নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানুষের জীবন প্রতিদিন তার বেঁচে থাকার লাইসেন্স নবায়ন করে ।প্রকৃতি এটা নিয়ন্ত্রন করে,যেদিন নবায়ন হবেনা,সেদিন মৃত্যু অনিবার্য ।

স্বপ্নের শঙ্খচিল

আমার মনের মাঝে শঙ্খচিল ডানা মেলে প্রতিদিন,ভুলতে পারিনি সেই অভিমান আবার ফিরে আসা তোমার কাছে !

স্বপ্নের শঙ্খচিল › বিস্তারিত পোস্টঃ

ছায়া মন্ত্রীসভা : বাংলাদেশ প্রেক্ষিত !

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:০৮

ছায়া মন্ত্রীসভা : বাংলাদেশ প্রেক্ষিত !



বাংলাদেশে নূতন ভাবে এই প্রসঙ্গটি আসতে শুরু করছে ।
আমাদের আইনে এই ব্যাপারে নির্দিষ্ট কিছু আছে কিনা জানা নেই । তবে বিরোধী দল সংসদে
তাদের বক্তব্য রাখার পরও ,বিরোধী দল নেতার মাধ্যমে কতিপয় সিনিয়র ও দক্ষ সদস্য নিয়ে একটি দল গঠন করা যায়;
যা অনেকটা ওয়াচ ডগের মতো কাজ করবে ।
যদি এটি সঠিক ভাবে পরিচালিত হয় তবে বিরোধী ঐসব সদস্যরা ছায়া মন্ত্রীসভার কাজ করতে করতে এতটাই
অভিজ্ঞ হয়ে উঠবে যে, যদি পরবর্তীতে বিরোধী দল ক্ষমতায় যায় তাহলে তারা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে
সরকার পরিচালনা করবে এবং গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর সমূহ অবহিত থাকার কারনে দক্ষতার পরিচয় দিতে পারবেন ।


...................................... ক্ষমতার বিকেন্দ্রীয়করণ পদ্ধতি .......................................................

যখন চলমান সরকার সংসদে কোন বিষয়ের উপর আইন প্রনয়ন করতে যাবেন তখন উক্ত ছায়া মন্ত্রিসভা বিকল্প
পর্যালোচনা দিতে পারে । যদিও সরকার উক্ত বিষয় গ্রহন করার কোন বাধ্যবাধকতা নাই তবে, কোন ভূল ভ্রান্তি
থাকলে তা সংশোধন করার সুযোগ থাকবে । বিশেষ ভাবে, সরকার যখন কোন বাজেট পেশ করেন তখন এই ছায়া
মন্ত্রীসভার সদস্যরা তা যুক্তি খন্ডনকরা, বিকল্প উন্নত পরিকল্পনা পেশ করা বা সমর্থন দেয়া ।
ছায়া মন্ত্রীসভা মূলত ওয়েস্টমিনস্টার টাইপের বিশ্বের প্রায় ২০/২৫ দেশে বিদ্যমান, যা প্রয়োজনমতো করে
উক্ত দেশের চাহিদা মোতাবেক চলমান আছে ।

বিরোধী দলের মুখপাত্রদের একটি সিনিয়র গ্রুপ নিয়ে গঠিত হতে পারে ,যারা বিরোধী দলের নেতার নেতৃত্বে
সরকারের বিকল্প মন্ত্রিসভা গঠন করে এবং যাদের সদস্যরা মন্ত্রিসভার প্রতিটি সদস্যের অবস্থানকে ছায়ার মতো
অনুসরন করে , প্রয়োজনীয় তথ্য উপাত্তর মাধ্যমে সরকারের জোর বিরোধীতা করার সুযোগ তৈরী হয় ।
ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রিসভার সাথে সমান্তরালভাবে তাদের দায়িত্বের ক্ষেত্রগুলিকে একটি ছায়া পোর্টফোলিও
হিসাবে উল্লেখ করা যেতে পারে ।



ছায়া মন্ত্রিসভার সদস্যদের কোনও নির্বাহী ক্ষমতা নেই। সরকারের নীতি ও কর্মকাণ্ড যাচাই করা এবং বিকল্প নীতি
প্রদান করা ছায়া মন্ত্রিসভার দায়িত্ব। সংসদে ফ্রন্টবেঞ্চারদের অংশ হিসেবে ছায়া মন্ত্রিসভা অফিসিয়াল বিরোধী দলের
ফ্রন্টবেঞ্চের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ তৈরি করে । ব্রিটেন এবং আয়ারল্যান্ডের ছোট বিরোধী দলগুলির ফ্রন্টবেঞ্চ টিম রয়েছে ।
অনেক দেশে, ছায়া মন্ত্রিসভার একজন সদস্যকে ছায়া মন্ত্রী বলা হয় । যদিও সরকারি কোষাগার থেকে ছায়া মন্ত্রীদের
বেতন এবং সুযোগ-সুবিধাগুলি নেওয়ার সুযোগ নাই ।মন্ত্রিপরিষদ মন্ত্রীদের মতো তাদের কোনও নির্বাহী দায়িত্ব নেই ।

বেশিরভাগ ওয়েস্টমিনস্টার ব্যবস্থায় ,বিরোধী দলের নেতা ব্যক্তিগতভাবে ছায়া মন্ত্রিসভার নেতৃত্ব দেন এবং
সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে ছায়া দেন এবং "ছায়া প্রধানমন্ত্রী" উপাধি সাধারণত ব্যবহার করা হয় না।
তবে, ওয়েস্টমিনস্টার-বহির্ভূত ব্যবস্থাগুলি যারা ছায়া মন্ত্রিসভা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, তারা সাধারণত এর প্রধানকে "ছায়া প্রধানমন্ত্রী" হিসাবে মনোনীত করে।তবে বিরোধী দল ক্ষমতা গ্রহণ করলে তিনি প্রধানমন্ত্রী হবেন বলে প্রত্যয়ন করেনা ।


১৯৫৭ সালে মালয় স্বাধীনতা লাভের আগে, রিড কমিশন মালয়ের সংবিধান প্রণয়ন করেছিল যা এর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক,
ধর্মীয় এবং সাংস্কৃতিক ভিত্তি ব্যবস্থা নির্ধারণ করেছিল। বিশেষ করে মালয়েশিয়ার জন্য, ওয়েস্টমিনস্টার সংসদীয় ব্যবস্থার
ব্রিটিশ এবং ভারতীয় মডেলগুলি এর প্রধান রেফারেন্স পয়েন্ট হিসাবে কাজ করে।৫০ বছরের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর, মালয়েশিয়ার ওয়েস্টমিনস্টার সংসদীয় মডেলের রূপটি তার মূল সৃষ্টি থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। এই পরিবর্তনগুলি আসার কোনও ভুল নেই, কারণ বিশ্বের সকল ধরণের শাসন ব্যবস্থা অনিবার্যভাবে দেশের জনসংখ্যার গঠন এবং বৈশিষ্ট্যের কারণে এবং দেশীয় ও বাহ্যিক সামাজিক উন্নয়নের ফলে পরিবর্তিত হয়।
ওয়েস্টমিনস্টার মডেলের সংসদীয় ব্যবস্থা 'আইনের শাসন'-এর বিপরীতে 'আইনের শাসন'-এর উপর জোর দেয় এবং ক্ষমতার তিনটি শাখার নিয়ন্ত্রণ ও ভারসাম্যের উপরও জোর দেয়। বিচার বিভাগ সংবিধানের অধীনে সুরক্ষিত এবং নির্বাহী ও আইন প্রণেতাদের ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখে।


এছাড়াও, ফ্রান্সের মতো গণতন্ত্র অনুশীলনকারী অন্যান্য দেশের বিপরীতে, ওয়েস্টমিনস্টার ব্যবস্থার বিচার বিভাগ অতীতের নজিরবিহীন মামলার পাশাপাশি অন্যান্য কমনওয়েলথ দেশগুলির আইনি ব্যাখ্যার উল্লেখের ভিত্তিতে তার আইন (বিশেষ করে যেখানে এটি দেশের সংবিধান সম্পর্কিত বিষয়গুলির সাথে সম্পর্কিত) ব্যাখ্যা করতে পারে।
সংসদীয় শিক্ষা অফিসে আপনাকে স্বাগতম।
অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টারি এডুকেশন অফিস (PEO) :


অস্ট্রেলিয়ানদের অস্ট্রেলিয়ার সংসদীয় গণতন্ত্র সম্পর্কে শিক্ষিত করে এবং তাদের উৎসাহকে অনুপ্রাণিত করে। সহজলভ্য, নিমজ্জিত, অভিজ্ঞতামূলক প্রোগ্রাম এবং সংস্থানগুলির মাধ্যমে আমরা সকল বয়সের অবগত, নিযুক্ত এবং সক্রিয় নাগরিকদের লালন-পালন করি। অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্ট ভবনে অবস্থিত, অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক বিজ্ঞান এবং নাগরিকত্ব শিক্ষায় শীর্ষস্থানীয়।
এ বিষয়ে তারা গর্ব করেন ,
কিন্ত আমাদের এই ব্যবস্হা আছে কি ???

মন্তব্য ৭ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৭) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:২১

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:



ছায়া মন্ত্রীসভা নিয়ে লেখার জন্যে ধন্যবাদ নিরন্তর।

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৭

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: মূলত আপনার চাহিদার কথা চিন্তা করে এই লেখার সূত্রপাত
শুভেচ্ছান্তে ।

২| ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:



দেশের ইতিমধ্যে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ছায়া জাতিসংঘের চর্চা হয়।
আমরা আশা করি, ছায়া মন্ত্রীসভা নিয়ে এগিয়ে যেতে পারবো।

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৪১

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে এই বিষয়ে দক্ষ করে তোলার জন্য
প্রশিক্ষনের ব্যবস্হা আছে ।

................................................................................
আমাদের দেশে তা নেই ।
রাজনীতির হানাহানির কারনে এই ধরনের প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠার
সুযোগ হয় নাই ।

৩| ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:১৪

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এটা কাজীর গোরুর মতো হবে : কেতাবে থাকবে গোয়ালে নয় ।

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৩১

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: কেন ?
এর সুফল কি জনসাধারণ পাচ্ছেনা ?

.....................................................................
সংসদ হলো আইন প্রনয়ন ও তা বাস্তবায়ন বিষয়ক সর্বোচ্চ
প্রতিষ্ঠান, এর সদস্যরা যদি টেন্ডার বাজি, এলাকার দখলদারী
বিষয়ক চিন্তা বাদ দিয়ে জনসাধারনের উপকারর্থে নিজকে
ব্যস্ত রাখে তার সুফল দেশবাসী অবশ্যই পাবে ।
সরকারে গেলেই নিজস্ব মতবাদ চালুর কথা বলে একনায়কতন্ত্র
প্রতিষ্ঠার নজির এদেশে বিগত ৫৪ বৎসর যাবত দেখে আসছি,
শক্তিশালী ছায়া মন্ত্রীসভা তা সময় থাকতেই প্রতিরোধ করে,
জনসাধারনকে পূর্বেই সচেতন করে ।

৪| ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৪০

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: যারা অসৎ ভাবে এমপি হয়েছে ভোট কারচুপি করে এদের কোনো কাজ ভালো হবে না । সব কিছু লোক দেখানো । এরা আসলে নেক্সট ইলেকশনে যাওয়ার হিসাব কষছে নিজেদের ভালো প্রমাণের । জামা্ত-এনসিপি জোটের কথা বলছি ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.