নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানুষের জীবন প্রতিদিন তার বেঁচে থাকার লাইসেন্স নবায়ন করে ।প্রকৃতি এটা নিয়ন্ত্রন করে,যেদিন নবায়ন হবেনা,সেদিন মৃত্যু অনিবার্য ।

স্বপ্নের শঙ্খচিল

আমার মনের মাঝে শঙ্খচিল ডানা মেলে প্রতিদিন,ভুলতে পারিনি সেই অভিমান আবার ফিরে আসা তোমার কাছে !

স্বপ্নের শঙ্খচিল › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিক্রির জন্য নয় : সবুজভূমিতে রক্তপাত চাইনা !!!

২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৭


মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে ইলাস্ট্রেটেড একটি ছবি পোস্ট করেছেন যেখানে, গ্রিনল্যান্ডে আমেরিকান পতাকা লাগানোর চিত্র দেখানো হয়েছে। ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করা ট্রাম্পের ছবিতে উপস্থাপনা বোর্ডটি এমনভাবে পরিবর্তন করা হয়েছে যাতে উত্তর আমেরিকা, কানাডা এবং গ্রিনল্যান্ডকে একটি মার্কিন পতাকা দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে।


.............................বিক্রির জন্য নয় : সবুজভূমিতে রক্তপাত করোনা !!!....................................................


এই স্থানটি একসময় সবুজ ভূমি ছিল ।অতীতে বিভিন্ন ধরণের বসতি স্থাপনের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে,
২০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের দিকে ইনুইট লোকেরা বসবাস শুরু করে, পরে দশম শতাব্দীতে ভাইকিং অভিযাত্রীরা বসবাস করত।
ইনুইট এবং ভাইকিংরা প্রায় ৫০০ বছর ধরে একসাথে বসবাস করেছিল,


আদিবাসী এক্সিমোর ছবি ।


১৮৭৪ সালের মুদ্রার একটি চিত্র।

নুউক, গ্রিনল্যান্ড (ASTER)



নুউক (অথবা গাদথাব) গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী এবং বৃহত্তম শহর ১৮৭৮ সালের চিত্র।



এটি গ্রিনল্যান্ডের পশ্চিম উপকূলে নুউপ কাঙ্গারলুয়া খাঁড়িটির মুখে অবস্থিত।
তখন জনসংখ্যা প্রায় ১৫,০০০। : প্রথমে যতক্ষণ না প্রায় ১৫০০ খ্রিস্টাব্দ, যখন জলবায়ু এবং গাছপালার পরিবর্তনের
কারণে মানুষের বসতি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়।

বর্তমান ইতিহাস :
গ্রিনল্যান্ড আর্কটিক মহাসাগর এবং উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত , কানাডার উত্তর-পূর্বে এবং আইসল্যান্ডের উত্তর-পশ্চিমে । এই ভূখণ্ডে গ্রিনল্যান্ড দ্বীপ - বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ - এবং আরও শতাধিক ছোট দ্বীপ রয়েছে গ্রিনল্যান্ড বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম বরফের চাদরের অধিকারী ।
দক্ষিণ-পশ্চিম গ্রিনল্যান্ডের ইসুয়া গ্রিনস্টোন বেল্টে পৃথিবীর প্রাচীনতম কিছু শিলা রয়েছে , যার বয়স 3.7-3.8 বিলিয়ন বছর।
গাছপালা সাধারণত বিরল, কেপ ফেয়ারওয়েলের কাছে চরম দক্ষিণে নানোরটালিক পৌরসভায় বনভূমির একমাত্র অংশ পাওয়া যায় । এখানকার জলবায়ু আর্কটিক থেকে সাব-আর্কটিক , গ্রীষ্মকাল ঠান্ডা এবং শীতকাল ঠান্ডা। গ্রিনল্যান্ড দ্বীপের উত্তরতম বিন্দু হল কেপ মরিস জেসুপ , যা 1900 সালে অ্যাডমিরাল রবার্ট পিয়ারি আবিষ্কার করেছিলেন। প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে রয়েছে দস্তা , সীসা , লৌহ আকরিক, কয়লা , মলিবডেনাম , সোনা , প্ল্যাটিনাম , ইউরেনিয়াম , জলবিদ্যুৎ এবং মাছ ।

মোট এলাকা: ২,১৬৬,০৮৬ কিমি ।
ভূমির আয়তন: ২,১৬৬,০৮৬ বর্গকিলোমিটার
( ৪১০,৪৪৯ বর্গকিলোমিটার বরফমুক্ত , ১,৭৫৫,৬৩৭ বর্গকিলোমিটার বরফে ঢাকা)

সামুদ্রিক দাবি:আঞ্চলিক সমুদ্র: ৩ নটিক্যাল মাইল (৫.৬ কিমি; ৩.৫ মাইল)
এক্সক্লুসিভ ফিশিং জোন: ২০০ নটিক্যাল মাইল (৩৭০.৪ কিমি; ২৩০.২ মাইল)
ভূমি ব্যবহার :
আবাদি জমি: প্রায় ৬%; কিছু জমি সাইলেজ চাষের জন্য ব্যবহৃত হয় ।
স্থায়ী ফসল: প্রায় ০%
মোট জনসংখ্যা প্রায় ৫৬,০০০, যার মধ্যে প্রায় ১৮,০০০ রাজধানী নুউকে বাস করে ।
প্রাকৃতিক বিপদ
দেশের ৮৪% এলাকা জুড়ে অবিচ্ছিন্ন বরফের চাদর ; বাকি অংশ তুষারপাতের মতো ।
পরিবেশ - বর্তমান সমস্যা
আর্কটিক পরিবেশের সুরক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তন , খাদ্য শৃঙ্খলের দূষণ, বিপন্ন প্রজাতির
(ওয়ালরাস, মেরু ভালুক, নারহুল, বেলুগা তিমি এবং বেশ কয়েকটি সামুদ্রিক পাখি) অত্যধিক শিকার ।

উপসাগরীয় প্রবাহের প্রভাবের কারণে , গ্রিনল্যান্ডের শীতকালীন তাপমাত্রা তার অক্ষাংশের জন্য খুবই মৃদু।
রাজধানী নুউকে , গড় শীতকালীন তাপমাত্রা মাত্র −9 °C (16 °F)। তুলনামূলকভাবে,
কানাডার নুনাভুতের ইকালুইটের গড় শীতকালীন তাপমাত্রা প্রায় −27 ° C (−17 °F)। বিপরীতে,
গ্রীষ্মের তাপমাত্রা খুব কম, গড় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় 10 °C (50 °F)। গাছ টিকিয়ে রাখার জন্য এটি খুব কম,
এবং জমিটি তুন্দ্রা বৃক্ষহীন ।
গ্রিনল্যান্ডের বরফের চাদরে ঢাকা , সারা বছর ধরে তাপমাত্রা হিমাঙ্কের অনেক নিচে থাকে,



নুউক সূত্র :NASA/METI/AIST/জাপান স্পেস সিস্টেমস, এবং US/জাপান ASTER বিজ্ঞান দল

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের কথাকে গুরুত্ব দিন: ভান্স
গ্রিনল্যান্ড নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডলান্ড ট্রাম্পের কথাকে গুরুত্ব দিতে বললেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স। তিনি বলেছেন, ডেনমার্ক ও ইউরোপের বাকি দেশগুলি রাশিয়া ও চীনের হাত থেকে গ্রিনল্যান্ডকে রক্ষা করতে পারছে না।
ভান্স আরও বলেছেন, ইউরোপের নেতা ও অন্যদের কাছে আমার পরামর্শ হলো, তারা যেন মার্কিন প্রেসিডেন্টকে গুরুত্ব দেন।
স্টারমার বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যত কী হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেয়ার অধিকার একমাত্র গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্কের জনগণের রয়েছে।’ এছাড়া পাল্টা শুল্ক আরোপ করার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়ে তিনি বলেন, ‘একটি বাণিজ্যযুদ্ধ কোনো পক্ষই চায় না।’
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বের নিরাপত্তার জন্য তাদের গ্রিনল্যান্ড দরকার।’ প্রয়োজনে সামরিক শক্তি প্রয়োগের সম্ভাবনার কথাও জানায় হোয়াইট হাউজ।

১৭৬৩ সালে গ্রীনল্যান্ডে ডক তৈরীর একটি লে্-আউট চিত্র ।

‘সহজ বা কঠিন উপায়ে’ গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা নিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। হোয়াইট হাউস জানায়, গ্রিনল্যান্ড কেনার বিষয়টি বিবেচনায় থাকলেও জোরপূর্বক দখলের সম্ভাবনাও নাকচ করা হয়নি। এদিকে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয়। তবে ভেনেজুয়েলা-কাণ্ডের পর ট্রাম্প বলেন, তিনি এবার গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ঝাঁপাবেন, সামরিক অভিযানের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

গ্রিনল্যান্ডে সম্পর্কে ট্রাম্পের নীতি কী?

গ্রিনল্যান্ড সম্পর্কে রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের বর্তমান মার্কিন নীতির একটি স্পষ্ট সারসংক্ষেপ এখানে দেওয়া হল -
যা ২০২৬ সালের গোড়ার দিকে তার অবস্থানকে প্রকাশ্যে বলতে শুরু করেন:
রাশিয়া ও চীনের হাত থেকে গ্রিনল্যান্ডকে রক্ষায় এর নিয়ন্ত্রণ নেয়া উচিত যুক্তরাষ্ট্রের— দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

নুক হারবার র্পোট, ছবিটি ৫ই জুলাই ২০২২ইং সালে তোলা হয়েছে ।

যেভাবেই হোক যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ডকে অর্জন করতে হবে বলেও আবার হুঁশিয়ারি দেন ট্রাম্প।
দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হয়ে ট্রাম্প রেকর্ড সময়ে যুদ্ধ শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিলেও ২০২৫ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার জিততে ব্যর্থ হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে এখন বলছেন, তিনি পথ পরিবর্তন করছেন,
এবং তার ধারাবাহিকতায় তার গ্রিনল্যান্ড নিয়ন্ত্রণের আকাঙ্খাকে দ্বিগুণ করেছেন৷ট্রাম্প বলনে ,আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োজন নেই’-মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন দম্ভোক্তি বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। ট্রাম্পের এই ‘পেশিশক্তির’ রাজনীতিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে জাতিসংঘ। বিশ্ব সংস্থাটি সাফ জানিয়ে দিয়েছে,
পৃথিবী চলবে আইনের শাসনে, কোনো একক দেশের গায়ের জোরে নয়। একইসঙ্গে ৩১টি আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা এবং বকেয়া পরিশোধ না করায় ওয়াশিংটনের ভোটাধিকার হারানোর শঙ্কা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে নতুন কূটনৈতিক জটিলতা। উল্লেখ্য যে ,জাতিসংঘ সনদ বা ‘আর্টিকেল ১৯’ অনুযায়ী, যদি কোনো রাষ্ট্র টানা দুই বছর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়, তবে তারা সাধারণ পরিষদে ভোটাধিকার হারাবে।


এই চিত্রটি বিশ্লেষন করলে বুঝা যাবে গ্রিনল্যান্ড কেন এখন এত গুরুত্বপূর্ণ ।

ট্রাম্পের হুমকির পর ,ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নেতাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয় এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ জোটের পক্ষ থেকে সবচেয়ে কঠোর প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান।রোববার ইইউ রাষ্ট্রদূতেরা বৈঠকে বসে সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেন। এর মধ্যে প্রায় ৯৩ বিলিয়ন ইউরো মূল্যের মার্কিন পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপের বিষয়ও ছিল। বৃহস্পতিবার জরুরি শীর্ষ সম্মেলনে বসার কথা রয়েছে ইইউ নেতাদের।


A map showing the locations of the United States (blue) and Greenland (red)
চীন ও রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান হুমকি মোকাবেলার রণকৌশল ।

এখানে আরও উল্লেখ্য যে ,
যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজাতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে প্রথম বোর্ড অফ পিস তৈরির ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প।
এখন তিনি বিশ্বেশান্তি প্রতিষ্ঠার জন্যও এই বোর্ডকে ব্যবহার করার ঘোষণা করেন।
বোর্ডের সনদে বলা আছে, "বোর্ড অফ পিস" একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা যা সংঘর্ষ-কবলিত অঞ্চলে স্থায়িত্ব,
নির্ভরযোগ্য সরকার এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে কাজ করবে।"

অর্থাৎ তিনি জাতিসংঘকে বৃধাঙুলি দেখায়ে , নিজ নিয়ন্ত্রনে বিশ্বকে নিতে চাচ্ছেন ।
সনদের খসড়া পাঠানো হয়েছে ৬০টি দেশে। বলা হয়েছে,
এই বোর্ডে তিন বছরের বেশি সদস্যপদের জন্য নগদ এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার দিতে হবে।


আদিবাসী ইনুইট নারীর চিত্র ।

গ্রিনল্যান্ডে স্বায়ত্বশাসন আছে, তবে সার্বিক দেখভাল ডেনমার্ক করে এবং ন্যাটোভূক্ত একটি দেশ
তাই ইউরোপীয় ইউনিয়ন ট্রাম্পের বর্তমান খায়েশে অসন্তষ্ট এবং প্রয়োজনে তারা সৈন্য ও যুদ্ধ সরন্জাম পাঠাবে ।
প্রায় ১৫০০ খ্রিস্টাব্দর পর থেকে যখন জলবায়ু এবং গাছপালার পরিবর্তনের শুরু হয় এবং চারিদিকে বরফ ঢাকা পড়তে
থাকে , উক্ত কারণে মানুষের বসতি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়, জীবনযাত্রার মানে পরিবর্তন আসে।

হ্যান্স হেন্ড্রিক ( গ্রিনল্যান্ডিক : সুয়েরসাক ; ২ জুন ১৮৩২ - ১১ আগস্ট ১৮৮৯)
তিনি একজন কালালেক দোভাষী, আর্কটিক অভিযাত্রী এবং প্রথম ইনুক ।
তিনি দক্ষিণাঞ্চলীয় বসতি ফিসকেনেসেটে জন্মগ্রহণ করেছিলেন । [ 1 ]

এখানে বর্তমান গ্রিনল্যান্ডের চলমান কিছু দৃশ্য দেখানো হলো যা পূনরায় বরফ গলতে শুরু করার পর , আর এখানেই
ট্রাম্প প্রশাসনের দৃষ্টি নিবন্ধিত হয়েছে । প্রচুর খনিজ পদার্থ ও নূতন নৌ-পথ যা আমেরিকাকে অর্থনৈতিক সুবিধা
দেবে । উল্লেখ্য যে, রাশিয়া , চীনের যে ভীতি দেখানো হচ্ছে তা আই-ওয়াশ মাত্র ।
কারন গ্রিনল্যান্ডে অনেক আগে থেকেই মার্কিন সেনা স্থাপনা আছে ।
কিন্ত আমরা যদি ইতিহাস দেখি তাহলে বলতে হয়, গ্রিনল্যান্ডের প্রতি চোখ বরাবরই ছিল, তখন বরফে ঢাকা থাকায়
এর তেমন গুরূত্ব ছিলনা এবং তখন চীন /রাশিয়া এ অন্ঞলে আসতনা ।


আলাস্কা রাশিয়া থেকে নেবার সময়, গ্রীনল্যান্ড নিয়ে আলোচনা হয় ।
United States secretary of state William H. Seward (pictured, seated at center) commissioned an 1868 report on the feasibility of U.S. acquisition of Greenland.
In 1946, U.S. secretary of state James F. Byrnes offered $100 million to Denmark in exchange for Greenland.

বর্তমান গ্রিনল্যান্ডের চলমান কিছু দৃশ্য :


উত্তর মেরু গ্রিনল্যান্ডের অবিশ্বাস্য বরফ চিত্র

ডিস্কো-বের নিকটে সকালে তুষারের মধ্য দিয়ে সূর্যোদয়ের দৃশ্য ।


জলবায়ুর পরিবর্তন প্রভাবে ডিস্কো-বের কাছে গলে যাওয়া বরফ থেকে তৈরী একটি নূতন হ্রদ ।


গ্রিনল্যান্ডের অধিবাসীরা এত বরফের মধ্যেও সৌখিন তাদের পাহাড়ের কোলে তৈরী বাড়ীঘর নানান রংয়ে ভরপুর ।

বরফ ভাঙার গান, এই বিচিত্র অভিজ্ঞতা পেতে হলে গ্রিনল্যান্ডে যেতে হবে ।


তুষার সাধারনত সাধা ধবধবে হয়, কিন্ত এখানে ধূষর বা খয়েরী রঙের দেখা যাচ্ছে, এতে মনে করা হচ্ছে যে
নানহ রকমের খনিজ পাওয়া যাবে ।


বিরাট আইসবার্গ গলে যাবার পর অভূতপূর্ব একটি দৃশ্য, যা শুধু গ্রিনল্যান্ডেই দেখা যায় ।


দেখতে মনে হচ্ছে আগ্নেয়গিরির লাভা, বাস্তবে উত্তাপে গলতে থাকা বরফের দৃশ্য ।

গ্রিনল্যান্ডের ইলুলিসাট অন্ঞলের হিমবাহর একটি বরফের চাঁইয়ে মনোরম দৃশ্য ।
============================================================================


ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির মধ্যেই এবার গ্রিনল্যান্ডের পিটুফিক ঘাঁটিতে বিমান পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
গ্রিনল্যান্ডারদের সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রশ্নে পাল্টা প্রতিরোধের ঘোষণা ডেনমার্কের।


সর্বশেষ গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো যে, দৃশ্যটি নন লিনিয়ার আইস মেল্টিং, যার অর্থ পূর্বে ১* তাপমাত্রায় যতটুকু বরফ গলত
এখন তার চেয়ে দিগুন বা বেশী গতিতে বরফ গলতে শুরু করেছে । ফলে সমুদ্রে তিন ফুট পানি বাড়লে বাংলাদেশের
ঊপকূলের ২০% এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়বে । বিশেষজ্ঞদের মতামত, গ্রিনল্যান্ডের যে আইস বার্গ আছে তা আলাস্কা
রাজ্যর সমান, এই বরফ গলে গেলে সমুদ্র ৭ মিটার বা ২৩ ফুট উচ্চতায় প্রবাহিত হবে । তার অর্থ এই যে, বিশ্ব আগামী
দিনের যে কোন সময়ে বড় ধরনের সুনামির আঘাত পেতে যাচ্ছে, যা থেকে বাংলাদেশ ও মুক্ত নয় ।

মন্তব্য ১ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:১৭

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: বিনা রক্তপাতে আমেরিকা গ্রিনল্যান্ড জয় করতে পারলে তারাও রক্তপাত ঘটাবে না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.