নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

তাহের চৌধুরী সুমন

যুদ্ধ মানে সর্বদাই মানবতার পরাজয়, এটা ধর্মের ট্রেজেডি!

তাহের চৌধুরী সুমন

যুদ্ধ মানে সর্বদাই মানবতার পরাজয়, এটা ধর্মের ট্রেজেডি!

তাহের চৌধুরী সুমন › বিস্তারিত পোস্টঃ

ওথেলো সিনড্রম : ধিরে ধিরে আপনার অজান্তেই শেষ হয়ে যাবে সাজানো সংসার জীবন! (পর্বঃ ১)

২২ শে মে, ২০১৪ দুপুর ১:০৯

ওথেল সিনড্রম কী?



স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার অকারন সন্দেহই “ওথেল সিনড্রম” নামে পরিচিত। এই মানসিক সমস্যায় আক্রন্ত ব্যাক্তি ভ্রান্ত ধারনার বর্শর্বতী হয়ে সন্দেহ করে যে তার জীবনসঙ্গীর অন্য নারী বা পুরুষের সাথে শারিরিক সম্পর্ক রয়েছে।কিন্তু, এই ধারনার পক্ষে তাদের কাছে কোন যুক্তি বা প্রমাণ থাকে না।অনেকে এটাকে মতিভ্রম বলেও মনে করেন। কিংহ্যাম এবং গরডনের মতে, দাম্পত্যের বিশ্বাসভঙ্গজনিত সন্দেহের চূডান্ত রুপই হলো ওথেলো সিনড্রম। এই সমস্যায় রোগীর অজ্ঞাতেই তার মানসিক পরিবর্তন হতে থাকে এবং সে তার স্বামী/স্ত্রীর আচরনকে ভুল ভাবে ব্যাখা করতে শুরু করে। চূড়ান্ত পর্যায়ে এসে সে স্বামী/স্ত্রীর দ্বারা প্রতারিত হচ্ছে বলে মনে করে।



ওথেলো সিনড্রমঃ সত্যি ঘটনা ১



পাঠকদের বলছি, ওথেল সিনড্রম কোন ভ্রান্ত ধারনা নয়, এটি আমাদের জীবনে বিদ্যমান। আমার জীবনসঙ্গী প্রায় পনের বছর ধরে এই সমস্যায় আক্রন্ত এবং এটা ক্রমশই আরো খারাপের দিকে যাচ্ছে।সত্যিকার অর্থে, আমি সম্প্রতি সমস্যাটা বুঝতে পেরেছি। আমি এই কুৎসিত সন্দেহর সাথে বসবাস করে চলেছি কারন আমি জানতাম না কার কাছে সাহায্য চাইব। আমার কিঞ্ছত বিশ্বাস ছিল যে, এটা হয়ত আপনা আপনিই ভাল হয়ে যাবে। সত্যি বলতে, লোকলজ্জার ভয়ে আমি এই জঘন্য পরিবেশ থেকে বেরিয়ে আসতে পারিনি। এই সিনড্রম বা রোগে আক্রন্তদের ধারনা তাদের চিন্তা ভাবনায় কোনও অস্বাভাবিকতা নেই।জীবনের এতগুল বছর নষ্ট করার পরে আমি সিদ্ধান্ত নিলাম এই রোগ সম্পর্কে ভাল ভাবে জানার, আমার জীবনসঙ্গীকে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়ার। যদিও কোন পরির্বতনের আশা করতে পারছি না। তাই পাঠকদেরকে আমার পরামর্শ আমার মত সময় নষ্ট না করে এখনি কিছু করুন।



এই অকারন সন্দেহ স্বামী-স্ত্রী ও পরিবারের অন্যান্যদের জীবনে প্রচুর সমস্যার সৃষ্টি করে। আক্রান্ত ব্যাক্তি ধীরে ধীরে আক্রমনাত্মক হয়ে ওঠে। তাই রোগ সনাক্ত হওয়ার সাথে সাথে রোগীর চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।



ওথেলো সিনড্রমঃ সত্যি ঘটনা ২



সম্প্রতি আমি আমার প্রায় দশ মাসের প্রেমের সম্পর্কের ইতি টেনেছি। যখন তার সাথে আমার পরিচয় হয়েছিল, মনে হয়াছিল সে আমার স্বপ্নের পুরুষ। দেখতে খুবই আকর্ষণীয়। সে আমার থেকে ৮ বছেরের বড়। কিন্তু আমার জন্য ঠিকই ছিল কারন আমি এই রকম পুরুষদেরই পছন্দ করি। সে সময় আমার বিবাহ-বিচ্ছেদের প্রক্রিয়া চলছিল। আমি আমার স্বামীকে ছেড়ে নিজের বাসায় ওঠার আগ পর্যন্ত সে খুব স্বাভাবিকই ছিল।



কিন্থু তারপর থেকে সে সন্দেহ করতে শুরু করল যে আমার পরিচিত সব পুরুষের সাথেই আমার সম্পর্ক আছে। আস্তে আস্তে তার সন্দেহ আরো অস্বাভাবিক হতে শুরু করল। তার মনে হতে লাগল যে আমি আমার চাচাত ভাই এর সাথে শারিরিক সম্পর্কে লিপ্ত!



কিন্তু যখনি তার মনে হত যে এগুল তার ভ্রন্ত ধারনা তখনি সে ক্ষমা চাইত। বলতে গেলে অনেকটা পাগলের মত। এটা প্রায় নিয়মিতিই চলতে লাগল এবং ক্লান্তিকর হয়ে দাড়াল। আগে সে কোকেনে আসক্ত ছিল এবং ডাক্তারের পরামর্শ মতে এডিরল নিত। আমার মনে হয় এটাই তার সমস্যার মূল কারন। এটা আমার জন্য খুবই কষ্টের কারন আমি তাকে প্রচন্ড ভালবাসি। আমি স্বপ্নেও তাকে প্রতারনা করার কথা ভাবতে পারি না। সত্যি বলতে, এখন পর্যন্ত তার জন্যই আমি সত্যিকারের ভালবাসা অনুভব করেছি। আমিই তার জন্য সবই করতে পারি যদি সে আমাকে বিশ্বাস করে।



এই রোগে আক্রান্ত ব্যাক্তিদের পরিবারের অন্য সদস্যদের সাহায্য অত্যন্ত প্রয়োজন। পরিবারের অন্য সদস্যদের উচিত তাদের ভ্রান্ত ধারনাকে দূর করার চেষ্টা করা এবং চিকিৎসা নিতে উৎসাহিত করা। এই ধরনের রোগীদেরকে তাদের জীবনসঙ্গীর বিরুদ্ধে উসকানিমূলক কিছু বলা উচিত নয়। এই ধরনের পদক্ষেপ স্বামী-স্ত্রীকে আরও দূরে সরিয়ে দেয়, এমনকি তাদের বৈবাহিক জীবনে ভাঙণ সৃষ্টি করে। বিষয়টা একটি সময় ডিভোর্স পর্যন্ত গড়াতে পারে।



ওথেলো সিনড্রমঃ সত্যি ঘটনা ৩



আমার বাবা প্রায় ৮ বছরের ও বেশী সময় ধরে ওথেল সিনড্রম বা ভ্রন্ত সন্দেহ রোগে আক্রান্ত। প্রথম প্রথম আমরা বুঝতেই পারিনি যে কী হচ্ছে। এটা ছিল অনেকটা সিনেমার মত। তিনি আমার মাকে সন্দেহ করতে শুরু করলেন, টাকা-পয়সা নষ্ট করতে লাগলেন, বাথটাব, বিছানার চাদর, ঘরের দেয়ালে বীর্য দেখতে লাগলেন এবং ক্যালেন্ডারে দিনগুল দাগ দিয়ে রাখতে লাগলেন।



বিভিন্ন জনকে টাকা দিতে লাগলেন আমার মায়ের সাথে বিভিন্ন পুরুষের, বিশেষ করে বাবা যাদেরকে সন্দেহ করতেন, ছবি সংগ্রহের জন্য। তিনি তার ভ্রন্ত ধারনাকে সত্য প্রমানের জন্য সাধ্যমত সবই করলেন। বাগানে পায়ের চিহ্ন, ভাঙা ঘাস ইত্যাদি দেখে তার মনে হত মায়ের প্রেমিক প্রবররা মায়ের সাথে প্রেম করতে এসেছিল। ভয়ংকর এবং বিভৎস।



তাকে জোর করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়াছিল এবং সেখেনে তাকে সাপ্তাহে একটা করে ইনজেকশন দেওয়া হল। কিন্তু ঔষধটি তাকে অনেকটা যান্ত্রিক করে ফেলল। আমনকি তিনি তার স্বভাবিক কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেললেন। এটা খুবই হতাশার এবং কষ্টের ছিল। এই সমস্যায় আক্রন্ত ব্যাক্তি নিজের ভ্রান্তিকে বুঝতে পারেনা ফলে এর থেকে বেরিয়ে আসার ও চেষ্টা করে না। এর কোনও যৌক্তিকতা আছে কিনা তা ও ভেবে দেখেনা। এই সমস্যা নিই তাদের সাথে আলোচনা করাও বৃথা।



এটা শুধুই তাদের ভ্রন্ত ধরনাকেই বাড়তে সাহায্য করে এবং তারা ধীরে ধীরে বৃত্তবন্দী হয়ে পড়ে। আমার অভিজ্ঞতায় মনে হয় এটা অনেকটা অর্টিজম বা ডেমেনশিয়ার মত যা তাকে মানসিক রগী করে তোলে। হিংসা মানুষের স্বভাবিক ধর্ম যা তাকে তার নিজের অধিকার রক্ষায় উৎসাহী করে। কিন্তু এই ধর্মকে সে যখন অতি মাত্রায় চর্চা করতে শুরু করে, সে অন্যের সামাজিক অধিকার হরন করতে শুরু করে এবং ধীরে ধীরে সন্দেহ প্রবন হয়ে ওঠে।



বৃত্তে বন্দী থেকে থেকে তারা তাদেরকে আরও মানসিক ভাবে অসুস্থ করে তোলে। রোগের লক্ষণগুলোকে লুকাতে গিয়ে তারা বাস্তবতাকে অস্বীকার করে এমন পরিস্থির সৃষ্টি করতে চায় যা দিয়ে নিজেকে সত্য বলে প্রমান করতে পারে। এই রোগে আক্রান্ত ব্যাক্তকে এমন কোথাও নিয়ে যাওয়া দরকার যেখানে সে পরিপূর্ন বিশ্রাম নিতে পারবে, আনন্দে সময় কাটাতে পারবে, বই পড়তে পারবে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন হল তাকে তার বৃত্তে থেকে বের করার চেষ্টা না করা।



ডাক্তার বা ঔষধের চেয়ে পরিবারের সাহায্য তার সবচেয়ে বেশী দরকার। তার মানে এই নয় যে ঔষধের প্রয়োজণীয়তা নেই। শুরুতে আমার বাবা কে ও ঔষধ দেওয়া হয়েছিল যেগুলো পরে দুই বার পরিবরর্তন করা হয়। তিনি তার প্রত্যহিক খাবার পরিবরর্তনের পাশাপাশি ক্রিলের তেল ও ভিটামিন বি১২ খেয়েছিলেন। মদ ও ভাজা পোড়া খাবার না খাওয়া এবং নিয়মিত ব্যায়াম করা অত্যাত্ন জরুরী। দুশ্চিন্তা সমস্যাকে আরো বাড়িয়ে তোলে। আমার বাবা খুবই সৌভাগ্যবান যে তিনি সর্বোচ্চ পারিবারিক সমর্থন পেয়েছেন, আমার মা খুবই শক্ত মহিলা এবং তিনি ভাল করেই জানেন কি ঘটতে চলেছে। যে সমস্ত মহিলারা এই ধরনের ভয়ংকর এবং বিভৎস পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন তাদের জন্য রইল আমার হৃদেয়র সমস্ত ভালবাসা।



আরও বেশ কিছু লেখা আসছে ওথেল সিনড্রম নিয়ে। যেমন রোগের কারনসমূহ, রোগের বিভিন্ন পর্যায়, রোগের ক্ষতিকর প্রভাব ইত্যাদি। বন্ধুরা আশা করবো সোশ্যাল মিডিয়াতে লেখাটি শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিবেন এই রোগের ভয়াবহতা সম্পর্কে। ধন্যবাদ।



আরও কিছু রিসোর্স এড করলাম, দেখুন



Click This Link

Click This Link

Click This Link





লেখার মূল সোর্স এখানে

মন্তব্য ২৬ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে মে, ২০১৪ দুপুর ১:২২

আজীব ০০৭ বলেছেন: শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ.......।

২২ শে মে, ২০১৪ দুপুর ১:২৮

তাহের চৌধুরী সুমন বলেছেন: খুশি হব যদি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করার মাধ্যমে অন্যকেও জানার সুযোগ করে দেন, তবে হয়তো বেঁচে যাবে কারো তিলে তিলে গড়া স্বপ্নের সাজানো সংসার।


বাই দ্যা ওয়ে, ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

২| ২২ শে মে, ২০১৪ দুপুর ১:৫৬

মোঃ ইকরাম বলেছেন: অনেক কিছু জানলাম পোস্টটি পড়ে। পড়ের লেখাটার জন্য অপেক্ষাতে থাকলাম।

২২ শে মে, ২০১৪ দুপুর ২:০৭

তাহের চৌধুরী সুমন বলেছেন: ইকারম ভাই ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য। শেয়ার করে দিয়েন ভাই।

৩| ২২ শে মে, ২০১৪ দুপুর ২:৪৭

তোফায়েল খান বলেছেন: গুরুত্বপূর্ণ লেখাটার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ সুমন ভাইকে।
আপনাকে ধন্যবাদ জানানোর জন্য অনেকদিন পর সামুতে লগ-ইন দিলাম। :)

২২ শে মে, ২০১৪ দুপুর ২:৫৭

তাহের চৌধুরী সুমন বলেছেন: শুনে খুশি হলাম তোফায়েল ভাই। আপনাকেও ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

৪| ২২ শে মে, ২০১৪ দুপুর ২:৫৮

মোঃ তুহিন পারভেজ বলেছেন: অনেক ভাল লিখেছেন ভাইজান। আমি ডাক্তার না তবে আমার মত হলঃ এই রোগ সাংসারীক বা পারিবারিক জিবনের পাশা-পাশী ভাল বন্ধু কিংবা ব্যবসায়ীক পার্টানার দের সম্পর্কের ভিতরেও ফাটল ধরিয়ে দেয়।

আমি এই রোগের চিকিতসা সম্পর্কে ভাল কিছুই জানি না, তবে এ থেকে মুক্তির জন্য আমার বিজনেস পার্টানারদের সাথে সপ্তাহে একদিন (শুক্রবার) মিটিং করে থাকি। এবং সেখানে আমাদের সকলের দোষ গুন নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করি।

আমার ধারনা, খোলামেলা আলোচনাই এ সন্দেহ থেকে মুক্তি দিতে পারে। তবে লজ্জা বা সঙ্কচের কারনে কিছু না কিছু থেকেই যায়, সে গুলো একটু অন্যভাবে ম্যানেজ করি।

** আপনাকে আবারও বিশেষ ধন্যবাদ এই ধরনের একটি গুরুত্তপুর্ন বিষয় আমাদের সামনে উপস্থাপনের জন্য। আল্লাহ আমাদের সকলকে সহায়তা করুন :)

২২ শে মে, ২০১৪ বিকাল ৩:২৪

তাহের চৌধুরী সুমন বলেছেন: হ্যা, তুহিন ভাই আপনার ধারণা সঠিক। এমনটা হয়, তবে পার্টনারশিপ বিজনেস ছাড়া অন্যান্য বিজনেসের ক্ষেত্রে খুব একটা চোখে পড়ে না। তবে এটা হতে পারে, হয়। ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

৫| ২২ শে মে, ২০১৪ বিকাল ৩:০৫

আম্মানসুরা বলেছেন: ভয়ানক রোগ

২২ শে মে, ২০১৪ বিকাল ৩:২৫

তাহের চৌধুরী সুমন বলেছেন: অবশ্যই। ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

৬| ২২ শে মে, ২০১৪ বিকাল ৪:৫৫

লিপইষ্টিক বলেছেন: াই, সম্ভব হলে হাইপার টেনশন সম্পর্কে কিছু লিখবেন।

২২ শে মে, ২০১৪ বিকাল ৫:০৮

তাহের চৌধুরী সুমন বলেছেন: ধন্যবাদ। আমি চেষ্টা করবো হাইপার টেনশন নিয়ে কিছু লিখতে।

৭| ২২ শে মে, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:৪৬

বঙ্গভূমির রঙ্গমেলায় বলেছেন: গুরুত্বপূর্ন একটি বিষয় নিয়া লিখছেন।

আমাদের সমাজের দম্পতিদের মধ্যে কম-বেশি সবাই এতে ভোগেন।

পোস্টটি আরও সমৃদ্ধ করা যেত। আর বিস্তারিত দিবেন আশা করি।

ধন্যবাদ।

২৩ শে মে, ২০১৪ রাত ১২:০১

তাহের চৌধুরী সুমন বলেছেন: ধন্যবাদ বঙ্গভূমির রঙ্গমেলায় ভাই। হ্যা লিখাটি সমৃদ্ধ করা যেত, আমার ইচ্ছাও ছিলো তাই কিন্তু অতিরিক্ত বড় হয়ে যাবে, যা অনেকে পড়তে পড়তে বিরক্ত হতে পারে পাশাপাশি এপাশ থেকে আসতে আসতে ওপাশের খেই হারিয়ে ফেলতে পারে ভেবেই পর্ব আকারে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আশা করছি খুব শীঘ্রই পরের পার্টটা আপনাদের দিতে পারবো।

আবারো ধন্যবাদ।

৮| ২২ শে মে, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৫৫

আ আ খান বলেছেন: তথ্যমূলক পোস্ট।

২৩ শে মে, ২০১৪ রাত ১২:০১

তাহের চৌধুরী সুমন বলেছেন: ধন্যবাদ খান সাহেব :)

৯| ২২ শে মে, ২০১৪ রাত ৯:০৮

তাসজিদ বলেছেন: সামান্য সন্দেহই সংসারে অশান্তি আনে। আর এ রোগ ত পৃথিবীকে নরকে পরিনত করবে।

২৩ শে মে, ২০১৪ রাত ১২:০৩

তাহের চৌধুরী সুমন বলেছেন: সত্যি ই তাই তাসজিদ ভাই। ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

১০| ২২ শে মে, ২০১৪ রাত ৯:১৯

একজন ঘূণপোকা বলেছেন:
কামের জিনিস

২৩ শে মে, ২০১৪ রাত ১২:০২

তাহের চৌধুরী সুমন বলেছেন: ধন্যবাদ ঘূণপোকা ভাই।

১১| ২২ শে মে, ২০১৪ রাত ১১:১৪

সুমন কর বলেছেন: শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। আপনি যে সাইটটির লিংক দিয়েছেন, সেটি কার বা কাদের?

২৩ শে মে, ২০১৪ রাত ১২:০৪

তাহের চৌধুরী সুমন বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য। সাইটটি বড় ভাইয়ের।

১২| ২৩ শে মে, ২০১৪ রাত ১:২৭

নিশাচর নাইম বলেছেন: অনেক দরকারী একটা জিনিষ তবে আমার মনে স্বামীরা স্ত্রীদের কাছে কিংবা স্ত্রীরা স্বামীদের কাছে সব কথা শেয়ার করলে এই সিনড্রোম এ অনেকে পড়ে না।

২৩ শে মে, ২০১৪ রাত ২:১৪

তাহের চৌধুরী সুমন বলেছেন: সেটা ঠিক আছে ভাই, তবে সন্দেহ এমন জিনিস অনেক সময় অনেক কথা শেয়ার করাতেও সন্দেহের উদয় হতে পারে। বাস্তবিক জীবনে কয়েকটা কেস দেখেছি তাই বললাম।


বাই দ্যা ওয়ে, ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

১৩| ২৩ শে মে, ২০১৪ রাত ৩:১৯

রিয়াদ( শেষ রাতের আঁধার ) বলেছেন: দারুণ তথ্য মূলক পোস্ট। আপনাকে ধন্যবাদ বিষয়টা নিয়ে লেখার জন্য।

এসব আমাদের চারপাশে হরহামেশাই ঘটছে। মানসিক সমস্যা গুলো সম্পর্কে আমার প্রবল আগ্রহ আছে। তাই এই পোস্ট গুলো অনেক মনোযোগ সহকারে পড়া হয়।

আপনার পোস্ট পড়লাম। লিঙ্ক গুলো পড়লাম। আরও কিছু পড়াশুনা করে, এই বিষয়ের উপর একটি গল্প লেখার ইচ্ছা আছে।

আপনার সুন্দর পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।

এমন আরও ভাল কিছু পোস্টের অপেক্ষায় রইলাম। লেখাটি প্রিয়তে নিলাম। :)

+++++

২৩ শে মে, ২০১৪ সকাল ১১:৩২

তাহের চৌধুরী সুমন বলেছেন: জেনে খুশি হলাম আপনার লেখাটি ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ।

আপনার গল্পটার অপক্ষায় রইলাম।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.