| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাবেয়া রাহীম
মানব মন বুঝে, সাধ্য আছে কার ! কখনো আবেগী গাঁথুনিগুলো যেন নিরেট কনক্রিট কখনো আবার গভীরে সাজানো আবেগগুলো- সৌরভে সুবাসিত হয়ে আনন্দে লীন !
৪২ গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল পাতাল রেল স্টেশন ম্যানহাটন। সকাল ৮টা, অফিস টাইম। যে যার গন্তব্য নিয়ে ভীষন ব্যস্ত। সে ব্যস্ততার ভেতর আমিও একজন। পাতাল থেকে উপরে রাস্তায় উঠতে ছুটছি সবাই এক্সেলেটরের জন্য। ভিড়ের ভেতর পরিস্কার বাংলায় আমার পাশ থেকে কেউ বলে উঠলো--দিদি সালাম, কেমন আছো, চিনতে পারছো?
এতো বিদেশীর ভীরে নিজের বর্নের ভাষার কাউকে দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে গেলাম অস্ফুটে বললাম-- পূর্ণিমা !
আরও বেশী অবাক হলাম তার মুখে বাংলা শুনে।
----জানো দিদি আমি বাংলাদেশে গিয়েছিলাম।
----কে থাকে সেখানে?--
-----কেউ থাকেনা। খুব বিষন্ন হয়ে গেলো মুখটি তাঁর
ততক্ষন আমরা রাস্তায় উঠে এসেছি। দুজনেরই অফিসে যাওয়ার তাড়া।
এইবার ফোন নাম্বার নিতে আর ভুল হলো না। "কেউ থাকেনা" কথাটা বুকে খুব বিধে আছে। কেউ না থাকলে সে কেন গেল? কার কাছেই বা গেল? এসব ভাবনায় লান্চ ব্রেকে ফোন করি তাকে। খুব উচ্ছসিত হয়ে উঠে আমার ফোন পেয়ে। আমন্ত্রণ জানাই এই শনিবারে আমার বাসায়।
কঠিন বাস্তবতায় ক্লান্ত, জন্ম পরিচয়হীন এক দুখি মেয়ের মুখোমুখি বসে নিজেকে খুব অসহায় লাগছে। ভারাক্রান্ত মনে শুনে যাই তার কথা---
জানো দিদি, শ্লীলতা- অশ্লীলতা, বৈধ- অবৈধ, কাঙ্ক্ষিত- অনাকাঙ্ক্ষিত এই শব্দগুলো এখনো আমার কাছে দুর্বোধ্য লাগে খুব!
ডিস্ট্রিক বোর্ডের পাকা রাস্তাটি টিলা ঘেঁসে চলে গেছে অনেক দূর পর্যন্ত। টিলার উপরেই পর্যটন করপরশনের এই বাংলোটি বেশ আধুনিক। বাংলোর সামনের অংশ সবুজ ঘাস আর মরশুমি ফুলে সজ্জিত। বাংলাদেশের রাজশাহী জেলার এই বাংলোতে এসেছি আজা পাঁচ দিন।আমেরিকার বর্নিল একঘেয়েমি আর শিকড়হীন জীবনে হাঁপ ধরে গিয়েছিলাম। আমার মায়ের ফুলের সাথে আমার নাভির যোগাযোগ ছিন্ন করার সময়ই আমি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলাম আমার মা থেকে কিন্তু আমার শরীরে বইছে যে মা-বাবার রক্ত সেটা থেকে কি করে বিচ্ছিন্ন হই! তাই এসেছি আমি আমার শিকড়ের সন্ধানে এই দেশে। খুঁজে পাবো কিনা জানিনা। কেননা যে সমাজে আমি "জারজ সন্তান" নামে পরিচিত সেখানে আমার জন্মের এত বছর পর আমার প্রকৃত বাবা-মা কি আমাকে স্বীকৃতি দেবে? মেনে নেবে তাদের সন্তান হিসেবে! তাঁদের খুঁজবোই আমি কোন পরিচয়ে? নানান ভাবনায় মন অস্থির! আমার জন্মামদাত্রী মায়ের কাছে খুব জানতে ইচ্ছে করে--মা আমি জারজ সন্তান না হয়ে মানুষ হলাম না কেন ?
আজ ডিসেম্বরের পনের তারিখ আমার জন্মদিন। ১৮ তম জন্মদিনের পর থেকে "জন্মদিন" কথাটা কখনও আমার কাছে আনন্দ নিয়ে আসেনি বরং অজান্তেই ভয়ে শিউরে উঠি। মনের কোণে ভেসে উঠে প্লাস্টিকের প্যাকেটে প্যাঁচানো ক্রন্দনরত নবজাতক আর ভীত সন্ত্রস্ত সদ্য প্রসুতী যুবতী মায়ের আতংকিত চেহারা। "মা" কথাটি মনে পড়লেই আমার ভেতরে তোলপাড় শুরু হয়ে যায়। আমার তখন খুব ইচ্ছে করে মায়ের বাহুডোরে নরোম ওমের ছোঁয়ায় বুকের গন্ধে, মিশে থাকতে।
আচ্ছা, সে সময় আমার মা কি কেঁদেছিলো? তাঁর চোখের কোল বেয়ে গড়িয়ে পড়া অশ্রু মুছে দেওয়ার মত কেউ ছিল কি পাশে ? নয় মাসের গর্ভ ধারণের কষ্ট মুহূর্তেও কি মনে আসেনি! আমার জন্মটা ছিল ঘৃণায়, না ভালবাসায়? নবজাতক কে নরম কোলে আদরে চুমু খেয়ে ঘুম পাড়ানোর বদলে তাকে নর্দমায় ফেলে দেওয়ার মত ঘৃণ্য একটি কাজের জন্য রাজী হয় যে মা---প্রহসন, পরিহাসকে চিরসঙ্গী করে সদ্য জন্মানো কচি প্রাণ থেকে মুক্তি পেতে চায় যে মা সেই মা কি কখনো ভুলতে পারে গর্ভ ধারনের কষ্ট, প্রসব কষ্ট ! গর্ভে ছোট প্রাণের নয় মাসের ছোঁয়া !
সদ্য প্রসুত মায়ের বুকে আর্তনাদ আর অনেক বেদনার জন্ম দিয়ে মাতৃত্বকে বদনাম করে নাম হয় ব্যভিচার। ঘৃণ্য অমানুষ রূপের এক প্রেমিক পুরুষ--আমার বাবা যে পূর্ণিমা নামের ভ্রূণের সৃষ্টি করে দায়িত্ব জ্ঞানহীনতার পরিচয় দিয়ে কেড়ে নেয় সমস্ত সামাজিক স্বীকৃতি । সন্তানটির নাম হয় "জারজ"। সে পিতা কি মানুষ নামের দলভুক্ত ! মানবের বিস্তারে জরায়ূর দায়িত্ত্বে নিয়োজিত নারী শরীরের ভাঁজে ভাঁজে না পাওয়ার রঙ কি কোনো পুরুষ কখনো দেখেছে?
দিদি ঠান্ডা লেগে যাবে গায়ে অন্তত ওলেনটা দাও---বিছানার চাদর টেনে দিতে যেয়ে খোলা বারান্দায় আরাম চেয়ারে বসে থাকা আমার দিকে চোখ যায় বাংলোর কেয়ার টেকার কলমির। ভাবনার অতলে ডুবে যাওয়া আমি তাঁর কথায় সম্ববিত ফিরে পাই। এতক্ষনে বুঝতে পারি বেশ ঠান্ডা পরছে গত কয়েকদিন যাবত। সাগরে লঘুচাপের প্রভাবে দিনভর থেমে থেমে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। ঠিক গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি না। মিহি জলের ছিঁটার মতো সূক্ষ্ম বৃষ্টি। তবে নিউ ইয়র্কের হাড় হীম করা ঠান্ডার কাছে এ খুব সামান্য। রাত দশটার মতো বাজে। পশমি শালটি নিতে ঘরে যাই। বিক্ষিপ্ত ভাবনারা মন দখল করে আছে আজ। জীবনের প্রথম ভোরে আমার কান্নায় আনন্দ ধারা বয়ে যায়নি কোথাও বা কারো প্রাণে। ঘরের ভেতর ফিস ফাস চলছে কি করে আমাকে সমাজের রক্ত চক্ষু আড়াল করে নর্দমার ময়লাতে ফেলে দেওয়া হবে। আমার জন্ম রাতেও নাকি এমন বৃষ্টি ছিলো। আমাকে প্লাসটিকের প্যাকেটে মোরানো পাওয়া যায়। আচ্ছা শেষ মূহুর্তে কি আমার জন্য আমার মায়ের মমতা কিছুটা জেগেছিলো! শাল গায়ে ফিরে আসি আবার বারান্দায়।
জন্মের পর পর আমাকে ফেলে দেওয়া হয় ময়লা আবর্জনার স্তূপের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নোংরা নর্দমায়। করুণার প্রাণ ভিক্ষা চেয়ে আর্তনাদ করে উঠেছিলাম সেই নর্দমায় । কোন এক হৃদয়বান পথচারির চোখ যায় আমার উপর। সেই ব্যাক্তি তুলে এনে আমাকে দিয়ে আসে রাজশাহীর একটি অনাথ আশ্রমে। "জনৈক পথচারী" রেজিস্ট্রি বুকে এই নামটিই আমি খুঁজে পেয়েছি। আমার জন্ম রাতে ছিল ভরা পূর্ণিমা। তাই আশ্রম থেকে আমার নাম রাখা হয় পূর্ণিমা ।
আমি পূর্ণিমা উইলসন । নাম শুনলে সবাই ভাবে আমার বাবা আমেরিকান। আমার মুখের দিকে তাকিয়ে সবাই একটু অবাক হয়ে যায় কারন আমার চেহারা পুরোপুরি বাঙ্গালী। আবার কখনো ভাবে আমেরিকান ছেলে বিয়ে করে তার নাম নিয়েছি। তবে নাম আর চেহারার এই তফাতের জন্য আমাকে বেশ কৌতূহলী দৃষ্টি আর অবাক করা প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
জুলিয়ানা উইলসন ও পিটার উইলসন দুটি পুত্র সন্তানের জনক জননী। আমেরিকার ভার্জিনিয়ার বাসিন্দা। একটি বেসরকারি সাহায্য সংস্থার কাজে তাঁদের বাংলাদেশে যেতে হয়। রাজশাহীর একটি অনাথ আশ্রমের নবজাতক বিভাগে আমাকে রাখা হয়েছিল। আমার বয়স তখন সাত দিন। নর্দমার পোকা-মাকড় আমার কচি নখের কোণা খেয়ে ফেলে। তাতে আমার আঙ্গুলে ও নাভীতে ইনফেশন হয়। আমি সেই সময় খুব কান্না করছিলাম। মিস জুলিয়ানার মনে দয়ার উদ্রেক হয় সাত দিন বয়সি ক্রন্দনরত আমার ছোট্ট মুখটির দিকে চেয়ে। সে কোলে নিতেই আমি শান্ত হয়ে যাই। তখন তারা সিদ্ধান্ত নেয় আমাকে দত্তক নেওয়ার। আমি হয়ে যাই পূর্ণিমা উইলসন। আমার ১৮ তম জন্মদিনে আমাকে জানানো হয় আমার প্রকৃত পরিচয়। তারা আমাকে নিজের সন্তানের মতই লালন করেন।
আমার দুই চোখ উপচে উঠছে। ঝাপসা দৃষ্টি দিয়ে পাশে বসে থাকা পূর্ণিমার মুখটিও আমি পরিষ্কার দেখতে পারছিনা।
বুকের ভেতর অনুভূতির চাপ এতোটাই প্রবল যে, আমি কেবল তাকে জড়িয়ে ধরে বলতে পারলাম ---এখন থেকে আমাকে মা ডাকবি। তোর সব রকম আদর আবদার আহ্লাদে আমি আছি তোর পাশে। হুহু করে কাঁদছে আমার মেয়েটি। কাঁদুক। মন ভরে আজ কাঁদুক।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ৭:১৮
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: গল্পটা পুরোটা গল্প নয়। গল্পটা সত্যি। কত রকমের কষ্ট নিয়ে যে মানুস দুনিয়াতে বাস করে তা আমরা যারা খুব ভালো ভাবে জীবন কাটাই তাদের কাছে গল্প মনে হয়। সব পুরনিমা দের জন্য অনেক শুভ কামনা।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন। আপনার মূল্যবান মন্তব্য উৎসাহ পেলাম
২|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ৭:২৩
সাদা মনের মানুষ বলেছেন: তবে পোষ্টের ছবিটা দেখে আমারো কিছুটা সন্দেহ হচ্ছিল যে, গল্পটা সত্যি কিনা......ধন্যবাদ
৩|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ৯:০৯
বিজন রয় বলেছেন: আপনার লেখা পছন্দ করবো না মানে?
গতকাল সকালে আপনার ওখানে মন্তব্য করেছিলাম। পরে দেখি নাই। বুঝলাম কোন সমস্যা হয়েছিল। সম্ভবত নেট সমস্যা।
যাইহোক এই সিরিজ অবশ্যই পড়বো, প্রথম পর্ব পড়েছিলাম, প্রশ্ন রেখেছিলাম পূর্ণিমার কি হবে তার অপক্ষোয় থাকলাম।
শুভকামনা রইল।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ৯:১২
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: আপনার মন্তব্য আমার কাছে অনেক পাওয়া। আমিও মিস করেছি কালকে আপনার মন্তব্য ।
আজ নিশ্চিত উত্তর পেয়েছেন। কেমন লাগলো জানালেন না কিন্তু ।
অনেক ধন্যবাদ । ভালো থাকবেন
৪|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ৯:১৪
বিজন রয় বলেছেন: পরে অবশ্যই জানাবো। অবশ্যই।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ৯:১৬
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: এবার আমি অপেক্ষায় থাকলাম
৫|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ৯:৪৬
দিশেহারা রাজপুত্র বলেছেন:
জন্মটা গুরুত্ব হারাক। মানুষ বিবেচিত হোক তার কাজেকর্মে।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ দুপুর ১:১১
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: ঠিক তাই। অনেক ধন্যবাদ
৬|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ৯:৫৮
নিরাপদ দেশ চাই বলেছেন: অপেক্ষায় ছিলাম পরবর্তী পর্বের। ।অনেক অনেক শুভকামনা রইল পুর্নিমার জন্য।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ দুপুর ১:১২
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।
৭|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ১০:০৭
পথহারা মানব বলেছেন: বাকরুদ্ধ!!! স্তব্ধ!!!!!বিষন্ন!!!!
তবু সান্তনা পূর্নিমা আপনার মত একজন মহি্য়সীকে মা ডাকতে পেরেছে....জানিনা কত শত পূর্নিমা রুদ্ধ বাতায়নে ঢুকরে ঢুকরে কেদেঁ উঠছে শুধু একটিবার "মা" ডাকার জন্য।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ দুপুর ১:১৩
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: আপনার কথায় আমি সম্মানিত বোধ করলাম। অনেক ভালোবাসা রইলো।
ভালো থাকবেন।
৮|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ১১:২৩
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: জন্ম হোক যথা তথা
কর্ম হোক ভাল
বলা হয়তো খুব সহজ। কেবল পূর্নিমা হলেই সে যাতনা অনুভব করা যায়। সামাজিক বাস্তবতার কঠিন সত্যকে গল্পে দারুন মর্মস্পর্শী কের তুলে আনায় ধন্যবাদ।
যদিো বদলাবে না কিছূই যদিও সেই পিতা-মাতা নামের নিষ্ঠুর কিটেদের মনোজগতে দাগ কাটবে না,
হয়তো তারাই সামাজিক বৈধতায় আরো পূর্ণিমাদের জন্ম দিয়ে তাদের আদর আহলাদে ব্যস্ত!
তারপরও অনাগত পূর্ণিমাদের হবু পিতা-মাতারা যদি একটুও বদলায়! প্রেমের সাথে সাথে পূর্ণিমাদের দায় নেবার সাহসও যদি হয়- তাই হবে বড় পাওয়া !
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ দুপুর ১:১৫
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: ঠিক তাই। শুভ কামনা পুরনিমাদের জন্য।
৯|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ১১:৩১
বিশাল মুজিব বলেছেন: পরিস্তিতি মানুষকে অনেক কিছু করতে শেখায়।জন্ম হোক যথা তথা
কর্ম হোক ভাল।শুভ কামনা রইল তোমার প্রতি পূণিমা।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ দুপুর ১:১৪
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ । ভালো থাকবেন।
১০|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৪:০৯
আলোরিকা বলেছেন: কি লিখব বুঝতে পারছি না ----------- এ রকম কাহিনী প্রত্যাশিত ছিল না !
![]()
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৪:১৭
রাবেয়া রাহীম বলেছেন:
![]()
১১|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৪:৫৫
টোকাই রাজা বলেছেন: গোয়ালঘরে জন্মেও একটা সাধারণ দিনকে 'বড়দিন' বানিয়ে ফেলা যায়। স্কয়ার-অ্যাপোলোতে জন্মেও অনেকে তা পারেন না।
জন্ম হোক যথাতথা, কর্ম হোক ভালো।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৪:৫৬
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: ঠিক বলেছেন। অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।
১২|
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ দুপুর ১:৩৫
বিলিয়ার রহমান বলেছেন: জন্ম হোক যথা তথা
কর্ম হোক ভাল।
সুন্দর লেখনি। ভালো থাকুন সব সময়।
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:০৯
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
১৩|
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ২:০৯
শামচুল হক বলেছেন: ঘটনা কি সত্যি!!!
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ২:১৬
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: এমন সত্য ঘটনার অভাব আছে কি?
ধন্যবাদ।
১৪|
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ২:৪৬
আমিই মিসির আলী বলেছেন: ![]()
গল্পটা পড়ে কেমন জানি লাগছে! মাঝে মাঝে নিজের অনুভূতি বুঝতে পারি না।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ২:৫০
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: মুল্যবান মন্তব্যর জন্য অনেক ধন্যবাদ।
ভালো থাকবেন।
১৫|
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ভোর ৪:০৩
ডঃ এম এ আলী বলেছেন: গল্পটি মনকে ছুয়ে গেল দু:খের অনুভুতিতে পুর্ণিমার কাহিনীটুকু পাঠে ।
হৃদয়তন্ত্রীর সুক্ষ অনুভিতে নাড়া দেয়ার মত গল্পটির জন্য রইল
অভিনন্দন ।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ভোর ৫:০৪
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। ভালো থাকবেন
১৬|
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ভোর ৫:২৯
ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ![]()
১৭|
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ৯:৩০
বিজন রয় বলেছেন: পড়লাম খুব মন দিয়ে। মানে মন দিয়ে পড়তে বাধ্য হলাম। এসব দৃশ্য আমাকে একটু আক্রান্ত করে বেশি। তাই বেশি কিছু বলতে পারছি না। পূর্ণিমার যায়গায় নিজেকে কল্পনা করে কেমন লাগছে সেটা ভাবছি।
আমার মতে জারজ বলতে কিছু নেই। বিয়ের আগেও মিলনে সন্তান জন্ম হয় আবার পরেও হয়। বিয়ে বা অন্য কিছু কি জন্ম ব্যাপারটি পরিবর্তন করতে পারে? তাই জন্মের ক্ষেত্রে জারজ বলতে কিছু নেই।
আর গল্পটি যেমন মর্মস্পর্শী আপনার লেখনীয় অতলস্পর্শী, হৃদয়গ্রাহী।
আরো আরো লিখুন এমন।
শুভকামনা রইল।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ১১:০১
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: জারজ কথাটা শুধু বাংলাদেশে বলা হয় কিন্তু এখানে বলে "লাভ চাইলড" ।
আপনার ভালো লাগা আমার অন্তহীন প্রেরণা হয়ে রইলো।
ভালোবাসা রইলো। ভালো থাকবেন। অনেক ধন্যবাদ।
১৮|
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ৯:৫১
চাঁদগাজী বলেছেন:
আপনার লেখার আরেক দিকের সাথে পরিচিত হলাম; বাস্তবাতাকে প্রাণ দিয়েছেন গল্লের ছলে।
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৩:২৩
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: সত্যি বলছি - আমি আপনার এই কমেনটের অপেক্ষায় ছিলাম। আপনার এই মন্তব্য আমার কাছে অনেক মূল্যবান। এখন মনে হচ্ছে হ্যাঁ গল্প যা লিখতে চাইছি কিছুটা পারছি। " বাস্তবতা" গল্পে প্রাণ পাওয়া আপনার বলা এই কথায় আমি কতদিন উৎসাহিত হয়েছি। অনেক প্রেরনা পেলাম। আমি কৃয়েটিভ রাইটার হতে চাই। আমাদের চারপাশে যা কিছু ঘটে থাকে আমি নিপুনতার সাথে বাস্তবতার সাথে লিখতে চাই। শুধু গল্পই যেনো না হয় এটাই আমার উদ্দেশ্য । পাঠ করার সময় পাঠক যেনো বাস্তবতার ভেতরেই ঢুকে যায়। তবেই আমার লেখা সার্থক । কিন্তু কোন কিছুই আমার নিজের জীবন থেকে নয়। আমি লিখতে ভালোবাসি । বিদেশে থাকি দীর্ঘ বছর। নিজের দেশ , দেশের মানুস নিজের ভাষা কে খুব মিস করি সারাক্ষণ।
আপনার এই মন্তব্য পেয়ে মনে হলো কিছু লিখতে শিখেছি। অনেক অনেক ধন্যবাদ। ভালোবাসা রইলো। ভালো থাকবেন।
১৯|
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ১১:৫৪
গেম চেঞ্জার বলেছেন: হায়রে মানুষ!! সামান্য সুখের জন্য অন্য একটি প্রাণের জীবনের অভিশাপ বয়ে নিয়ে আসে! এদের ধিক্কার জানানোর ভাষাও নেই! ![]()
গল্পের এই পরিণতি আশা করিনি! আর ডায়েরটা যেন তাড়াহুড়ো করেই শেষের দিকে এগিয়ে গেল? তবে ডায়েরির শুরু দিকের প্রাঞ্জলতা বেশ ভাল হয়েছিল!! যদিও সেভাবে আর পরে থাকেনি!
গল্প অনেক ভাল হয়েছে আপুনী!! (+)
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ভোর ৪:০৪
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: গেমু ভাইয়া---এটার উপর উপন্যাস লেখা যায় কিন্তু আলসেমিতে পেয়ে বসেছিলো
তাই শেস করে ফেলি।
পুরনীমার কথা গুলো ডিটেইলে দেওয়ার ইচ্ছা ছিলো যেমন বাংলাদেশ যাওয়া নিজের পরিচয় খোজা নিয়ে সমস্যার মুখোমুখি হওয়া এটা নিয়ে বিস্তারিত লেখার ইচ্ছে ছিলো কিন্তু ঐ যে আলসেমি ই দায়ী আমি না ভাইয়া।
ভাইয়া তোমার ভালো লেগেছে আমি ভীষণ উত্সাহী পরের ডায়েরি লিখনে আলসেমি ধারে কাছে ঘেসতে দিবোনা।
ভালোবাসা রইলো। ভালো থেকো।
২০|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ৭:২৬
চাঁদগাজী বলেছেন:
শ্লো হয়ে গেলেন যেন!
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ৭:৩৩
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: অফিসের কাজে ভীষণ ব্যস্ত। বাসায় এসে সময় করতে পারছিনা। লন্ডন থেকে বড় বোনের ছেলে বেড়াতে এসেছে । ঘরের কাজ বেড়ে গেছে। ক্লান্ত লাগছে। তবে লিখছি অল্প অল্প করে।
অনেক আনন্দিত হয়েছি আপনার কমেন্ট পেয়ে, উৎসাহও পেয়েছি খুব।
অবশ্য এই উইক এন্ডে কিছু শেষ করে ফেলবো।
অনেক ভাল থাকবেন সব সময়।
২১|
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ১০:৫৫
আহমেদ জী এস বলেছেন: রাবেয়া রাহীম ,
খুব টাচি ।
মনের কোথাও কি যেন একটা বিঁধে গেলো !
হুহু করে কাঁদছে আমার মেয়েটি। কাঁদুক। মন ভরে আজ কাঁদুক।
"মা" না হয়েও "মা" হয়ে ওঠা সংবেদনশীল এমন একজনের দেখা পেয়ে ভালো লাগলো ।
শুভেচ্ছা জানবেন অন্তরের গভীর থেকে দেয়া ।
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ১১:০৯
রাবেয়া রাহীম বলেছেন: আপনার শুভেচ্ছা অমূল্য। অনেক শুভেচ্ছা জানাই আপনাকেও।
©somewhere in net ltd.
১|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ৭:১১
সাদা মনের মানুষ বলেছেন: গল্পটা পড়ে চোখটা ভিজে গেলো, সত্যিই আমরা কতোটা নির্মম হতে পারি, তবে ভালো লাগছে এই ভেবে যে পুর্ণিমা আজো বেঁচে আছে। গল্পটা হয়তো সত্যি নয়, তবু এমন ঘটনা অহরহ আমাদের দেশে ঘটছে........শুভেচ্ছা জানবেন আপু