নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মেঘের আলোয়

সুমন্ত গুপ্ত

১৯০৪১৯৮৪

সুমন্ত গুপ্ত › বিস্তারিত পোস্টঃ

মেঘের আলোয় - সুমন্ত গুপ্ত

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১:০৭

মেঘের আলোয়..।.।.।।। সুমন্ত গুপ্ত
কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন
‘‘দেখা হয় নাই চক্ষু মেলয়া,
ঘর হতে দুই পা ফেলিয়া,
একটি ধানরে শীষরে উপর একটি শিশির বিন্দু..।।

সিলেট থেকে শিলং ঘুরতে আর দেখতে যাবার ক্ষেত্রে সম্ভবত কবগুরুরি এ কথাটি একবোরইে সত্যি । বাংলাদশে শুধু নয়, সিলেটে ও এমন লোকরে সংখ্যা হাতে গোনা মাত্র তিন ঘন্টার দুরুত্বরে পথ শিলং গেছেন।ছোট বেলায় জাফলং এ যখন ঘুরতে যেতাম তখন দেখতাম দুইটি পাহাড়রে মিলন ঘটিয়েছে একটি সুন্দর ব্রীজ। মা বাবা দেখিয়ে বলতেন সামনেই ভারত। মাঝে মাঝে খুব খারাপ লাগতো এতো সুন্দর একটি ব্রীজ তা কিনা ভারতে পড়লো। তখন মনে মনে ভাবতাম একদিন না একদিন আমি ওই ব্রীজে যাবই। আমি আর আমার ভ্রমণ সংগী আমার মা, গন্তব্য মেঘরে আলোয়-মঘলয়রে রাজধানী শিলং, শিলং বাংলাদশে ভারত সীমান্ত থেকে প্রায় ৬৫ কিলোমিটার উত্তরে, প্রায় ১৫০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। মেঘের মাঝে মাথাগুজে থাকা এই জনপদে বৃষ্টিপাত প্রচুর হয়।
আমরা শিলং যাবার পূবেই এক পরিচিত দাদার মারফত একজন লোকঠিক করে নিয়েছিলাম, দাদাই বললো রওয়ানা দিলে সকাল সকাল রওয়ানা দিতে, তাহলে ঐ দিনই কিছু স্পট ঘুরয়েি দেখাব। সেই কথা অনুযায়ী আমরা সকাল ৮টায় রওয়ানা দেই। প্রথমে বলে নেয়া ভালো, সিলেট তামাবলি রুটে জাফলং থেকে বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন পর্যন্ত রাস্তা খুব খারাপ। আমরা সকাল ৯টা ৩০ মিনিটের মধ্যে বাংলাদশ ইমিগ্রেশন অফিসে এসে ঢুকি এখানে আধঘন্টার মধ্যে ইমিগ্রেশনের কাজ শেষ করে নো ম্যান্স ল্যান্ড পার হয়ে আমরা ডাউকী সীমান্তে। ঐদিকে আমাদরে জন্য অপক্ষে করছিলেন বাপ্পি দা । প্রথমে পরিচয় হলো বাপ্পি দার সাথে , বাপ্পি দা ইমিগ্রেশনের সব ঝাক্কি ঝামলো শেষ করালেন। আর আমরা রওয়ানা দিলাম শিলং এর উদ্দশ্যেে পাহাড়ী রাস্তা, এক পাশে খাঁদ আর এক পাশে পাহাড়, মজার ব্যাপার হলো ভারত সীমান্ত ঢুকার পরেও প্রার্য় ৫ কিলোমিটার পযন্ত বাংলাদেশের মোবাইল নেটওয়াক পাওয়া যায়। প্রায় ২০ মিনিট পর দেখা মিললো সেই ব্রীজ যেই ব্রীজটি ছোট বেলার্ থেকেই খুব আকষন করতো আমাকে। ব্রীজটি আবার ওয়ান ওয়ে, ছবি তুলতে গেলাম বাপ্পি দা নিষেধ করলনে এরপরেও ছবি তোলার চেষ্টা করলার্ম। পথে পথে ঝর্ণার শাো শাো শব্দ মনটা ভরে যায়।
প্রথমে বেশ কিছুক্ষণ বাংলাদশে দেখা যায়। র্পাহাড়ি পথ আর ঝণা মাঝে দিয়া আমরা এগিয়ে চলছি সমুদ্র পৃষ্ট থেকে তিনহাজার ফুট উপর দিয়ে। কেবল খাড়া নয়, রাস্তা ২০/৩০ হাত পর পর ভয়ানক মোড়। ট্যাক্সি থেকে বাইরে তাকালেই মনকাড়া পাইন গাছরে সারি। গাড়ি থেকে নিচে তাকালেই মন একেবারে ঠাণ্ডা হয়ে যায়। চোখ চলে যায় কয়েক হাজার ফুট নীচে। শহররে যত উপরে উঠছি ততই ঠান্ডা লাগছে। বিশাল বিশাল পাহাড় আর তার বুক চিরে রাস্তা। দুপাশে পাহাড়ী খাঁদ। এ খাঁদরে মাঝে আবার দুএক জায়গাতে দেখা যাচ্ছে পাহাড়ী নদী, সাপরে মত পাহাড়ও গা বঁয়েে নিচে নেমে যাচ্ছে।

গাড়িতে বাজছে পুরোনো হিন্দিগান আর বাইরে সবুজ পাহাড় ঝণা সব মিলিয়ে অসাধারণ পরিবেশ, কিছুক্ষণ পরইে আমরা হারিয়ে গেলাম মেঘরে রাজ্যে। পথে ছবি তোলার সুযোগ আর ছাড়লাম না। শিলং এ যাওয়ার রাস্তা অসাধারণ সুন্দর, আঁকা বাঁকা। প্রথমে মাথা ঘুরার পরে ঠিক হয়ে যাবে। ভারত সময় সকাল ১২টার মধ্যে আমরা পুলিশ বাজারে পৌঁছে যাই। পৌঁছে হোটেলের খোজ শুরু কর। পুলিশ বাজারে মোটামুটি সব হোটেলই আছে, তাই ঘুরে ঘুরে খুঁজে নিলাম পছন্দরে হোটেল।হোটেলেে গিয়ে ফ্রেস হয়ইে আমরা বেরিয়ে পড়লাম ঘুরতে প্রথমে গেলাম Haydara Park এ এটি আসাম এর গভনরাররে স্ত্রী Lady Haydari এর নামে নামকরন করা হয়েছে ।এখানে একটি মিনি চিড়িয়াখানা আছে। এরপর গেলাম চাচ এ। আসাধারণ শিল্প নিপুণ ভেতরে ও বাইরে এটিই এশিয়ার সর্ব বৃহৎ চার্চ । চার্চ ভেতরে বসে Preyer করবার অনুভুতটাইি অসাধারণ। ভেতরে ছবি তোলা নিষেধ,এরপর গেলাম Wards Laks এ চারপাশে বাগান দিয়ে ঘেড়া কৃত্রিম লেক। লেকে ফুটে আছে অসংখ্যা শাপলা ফুল ঘুরে বেড়াচ্ছে রাজহাঁসরে দল দেখলে মন ভরে যায়। লেকেে বোট এ ঘুরার ব্যবস্থা ও আছে,আমরা ভেবেছিলাম বোট এ ঘুরতে কিন্তু আরও অন্তুত দুটো স্পট ঘুরে দেখার কথা তাই আর বোট এ ঘুরা হলো না। এরপর গেলাম শিলং Golf Course এ। যা ৫২০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থতি এবং এতে ২২টি হোল আছে । সবুজে ঘেড়া মাঠ দেখলে মনে হয় ঘাসরে উপর বসে দিনপারি করে দেই কিন্তু এখনো আমা্দের আরো একটি স্পট এ যেতে হবে তা হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যেখানে বসে তার শেষের কবিতা লেখেন সেই বাড়ীতে ১৯১৯ সালে অক্টোবর মাসে কবি আসেন। বাড়ীটি আবার মেঘালয় গভরমেন্ট এর ব্যবস্থাপনায়। প্রথমে ঢুকতেই রবীন্দ্রনাথরে বিশাল প্রতিকৃতি স্বাগত জানায়। কিন্তু বিধিবাম যেতে যেতে রবীনদ্রনাথ আট গ্যােলারিটি বন্ধ হয়ে গেছে অগত্য আমরা বাইরে কিছু ছবি তুলে ফিরে এলাম হোটেলে । হোটেলে এসে ধরা পড়লো পেটে খুদা পেয়েছে ঘুরার আনন্দে ক্ষদা উধাও হয়ে গেছে । পরে হোটেলেে রুম এ খাবার শেষ করে হোটেল রুম থেকে রাস্তার দিকে তাকিয়ে বসেছিলাম। মজার ব্যপার হলো যে শিলং এ রাস্তায় কোন রিকসা নেই। টাটা সুমোই একমাত্র ভরসা। এরপর দু ঘন্টার মতো বিশ্রাম নিয়ে আবার রাত সাতটার দিকে বেড়িয়ে পরলাম শহরে ঘুরতে। এখানে শহর বলতে পুলিশ বাজার এরিয়াটাই, ছোট বড় শপিং মল এ ঘুরে বেড়ালাম। কিন্তু কাপড় চোপড় দাম একটু বেশি, রাত আটটার মধ্যইে সব দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। এরপর আমরা বাঙ্গালি হোটেল সুরুচি খুজে বের করি। সুরুচি ছোট্ট হোটেল কিন্তু মানুষের দীঘে লাইন। আমরা লাইন দিয়ে বসে বাঙ্গালী খাবার চানার ডাল, বেগুন ভাজা, লাবরা আর খাসির মাংশ খেলাম। এরপর আবার হোটলেে এসইে শুয়ে পড়লাম। কারন বিভিন্ন স্পট দেখতে যেয়ে অনেকে ক্লান্তির কারনে চোখে ঘুম ছিলো। এক ঘুমে ভোর ছয়টায় উঠি র্যদিও ঘড়িতে এলাম দেয়া ছিলো। তা না হলে ওঠা সম্ভব হতো না। সকাল হতইে বাপ্পি দা এসে হাজির গন্তব্য চেরাপুঞ্জ। এখানে আকাশ সব সময় মেঘাচ্ছন্ন। কখনো ঝিরি ঝিরি বৃষ্টি কখন রোদ । যেকোন সময় বৃষ্টি হয়। ১৯৪৭ সালে এখানে ২৪৫৫.৩ মি.মি বৃষ্টি হয় যা কোন এলাকার্তে এক বছর সবোধকি বৃষ্টপাত ১৯৫৫ সালে ১৬ই জুন এখানে ২৪ ঘন্টা ১৫৬৩ মি.মি বৃষ্টি হয়েছিল। চেরাপুঞ্জরি যাবার রাস্তাটা অসাধারণ। আঁকা বাঁকা রাস্তা কোথায় মেঘে ঢাকা কোথাও আলো। আমরা চেরাপুঞ্জতে প্রবশে দ্বারে এসে পোছলাম। এখানে প্রথমে আমরা ব্রীজ থেকে মেঘের ভেলা দেখলাম। অসাধারণ মেঘ যেন আমাদরে ছুঁয়ে যাচ্ছিল। এরপর গেলাম মাও ট্রপ ভিউ পয়েন্টে এ। পথে আমরা সকালরে নাস্তা করে নিলাম। অরঞ্জে রেষ্টুরন্টে এ। এ রেষ্টুরন্টের বইসিস্থ হলো এখানে ১৫০/- রুপি দিয়ে ৬টি আইটমে সাথে পাপড়, রুটি, ভাত যেকোন কিছু যতো খুশি ততো খেতে পারবেন। আর পরিবেশন পদ্ধতিও বেশ চমৎকার। এরপরে বাপ্পি দা বললো তাড়াতাড়ি যেতে হবে সেভেন সিস্টারস ফল দেখতে হলে কারন এ ফল প্রায় সময় এ মেঘে ঢাকা থাকে কপাল ভালো থাকলে দেখা মেলে। আমরা এলাম সেই কাঙ্খতি সেভনে সিস্টার ফল এ। অসাধারণ দৃশ্য যেনো কেউ তুলির পরশ দিয়া একে গেছে, বাপ্পি দা কে জিজ্ঞেস করলাম একে সেভেন সিষ্টার ফলস্ কেন বলা হয় দাদা বললনে প্রচলতি আছে যে ৭টি রাজ্য নিয়ে এই মেঘালয় আর প্রদশে প্রতিটিতেই নারী প্রধান তাই একে সেভেন সিষ্টার ফলস বলে।এরর্পর গেলাম ইকো পাক এ এখান থেকেই সেভেন সিষ্টার ফলস এ পানি বেয়ে নামে। এরপর আমরা গেলাম মাওসমাই গুহায়। ছোট একটি গুহা। ভেতরে সুড়াঙ্ঘরে র্মতো রাস্তা। এখানে পযটকদের চলাচলরে জন্য আলাদা ব্যবস্থা করা আছে। গুহাটা অসাধারণ এবং কিছুটা ভয়ঙ্কর। ভেজা, কাঁদা মাখা পথ কিছু জায়গায় গুহাটির এত সরু যে আমাদরে প্রায় হামাগুড়ি দিয়ে পারি হতে হয়েছিল। তবে গুহাটিতে বয়স্ক মানুষ নিয়ে না ঢুকাই ভালো। এরপর গেলাম রামকৃষ্ণ মিশন চেরাপুঞ্জিতে। যা ১৯১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এখানে আদিবাসীর হাতে তৈরি জিনিষ বিক্রিি হয়। সাথে আছে মিউজিয়াম, আদিবাসিদের ঐতিহ্যর্ বেশ কিছু নিদশন আছে মিউজিয়ামটিতে। আর মিশনে পরিবেশ ও বেশ নিরিবিলি। এখানে ২২০০ ছাত্র পড়াশোনা করে আদিবাসী ও বাঙ্গালি মিলে। এর পররে গন্তব্য Mawtro Trop এখানে বিশাল দৈতা কার একটি পাথররে দেখা মেলে যা খাশিয়াদের উল্টানো চোঙ্গাকৃতির ঝুড়ির মত। প্রচলিত লোক কাহিনী মতে পাথররে ঝুড়িটি একটি অশুভ দত্যরৈে যে নাকি মানুষরে ক্ষতি সাধন করে বেড়াত, দত্যিটির হাত থেকে মুক্তি পাবার জন্য মানুষ তাকে ধারালো লোহা এবং পেরেক মিশ্রিত খাবার খেতে দিয়েছিলো এতে করে দত্যটরিৈ মৃত্যু ঘটে।ে দত্যটি যে ঝুড়ি ফেলে গিয়েছিলো সেটি ২০০ ফুট উচু পাথরে পরিনিত হয়। চেরাপুঞ্জতেি ঘুরে বেড়ানোর সুবিধা হলো সব ঝরনা গাড়িতে বসে ঘুরে দেখা যায়। পাহাড়ে ট্র্যাকিং করে যাওয়ার দরকার হয় না। আমরা কিছু সময় বিরতি দিয়া আবার রওনা দিলাম শিলং এর পথে। পথে আরো বেশ কয়েকটা ঝরনা দেখলাম। শিলং ফিরতি ফিরতি দুপুর ১টা আরো ৪টি স্পট দেখতে হবে। প্রথমইে গেলাম Don-Bosco-Museume এ এখানে পুরো নথ ইষ্ট ইন্ডয়ারিসংস্কৃতির পুরো ধারনা পাওয়া যাবে।এই মিউজিয়াম টি ভালো ভাবে ঘুরে দেখতে হলে প্রায় দেড় থেকে দুই ঘন্টা সময় লেগে যায়। আমরা আধ ঘন্টার মধ্যে দেখা শেষ করে পরবতীে গন্তব্যরে দিকে ছুটলাম। এরপর এলাম বড়াপানি লেক এ, বিশাল লেক। এখানো স্পিড বোট দিয়ে ঘুরে বেড়ানোর ব্যবস্থা আছে, তাই আর লোভ সামলাতে পারলাম না। কারন এর আগে Words lake এ বোট এ উঠতে পারিনি সময়রে অভাব। এরপর গেলাম Elephant falls র্এ খাসিয়ারা এই ঝণাটিকে তিন ধাপের ঝণো বলত। পরবতীতে ব্রিটশরা এর নাম দেয় ‘Elephant falls ’ কারন ঝণাটির বাম পাশে হাতির মত একটি পাথর ছিল, ১৯৮৬ সালরে ভুমকম্পিে পাথরটি ধ্বংস হয়ে যায়। Elephant falls এ একদম নিচে নামা যায় তবে ভেজাও স্বেত শ্বেতা বাচ্চা ও বয়স্কদরে নিয়ে নিচে না নামাই ভালো। আমার শেষ গন্তব্য হল শিলং পিক মেঘালয় এর সব থেকে উচু স্থান। সমুদ্র পৃষ্ট থেকে ১৯৬৫ মিটার উচুতে অবস্থিত এখানে Watch Tower এ উঠেপুরো মেঘালয় দেখা যায়। ৬০ রুপরি বিনিময়ে খাসিয়া রাজা রানীর পোশাক পরে ছবি তোলারও ব্যবস্থা আছে এখানে তবে বলে রাখা ভালো। Shillong Peak India Air Force এর সংরক্ষতি যায়গা এখানে ঢুকতে হলে অবেশ্যই পাসপোট সাথে নিয়ে যেতে হবে এবং তা জমা দিয়ে ভেতরে ঢুকতে হবে এবং বের হবার সময় নিয়ে বের হতে হবে।
Elephant falls দেখে ফিরতে ফিরতে প্রায় সন্ধ্যা। হোটেল এর রুম এ এসেই কিছু সময় বিশ্রাম নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম শহর ঘুরত। শিলং অসম্ভব সাজানো গোছানো সুন্দর একটি ছোট শহর। শহরে দেখা মেলেে সুন্দর সব একতলা, দোতলা বাড়ী, রাস্তাঘাট বেশ ভালো, ঘুরে বেড়াতে বেশ মজা, সবচয়েে অদ্ভূত ব্যাপার যা চােখে পড়ল প্রায় সব বাড়ীর সামনেই ফুল গাছরে ঝাড়। ঘর যত ছাোট হোক না কেন ফুলরে স্রিগ্ধ ছাোয়া তাতে থাকবই। পুলিশ বাজার খুজে পেলাম মিষ্টির দোকান। বিভিন্ন ধরনরে নাম না জানা মিষ্টিি দেখলই জিব্বে জল আসে পরে ৪ রকমরে মষ্টিি খেলাম। এক অন্য রকম স্বাদ মিষ্টি গুলোতে। বাসার জন্য কিছু শুকনো মিষ্টি নিয়ে নিলাম। রাত ৯টারও বেশি বেজে গেল হোটেলেে পৌছাতে । রাতরে বেলা পাহাড়ের উপর বাতি জ্বালানো শহরগুলোর রুপ অসাধারণ। পরদিন দেশের পথে ফিরতি যাত্রা তাও সকালে রওনা দিতে হবে। সকালে ফিরতি পথে আরও দুইটি স্পট দেখতে হবে। বাপ্পি দা বললো তাই সকালইে রওনা দিতে হবে।
সকাল ৮টায় হোটেল থেকে বিদায় নিয়ে Mawalynnong (The Cleanest village) দিকে রওনা দেই পথি মধ্যে মুষল ধারায় বৃষ্টি শুরু হলো এ দুই দিনে এতো বৃষ্টির মুখোমুখি হই না। Mawalynnong (The Cleanest village) গ্রামটি শিলং থেকে ৯০ কিলোমিটার দুরে অবস্থিত। এখান থেকে ডাউকি ৩৫ কিলোমিটার এর মত। Mawalynnong (The Cleanest village) এশিয়ার সব থেকে পরিস্কার গ্রাম হিসেবে পরিচিত। এই গ্রামরে প্রতিটি ঘর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন এবং বেশ গোছানো আর শিক্ষার হার শতভাগ। এরপর আমরা গেলাম Riwai Root Bridge or Living Root Bridge এ। একদিকে প্রচন্ড বৃষ্টি অন্য দিকে বনের ভিতরে ঝিঝিি পোকার ডাক এক মধুর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। গন্তব্যে কিছু অংশ সিড়ির পরেই পিছল রাস্তা তাও বেশ নিচে নামতে হয়। Riwai Root Bridge দেখতে হলে তাই বেশ সাবধানতার সাথেই নিচে নামলাম। বট গাছরে শিকড় দিয়ে দুই পাশরে সংযোগ স্থল তরীৈ হয়ছেে নিচে দিয়ে নদী বয়ে যাচ্ছে। এর পর আমরা গেলাম Balancing Rock দেখতে বিশাল বড় একটি পাথর প্রায় একটি বিন্দুর উপরে তার ভারসাম্য বজায় করে রেখেছে। Balancing Rock দেখে আমরা ডাউকরি দিকে যাওয়া শুরু করলাম। বেলা বাজে একটা, বাপ্পি দা বললো এখন এমন এক জায়গায় নিয়ে যাবো। যা তোমরা যতো গুলো ঝণা দেখেছোে তার মধ্য েসবচয়েে বড় ঝণা।
খুব সুন্দর রাস্তা সাথে বি.এস.এফ এর চকী অপর পাশে বাংলাদশ আর্মরা এলাম সেই ঝণার পাশে। বিশাল বড়ো ঝণা। তীব্র গতি তে পানি বেয়ে নামছ। একদিকে মুষল ধারায় বৃষ্টি দিচ্ছে ঐ বৃষ্টির মধ্যইে গাড়ি থেকে নেমে ঝণার পাশে গেলাম। অসম্ভব সুন্দর না দেখলে বিশ্বাস করা যাবে না। পথে আসর্তে বেশ কিছু ঝণার্ দেখা মিলল , সবশেষে দেখলাম ডাউকী থেকে জাফলংকে ঈদরে বন্ধ র্ছিলো তাই প্রচুর পযটক এসেছে জাফলং এ ঘুরত।
দেখতেে দেখতে আমর্রা পুঁছে গেলাম বডার এ। এবার দেশে ফেরার পালা, মনটা খুব খারাপ লাগছিলো শিলং এর পরিবেশ প্রাকৃতিকে ছেড়ে যেতে মন চাচ্ছলি না।
কখন যাবন
:শিলং এ যাওয়ার ভালো সময় জুন থেকে সেপ্টম্বরে এর মাঝা মাঝি সময়, কারন অক্টোবর মাস †থকে প্রচন্ডর্ ঠাণ্ডা থাকে আরে ঝণা গুলোর পানি ও কর্ম যোয়, তাই আদশ সময় হলো জুলাই আগস্ট মাস এ সময় র্বৃষ্ট থাকে তাই ঝণা গুলো অপরুপ রুপ ধারন করে।
পরবহনি ব্যবস্থা:
শ্যামলী বিআরটর্সি বাস সাভসি চালু করছে। বৃহস্পতিবার গিয়ে †সোমবার ফের। অথবা ভেঙ্গে যেতে চাইলে ঢাকা হতে সিলেট এরপর মাইক্রোবাস অথবা সিএনজি করে তামাবিল বডার সেখান থেকে জিপ/ টেক্সিি ভাড়া ২ হাজার ৫০০ রুপি থেকে ৩০০০ রুপ, শিলং থেকে চেড়াপুঞ্জুি জিপ/টেক্সিি ভাড়া ৩০০০ রুপি থেকে ৩৫০০ রুপি (সাইটসনি ভিজিট সহ)। এছাড়া লোকাল বাস আছে তবে সব জায়গা ঘুরে দেখতে হলে টেক্সি/ জিপ ভাড়া করে নেয়াই ভালো। শিলং শহর স্পট গুলো দেখতেে সারা দিন এর জন্য ২৫০০ রুপি থেকে ৩০০০ রুপি। শিলং এ কিছু জায়গা আছে দেখার সময় টিকেট করা লাগে। ক্যামরোর জন্য আলাদা করে ১০/২০ রুপি দতেি হয়।
থাকার ভাল জায়গা:
Hotel Serene, Phone No +৯১-০৩৬৪-২৫০১৭, +৯১-৯৭৭৪৫৩৯৫৮৩,
Baba Tourist Lodge, Phone No : +৯১-০৩৬৪-২২১১২৮৫, +৯১-০৩৬৪-২২২০৯১৭,
Hotel Center point , Phone No-+৯১-০৩৬৪-২২২৫২১০
Hotel Polotowar, Phone No- -+৯১-০৩৬৪-২ি২২২-৩৪১
ট্যাক্সরি জন্য
বাপ্পি : +৯১৯৮৬২২০৬৫৫২
আকাশ: +৯১৯৬১৫৯৮৩১৮৭
দোলন: +৯১৯৮০১৪১৯২৩৮৮
সুমন্ত গুপ্ত, ইমেইল ঃ; [email protected]

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.