নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সৌভিকের চিন্তাচর্চা

চারিদিকে দেখো চাহি হৃদয় প্রসারি

সৌভিক ঘোষাল

পেশায় সাহিত্যের শিক্ষক। মতাদর্শে মার্কসবাদী। কোলকাতার বাসিন্দা

সৌভিক ঘোষাল › বিস্তারিত পোস্টঃ

ভারতে বাংলাদেশের অনুপ্রবেশকারী

০৭ ই মে, ২০১৪ বিকাল ৩:২৫

ভারত সম্পর্কে বাংলাদেশবাসীর (খানিকটা সঙ্গত) রাগ আছে, সেটা কোলকাতা থেকে এই ব্লগে লেখালেখি করার সুবাদে মাঝে মাঝে টের পাই। একদল এই ব্লগে আবার সম্প্রতি কোলকাতার যে ব্লগের ফেসবুক পেজ নিয়মিত দেখছি সেই গুরুচণ্ডালীতে একটা পালটা চাপান উতোরও চোখে পড়ছে। দুই কট্টর শিবির নিজেদের পক্ষ থেকে অন্যের দিকে গোলাগুলি ছুঁড়ছেন। একটি গোলা আমার পূর্ব পরিচিত। এই ব্লগেও অনেকে আমায় তা ছুঁড়েছেন। সেটি হল ' আমরা মানে প বঙ্গ র বাঙালিরা তো পরাধীন, দিল্লির উপনিবেশ। আমরা কেন স্বাধীন (ঘটি) ল্যান্ড বানাই না ? বাংলাদেশীরা তো বানিয়েছে, স্বাধীন বাংলা।'

এর বিপরীত আর একটি গোলা এই ব্লগে নয় গুরুচন্ডালীতে এমত গোলার পাশেই দেখতে চাই। 'বাংলাদেশ ভারতের আর একটি অঙ্গরাজ্য হয়ে যাক'। বলাই বাহুল্য এ ধরণের বালখিল্যতার কোনও বেশি রাজনৈতিক মূল্য থাকার কথা নয়, কিন্তু ভারতের ভোটের বাজারে এ নিয়ে বিস্তর চাপান উতোর চলছে, ল্যাপটপের বাটন চাপা চলছে।

এই পরিবেশেই এসেছে নরেন্দ্র মোদির উক্তি এবং তার পালটা রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া। প বঙ্গর আরামবাগে রাজনৈতিক জনসভা করতে এসে নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বের করে দেবার কথা বলেন। সি পি এম এবং তৃণমূল তার সোচ্চার বিরোধিতা করে। মমতা তো রীতিমত জেহাদ ঘোষণা করেন। এই পরিপ্রেক্ষিতে মনে রাখা দরকার এখন মমতা সোচ্চারে মোদি বিরোধিতা করলেও একসময় এন ডি এ মন্ত্রীসভার সদস্য হিসেবে অনুপ্রবেশ বিরোধি বিল এ সম্মতি দিয়েছিলেন। ২০০৩ এর ১৮ ডিসেম্বর রাজ্যসভায় এই বিলটি (মন্ত্রীসভার বৈঠকে অনুমোদনের পর ,যেখানে হাজির ছিলেন মমতা স্বয়ং) পেশ করেন তৎকালীন উপ-প্রধানমন্ত্রী তথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লালকৃষ্ণ আদবানি।

এর পরেও ২০০৫ সালে ইউ পি এ শাসনে মমতা যখন বিরোধি আসনে, তখন লোকসভায় অনুপ্রবেশ ইস্যুতে তার বক্তব্য জানাতে জান। বলেন সি পি এম ভোটার তালিকায় বাংলাদেশের অনুপ্রবেশকারীদের নাম ঢুকিয়ে কারচুপি করছে। তাকে এই বিষয়ে ভালোভাবে বলার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না, এই অভিযোগ জানিয়ে কিছু সময়ের জন্য ওয়াক আউটও করেন। কিন্তু মমতার অসততা ও ভোল বদল এই লেখার বিষয় নয়।

বিষয়টা হল মোদির কথার মধ্যে সত্যতা কতটা ? বাংলাদেশ থেকে কি ভারতে সত্যি অনুপ্রবেশ হয় ? নিশ্চয় হয়। এখন কারা অনুপ্রবেশ করেন। অনেক হিন্দু করেন। মোদি বা বিজেপি তাদের বলেন ধর্মীয় শরণার্থী। বাংলাদেশে জামাত বি এন পির অত্যাচারের কথা অনেক শুনি। ওদেশ থেকে এসেছেন এমন অনেককে চিনি। তারা ভয় পেয়েই এসেছেন তাও বুঝি। এমনি এমনি তো দেশভাগের সময়কার ২৯ শতাংশ হিন্দু কমে ৮ শতাংশ হয়ে যায় নি। এই শরণার্থীদের নিয়ে মোদি বা বিজেপির কোনও সমস্যা নেই। তাহলে কাদের বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার কথা বললেন নরেন্দ্র মোদি ? অনেক মুসলিম বাংলাদেশি নাকি লো এন্ড জব করতে কোলকাতায় চলে আসেন। জানি না এই তথ্য সঠিক কিনা। মনে তো হয় না কোলকাতার কাজের বাজার বা ভারতের কাজের বাজার এত ভালো যে মুসলিম বাংলাদেশীরা কাজ খুজতে এই বিদেশ ভূমিতে আসবেন সোনার বাংলা ছেড়ে। বিষয়টি নিয়ে আরো অনুসন্ধান করা যেতেই পারে। তবে আসামের বোড়ো এলাকায় তারা যে আসছেন এবং প্রত্যাঘাত হচ্ছে সে তো দেখাই যাচ্ছে। বোড়োরা তাদের জমির বিষয়ে স্বাভাবিকভাবেই সংবেদনশীল। বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী মুসলিমদের হাতে জমি চলে যাওয়াকে তারা যেভাবে হোক আটকাতে চাইছেন। জমি প্রসঙ্গে এই সংবেদনশীলতার সূত্র ধরেই একটা কথা বলেছেন এক বিজেপি নেতা। সুব্রক্ষণ স্বামী।

মোদি যে কথাটা এখনো বলেন নি সেটা বলেছেন সুব্রক্ষণ স্বামী। একদা হার্ভার্ডের অধ্যাপক, অধুনা জনতা পার্টি হয়ে বিজেপির এই নেতা পরিস্কার বলেছেন বাংলাদেশ থেকে যে হিন্দুরা ধর্মীয় কারণে শরণার্থী হয়ে এ দেশে চলে আসছে, তাদের নিরাপত্তা দিচ্ছে না বাংলাদেশী সরকার। কিন্তু চলে আসা জনসংখ্যার অনুপাতে জমি দিতে হবে বাংলাদেশকে। এটা এখনো ওনার ব্যক্তিগত মত, বিজেপির অফিসিয়াল মত নয়। কিন্তু এই দাবির স্বপক্ষে যুক্তি তৈরি হলে, আবেগ যুক্ত হলে সেটা একটা সীমান্ত সমস্যা পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। কারণ ৪৭ থেকে ৭১ এবং ৭১ থেকে এখনো পর্যন্ত শরণার্থী হয়ে আসা হিন্দুরা কমিউনিস্টদের সঙ্গে ছিলেন। তারা উগ্র হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপির সাথে চলে গেলে এবং বিজেপি ভারতের ক্ষমতায় এলে এই দাবিটি আরো জোরাল হবে। ভারত বাংলাদেশ সমস্যা কখোনোই ভারত পাকিস্থান সমস্যার মত ছিল না। কিন্তু অনুপ্রবেশ ইস্যু ও শরণার্থী অনুপ্রবেশের সূত্রে জমির দাবি তীব্র হলে তা মারাত্মক চেহারা নিতে পারে। জমির দ্বন্দ্ব জল নিয়ে দ্বন্দ্বর চেয়ে বেশি ই হবে। আমাদের অবশ্যই সতর্কভাবে আগামী পরিস্থিতির দিকে নজর রাখতে হবে।

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই মে, ২০১৪ বিকাল ৪:১৭

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: ভাই ঘোষাল, আপনার লেখাটা আমাকে ভালো লেগেছে আপনার যুক্তিও অনেক সুন্দর। বরবরই আপনার লেখা আমাকে ভালো লাগে সে যাই হোক, আপনি জমির বিষয়ে যে কথা বলেছেন তাতে আমার আপত্তি আছে। একথা ঠিক ২৯ শতাংশ হিন্দু কমে ৮ শতাংশ হয়ে গিয়াছে তাতো এমনি এমনি হয়নি? আমার জানা মতে অনেক হিন্দু ভাই বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে গিয়াছে একথা সত্য তেমনি সত্য যে তার কেউই তাদের সহায় সম্বল রেখে চলে যাননি। তারা যখন চলে যান তখন গোপনে মুসলিমদের সংগে আতাত করে যে ভাই আমি ভারতে চলে যাব আমার জমিটা আমি আপনাকে দিতে চাচ্ছি এবং কিছু কম দামে তবে শর্ত হলো কাউকে আপনি বলতে পারবেন না। কমদামের কথা শুনে বোকা মুসলিম ব্যাটা তো মহা খুশি। তলে তলে আমার ঐ হিন্দু ভাই আরও তিন/চার জনেক কাছে একই ভাবে প্রতারনার করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়ে রাতের আধারে ভারতে পারি জমায় আর ওখানে গিয়ে বলে যে, আমাদের উপর নির্যাতন করে সবকিছু কেড়ে নিয়ে তাড়িয়ে দিয়েছে এমন শত শত উদাহরণ আছে। তবে নির্যাতন যে হয় না তা বলবো না পৃথিবীর সব যায়গাতেই সংখ্যা লঘুরা নানা ভাবে নির্যাতনে শিকার হয় তবে সেটা কম আর বেশি।

জব সম্পর্কে আপনার যা বলেন তার বিপরীতে আমি বলতে চাই, বাংলাদেশ হলো ভারতীয়দের জন্য মধ্যপ্রাচ্য অর্থাৎ চাকুরীর বাজার অনেক ভারতীয় অবৈধ্য ভাবে বাংলাদেশে অনেক উচ্চপদে চাকুরী করেন বিশেষ করে তৈরি পোষাক শিল্প ও টেক্সাটাইলে। ভারতের চেয়ে বাংলাদেশে চাকুরীর বাজার অনেক ভালো তাই কোন বাংলাদেশী ভারতে চাকুরী করতে যাবে এটা একদম অবিশ্বাস্য ব্যাপার। হয়তে যেতে পারে সিমান্তের দু একজন তার দিনমজুর টাইপের। আমি একটা অার্থিক প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করি এখানে অনেক হিন্দু আছেন বড় বড় কর্তা হিসাবে অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি তাদের পরিবার পরিজন সকলেই ভারতে বিশেষ করে কলকাতায় থাকেন। অনেক বড় অংকের বেতন পান অথচ তারা সামন্য শ্রমিকের মত জীবন জাপন করেন এবং হুন্ডির মাধ্যমে ভারতে টাকা পাচার করেন যাহা ওপেন সিক্রেট। কেউ কেউ আবার সর্দি লাগলেও চিকিৎসার নামে টাকা পাচার করে আসেন। চাকুরী শেষে তল্পিতল্পা সহ ওপারে চলে যান।


তবে আপনাদের দেশের নেতানেত্রীরা বাংলাদেশকে নিয়ে নানা ধরনের কটু মন্তব্য করেন যা মোটেই কাম্য নয় পক্ষান্তরে আপনারা চীন এবং পাকিস্থান কে নিয়ে এমন মন্তব্য করেন না। শুধু ছড়ি ঘোরান বাংলাদেশ শ্রীলংকা এবং নেপালের ওপর।

২| ০৭ ই মে, ২০১৪ বিকাল ৫:৪০

কামরুল ইসলাম রুবেল বলেছেন: মমতা আর মুদি দুইটারেই *দি

৩| ০৭ ই মে, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:৪৪

রাজা মশাই বলেছেন: আপনার লেখাটা এক নিশ্বাসে পড়লাম। অসম্ভব ভাল লেখা। পড়েও ভাল লাগল।

বাংলাদেশে জামাত বি এন পির অত্যাচারের কথা অনেক শুনি - ভাই এই লাইনটাতে আমার একটু প্রশ্র আচ্ছে। আগেই বলে নেই আমি রাজনীতির কেনো লোক না। সাধারণ ব্লগার। ভাই জামাত বি এন পি কেমন তা নিয়ে আমার কোন প্রশ্ন নেই। দলের প্রশ্নে কখনোই যেতে চাই না। ৪২ বছর ধরে আমরা আম জনতাই হয়ে রইলাম। যাই হোক ভাই বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িকতার হার টা কখনোই বেশ টা কখনোই বেশী ছিল না। আমাদের দেশে অধ্যাবধী কোন আইন কোন নির্দিষ্ট ধর্মকে উপেক্ষা করে করা হয়নি। বাংলাদেশ ছেড়ে বেশীর ভাগ হিন্দু কেন ভারতে যান? কাজের জন্য? না ভাই। আপনি বাংলাদেশের ১০ জন হিন্দু ভাইকে ভারতে তাদের আত্নীয় আছে কিনা প্রশ্ন করুন। উত্তর দিবে আছে। অন্তত ১০ এর মধ্যে ৯ জন। সুতরাং তারা যদি ভারতে গিয়ে থাকতে চায় তবে তাতে বাংলাদেশ সরকারের কি করার আছে? হ্যা এটা মানছি বিএনপির সময় কিছুটা সাম্প্রদায়িক দৌরাত্ন ছিল। কিন্তু বর্তমানে সেটা বিলিন। অন্নত গত ছয় বছরে সেটা ব্যপক হারে কমেছে। আপনার বাংলাদেশের লোক ভারত বিদ্বেষী হয়ে ওঠার পিছনে কারণ তো অবশ্যই আছে। সাম্প্রতিক সময়ে আমরা বাংলাদেশ যতটা ছাড় দেয় ভারত একটা উপমহাদেশ হয়ে সেটুকুও দেয় না। আপনি শুধু তিস্তার পানির কাহিনীই দেখুন। আর যদ জাফলং কখনো ঘুরতে আসেন তাইলে আরো মজা দেখবেন। রাস্তার অপারে ছিল ভারত সীমানা। এখন রাস্তা ছেড়ে মাটিতে নেমে এসেছে। কিছুদিন আগে গিয়ে দেখলাম নদীতে ও নেমে এসেছে। ভাই আমাদের প্রাণের ক্রিকেট নিয়ে বাড়াবাড়ি করলেন। পানি নিয়া বাড়াবাড়ি করলেন। সীমনা ও পার করলেন। এখন মানচিত্র নিয়ে ও টানা টানি করছেন। ভাই আমার বাবা এখন খান কথা বলে। আগা যেদিক যায়, পাছা ও সেদিক যায়। বিজেপির সুব্রক্ষণ স্বামী একজন বিচক্ষণ মানুষ। একবার আপনি চিন্তা করুন তো তিনি প্রকাশ্যে যেই মতটা রেখেছেন সেটা যদি বাংলাদেশের কোন নেতা করেন তবে আউটপুট কি আসবে। আমরা ছোট দেশ। আকারেও মানচিত্রে ও। তবে একটা কথা বলতে পারি বাংলাদেশে সবাই সবার ভাই। তাই বিজেপি যদি যেতে এবং বাংলাদেশ নিয়ে বাড়াবাড়ি করে তবে তার রেশ তো বাংলাদেশের উপরেও পড়বে।

৪| ০৮ ই মে, ২০১৪ রাত ১২:৫২

কবি কালিদাশ বলেছেন: "এখন মমতা সোচ্চারে মোদি বিরোধিতা করলেও একসময় এন ডি এ মন্ত্রীসভার সদস্য হিসেবে অনুপ্রবেশ বিরোধি বিল এ সম্মতি দিয়েছিলেন। ২০০৩ এর ১৮ ডিসেম্বর রাজ্যসভায় এই বিলটি (মন্ত্রীসভার বৈঠকে অনুমোদনের পর ,যেখানে হাজির ছিলেন মমতা স্বয়ং) পেশ করেন তৎকালীন উপরাষ্ট্রপতি লালকৃষ্ণ আদবানি। " লালকৃষ্ণ আদবানি আবার কবে ভারতের উপরাষ্ট্রপতি হল? আমি যতদূর জানি উনি তো উপপ্রধানমন্ত্রী ছিলেন। আর মোদির ভাষনটা আমিও দেখেছি, সেখানে কন অনুপ্রবেশের কথা তিনি বলেন নি, তিনি সরাসরি বলেছেন বাংলাদেশ থেকে আগতদের তিনি ঘার ধাক্কা দিয়ে এখানকার ভূমি পুত্রদের কাজের সুযোগ বাড়াবেন। তাতে কোন হিন্দু মুসলিম অনুপ্রবেশের কথা ছিল না।

০৯ ই মে, ২০১৪ দুপুর ১:০৬

সৌভিক ঘোষাল বলেছেন: উপপ্রধানমন্ত্রীকে ভুল করে উপরাষ্ট্রপতি লেখা গিয়েছে। সেটা ঠিক করে দিলাম।

৫| ০৮ ই মে, ২০১৪ দুপুর ২:৩২

কাজী কিংশুক হোসাইন বলেছেন: আমি এটুকু বিশ্বাস করি কোন বাংলাদেশী ই ইমিগ্রান্ট হয়ে ভারতে যায় না,যাবে না। যারা যায় তারা দেশ ভাগের সময় এদেশে এসেছিলো এখন নাড়ীর টানে যেতে চায়। আমরা বাংলাদেশীরা বাংলাদেশে বাস করে গর্বিত। আর আপনিই বলেন কেন যাবে? কি এমন আছে ভারতে। একটা বৃহৎ সমস্যা পিড়িত দেশে কেন যাবে?
তাই ঐ মোদি-ফোদির কথায় আপনারা ভয় পেতে পারেন আমরা না।
লেবু বেশি কচলাবেন না। শেষে এমন তেতো হবে আর কুল খুেজ পাবেন না।
বাঙ্গালীদের ঋণ কোন দিন ভারত শোধ করতে পারবে না। কেচো খুেড়ন সাপ বের হবে।
F...k

৬| ১১ ই মে, ২০১৪ রাত ১০:১০

এ কে এম রেজাউল করিম বলেছেন: কাজী কিংশুক হোসাইন -এর মন্তব্যে সহমত।

৭| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ১২:৩৮

সবুজআমিন বলেছেন: বাংলাদেশে সিলেট ও কুড়িগ্রামের সাথে আসামের সীমান্ত আছে। কুড়িগ্রামের দিকে নদী পেরিয়ে আসামের শক্তিশালি সীমানা ক্রস করা বা ওখানকার শহরে ঢুকে পড়া অনেক কঠিন, ভৌগলিক অবস্থান তাই বলে।
আর সিলেট বাংলাদেশের একটি স্বনির্ভর ভাল ইকুনিমিকাল এলাকা। ওখান থেকে ভারতের ৪ নম্বর দরিদ্র রাজ্যটিতে সিলেটের মানুষ কেনো যাবে বা ওখানে গিয়ে থাকবে তা সহজ দৃষ্টিতে বোধগম্য নয়। যা আজ আসামের রাজনীতিবীদরা/প্রশাসন দাবী করছেন, তা অযুক্তিক।
বাংলাদেশের সিলেটের অর্থনীতির চেয়ে ভারতের আসামের অর্থনীতির বরাবরের মত খরাপ। আসামে বন্যা মুল ভারতের সাথে যোগাযোগের সমস্যা, পলিটিকাল ও জাতিগত হিংস্র সমস্যা ওখানে প্রায়ই বিদ্যমান সেই শুরু থেকে।
আসামে চলে ফালতু রাজনীতি, ভন্ডামী….. বিরোধী দল এর কর্মীকে ওরা খুব সহজে ননভোটার বা বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী বানাতে পারে। বানিয়ে নিজেদের অবস্থান শক্ত করে।
ছিটমহল যখন বিনিময় হলো ভারতের ৪১ হাজার ৪শ ৪৯ নাগরিক এর মধ্যে তাদের প্রিয় জন্মভুমি ভারতে ৯শ ৮৭ জন রাজি হলো। এই হলো বাংলাদেশ ভারতের আত্মিক জনপ্রিয়তার চিত্র।
আর এখন আবার ৯শ ৮৭ জনের মধ্যে ৩০০ এর উপরে চলে আসার জন্য উপায় খুজছেন। কারন স্বপ্ন বাংলাদেশ এ পুরন সহজ। ভারতে অনেক কঠিন।
অনুপ্রবেশকারী যদি থাকে তা হবে প্রমান সাপেক্ষে.. এব বিএসএফ এর ফোর্স রেখে (হত্যা সহ) যদি অনুপ্রবেশকারী থাকে তাইলে বিএসএফ এর ভুমিকা হাস্যকর।
বাংলাদেশ কিভাবে বুঝবে এরা বাংলাদেশী না ভারতীয় অহমী। সোজা কথা ওরা ওদের রাজনৈতিক ফায়দার জন্য রোহিঙাদের মত বাংলাদেশে কলোনী গড়তে চাচ্ছে।
আর ওদের দাবী ৩৮ হাজার বাংলাদেশী..হাস্যকর চিন্তাধারা… এপার ওপার যদি হয়ে থাকে তা হয়েছে ৪৭ এর আগে…. হিন্দুরা হিন্দুস্তানে মুসলিমরা পাকিস্তানে…. বাংলাদেশে এমন অনেকে রিফোজি হয়ে এসেছেন ভারত থেকে মৃতু ভয়ে… আমাদের এরশাদ সাহেব ও জন্মভুমি ছেড়ে এসেছিলেন রিফোজি হয়ে এই বাংলায়।
সবুজ - আল- আমিন.....

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.