![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
পেশায় সাহিত্যের শিক্ষক। মতাদর্শে মার্কসবাদী। কোলকাতার বাসিন্দা
কোনও কোনও ব্লগার দেখলাম পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশের বেহাত হয়ে যাবে কিনা তাই নিয়ে চিন্তিন। আর এখানে তারা বামপন্থীদের ভূমিকা খুঁজে পাচ্ছেন। পড়ে মনে হল এই সময়ে ভারতে বামপন্থীদের উগ্র জাতীয়তাবাদ একইভাবে নিশানা করছে। হুন্দু মৌলবাদ মুসলিম মৌলবাদ সব সময়েই বামপন্থীদের তাদের সাধারণ নিশানা বানায়। এই পরিপ্রেক্ষিতে কতগুলো কথা খোলামেলাভাবে বলা দরকার।
বাংলাদেশ এর সার্বভৌমত্ব তারা রক্ষা করতে সক্ষম হবেন, যে সার্বভৌমত্ব তারা অনেক প্রাণের বিনিময়ে অর্জন করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ হিন্দু মুসলমানের কোনও ফারাক করে নি, সেই ফারাক করলে চলবে না। ভারতে বাবরি মসজিদের ধ্বংস এবং বাংলাদেশে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম করে তোলা সংখ্যালঘু সহনশীলতার ওপর বড় আঘাত ছিল। কিন্তু একে মেরামত করা দূরে থাক দু দেশেই সংখ্যাগুরুর মৌলবাদ আরো পুষ্ট হয়েছে। ভারতে বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে এবং আর এস এস এর দৃপ্ত পদচারণা এবং উগ্র হিন্দু জাতীয়তাবাদী নিদান শোনা যাচ্ছে। বামপন্থীরা এবং মুসলিমরা তার প্রধান টার্গেট। বাংলাদেশেও উগ্র ইসলামিক শক্তি মুক্তমনা বামপন্থী ও সেকুলারদের নিশানা করছে, হত্যা করছে। ধর্মকে ব্যক্তিগত স্তরে রেখে রাষ্ট্রকে সবার করে তোলার কাজ এই উপমহাদেশে আমাদের করে যেতেই হবে। বামপন্থীরা সব দেশেই সংখ্যালঘুদের পাহে দাঁড়ান। আর তাই সংখ্যাগুরুর মৌলবাদ তাদের নিশানা করে। একথাটা ভারত বাংলাদেশ সর্বত্রই সত্য। জাতীয়তাবাদ বলতে বামপন্থীরা শুধু উগ্র জিঙ্গোইজম আর মিলিটারি বন্দনা বোঝেন না, দেশের মানুষের স্বাস্থ্য শিক্ষা আর্থিক পরিস্থিতি সহ জীবন যাপনের মানের সার্বিক উন্নয়নকে বোঝেন। বামপন্থীদের নিশানা করার আগে উগ্র স্বাদেশিকতায় কী লাভ সেটা বিবেচনা করতে অনুরোধ করি।
©somewhere in net ltd.
১|
০৮ ই মার্চ, ২০১৬ রাত ১০:২৫
বিজন রয় বলেছেন: লাভ নেই।