নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

রঙের মানুষ

সপ্তম৮৪

রঙের মানুষ

সপ্তম৮৪ › বিস্তারিত পোস্টঃ

সামনে আসছে শুভদিন , জান্নাতের সুবাস নিন।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৮

আর অল্প কিছুদিন পরেই বাংলাদেশ পেতে যাচ্ছে প্রথমবারের মত সম্পূর্ণ সৎ এবং মেধাবীদের দ্বারা গঠিত সরকার।
মেধাবীদের বিপরীতে আছে একমাত্র শক্ত দল বিএনপি। বিএনপির জনসমর্থন প্রচুর। সেই হিসেবে বিএনপিরই জেতার কথা। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে নির্বাচনের আগে ভোট গণনায় এগিয়ে থেকেও নির্বাচনের পরে হেরে যাওয়া অস্বাভাবিক মনে হবে না। এর বেশ কিছু কারন আছে।

বিগত সব নির্বাচনে জামাতের সর্বোচ্চ আসন ছিল হাতে গোনা। কিন্তু এবার সেই বদনামী মনে হয় ঘুচে যাচ্ছে। অন্তত বাংলাদেশের মিডিয়া তাই বলে। এর আগে জামাত যে সব নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে সে সময় ফেসবুক ছিল না ফলে সারাদেশে জামাত শিবিরের বাম্পার ফলন তেমন প্রচার করার মত মাধ্যম ছিল না। এখন ফেসবুক, এক্সে ঢুকলেই শুধু চোখে পরে নূরানী সব চেহারা। নূরানী চেহারা বলতে পুরুষদের বোঝানো হয়েছে। কারন জামাতি নারীরা তো ইনটেক প্যাকেট হয়ে মিডিয়াতে আসে। তাদের চেহারা নূরানী কিনা আল্লাহ জানেন।

এখন শীতকাল জামাতিদের ভরা মৌসুম। প্রতি গ্রামে ওয়াজ মাহফিলে উপস্থিত জনতা জামাতের জন্য প্লাস পয়েন্ট।

দেশের সব ইনভার্সিটির ছাত্র সংসদে বিজয় জামাত কে আরো গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে। তারা এখন বিজয়ী পার্টি তাই তারা যে কোন সমস্যায় আওয়াজ তুলতে পারে। সেটা পাবলিকের কাছে অনেকটাই গ্রহণযোগ্য বটে। বিপরীতে ছাত্রদল আর বাকি অন্যান্য দল আছে তারা আজ হারু পার্টির খেতাবে ভূষিত। তারা কোন ব্যাপারে কিছু বললেই বট বাহিনী তাদের ৬৮ ভোটের ভিপি বলে ভেঙ্গায়। দুই দিন আগের ভিপি সেও এখন বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমানকে নিয়ে ঢাকা ইনভার্সিটির ময়দানে স্লোগান দেয় " তারেক জিয়ার অনেক গুন দুর্নীতি আর মানুষ খুন। " ভেঙ্গানী খাওয়ার কি যে জ্বালা , কোন রাজাও যদি দিনের পর দিন আমি জনতার ভেঙ্গানী খায় দিন শেষে তারও মন ভেঙে যায়। ভাঙা মন নিয়ে আমাদের জুলাই ৩৬ যোদ্ধা উমামা ফাতেমা তো তাঁর ফেসবুক আইডিই অফ করে রেখেছেন । আহা ! বিপলবীর কি করুণ অবসান। . আফসোস !

যাই হোক সংস্কারকর্তা ইউনুস স্যার অবশেষে নির্বাচনের ব্যবস্থা করেছেন। তবে তিনি যেহেতু আন্তর্জাতির মাঠের খেলোয়াড় তাই সংসদ নির্বাচনেও কিছুটা খেলাধুলার সিস্টেম রেখেছেন সব দলের জন্য। প্রথমে হ্যা না ভোটের খেলা তারপর সংসদ নির্বাচনের খেলা।
হ্যা ভোটে জিতলে পাবলিকের জন্য তিনি রেখেছেন ৩৮ বিভিন্ন ধরনের পুরস্কার। বেবুঝ বাঙালি অনেকেই অবশ্য অভিযোগ করেছেন হ্যা ভোটি কেন দেব এর পুরো তথ্য ব্যালটে থাকবে না। তাই না বুঝেই হ্যা ভোট দেয়ার মত হবে আর কি।



যাই হোক বলছিলাম জামাতের আগের সব নির্বাচনের চেয়ে এবারের পরিস্থিতি পুরোটাই ভিন্ন। জামাতের ভোট হাতে গোণা থাকলেও এবার আর হাতে গোণা অবস্থায় নাই। এবার তারা আওয়ামিলীকে ভাগিয়ে বিএনপির মত বড় দলকেও হারানোর মত ভোটার জোগাড় করে ফেলেছে। এর জন্য অবশ্য ইউনুস স্যারকে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে।

ইউনুস স্যারের রিসেট বাটন। মুক্তিযুদ্ধ, ৭১, বঙ্গবন্ধু , সর্বোপরি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে পুরোপুরি অপ্রাসঙ্গিক করে তোলা।
বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাটপার , হ্যা ঠিকই শুনেছেন ব্যারিস্টার শাহরিয়ার এক টক শোতে এমনটাই বলেছেন। অন্য যেকোন সময় হলে তিনি মামলা খেতেন জুতাপেটা খেতেন। কিন্তু এখন তেমন কিছুই হচ্ছে না। তারমানে বঙ্গবন্ধু মাটিতে আর আগের মত মহান ব্যক্তিত্ব নন। আওয়ামীলীগ তাকে মহান বানিয়েছিল। ৭১ এ ৩০ লক্ষ নয় বরং ২০০০ বা এর মত মানুষ মারা গেছে। যা বর্তমান ইউনুস স্যারের আমলেও চেয়েও কম। সো সামান্য মানুষ মারতে পাকিস্তানিদের সাহায্য করার জন্য রাজারকার্ডের দল জামাতকে এতো দোষারোপ করা ঠিক উচিত নয়। তারচেয়ে বরং শেখ হাসিনাকে ৮৪০ স্টুডেন মারার জন্য বেশি দোষারোপ করে যুক্তি সম্মত।

ভারত বিরোধী জনগণকে জামাতের দিকে কাছে টানতে সক্ষম হওয়া। আগের জামানায় বিএনপিকে বলা হতো ভারত বিরোধী একমাত্র দল। ভারতে কাছে নতজানু না হওয়ার জন্য বেগম জিয়াকে আপোষহীন খেতাব দেয়া হয়। কিন্তু ইউনসু, জামাত, ইনকিলাব মঞ্চ, ডাকসু বিজয়ী ছাত্ররা বাজারে নতুন থিওরী এস্টাব্লিস্ট করতে সক্ষম হয়েছে যে তারেক জিয়া ভারতের গ্রিন সিগন্যাল পেয়েই দেশে আস্তে পেরেছেন। অতয়েব বিএনপি জয়ী হলে সেই আওয়ামীলীগের মতোই বাংলাদেশ ভারতের করদ রাজ্যে পরিণত হবে। তাছাড়া বিএনপির আগের জামানায় রেকর্ড তো আছেই। চাঁদাবাজি, দুর্নীতির সব রেকর্ড। ৫ আগস্টের পর ইউনুস স্যার বিএনপিকে লাগাম ছাড়া দখল বাণিজ্য করতে দিয়েছেন। যা কিনা এখন ভোটের বাজারে বিএনপির বিরুদ্ধে কাজে দিচ্ছে। অন্য দিকে জামাত করেছে ইনভার্সিটি দখল, যা কিনা এখন বেশ তাদের জন্য পজেটিভ কাজ দিচ্ছে।


আগে আওয়ামীলীগ বঙ্গবন্ধু , মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিক্রি করতো। জামাত এখন বিক্রি করে জান্নাতের টিকেট। নিঃশ্চই মুক্তিযুদ্ধের ফালতু ইতিহাসের চেয়ে জান্নাতের টিকেট কনফার্ম হওয়া অনেক বেটার।

ভোটের আর মাত্র পাঁচদিন বাকি আছে। এর মধ্যে অনেক কিছু ঘটতে পারে যার মাধ্যমে বিএনপিও আওয়ামীলীগের মত জনগনের কাছে পঁচানি খেয়ে যেতে পারে। যার ফলে নির্বাচনের ফলাফল শেষ পর্যন্ত জামাতের পক্ষেই যেতে পারে।



এক্স হ্যান্ডেলে জামাতের আমিরের পোস্টের কারনে প্রান্তিক পর্যায়ে জামাতের গ্রহণ যোগ্যতা বেড়েছে বলে অনেকেই মনে করেন। গ্রামের নারীরা শহরের কর্মজীবী নারীদের অনেকটা বেশ্যার মতই মনে করেন। তারা পরপুরুষের সাথে একই অফিসে কাজ করেন , ঢলাঢলি করেন , রাত বিরাতে বাসায় ফেরেন। স্বামীকে তোয়াক্বা করেন না। এমনটাই মনে করেন অনেকে। এহেন নারীদের ব্যাপারে জামাতের আমির তার অবস্থান পরিষ্কার করে গ্রামের ধর্মভীরু নারীদের মনে বেশ জায়গা করে নিয়েছেন।


তাছাড়া বর্তমানে জনপ্রিয় বচন তো আছেই , আওয়ামীলীগ বিএনপি দুই দলকেই তো দেখলাম। এবার না হয় জামাতকে ক্ষমতায় নিয়ে দেখি।

শেষ পর্যন্ত এটাও হতে পারে জামাতের বিজয়ের অন্যতম কারন।

আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্যই করেন।












মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৪৯

নিমো বলেছেন: ব্লগে জা-শির কুকুরগুলোর ঘেউ ঘেউ শুনতেতো মনে হয়, এখনই তারা ক্ষমতায়। নির্বাচন আনুষ্ঠানিকতা মাত্র

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.