নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কস্তুরী খুঁজে ফিরে তার সুবাস..হায় মৃগ, যদি জানত গন্ধ কার! পাখিও খুঁজে ফিরে শিস--হায়, যদি সে জানত! সুর থাকে ভেতরে, অন্তরে.। চুপটি করে এই তো এখনো ডাকে, ব্যকুল হয়ে - ডাকে আর ডাকে ।।

রাবেয়া রাহীম

মানব মন বুঝে, সাধ্য আছে কার ! কখনো আবেগী গাঁথুনিগুলো যেন নিরেট কনক্রিট কখনো আবার গভীরে সাজানো আবেগগুলো- সৌরভে সুবাসিত হয়ে আনন্দে লীন !

রাবেয়া রাহীম › বিস্তারিত পোস্টঃ

আবহমানকাল (২য় পর্ব )

০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৮:২৩



আবহমানকাল (১ম পর্ব )

ডিস্ট্রিক বোর্ডের পাকা সড়কের গা ঘেঁষে পুরনো এক মন্দিরের ভেতর ভগবান শিবের খুব বড় একটি পাথরের মূর্তি আছে । সে কারনেই হয়তো এই এলাকাটির নাম “শিববাড়ী“। মন্দির থেকে কয়েক মিটার দূরে উঁচু পাঁচিল ঘেরা লোহার গেট দেওয়া দোতলা বাড়িটি জয়দীপ চক্রবর্তীর। জয়দীপ নিজেই এই বাড়ীটি নির্মাণ করেন তার বিবাহের পর পর। তবে বাড়ীটি পুরনো ধাঁচের তৈরী। বাড়ীর সামনে উঠানের মত খোলা জায়গার এক পাশে রান্না ঘর অন্য পাশে টিন দিয়ে ঘেরা শান বাঁধানো কলতলা। ওয়াসার লাইন এখনো এই এলাকাতে আসেনি। টিউবওয়েলের পানিই ভরসা। রান্নার কাজে প্রাকৃতিক গ্যাসের সংযোগ দেয়া হয়নি তাই কাঠ পুড়িয়েই রান্নার আয়োজন করতে হয়। সকালের পুজা পাঠ শেষে নাস্তার আয়োজনে খুব ব্যস্ত সময় কাটে আরতি দেবীর । বাঁধা কাজের লোক থাকলেও রান্না ঘরের সব তিনি নিজে করতেই পছন্দ করেন । সকালের নাস্তায় আলুর দমের সাথে গরম লুচি সুদিপের প্রিয়। তিনি নিজে হাতেই লুচি তৈরী করে তেলে ভেজে নিচ্ছেন ---সুদীপ রান্নাঘরে এসে মোড়া টেনে মায়ের মুখোমুখি বসে। আরতী দেবী গভীর মমতায় ছেলের দিকে তাকান দীর্ঘশ্বাস ফেলেন। ছেলেটা আমার হোস্টেলে কি কি যে খায়! ছেলের দিকে চেয়ে আদরমাখা গলায় বলেন ---কিছু বলবি বাবা ? সুদিপ হেসে ডানে বায়ে মাথা নাড়ে। উঠোন জুড়ে ঝকঝকে শীতের মোলায়েম রোদ ছড়িয়ে আছে। কাজে ব্যস্ত সোনার চুড়ি পরা মায়ের হাত দুটি অস্থির নাড়াচাড়া সেইসাথে সুস্বাদু খাবারের গন্ধ ! আহ! বাড়ী আসার পর এই সময়টা তার ভীষণ প্রিয়!
----"কিগো খেতে দাও বেলা হয়েছে" জয়দীপ ঘরের বারান্দায় দাঁড়িয়ে বলে উঠে।
আরতি দেবীর ব্যস্ততা আরও বেড়ে যায়।
-- "ঘরে যেয়ে বোস আমি আনছি" লুচি সাজাতে সাজাতে সুদীপ কে তাড়া দেন তিনি।

দোতালায় উঠার সিঁড়ির মুখেই খাবারের টেবিল। আরতি দেবী স্বামী-পুত্রের থালায় খাবার যত্নে তুলে দেন । হঠাৎ কর্কশ শব্দে ফোন বেজে উঠে। "সাত সকালে কোন বাড়ীতে যেয়ে ডাকতে হবে"! এই কথা জয়দীপ আত্মতৃপ্তির সাথে গর্ব করেই বলে থাকেন। গলা উচিয়ে অর্চনাকে ফোন ধরতে বলেন। তিন মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন শহরের নামকরা পরিবারে। পুজা পার্বণে মেয়েরা যখন জামাই সন্তান নিয়ে বেড়াতে আসে আনন্দে মুখর হয়ে উঠে জয়দীপের সংসার। জয়দীপ আত্মতৃপ্ত পান। অর্চনা জয়দীপের ছোট মেয়ে। তাঁর বিয়ে দিয়েছেন তিন মাস আগে। সুদীপের জন্যই সে এখন বাবার বাড়ী। অর্চনা দোতলাতেই ছিল তার শোবার ঘরে।

সিঁড়ির কাছে এসে অর্চনা উতসাহ নিয়ে বলে "সিরাজ কাকার ফোন -- তার ভাই ঢাকা থেকে"।
যতটা উতসাহ নিয়ে খবরটা জানায় ততটা উত্সাহে তাদের পাশ দিয়ে বের হয়ে যায়। তার এই উৎসাহের কারন বুঝে আরতি দেবী মুখ টিপে হাসেন । কারন খুব স্পষ্ট। কারন করবি। "বড় ভালো মেয়ে করবি, প্রথম যখন অর্চনার সাথে এ বাড়ীতে আসে আমার পা ছুঁয়ে প্রণাম করেছিল। আহা ঠিক যেন ঘরের লক্ষী। আশীর্বাদ করি তার উপযুক্ত বর মিলুক"।

করবী প্রসঙ্গে সুদীপের কিছুটা অস্বস্তি লাগে তার মনে হয় করবীর জন্য তার ভাল লাগা মা-বাবা না টের পেয়ে যায়! পরিবেশ কিছুটা হাল্কা করতে বলে ---"মা ওরা প্রণাম করেনা মুসলমানেরা করে সালাম"
গ্রামের প্রাইমারি স্কুল পাস করা আরতী দেবীর কাছে ঢাকা বিশ্ববুদ্যালয়ে পড়া ছেলে সুদীপ অনেক বেশী বিদ্যান। এমন বিদ্যান ছেলে যা বলবে সবটাই ঠিক। তিনি গর্ব অনুভব করেন। বলেন ---"হ্যা তুই যা বলিস"
--"জানো মা, ঐ প্রণাম আর সালাম কিন্তু একই ব্যাপার। দুটোতেই ভক্তি দেওয়া। আশীর্বাদ চাওয়া"।
সুদীপ তখনও নাস্তার টেবিলে বাবার সাথে অপ্রাসংগিক কথায় ব্যস্ত। তাঁদের সামনে দিয়ে অর্চনার সাথে করবী দুপদাপ সিড়ি ভেংগে উপরে উঠে যায়। দুজনার চাপা হাসির শব্দে বুঝা যায় ইতিমধ্যে দুজনার ভেতর সখ্যতা ভীষণ। করবীকে নিজের বাড়ীতে আবার দেখে সুদিপ ঘোরের ভেতর থাকে যেন। বাবা মা সামনে থাকায় ওদিকে তাকানোর সাহস পাচ্ছেনা। মাথা নিচু করে খেয়ে যায়। খাওয়া শেষ করে কলতলায় এসে দাঁড়ায় । এখান থেকে দোতালার প্রায় পুরোটাই দৃষ্টিগোচর হয়। করবীর অকারণ খিলখিল হাসি সুদীপ মুগ্ধ চোখে চেয়ে থাকে। তাঁর বুকের ভেতর ছন্দময় অনুভুতি টের পায়। ভাবে এই বয়সে মেয়েরা অকারনেই হেসে উঠে। তাদের হাসি সংক্রমিত করে সুদীপকেও। চারটি চোখ একে অপরকে দেখতে থাকে, ভীষণ লজ্জা করবীকে ঘিরে ধরে;
আনন্দময় পরিবেশ চারিদিক।

অর্চনার কাছে খুব জানতে ইচ্ছে করছে সুদীপের কথা। কিন্তু অর্চনা সুদীপের ব্যাপারে কোন আগ্রহ নেই তার সব আগ্রহ নতুন শশুর বাড়ী থেকে কি কি উপহার পেয়েছে সে সব করবীকে দেখানর জন্য। অর্চনার উপর কিছুটা বিরক্ত হয়েই করবী চলে আসে। লোহার গেট ঠেলে বের হয়ে আসতেই সুদীপ কে দাঁড়ানো দেখে সে। কিছুটা চমকে উঠে। সুদীপ মুচকি হেসে বলে---"এত ভীতু তুমি! জলজ্যান্ত মানুষ দেখে ভয় পাও"? করবী কিছু বলতে পারেনা পাশ কাটিয়ে চলে যায়। জানুয়ারীর সকালে শীতের হীম জড়ানো চারপাশ আবেশ লেগে থাকে যেন। গায়ে লাল পশমী শালে নিজেকে জড়িয়ে পিঠে ভর্তি এলো চুলে পাকা রাস্তার উপর দিয়ে হেঁটে যায় করবী। পেছন থেকে সুদীপ খুব আস্তে ডাকে "করবী!" কেউ যেন শুনতে না পায়। কিন্তু করবী ঠিক শুনেছে । পিছন ফিরে তাকায়। হাসে। অবাক ভাললাগা ছড়িয়ে পরে দুজনার ভেতর ।

(৩য় পর্ব শেষ করিনি এখনো )

ছবিটি গুগল থেকে নেওয়া

মন্তব্য ৩৯ টি রেটিং +১১/-০

মন্তব্য (৩৯) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৯:১৯

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: আনফেয়ার..................এমন প্রাঞ্জল লেখনি এত ত্বরা খতম তারাবি হওয়া ঠিক না।
ইহা জুলুমে আকবর X((

০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৯:৩৮

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: খতম হইলো কৈ ২য় পর্ব শেস হইলো।
বর লেখা সবাই পরতে পছন্দ করেনা । তাই ভাগ করে দিলাম

২| ০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৯:২০

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: ১ম পর্ব পড়িনি বলে আফসোস এবং শরম দুটোই পরম লাগিতেছে :(

০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৯:৩৯

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: এতক্ষনে কি পাঠে মুগ্ধ তা আসিয়েছে?

৩| ০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৯:২২

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: করবি দেখতে কিমুন?ডাঙ্গুর হৈছে?ছবির করবিরে মোটেই ভাল্লাগেনাই।আরিট্টু গ্ল্যামারাস হওয়া চাই :P

০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৯:৪০

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: একটা যুতসই ছবি সাপ্লাই দেও দেকিনি ভাই

৪| ০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৯:২৬

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: তোমারে যদ্দুর চিনি,,,এক বিষাদময় প্রেমকাব্যের আশংকা করি।
না না প্লিজ..............হ্যাপী এন্ডিং চাই
মরার বিষাদে আর রুচি নাই X( X((

০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৯:৪১

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: জীবনে কোন কিছুই কি হ্যাপি এনডিং হয়! জীবনের পর মরন সেটাও তো গভীর বিষাদ!

৫| ০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৯:৩৩

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: ১ম পর্বে,,,
সুদিপের সাথে করবীর পরিচয়ক্ষণটি বেশ অদ্ভুত।

এবারোতো কৈলানা..................

০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৯:৪৩

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: কইয়া দিলে তো তৃতীয় পর্ব পরতে আইবানা। তাই মুলা ঝুলানি

৬| ০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৯:৩৪

দইজ্জার তুআন বলেছেন: কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: ১ম পর্ব পড়িনি বলে আফসোস এবং শরম দুটোই পরম লাগিতেছে :(

আমারো

০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৯:৪৫

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: তো পাঠে মুগ্ধ হয়েছেন কি?

৭| ০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৯:৩৫

বাঁকখালির বাঁকে বলেছেন: আগ্রহ নিয়ে পরের পর্বের অপেক্ষায়

৮| ০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৯:৩৬

নাইক্যডিয়া বলেছেন: উপভোগ করছি,প্রিয়তে তুলে রাখলাম।:)

৯| ০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৯:৩৯

সিকদার বাড়ীর পোলা বলেছেন: চট করে শেষ হয়ে গেলো
জলদি ৩য় পর্ব চাই /:)

০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৯:৪২

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: অফিস করে সংসার সামলায়া ট্রেনে বসে লিখি । কত জলদি চাও কও?

০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৯:৪৪

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: ওকে ওকে

১০| ০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৯:৪১

হুমম্‌ বলেছেন: গল্পেও আপ্নার অসাধারণ দখল।চেটেপুটে খাচ্ছি।

০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৯:৪৪

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: আপনি কি সুখের অসুখ পাঠ করিয়াছেন?

১১| ০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১০:১৮

প্রামানিক বলেছেন: ভালো লাগল। ধন্যবাদ

০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:৪০

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ । ভালো থাকবেন।

১২| ০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১০:৩৫

ব্লগ সার্চম্যান বলেছেন: ভালো লাগল লেখাটা ।

০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:৪১

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন

১৩| ০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১১:০৫

স্বতু সাঁই বলেছেন: চলুক।

০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:৪২

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: আচ্ছা ।
পাশে পেয়ে ভালো লাগছে।

১৪| ০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৩:৫৮

কানিজ রিনা বলেছেন: বেশ ভাল লেগেছে পড়ের পর্ব দিও। ভাল
থেক ধন্যবাদ।

০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:৪২

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপা। তুমিও খুব ভালো থেকো।

১৫| ০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:৫৪

স্বতু সাঁই বলেছেন: আমার একটা লিখা চলছে, চারটা পর্ব পোস্ট হয়েছে, আজ পঞ্চম পর্ব পোস্ট দিবো।

০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:২৭

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: ভাল লেগেছে আপনার লেখাটি । অনেক ধন্যবাদ।

১৬| ০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:১৭

নাগরিক কবি বলেছেন: অসাধারণ, যাস্ট ওসাম। কিপ ইট আপ বুবু। সত্যি বেশি ভাল লাগছে। পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম।

০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:২৭

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: আইচ্ছা অপেক্ষা কোর ।

১৭| ০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:৫৪

এই মেঘ এই রোদ্দুর বলেছেন: +

০৬ ই আগস্ট, ২০১৭ ভোর ৬:১৭

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: ও ছবি কিতা খবর ? জেসইন্নার ডরে মাল্টি নিকে ? =p~

১৮| ০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:৫৭

এডওয়ার্ড মায়া বলেছেন: আগামী বইমেলায় তাহলে গল্পের বই বের হবে ?

০৬ ই আগস্ট, ২০১৭ ভোর ৬:১৮

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: আগামী বইমেলা পরযন্ত যদি বেঁচে থাকব !!!
যযযযযযদি বেচে থাকি তখনের হিসাব তখন করি?

১৯| ০৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১:২৬

জাহিদ অনিক বলেছেন: ফিরে আসছি বুবু । একবার পড়া হল মাত্র !

০৬ ই আগস্ট, ২০১৭ ভোর ৬:১৯

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: ওই পোলা কই গেলা ?

২০| ০৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১১:০৩

জাহিদ অনিক বলেছেন: এই যে বুবু , এসে গেছি । পালাই নাই । আছি আছি । আজকাল বেশ ব্যস্ততায় যাচ্ছে ।
কাজের কথায় আসি ।

ওয়াসার লাইন এখনো এই এলাকাতে আসেনি। টিউবওয়েলের পানিই ভরসা। - ওয়াসার লাইন অপেক্ষা কলের পানি নিরাপদ ।

আলুর দমের সাথে গরম লুচি- কতদিন লুচি খাই না !


পেছন থেকে সুদীপ খুব আস্তে ডাকে-----করবী! কেউ যেন শুনতে না পায়। কিন্তু করবী ঠিক শুনেছে । ইশ কত স্বাদ মনে এমন করে সুদীপের মত আমিও একদিন ..........................

তোমার লেখা নিয়ে আর মন্তব্য করার সাহস হচ্ছে না । একবার ডস খেয়েছি B-)
ঝকঝকে লেখা , দৃশ্যপট চোখের সামনে ভেসে উঠে ।

পরের পর্বের আশায় আছি অধীর আগ্রহে ।

০৮ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ২:৫৭

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: তোমার কথায় আনন্দ পেলাম। যে যত গুছিয়ে মিথ্যা কথা বলতে পারে সেই স্বার্থক লেখক। আমি চেষ্টা করছি তবে কতটা পারছি পাঠক ভালো জানবে।

ডাকার মত অবশ্যই কেউ আসবে গরম লুচি ভেজে খাওয়াতে =p~

ভালো থেকো।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.