![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
পেশায় সাহিত্যের শিক্ষক। মতাদর্শে মার্কসবাদী। কোলকাতার বাসিন্দা
পশ্চিমবঙ্গের এক জন বাঙালি হিসেবে একটা কথা পরিস্কারভাবে বাংলাদেশের বন্ধুদের জানিয়ে দিতে চাই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রাদেশিকতার ধুয়ো তুলে সাম্প্রতিককালে এমন কিছু অবস্থান নিচ্ছেন যা প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ করছে এবং পশ্চিমবঙ্গের বড় অংশের মানুষ তা চান না বলেই আমার বিশ্বাস। (বিশ্বাস কারণ এইসব ইস্যুতে গণভোট নেবার মত মজবুত জায়গায় আমাদের গণতন্ত্র এখনো পৌঁছয় নি। সরকারের উপর মহলের কর্তাব্যক্তিদের সিদ্ধান্তকেই রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত হিসেবে ধরা হয়।)
সাম্প্রতিককালে ছিটমহল হস্তান্তরের প্রক্রিয়া মমতার আপত্তিতেই থমকে রয়েছে। অথচ এটা সবারই জানা ছিটমহলগুলির মানুষেরা দুদেশেই নাগরিকত্বসহ নানা সমস্যায় ভোগেন। অতীতেও তিস্তা চুক্তি মমতার আপত্তিতে স্থগিত হয়ে যায়, যে চুক্তি আন্তর্জাতিক জলবিধির ন্যায্যতা মেনে অবশ্যই হওয়া উচিৎ ছিল। এই দুটি ক্ষেত্রে ভারত সরকার রাজী হয়েছিল। সাধারণভাবে ভারত রাষ্ট্র (ভারতের সাধারণ জনগণ বিশেষত সাধারণ পশ্চিমবঙ্গবাসী কিন্তু প্রবলভাবে বাংলাদেশের ভাইবোনেদের সঙ্গে আত্মিক টান অনুভব করেন) বাংলাদেশসহ তার প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর আধিপত্যবাদী অবস্থান নিয়ে থাকে। এতদ স্বত্ত্বেও তিস্তা চুক্তি বা ছিটমহল হস্তান্তরের মত যে কয়েকটি ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে, তাও মমতার উগ্র প্রাদেশিকতার ধুয়ো মাখা আপত্তিতে আটকে যাচ্ছে।
ছিটমহল হস্তান্তর নিয়ে মমতার আপত্তি আর বাস্তবতাটা কি? আনন্দবাজারের রিপোর্ট থেকে তুলে ধরা যাক।
"মুখ্যমন্ত্রীর অবশ্য বক্তব্য, স্থলসীমান্ত চুক্তি হলে রাজ্যের লাভ নয়, লোকসানই হবে। কারণ, ভারতে বাংলাদেশি ছিটমহল রয়েছে ৫১টি, যার মোট এলাকা প্রায় ৭ হাজার একর। আর বাংলাদেশের মধ্যে ভারতের যে ১১১টি ছিটমহল রয়েছে, তার জমির পরিমাণ প্রায় ১৭ হাজার একর। ফলে ছিটমহল হস্তান্তর হলে ভারত পাবে ৭ হাজার একর, কিন্তু দিতে হবে ১৭ হাজার একর।
যার উত্তরে কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে বলা হচ্ছে, খাতায়-কলমে ভারতকে বেশি জমি দিতে হলেও বাস্তবে ওই ১৭ হাজার একর জমিতে কখনওই ভারতের কোনও নিয়ন্ত্রণ ছিল না। ভারতীয় ছিটমহলগুলি বাংলাদেশের গভীরে অবস্থিত এবং সেগুলি কার্যত বাংলাদেশেরই দখলে থেকেছে। একই ভাবে ভারতীয় ভূখণ্ডে থাকা বাংলাদেশি ছিটমহলের ক্ষেত্রেও এটা সত্য। ফলে ছিটমহল বিনিময় একটি পরিস্থিতিকে বৈধতা দেবে, যা ইতিমধ্যেই বিদ্যমান।
তা ছাড়া, দিল্লি মনে করে, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছা রয়েছে। ফলে এই সুযোগে ছিটমহল-সহ দীর্ঘদিন ঝুলে থাকা অন্যান্য সমস্যার যদি সমাধান করে ফেলা যায়, তা হলে সেটা জাতীয় স্বার্থের পক্ষেও ভাল হবে। এত দূর এগিয়ে এখন স্থলসীমান্ত চুক্তি করা না-গেলে ভবিষ্যতে যে সেটা করা কঠিন হবে, সেই বার্তাও বারবার দিচ্ছে বিদেশ মন্ত্রক। মন্ত্রকের কর্তাদের মত, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নদীপথ বদলে যাবে, জনসংখ্যা, ভূগোল সবই বদলে যাবে। মাঝখান থেকে ছিটমহলের মানুষের দুর্দশা ঘুচবে না।
এই অবস্থায় সোমবারই মমতাকে ফোন করে চুক্তির ব্যাপারে সাহায্য চেয়েছেন বিদেশমন্ত্রী সলমন খুরশিদ। মমতা তাঁকে জানিয়েছেন মুকুল রায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ডেরেককে নিয়ে গঠিত তৃণমূলের সংসদীয় প্রতিনিধি দল বিদেশ মন্ত্রকের সঙ্গে আলোচনা করবে। খুরশিদের সঙ্গে ডেরেকের কথা হয়েছে। কিন্তু সংসদের চলতি অধিবেশনে বিলটি পেশের ব্যাপারে সম্মতি দেওয়ার সম্ভাবনা যে নেই, তা স্পষ্ট করে দিচ্ছেন তৃণমূল নেতৃত্ব"।
এই রিপোর্টই জানাচ্ছে ক্ষমতায় আসার পর তৃণমূল সরকারের থেকে চুক্তি বিষয়ে সবুজ সঙ্কেত গেছিল। এখন আমলাতন্ত্র ইত্যাদি কথার আড়ালে তাকে আড়াল করে বিপরীত অবস্থান নেওয়া হচ্ছে।
প্রাসঙ্গিক রিপোর্ট বলছে,
"ভারত-বাংলাদেশ স্থলসীমান্ত চুক্তি সংক্রান্ত সংবিধান সংশোধনী বিলটি সংসদে পেশ করতে দেয়নি তৃণমূল। কিন্তু ঘটনা হল, তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার ঠিক তিন মাস পরে বিদেশসচিবকে চিঠি লিখে ওই খসড়া চুক্তিতে সায় দিয়েছিলেন তৎকালীন মুখ্যসচিব সমর ঘোষ।
স্থলসীমান্ত চুক্তির ব্যাপারে রাজ্যের সম্মতি চেয়ে ২০১১ সালের ১৫ অগস্ট চিঠি (ডিও লেটার নম্বর ১৪৩৪০/এফ এস/২০১১) পাঠিয়েছিলেন তৎকালীন বিদেশসচিব রঞ্জন মাথাই। সেই চিঠির উত্তরে ২০ অগস্ট সমরবাবু লেখেন, ‘খসড়া চুক্তির ব্যাপারে রাজ্য সরকারের সম্মতির কথা আমি আপনাকে জানাচ্ছি’।
তা হলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে তৃণমূল সাংসদরা সে দিন রাজ্যসভায় বিলটি পেশে বাধা দিলেন কেন? মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, “এই চিঠিটি যখন পাঠানো হয়েছিল, তখন সবেমাত্র আমরা সরকারে এসেছি। চিঠির খসড়া তৈরি হয়েছিল আগের সরকারের সময়ই। আমলাতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সেই খসড়া অনুযায়ী চিঠিটি চলে গিয়েছে এবং সেটির বক্তব্যে বাম সরকারের মতামতেরই প্রতিফলন থেকে গিয়েছে।” তাঁর দল চিরকালই রাজ্যের জমি অন্যকে দিয়ে দেওয়ার বিরোধী বলেই জানিয়েছেন তিনি।
কিন্তু এই চিঠি প্রকাশ্যে আসায় স্থলসীমান্ত চুক্তি বিতর্কে নতুন ইন্ধন জুগিয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, মুখ্যসচিবের পাঠানো চিঠির বক্তব্য থেকে রাজ্য সরকার এ ভাবে সরে আসতে পারে কি না। তা ছাড়া, রাজ্যকে অন্ধকারে রাখার যে অভিযোগ তৃণমূল তুলেছে, তা-ও তো ধোপে টিকছে না! রাজ্যসভায় তৃণমূলের মুখ্য সচেতক ডেরেক ও’ব্রায়েনের জবাব, “ওটা আমলাস্তরের একটা চিঠি। এক জন সচিবকে লেখা আর এক সচিবের। যার রাজনৈতিক ছাড়পত্র ছিল না। সময় গড়িয়ে গিয়েছে। এখন রাজনৈতিক অনুমোদন প্রয়োজন।”
আনন্দবাজারের রিপোর্টের লিঙ্কটি এখানে দিলাম
http://www.anandabazar.com/24desh2.html
মমতার উগ্র প্রাদেশিকতায় আমাদের সায় নেই। এসবই হলো তার গিমিকের রাজনীতির কিছু বহিঃপ্রকাশ। জনগণের সমস্যার মৌলিক কোনও সমাধানের চেষ্টা না করে রাজনৈতিক পপুলিজমে মেতে থাকার চেষ্টা। এজন্যই কখনো ক্লাবকে টাকা বিলানো, তো কখনো আই পি এল জয়ী ব্যবসায়িক ক্রিকেট টিমকে সম্ববর্ধনার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করা। উৎসব অনুষ্ঠানের নামে যথেচ্ছ ব্যয়, অথচ স্থায়ী সম্পদ সৃষ্টির বিষয়ে চরম উদাসীনতা। বিভিন্ন আইডেনটিটির কাছের লোক সাজার চেষ্টা। কখনো মুসলিম মহিলার মত মাথায় কাপড় দিয়ে ইফতার পার্টিতে, তো কখনো বেলুড়ে সন্যাসীদের কাছে। আমি সবার লোক - এই ভঙ্গীমাটা কারো কারো পছন্দ হতে পারে, কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব ভালো হিন্দু বা ভালো মুসলমান (ভালো শিখ বা ভালো খ্রীষ্টান তিনি অবশ্য সাজেন না, কারণ সেই ভোট প বাংলায় তেমন নেই, গোটাটাই ভোট বানানোর যে কৌশল, এটা তার থেকেই বোঝা যায়) সাজা নয়, জনগণের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন ও স্থায়ী সম্পদ বিকাশে মনোনিবেশ করা - এটা তার রাজনৈতিক উপলব্ধির জায়গা নয়।
যেখানে ভোট নেই সেখানে তার কোনও দায়ও নেই। বাংলাদেশের সঙ্গে তিস্তা চুক্তি বা ছিটমহল হস্তান্তরে বাধা দিয়ে তিনি যে অমানবিক কাজ করছেন, তাতে তার কিছু যায় আসে না। কারণ এর বিনিময়ে তিনি উগ্র প্রাদেশিকতার দ্বারা রাজনৈতিক লাভ পাবেন ভাবছেন। কিন্তু নীতিকে দীর্ঘদিন সরিয়ে রেখে পপুলিজম দিয়ে বেশিদিন চালানো যায় না - এই ইতিহাসের শিক্ষা অনতি ভবিষ্যতেই তাঁকে পেতে হবে, আর সেটা অনেক মূল্যের বিনিময়ে।
২৪ শে আগস্ট, ২০১৩ রাত ৮:৫১
সৌভিক ঘোষাল বলেছেন: আমি কমিউনিস্ট। একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্তও। সেটির নাম সি পি আই (এম এল) লিবারেশন। রাজনৈতিক শক্তি অপেক্ষাকৃত কম। আমরা দীর্ঘ বামফ্রন্ট শাসনে কোনওদিন তার অনহশ ছিলাম না, এখনো বামফ্রন্টের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক নেই। এস ইউ সি আই বা আমাদের দল লিবারেশন এর সীমাবদ্ধতা এটাই থেকে যাচ্ছে যে পশ্চিমবঙ্গবাসীর বামপন্থা বলতে আপনারা সি পি এম(বা বড়জোড় বামফ্রন্ট) কেই বোঝেন। আমাদের কম শক্তির কারণেই এটা হয়, আপনাদের খুব কিছু করার নেই। আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। এটুকু বুঝতেই পারছেন সি পি কৃতকর্মের পক্ষে সওয়াল করার প্রশ্ন দায় ইচ্ছা কোনওটাই আমাদের নেই।
আমাদের সম্পর্কে জানতে হলে দুটো লিঙ্ক দিচ্ছি। সময় সুযোগ মত দেখবেন।
aajkerdeshabrati.wordpress.com
http://www.cpiml.org/
২| ২৪ শে আগস্ট, ২০১৩ সকাল ১০:৩২
জাহাজ ব্যাপারী বলেছেন: সবই লোক-দেখানো বাগাড়ম্বর!
বাংলাদেশকে চাপে রেখে স্বার্থ উদ্ধারের ব্যপারে সব ইন্ডিয়ানই একাট্টা।
মিঃ ঘোষাল, আপনার শিরোনামটা ঠিক করুন – বাংলাদেশ-ইন্ডিয়ার সমস্যা কোন “প্রাদেশিক” বিষয় নয় – আন্তর্জাতিক বিষয়।
২৪ শে আগস্ট, ২০১৩ রাত ৮:৪৭
সৌভিক ঘোষাল বলেছেন: শিরোনামটা ভালো করে খেয়াল করুন, লেখাটাও। বাংলাদেশ ভারতের সমস্যাকে প্রাদেশিক সমস্যা আদৌ বলা হচ্ছে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবস্থানগুলিকে উগ্র প্রাদেশিকতাজাত বলা হচ্ছে।
৩| ২৪ শে আগস্ট, ২০১৩ সকাল ১০:৪২
ইমতিয়াজ ইমন বলেছেন: জনমানুষের রাজনীতি আর ভোটের রাজনীতির মধ্যে পার্থক্য অনেক। মমতা ভোটের রাজনীতিতে বিশ্বাসী, এটাই হয়তো সমস্যা। আত্মিক টান শব্দটা ভালো লাগলো।
২৪ শে আগস্ট, ২০১৩ রাত ৮:৪৮
সৌভিক ঘোষাল বলেছেন: ধন্যবাদ।
৪| ২৪ শে আগস্ট, ২০১৩ সকাল ১০:৪৮
মেশকাত মাহমুদ বলেছেন: ধন্যবাদ সৌভিক।।
২৪ শে আগস্ট, ২০১৩ রাত ৮:৪৯
সৌভিক ঘোষাল বলেছেন: ভালো লাগলো আপনার ভালো লেগেছে জেনে।
৫| ২৪ শে আগস্ট, ২০১৩ দুপুর ১:১৯
রাখালছেলে বলেছেন: কিন্তু ৩৫ বছরে আপনাদের উপলদ্ধি কি ছিল । বাংলাদেশকে দিয়েছেন এমন একটা জিনিসের নাম বলুত তো ।
২৪ শে আগস্ট, ২০১৩ রাত ৮:৫১
সৌভিক ঘোষাল বলেছেন: তালিকা আপনি বোধহয় চাইছেন না। আপনার মন্তব্যের ইঙ্গিতটা বুঝতে পারছি। সিস্টেম অ্যাডমিন নিককে দেওয়া উত্তরটা আপনাকেও দিই।
আমি কমিউনিস্ট। একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্তও। সেটির নাম সি পি আই (এম এল) লিবারেশন। রাজনৈতিক শক্তি অপেক্ষাকৃত কম। আমরা দীর্ঘ বামফ্রন্ট শাসনে কোনওদিন তার অনহশ ছিলাম না, এখনো বামফ্রন্টের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক নেই। এস ইউ সি আই বা আমাদের দল লিবারেশন এর সীমাবদ্ধতা এটাই থেকে যাচ্ছে যে পশ্চিমবঙ্গবাসীর বামপন্থা বলতে আপনারা সি পি এম(বা বড়জোড় বামফ্রন্ট) কেই বোঝেন। আমাদের কম শক্তির কারণেই এটা হয়, আপনাদের খুব কিছু করার নেই। আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। এটুকু বুঝতেই পারছেন সি পি কৃতকর্মের পক্ষে সওয়াল করার প্রশ্ন দায় ইচ্ছা কোনওটাই আমাদের নেই।
আমাদের সম্পর্কে জানতে হলে দুটো লিঙ্ক দিচ্ছি। সময় সুযোগ মত দেখবেন।
aajkerdeshabrati.wordpress.com
http://www.cpiml.org/
৬| ২৪ শে আগস্ট, ২০১৩ রাত ১০:৫২
রাখালছেলে বলেছেন: দুইটা পেজেই তো গেলাম । কই বাংলাদেশকে দেয়া কোন প্রতিশ্রুতি কিংবা সুবিধা বলে কিছু তো পেলাম না । আপনার পেইজের লিংক দেন দয়া করে ।
৭| ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৩ সকাল ৮:৩৪
বাঙ্গালীর কুঠার বলেছেন: আপনি প্রাদেশিক সমস্যা বলে ইন্ডিয়া ও বাংলাদেশের ঘটনার বর্ণনা শুরু করেছেন। আপনি নাকি আবার শিক্ষকতাও করেন, তো ইন্ডিয়া ও বাংলাদেশের ঘটনা কি প্রাদেশিক ঘটনা মনে হয় আপনার নিকট? শিক্ষকের যদি এই অবস্থা হয় ছাত্রের কি অবস্থা একমাত্র সরস্বতী দিদি ভাল বলতে পারবে। আগে জানতুম কুকুরে লেজ নাডে ইন্ডিয়ায় দেখছি লেজে কুকুর নাডছে। পেরধান মন্ত্রী বসে আছেন মমতা ব্যাঃ কি বলছে তা বাস্তবায়ন করার জন্য।
বাংলাদেশী গরু ছাগল ও জানে ইন্ডিয়া ও বাংলাদেশের ঘটনা মানে একটি আন্তর্জাতিক ঘটনা।
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ১০:২৮
সৌভিক ঘোষাল বলেছেন: লেখা পড়ে মানে বোঝার ক্ষমতা না থাকলে মন্তব্য না করলেই ভালো। "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রাদেশিকতার ধুয়ো তুলে সাম্প্রতিককালে এমন কিছু অবস্থান নিচ্ছেন যা প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ করছে এবং পশ্চিমবঙ্গের বড় অংশের মানুষ তা চান না বলেই আমার বিশ্বাস।" - আমার এই লাইনটি যার কাছে "প্রাদেশিক সমস্যা বলে ইন্ডিয়া ও বাংলাদেশের ঘটনার বর্ণনা" বলে মনে হয়, তাকে বলব গুরুমহাশয়ের কাছে মন দিয়ে ভাষাশিক্ষা করুন। সমাজতত্ত্ব নিয়ে তর্ক বিতর্কের উপযুক্ত ভাষাজ্ঞান তার এখনো তৈরি হয় নি।
©somewhere in net ltd.
১|
২৪ শে আগস্ট, ২০১৩ সকাল ৯:৩২
সিস্টেম অ্যাডমিন বলেছেন: আমি একটা কথাই এখানে বলতে চাই ,
আপনি বলেছেন বাংলাদেশ বিরোধী অবস্থান ও উগ্র প্রাদেশিকতা আমরা সমর্থন করছি না । এখানে আমরা বলতে যদি আপনি আপনার কমনিষ্ট পার্টি এর কথা বলেন তাহলে বলি সস্তা রাজনীতির জন্য যেমন বর্তমান সরকার কে মূল্য দিতে হবে , আপনাদের ও দিতে হচ্ছে । আপনাদের এত উদারতা গত 35 বছরএর শাসন কালে কোথায় ছিল , কী করেছেন আপনার বা আপনার কমনিষ্ট পার্টি ( সিপিআইএম ) । আপনাদের যা অবস্থা এতকাল পশ্চিমবঙ্গ বাসীদের ভুল বুঝিয়ে হয় নি আবার এখন নিজের ঘরে পরবাসী হয়েছেন তখন এসেছেন প্রতিবেশীদের মগজ ধোলাই করতে ।