![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
পেশায় সাহিত্যের শিক্ষক। মতাদর্শে মার্কসবাদী। কোলকাতার বাসিন্দা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত ভারতীয় কূটনীতিক দেবযানী খোবরাগাড়েকে গ্রেপ্তারী ও তারপর তা নিয়ে উত্তাল পরিস্থিতি অসমতার বেশ কয়েকটি নির্মম দিককে আরেকবার আমাদের সামনে তুলে আনল। ভারত সহ উন্নয়নশীল বা পিছিয়ে পড়া দেশগুলিতে মার্কিন কূটনীতিকরা নানা রকম বিশেষ সুবিধা পেয়ে থাকেন। কিন্তু বন্ধুত্ব শব্দের আড়ালে এই সুবিধা দেওয়া হলেও ভারতের কূটনীতিক, প্রথম সারির চলচ্চিত্রাভিনেতা, নানা বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব থেকে প্রাক্তন রাষ্ট্রপ্রধানদের ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নানা মাত্রার হেনস্থার ঘটনাগুলি থেকে বোঝা যায় বন্ধুত্বের আড়ালে মার্কিন প্রশাসন ভারতকে একটি বশংবদ শক্তি হিসেবেই ভাবতে অভ্যস্ত। অতীতে এ ধরণের হেনস্থার ঘটনাগুলিতে নিয়মতান্ত্রিক কিছু প্রতিক্রিয়ার বাইরে ভারত কখনোই তেমন কড়া অবস্থান গ্রহণ করতে পারে নি। এবারের ঘটনায় অবশ্য এখনো অবধি ভারতের পক্ষ থেকে প্রতিক্রিয়া তুলনায় কড়া এবং ‘ইটের জবাবে পাটকেল’ না হলেও কিছু ব্যবহারিক পদক্ষেপ নেওয়ায় মার্কিন প্রশাসনের কাছে অসন্তোষের বার্তা পৌঁছেছে। আর তাই নিয়ে প্রধান মিডিয়াগুলিতে ‘জাতিয়তাবাদী’ কন্ঠস্বর জোরেশোরে বাজছে। তবে সচেতনভাবেই সেখানে বিদেশনীতি ও জাতীয় অর্থনীতির ক্ষেত্রে মার্কিন চাপের কাছে ভারতের নতি স্বীকারের ক্রমবর্ধমান প্রবণতার বাইরের একটি বিচ্ছিন্ন ইস্যু হিসেবেই একে প্রতিবাদের বিষয় করে তোলার চেষ্টা হয়েছে।
সেইসঙ্গে এই গোটা ঘটনায় ভারতীয় কূটনীতিককে হেনস্তার ঘটনাটিকে নিন্দা করতে গিয়ে এক মহিলা গৃহ শ্রমিক, সঙ্গীতার তোলা অভিযোগগুলিকে যেভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে, এবং তাকে ষড়যন্ত্রকারী সাজানো হয়েছে, তাতে ‘শ্রেণি পক্ষপাত’ ভালোভাবেই প্রকাশ পেয়েছে। মার্কিন আধিপত্যবাদী মানসিকতা ও দ্বিচারিতাকে নিন্দা করার অর্থ এই নয়, সঙ্গীতার শ্রম শোষণের অভিযোগগুলিকে উপেক্ষা করতে হবে এবং তাকে ষড়যন্ত্রকারী বানাতে হবে।
মার্কিন পুলিশ ভারতীয় কূটনীতিকের এই গ্রেফতারীর কারণ জানাতে গিয়ে বলেছে এক পরিচারিকাকে আমেরিকায় নিয়ে আসার সময়ে তার ভিসায় তিনি যে প্রাপ্য বেতনের কথা লিখেছিলেন, আদপে তাকে সেই টাকা দিচ্ছিলেন না। মেয়েটিকেও শিখিয়ে দিয়েছিলেন, সে যেন বেতনের কথা জিজ্ঞাসা করা হলে সত্যগোপন করে। সেই পরিচারিকা অবশ্য গত কয়েক মাস ধরেই নিখোঁজ ছিলেন এবং তা নিয়ে দেবযানী নির্দিষ্ট তথ্যও দিয়েছিলেন। কিন্তু বেশ কয়েক মাস আগের ঘটনার অভিযোগের সূত্রে অতর্কিতে খোলা রাস্তা থেকে দেবযানীর গ্রেপ্তার বিষ্ময়ের সৃষ্টি করে। অন্যান্য দিনের মতোই সেদিনও মেয়েকে স্কুলে পৌঁছতে গিয়েছিলেন দেবযানী। স্কুলের সামনেই গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। রাস্তায় সর্বসমক্ষে হাতকড়া পরিয়ে তাঁকে নিয়ে যায় পুলিশ। পরে অভিযোগের সঙ্গে সামঞ্জস্যহীনভাবে তাকে নগ্ন করে তল্লাসী চালানো হয় ও অন্যান্য কয়েদীদের সঙ্গে জেলের গারদে আটকে রাখা হয়।
২০১২-য় নিউ ইয়র্কের দূতাবাসে যোগ দেন বছর উনচল্লিশের দেবযানী। ওই বছরেরই নভেম্বরে সঙ্গীতা রিচার্ড নামে এক ভারতীয়কে পরিচারিকা হিসেবে নিয়ে যান তিনি। ২০১৩-এর জুন পর্যন্ত তাঁর কাছে চাকরি করেছিলেন সঙ্গীতা। আমেরিকার নিয়ম অনুযায়ী, সঙ্গীতার মজুরি হওয়া উচিত প্রতি ঘণ্টায় ৬০৫ টাকা। অভিযোগ, ভিসার কাগজপত্রে দেবযানী তা লিখলেও আসলে তিনি দিতেন ঘণ্টায় ২০৫ টাকা। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ‘ওই কূটনীতিক একে তো কম মজুরি দিয়েইছেন, তার উপর ভিসার সময় ভুল তথ্য দিয়েও বিভ্রান্ত করেছেন।’ এই মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে চার্জ গড়ে সাদার্ন ডিস্ট্রিক্টের অ্যাটর্নি, আর এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রীত ভারারা। হাজতবাসের পর শেষপর্যন্ত কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা রেখে জামিন পান দেবযানী।
কূটনীতিকদের ক্ষেত্রে ভিয়েনা কনভেনশন অনুযায়ী যে ছাড় থাকে, তাও দেবযানীর প্রাপ্য নয় বলেই জানিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। মার্কিন বিদেশ দফতর জানিয়েছে ভারতের ডেপুটি কনসাল জেনারেল দেবযানী খোবরাগাড়ের গ্রেফতারির বিষয়টি সম্পূর্ণ ভাবে আইনের আওতায় পড়ে। মজুরী ফাঁকির ক্ষেত্রে কড়া মার্কিন আইনের প্রয়োগ যথাযথ হয়েছে বলেই একাংশ মনে করেছেন। শ্রম শোষণের বিষয়টি কোন ক্ষেত্রেই সমর্থনযোগ্য না হলেও এ নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যে কোন কথা প্রসঙ্গে ‘চোরের মায়ের বড় গলা’ প্রবাদটিই মনে পড়বে। গোটা দুনিয়ায় পুঁজি রপ্তানী সহ হাজারো প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শ্রম শোষণের ক্ষেত্রে এক নম্বর দেশটির শ্রমের মর্যাদা নিয়ে যে কোনও দাবিই দ্বিচারিতার চরম দৃষ্টান্ত। আর অভিযোগের প্রকৃতি ও তার শাস্তির ধরণের ভারসাম্যহীনতার মধ্যেও যে আসলে ‘জাতি ঘৃণা’ বিদ্যামান, তা নিয়েও কোনও সংশয় নেই।
সেইসঙ্গে কূটনৈতিক নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে মার্কিন অবস্থানের দ্বিচারিতা ইতিহাস ঘাটলেই বেরিয়ে আসবে। ২০১১ সালে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা ‘সি আই এ’ এর রেমণ্ড ডেভিস পাকিস্থানের লাহোরে দুজনকে খুনের অভিযোগে অভিযুক্ত হন। কূটনীতিক না হওয়া স্বত্ত্বেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তরফে তার জন্য দ্রুতই কূটনৈতিক নিরাপত্তার দাবী জানানো হয়। খুনের মত মারাত্মক অভিযোগে কূটনীতিক নয় এরকম একজনের জন্য যেখানে এই নিরাপত্তা দাবী করা হয়, সেখানে কয়েক মাস মজুরী কম দেওয়ার মত অভিযোগে কর্মরত এক ভারতীয় কূটনীতিককে কেন খোলা রাস্তায় হাতকড়া পরিয়ে গ্রেপ্তার করা হবে এবং নগ্ন করে তল্লাসী চালানো হবে, তার জবাব অবশ্যই মার্কিন কর্তৃপক্ষকে দিতে হবে।
অতীতেও ভারতের অনেক বিশিষ্ট নাগরিককে মার্কিন দেশে নানাভাবে হেনস্থা হতে হয়েছে এবং এই ধরণের ঘটনাগুলিতে নিয়মতান্ত্রিক কিছু প্রতিক্রিয়ার বাইরে ভারত কখনোই তেমন কড়া অবস্থান গ্রহণ করতে পারে নি। এবারের ঘটনায় এখনো অবধি ভারতের পক্ষ থেকে প্রতিক্রিয়া অবশ্য তুলনায় কড়া। আগামী লোকসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রধান দুই শাসক দলের ‘জাতিয়তাবাদী’ সাজার প্রতিযোগিতা ও তা থেকে নির্বাচনী লাভ ওঠানোর চেষ্টা এর পেছনে সক্রিয়, এটা অনুমান করা কঠিন নয়। দেশজুড়ে মহিলাদের নির্যাতন নিয়ে প্রতিবাদী আবহের মধ্যে বিদেশের মাটিতে দেশের এক মহিলা কূটনীতিককে খোলা রাস্তায় হাতকড়া পরিয়ে গ্রেপ্তারী ও তাকে নগ্ন করে তল্লাসী চালানোটা কতটা সংবেদনশীল হয়ে উঠতে পারে, সেটাও এক্ষেত্রে বিবেচনার মধ্যে থেকেছে। দেবযানীর গ্রেপ্তারীর ইস্যুতে কড়া অবস্থানকে সমর্থন করার পাশাপাশি এই ঘটনাকে শাসকের ব্যবহার করে নেবার কৌশলকে প্রতিহত করার জন্য আমাদের নিজস্ব অবস্থান থাকা একান্ত জরুরী। আমাদের অবশ্যই এই ধরণের ইস্যুকে কেন্দ্র করে উঠে আসা জনপ্রিয় মার্কিন বিরোধী আবহের মধ্যে দাঁড়িয়ে কংগ্রেস বিজেপি সহ ভারতের শাসক শ্রেণির দল ও তাদের পরিচালিত সরকারগুলির লাগাতার মার্কিন ঘনিষ্ঠ আর্থিক ও বিদেশ নীতি কীভাবে দেশের আর্থিক ও অন্যান্য নিরাপত্তাগত স্বার্থকে বিঘ্নিত করছে তা তুলে ধরতে হবে। দেবযানী ইস্যুতে কংগ্রেস, বিজেপির জাতীয়তাবাদী সাজার প্রতিযোগিতার বিপ্রতীপে মার্কিন চাপে দেশের ব্যাঙ্ক, বীমা, টেলিকম, খুচরো ব্যবসা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রগুলির কীরকম বিলগ্নিকরণ ঘটছে বা তাতে ঢালাও প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে দেশের মানুষের জীবন জীবিকার স্বার্থের তোয়াক্কা না করে, তা অবশ্যই তুলে ধরতে হবে। ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নির্বাচন, (ইরাণ গ্যাস পাইপ লাইন নিয়ে আগ্রহী মণিশঙ্কর আইয়ারকে সরিয়ে মার্কিন ঘনিষ্ঠ মুরলি মনোহর দেওরাকে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকে বসানোর মধ্যে যা প্রকাশ পেয়েছে) বা সংসদে আস্থা ভোটের প্রশ্নেও মার্কিন লবির চাপ বা ভূমিকার পাথুরে প্রমাণ গুলির কথা, যা উইকিলিকস এর ফাঁস করা কেবল বার্তা থেকে উঠে এসেছে, সেসব তুলে ধরে কেবল কূটনৈতিক মর্যাদার প্রশ্নটির চর্চা নয়, মার্কিন আধিপত্যবাদের স্বরূপটিকে উন্মোচিত করতে হবে।
২| ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১২:০১
বোধহীন স্বপ্ন বলেছেন: এখানে দেখি কিছু ছাগু ম্যাৎকার করে যাচ্ছে। আচ্ছা, এই একই ঘটনা যদি বাংলাদেশের কোন কুটনীতিকের ক্ষেত্রে ঘটত তাহলে এই ছাগুগুলা কি বলত? খুব জানতে ইচ্ছে করে।
৩| ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১২:১৩
দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: মার্কিনদের যেমন আধিপত্যবাদী মানসিকতা ঠিক তেমনি ভারতেরও আধিপত্যবাদী মানসিকতা আছে। দু-ই সমানে সমান। ভারত তার চার পাশের কোন একটি দেশকেই শান্তিতে থাকতে দেয়না আধিপত্যবাদী মানসিকতার জন্য, তার বহু উদাহরণ আছে।
তবে কথার কথা হলো ভারত মার্কিনদের মুখে খুব জোরে একটা চপেটাঘাত দিতে সক্ষম হয়েছে যা আমাদের মতে ছোট দেশ গুলো দিতে পারেনা।
৪| ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১২:১৭
ইলুসন বলেছেন: নগ্ন করে তল্লাশী চালানো ব্যাপারটাকে এত হাইলাইট করা হচ্ছে কেন? হাজতে নেয়ার আগে সবাইকেই নগ্ন করে তল্লাশী চালানো হয়। দেবযানী যেহেতু নারী তাই তাকে আইন শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর কোন নারী সদস্যই তল্লাশী করেছে বলে আশা করা যায়, যদি তা না হয়ে থাকে তাহলে সেটা নিয়ে কথা বলা যেতে পারে। আর যুক্তরাষ্ট্রে এটা নতুন কিছু না, এর আগে আরো অনেক দেশের নাগরিকদের তারা এভাবে হেনস্তা করেছে। দেবযানী যদি দোষী হয়ে থাকে তাহলে তার শাস্তি হওয়া উচিত কিন্তু এভাবে স্কুলের সামনে থেকে গ্রেফতার না করে তাকে সমন জারি করে আদালতে নেয়া যেত। আমাদের ব্যাপারটা দুই দিক থেকেই চিন্তা করতে হবে। দেবযানীর বাসায় যে চাকরি করত সেও কিন্তু ভারতের নাগরিক, তার দিক থেকেও ভাবা উচিত ব্যাপারটা যে তার প্রতি অন্যায় করা হয়েছে। দেবযানী একজন কূটনীতিক বলে তার জন্য আমরা লাফাবো আর তার কাজের লোক গরিব মানুষ বলে তার কোন দাম থাকবে না এমনটা হতে পারে না।
৫| ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১২:২০
েবনিটগ বলেছেন: বোধহীন স্বপ্ন বলেছেন: এখানে দেখি কিছু ছাগু ম্যাৎকার করে যাচ্ছে। আচ্ছা, এই একই ঘটনা যদি বাংলাদেশের কোন কুটনীতিকের ক্ষেত্রে ঘটত তাহলে এই ছাগুগুলা কি বলত? খুব জানতে ইচ্ছে করে।
vai/apa- apnar kothay dukho paisi, jodi apni Bangladeshi hon. ekta Indian lok jar kothay prochchonno vabe ahonkar aar Banfladesh er proti obogga fute uthe, take tar upjukto jobab dewa ta onnay? Jodi hoy, tahle amar aar kichu bolar nei. Souvik tui jitle. Ami here gelam
৬| ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ৯:৩১
হাসিব০৭ বলেছেন: ভারত তোমার আর তোমার মায়ের পুটকি দিয়া ভরমু সালা মাদারচোদ
৭| ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ৯:৩৬
হাসিব০৭ বলেছেন: @বোধহীন স্বপ্ন তোর জন্ম ভারতের বীর্জ থেকে তাইতো তুই ভারতের ভো.. চাটতাসস আর তোর মায়রে ভারতের ১৬০ কোটি মানুষের হাতে তুইলা দে ধর্ষন করার জন্য। নিশ্চই তোর ভাল লাগব
৮| ০১ লা জানুয়ারি, ২০১৪ দুপুর ২:০২
লিখেছেন বলেছেন: Click This Link
ভারতের কূটনীতিক দেবযানী খোবরাগাড়ে প্রসঙ্গে ফের নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ভারতের তীব্র আপত্তি সত্ত্বেও সাফ জানাল দেবযানীর বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করার কোনও সম্ভাবনাই নেই। শুধু তাই নয় এই প্রসঙ্গে ভারতের কাছে ক্ষমা চাওয়ারও কোনও প্রশ্ন নেই বলেই জানান হল মার্কিনি সূত্রে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে সাফ জানান হয়েছে সংগ্রহ করা সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে দেবযানীর বিরুদ্ধে মামলা জারি থাকবে।
তবে দেবযানীকে গ্রেফতারের পিছনে কোনও অসাধু উদ্দেশ্য কাজ করেনি বলে মার্কিনি সূত্রে দাবি করা হয়েছে।
তবে, রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা দেবযানী যদি পান তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে এখনই কোনও পদক্ষেপ নিতে পারবে না মার্কিনি প্রশাসন। তবে মামলা জারি থাকবে।
এর মধ্যে দেবযানী যদি ভারতে ফিরে আসেন এবং ফের আমেরিকায় ফেরার চেষ্টা করেন তাহলে তাঁকে গ্রেফতারির সম্মুখীন হতে পারে।
মেয়েকে স্কুলে পৌছে দিতে গিয়ে গ্রেফতার হন ডেপুটি কনসাল জেনারেল দেবযানী খোবরাগাড়ে। জাল ভিসার সাহায্যে সঙ্গীতা রিচার্ড নামে এক ভারতীয় পরিচারিকাকে আমেরিকায় নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। নির্ধারিত পারিশ্রমিকের থেকে পরিচারিকাকে অনেক কম টাকা দিতেন বলেও অভিযোগ। এই অভিযোগে গ্রেফতার হলেও ২লক্ষ ৫০ হাজার মার্কিন ডলারের বিনিময়ে ছাড়া পান তিনি। এই খবর পেয়েই তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায় নয়াদিল্লি। বিদেশসচিব সুজাতা সিং সমন পাঠান ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ন্যান্সি পাওয়েলকে। উচ্চপদস্থ ভারতীয় কূটনীতিকের এই ধরনের অবমাননা একেবারেই মেনে নেয়নি দিল্লি।
তবে নয়াদিল্লি প্রতিবাদ জানালেও মার্কিন স্বরাষ্ট্রদফতর শনিবার জানিয়ে দিয়েছে কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে ভিয়েনা চুক্তিতে যা বলা রয়েছে, তার আওতায় তিনি পড়েন না। ভিয়েনা কনভেনশন অন কনসুলার রিলেশনসের আর্টিকল ৩৬ বলছে, কোনও বিদেশিকে আটক বা গ্রেফতার করলে একটুও দেরি না করে তা দূতাবাস বা কনসুলেটকে জানাতে হবে। আটক বা গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির অনুরোধ অনুযায়ী পুলিস ফ্যাক্স মারফত দূতাবাসকে জানিয়ে দিতে পারে।সম্ভব হলে গ্রেফতারের কারণ, সময় উল্লেখ করতে পারে পুলিস। ডেপুটি কনসাল জেনারেল দেবযানী খোবরাগাড়ের গ্রেফতারের সময় আন্তর্জাতিক প্রোটোকল মানা হয়নি বলেই দিল্লির অভিযোগ।
Click This Link
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রদফতরের বক্তব্য দেবযানী খোবড়াগাড়ে যা করেছেন তার সঙ্গে ভিয়েনা চুক্তির কোনও সম্পর্ক নেই। তা দেশের আইন ভাঙার সঙ্গে জড়িত। আইন ভাঙার জন্যই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। নয়াদিল্লির দাবি অপমান না করেও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যেত।
৯| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৪ সকাল ৭:৪৫
েবনিটগ বলেছেন: shouvik Delhir new prime minister shomporke ekta article lekhun
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৪ সকাল ১০:১০
সৌভিক ঘোষাল বলেছেন: পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে হবেন সেটা তো এখনো ঠিক হয় নি ভাই, বিজেপি জিতলে মোদী হবেন, কিন্তু বিজেপি না আসার সম্ভাবনা যথেষ্টই। সেক্ষেত্রে আঞ্চলিক কোনও দলের কেউ (কংগ্রেসের সমর্থনে এবং/বা তৃতীয় জোটের নেতা হিসেবে) প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। সেই তালিকায় অনেকগুলো নাম। বিহারের নীতীশ কুমার, উত্তর প্রদেশের মুলায়ম সিং যাদব, বাংলার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হয়ত অন্য আর কোনও নামও সামনে চলে আসতে পারে। একটা কথা বলাই যায় এই নির্বাচনে কি হতে যাচ্ছে, তার আগাম কোনও নিশ্চিত বার্তা এখনো মেলে নি। বিশেষ করে এই নির্বাচন প্রাক নির্বাচন নয়, নির্বাচন উত্তর জোটের দিকেই তাকিয়ে আছে। তবে আমাদের দিক থেকে খারাপ খবর এটাই, বামপন্থীরা এই নির্বাচনে ভালো ফল করতে পারবে না, সম্ভবত সাম্প্রতিক কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ ফল হবে। তবে চেষ্টা করতে হবে শ্রমিক কৃষকের ইস্যুগুলো যতটা সম্ভব সামনে আসে। সেইসঙ্গে দীর্ঘদিন সংসদীয় রাজনীতিতে থেকেও কেন ভারতের রাজনীতিতে বামপন্থীরা গভীর কোনও প্রভাব রাখতে পারছি না, হাতে গোণা কয়েকটি রাজ্যের বাইরে কোনও শক্তি হিসেবেই গণ্য হচ্ছি না, তার গভীর বিশ্লেষণ করতে হবে।
১০| ০৯ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ১২:০৭
লিখেছেন বলেছেন: apnar prediction chilo bjp asbe na, othcho bjp aslo . apnar calculation bhul holo ki kore?
১৫ ই আগস্ট, ২০১৪ সকাল ৮:৪৭
সৌভিক ঘোষাল বলেছেন: বিজেপির এই পরিমাণ নির্বাচনী সাফল্য প্রত্যাশিত ছিল না। কিন্তু কংগ্রেসের বিরাট পরিমাণ ধ্বস, যার এই মাত্রার ব্যাপকতা আগে আঁচ করা যায় নি, একটা শূন্যতা তৈরি করে। কর্পোরেট প্রচারকে দারুণভাবে কাজে লাগিয়ে বিজেপি এই শূন্যতাকে প্রায় এককভাবে দখল করে ন্যায়। বাম এবং সামাজিক ন্যায় আন্দোলন এর শক্তি কোনও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে নি। এটাই বড় ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়ায়। বামেদের সম্ভাব্য বিপর্যয় সম্পর্কে অবশ্য প্রেডিকশান ছিলই।
©somewhere in net ltd.
১|
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ সকাল ১১:৫০
ওবায়েদুল আকবর বলেছেন: মনে হচ্ছে কোন বর্ণবাদী মানুষের কথা শুনছি। ইন্ডিয়ানরা বিশ্বের সবচেয়ে জঘণ্য বর্ণবাদী ধ্যান-ধারণা লালন করে।
একজন গরিব শ্রমিকের প্রতারিত হওয়াটাকে এরা কিছু মনে করে না অথচ একটা দূর্নীতিপরায়ণ বাপের অযোগ্য কন্যাকে বাচানোর জন্য এরা লুঙ্গি ড্যান্স দিতে নেমেছে পরনের কোউপিনটা পর্যন্ত খুলে।
সৌভিক একটা ভন্ড ক্যানভাসার টাইপ কম্যুনিস্ট।