| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাবেয়া রাহীম
মানব মন বুঝে, সাধ্য আছে কার ! কখনো আবেগী গাঁথুনিগুলো যেন নিরেট কনক্রিট কখনো আবার গভীরে সাজানো আবেগগুলো- সৌরভে সুবাসিত হয়ে আনন্দে লীন !
স্টারবাক্স এর পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় কফির সুবাসে ভীষণ কফির তেষ্টা পেয়ে বসে। অফিস ফেরত অনেক মানুষের সাথে আমিও লাইনে দাঁড়িয়ে যাই কফির জন্য। এই কফি শপে কফি কিনতে হলে ক্যাশ কাউনটারে আগে কফির দাম শোধ করে দিতে হয়। কফির দাম শোধ করেছি। কাউন্টারে দাঁড়ানো স্প্যানিশ মেয়েটি কিছু খুচরা পয়সার সাথে খালি একটি কাগজের মগ ধরিয়ে চোখের তারা দুটি নাচিয়ে ---কফি দ্যাট সাইড, বলে অন্য কাস্টমারে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। কাউন্টারে সাজানো রয়েছে বিভিন্ন ফ্লেভারের কফি, দুধ, চিনি, জিরো ক্যালরি, ক্রিম। যার যেমন পছন্দ সে অনুযায়ী কফি কাপে ঢেলে নিজের পছন্দ মত দুধ চিনি মিশিয়ে নিচ্ছে। ফ্লাস্ক থেকে কাপে কফি ঢালার সময় প্রথম চোখাচোখি হয় মেয়েটির সাথে। শ্যাম বর্ণ, কালো বড় বড় টানাচোখ, ঘন কালো লম্বা চুল দেখে বাংগালীই মনে হলো। অল্প হেসে "হ্যালো" বলে আমি কফি নিয়ে চলে আসি।
জুন-জুলাই এই দুই মাস উত্তর আমেরিকাতে সুর্য ডোবে রাত সাড়ে আটটায়। অফিস ছুটি বিকাল পাঁচটাতে। অফিস ছুটির পর আরও সাড়ে তিন ঘন্টা পর সন্ধ্যা হয়। কারোরই তাড়া থাকেনা ঘরে ফেরার। গরম আসে এই দেশে প্রিয় কোন অতিথির মত। খুব অল্প সময়ের জন্য এসে, চলে যাওয়ার পর রেশ রেখে যায়। এমন এক গরমের বিকালে বসে আছি নিউ ইয়র্কর বানিজ্যিক এলাকা ম্যানহাটনের কলম্বাস সার্কেলের একটি কফি হাউসে। আমি যেখানে বসে আছি সেখান থেকে বাইরের প্রায় পুরোটাই চোখে পড়ে। আজব শহর এই নিউইয়র্ক। পৃথিবীর প্রায় সব দেশের মানুষের দেখা মেলে এখানে। অফিস ছুটি হয়েছে। রাস্তায় বেশ ভীড়। অনেক বাঙ্গালীও চোখে পড়লো । বাইরের জগতের সাথে প্রায় একাত্ব হয়ে গিয়েছি এমন সময় মিষ্টি স্বরে কেউ বলে উঠলো --ক্যান আই সিট হিয়ার?
চেয়ে দেখি বাংগালী সেই মেয়েটি। হেসে বললাম--শিউর।
সামনা সামনি বসাতে এতক্ষনে খেয়াল করলাম হাল্কা পাতলা গড়নের মেয়েটি খুব সুশ্রী। ইংরেজীটাও পাকা। কোন এক্সেন্ট নেই। হয়তো এই দেশেই জন্ম বা এখানেই বেড়ে উঠা তাই ইংরেজি এত ভালো। আমার কফি প্রায় তলানিতে চলে এসেছে। বাকিটা হাটতে হাঁটতে শেষ করবো এই ভাবনাতেই উঠে দাড়াই। গ্রীষ্মের পড়ন্ত বিকেলের আলোতে ম্যানহাটনের এই রাস্তাটিকে খুব মায়াবী মনে হয়। জিন্স টি শার্ট হাই হিল পড়ে নিশ্চিন্তে আপন মনে হেঁটে চলেছি ---- "এক্সকিউজ মি" শুনে পিছন ফিরে তাকাই। কফি শপের সেই মেয়েটি ।
--- আমাকে বলছো? বলো? শুনার জন্য আগ্রহ নিয়ে দাড়ালাম।
হ্যানড শেকের জন্য হাত বাড়িয়ে বললো----আমি পূর্ণিমা উইলসন।
তার নাম শুনে ভাবলাম মা বাংগালী, বাবা আমেরিকান। এমন তো হয়েই থাকে। কিন্তু দোআঁশলা বাচ্চাদের মত তাকে লাগছেনা। ভাবলাম স্বামীর নামের শেষ নাম নিয়েছে।
-----আমি তোমার সাথে কিছুক্ষন থাকতে পারি?
-----অবশ্যই পারো । তুমি কি এখানেই জব করো? আমিও কথা বলার একজন মানুষ পেয়ে গেলাম যেন।
আমার অফিস বিল্ডিং এর পাশের ত্রিশ তলার দিকে আঙ্গুল উঁচিয়ে বলল ---হ্যাঁ। গুগলে আছি । আমি ওয়েব ডেভলপার ।
বিদেশে নিজ দেশের কাউকে বড় জায়গাতে চাকরি করতে দেখলে আমি বরাবর খুব উচ্ছসিত হয়ে পড়ি বললাম ----- বাহ! বেশ স্মার্ট জব করো তো তুমি।
এতোক্ষন সব কথা ইংরেজীতেই হচ্ছিল। সাধারণত এখানে আমরা বাংগালীরা এক সাথে হলে ইংরেজী বলিইনা প্রায় । কিন্তু এই মেয়েটি একটা বাংলা কথাও বলছেনা। তাই বেশ অবাক হয়েই জানতে চাইলাম----
------তুমি বাংলা একদম জানোনা? এখানে জন্মেছ?
---আমি জন্মেছি বাংলাদেশে। কিন্তু নিজ দেশের জল মাটি আলো বাতাসে বড় হওয়ার সৌভাগ্য আমার হয়নি। মেয়েটির চোখ ছল ছল হয়ে গেলো ।
আমার বুকে মোচর দিয়ে উঠলো আমি কি মেয়েটিকে কষ্ট দিলাম?
---আমি বাংলা বলতে চাই। তুমি আমাকে সাহায্য করতে পারবে? মেয়েটির চোখে মুখে আকুতি ফুটে উঠলো।
তার বয়স প্রায় তিরিশের কোঠায়। এই বয়সে কাউকে হাতে কলমে শিক্ষা দেওয়া আমার কোন অভিজ্ঞতা নেই। তাই কিছুটা বিব্রত বোধ করলাম। বললাম
---- নিউ ইয়র্কে এখন প্রচুর বাংগালী তুমি চাইলে আমি খোঁজ নিতে পারি কোথায় বাংলা শিখানো হয়।
কথা বলতে বলতে মেট্রো রেল পর্যন্ত এসে পরেছি। ততক্ষন ট্রেন চলে এসেছে। বিদায় নিয়ে ট্রেনে উঠার পর মনে হলো পূর্ণিমার ফোন নাম্বার নেওয়া হয় নি।
তারপর অনেক দিন চলে গেলো প্রায় বছর হবে। চাকরি , ঘর সংসার , লেখালেখি নিয়ে বেশ ব্যস্ত সময় পার হয়ে যায়।
আমি পূর্ণিমা উইলসন কে ভুলেই গিয়েছিলাম।
মে মাস। দীর্ঘ শীতের পর উত্তর আমেরিকাতে এখন বসন্তের ছোয়া।-
(চলুক)
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ৮:১৮
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া। ভালো থাকবেন।
২|
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ৮:৩০
সাদা মনের মানুষ বলেছেন: আপনার লেখনির ষ্টাইলটা অসাধারণ, আপনার গল্পটাও বেশ জমে উঠেছে। দেশের তথা বাংলা ভাষার প্রতি এমন টান মেয়েটির প্রতি পরে কবে কোথায় দেখা হলো সেসব অবশ্যই পড়তে এবং জানতে চাই।
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৪:১৫
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: আপনার ভালো লাগা কে প্রেরনা হিসেবে নিয়ে শেস করে ফেলবো বাকি গল্প ।
অনেক ধন্যবাদ ভালো থাকবেন।
৩|
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ৮:৩১
সাদা মনের মানুষ বলেছেন: 
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৪:১৬
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: এই সকালে কফি আমার খুব প্রীয় । ধন্যবাদ
৪|
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ৮:৫৩
জে আর সিকদার বলেছেন: গল্পের বাকি অংশের অপেক্ষায় রইলাম, বেশ ভালো লাগলো !
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৪:১৭
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: ধন্যবাদ অপেক্ষার জন্য। ভালো থাকবেন।
৫|
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ৯:২৯
মাহবুবুল আজাদ বলেছেন: চমৎকার লাগল
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৪:১৭
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভালো থাকবেন।
৬|
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ১০:৪৭
মোঃ রিজওয়ান সরকার বলেছেন: good.. i enjoyed it..
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৪:১৮
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ , ভালো থাকবেন
৭|
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ১১:০৯
আহলান বলেছেন: হুম .... আমরা ইংরেজীতে আয়েলটস/টোফেল/জিআরই হাবি জাবি কত কি করে বিলেত যেতে পারলে মনে হয় জানে বাঁচতুম .... আর পূর্ণিমা উইলসনেরা বাংলা শিখার জন্য, এই দেশের কাঁদা জলে বেড়ে ওঠার আকুতি নিয়ে চোখ ছল ছল করে ...অদ্ভুত .... !
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৪:২০
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: আপনিও ঠিক , চোখ কেনো ছল ছল করলো বাকিটা পরার পর জানতে পারবেন। বাকিটা পরার আমন্ত্রণ রইলো।
অনেক ধন্যবাদ
৮|
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ১১:২৬
আলোরিকা বলেছেন: পড়তে ভাল লাগছে -----চলুক ![]()
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৪:২০
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভালো থাকবেন
৯|
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ১১:৩৬
নিরাপদ দেশ চাই বলেছেন: ভাল লাগল লেখাটা
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৪:২১
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভালো থাকবেন।
১০|
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ১১:৪০
মো: হাসানূর রহমান রিজভী বলেছেন: চলুক......অপেক্ষায় রইলাম।
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৪:২১
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ , ভালো থাকবেন , অপেক্ষার অবসান শীঘ্র হবে।
১১|
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ দুপুর ১২:০৯
খোলা মনের কথা বলেছেন: একটু চাঁকা লাগিয়ে নিবেন। চালাতে সুবিধা হবে। চলুক.......
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৪:২২
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: আচ্ছা লাগিয়েছি নিলাম। অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।
১২|
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৪:৩৭
সাদা মনের মানুষ বলেছেন: স্টারবাক্স এর পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় কফির সুবাসে ভীষণ কফির তেষ্টা পেয়ে বসে।
জুন-জুলাই এই দুই মাস উত্তর আমেরিকাতে সুর্য ডোবে রাত সাড়ে আটটায়। অফিস ছুটি বিকাল পাঁচটাতে। অফিস ছুটির পর আরও সাড়ে তিন ঘন্টা পর সন্ধ্যা হয়। কারোরই তাড়া থাকেনা ঘরে ফেরার। গরম আসে এই দেশে প্রিয় কোন অতিথির মত। খুব অল্প সময়ের জন্য এসে, চলে যাওয়ার পর রেশ রেখে যায়। এমন এক গরমের বিকালে বসে আছি নিউ ইয়র্কর বানিজ্যিক এলাকা ম্যানহাটনের কলম্বাস সার্কেলের একটি কফি হাউসে।.............এমন চমৎকার লেখনির সাথে কফির সংযোগ দেখে ভাবলাম কফি খেতে আপনি ভালোবাসেন।
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৪৯
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। এই দেশে এত এত ফ্লেভারের কফি পাওয়া যায় !! খেতে খুব ভাল লাগে তবে বাংলাদেশের ইস্পাহানী মীর্জাপুর চা আমার বেশী পছন্দ। আমি বাংলাদেশের দোকান থেকে ইস্পাহানী মিরযাপুর চা পাতা কিনে থাকি।
আবারো অনেক ধন্যবাদ। বাংলাদেশের চা দুনিয়ার সেরা চা এটা এই দেশে আসার পর বুঝেছি।
অনেক ভাল থাকবেন।
১৩|
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৪০
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: দারুন!
অদিতির কি হল? অদিতিকে পাচ্ছিতো পূর্ণিমার পাশাপাশি
+++++++++++++++
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৪৬
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: অদিতি কাঁদে , কাঁদুক মন ভরে। অদিতি কে কাঁদার সময় বিরক্ত করতে চাই না
কি বলেন ভাইজান?
১৪|
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৫৭
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: লেখক বলেছেন: অদিতি কাঁদে , কাঁদুক মন ভরে। অদিতি কে কাঁদার সময় বিরক্ত করতে চাই না
![]()
কি বলেন ভাইজান?
অকে!
তবে তা্ই হোক
ওকে কাঁদতে দাও..
নূহের প্লাবন হয়ে
যতক্ষন ভেসে না যায় চরাচর ![]()
প্লাবন শেষের পাললিক চরায়
ফুটবে নতুন ফসল
সতেজ সবুজ
লকলকে বাতােস দোল খেতে খেতে
বলে যাবে তার সাতকাহন
+++
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:০৪
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: অদিতির কান্নার অবসরে কি সুন্দর একটি পদ্যর জন্ম হয়ে গেল। দারুন অভিব্যাক্তি লিখেছ ভাইজান।
১৫|
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ৮:২০
বিজন রয় বলেছেন: এখানে করা আমার মন্তব্যটি গেল কোথায়!!!
আশ্চর্য!!
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ৮:২৯
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: কখন করেছেন। অনেক দিন পর আপনাকে পেলাম। বিজন দা কি আমার লেখা এখন আর পছন্দ করেন না তাই ভাবতাম।
আপনার করা কমেনট আমার কাছে অনেক পাওয়া। ভালো লাগলো আপনাকে পেয়ে। কিন্তু কমেনট কই?
১৬|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ১:১৬
সাধারণ আমি আমার বলেছেন: এমন চমৎকার একটি পোষ্ট সেয়ার করার জন্য আপনাকে আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ। আমেরিকা যেতে না পারলেও আপনার লেখার মাধ্যমে প্রিয় বাঙ্গালীদের জীবন যাপনের কিন্চিৎ ধারনা পেলাম। পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ১:১৯
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। আপনার ভাল লাগায় উতসাহ পেলাম।
১৭|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ৯:০৬
দিশেহারা রাজপুত্র বলেছেন:
সুন্দর দেখেছেন আপু।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ৯:১০
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
শেষ পর্ব পরার আমন্ত্রণ রইলো
১৮|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ৯:২২
দিশেহারা রাজপুত্র বলেছেন: গ্রহণ করলাম। ![]()
১৯|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ১০:০৫
একটি পেন্সিল বলেছেন: হুম গল্পে হারিয়ে গিয়েছিলাম, চলুক।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ দুপুর ১:১৬
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ
২০|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৫:০০
টোকাই রাজা বলেছেন: ভালো লাগল ![]()
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৫:০৮
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: আমার লেখা দুইটি পার্ট পরেছেন আপনি মন্তব্য করেছেন আমি খুব খুশি হয়েছি। অনেক ভালো থাকবেন।
ভালোবাসা রইলো।
২১|
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ দুপুর ১২:৫৬
শামছুল ইসলাম বলেছেন:
//---আমি জন্মেছি বাংলাদেশে। কিন্তু নিজ দেশের জল মাটি আলো বাতাসে বড় হওয়ার সৌভাগ্য আমার হয়নি। মেয়েটির চোখ ছল ছল হয়ে গেলো ।
আমার বুকে মোচর দিয়ে উঠলো আমি কি মেয়েটিকে কষ্ট দিলাম? //
বসন্তের ছোঁয়াতেও কখনো সখনো মন খারাপ হয়।
চলুক, সাথে আছি।
ভাল থাকুন। সবসময়।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৪:২৮
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। আপনিও খুব ভালো থাকুন।
২২|
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ১১:৪৫
গেম চেঞ্জার বলেছেন: ইন্টারেস্টিং!! পরের পর্বে যেতেই হচ্ছে!! ![]()
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ভোর ৪:০৫
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: ভালোবাসা ভাইয়া। ভালো থেকো।
©somewhere in net ltd.
১|
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ৭:৪৯
প্রামানিক বলেছেন: ভালো লাগল।