| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সমাস
িলখবো
মোনয় মালাউন অর্থ অভিশপ্ত। এইটা ঠিক কোন ভাষার শব্দ আমার জানা নাই। হইতে পারে আরবী-ফর্সি শব্দ। যেহেতু এইটা ইমান্দার মুসলমানগো পেয়ারের শব্দ। ছাধারনত ইমান্দারেরা হিন্দুগোরে পেয়ার কৈরা এই নামে সম্বোধন করে। মালাউন অথবা মালাউনের বাইচ্চা। সংক্ষেপে মালু। আমার পরিচিত একজন আছে হোস্টেলে হিন্দু রুমমেটের লগে ঝগড়া হৈলে ফোনে আমার কাছে রাগ ঝাড়তে ঝাড়তে কৈবো, “ তোমরা মালুরা আসলেও খারাপ ...”। যাই হোক আমি এতে রাগ করি না। শব্দটা যে অবজ্ঞা সূচক এটা হের জানা নাই, আমারো শুনতে অখন আর খারাপ লাগে না, তাই তারে মানাও করি না। রাষ্ট্রধর্মের দেশে হিন্দু সহ সমস্ত অমুসলিমরাই রাষ্ট্রিয় ভাবে মালাউনই।
যাইহোক, কথা হৈতেছে মালাউন মানে অভিশপ্ত নিয়া। যদিও ইমান্দার মুসল্মানেরা প্রবল ইমানের উদারতায় হিন্দুগো মালাউন কয়, অবজ্ঞাসূচক এই শব্দটা হয়তো উদার ইস্লামের শিক্ষায় দীক্ষিত হৈইয়াই কয়, আমি কিন্তুক তাগো লগে এক্মত। যদিও আমার ইমান শূন্যের কোঠায়। কিন্তুক উচ্চবর্ণের গুটিকয় হিন্দু ছাড়া নিম্নবর্ণের সমস্ত হিন্দুপুরুষ এবঙ উচ্চ-নিম্ন সমস্ত হিন্দু নারীরা আসলে মালাউনই(অভিশপ্ত অর্থে)।এবার আসেন ক্যাম্নে? আসেন মনুসংহিতার কয়টা শোলক পড়ি।
(মনুসংহিতা হৈনে হিন্দুগো অত্যন্ত পোবিত্র গ্রন্থ; ভগবান ব্রহ্মা এই নির্দেশনা মনুরে কৈসিল; মনু অন্যান্য ঋষিগোরে কৈসিল)
স্বভাব এষ নারীণাং নরাণামিহ্ দূষণম্।
অতোহর্থান্ন প্রমাদ্যন্তি প্রমদাসু বিপশ্চিতঃ।। (২/২১৩)
বঙ্গানুবাদ: ইহলোকে (শৃঙ্গার চেষ্টার দ্বারা মোহিত করে) পুরুষদের দূষিত করাই নারীদের স্বভাব; এই কারণে পণ্ডিতেরা স্ত্রীলোকসম্বন্ধে কখনোই অনবধান হন না।
স্ত্রিয়ো রত্নান্যথো বিদ্যা ধর্মঃ শৌচং সুভাষিতম্।
বিবিধানি চ শিল্পানি সমাদেয়ানি সর্বতঃ।। (২/২৪০)
বঙ্গানুবাদ: স্ত্রী, রত্ন (মণি-মাণিক্য), বিদ্যা, ধর্ম, শৌচ, হিতবাক্য এবং বিবিধ শিল্পকার্য সকলের কাছ থেকে সকলেই গ্রহণ করতে পারে।
বালয়া বা যুবত্যা বা বৃদ্ধয়া বাপি যোষিতা।
ন স্বাতস্ত্র্যেণ কর্তব্যং কিঞ্চিৎ কার্যং গৃহেষবপি।। (৫/১৪৭)
বঙ্গানুবাদ: স্ত্রীলোক বালিকাই হোক, যুবতীই হোক কিংবা বৃদ্ধাই হোক, সে গৃহমধ্যে থেকে কোনও কাজই স্বামী প্রভৃতির অনুমতি ছাড়া করতে পারবে না।
বাল্যে পিতুর্বশে তিষ্ঠেৎ পানিগ্রাহস্য যৌবনে।
পুত্রাণাং ভর্তরি প্রেতে ন ভজেৎ স্ত্রী স্বতন্ত্রতাম্।। (৫/১৪৮)
বঙ্গানুবাদ: স্ত্রীলোক বাল্যাবস্থায় পিতার অধীনে থাকবে, যৌবনকালে পাণিগ্রহীতার অর্থাৎ স্বামীর অধীনে থাকবে এবং স্বামীর মৃত্যু হলে পুত্রদের অধীনে থাকবে। (পুত্র না থাকলে স্বামীর সপিণ্ড, স্বামীর সপিণ্ড না থাকলে পিতার সপিণ্ড এবং পিতার সপিণ্ড না থাকলে রাজার বশে থাকবে), কিন্তু কোনও অবস্থাতেই স্ত্রীলোক স্বাধীনতা লাভ করতে পারবে না।
বিশীলঃ কামবৃত্তো বা গুণৈ র্বা পরিবর্জিতঃ।
উপচর্যঃ স্ত্রিয়া সাধ্ব্যা সততং দেববৎ পতিঃ।। (৫/১৫৪)
বঙ্গানুবাদ: স্বামী বিশীল (অর্থাৎ জুয়াখেলা প্রভৃতিতে আসক্ত এবং সদাচারশূন্য), কামবৃত্ত (অর্থাৎ অন্য স্ত্রীতে অনুরক্ত) এবং শাস্ত্রাধ্যায়নাদি ও ধনদানাদি গুণবিহীন হলেও সাধ্বী স্ত্রীর কর্তব্য হল স্বামীকে দেবতার মতো সেবা করা।
নাস্তি স্ত্রীণাং ক্রিয়া মন্ত্রৈরিতি ধর্মে ব্যবস্থিতিঃ।
নিরিন্দ্রিয়া হ্যমন্ত্রাশ্চ স্ত্রিয়োহনৃতমিতি স্থিতিঃ।। (৯/১৮)
বঙ্গানুবাদ: স্ত্রীলোকদের মন্ত্রপাঠপূর্বক জাতকর্মাদি কোনও ক্রিয়া করার অধিকার নেইÑ এ-ই হলো ধর্মব্যবস্থা। অর্থাৎ স্মৃতি বা বেদাদি ধর্মশাস্ত্রে এবং কোনও মন্ত্রেও এদের অধিকার নেইÑ এজন্য এরা মিথ্যা বা অপদার্থ, Ñ এই হলো শাস্ত্রস্থিতি।
এবার আসেন শূদ্র অরথাত নিম্নবর্ণের হিদুগোর জইন্য কী বিধান
ন শূদ্রায় মতিং দদ্যান্নোচ্ছিষ্টং ন হবিকৃতম্।
ন চাস্যোপদিশেদ্ ধর্মং ন চাস্য ব্রতমাদিশেৎ।। (৪/৮০)
বঙ্গানুবাদ: শূদ্রকে কোন মন্ত্রণা-পরামর্শ দেবে না। শূদ্রকে উচ্ছিষ্ট দান করবে না। যজ্ঞের হবির জন্য যা ‘কৃত’ অর্থাৎ সঙ্কল্পিত এমন দ্রব্য শূদ্রকে দেবে না; শূদ্রকে কোনও ধর্মোপদেশ করবে না এবং কোনও ব্রত বা প্রায়শ্চিত্ত করতেও উপদেশ দেবে না।
শক্তেনাপি হি শূদ্রেণ ন কার্যো ধনসঞ্চয়ঃ।
শূদ্রো হি ধনমাসাদ্য ব্রাহ্মণানেব বাধতে।। (১০/১২৯)
বঙ্গানুবাদ: 'ধন অর্জনে সমর্থ হলেও শূদ্রকে কিছুতেই ধন সঞ্চয় করতে দেওয়া চলবে না, কেননা ধন সঞ্চয় করলে ব্রাহ্মণদের কষ্ট হয়৷ শাস্ত্রজ্ঞানহীন শূদ্র ধনমদে মত্ত হয়ে ব্রাহ্মণদের পরিচর্যা না করে অবমাননা করতে পারে৷'
শূদ্রাণাং মাসিকং কার্যং বপনং ন্যায়বর্তিনাম্।
বৈশ্যবচ্ছৌচকল্পশ্চ দ্বিজোচ্ছিষ্টঞ্চ ভোজনম্।। (৫/১৪০)
বঙ্গানুবাদ: ন্যায়চরণকারী শূদ্রগণ (অর্থাৎ সে সব শূদ্র ব্রাহ্মণ-শুশ্রƒষা পরায়ণ) মাসে মাসে কেশ বপন (অর্থাৎ কেশমুণ্ডন) করবে এবং জননশৌচে ও মরণাশৌচে বৈশ্যের মত অশৌচ পালনের পর শুদ্ধ হবে এবং ব্রাহ্মণের উচ্ছিষ্ট ভোজন করবে।
উচ্ছিষ্টমন্নং দাতব্যং জীর্ণানি বসনানি চ।
পুলাকাশ্চৈব ধান্যানাং জীর্ণাশ্চৈব পরিচ্ছদাঃ।। (১০/১২৫)
বঙ্গানুবাদ: ব্রাহ্মণ উচ্ছিষ্ট অন্ন, জীর্ণ-পরিত্যক্ত বস্ত্র, ধানের পুলাক অর্থাৎ আগড়া (অসার ধান) এবং জীর্ণ পুরাতন ‘পরিচ্ছদ’ অর্থাৎ শয্যা-আসন প্রভৃতি আশ্রিত শূদ্রকে দেবেন
সহাসনমভিপ্রেপ্সু রুৎকৃষ্টস্যাপকৃষ্টজঃ।
কট্যাং কৃতাঙ্কো নির্বাস্যঃ স্ফিচং বাহস্যাবকর্তয়েৎ।। (৮/২৮১)
বঙ্গানুবাদ: যদি কোন শূদ্রজাতীয় ব্যক্তি ব্রাহ্মণের সঙ্গে এই আসনে বসে তা হলে তার কোমরে ছেঁকা লাগিয়ে দাগ দিয়ে দেশ থেকে তাড়িয়ে দেবে কিংবা তার পাছা খানিকটা কেটে দেবে।
শূদ্রজন্ম যে প্রকৃত অর্থেই দাসজন্ম, এ বিষয়টা যাতে কারো কাছে অস্পষ্ট না থাকে সেজন্যে মনুশাস্ত্রে স্পষ্ট করে দেয়া হয়েছে-
শূদ্রং তু কারয়েদ্ দাস্যং ক্রীতমক্রীতমেব বা।
দাস্যায়ৈব হি সৃষ্টোহসৌ ব্রাহ্মণস্য স্বয়ম্ভুবা।। (৮/৪১৩)
বঙ্গানুবাদ: ক্রীত অর্থাৎ অন্নাদির দ্বারা প্রতিপালিত হোক্ বা অক্রীতই হোক্ শূদ্রের দ্বারা ব্রাহ্মণ দাসত্বের কাজ করিয়ে নেবেন। যেহেতু, বিধাতা শূদ্রকে ব্রাহ্মণের দাসত্বের জন্যই সৃষ্টি করেছেন।
আমি আর কিছু কমুনা। যা কৈসে তাগো ভগাবান ব্রহ্মা মনুরে দিয়াই কৈসে। ![]()
(মনুশ্লোকের জন্য রণদীপম বসু দার কাছে কৃতজ্ঞ)
৩০ শে জুন, ২০১১ বিকাল ৩:৩০
সমাস বলেছেন: সবডি একই গোয়ালের গরু ![]()
২|
৩০ শে জুন, ২০১১ বিকাল ৩:২৯
জোবায়েন সন্ধি বলেছেন:
বড়ই কঠিন শোলক!
৩০ শে জুন, ২০১১ বিকাল ৩:৩৬
সমাস বলেছেন: এইগুলাতো স্যম্পল... ব্রহ্মা মনুবাবুরে দিয়া বিধান দিতে আলসি করে নাই
:
সর্বং স্বং ব্রাহ্মণস্যেদং যৎ কিঞ্চিজ্জগতীগতম্।
শ্রৈষ্ঠ্যেনাভিজনেনেদং সর্বং বৈ ব্রাহ্মণোহর্হতি।। (১/১০০)
বঙ্গানুবাদ: জগতে যা কিছু ধনসম্পত্তি সে সমস্তই ব্রাহ্মণের নিজ ধনের তুল্য; অতএব সকল বর্ণের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বলে ব্রাহ্মণই সমুদয় সম্পত্তিরই প্রাপ্তির যোগ্য হয়েছেন।
৩|
৩০ শে জুন, ২০১১ বিকাল ৩:৪৫
জাহাঁপনা। বলেছেন: khaise amare.. E to dekhi asolei sonaton
৪|
৩০ শে জুন, ২০১১ বিকাল ৩:৪৫
চক্রব্যূহ বলেছেন: এরকম একটা লেখা আমার দেয়ার ইচ্ছা ছিল। দুই ইস্কনিয়ান বন্ধুর অত্যাচারে আমি জীবন যায় যায় অবস্থা।
আপনি আমার আগেই দিয়া দিলেন! দুঃখ পাইলাম
ধর্ম মানে যদি হয় সীমাহীন বৈষম্য , তাইলে নিকুচি করি ওই ধর্মের।
৩০ শে জুন, ২০১১ বিকাল ৪:০৪
সমাস বলেছেন:
হিন্দু ধর্ম হচ্ছে মানুষের বিরুদ্ধে সবচেয়ে সুপরিকল্পিত চত্রান্ত- হুমায়ুন আজাদ
৫|
৩০ শে জুন, ২০১১ বিকাল ৩:৪৫
জাহাঁপনা। বলেছেন: khaise amare.. E to dekhi asolei sonaton
৬|
৩০ শে জুন, ২০১১ বিকাল ৩:৫২
সাইফুল আকন্দ বলেছেন: ধর্মগুলার পুটু মারা ছাড়া আর কোন গতি নাই।
৭|
৩০ শে জুন, ২০১১ বিকাল ৩:৫২
পারভেজ আলম বলেছেন: বহু আগে ব্লগে একবার 'মালাউন' শব্দ বিরোধী একটা পোস্ট দিছিলাম। অনেকেই সহমত জানাইছিলেন। কিন্তু শব্দটার ব্যাবহার কমেনাই, বরং দিন দিন বারছে। কর্তৃপক্ষকেও এই শব্দটার বিরুদ্ধে অতটা কঠোর হতে দেখছিনা ইদানিং।
৩০ শে জুন, ২০১১ বিকাল ৪:০০
সমাস বলেছেন: যাগো খোদ তাগো ধর্মের ভগবান মালাউন(অভিশপ্ত) কৈরা রাখসে সেইখানে বিদ্রোহ হওযা উচিৎ সেই ধর্মের বিরুদ্ধে, ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ সেই ভগবানের বিরুদ্ধে---
যে আমারে চিরদিন রাখিল এই অপমানে অন্ধকারের
পুজিবো না, পুজিবো না, পুজিবো না সেই দেবতারে
-রবীন্দ্রনাথ
চাণ্ডলীকা গীতিনাট্য
৮|
৩০ শে জুন, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৪০
সূর্য বলেছেন: ধর্মের সৃষ্ট বৈষম্যবোধ এত গভীরে যে মানুষ তার থেকে আর বের হতে পারে না।
৩০ শে জুন, ২০১১ রাত ৮:১৪
সমাস বলেছেন: বের হওয়া সম্ভব। বিজ্ঞানমনস্কতা নির্মোহ যুক্তি চর্চা প্রয়োজন
৯|
০১ লা জুলাই, ২০১১ দুপুর ২:২৩
কামরুল হাসান শািহ বলেছেন: ভাই আমিতো আরও জানি তার মালা পরে তাই মালাউন।
আর তারা আমাদেরকে ডাকে তকিউন বা টকিউন, টুপি বা তকি পরি বলে।
তয় একটা কথা হাছা হিন্দুদের মাঝে জাত বিবাধ বেশী।
১০|
০১ লা জুলাই, ২০১১ দুপুর ২:৪৩
দু-পেয়ে গাধ বলেছেন: মনুসংহিতা কোনোকালে অলৌকিক ভাবে পাওয়া কিছু না। অবশ্য কোনো কিছুই অলৌকিক না। তবে এই কেতাবটা গুপ্ত যুগে সুমতি ভার্গব বলে এক বামুন পন্ডিত লিখেছিল। তারপর সেটা মনুর নামে চালিয়ে দিয়েছিল। গুপ্ত রাজারা বামুনদের সাপোর্টে ছিল বলে কাজটা সোজা হয়েছিল।
এই গ্রন্থের অনেক কিছুই সোজাসুজি হিন্দুদের আসমানি(?) কেতাব বেদের বিরুদ্ধে যায়। সেইটা যাতে কেউ ধরে ফেলতে না পারে সেজন্য এই কেতাবে নারী ও শুদ্রদের বেদ পড়া নিষেধ করা হয়েছে। এই বইটি হল দুনিয়ার সবচেয়ে খারাপ আইনের কেতাব। তবে এর সাথে মনুর কোনোকালে কোনো সম্পর্ক নাই। পুরোটাই চিটিং কেস।
০১ লা জুলাই, ২০১১ বিকাল ৪:৪৯
সমাস বলেছেন: কোনো কিছুই অলৌকিক না...
ঠিক তাই। ধর্ম হচ্ছে হিংস্রতা আর ধোঁয়াসার সমষ্টি। হিন্দু ধর্ম বর্বরতা চুড়ান্ত রূপ। এই মনুসংহিতার বিধান মতেই বর্তমানের সনাতনি হিন্দুরা চলে। পুরোপুরি না হলেও মোটামুটি। এবং এই সংহিতায়ই বলা আছে এটি বেদের নির্যাস। ব্রহ্মা মনুবাবুরে কৈসে। মনু ব্রহ্মার অন্যান্য মানসপুত্রগোরে কৈসে। পরে ভৃগুমনি ইহা লিপপিবদ্ধ করে।
গ্রন্থটি মনুর লগে সম্পর্ক আছে কিনা এটা খুব ইম্পর্টেন্ট নয়। আর বেদের সাথে সাংঘর্ষিকতা নিয়ে হিন্দুদের মাথা ব্যথা নাই। কারণ আপনি নিশ্চই জানেন হিন্দুরা আর বেদ মানে না। যদিও মুখে বলে......................................... (আর বেদ কী জিনিশ সেই প্রসঙ্গে আর নাই গেলাম)
১১|
০২ রা জুলাই, ২০১১ সকাল ৯:০২
দু-পেয়ে গাধ বলেছেন: হিন্দুরা বেদ মানে না বললে কমই বলা হয়। তারা বেদ পড়ে দেখত না। বৃটিশ আমলে রামমোহন রায় বেদের অনুবাদ করার আগে হিন্দুরা কেউ জানতই না যে বেদের নির্যাস বলে তারা যেটা ফলো করে সেটা আসলে কতটা চিটিং। বেদ জিনিসটা আজগুবি হলেও সেটা সেই সময়ের স্বাভাবিক সৃষ্টি। ভন্ডদের পরিকল্পনার অংশ নয়। সেই কারণেই অন্য শাস্ত্রের চেয়ে এটা এখনো অনেক ভাল। বাকিগুলো জেনেশুনে মিথ্যাচার।
হিন্দুদের একটা বিরাট সমস্যা হল তারা একই সাথে বেদ বিশ্বাস করে আবার তার সাথে একেবারেই মেলে না এমন জিনিসও বিশ্বাস করে। তবে এই ভন্ডামি সকলে করে না। এর জন্য দায়ী বামুন সম্প্রদায়। তারা নিজেদের শ্রেষ্ঠ বানানোর জন্য বহুত আজগুবি নিয়ম বানিয়েছে। কিন্তু বেদের বিরোধী কোনো শাস্ত্র কোনোভাবেই মানুষ মেনে নেবে না এটা তারা ভালই জানত। তাই তাদের চিটিং যাতে ধরা না পড়ে সেজন্য বেদ জিনিসটা তারা অন্যদের কিছুতেই পড়তে দিত না।
এমনকি বেদ রচনায় মহিলাদের সক্রিয় অংশ থাকার পরেও তারা নিয়ম করেছে মেয়েরা বেদ পড়তে পাবে না। মূল লক্ষ্য একটাই, যাতে কেউ তাদের বানানো শাস্ত্রগুলো বেদের বিরোধী বলে ধরতে না পারে।
১২|
০৫ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১:২৮
প্রচ্ছদ বলেছেন: দুপেয়ে বস, বেদ সময়ের স্বাভাবিক সৃষ্টি; কিন্তু মানুষের ভুল উপলব্ধি। বেদ যখন লিখিত হয় তখন তারা ছিলো অনুসন্ধিৎসু, কল্পণাপ্রবণ; তখনো আজকের হিন্দুধর্মটাই দানা বধেনি। বর্তমান হিন্দুধর্মের স্রষ্টা মনুরাই। বেদকে তারা ব্যবহার করেছে ধর্মটাকে ফর্ম করাতে।
১৩|
২২ শে জুলাই, ২০১১ রাত ১১:৩৪
নন্দিত নন্দন বলেছেন: কি আর বলবো... কিচ্ছুই বলার নাই...
১৪|
০৯ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৮:৫৮
পারভেজ আলম বলেছেন: পোস্টটা আগে একবার পড়ছিলাম। আজকে আবার পড়লাম। তারপরে কমেন্টগুলা পড়লাম। এবং পইড়া দারুন কিছু অনুভুতি হইল। যৌক্তিক ভাবে এইখানে দ্বিমত সহকারে বাহাস করার মতো জায়গা যদিও পাইতাছি কিছু কিন্তু ব্লগিয় হিউমার আর ক্রিয়েটিভিটির এইরকম আজিব সমন্বয় জীবনে কমই দেখছি আগে। আমার আগের কমেন্টটা এই পোস্টের স্পিরিটের সাথেই যায় নাই দেখতে পাইতাছি।
০৯ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৯:০৫
সমাস বলেছেন: আপনার আগের কমেন্টটা মিসফায়ার করে গেছে। যেই ধর্মের ঈশ্বরই বেশিরভাগ অনুসারীকে মালাউন (অভিশপ্ত) বানিয়ে রেখেছে, সেই ধর্মাবলম্বীদের অন্যরা মালাউন মনে করাটাই স্বাভাবিক!
১৫|
০৯ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৯:০০
পারভেজ আলম বলেছেন: ঐশি কিতাব গুলার কোনটা কোনটা সময়ের সাভাবিক সৃষ্টি আর কোনটা কোনটা শোষনের স্বার্থে প্রতারণা তা নিয়া একটা দুর্দান্ত আলোচনা হইতে পারে। ঐশি কিতাব লইয়া অনেক ক্যাচাল হইলেও ভালো আলোচনা খুব একটা হয় নাই ব্লগে।
©somewhere in net ltd.
১|
৩০ শে জুন, ২০১১ বিকাল ৩:২০
চক্রব্যূহ বলেছেন: কিন্তুক উচ্চবর্ণের গুটিকয় হিন্দু ছাড়া নিম্নবর্ণের সমস্ত হিন্দুপুরুষ এবঙ উচ্চ-নিম্ন সমস্ত হিন্দু নারীরা আসলে মালাউনই(অভিশপ্ত অর্থে)
:!> :!>
তা হাছাই কইছেন। চলেন কয়েকটা মনুসংহিতা পোড়াইয়া মনের ঝাল মিডাই! তারপর ইস্কন গিয়া হরি হরি করি।