| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ফুলগাজী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান একরামুল হক একরামের মাথায় গুলি করেছিলেন ফেনী জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লায়লা জেসমিন বড়মনির জ্যেষ্ঠ ছেলে আরিফ। এছাড়াও কিলিং মিশনে অংশ নেয় ৩০ থেকে ৩৫ জনের একটি স্কোয়াড।
বড়মনি ফেনী জেলা আওয়ামী লীগে একটি পরিচিত নাম। তিনি আত্মীয়তার সূত্রে নিজাম উদ্দিন হাজারীর ফুফাতো বোন।
বিশাল দেহী আরিফকে ফেনীতে সন্ত্রাসী হিসেবেই চেনেন সবাই এবং তিনি আওয়ামী লীগের কর্মী বলেও পরিচিত। ফেনীতে নিজাম হাজারীর প্রটোকলেও থাকেন তিনি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একরামকে বহন করা গাড়িটিকে আটকানোর পর সবার আগে গুলি ছুড়তে ছুড়তে এগিয়ে এসেছিলেন আরিফ। মুখ ঢাকা থাকলেও তার শারীরিক গঠন ও হাঁটার ভঙ্গিতে তাকে চিনতে পেরেছেন অনেকেই।
এদিকে দিনে দুপুরের এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ভিডিও চিত্র মোবাইলে ধারণ করেছেন অনেকেই। এসব ভিডিও চিত্র থেকে সন্ত্রাসীদের শনাক্ত করছেন স্থানীয়রাই। এদিকে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, তাদের হাতে আসা ভিডিওচিত্র থেকে চিহ্নিত করা হয়েছে চারজনকে।
আওয়ামী লীগের দলীয় সূত্র বলছে, এরা সকলেই নিজাম হাজারীর সমর্থক ও কর্মী।
আরিফ ছাড়া পুলিশ শনাক্ত করেছে- রুটি সোহেল, পারভেজ ও হুমায়ুনকে। এই তিনজনসহ কিলিং মিশনে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ সদস্যের বাড়ি বিরিঞ্চি এলাকায়। ফেনী পৌরসভার কাউন্সিলর শিবলুর নেতৃত্বে দলটি এ মিশনে অংশ নেয় বলে জানায় সূত্র। শিবলুকে বর্তমানে নিজাম হাজারীর অন্যতম শক্তি হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়।
এছাড়াও ভিডিও চিত্রে জিয়াউদ্দিন স্টারকে চিনতে পেরেছেন এলাকাবাসী। পৌর কমিশনার গিটারের ভাই জিয়াউল আলম স্টারের হাতে রয়েছে বর্তমানে নিজাম উদ্দিন হাজারীর অস্ত্রবাহিনী ও ব্যাবসার নিয়ন্ত্রণ।
ঘটনার পরিকল্পনায় ছিলেন জাহাঙ্গীর আদেল ও জাহিদুল ইসলাম জাহিদ। একাডেমি এলাকায় বেশ কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ দুজনকেই ওই সময় ঘটনাস্থলের আশপাশে দেখা গেছে। এদের মধ্যে আদেল বর্তমানে নিজামের মূল বুদ্ধিদাতা হিসেবে পরিচিত। আর জাহিদও সহচর নিজামের।
প্রত্যক্ষদর্শীদের অনেকেই বলছেন জাহিদ নিজে হত্যাকাণ্ডে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাকে দেখা গিয়েছিল ওই সময় একাডেমি এলাকায় ঘটনাস্থলের কিছু দূরেই। ২০০০ সালে বশির হত্যাকাণ্ডের মূল আসামিও ছিলেন এই জাহিদ।
একরামের সঙ্গে রয়েছে তার পূর্ব শত্রুতার জের। গত উপজেলা নির্বাচনের পূর্বে জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি থেকে একরাম জাহিদকে বহিষ্কার করেন। পরে নিজাম উদ্দিন হাজারী সেই বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে নেন। এছাড়াও আনন্দপুর ইউনিয়ন থেকে জাহিদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চাইলে তাকে বাধা দেন একরাম। - See more at: Click This Link
©somewhere in net ltd.