নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সৌভিকের চিন্তাচর্চা

চারিদিকে দেখো চাহি হৃদয় প্রসারি

সৌভিক ঘোষাল

পেশায় সাহিত্যের শিক্ষক। মতাদর্শে মার্কসবাদী। কোলকাতার বাসিন্দা

সৌভিক ঘোষাল › বিস্তারিত পোস্টঃ

বঙ্গবন্ধু অখণ্ড ইসলামিক একটা রাষ্ট্রকে ভেঙে কি ভুল করেছিলেন? বাংলাদেশ তৈরি হয়েছিল কি ভারত তথা ইন্দিরার কূটনীতিতে?

১৫ ই আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৪:১৭

আমি যে বিদ্যালয়ে পড়াই সেখানে আমার এক সহকর্মীকে সেদিন বলছিলাম আচ্ছা আপনারা মুসলিমরা বাঙালি নাম না রেখে বেশিরভাগ আরবীয় নাম রাখেন কেন? উত্তরে আমার সেই সহকর্মী জানালেন বাঙালি পরিচয়টা তুলনায় ছোট পরিচয়, মুসলিম পরিচয়টাই বড় পরিচয়। সেটাই নামকরণে তাই আগে আসে। সাগর আর পুকুরের তুলনামূলক উপমাও তিনি এ প্রসঙ্গে ব্যক্ত করলেন।

আমি তখন তাকে বাংলাদেশ গঠন ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন বাংলাদেশের মানুষ ভুল করেছে। ইন্দিরার ক্রীড়নক হয়ে গেলেন মুজিব। ইন্দিরার চালে চলে বাংলাদেশ করে সেখানকার মানুষ ভুল করল। অখণ্ড একটা ইসলামিক রাষ্ট্রকে ভাঙা উচিৎ হয় নি।

আমি বললাম এ তো অনেকটা জামাত এর যুক্তির কাছাকাছি যাচ্ছে। তিনি বললেন, জামাত কিছু বাড়াবাড়ি করে থাকতে পারে, হত্যা ইত্যাদি, কিন্তু তাদের যুক্তিটাই সঠিক ছিল।

আমি খানিক হতাশ হলাম তার ভাবনার ধরণ দেখে। কিন্তু এও ভাবলাম গণতন্ত্রে সব মত সব যুক্তিই খোলামেলা ভাবে আলোচনা হওয়া উচিৎ। তাই বললাম, এ বিষয়ে 'এটলিস্ট উই এগ্রি টু ডিসএগ্রি'। ভিন্নমতের অধিকার রক্ষিত হোক।

মন্তব্য ৩৬ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৩৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৪:৪৮

রাকি২০১১ বলেছেন: "উত্তরে আমার সেই সহকর্মী জানালেন বাঙালি পরিচয়টা তুলনায় ছোট পরিচয়, মুসলিম পরিচয়টাই বড় পরিচয়। সেটাই নামকরণে তাই আগে আসে"

>>> আপনার সহকর্মীর উত্তরটা ভুল ছিল।
ইসলামী নাম রাখার সাথে দেশের কোন সম্পর্ক নেই। একজন মুসলমান বাংগালী কি জাপানি তা বিবেচ্য বিশেষ কিছু নয়।

২| ১৫ ই আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৪:৫২

বাঙ্গালীর কুঠার বলেছেন: আপনার সহকর্মী নিশ্চয় পাকিস্তানী ইসলামের কথা বলেছে!!!! আমেরিকায় হাজার বারের বেশী দেখেছি পাকিস্তানীরা বিসমিল্লাহ বলে মদ মাগী সবই সারে। নাউজুবিল্লাহ। আমি যে কোম্পানীতে কাজ করছি তাতে বহুত পাকি বি কাম করতে হে।

৩| ১৫ ই আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৫:৪২

মিনেসোটা বলেছেন: আপনারা নিজেদের বাঙালী পরিচয় মুছে ফেলে হিন্দুস্তানী পরিচয় দেন কেন?

দিল্লীর শেকল ভেঙে ফেলুন, বীর বাঙালী অস্ত্র ধরুন, নিজেরা স্বাধীন হয়ে আমাদেরকে উপদেশ দিতে আসুন

১৬ ই আগস্ট, ২০১৩ সকাল ৮:২৫

সৌভিক ঘোষাল বলেছেন: বাঙালি পরিচয় মুছে ফেলা হবে কেন? ভারত রাষ্ট্রে বিভিন্ন জাতিসত্তা আছে। মারাঠী গুজরাটী পাঞ্জাবী ওড়িয়া কাশ্মীরী মণিপুরী তামিল ইত্যাদি। বাঙালি তেমনই একটি। প্রতিটি জাতিসত্তা নিজস্ব প্রদেশে নিজের মতো লালিত পালিত। আবার অভিন্ন আইন মুদ্রা সেনা জাতীয় যোগাযোগ ব্যবস্থার সূত্রে পরস্পর যুক্ত। এই ব্যবস্থাটা আমার ভালো লাগে। ভারতীয় সভ্যতা এত হাজার বছরের। সেটাও একটা জায়গা, যেটা বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যর একটা জায়গা তৈরি করে দিয়েছে।

৪| ১৫ ই আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৫:৪৭

বাঙ্গালীর কুঠার বলেছেন: দাদা বাবু কি বাঙ্গালী নাম বলতে হিন্দু নাম বুঝাচ্ছেন নাতো?
পূর্বে প্রমানীত পচা মতাদর্শী বহুত পিপলের লেখায় উল্টো-পাল্তু কথাবার্তা ডের পড়েছিতো তাই প্রশ্নডা করলুম।

১৬ ই আগস্ট, ২০১৩ সকাল ৮:২৭

সৌভিক ঘোষাল বলেছেন: এই যেমন ধরুণ রাহুল সৌরভ অনিল ইত্যাদি। এগুলি কি হিন্দু নাম বলবেন ?

৫| ১৫ ই আগস্ট, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:০২

রায়হান চৌঃ বলেছেন: আমি ব্যক্তিগত ভাবে মুজিব কে ভালোবাসি, জিয়া কে তার দক্ষতার জন্য সন্মান করি, ঠিক সেই ভাবে এরশাদ কে ও ফেলে দিতে পারি না, সত্যি.... এইটা সন্পুর্ন আমার ব্যক্তিগত মতামত...
তবে স্বাধীনতার ৪২ বছর পর এবং আমার পার্শবর্তী দেশর আচারণে আমার মনে একটা প্রশ্ন সবসময় জাগে...
"সত্যি কি মুজিব বাংলার সাধীণতা চেয়েছিল ? আর যদি ৭১ এ একটা বিজয় হয়ে থাকে তবে সেই বিজয় টা সত্যিকার অর্থে সেই বিজয় টা কাদের ?"
হাঁ আমি ও জোর গলায় বলবো মুজিব খুব বেশি ভুল করেছেন... যার খেসারত আমরা দিচ্ছি এবং দিব

১৬ ই আগস্ট, ২০১৩ সকাল ৮:২৯

সৌভিক ঘোষাল বলেছেন: আমার সহকর্মীও এরকম ভুলের কথা বলছিলেন। যদিও আমি তার সঙ্গে একমত হয়ে উঠতে পারি নি। ভিন্নমত অবশ্য খারাপ কিছু নয়, সেটা গণতান্ত্রিক পরিসরকে শক্তিশালীই করে।

৬| ১৫ ই আগস্ট, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:১১

হাছন রাধা করিম বলেছেন: মিনেসোটা বলেছেন: আপনারা নিজেদের বাঙালী পরিচয় মুছে ফেলে হিন্দুস্তানী পরিচয় দেন কেন?

দিল্লীর শেকল ভেঙে ফেলুন, বীর বাঙালী অস্ত্র ধরুন, নিজেরা স্বাধীন হয়ে আমাদেরকে উপদেশ দিতে আসুন

১৬ ই আগস্ট, ২০১৩ সকাল ৮:৩০

সৌভিক ঘোষাল বলেছেন: বাঙালি পরিচয় মুছে ফেলা হবে কেন? ভারত রাষ্ট্রে বিভিন্ন জাতিসত্তা আছে। মারাঠী গুজরাটী পাঞ্জাবী ওড়িয়া কাশ্মীরী মণিপুরী তামিল ইত্যাদি। বাঙালি তেমনই একটি। প্রতিটি জাতিসত্তা নিজস্ব প্রদেশে নিজের মতো লালিত পালিত। আবার অভিন্ন আইন মুদ্রা সেনা জাতীয় যোগাযোগ ব্যবস্থার সূত্রে পরস্পর যুক্ত। এই ব্যবস্থাটা আমার ভালো লাগে। ভারতীয় সভ্যতা এত হাজার বছরের। সেটাও একটা জায়গা, যেটা বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যর একটা জায়গা তৈরি করে দিয়েছে।

৭| ১৫ ই আগস্ট, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:১৪

মুদ্‌দাকির বলেছেন:

জাতিয়তার প্রশ্ন আসলে মুসলিমরা সবার আগে মুসলিম, অন্য কিছু না, বা অন্য সব কিছু পরে।

আসলে মুসলমানরা নবী, রাসূল, এবং সাহাবী গনের নামের অনুকরনে নাম রাখেন বরকতের আশায় আর কিছু না। বাংলা নাম থাকলে কোন ক্ষতি নাই, খালি রাম সিতা লক্ষি দূর্গা টাইপ নাম না হইলেই হইল বা যে শব্দের খারাপ কোন অর্থ আছে!!!!!

আর দাদা কিছু হইলেই আপনারা ইসলাম, মুসলিম, টুপি, দাড়ি, হিজাব ইত্যাদি শব্দকে এমন ভাবে পাকিস্তান আর জামাতের সাথে খিচুড়ি পাকান যে মনে হয় এই সব গুলাই সমার্থক শব্দ। উর্দূ স্পিকিং গর্ধব গুলার ঘিলুতে যে কিছু সমস্যা আছে তা বর্তমান দেখলেও বুঝা যায়, তাই বার বার পাকিস্তান জামাত আর ইসলামকে এক তেনায় পেঁচাবেন না, প্লিজ।

মনে রাখবেন, বংগবন্ধু একজন মুসলমান ছিলেন, এই দেশের প্রায় সকল বীরেরাই মুসলমান, দুই একজন অন্য ধর্মের থাকতে ও পারে তবে মনে হয় না, তা % হিসাবে জাস্টিফাইড হবে!!!!!!

আর পাকিস্তান বংগবন্ধু ভাঙ্গে নাই, বরং বৃটিশরা এই দেশে ভাংবার জন্যই তৈরি করে দিয়ে গেছে, একটু খেয়াল করলেই দেখতে পারবেন এই উপমাহাদেশে গত ৬০ বছরে যত যুদ্ধ আর অশান্তির সৃষ্টি হয়েছে তা ইংরেজ আমলেও ছিল না!!!!! আর যুদ্ধ তো চলছেই..............................

১৬ ই আগস্ট, ২০১৩ সকাল ৮:৩৭

সৌভিক ঘোষাল বলেছেন: জাতিয়তার প্রশ্ন আসলে মুসলিমরা সবার আগে মুসলিম, অন্য কিছু না, বা অন্য সব কিছু পরে। এই ভাবনাটা সব মুসলিমের নাও হতে পারে। সব মুসলিম আসলে জন্ম পরিচয়ে মুসলিম হলেও নিজেকে অন্যান্য পরিচয়ে পরিচিত করতে চাইতে পারেন। নাস্তিক মুসলিম মানে মুসলিম পরিবারে জন্ম কিন্তু বিশ্বাসে নাস্তিক বা নিরীশ্বরবাদী - এরকম অনেকেই আছেন। এই সংখ্যাটা জ্ঞান বিজ্ঞানের অগ্রগতির সঙ্গে ক্রমশ বাড়ছে না একই আছে না কমছে তা জরিপ করা যেতে পারে।
গোরা উপন্যাসে রবীন্দ্রনাথ একটা বিতর্ক তুলেছিলেন। গোরা আগে হিন্দু না আগে ভারতীয়? গোরা হিন্দু পরিচয়টি নিয়েই প্রথমে এগিয়েছিল। কিন্তু সেই পরিচিতি ধারণাটি রবীন্দ্রনাথ সমস্যায়িত করলেন। হিন্দু গোরা ভারতীয় গোরার বড় পরিচয়ে নিজেকে খুঁজে পেল। এরকম চিন্তা পদ্ধতির সঙ্গেই বেশি আত্মীয়তা আমার।

৮| ১৫ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ৮:২৫

মেদভেদ বলেছেন: দাদা তুমি ক্যাচাল লাগাতে আসছো কেন?? তুমি ইন্ডিয়ান হয়ে বাংলাদেশীদের আভ্যন্তরীন বিষয়ে নাক গলাতে এসেছ কেন??

১৬ ই আগস্ট, ২০১৩ সকাল ৮:৩৯

সৌভিক ঘোষাল বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধের সময়ে বলেছিলেন কি ভারতীয় সেনা ফিরে যাও? দু হাত ভরে সাহায্য নেন নি কি ? নিয়ে কি ভুল করেছিলেন ?

৯| ১৫ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ৮:৪৮

মেদভেদ বলেছেন: দাদা তুমি কি জান ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন পলাশীর আম্রকাননে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাবের সাথে যারা বিশ্বাস-ঘাতকতা করেছিল, তাদের মধ্যে কত জন হিন্দু আর কত জন মুসলিম?? এইটা জানার পর ইসলাম, মুসলিম, বাংলাদেশ এই সব বিষয় নিয়ে লিখতে এসো।

১৬ ই আগস্ট, ২০১৩ সকাল ৮:৪১

সৌভিক ঘোষাল বলেছেন: পলাশীর ষড়যন্ত্র ও সেকালের সমাজ নামে রজতকান্ত রায়ের বইটা এই বিষয়ে অন্যতম ভালো গবেষণা। দেখে নিয়েছেন কি? না হলে দেখে নেবেন।

১০| ১৫ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ৯:০৬

নেক্সাস বলেছেন:
অত্যন্ত বিনয়ের সাথে বলছি শৌভিক বাবু আপনার এই পোষ্ট ১৫ আগষ্টের পটভূমিতে একদম অপ্রাসঙ্গিক।

বরং আপনাদের এই ধরনের কিছু অপ্রাসঙ্গিক আচরণ বঙ্গবন্ধু বা আমাদের মুক্তিযু্দ্ধ বা আমাদের জাতিস্বত্তা নিয়ে অপপ্রচারে র সুযোগ তৈরি করে দেয়। ইসলাম এবং বাঙ্গালিত্ব দুটো স্বতন্ত্র এবং বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রেক্ষাপটে সমান ভাবে গুরুত্বপূর্ন ইস্যু।

নাম কোন জাতীর জাতীয়তা ঠিক করেনা। আমেরিকান, ইংরেজ, কানাডিয়ানদের নাম প্রায় সেইম কিন্তু এরা সেইম জাতি নয়। বাঙ্গালী এবং ইসলাম পরস্পর প্রতিদন্ধি নয়।
আপনারা যে ভিভাজন টা সৃষ্টি করতে চান এটা আপনাদের উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আপনাদের মত তথাকথিত মার্কসবাদী, লেনিনবাদী মস্কোপন্থী পিকিং পন্থীদের ঘৃন্য কর্মাকান্ডই সেদিন পাকিস্তানপন্থী মোশতাকের ষড়যন্ত্রের পালে হাওয়া যুগিয়েছিল আর আমরা হারিয়েছিলাম বাংলাদেশ পন্থী শেখ মুজিব কে।


বঙ্গবন্ধু কোন ইসলামী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেন নি। কোন ইসলামি রাষ্ট্র ভেঙেও দেন নি। সংগ্রাম হয়েছিল যুদ্ধ হয়েছিল উপনিবেশবাদের বিরুদ্ধে, শোষনের বিরুদ্ধে, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। আমাদের যুদ্ধ কোন ধর্মযুদ্ধ ছিলনা। আমাদের যুদ্ধ ছিল মুক্তিযুদ্ধ।

সেদিনের পাকিস্তান যেমন আমাদের শত্রু ছিলেন আজকে আপনার দেশও আমাদের সেরকম শত্রু যে গ্রীবা উঁচু করে প্রতিনিয়ত বিষাক্ত নিশ্বাস ফেলছে আমাদের দেশের উপর। আপনারা সবসময় সচেষ্ট নানা অপপ্রচার করে আমাদের জাতীয় ঐক্য বিনষ্ট করে আমাদের কে করায়ত্ব করে রাখার ঘৃন্য চেষ্ঠায়।

১৬ ই আগস্ট, ২০১৩ সকাল ৮:৪৫

সৌভিক ঘোষাল বলেছেন: পোষ্টটা ভালো করে পড়লে বুঝবেন আলোচনাকালে আমার সহকর্মীর মত, যার সাথে আমার ভিন্নমত আছে - এখানে ব্যক্ত। আসলে ভাবনার বিভিন্ন ধরণগুলো তুলে আনাটাই এই ছোট পোষ্টটির উদ্দেশ্য।
ইসলাম এবং বাঙ্গালিত্ব দুটো স্বতন্ত্র এটা আমারও মনে হয়।

১১| ১৬ ই আগস্ট, ২০১৩ সকাল ৯:১৪

সাইফুল আলী বলেছেন: প্রথমে বলেন "বাঙালি নাম" বলতে কি বোঝাতে চাইলেন?বাঙালি বলতে যদি হিন্দুত্ব বোঝায় তাহলে আমি তাকে লাথি মেরে ছুড়ে ফেলবো।অবশ্য বাংলা থেকে হিন্দুত্ববাদী শব্দগুলোও ঝেটিয়ে বিদায় করা যেতে পারে :)

হ্যাঁ আপনার সহকর্মীর কথা অনেকাংশে সত্য এবং অনেকাংশে মিথ্যা।ভাড়ত যে আমাদের বন্ধু নয় এবং তারাই যে বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষতি চায় এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই।যেমন একটা ছোট প্রশ্ন করি আপনার কাছে।ভাড়তের দ্বারা শাসিত হয়ে আপনি কি একটা পরমানু শক্তিধর বাংলাদেশ দেখতে চান?আশাকরি ক্লিয়ার উত্তর দেবেন

আর নিজেদের ভিরু মন-মানুসিকতাকে দূর করার চেষ্টা করুন।দিল্লি থেকে স্বাধীন হন এই কামনা করি।

১২| ১৬ ই আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৩:২৮

মুদ্‌দাকির বলেছেন: বুঝেও না বুঝার ভান করলেতো হবে না দাদা :) :) :) :)

এক জন নাস্তিক কে আমি কোন দুঃক্ষে মুসলিম বলতে যাবো, দাদা????????

১৩| ১৬ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ৮:৫৪

হাছন রাধা করিম বলেছেন: দাদা আমরা আপনাদের মতো মিষ্টি অথবা ডিমের আদ্দেকটার পুরোটা খাইনা। আমরা ডিম বা মিষ্টি পুরোটাই খাই।

আপনার কাছে প্রশ্ন ছিলো যে আপনারা নিজেদেরকে হিন্দুস্তানি বলে পরিচয় দেন কেনো?

আপনি একজন শিক্ষক হয়ে যদি এই সহজ সরল বাংলা প্রশ্নটি বুঝতে না পারেন তাহলে এটা চিন্তার বিষয় যে আপনি আপনার ছাত্র-ছাত্রীদেরকে কি শিক্ষা দিচ্ছেন!

১৪| ১৬ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ১১:০৯

জাহাজ ব্যাপারী বলেছেন: "The Kaoboys of RAW” ও How RAW created Bangladesh" – এই দুইটি বই পডুন। হিন্দুমাত্রই ৪৭-পূর্ব অখণ্ড ইন্ডিয়ার স্বপ্নের ধারক ও বাহক – এটা প্রশ্নাতীত সত্য। ওয়েস্ট বেঙ্গলের হিন্দুরা তো বাংলাদেশকে ইন্ডিয়ার একটা স্টেট হিসেবে দেখার জন্য মুখিয়ে থাকে।

১৫| ২০ শে আগস্ট, ২০১৩ রাত ১:১৭

মুহাম্মাদ মাহফুজুর রহমান শরীফ বলেছেন: @ সৌভিক ঘোষাল :

আপনি কি কখনো কোন খৃস্ঠানকে জিজ্ঞাসা করেছেন যে, তারা কেন ইংরেজী নাম রাখে ?

আর হিন্দুরা যে সব নাম রাখে সেগুলো সবই কি বাংলা নাম,
আমারতো মনে হয় ওগুলোর বেশীর ভাগই সংস্কৃত নাম।

আপনার সহকর্মীকে যদি জিজ্ঞাসা করা হয় যে,
আপনি কি আগে একজন মানুষ, নাকি একজন পুরুষ বা মহিলা, তবে তিনি কি জবাব দিবেন ?

আপনি একজন মানুষ আবার একই সাথে আপনি পুরুষও।
কাজেই এখানে আপনি কোন কিছুই আগে-পিছে আনতে পারছেন না।

ঠিক একই ভাবে, কোন মানুষই পৃথিবীতে তার ধর্মীয় এবং নৃতাত্বিক পরিচয়ের কোনটাই আগে-পিছে আনতে পারে না।

তাই পৃথিবীতে মানুষের ধর্মীয় এবং নৃতাত্বিক পরিচয় কোনটা কখন বড় হয়ে দেখা দিবে সেটা বিভিন্ন পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে।

৭ নং মন্তব্যের উত্তরে আপনি এক জায়গায় বলেছেন -
"নাস্তিক মুসলিম মানে মুসলিম পরিবারে জন্ম কিন্তু বিশ্বাসে নাস্তিক বা নিরীশ্বরবাদী - এরকম অনেকেই আছেন।"

আপনাকে বলতে চাই, হিন্দু ধর্মে নাস্তিকেও হিন্দুর অন্তর্ভুক্ত করলেও, ইসলাম এবং অন্যান্য ধর্ম গুলোতে এমন নিয়ম নেই।
যে নাস্তিক তাকে কখোনই মুসলিম বলা যায় না।

আর আপনারা ইসলামের বিষয়গুলিকে যেই ভাবে প্রায়ই বর্বরতা, জঙ্গী, জামাত, রাজাকার, পাকিস্তান, ইত্যাদীর সাথে মিলিয়ে
দেন সেটা মোটেও ঠিক না।

আপনারা এখন পর্যন্ত পরাধীন, কাজেই স্বাধীনতার মর্ম বুঝবেন না।

আমি অবশ্য স্বপ্ন দেখি যে, দুই বাংলার সমস্ত বাঙ্গালীরা এক হয়ে একটি স্বাধীন দেশ গড়ে তুলবে।

১৬| ২০ শে আগস্ট, ২০১৩ রাত ১:৫০

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: বুঝলাম না, কমেন্টে দেখি বেশীর ভাগ লোক ধর্মান্ধ এবং সাম্প্রদায়িক মন্তব্য করেছেন।

পোস্টের ম্যাসেজটা দারুন। একজন বাঙ্গালী অবশ্যই বাঙ্গালী বা বাংলা নাম রাখা উচিত। কোনো আরব কিন্তু বাংলা নাম রাখে না তাহলে আমরা কেনো আরবী নাম রাখবো?

তবে এটা ঠিক ধর্মীয় বিবেচনায় নাম রাখাটা অবশ্যই মুসলমানদের একটা কর্তব্য। যেমন নামের শেষে মুসলমান ঘরের পদবী এবং নামের আগে মোঃ রাখা। কিন্তু এর মাঝে বাংলা তো অনেক নাম আছে সেগুলো রাখলে কি সমস্যা? যদি আমাদের নিজেদের জাতীয়তা নিয়ে এতটাই সন্কটে ভুগি তাহলে বলতে হয় দেশপ্রেমের অভাবেই দেশের আজকে এ অবস্হা এবং জামাত শিবির বা বাংলা ভাই বা তালেবানী এজেন্টের চক্রান্ত আসলেই সফল।

তবে পোস্ট লেখক একটা ভুল করেছেন এই কথাটা বলে:

বঙ্গবন্ধু অখণ্ড ইসলামিক একটা রাষ্ট্রকে ভেঙে কি ভুল করেছিলেন?

৭১ আমাদের জাতীয়তাবাদের লড়াই অন্য কিছু না। আর ইন্দিরা বা ইন্ডিয়ার মনে কি ছিলো সেটা আমাদের কাছে অনেকটা অজানা এই কারনে যে স্বাধীনতাপরবর্তী ইন্ডিয়ার শোষন আসলেই ব্যাথিত করে যদিও ইন্ডিয়ার সাথে আমরাও কন গন্ডগোল বাধাই নাই। অন্তত গন্ডগোল যখন শুরু করেছিলাম তার আগে আমাদের এটা মনে রাখা উচিত ছিলো ইন্ডিয়া আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে স হায়তা করেছিলো আর কমেন্ট কারী জামাতীদের গাত্রদাহের কারনও এটাই!

তবু একটা কথা শেষে সুন্দর বলেছেন, গনতন্ত্রের এটাই সুন্দর মাহাত্ম্য, অন্তত সহমত না হবার অধিকারও সবাইকে এই গনতন্ত্র দেয় যেটা বর্তমান প্রচলিত বর্বর ইসলামী শাসনব্যাবস্হা দিতে একেবারে অক্ষম!

১৭| ২০ শে আগস্ট, ২০১৩ রাত ২:২৩

নতুন বলেছেন: ভারত চেয়ে করেছিলো পাকিস্তানকে দুবল করতে.... তাই তারা বাংলাদেশকে সাহাজ্য করেছে...>>> ঠিক আছে... সেটা ভারতের মনের ব্যপার..

কিন্তু পাকিস্তানের সাথে থাকা ভাল ছিলো এটা যারা বলে তাদের গোলামীর অভ্যাস এখনো যায়নাই.... তাদের জন্য পাকী লাথিও ভাল কারন তার পাকি ভাই লাথি দিয়েছে.... ব্যপার টা সেটা

আমাদের দেশের রাজনিতিকরা দেশপ্রমিকনা... তাই তারা ভারতের কাছে সাহাজ্য নেয় ক্ষমতায় আসতে...তাই ভারতকে সুবিধা তাদের দিতেই হয়....

স্বাধীনদেশের নাগরিক হিসেবে আমরা যত ভাল আছি.... তা পাকিস্তাতানের প্রতিদিনের ঘটনার দিকে তাকালেই আমাদের বুঝতে পারা উচিত....

১৮| ২০ শে আগস্ট, ২০১৩ রাত ২:২৪

এস আর সজল বলেছেন: ইসলামিক নাম বলে কিছু নেই, সবই এরাবিক নাম

১৯| ২০ শে আগস্ট, ২০১৩ ভোর ৫:১০

ভাঙ্গাচুরা যন্ত্রপাতি বলেছেন: চরম বিরক্তিকর। আপনারা পশ্চিমবঙ্গীয়রা কোন যুগে পরে আছেন? এখনও সেই কবে দাদায় আম খাইছিল, সেই স্বাদের গল্প আজও চালিয়ে যাচ্ছেন। বাঙালি মুসলমানেরা অবশ্যই বাংলা নাম রাখে। আরবী বা ফার্সি নামটা ঐতিহ্যগতভাবে চলে আসছে যেমন বাঙালি হিন্দুরা সংস্কৃত নামের প্রতি বেশী ঝোকে। বাঙালি মুসলমানের নামটা হয় আরবি/ফার্সি+বাংলা। এই যেমন আমার উপরের মন্তব্যকারীর নাম "সজল"। আর পশ্চিমবঙ্গে বাঙ্গালি মুসমান কতজন? উর্দুভাষী মুসলমানই বা কতজন? এমনকি বর্তমানের আলোচিত খবরের মেয়েটার নাম "ঐশি", তার মায়ের নাম "স্বপ্না রহমান"। এইটা ২০১৩, ১৯৪৭ নয়। দিন বদলেছে। আর মুজিব কারও ক্রীড়ানক ছিলেন না। তিন মাসে ভারতীয় সব সৈন্য ফেরত পাঠিয়েছেন, যুদ্ধের সময় করা চুক্তি যাত্ব বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ভারত চালাবে, সেটা বাতিল করেছেন। মুজিবে নিয়ে জানতে গেছেন, তো গেছেন এক ঘটি মুসলিমের কাছে, একেবারে ভাল জায়গাতেই গেছেন।

আগে আমরা গুজরাটি, মারোয়াড়ি সহ অন্যান্য হিন্দি বা হিন্দির কাছাকাছি ভাষার লোকদের হিন্দুস্তানি বলতাম, এখন নাকি পশ্চিমবঙ্গিয়রাও নিজেদের হিন্দুস্তানি বলা শুরু করেছে। ভারতীয় আর হিন্দুস্তানি নাকি এখন সমার্থক হয়ে গেছে।

২০| ২০ শে আগস্ট, ২০১৩ ভোর ৫:১২

ভাঙ্গাচুরা যন্ত্রপাতি বলেছেন: "নাস্তিক মুসলিম" - এইটা আবার কি জিনিস? খায় না মাথায় দেয়? এইসব জিনিস আপনার মাথায় আসে কিভাবে?

২১| ২০ শে আগস্ট, ২০১৩ ভোর ৫:২৩

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: আমার ব্যক্তিগত অভিমত হলো, বঙ্গবন্ধু সাহেব কোন ভুল করেন নি। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ছিলো সময়ের আর ন্যায্য অধিকার আদায়ের দাবী। আপনার বন্ধুর মন্তব্যের প্রতি তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। দুঃখিত কিন্তু তাকে "মূর্খ" বলা ছাড়া তার চেয়ে ভালো কোন শব্দ খুঁজে পাচ্ছিনা। তবে এটাও সত্য, বাঙালী হওয়াটা আমাদের জাতীয়তার পরিচয় বহন করে, আর মুসলিম হওয়াটা ব্যক্তিগত পরিচয়। এখানে কোনটার সাথে কোনটার তুলনা চলতে পারেনা। বাংলাদেশ, হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ সবার দেশ। বাংলাদেশী হিসেবে সবারই সমান অধিকার পাওয়া উচিত বলেই আমি মনে করি।

ব্যক্তিগতভাবে, স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের প্রতি ভারতের আচরণেও আমার তীব্র আপত্তি আছে। ভারতের "দাদাগিরি"-কেও আমি সুনজরে দেখছিনা।

২২| ২০ শে আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৪:৩৯

সিফাতুল্লাহ বলেছেন: ব্লগিং-এ সব পণ্ডিতদের আসর দেখতে পাই। এখানে কে জানার জন্যে প্রশ্ন করে আর কে Sarcastic হয়ে করে বুঝা মুশকিল। তবে আপনার নিয়ত ভালো ধরে নিয়ে বলি -

আমরা জন্মের পর থেকেই অনেক গুলা পরিচয় পাই। মানুষ, মুসলমান, বাঙালি (জাতীয়তা), বাংলাদেশী (নাগরিকতা), সন্তান, ভাই, বাবা, স্বামী, বস... সাধারণত সব কিছুই মানিয়ে চলতে পারি কিন্তু সমস্যা হয় যখন দু'টা পরিচয়ের মাঝে সংঘর্ষ দেখা যায়।
যখন প্রশ্ন করা হয় "মানুষ আগে না মুসলিম আগে?" বা "মুসলিম আগে না বাঙালি আগে?" তখন অনেকটা এমন অবস্থা হয় যে মা কে প্রশ্ন করা হচ্ছে "বড় ছেলেকে বেশি ভালোবাসো না ছোট ছেলেকে?"।

এই সবের সহজ উত্তর আছে কুর'আনে -
إِنَّ الدِّينَ عِنْدَ اللَّهِ الْإِسْلَامُ ۗ وَمَا اخْتَلَفَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ إِلَّا مِنْ بَعْدِ مَا جَاءَهُمُ الْعِلْمُ بَغْيًا بَيْنَهُمْ ۗ وَمَنْ يَكْفُرْ بِآيَاتِ اللَّهِ فَإِنَّ اللَّهَ سَرِيعُ الْحِسَابِ
" ইসলাম আল্লাহর নিকট একমাত্র দীন –জীবনবিধান৷১৬ যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছিল, তারা এ দীন থেকে সরে গিয়ে যেসব বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করেছে, সেগুলো অবলম্বনের এ ছাড়া আর কোন কারণই ছিল না যে, প্রকৃত জ্ঞান এসে যাওয়ার পর তারা নিজেদের মধ্যে পরস্পরের ওপর বাড়াবাড়ি করার জন্য এমনটি করেছে৷১৭ আর যে কেউ আল্লাহর হেদায়েতের আনুগত্য করতে অস্বীকার করে, তার কাছ থেকে হিসেব নিতে আল্লাহর মোটেই দেরী হয় না৷" [সূরা আলে-ইমরান (৫) আয়াত ১৯ http://beta.quran.com/en/3/19#19/]

"إِنَّ الدِّينَ عِنْدَ اللَّهِ الْإِسْلَامُ" মানে ইসলাম আল্লাহর নিকট একমাত্র দীন –জীবনবিধান৷ তাৎপর্যে বলা যায় যে ইসলামে ভিন্ন কোনো কিছুকে এর উপরে স্থান দেয়ার সুযোগ নেই। জাতীয়তাবাদ, সাম্রাজ্যবাদ, মার্ক্সবাদ-লেনিন বাদ, কিছুই না।
অপর দিকে ইসলামে সুন্দর-সুন্দর ধার্মিক নাম রাখার প্রতি উৎসাহ দেয়া আছে যেমন টা অন্যান্য ধর্মে ও আছে। হিন্দু রা তাদের সন্তানের নাম রাখে রাম, লক্ষণ, কৃষ্ণ... খৃষ্টানরা রাখে John, Merry, Mathew... এগুলো ধর্মিয় ব্যক্তিত্বদের নাম তাদের স্মরণে রাখা হয় আমাদের সন্তানদের নাম যেন বড় হয়ে তাদের আদর্শে চলার আগ্রহ পায়। ঠিক একই ভাবে আমরা নাম রাখি মুহাম্মদ, উমর, আলী, আব্দুল্লাহ (=আল্লাহর বান্দা)...

আর যাদের ধর্ম নিয়ে খুব একটা আগ্রহ নেই (নাস্তিক, সেকুলার,...) তারা রাখবে ধর্ম নিরপেক্ষ নাম (শুভ, আনন্দ, ঐশী...)

উল্লেখ্য, বাঙালি খৃষ্টানরাও কিন্তু ইংলিশ নাম রাখে (রোযারিও, গোমেয, কস্তা...)।
আর ইসলামে সাধারণ নাম (শুভ, আনন্দ, ঐশী...) রাখা নিষিদ্ধ নয় যদি না তাতে শিরকের গন্ধ থাকে (যেমন রাম, শিব, কালি...)। তবে সবাই নিজের সন্তানের জন্যে উত্তম নামটিই রাখতে চায়।

২৩| ২০ শে আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৪:৫০

সিফাতুল্লাহ বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে নানান মানুষের নানান মত আছে। আমার মত হচ্ছে - "১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ ছিল পশ্চিম-বাংলার মানুষের ফেরাউনের হাত থেকে মুক্তি পেয়ে হিতলারের হাতে ধরা পরার ঘটনা"। হিতলার ১০০% মন্দ লোক ছিল না! বঙ্গবন্ধু ও না! উভয়ের শ্রেষ্ঠ গুণ হচ্ছে তাদের ব্যক্তিত্ব, আর ভুল হচ্ছে অন্যের মতের পরোয়া না করা এবং শত্রুকে অবজ্ঞা করা।

২৪| ২০ শে আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৫:০৯

মুগ্ধ মাহি বলেছেন: একে বারে ভুল ধারনা।

ইসলামিক রাষ্ট্র ভাঙা বা গড়ার কোন বিষয় বাংলাদেশের স্বাধীনতায় ছিল না ।

এখন কি এ দেশে ইসলাম নেই। বরং কিছু কিছু বিষয়ে এ দেশের মুসলিমদেরকে ফাকি দের থেকে বেশী ধর্মভীরু বলা যেতে পারে। যেমন "মুজরা" নামক যে অশ্লীল নাচ ফাকিরা বিয়ে উৎসবে পরিবার-আত্বীয় মিলেমিশে উদযাপন করে বাংলাদেশের মুসলিম সমাজে এটা সম্ভব না ,এত নিরলজ্জ না বাংলাদেশিরা।

স্বাধীনতা এসেছে মুজিবের হাত ধরে
পুর্ব বাংলার মানুষের বৈষম্য দূর করতে, নিজেদের জাতি হিসেবে পরিচয় দিতে । ফাকিরা এদেশের মানুষকে মানুষ মনে করত না আর সেই বাংলাদেশীরা এখন ফাকিদের থেকে অনেক হাজার গুন ভালো আছে ।অন্তত বাংলাদেশীদেরকে কেউ সন্ত্রাসী , জঙ্গী বলার সাহস পাবে না।
!:#P !:#P

ফাকিদের সাথে থাকলে হয়ত এত দিনে ড্রোন ধাকা/চিটাগাং এর আকাশে চক্কর দিত। :-B :-B

২৫| ৩০ শে আগস্ট, ২০১৩ রাত ৩:১১

নাজ_সাদাত বলেছেন: প্রথমত বাঙ্গালী নাম বলে কিছু হয় নাকি? এই ধরুন সৌভিক নাম শুনলে অন্ধ ও বলে দেবে তিনি হিন্দু। আবার সাদাত নাম শুনলে ও অন্ধ বলে দেবে তিনি মুসলিম। আসলে নাম করনের সঙ্গে ধর্মের সম্পর্কটাই প্রধান। ধরুন না অনিল নামটার কথা, আমি ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে এই নাম শুনেছি। তার মানে হল ভাষা যাই হক না কেন নাম করনে ধর্মের প্রভাব থাকবে।

এবার আশা যাক মুক্তিযুদ্ধের কথায়। আসলে এই যুদ্ধ দুটি দেশের জন্য দু রকম বার্তা বহন করে। বাংলাদেশের মানুষের চাওয়া পাওয়ার সঙ্গে ইন্দিরার সাহায্যের উদ্দেশ্য এক ছিল না। ইন্দিরা গান্ধী মুজিবকে সাহায্য করেছিল সাম্প্রদায়িক কারনে। ইন্দিরা জানত এ ক্ষেত্রে দুই পক্ষের যারাই মরুক তারাই তার শত্রু (জন্ম থেকেই হিন্দুরা মানবতার বিপক্ষের মানুষ তাই হিন্দুরা তাদের শিশুদের শেখায় হিন্দু বাদে সবাই তার শত্রু) আবার মুজিব বাংলাদেশের মানুষের পাকিস্তানের বঞ্চনার দীর্ঘ আবেগকে কাজে লাগিয়েছিল ক্ষমতার মোহে। যেটা ইন্দিরা তার ধর্মীয় হিংসার পরম্পরা বজায় রাখতে মুজিবকে ভুল বুঝিয়ে এই কাজে সামিল করতে পেরেছিল। এই লড়াইতে কত জন পাকিস্তানী মরেছিল আমার জানা নেই কিন্তু হিন্দুদের অত্যাচারে ঘর-বাড়ি, সন্তান-সন্ততি, পরিবার-পরিজন অর্থাৎ সব হারানো কয়েক লক্ষ উত্তর ও পূর্ব ভারতের মানুষ যারা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছিল তাদেরকে পাকিস্তানী আখ্যা দিয়ে খুন করেছিল ভারতের সেনা ও বাংলাদেশের তৎকালীন কিছু মুক্তিযোদ্ধাকে এই কাজে সামিল করেছিল তারা জাতীয়তাবাদের ওষুধ গিলিয়ে। ইন্দিরা তার জন্ম সূত্রে পাওয়া হিংসাত্মক জান্তব কাজে সফল হয়েছিল। আর সরলমতি মুজিব এই ছলাকলা ধরতে না পেরে তাতে সামিল হয়ে পড়েছিল।

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ১১:৩৬

সৌভিক ঘোষাল বলেছেন: নাহ, আপনার সাথে কিছুতেই একমত হওয়া গেল না।
এইরকম যিনি ভাবতে পারেন - "জন্ম থেকেই হিন্দুরা মানবতার বিপক্ষের মানুষ তাই হিন্দুরা তাদের শিশুদের শেখায় হিন্দু বাদে সবাই তার শত্রু" - তার সাথে কতটা ভিন্নমত ভিন্নরুচির অধিকার মেনে নিয়ে বিতর্ক চালানো যাবে তা নিয়ে আমি সন্দিগ্ধ। মনে হয় আমাদের মধ্যে যুক্তির আদান প্রদান ফলদায়ক হবে না, সে চেষ্টা থেকে বিরত হয়ে আমি আর প্রতি যুক্তি প্রতি উত্তরের দিকে গেলাম না। আশা করি বিষয়টি যে যুক্তিহীনতার নয়, সেটা বিবেচক ব্যক্তিবর্গ বুঝবেন।

২৬| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১:১৪

নাজ_সাদাত বলেছেন: মাস্টারমশাই @ বিষয় হল মুখোশ সরিয়ে মুখ দেখানোর মত সাহস ও হিন্দুদের নেই। কিম্বা বলা যেতে পারে প্রবঞ্চক। একজন হিন্দুর নাম বলুন যিনি মানবতার জয়গান গেয়েছেন? পারবেন না। মুখোমুখি দাঁড়াতে চাননা বেশ তো।

২৭| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১:৫২

নাজ_সাদাত বলেছেন: আসুন দেখে নেই (আপনি আপনার অন্য এক পোস্টে আমাকে বিবেকানন্দ শুনিয়েছিলেন তাই তাকে দিয়ে শুরু করলাম) হিন্দুদের নয়নের মনি বিলে কি রকম মানবতার পূজারী ছিলেন

"আরে একটা পাঁঠা কী, যদি মানুষ বলি দিলে যদি ভগবান পাওয়া যায়, তাই করতে আমি রাজি আছি।"
(মহেন্দ্রনাথ দত্ত, শ্রীমৎ বিবেকানন্দ স্বামীজির ঘটনাবলী, প্রথম খণ্ড, পৃঃ ৯৬।)

‘এ দেশে সেই বুড়ো শিব ডমরু বাজাবেন, মা কালি পাঁঠা খাবেন আর কৃষ্ণ বাঁশি বাজাবেন এ দেশে চিরকাল। যদি না পছন্দ হওয়, সরে পড় না কেন’।
(স্বামী বিবেকানন্দের বাণী ও রচনা, ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃঃ ১১৮)

সাম্রাজ্যবাদের দালাল বিলে কি বলে দেখুন
“সকল কথার ধুয়ো হচ্ছে – ‘ইংরেজ আমাদের দাও।’ বাপু আর কত দেবে? রেল দিয়াছে, তারের খবর দিয়াছে, রাজ্যে শৃঙ্খলা দিয়াছে, ডাকাতদের তাড়াইয়াছে, বিজ্ঞান শিক্ষা দিয়াছে। আবার কী দেবে? নিঃস্বার্থভাবে কে কী দেয়? বলি তোরা কী দিয়েছিস?”
(স্বামী বিবেকানন্দের বাণী ও রচনা, ৯ম খণ্ড, পৃঃ ২৫৩)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.