নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সৌভিকের চিন্তাচর্চা

চারিদিকে দেখো চাহি হৃদয় প্রসারি

সৌভিক ঘোষাল

পেশায় সাহিত্যের শিক্ষক। মতাদর্শে মার্কসবাদী। কোলকাতার বাসিন্দা

সৌভিক ঘোষাল › বিস্তারিত পোস্টঃ

নারী ও আধুনিকতম ইসলামিক স্টেট

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:৫৬

প্রশ্ন ১: আল-সাবি কি?

উত্তর: আল-সাবি হলো আহল আল-হারব (যুদ্ধের মানুষ) থেকে মুসলিমদের হাতে বন্দীনী নারী।

প্রশ্ন-২: কি কারণে আল-সাবি আমাদের জন্য বৈধ?

উত্তর: একারণেই একজন আল-সাবি নারী আমাদের জন্য বৈধ যে সে ইসলামে বিশ্বাসী নয়। অবিশ্বাসী নারী যাদের বন্দী করা হয়েছে তারা ইমাম সাহেব কর্তৃক আমাদের মাঝে বিতরণের পর আমাদের জন্য হালাল বা বৈধ।

প্রশ্ন নং ৪: একজন বন্দীনী নারীর সাথে সঙ্গম কি বৈধ?
উত্তর: এটি বৈধ কারণ সর্বশক্তিমান আল্লাহ বলেছেন: (সফল সেই বিশ্বাসীরা) যারা তাদের পবিত্রতা রক্ষা করেন শুধুমাত্র স্ত্রী অথবা (বন্দীনী ও ক্রিতদাসী) যা কিছু তাদের ডান হাতের মালিকানায় রয়েছে, এজন্য তাদের কোন নিন্দা হবে না (কোরান ২৩:৫-৬)।

প্রশ্ন নং ৫: একজন ক্রিতদাসীকে বন্দী করার পরই বা তার দখল নেবার পরই কি তার সাথে সঙ্গম করা বৈধ?

উত্তর: যদি সে কুমারী হয়, তবে তার মালিক সাথে সাথেই তার সাথে সঙ্গম করতে পারে। তবে সে কুমারী না হলে, তার জরায়ু পরিশুদ্ধ করতে হবে (প্রথমে)...’

প্রশ্ন নং ৬: একজন বন্দীনীকে বিক্রি করা কি বৈধ?

উত্তর: বন্দীনী বা ক্রিতদাসীকে কেনা, বিক্রি করা বা কাউকে উপহার দেওয়া বৈধ যেহেতু তারা সম্পত্তি যা ফেলে দেওয়া যায় (যতক্ষণ না পর্যন্ত তা’ মুসলিম উম্মাহর) কোন ক্ষতি করছে।

প্রশ্ন নং ৯: বন্দীনী নারী তার মালিকের দ্বারা গর্ভভতী হবার পরও কি মালিক তাকে বিক্রি করতে পারে?

উত্তর: মালিক তাকে বিক্রি করতে পারে না যদি সে গর্ভবতী হয়।

প্রশ্ন নং ১৩: একজন নারী ক্রিতদাসী যে রজ:স্বলা হয় নি তার সাথে সঙ্গম করা কি বৈধ?

উত্তর: রজ:স্বলা না হলেও সঙ্গমের উপযুক্ত হলে তার সাথে এটা করা বৈধ। আর যদি সে সঙ্গমের উপযুক্ত না হয় (* বোধ করি মেয়ে শিশু বা কিশোরীটির উচ্চতা বা স্বাস্থ্য ভাল হওয়াটা এখানে সঙ্গমের উপর্যুক্ততা নির্দেশ করছে) তবে সঙ্গম ছাড়াই তাকে উপভোগ করা যায়।

প্রশ্ন নং ১৯: ক্রিতদাসীকে প্রহার করাটা কি বৈধ?

উত্তর: ক্রিতদাসীকে ‘দারব তাদিব’ (শৃঙ্খলামূলক প্রহার) করা বৈধ তবে দারব-আল-তাকসির (হাড় পিটুনি দেওয়া) বৈধ নয়, দারব-আল-তাশাফফি (তৃপ্তি লাভের জন্য প্রহার) বা দারব-আল-তাদিব (নির্যাতনমূলক প্রহার) বৈধ নয়। সর্বোপরি কারো মুখে আঘাত করা যাবে না।’
ইসলামিক স্টেট এর অমানুষজন তাদের 'বানানো ক্রীতদাসীদের' যৌন লাঞ্ছনার পক্ষে কি প্রশ্নোত্তরমালা রাখছেন এই তার নমুনা। অদিতি ফাল্গুনি অনুবাদটি তার পোস্ট এ তুলে দিয়েছেন ইসলামিক স্টেট এর নারীদের প্রতি ভয়াবহ আচরণ এর ধরণ ধারণ বোঝানোর জন্য। কয়েকদিন আগে আমাদের এক বন্ধু Malay Tewari খাগড়াগড় অঞ্চলে তার পর্যবেক্ষণে লক্ষ্য করেছে সেখানে নারীদের উঠে আসাকে দমন করার জন্য ধর্মীয় জিগিরকে ভালোমাত্রায় ব্যবহার করা হচ্ছে। ধর্মকে কমিউনিস্ট মতাদর্শের বিরুদ্ধে ব্যবহারের ইতিহাস আমাদের জানা। আফগানিস্থানে তাই করা হয়েছিল। আল কায়দাকে পরিপুষ্ট করেছিল মার্কিন শক্তি, সি আই এ। ইসলামিক স্টেট এর নেতারাও তার মদত পেয়েছে সাম্প্রতিক অতীতে। আমাদের এখানে যে বিজেপির প্রবল উত্থান তা ধর্মের জিগিরের সঙ্গেই মিশিয়ে নিয়েছে কর্পোরেট ক্যাপিটালকে। যে কোনও প্রগতিশীল মতাদর্শ বা কাজের বিরুদ্ধে যৌথ ফলা হিসেবে সাম্রাজ্যবাদ/কর্পোরেট ক্যাপিটাল ও প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মের যুগলবন্দীকে দেখতে আমরা অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। প্রথমটি থাকলেই দ্বিতীয়টি থাকবে তা নয়, কিন্তু দ্বিতীয়টি আধুনিক সময়ে প্রথমটির মদতপুষ্ট হয়ে আসে, এটার ব্যতিক্রম কমই পাওয়া যাবে।

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:০১

আলম দীপ্র বলেছেন: B:-) B:-) B:-) B:-) ভয়াবহ !

২| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:৩৮

মোহাম্মাদ শফিক বলেছেন: দাদা অনেক লিখেছেন, এইবার ছাড়ুন...

৩| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:৫৫

নীল আকাশ ২০১৪ বলেছেন: এই হল আমেরিকার বানানো 'ইসলামিক স্টেটে' নারীদের অবস্থা। আর মুহাম্মদের (সঃ) এর ইসলামিক স্টেটে নারীদের অবস্থা কি?

- দুধ পান করানো নারী মায়ের সমতুল্য, অর্থাৎ আপন মা যেরকম সম্মানের দাবীদার, দুগ্ধদাত্রী মায়ের অধিকার তার চেয়ে কম নয়।

- পিতার সকল স্ত্রীই আপান মায়ের সমতুল্য।

- নারীর অধিকার আছে (অভিভাবকের সম্মতিতে) নিজের পছন্দানুযায়ী পাত্রকে বিবাহ করা, তার বয়েস যাই হোক না কেন

- নারী তার পছন্দানুযায়ী যে কোন পেশা বেছে নিতে পারে, এমনকি যুদ্ধেও অংশ নিতে পারে।

৪| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ১:২৭

রামন বলেছেন:
এই "আই সিস" কারা, জানেন!?

ইউরোপ, আমেরিকা, এশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের সমাজে ক্ষয়ে যাওয়া লোকজন ( অল্প কিছু যুবতী ) যারা হতাশাগ্রস্থ, ভবঘুরে, গঞ্জিকা সেবক , ছিচকে চোর,অরাজগতা সৃষ্টিকারী, ভ্যান্ডাল গোষ্ঠী ইত্যাদি ঘৃণিত ব্যক্তিবর্গ যাদেরকে প্রলোভনের মাধ্যমে একত্রিত করে এবং তাদের কপালে ইসলামের লেগো লাগিয়ে প্রাকৃতিক সম্পদে পরিপূর্ণ যুদ্ধ বিধ্বস্ত ও জনমানবহীন আরব ভূমিতে পুর্নবাসন করা হয়েছে। এদর মুল কাজ হছে বর্বরতা ও ত্রাস সৃষ্টির মাধ্যমে ইসলামকে হেয় করা এবং এলাকার প্রাকৃতিক সম্পদ লুন্ঠন ও পাচার করা৷ এই সকল বর্বর ও নপুংশক কাদের সৃষ্টি এবং কাদের ক্রীড়ানক হিসাবে কাজ করছে অচিরেই ইতিহাস সেটা বলবে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.