| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সুলতানা১২
পবিত্র ঈদে মীলাদুননবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালিত হোক বছরব্যাপী।
______(বেহেস্তি জেওর: দশম খণ্ড, ২০১ ও ২০৮ পৃষ্ঠা)_____
_____________এই কিতাবের লেখক নাকি হাকিম আশরাফ আলী থানভী দেওবন্দী?!
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:৪৯
সুলতানা১২ বলেছেন: ধন্যবাদ।
ভালো জিনিস দেখার পথে মাঝে মাঝে এসব দু একটা চোখে পড়ে, সবটাই আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চাই।
____ভালো ও খারাপ নিয়ে মানুষ। তবে খারাপটা স্বীকার করার মধ্যে মহত্ত্ব আছে।
২|
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:৪৫
মহান প্রকৃতি বলেছেন: ঢেঁকুর তুললাম
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:০৭
সুলতানা১২ বলেছেন: আপনি কি দেওবন্দী/খারেজী নাকি?----হজম করতে কষ্ট হইলো মনে হয়
৩|
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:৫৯
মাটির কথা বলেছেন: কবিরাজ থানবী তো এই কিতাবের লেখক।
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:১৩
সুলতানা১২ বলেছেন:
আমিও আশ্চর্য হই এরা কি করে আবার আলেম দাবি করে!
৪|
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:০৩
শার্ক বলেছেন: I think he is the one who also spread Shirik. We shouldn't follow his any book. We've Sahi hadith.
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:৩৩
সুলতানা১২ বলেছেন: হুম! খুব কষ্ট পাই যখন তারা বলে- নবীজি ও সাহাবীরা ভুল করেছেন, গুনাহ করেছেন(নাউযুবিল্লাহ)
কিন্তু তারা তাদের গুরুদের কোন ভুল স্বীকার করতে কখনোই রাজি হয় না।
৫|
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:০৪
রওশন জমির বলেছেন: থানবী এ গ্রন্থের লেখক নন। এর ভূমিকাটি উনার লেখা। (সূত্রঃ দেওবন্দের ইতিহাস। ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ)
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:১০
সুলতানা১২ বলেছেন: /
বই না পইড়াই ভুমিকা লেখলো? বেকুব নাকি?
আপনার কথা যদি সত্য ধরেই নেই- তাইলে কি দাঁড়ায়?
তিনি এই বইটি না পড়েই ভুমিকা লেখেছেন। অথবা তিনি এই তামাক/হুক্কা বানানোতে বৈধতা/সম্মতি দিয়েছেন।
কোনোভাবেই কি তিনি দায় এড়াতে পারবেন?
যারা নিজের বড়ত্ব প্রকাশের জন্য বইয়ে বইয়ে ভুমিকা লেখেন বই না পড়ে তাদের কে কি করে মানুষ আলেম হিসেবে গননা করবে?---আপনিই বলুন
৬|
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:০৫
সরল পথিক বলেছেন:
ফার্মেসীগুলাতে যে 'থানভী দন্ত শেফা' সাইনবোর্ড দেখি সেই আশরাফ আলী থানভী সাহেব আবার হুক্কারও মেকানিক?!-(আচম্বিত হওয়ার ইমো হইবে)
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:৪১
সুলতানা১২ বলেছেন: ______কবিরাজ>ডাক্তার>হেকিম>হাকিমুল উম্মত------বিবর্তনরে একটি উদাহরন!
৭|
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:১২
নরাধম বলেছেন: কারন সেসময় তামাককে খারাপ মনে করা হতনা। তামাক বা বিড়ি/সিগারেটকে মাত্র বছর পন্ঞাশেকের কম সময় ধরে খারাপ মনে করা হচ্ছে, আগে এরিসটোক্রেসির চিহ্ণ ছিল তামাক/হুক্কা ইত্যাদি খাওয়া। তামাকের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কেও এখনকার মত জানাশুনা যাচ্ছে বেশ আধুনিক কালে এসেই। তাই অনেক ইসলামের বুজুর্গুরাও সেসময় তামাক/হুক্কা খেত। তামাক/সিগারেট ইত্যাদি মাকরুহ সেই ফতোয়া শুরু হয়েছে অনেক পরে যখন এর ক্ষতিকার দিক সম্পর্কে মানুষ ওয়াকিবহাল হল। এখন তো অনেক স্কলারই সিগারেটকে হারাম বলেন, আগে মাকরুহ বলতেন। এখন হারাম বলেন কারন এখন তামাকের শারিরীক ক্ষতির মাত্রা সম্পর্কে আমরা অনেক বেশি জানি এবং সেটা পূর্বে যা জানতাম তার থেকে অনেক বেশি ক্ষতিকর বলে জানা যাচ্ছে, এতে ফিক্বহ শাস্ত্রের অনেকেই এখ সিগারেটকে পুরাপুরি হারাম বলেন।
বুঝতেই পারছেন থানভী (রাঃ) কেন এরকম বলেছেন। তাছাড়া উনি তো একজন মানুষমাত্র, তাঁর নিশ্চয়ই অনেক ভুল ছিল। আমাদের আদর্শ শুধু মহানবী (সাঃ) এবং তাঁর সাহাবারা, অন্যকারো কথাই বাধ্যতামূলক না এবং সেসব নিয়ে মাথা ঘামানোরও কিছু নাই। বেহেশতী জেওর শুধুই ধর্মের বই না, এটাতে সেসময়ের প্রচলিত সমাজের অনেক সমস্যার সমাধান দেওয়া হয়েছএ এবং সেসময় সমাধান ইসলামিক কিছু না, যাস্ট থানভী (রঃ)-এর প্রজ্ঞায় যেরকম এসেছে সেরকমই দিয়েছেন, কেননা এসব ইসলামিক কোন সমস্যা না। পারিবারিক বা সামাজিক সমস্যা হতে পারে, যেমন বউ-শ্বাশুড়ির ঝগড়া, বউয়ের বাপের বাড়িতে সমস্যা এসব!
আপনি থানভী (রঃ) কে এসময়ের স্ট্যান্ডার্ডে মাপলে লোকে মহানবী (সাঃ)-এড় বহুবিবাহকেও এই সময়ের স্ট্যান্ডার্ডে মাপবে, সেটা নিশ্চয়ই আপনি চান না। তাছাড়া অন্যকারো ভুল না ধরে শুধু কোরান আর সুন্নাহর আলোকে মহানবী (সাঃ) এবং সাহাবাদের (রাঃ) দেখানো পথে চলাটাই কাম্য। মানুষের দিকে বেশি ছিদ্রান্বেষন করতে গেলে সেটা আল্লাহ পছন্দ করেন না।
ভাল থাকুন।
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:২৫
সুলতানা১২ বলেছেন: আপনি কি কখনো সিলেট গিয়েছেন?
সেখানে গেলে দেখবেন সেখানকার নামধারী মাওলানারা এখনো কিভাবে মসজিদের প্রবেশের আগ পর্যন্ত এবং মসজিদ থেকে বের হওয়ার সাথে সাথে কিভাবে অনবরত বিড়ি টানতে থাকে। তাইলে আপনি তাদের ক্ষেত্রে কি বলবেন?
একটা ভুল যখন সাধারনে করে সেটা একরকম, আর যখন কোন আলেম খেতাবধারীরা সেটা করেন তাইলে বিষয়টা আরেকরকম। এক্ষেত্রে থানভী সাহেবের কি সেই বিষয়টি দেখা উচিত ছিলোনা?
তিনি কি তাইলে সেসময়েও সিলেটী মাওলানাদের অবস্থানে ছিলেন?
আর ভুল? হ্যাঁ, এই ভুল স্বীকার করার মহত্ব টা তখনই তিনি বা তার ভক্তরা পেতেন যদি তারা এই ভুলটি সংশোধন করে বিকল্প আরেকটি কিতাব রচনা করতেন।
আর ছিদ্রান্বেষন? আমি ছিদ্রান্বেষন যে করতে চাই নি বা চাই না সেটা আমার কমেন্টস-এর জবাবগুলো দেখলেই বুঝবেন।
আপনিও ভালো থাকুন।
৮|
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:৩৪
খাইয়া কামনাই বলেছেন:
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:৫৭
সুলতানা১২ বলেছেন: আমিও হকচকিত! তিনি নাকি আবার উপমহাদেশের প্রকান্ড মাওলানা!!!
৯|
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:২৭
মহান প্রকৃতি বলেছেন: আহারে শেষপর্যন্ত তাইলে হেকিমুল দেওবন্দীরে তামাক ইনঝিনিয়ার প্রমাণ করিলেন?
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫৮
সুলতানা১২ বলেছেন: খেক..খেক..কি যে কন?
১০|
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫৩
ধুম্রজ্বাল বলেছেন: ভাই থুক্কু বহিনজী। হাকিম আশরাফ আলী থানভী দেওবন্দী ভদ্রলোকটি কে ?
ধর্ম কে ভালবাসুন। নিজের কাছে রাখুন। যে মেধা খরচ করে এ তথ্য বের করেছেন তা ধর্মে নিজের অবদানের জন্য ব্যয় করুন।
সবাই উপকার পাবে
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৪১
সুলতানা১২ বলেছেন: এটাও একটা অবদান
১১|
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৯:০৩
মুহাই বলেছেন: হেহে মজাক পেলুম ।তা ঢ্যাওবন্ঢী দাদাদের পোস্টে দেখতে না পেয়ে হতাশ হলুম!
১২|
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৯:০৪
মুহাই বলেছেন: হেহে মজাক পেলুম ।তা ঢ্যাওবন্ঢী দাদাদের পোস্টে দেখতে না পেয়ে হতাশ হলুম!
১৩|
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১২ ভোর ৪:৪৯
রিফাত হোসেন বলেছেন: লেখক বলেছেন: হুম! খুব কষ্ট পাই যখন তারা বলে- নবীজি ও সাহাবীরা ভুল করেছেন, গুনাহ করেছেন(নাউযুবিল্লাহ)
কিন্তু তারা তাদের গুরুদের কোন ভুল স্বীকার করতে কখনোই রাজি হয় না।-----------------------------
নবীজি ও সাহাবীরা ভুল করতেই পারে নাউযুবিল্লাহ বলার কি হল ? আল্লাহ ভাল জানেন । তারা মানুষবৈ কিছু নয়।
তাদের গুরু কারা ?
যারাই হোক শিক্ষা গুরুর ভুল তারা খুজতে যায় নাই, ভাল গুলিই গ্রহন করেছে, খারাপকে ওভার লুককরেছে ।
খারাপ নিয়ে নাচতে চান কেন ?
দাবা খেলা হারাম বলে , আমি তো মনে করি না, ইমাম বললৈই ১০০ ভাগ আল্লাহর বানী হবে নাকি ? নাউজুবিল্লাহ ।
এখানে নাউজুবিল্লাহ ঠিক আছে, কারণ সুপ্রিম পাওয়ার এর সাথে তুলনা করা ঠিক না ।
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৪৩
সুলতানা১২ বলেছেন: খারাপটাকে মুছে দিতে চাই........
ধণ্যবাদ আপনাকে কিছু পজিটিভ কথা বলার জন্য
১৪|
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ৯:৩১
নরাধম বলেছেন: বুঝেন নাই কি বলেছি, সেসময় তামাককে মাকরুহ মনে করা হত না। তাই সেটা সেমসয়ের প্রেক্ষিতে থানভী (রঃ)-কে দোষী বলার কোন কারন নেই। আবার বছর ১০০ আগে চা-কে নেশাজতীয় মনে করা হত এবং নেশাজাতীয় পানীয় হারাম সেই ফতোয়ায় নিষেধ করা হত, কিন্তু এখন করা হয় না। বুঝাইতে পারছি?
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৪৫
সুলতানা১২ বলেছেন: আপনি কি আব্দুল হক মুহাদ্দিস দেহলভী নামক আলেমের নাম জানেন?
তিনি অনেক আগেই তামাককে নিষিদ্ধ প্রমাণ করেছেন।
হেকিম সাহেব কেনো এই বিখ্যাত আলেমকে এড়িয়েছেন? এটা কি তার অহংকারের কারনে?
১৫|
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:৩১
রিফাত হোসেন বলেছেন: আরেকটা কথা বলতে চাই জনৈকা ব্লগার সাহেবা ..........যে চা নিয়ে ।
নরাধম সাহেব আগের মন্তব্যে বলেছেন ।
যেমন আমি মনে করি এখনও চা বা পান বা বিড়ি তিনটাই নেশা !!!
আপনি চা ছাড়া চলতে পারবেন না । যদি আপনার অভ্যাস থাকে !
আর যাবতীয় নেশার বস্তু হারাম !
আর কিছু ?
কিন্তু আপনার হয়ত চা এর অভ্যাস আছে আপনি এই যুক্তি মানবেন না ।
ওকে আপনার যুক্তি নিয়ে থাকুন । কারন কোরআনে এই ধরনের ডাইরেক্ট নিষেধাজ্ঞা যেহেতু নাই সুতরাং আপনি এইটা ওভারলুক করতেই পারেন ।
আর এই পোষ্টের উত্তর না দিয়ে আরেক পোষ্ট !! মনে হচ্ছে আপনি মাল্টি নিকার ! হাহাহহা .. কত ব্লগে...
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৩৩
সুলতানা১২ বলেছেন: কোরআনে সবকিছুর নাম কি সরাসরি পাবেন?
কোরআনে কোথাও সরাসরি লেখা নাই হেকিম থানভী সাহেবের তামাক মেকানিক হইতে তাই তিনি হয়েছেন।- তা তিনি যে একজন হুক্কা তৈরির কিতাব প্রণেতা সেটা স্বীকার করলেই তো সব লেঠা চুকে যায়
১৬|
০২ রা জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:১৪
নরাধম বলেছেন: না, আমি আব্দুল হক মুহাদ্দিস দেহলভী নামে কারো নাম শুনি নি, কত হাজার হাজার আলেম-উলামা আছে, সবার নাম জানা সম্ভব না। আর আমাদের বিশ্বাস কোরান, সুন্নাহ, সহীহ হাদিস, রাসুল (সাঃ) এবং সাহাবাদের জীবনকেন্দ্রীকে, অন্য কে কি বলেছে সেটা নিয়ে আপনি এত চিন্তিত কেন? থানভী (রাঃ) তার জাজমেন্ট ব্যবহার করে একটা কিছু বলেছেন, সেটা সেসময়ের প্রেক্ষিতে হয়ত সঠিকই ছিল। তাছাড়া তামাককে তো এখনও হানাফী মাজহাবে মেজরিটি স্কলার মাকরুহ বলেন, হারাম না। সমস্যাটা কোথায়?
০২ রা জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:১২
সুলতানা১২ বলেছেন: পূজার একটা সীমা আছে, আপনি থানবীর প্রতি অসীম পুজায় মশগুল হয়েছেন।
থানভীর নামের সাথে রা: লাগিয়েছেন কেন?
থানভীকে আপনারা মুজাদ্দিদে মিল্লাত বলেন কোন যুক্তিতে? যে কিনা মানুষকে মাদকতার ব্যবসা শিখিয়ে কিতাব রচনা করে।
মানুষকে শ্রদ্ধা করুন কিন্তু পুজা করবেন না।
১৭|
০২ রা জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:৩৬
বাধা মানিনা বলেছেন: এক ড্রাম বিশুদ্ধ খাবার পানির ভিতর এক বার মাত্র আমি প্রশ্রাব করে দেব। কেউ খাবেন??? যারা বলছেন খারাপ দিকটা না দেখে শুধু ভালো অংশটুকু নিতে, তাদের প্রতি রইল আমার ঐ প্রশ্রাব মিশ্রিত পানি খাওয়ার দাওয়াত...
জাষ্ট লোল....
যা ভাল..তার সব টুকুই ভাল। খারাপের অর্থ খারাপই। খকনোই ভালো বলা যাবে না।
০২ রা জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:১৩
সুলতানা১২ বলেছেন: থানভীর কিতাবের ক্ষেত্রে একই যুক্তি খাটে। নিজের বইয়ে নিজেই প্রশ্রাব(তামাক) মিশিয়েছে।
১৮|
৩০ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ২:৩৩
ছািব্বর বলেছেন: এদের আক্বিদা দেখুন
©somewhere in net ltd.
১|
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:৪৪
রিফাত হোসেন বলেছেন: ওভার লুক করেন। ভাল জিনিস দেখেন।
ভাল ও খারাপ নিয়ে মানুষ।