?
প্রশ্নের উত্তর প্রশ্ন দিয়ে করি। যদি বাংলাদেশের ্বাধীনতা অথবা পাকিস্তানের ভাঙ্গন ভারতের জন্য খারাপ কিছু নিয়ে আসতো তাহলেই সাহায্য করত ইন্দিরা?
নিজের চরকায় তেল দেন। কলকাতায় মুসলমানদের সবক্ষেত্রে নাকি বঞ্চিত করে রাখসেন? কোন এক বিচারপতির রিপোর্টে আসছে শুনলাম।
১৬| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ৭:২৩
ফরটি ইজ দা নিউ থারটি বলেছেন: ভাইয়েরা
চলেন আমরা আমাদের সময়টা ব্লগ বা ফেসবুকে অন্যের গীবত না করে সুষ্ঠুভাবে আল্লাহর ইবাদতে ব্যয় করি। জীবন দুই দিনের, ইহজগতের এসব সিলসিলায় না জড়িয়ে নামাজ, জিকির, রোজা রেখে সিরাতুল মুস্তাকিম এর দিকে চলতে শুরু করি। আল্লাহ আমাদের সুবুদ্ধি দিন, আমিন
১৭| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৩:৩০
সৌভিক ঘোষাল বলেছেন: অনেকেই সংশয় প্রকাশ করেছেন ভারতবাসী হিসেবে শাহবাগ বিষয়ে আগ্রগ, সমর্থন প্রকাশ করার বিষয়ে। আচ্ছা ধরুণ, পাশের বাড়িতে ভালো কোন ঘটনা ঘটলে আপনি খুশি হন তো? পাশের বাড়ির ছেলেটি বা মেয়েটি পরীক্ষায় ভালো ফল করলে তাকে বাহবা দেন তো? তাহলে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যাই মত প্রকাশ করুন না কেন, প্রতিবেশী দেশের সাধারণ মানুষ, আপনাদের মতো সাধারণ মানুষের মতোই যারা, তাদের বিরুদ্ধে এই অশিষ্ট মত প্রকাশ কেন ? কেন ধরে নিচ্ছেন আমরা ভারতের সাধারণ মানুষেরা বাংলাদেশ, নেপালের মত দেশে ভারতের সম্প্রসারণবাদী চরিত্র নিয়ে কথা বলি না। আপনাদের কি ধারণা ভারতের শাসক শ্রেণি বা কংগ্রেস বিজেপির মত ভারতের শাসক শ্রেণির দলগুলি বাংলাদেশ, নেপাল ছেড়ে দিন, ভারতের আমজনতার পক্ষে খুব মিত্র শক্তি? মোটেই তেমন নেয়। ভারত পাকিস্থান বাংলাদেশ - এই রাষ্ট্রগুলির রাজনৈতিক বিরোধ এক জিনিস আর এই দেশ গুলোর সাধারণ মানুষের সংগ্রামী ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব আরেক জিনিস।
আর একটা কথা, আপনাদের অনেকের ভাষা আত্মপ্রকাশের মধ্যে অন্যকে অসম্মান করার, আক্রমণ করার একটা প্রবণতা থাকে। এটা দুঃখজনক আর পরিহারযোগ্য বলেই তো মনে হয়।
১৮| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৯:৩৩
মিনেসোটা বলেছেন: দাদা
আপনারা পরাধীন জাতি, আমাদের মত স্বাধীনচেতা বাঙালীকে পরামর্শ দেবার আগে আপনাদের উচিত ভারতের শাসক শ্রেণির দলগুলি থেকে স্বাধীনতা অর্জন করা
১৯| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১১:০৩
সৌভিক ঘোষাল বলেছেন: ইসলাম মানে শান্তি। ইসলাম মানে সমর্পণ। ইসলাম মানে যারা বলতে চায় 'জেহাদ', ভিন্ন ধর্মের বিরুদ্ধে, নারীর স্বাধীনতার বিরুদ্ধে, একটি কোনও নির্দিষ্ট 'মৌল' মতবাদের ও তার রূপায়ণের পক্ষে, তারা ইসলামের অন্যতর ব্যাখ্যায় অভ্যস্ত। ইসলামের এই দুই চেহারার মধ্যে একটা লড়াই চলছে যুগ যুগ ধরে। শুধু ইসলামেই বা কেন, হিন্দু, খৃষ্টান - সব ধর্মেই কড়া ধর্মধ্বজীদের সঙ্গে উদারপন্থীদের একটা দ্বন্দ্ব আছে। নাস্তিকদের সঙ্গে কড়া ধর্মধ্বজীদের লড়াইয়ের কথা ছেড়েই দেওয়া যাক, তা তো স্বাভাবিক। এখন দেখা দরকার উগ্রবাদী নাস্তিক, তাদের দায়বদ্ধতা স্বত্ত্বেও বাস্তবতা না বুঝে অনেক সময়েই বাড়াবাড়ি করে বিপরীত উগ্র ধর্মধ্বজীদের সামনে আসার সুযোগ করে দেন। তাতে উদারপন্থী ধর্মবিশ্বাসীরাও 'ধর্মসঙ্কটে' পড়েন।
আসলে দরকার উদারপন্থী নাস্তিক আর উদারপন্থী ধর্মবিশ্বাসীদের মত নিরন্তর সংলাপ, বিনিময়। এটাই পরস্পরকে পরস্পরের মতামত বুঝতে ও পারস্পরিক সম্মান বাড়াতে সাহায্য করবে। উভয় পক্ষের উগ্রবাদীদের পারস্পরিক কুৎসা ও হিংস আক্রমণ পরিস্থিতিকে কেবল বিষিয়ে তুলবে, জটিল করবে।
২০| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ৯:২৬
রেজা এম বলেছেন: ঔ দাদা !!!!!!!!!!!!!!!! বেশি গ্যান ফালাস না বুঝলি !!!!!!!???????????????
©somewhere in net ltd.
১|
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৯:২০
নষ্ট ছেলে বলেছেন: শাহবাগ এখন বনসাই হইয়া গেছে।