| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
স্বপ্নের শঙ্খচিল
আমার মনের মাঝে শঙ্খচিল ডানা মেলে প্রতিদিন,ভুলতে পারিনি সেই অভিমান আবার ফিরে আসা তোমার কাছে !
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে ইলাস্ট্রেটেড একটি ছবি পোস্ট করেছেন যেখানে, গ্রিনল্যান্ডে আমেরিকান পতাকা লাগানোর চিত্র দেখানো হয়েছে। ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করা ট্রাম্পের ছবিতে উপস্থাপনা বোর্ডটি এমনভাবে পরিবর্তন করা হয়েছে যাতে উত্তর আমেরিকা, কানাডা এবং গ্রিনল্যান্ডকে একটি মার্কিন পতাকা দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে।
.............................বিক্রির জন্য নয় : সবুজভূমিতে রক্তপাত করোনা !!!....................................................
এই স্থানটি একসময় সবুজ ভূমি ছিল ।অতীতে বিভিন্ন ধরণের বসতি স্থাপনের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে,
২০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের দিকে ইনুইট লোকেরা বসবাস শুরু করে, পরে দশম শতাব্দীতে ভাইকিং অভিযাত্রীরা বসবাস করত।
ইনুইট এবং ভাইকিংরা প্রায় ৫০০ বছর ধরে একসাথে বসবাস করেছিল,
আদিবাসী এক্সিমোর ছবি ।
১৮৭৪ সালের মুদ্রার একটি চিত্র।
নুউক, গ্রিনল্যান্ড (ASTER)
নুউক (অথবা গাদথাব) গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী এবং বৃহত্তম শহর ১৮৭৮ সালের চিত্র।
এটি গ্রিনল্যান্ডের পশ্চিম উপকূলে নুউপ কাঙ্গারলুয়া খাঁড়িটির মুখে অবস্থিত।
তখন জনসংখ্যা প্রায় ১৫,০০০। : প্রথমে যতক্ষণ না প্রায় ১৫০০ খ্রিস্টাব্দ, যখন জলবায়ু এবং গাছপালার পরিবর্তনের
কারণে মানুষের বসতি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়।
বর্তমান ইতিহাস :
গ্রিনল্যান্ড আর্কটিক মহাসাগর এবং উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত , কানাডার উত্তর-পূর্বে এবং আইসল্যান্ডের উত্তর-পশ্চিমে । এই ভূখণ্ডে গ্রিনল্যান্ড দ্বীপ - বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ - এবং আরও শতাধিক ছোট দ্বীপ রয়েছে গ্রিনল্যান্ড বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম বরফের চাদরের অধিকারী ।
দক্ষিণ-পশ্চিম গ্রিনল্যান্ডের ইসুয়া গ্রিনস্টোন বেল্টে পৃথিবীর প্রাচীনতম কিছু শিলা রয়েছে , যার বয়স 3.7-3.8 বিলিয়ন বছর।
গাছপালা সাধারণত বিরল, কেপ ফেয়ারওয়েলের কাছে চরম দক্ষিণে নানোরটালিক পৌরসভায় বনভূমির একমাত্র অংশ পাওয়া যায় । এখানকার জলবায়ু আর্কটিক থেকে সাব-আর্কটিক , গ্রীষ্মকাল ঠান্ডা এবং শীতকাল ঠান্ডা। গ্রিনল্যান্ড দ্বীপের উত্তরতম বিন্দু হল কেপ মরিস জেসুপ , যা 1900 সালে অ্যাডমিরাল রবার্ট পিয়ারি আবিষ্কার করেছিলেন। প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে রয়েছে দস্তা , সীসা , লৌহ আকরিক, কয়লা , মলিবডেনাম , সোনা , প্ল্যাটিনাম , ইউরেনিয়াম , জলবিদ্যুৎ এবং মাছ ।
মোট এলাকা: ২,১৬৬,০৮৬ কিমি ।
ভূমির আয়তন: ২,১৬৬,০৮৬ বর্গকিলোমিটার
( ৪১০,৪৪৯ বর্গকিলোমিটার বরফমুক্ত , ১,৭৫৫,৬৩৭ বর্গকিলোমিটার বরফে ঢাকা)
সামুদ্রিক দাবি:আঞ্চলিক সমুদ্র: ৩ নটিক্যাল মাইল (৫.৬ কিমি; ৩.৫ মাইল)
এক্সক্লুসিভ ফিশিং জোন: ২০০ নটিক্যাল মাইল (৩৭০.৪ কিমি; ২৩০.২ মাইল)
ভূমি ব্যবহার :
আবাদি জমি: প্রায় ৬%; কিছু জমি সাইলেজ চাষের জন্য ব্যবহৃত হয় ।
স্থায়ী ফসল: প্রায় ০%
মোট জনসংখ্যা প্রায় ৫৬,০০০, যার মধ্যে প্রায় ১৮,০০০ রাজধানী নুউকে বাস করে ।
প্রাকৃতিক বিপদ
দেশের ৮৪% এলাকা জুড়ে অবিচ্ছিন্ন বরফের চাদর ; বাকি অংশ তুষারপাতের মতো ।
পরিবেশ - বর্তমান সমস্যা
আর্কটিক পরিবেশের সুরক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তন , খাদ্য শৃঙ্খলের দূষণ, বিপন্ন প্রজাতির
(ওয়ালরাস, মেরু ভালুক, নারহুল, বেলুগা তিমি এবং বেশ কয়েকটি সামুদ্রিক পাখি) অত্যধিক শিকার ।
উপসাগরীয় প্রবাহের প্রভাবের কারণে , গ্রিনল্যান্ডের শীতকালীন তাপমাত্রা তার অক্ষাংশের জন্য খুবই মৃদু।
রাজধানী নুউকে , গড় শীতকালীন তাপমাত্রা মাত্র −9 °C (16 °F)। তুলনামূলকভাবে,
কানাডার নুনাভুতের ইকালুইটের গড় শীতকালীন তাপমাত্রা প্রায় −27 ° C (−17 °F)। বিপরীতে,
গ্রীষ্মের তাপমাত্রা খুব কম, গড় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় 10 °C (50 °F)। গাছ টিকিয়ে রাখার জন্য এটি খুব কম,
এবং জমিটি তুন্দ্রা বৃক্ষহীন ।
গ্রিনল্যান্ডের বরফের চাদরে ঢাকা , সারা বছর ধরে তাপমাত্রা হিমাঙ্কের অনেক নিচে থাকে,
নুউক সূত্র :NASA/METI/AIST/জাপান স্পেস সিস্টেমস, এবং US/জাপান ASTER বিজ্ঞান দল
গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের কথাকে গুরুত্ব দিন: ভান্স
গ্রিনল্যান্ড নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডলান্ড ট্রাম্পের কথাকে গুরুত্ব দিতে বললেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স। তিনি বলেছেন, ডেনমার্ক ও ইউরোপের বাকি দেশগুলি রাশিয়া ও চীনের হাত থেকে গ্রিনল্যান্ডকে রক্ষা করতে পারছে না।
ভান্স আরও বলেছেন, ইউরোপের নেতা ও অন্যদের কাছে আমার পরামর্শ হলো, তারা যেন মার্কিন প্রেসিডেন্টকে গুরুত্ব দেন।
স্টারমার বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যত কী হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেয়ার অধিকার একমাত্র গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্কের জনগণের রয়েছে।’ এছাড়া পাল্টা শুল্ক আরোপ করার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়ে তিনি বলেন, ‘একটি বাণিজ্যযুদ্ধ কোনো পক্ষই চায় না।’
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বের নিরাপত্তার জন্য তাদের গ্রিনল্যান্ড দরকার।’ প্রয়োজনে সামরিক শক্তি প্রয়োগের সম্ভাবনার কথাও জানায় হোয়াইট হাউজ।
১৭৬৩ সালে গ্রীনল্যান্ডে ডক তৈরীর একটি লে্-আউট চিত্র ।
‘সহজ বা কঠিন উপায়ে’ গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা নিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। হোয়াইট হাউস জানায়, গ্রিনল্যান্ড কেনার বিষয়টি বিবেচনায় থাকলেও জোরপূর্বক দখলের সম্ভাবনাও নাকচ করা হয়নি। এদিকে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয়। তবে ভেনেজুয়েলা-কাণ্ডের পর ট্রাম্প বলেন, তিনি এবার গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ঝাঁপাবেন, সামরিক অভিযানের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
গ্রিনল্যান্ডে সম্পর্কে ট্রাম্পের নীতি কী?
গ্রিনল্যান্ড সম্পর্কে রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের বর্তমান মার্কিন নীতির একটি স্পষ্ট সারসংক্ষেপ এখানে দেওয়া হল -
যা ২০২৬ সালের গোড়ার দিকে তার অবস্থানকে প্রকাশ্যে বলতে শুরু করেন:
রাশিয়া ও চীনের হাত থেকে গ্রিনল্যান্ডকে রক্ষায় এর নিয়ন্ত্রণ নেয়া উচিত যুক্তরাষ্ট্রের— দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
নুক হারবার র্পোট, ছবিটি ৫ই জুলাই ২০২২ইং সালে তোলা হয়েছে ।
যেভাবেই হোক যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ডকে অর্জন করতে হবে বলেও আবার হুঁশিয়ারি দেন ট্রাম্প।
দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হয়ে ট্রাম্প রেকর্ড সময়ে যুদ্ধ শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিলেও ২০২৫ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার জিততে ব্যর্থ হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে এখন বলছেন, তিনি পথ পরিবর্তন করছেন,
এবং তার ধারাবাহিকতায় তার গ্রিনল্যান্ড নিয়ন্ত্রণের আকাঙ্খাকে দ্বিগুণ করেছেন৷ট্রাম্প বলনে ,আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োজন নেই’-মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন দম্ভোক্তি বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। ট্রাম্পের এই ‘পেশিশক্তির’ রাজনীতিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে জাতিসংঘ। বিশ্ব সংস্থাটি সাফ জানিয়ে দিয়েছে,
পৃথিবী চলবে আইনের শাসনে, কোনো একক দেশের গায়ের জোরে নয়। একইসঙ্গে ৩১টি আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা এবং বকেয়া পরিশোধ না করায় ওয়াশিংটনের ভোটাধিকার হারানোর শঙ্কা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে নতুন কূটনৈতিক জটিলতা। উল্লেখ্য যে ,জাতিসংঘ সনদ বা ‘আর্টিকেল ১৯’ অনুযায়ী, যদি কোনো রাষ্ট্র টানা দুই বছর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়, তবে তারা সাধারণ পরিষদে ভোটাধিকার হারাবে।
এই চিত্রটি বিশ্লেষন করলে বুঝা যাবে গ্রিনল্যান্ড কেন এখন এত গুরুত্বপূর্ণ ।
ট্রাম্পের হুমকির পর ,ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নেতাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয় এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ জোটের পক্ষ থেকে সবচেয়ে কঠোর প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান।রোববার ইইউ রাষ্ট্রদূতেরা বৈঠকে বসে সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেন। এর মধ্যে প্রায় ৯৩ বিলিয়ন ইউরো মূল্যের মার্কিন পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপের বিষয়ও ছিল। বৃহস্পতিবার জরুরি শীর্ষ সম্মেলনে বসার কথা রয়েছে ইইউ নেতাদের।
A map showing the locations of the United States (blue) and Greenland (red)
চীন ও রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান হুমকি মোকাবেলার রণকৌশল ।
এখানে আরও উল্লেখ্য যে ,
যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজাতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে প্রথম বোর্ড অফ পিস তৈরির ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প।
এখন তিনি বিশ্বেশান্তি প্রতিষ্ঠার জন্যও এই বোর্ডকে ব্যবহার করার ঘোষণা করেন।
বোর্ডের সনদে বলা আছে, "বোর্ড অফ পিস" একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা যা সংঘর্ষ-কবলিত অঞ্চলে স্থায়িত্ব,
নির্ভরযোগ্য সরকার এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে কাজ করবে।"
অর্থাৎ তিনি জাতিসংঘকে বৃধাঙুলি দেখায়ে , নিজ নিয়ন্ত্রনে বিশ্বকে নিতে চাচ্ছেন ।
সনদের খসড়া পাঠানো হয়েছে ৬০টি দেশে। বলা হয়েছে,
এই বোর্ডে তিন বছরের বেশি সদস্যপদের জন্য নগদ এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার দিতে হবে।
আদিবাসী ইনুইট নারীর চিত্র ।
গ্রিনল্যান্ডে স্বায়ত্বশাসন আছে, তবে সার্বিক দেখভাল ডেনমার্ক করে এবং ন্যাটোভূক্ত একটি দেশ
তাই ইউরোপীয় ইউনিয়ন ট্রাম্পের বর্তমান খায়েশে অসন্তষ্ট এবং প্রয়োজনে তারা সৈন্য ও যুদ্ধ সরন্জাম পাঠাবে ।
প্রায় ১৫০০ খ্রিস্টাব্দর পর থেকে যখন জলবায়ু এবং গাছপালার পরিবর্তনের শুরু হয় এবং চারিদিকে বরফ ঢাকা পড়তে
থাকে , উক্ত কারণে মানুষের বসতি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়, জীবনযাত্রার মানে পরিবর্তন আসে।
হ্যান্স হেন্ড্রিক ( গ্রিনল্যান্ডিক : সুয়েরসাক ; ২ জুন ১৮৩২ - ১১ আগস্ট ১৮৮৯)
তিনি একজন কালালেক দোভাষী, আর্কটিক অভিযাত্রী এবং প্রথম ইনুক ।
তিনি দক্ষিণাঞ্চলীয় বসতি ফিসকেনেসেটে জন্মগ্রহণ করেছিলেন । [ 1 ]
এখানে বর্তমান গ্রিনল্যান্ডের চলমান কিছু দৃশ্য দেখানো হলো যা পূনরায় বরফ গলতে শুরু করার পর , আর এখানেই
ট্রাম্প প্রশাসনের দৃষ্টি নিবন্ধিত হয়েছে । প্রচুর খনিজ পদার্থ ও নূতন নৌ-পথ যা আমেরিকাকে অর্থনৈতিক সুবিধা
দেবে । উল্লেখ্য যে, রাশিয়া , চীনের যে ভীতি দেখানো হচ্ছে তা আই-ওয়াশ মাত্র ।
কারন গ্রিনল্যান্ডে অনেক আগে থেকেই মার্কিন সেনা স্থাপনা আছে ।
কিন্ত আমরা যদি ইতিহাস দেখি তাহলে বলতে হয়, গ্রিনল্যান্ডের প্রতি চোখ বরাবরই ছিল, তখন বরফে ঢাকা থাকায়
এর তেমন গুরূত্ব ছিলনা এবং তখন চীন /রাশিয়া এ অন্ঞলে আসতনা ।
আলাস্কা রাশিয়া থেকে নেবার সময়, গ্রীনল্যান্ড নিয়ে আলোচনা হয় ।
United States secretary of state William H. Seward (pictured, seated at center) commissioned an 1868 report on the feasibility of U.S. acquisition of Greenland.
In 1946, U.S. secretary of state James F. Byrnes offered $100 million to Denmark in exchange for Greenland.
বর্তমান গ্রিনল্যান্ডের চলমান কিছু দৃশ্য :

উত্তর মেরু গ্রিনল্যান্ডের অবিশ্বাস্য বরফ চিত্র
ডিস্কো-বের নিকটে সকালে তুষারের মধ্য দিয়ে সূর্যোদয়ের দৃশ্য ।
জলবায়ুর পরিবর্তন প্রভাবে ডিস্কো-বের কাছে গলে যাওয়া বরফ থেকে তৈরী একটি নূতন হ্রদ ।
গ্রিনল্যান্ডের অধিবাসীরা এত বরফের মধ্যেও সৌখিন তাদের পাহাড়ের কোলে তৈরী বাড়ীঘর নানান রংয়ে ভরপুর ।
বরফ ভাঙার গান, এই বিচিত্র অভিজ্ঞতা পেতে হলে গ্রিনল্যান্ডে যেতে হবে ।
তুষার সাধারনত সাধা ধবধবে হয়, কিন্ত এখানে ধূষর বা খয়েরী রঙের দেখা যাচ্ছে, এতে মনে করা হচ্ছে যে
নানহ রকমের খনিজ পাওয়া যাবে ।

বিরাট আইসবার্গ গলে যাবার পর অভূতপূর্ব একটি দৃশ্য, যা শুধু গ্রিনল্যান্ডেই দেখা যায় ।
দেখতে মনে হচ্ছে আগ্নেয়গিরির লাভা, বাস্তবে উত্তাপে গলতে থাকা বরফের দৃশ্য ।

গ্রিনল্যান্ডের ইলুলিসাট অন্ঞলের হিমবাহর একটি বরফের চাঁইয়ে মনোরম দৃশ্য ।
সর্বশেষ আপডেট : গ্রিনল্যান্ড নিয়ে 'জটিল' ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তির ঘোষণা
গ্রিনল্যান্ড নিয়ে জটিল ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তির কথা বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।
ন্যাটোর সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক রুটের সঙ্গে আলোচনার পর ট্রাম্প জানিয়েছেন, এই আলোচনা খুবই ফলপ্রসূ হয়েছে।''
গ্রিনল্যান্ড নিয়ে মার্কিন পরিকল্পনার বিরোধিতা করার জন্য ইউরোপের আটটি দেশের উপর ১০ শতাংশ শুল্ক বসানোর
যে হুমকি ট্রাম্প দিয়েছিলেন, তার থেকেও তিনি সরে এসেছেন। অ্যামেরিকার প্রেসিডেন্ট জানিয়ে দিয়েছেন,
তিনি গ্রিনল্যান্ড নিয়ে কোনও রকম শক্তি প্রয়োগ করবেন না।
বস্তুতপক্ষে গোটা আর্কটিক বা উত্তর মেরু অঞ্চল নিয়ে ভবিষ্যৎ চুক্তির একটা ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করা হয়েছে।
যদি সমাধানে আসা যায়, তাহলে তা অ্যামেরিকা ও ন্যাটো দেশের পক্ষে খুবই ভালো বিষয় হবে।''
ট্রাম্প বলেছেন, নিরাপত্তা ও খনি সংক্রান্ত বিষয়ের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের ভালো হবে।''
''চুক্তিতে মিনারেল রাইটস বা খনিসংক্রান্ত অধিকার দেওয়ার বিষয়টি থাকতে পারে। এবং কৌশলগত অবস্থানের কারনে
এখানকার অঢেল রেয়ার আর্থ সুরক্ষা,যা মোবাইল ফোন ও ইলেকট্রিক যানবাহনের জন্য অতি দরকারী।
কূটনৈতিক সূত্র বলছে, ডেনমার্কের উপর নির্ভরশীল স্বশাসিত গ্রিনল্যান্ডের উপর অ্যামেরিকার নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার
নিয়ে কোনো চুক্তি হচ্ছে না।
এছাড়াও গ্রিনল্যান্ডের , দূরপাল্লার মিসাইল থেকে বাঁচার জন্য গোল্ডেন ডোম ডিফেন্স সিস্টেম নিয়ে ইউরোপীয় দেশগুলি
ট্রাম্পের সঙ্গে একযোগে কাজ করতে পারে।''
বোর্ড অফ পিস আপডেট : ২২.০১.২৬ ইং
ট্রাম্পের আমন্ত্রণে গাজার বোর্ড অফ পিস-এ যোগ দিতে রাজি হয়েছে তুরস্ক, সৌদি আরব, জর্ডার্ন, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, কাতার,
এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত।তুরস্ক ও সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বাকি দেশগুলি এক যৌথ বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।
আমিরাত, মিশর ও পাকিস্তান আগেই আলাদাভাবে বোর্ড অফ পিস-এ যোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছিল।
মোট ৬০টি দেশকে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ দিয়েছিল। তার মধ্যে জার্মানি ও ফ্রান্সসহ ইউরোপের দেশগুলি
বিষয়টি নিয়ে তাড়াহুড়ো করতে চায় না, তারা সতর্কভাবে এগোতে চায়।রাশিয়াৈর প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুটিন বলেছেন,
রাশিয়া বোর্ড অফ পিসে যোগদান নিয়ে অন্য কৌশলগত অংশীদারদের সঙ্গে কথা বলছে। পুটিন বলেছেন, বোর্ড অফ পিস-এ
রাশিয়া একশ কোটি ডলার দিতে রাজি, তবে সেই অর্থ রাশিয়ার বাজেয়াপ্ত করা অর্থ থেকে নিতে হবে।
============================================================================
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির মধ্যেই এবার গ্রিনল্যান্ডের পিটুফিক ঘাঁটিতে বিমান পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
গ্রিনল্যান্ডারদের সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রশ্নে পাল্টা প্রতিরোধের ঘোষণা ডেনমার্কের।
সর্বশেষ গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো যে, দৃশ্যটি নন লিনিয়ার আইস মেল্টিং, যার অর্থ পূর্বে ১* তাপমাত্রায় যতটুকু বরফ গলত
এখন তার চেয়ে দিগুন বা বেশী গতিতে বরফ গলতে শুরু করেছে । ফলে সমুদ্রে তিন ফুট পানি বাড়লে বাংলাদেশের
ঊপকূলের ২০% এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়বে । বিশেষজ্ঞদের মতামত, গ্রিনল্যান্ডের যে আইস বার্গ আছে তা আলাস্কা
রাজ্যর সমান, এই বরফ গলে গেলে সমুদ্র ৭ মিটার বা ২৩ ফুট উচ্চতায় প্রবাহিত হবে । তার অর্থ এই যে, বিশ্ব আগামী
দিনের যে কোন সময়ে বড় ধরনের সুনামির আঘাত পেতে যাচ্ছে, যা থেকে বাংলাদেশ ও মুক্ত নয় ।
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৪
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ট্রাম্পের পরিকল্পনা বুঝা দায় !
.................................................................
সে এখন পাগল সেজে দরকারী কাজগুলো সারতে চায় ।
ভেনেজুয়েলাতে যা করেছে , সি.আই.এ তার মাঠ প্রস্তুত রেখেছিলো। আমেরিকান তেল কোম্পানী
তাকে টাকার সাগরে ভাসায়ে দিবে ।
আর কিছু মীরজাফর ছিলো সে কারনে মাদুরে আজ অনায়াসে বন্দী হলো ।
যদি তুমুল যুদ্ধ হতো এবং আমেরিকান সৈন্য মারা যেতো তাহলে ট্রাম্পের খবর ছিলো
সংসদে নাস্তানাবুদ করে ছাড়ত।
কিন্ত গ্রিনল্যান্ড এর ইতিহাসিক হিসাব আছে ,কৌশলগত সামরিক ও গোপন বিষয় বিদ্যমান।
এক্ষেত্রে তিনি সংসদ থেকে বেশী চাপ পাবেন না যতনা ন্যটো থেকে আসবে ।
২|
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:৫৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার লেখা পড়ে নতুন কিছু জানলাম। সময় উপযোগী লেখা ।
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:১৯
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আপনার আগ্রহ দেখ খুশী হলাম ।
.................................................................
আমাদের অর্থনীতির মন্দা যাচ্ছে, তাই বিশ্ব যদি যুদ্ধ যুদ্ধ
খেলা করে তাহলে আমাদের সমূহ বিপদ ।
১৯৪৬ সালে ও Greenland কিনে নিতে চাইছিলো $100 million ডেন মার্ককে অফার
দিয়েছিলো । তাই এবারও আমেরিকার অনেকে ট্রাম্পকে সমর্থন দেবে ।
তবে ন্যাটো বাধা দিচ্ছে , সেটাও হয়তো ম্যানেজ করে ফেলবে ।
ইতি পূর্বে আলাস্কা রাশিয়ার কাছ থেকে কিনে নেয় ।
এখন রাশিয়া আফসোস করছে কেন হস্তান্তর করেছিলো ।
.........................................................................................
বিশ্ব রাজনীতি ও সমরনীতির মারপ্যাচঁ আমরা সময় মত বুঝতে পারিনা ।
৩|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৪:৪৫
সোহানী বলেছেন: চমৎকার সারাংশ গ্রিনল্যান্ড নিয়ে।
বিশ্ব এখন বদ্ধ উম্মাদের পাল্লায়। যার কোন বিবেক বুদ্ধি মানবিকতা কিছুই নেই। একজন বদ্ধ উম্মাদের কাজ কর্ম নিয়ে কিছু না বলে তাকে কিভাবে পাগলা গারদে ঢোকানো যায় তা নিয়ে সবার চিন্তা করা উচিত।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৫:৫৪
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আমেরিকা ফার্স্ট ,
এই শ্লোগানে আমেরিকার কিছু জনগন অত্যন্ত উৎসাহী
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
বিশ্বে আমরা নব্য হিটলারের আবির্ভাব দেখছি ।
তিনি কমপক্ষে ৫টি দেশ তার আওতায় আনতে আগ্রহী ।
উপরন্ত তার বহু আকাঙ্খিত নোবেল পুরস্কার না পাওয়াতে প্রচন্ড
ক্ষোভ প্রকাশ করে 'নরওয়ে সরকারকে" চিঠি লেখেন ।
যা বিশ্বে নজীর বিহীন ।
..........................................................................................
ফ্রেডেরিকসেন বলেন, ডেনমার্ক গোল্ডেন ডোম প্রোগ্রামসহ আর্কটিকের নিরাপত্তা
জোরদার করার বিষয়ে মিত্রদের সাথে গঠনমূলক সংলাপ চালিয়ে যেতে চায়,
"যদি এটি আমাদের আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে করা হয়।
৪|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:০৩
রাজীব নুর বলেছেন: ট্রাম্প আরো অনেক কিছু করবে। তাতে অন্তত আমেরিকা লাভবান হবে।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৫
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বোর্ড অফ পিসে যোগ দিতে ৬০ টি দেশকে আমন্ত্রন জানানো হয়েছে
যা জাতিসংঘকে পাশকাটানো এবং নিজ ক্ষমতার দাপট প্রদর্শন ।
.........................................................................................
এই নব্য হিটলারের আকাঙ্খা আরও বেড়ে গেলে
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ থামানো যাবে না ।
৫|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৫
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
ইউটিউবার এবং ব্লগার নাস ডেইলি গ্রীনল্যান্ডের একটি ইনুইট মহিলা ও তাঁদের জীবন-আচার দেখিয়েছেন।
তারা দেখতে অনেকটাই এশিয়ানদের মতো।
অতিরিক্ত তুষারপাত আর সুর্যের আলো কম পাওয়ায় তাঁদের লুক এবং চোঁখের মনির আকৃতি কিছুটা ভিন্ন।
গ্রীনল্যান্ড নিয়ে শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক সমঝোতা হবে এবং ডেনমার্ক শেষ পর্যন্ত
আমেরিকার কিছু শর্ত মেনে নিবে বলেই আমার ধারনা।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:২৩
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ডেনমার্ক , গ্রীনল্যান্ডের অধিগ্রহনের বিষয়ে ছাড় দিবেনা ।
......................................................................................
ন্যাটোর সহায়তায় কিছু বিষয়ে ছাড় দিতে পারে ।
যেমন :
মার্কিন ঘাঁটিকে আরও সম্প্রসারন ও আধুণীকিকরণ ,
মিসাইল ব্যবস্হাপনা আপডেট, গোল্ডেন ডোম ব্যবস্হা বসানো
আর নূতন করে রাশিয়া ও চীনের সহিত ব্যবসা বাণিজ্য বৃদ্ধি না করা ।
৬|
২৫ শে জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৪:৫৬
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
খুবই প্রয়াসলব্দ মুল্য তথ্যসমৃদ্ধ সচিত্র একটি পোস্ট ।
এই লেখাটি কেবল গ্রিনল্যান্ডের ভূরাজনীতি নয়, বরং শক্তির লোভে প্রকৃতি ও মানবসভ্যতার ভবিষ্যৎকে জিম্মি
করার এক নির্মম বাস্তবতাকে তুলে ধরেছে। ইতিহাস, পরিবেশ ও সমসাময়িক রাজনীতির সংযোগে াপনি স্পষ্ট
করে সচিত্র দেখিয়েছেন; সবুজভূমি কোনো পণ্য নয়, বরফের নিচে লুকিয়ে থাকা খনিজের চেয়েও মূল্যবান
মানুষের সার্বভৌমত্ব ও পৃথিবীর ভারসাম্য। গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে ক্ষমতার এই টানাপোড়েন আসলে আমাদের
সবাইকে সতর্ক করে দেয় এক প্রান্তে যদি বরফ গলে যায়, তার ঢেউ এসে আঘাত করবে গোটা পৃথিবীকেই।
মুল্যবান পোস্টটির জন্য ধন্যবাদ ।
শুভেচ্ছা রইল
২৫ শে জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৫:৩০
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আপনার মূল্যবান বক্তব্য এই পরিশ্রমকে অনুপ্রানিত করে ।
.......................................................................................
যে কোন অনুসন্ধানী লেখার ক্ষেত্রে , লেখক মাত্রই জানেন এর
পিছনে অনেক পরিশ্রম করতে হয় । ফলে যখন দেখি সামুর মতো সচল
ব্লগে পাঠকের আগ্রহ অত্যন্ত কম তাহলে মানুষের মাঝে
চেতনা জাগ্রত কি করে হয় ।
তাই ক্রমে লেখক ও পাঠক এভাবেই হারায়ে যাবে ।
৭|
২৫ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৩৭
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
সুপ্রিয় স্বপ্নের শঙ্খনীল.
আপনার আক্ষপটি খুবই স্বাভাবিক এবং একজন অনুসন্ধানী লেখক হিসেবে আপনার অনুভূতিটা গভীরভাবে
সম্মানযোগ্য। কারণ আমরা সবাই জানি একটি চিন্তাশীল, তথ্যভিত্তিক লেখার পেছনে কতটা সময়, শ্রম, পাঠ,
আত্মসংঘাত আর মানসিক বিনিয়োগ থাকে। সেই পরিশ্রমের তুলনায় যখন পাঠকের প্রতিক্রিয়া বিশেষ করে
সামুতে এই ক্রান্তাকালেও বিচরণকারী পরিচিত/ অপরিচিত/ নবীন/প্রবীন ব্লগারদেরকেও পাঠকদের নিকট
হতেও কম/কিংবা আদৌ কোন প্রতিক্রয়া দেখা যায় না , তখন প্রশ্ন জাগে এই লেখা কি আদৌ কাউকে
নাড়া দিচ্ছে? কিংবা সচেতন ভাবেই এড়িয়ে য়াচ্ছে ।
তবে এখানেই হয়তো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আমাদের মনে রাখা দরকার। চেতনা কখনোই সংখ্যার ওপর
নির্ভর করে জন্মায় না। ইতিহাসে এমন অসংখ্য চিন্তাবিদ, লেখক ও সংস্কারক আছেন, যাঁদের লেখা প্রথমে
হাতে গোনা কয়েকজনই পড়েছিল কিন্তু সময়ের সাথে সেগুলিই সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিয়েছে। আজ যে
পাঠক নীরব, সে ও হয়তো কারো কোন পরিশ্রমী লেখার কোনো একটি বাক্য নিয়ে অনেক ভেতরে ভেতরে
ভাবছে যার প্রতিফলন এখনই দেখতে পাওয়া যাচ্ছেনা ।
আরেকটি বিষয় হলো, বর্তমান সময়ের পাঠাভ্যাস। মানুষ এখন তাড়াহুড়োর মধ্যে পড়ে, স্ক্রল করে, দ্রুত চোখ
বুলিয়ে চলে যায়। গভীর লেখা পড়ার মতো মনোযোগ ও ধৈর্য আজ দুর্লভ কিন্তু অপ্রয়োজনীয় নয়। বরং এই
সংকটের মধ্যেই অনুসন্ধানী লেখকের প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি। এমন পরিবেশে যদি লেখাই ছেড়ে দেন, তাহলে
সেই অল্প কিছু পাঠকের জন্যও দরজাটা বন্ধ হয়ে যাবে যারা সত্যিই চিন্তার খোরাক খুঁজছে।
লেখক ও পাঠক হারিয়ে যাবে এই আশঙ্কা বোঝা যায়। কিন্তু আমি বরং বলব, লেখক হারিয়ে গেলে পাঠক
তৈরি হওয়ার সম্ভাবনাটাও শেষ হয়ে যায়। আপনি লিখে যাওয়াই নিজেই এক ধরনের প্রতিরোধ, এক ধরনের
আলো জ্বালানো। সব আলো তৎক্ষণাৎ চোখে পড়ে না কিছু আলো ধীরে ধীরে পথ দেখায়।
তাই, কোনরূপ আক্ষেপকে কোন লেখক তার লেখার শেষচিহ্ন না বানিয়ে বরং তাকে শক্তিতে রূপ দেয়া প্রয়োজন।
হয়তো আজ কম মানুষ পড়ছে, কিন্তু লেখক যে আন্তরিকতার সঙ্গে লিখছেন সেটাই একজন লেখকের সবচেয়ে বড়
সাফল্য। সময়ই অনেক সময় নীরব পাঠকের নাম প্রকাশ করে দেয়। তাই না দমে লিখে যান। কথা সাহিত্যিক সৈয়দ
সামছুল হকের লেখা গল্প গ্রন্থ "খেলা রাম খেলে যা" নিশ্চয়ই পাঠ করেছেন , কেও দেখুক কিংবা নাই দেখুক তাতে
তেমন কি আসে যায়, যদিও মনে কিছুটা দুঃখ্যবোধ থাকেই ।
শুভেচ্ছা রইল
২৫ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:২৮
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: কিন্তু আমি বরং বলব, লেখক হারিয়ে গেলে পাঠক
তৈরি হওয়ার সম্ভাবনাটাও শেষ হয়ে যায়।
..................................................................................
আপনার লেখার যুক্তি অখন্ডনীয়,
নীরবে হৃদয়ের মাঝে শক্তি সন্ঞয় ঘটে
মনে হয় যেন, স্তিমিত কিছু রক্তনালী থেকে রক্ত,
ছুটে গিয়ে ব্রেইনে আঘাত করছে ;
সচল করছে চিন্তাশক্তির সেল ।
........................................................................................
আপনার এমন উদ্দীপনামূলক লেখা হোক সবার জন্য উন্মুক্ত ।
৮|
২৫ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:১৩
কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: এত্ত বড় পোস্ট দিলে পড়তাম ক্যামনে? কইনছাইন দেহি
২৫ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৩
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আমাদের সমাজ জীবনের চলমান মানচিত্র সমূহ
বুঝতে হলে মাঝে মাঝে একটু গভীরে গিয়ে জানতে হবে ।
ঘটনা ঘটছে গ্রিনল্যান্ডে ধাক্কাটা আসবে বাংলাদেশে ।
............................................................................
কবিতার সাথে আমাদের সমাজচিত্রর শক্তিশালী
সংযোগ আছে ।
৯|
২৫ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:২৩
কিরকুট বলেছেন: বাংলা ল্যান্ডের খবর কি ? এখানে বিনা রক্তপাতে তো কিছুই হচ্ছে না ।
২৫ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৭
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বাংলাল্যান্ডের ব্যস্ততা এখন নির্বাচন নিয়ে
এর পরের পর্বে আমরা দেখতে পাবো,
জীবনযাত্রার চলমান চিত্র !
©somewhere in net ltd.
১|
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:১৭
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: বিনা রক্তপাতে আমেরিকা গ্রিনল্যান্ড জয় করতে পারলে তারাও রক্তপাত ঘটাবে না।