| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ঘুমাতে অত্যন্ত ভালোবাসি। আর ভালোবাসি পড়তে। স্বপ্ন দেখি একটি স্বপ্নীল পৃথিবীর। সত্যকে ভালোবাসি, হোক তা নিজের মতের বিপরীত।
স্বপ্ন দিনের কথোপকথন!
বই পড়ার ক্ষেত্রে আমি নিজেকে সব সময়ই ভাগ্যবান মনে করি। বই পড়ার ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউই আমাকে পথ দেখায় নি, তার পরেও কেমন করে যেন ভালো ভালো অনেক গুলো বই পড়ে ফেলেছি। তৃতীয় শ্রেনীতে পড়া অবস্থাতেই পেয়েছিলাম আলেকজান্ডার দ্যূমার "থ্রী মাস্কেটিয়ার্স"। সেবা'র সাথে পরিচয় তখন হতেই। এর পরেই হাতে আসে "লা মিজারেবল"; অবশ্য ভারতীয় একটা অনুবাদ- পাতলা নিউজপ্রিন্টে ছাপা বই। আমার এক বন্ধুর কাছ হতে ধার নিয়ে আর ফেরত দিই নি! বই পড়ে যেমন কেউ কখনো দেউলে হয় নি, তেমনি বই চুরি করে ও কখনো রাখা যায় নি। বছর চারেক পর আরেক বন্ধু (!)আমার অসম্ভব প্রিয় ঐ বইটা হাপিস করে দেয়! পরে অবশ্য সেবা'র অনুবাদটাও পড়েছি এবং এই বই পড়ে প্রিয়তে রাখে নি, এখন পর্যন্ত এমন একটা মানুষ ও পাই নি।
সাহিত্যকে যদি জীবনের ছাপচিত্র বলি, তবে সাহিত্যিক নিঃসন্দেহে একজন চিত্রশিল্পী। লা মিজারেবল (Les Misérables) তেমনি এক মহত্তম সৃষ্টি। ফরাসী ঔপন্যাসিক ও কবি ভিক্টর হুগোর (ভিক্তর ইউগো/ Victor_Hugo) এর অমর স্রষ্টা। ফরাসী বিপ্লবের পটভূমিকায় রচিত এই উপন্যাসে উঠে এসেছে ততকালীন ফ্রান্সের ইতিহাস, ঐতিহ্য, রাজনীতি এবং ফরাসী সমাজের ভালো-মন্দ, নীতি-নৈতিকতা, দর্শণ, ধর্ম সহ মেহনিতী মানুষের দুঃখের দিনরাত।
Misérables অর্থ হতভাগ্য। সত্যিকার ভাবে, এক হতভাগ্যের জীবন কাহিনীই বলেছেন হুগো। উপন্যাসের মূল চরিত্র জাঁ ভালজাঁ (Jean Valjean)। তার জীবনে ঘটে যাওয়া একের পর এক ঘটনা-দূর্ঘটনা নিয়েই কাহিনীর অগ্রযাত্রা। ক্ষুধার যন্ত্রনায় অস্থির হয়ে মাত্র একটুকরো রুটি চুরির অপরাধে ১২ বছরের জাঁ ভালজাঁ ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত হয়। তুলনের জেলে আমানুষিক দন্ডভোগ কালে বারেবারে পালানোর চেষ্টা করে ধরা পড়ে এই দন্ড বাড়তে বাড়তে ১৯ বছরে গিয়ে দাঁড়ায়। এই সুদীর্ঘ ১৯ বছরের জেলজীবন শেষে জাঁ ভালজাঁ হয়ে ওঠে সনাজের প্রতি বীতশ্রদ্ধ এক অমানুষ।
রাতে যে পাদ্রী তাঁকে আশ্রয় দেয় তার বিড়ি হতেই সে চুরি করে ধরা পড়ে। কিন্তু, পাদ্রীর মহানুভবতায় সে ছাড়া পায়।
এই ঘটনায় আমূল বদলে দেয় তাঁকে। আইনের চোখে সারাজীবনের জন্য অপরাধী জাঁ ভালজাঁ পরিচয় লুকিয়ে নাম নেয় ম্যাদেলীন। আপন শ্রমে হয়ে ওঠে ফ্যক্টরী মালিক এবং শহরের মেয়র। শান্ত জীবনে তখনি ঘনিয়ে আসে মেঘ। শহরে নতুন আসা পুলিশ ইন্সপেক্টর জাঁভার্ট (Javert) চিনে ফেলে ভালজাঁকে।
পালাতে হয় ভাঁলজাকে। সত্যিকার অর্থেই শুরু হয় ভাঁলজা-জাঁভার্ট ইদুর-বিড়াল খেলা! জাঁভার্ট যেখানে কঠোর ফরাসী অনুশাসনের মূর্ত প্রতীক, সেখানে ভাঁলজা মানবিকতাবোধে ঋদ্ধ এক অসমসাহসী মানুষ। পালানোর সময় ভাঁলজা সাথে নিয়ে যায় ফন্টিনের (Fantine; ভালজাঁর ফ্যাক্টরির কর্মচারী যাকে সে ভালোবাসতো) আগের প্রেমিকের সন্তান কোসেতকে (Cosette)।
প্যারিস শহরের এখানে ওখানে লুকিয়ে কাটে পরের দিন গুলো। কিন্তু, পরোপকার থেমে যায় না। জাঁভার্টও খুঁজতে থাকে। কোসেত বড় হয়। এক রাজতন্ত্রবিরোধী বিপ্লবী মরিসের (Marius) প্রেমে পড়ে। ভাঁলজার পছন্দ না হলে ও শেষ পর্যন্ত মেয়ের সুখের কথা ভেবে মেনে নেয়। এদিকে, বিদ্রোহ চলাকালে বিদ্রোহীদের হাতে আটক জাঁভার্টকে বাঁচিয়ে দেয় ভালজাঁ। পরে বিদ্রোহে আহত মরিসকেও জানবাজি রেখে বাঁচায়। কিন্তু, শেষ মূহুর্তে জাঁভার্টের হাতে ধরা পড়ে যায়। তখন, ভালজাঁ নিজের প্রানের বিনিময়ে ভিক্ষা চায় মরিসের জীবন।
আশ্চর্য হয়ে যায় জাঁভার্ট। মানসিক দোটানায় পড়ে ছেড়ে দেয় ভালজাঁকে আর অতীত জীবনের গ্লানি সইতে না পেরে সীন নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করে। শেষ জীবনটা কোসেত আর মরিসের সান্নিধ্যে ভালই কেটে যায় ভালজাঁর।
সুদীর্ঘ ৫ ভলিউমে প্রকাশিত এই উপন্যাসের সব কথা হয়তো এত অল্প কথায় বোঝানো সম্ভব নয়, তবে কিছুটা হলে আভাস পাওয়া যায় বলে লিখে দিলাম।
প্রকাশের পরই এটি প্রচন্ড সাড়া ফেলে ফরাসী বোদ্ধা মহলে। এ নিয়ে একটা গল্প ও শুনে ছিলাম। সত্য-মিথ্যা জানি না। গল্পটা হলো- লা মিজারেবল বইটা প্রকাশের সময় হুগো ফ্রান্সের বাইরে ছিলেন। বইয়ের কাটতি কেমন জানতে তিনি প্রকাশককে চিঠি লিখেন কাগজে শুধুমাত্র একটা প্রশ্নবোধক চিহ্ন (?) দিয়ে। আর প্রকাশক জবাব দেন চিঠিতে একটা বিরাট আশ্চর্য্যবোধক চিহ্ন (!) লিখে। এটাই নাকি বিশ্বের সবচেয়ে ছোট চিঠি।
যাই হোক, অনেক ভাষায় অনুবাদ হয়েছে এ বই। নির্মিত হয়েছে অন্ততঃ তিন ডজন চলচ্চিত্র।
তেমনি একটি চলচ্চিত্র ১৯৯৮ সালের Les_Miserables । লিয়াম নিসন, উমা থুরম্যান অভিনীত এই চলচ্চিত্রে সুবিশাল মূল কাহিনীর অনেকাংশই উঠে এসেছে।
রেপিডশেয়ার দিয়ে ডাউনলোড করুন- (WINRAR দিয়ে extract করুন)
পার্ট-১
পার্ট-২
পার্ট-৩
পার্ট-৪
পার্ট-৫
পার্ট-৬
পার্ট-৭
পার্ট-৮
যাঁরা দেখেন নি, তাঁরা দেখে ফেলুন; আর যাঁরা পড়েন নি (হতভাগ্য !) তাঁরা তাড়াতাড়ি পড়েন নিন।
১৮ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৯
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ধন্যবাদ।
আপনি বুঝতে ভুল করেছেন।
আমার বাবার বিশাল একটা বইয়ের সংগ্রহ ছিলো। কিন্তু, কখনোই আমাকে বলে দেন নি, "এটা পড়, ওটা পড়!"
বলেছেন, "যেটা ভালো লাগবে তাই পড়বি!"
সেই অর্থেই একথা বলেছি।
আর সেবা'র ঐ অনুবাদ টা (হয়তো পড়েন নি) এতোটাই ঝরঝরে ছিলো যে, অথোস, পথোস, আরামিস আর ডিয়াঁরতানার গল্প না বুঝতে পারা মত ছিলো না।
বলতে পারেন, পুরো বুঝি নি। কিন্তু, মজাটাতো পেয়েছিলাম!
মানুষের কথাকে এত সহজে ছুঁড়ে ফেল দেবেন না, দয়া করে!
২|
১৮ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৭
মোঃ আমিন বলেছেন: ৭ম শ্রেনীতে তখন পড়ি কুমিল্লা জিলা স্কুলে।বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে থেকে নিয়ে পড়া, লা মিজারেবল।আজও ভুলিনি !
১৮ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:০২
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ভোলার মত নয় যে!
৩|
১৮ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:০০
আহমেদ রাকিব বলেছেন: @ মন মানে না।
আমার মনে হয় আপনার কিছুটা বোঝার ভুল হয়েছে।
লেখক বলছেঃ বই পড়ার ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউই আমাকে পথ দেখায় নি
এর মানে আসলে একটু গভীর। মানে বেড়ে উঠার সাথে সাথে পথ দেখানো। ভালো ভালো বই পড়া কিংবা কোন বই কখন পড়া উচিত। আমি যেমন প্রথম বার শেষের কবিতা পড়ে খুব বিরক্ত হয়েছিলাম। তখন এইট কি নাইনে পড়ি। পড়ে আবার পড়েছি। কেউ বলেনি তাও পড়েছি অন্তত ৪-৫ বছর পরে। খুব ভালো লেগেছে। লেখকের এই কথার সাথে ক্লাস থ্রিতে আলেকজান্ডার দ্যূমার থ্রী মাস্কেটিয়ার্স পড়া কথাটা ঠিক সম্পর্কযুক্ত মনে হয়নি, অন্তত আমার কাছে। আমি নিজেও যদি বলি বলবো আমাকেও কেউ পথ দেখায়নি।
১৮ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:০৮
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: মন মানে না -এর জবাব দিয়ে দিয়েছি।
আর ক্লাস থ্রিতে আলেকজান্ডার দ্যূমার থ্রী মাস্কেটিয়ার্স পড়া কথাটা তোলার কারন-
১. কিশোর ক্লাসিকগুলো কত আগে থেকেই আমাদের প্রজন্মের জীবনে প্রভাব ফেলতে শুরু করেছিল তা বলা।
২. লা মিজারেবল আমার জীবনে পরা দ্বিতীয় ক্লাসিক তা জানানো।
৩. বইটার সাথে আমার সুদীর্ঘ ভালোবাসার সম্পর্কে বোঝানো।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
৪|
১৮ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:০২
মন মানে না বলেছেন: লা মিজারেবল সংক্ষেপে ভালই লিখেছেন ।
১৮ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:০৯
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: যাক!
আপনাকে বোঝাতে পেরেছি যে, অন্ততঃ চাপা মারি নি!
হিহিহি।
৫|
১৮ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:০৬
আহমেদ রাকিব বলেছেন: লেখক সাহেবঃ
লা মিজারেবল আমারো খুব প্রিয়। তাই আপনার লেখা অটোমেটিক আমাকে টাচ করেছে। তবে এই গণ্ডি ছাড়িয়ে বলছি, যেই অংশগুলো আপনি পিক করেছেন, চমৎকার হয়েছে। লেখনিও ভালো হয়েছে। বিশ্লেষন একটু কম থাকলেও সেটা টের পাওয়া যায়নি। আর ভূমিকার মতন উপসংহারে চিঠির গল্পের উল্লেখটা ভালো লেগেছে। আপনাকে ধন্যবাদ।
১৮ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:১০
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ধন্যবাদ দিয়েছি আগেই।
এখন আবার দিলাম!
৬|
১৮ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:১৬
রাকিব বলেছেন: আমার প্রিয় ক্লাসিক বই চার্লস ডিকেন্সের 'আ ক্রিসমাস ক্যারল'। ক্লাস সিক্সে পড়েছিলাম। এখন পর্যন্ত আমার সেরা বই। খসরু চৌধুরী অনুদতি সেবার এই বই অসংক্ষেপিত। কয়েক মাস আগে পেঙ্গুইন এর বইটা পড়লাম।
১৮ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:২৫
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: স্যরি।
নাম শুনেছি।
পড়া হয় নি।
পড়ার জন্য কত কিছু বাকি আছে এ জীবনে!
৭|
১৮ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:২৫
মন মানে না বলেছেন: আপনি অনেক সৌভাগ্যবান যে আপনার বাবার বইয়ের সংগ্রহ ছিল । হাতের কাছেই অনেক বই পেয়েছেন অনেক ছোট থেকেই । আসলে পারিবারিক আবহ টা খুবই জরুরী । সে রকম পরিবেশে বেড়ে উঠলে আসলে কিছু বলতে হয় না ।পথ ও দেখাতে হয় না !
আমাদের কথা চিন্তা করুন । মফস্বলের ছেলে, বাবা-মা, অল্প শিক্ষিত ।পারিবারিক আবহ বলতে যা বোঝায় তা কখনো পাইনি ।
পথ যা দেখানোর আমার বড় আপাই দেখাতেন । ভাল মন্দ বলতেন ।
বড় আপা বই পড়তেন । সেগুলো লুকিয়ে লুকিয়ে পড়তাম । ছোট দের নাকি প্রেমের বই পড়তে হয় না !
কুয়াশা সিরিজ, মাসুদ রানা, দস্যু বনহুরের সাথে ক্লাস ফাইফ থেকে পরিচিত থাকলেও পড়ার অনুমতি পেয়েছি অনেক পড়ে । আপা আমাকে ক্লাস সেভেনে থাকতে কিনে দিলেন "ভুত এলো শহরে"। চিন্তা করেন ?
আমি তখন ভুতের নানা হয়ে গেছি !
প্রতিবছর ১লা বৈশাখে, জন্মদিনে আপা বই গিফট করত ।
আমাকে গড়ে তোলার পেছনে আপাই আমার অগ্রদূত ।
স্কুলে যে বছর বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে শাখা খুলল আমাকে আর পায় কে !!
যাই হোক বেশি পেসিমিস্টক হয়ে গেলো বলে দুঃখিত ।
কষ্ট পেলে আমি আন্তরিক ভাবে লজ্জিত ।
বেশি মন খারাপ হলে দাওয়াত রইল ।
Click This Link
১৮ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৭
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আপনার দুঃখটা অনুভব করছি।
সমব্যথী।
আর ঐ লিঙ্কটাতে সকালেই কমেন্ট মেরে এসেছি!
হাহাহা।
দেখেন নি?
৮|
১৮ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৫১
আহমেদ রাকিব বলেছেন: @ মন মানে না
যাই হোক বেশি পেসিমিস্টক হয়ে গেলো বলে দুঃখিত ।
কষ্ট পেলে আমি আন্তরিক ভাবে লজ্জিত ।
ভালো লাগলো আপনার কমেন্টটা। সবারই সুযোগ থাকলে কিছুটা উদার হওয়া উচিত। ভালো থাকুন, আরো ভাল ভাল বই পড়ুন।
২০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:১১
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ইটস ওকে রাকিব!
৯|
১৮ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৫
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন: অনেকেই লেখককে চাপাবাজ বলছেন। এটা ঠিক না। কারন একটা বইয়ের বিশেষ করে ক্লাসিকগুলোর অনুবাদের অনেকগুলো সংস্করন থাকে। কিছু কিছু থাকে কিশোর উপযোগী। লেখক হয়ত সেগুলোর কোনটাই পড়েছেন। লা মিজারেবলেরও কয়েকটা সংস্করন আছে আছে। এমনকি সকল ক্লাসিকগুলোকে ছোটগল্পের মত বানিয়ে এক বইয়ে ১৩-১৪ টা ক্লাসিক ভরে বানানো বইও আছে বাচ্চাদের জন্য।
আমার বইয়ের নেশা মারাত্মক। ঈদের জামার টাকা দিয়ে পল্টন থেকে বাজারের ব্যাগ ভরে বই কিনে আনতাম পাইকারী দরে আমরা বাপ-পুতে দুই জনে।
১৮ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৯
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ধন্যবাদ।
/*ঈদের জামার টাকা দিয়ে পল্টন থেকে বাজারের ব্যাগ ভরে বই কিনে আনতাম পাইকারী দরে আমরা বাপ-পুতে দুই জনে। */
হাহাহা।
মজা পাইলাম!
১০|
১৮ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৮
আজুরা রাহমান বলেছেন: আমার অন্যতম প্রিয়।
১৮ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৩
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ধইন্যা...
১১|
১৮ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৪
তনুজা বলেছেন: অনেক আগে পড়া, অনেককিছু ভুলেও গিয়েছিলাম। পোস্টের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:১২
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: মনে করিয়ে দিতে পেরে আমিও খুশী।
১২|
১৮ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৮
গুরুদেব বলেছেন: আমার প্রিয় একটা বই।
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:১২
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: জয় গুরুদেব!
১৩|
১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:০৫
আবদুল ওয়াহিদ বলেছেন:
+
থ্রি মাস্কেটিয়ার্স সেবার অনুবাদটা অসাধারন।
কিন্তু সেবার লা মিজারেবল যাচ্ছে তাই।
হানচ ব্যাক অফ নটরডেম পড়েছেন? আরেকখান মাস্টার পিস।
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:০৬
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: সেবা'র লা মিজারেবল আসলেই যাচ্ছেতাই।
হ্যান্সব্যাক অভ নটরডেম ও সেই রকম।
আসলে নিয়াজ মোরশেদের অনুবাদই অন্য ধাঁচের ছিলো।
এখন যে কী সব অনুবাদ হয়!
১৪|
১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:৪২
আকাশ_পাগলা বলেছেন: লা মিজারেবল অসাধারণ একটা বই।
আমি পড়ে ছিলাম ৬ এ থাকতে। থ্রী মাস্কোটিয়ারস ৫ এ থাকতে পড়েছিলাম।
৯ এ লা মিজারেবল নিয়ে আবার বসি। এবার ইংরেজিতে। এক কথায় অসাধারণ।
দেখেন, নায়কের মৃত্যুটা কিন্তু একদম স্বাভাবিক। অথচ, বুকে কত হাহাকার করে উঠে। এটা লেখকের ক্ষমতা। শুনেছি হুগো সাহেবের নাকি এই বই লিখতে ২১ বছর লেগেছে ?????
এটা নাকি রেকর্ড ?
হানচ ব্যাক অব নটরডেম পড়তে পারেন। আমি অনুবাদ পড়েছি এটার। সেবা থেকে। মাঝে মাঝে মনে হত, কাহিনী যেন ঝুলে গেছে। তবে, শেষ পর্যন্ত সেই অনুভূতিটা ঠিকই পাবেন, যেটা লা মিজারেবল এ পাওয়া যায়।
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:০৭
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ক্লাসিক পড়ার ক্ষেত্রে আমার এখনো অনুবাদই ভরসা!
ইংরেজীতে বই পড়তে আমার এখনো দাঁত ভেঙে যাবার অবস্থা হয়!
১৫|
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ৮:১৩
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: লা মিজারেবল অনেক বড় হয়ে পড়েছি ।
সম্ভবত ইন্টারমেডিয়েটের পড়ে।
তারপরও কঠিন লেগেছে।
ক্লাস ফাইভ সিক্স থেকেই সেবার কিশোর ক্লাসিক পড়া শুরু।
আসলেই পারিবারিক আবহটা গুরুত্বপূর্ন।
তবে বিপরীত ক্রমে অনেককে দেখছি বাবা মা অনেক বই পড়লেও - ছেলে মেয়েদের তেমন অভ্যাস নাই।
তাই এটা এখনো মিষ্ট্রি আমার কাছে।
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:১১
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: পারিবারিক আবহটা গুরুত্বপূর্ন।- সহমত।
১৬|
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:২৮
আট আনা বলেছেন: ক্লাস থ্রি তে মনে হয় স্বাধীনভাবে কোন বই পড়ার ক্ষমতা আমার ছিলনা, আশেপাশের কাউকেও সেভাবে দেখিনি এত অল্প বয়সে এরকম বই পড়তে। যাহোক আপনি নি:সন্দেহে মেধাবী।
আলেকজান্দার দ্যুমা আমারো অনেক প্রিয়। কাউন্ট অব মন্টিক্রিস্টো পড়েছেন? আমার সেবা'র প্রথম পড়া বই হলো সাইলাস হকিংয়ের হার বেনি। মনে আছে, এটা পড়ে কেদেই ফেলেছিলাম আমি।
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:০১
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: কাউন্ট অব মন্টিক্রিস্টো পড়েছি।
হার বেনি পড়া হয় নি।
আর মেধাবী বলে লজ্জা দেবেন না! আমার আসলে পড়ার বইয়ের বাইরে অন্য কিছু গিলতে সব সময়ই ভালো লাগতো!
১৭|
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:৩৩
কঁাকন বলেছেন: লা- মিজারেবল আমারো খুব প্রিয়
আমি এটা প্রথম কোন ক্লাসে পড়েছিলাম মনে নেই তবে খুব অদ্ভুতভাবে পড়েছিলাম অনেক আগে এস,এসসি তে এটা বোধয় রেপিডরিডার হিসেবে পাঠ্য ছিলো, আমি আমার এক কাজিনের পুরোনো বই ঘাটতে গিয়ে ওর নোটবই এ গল্পটা পড়েছিলাম পরে সেবা প্রকাশনী
আর আপনার ? আর ! এর গল্পটাও শুনেছি , সত্য মিথ্যা জানি না তবে বেশ মজার
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:০২
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আমার? কি?
বুঝতে পারলাম না!
১৮|
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:৩৫
বিডি আইডল বলেছেন: বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের অনুবাদ টা ভালো ছিল..মুভি টা দেখা..
সেবার সেসব ক্লাসিকের প্রতি চরমত কৃতজ্ঞ....এইরকম চমৎকার অনুবাদ এই এখনও ভারতীয় বাংলায় রপ্ত করতে পারেনি..
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:০৬
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: বিশ্ব ক্লাসিক গুলোর বাঙলা অনুবাদে সেবা'র ধারেকাছে ও কেউ আগেও ছিলো না, এখনো বোধহয় নেই!
ভারতীয় বাঙলা অনুবাদ গুলো প্রায়শঃই অখাদ্য হয়।
তবে ঐ অনুবাদটি মনে হয় ভালো ছিল। নইলে মনে দাগ কাটত না!
১৯|
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:৪১
আট আনা বলেছেন: পোষ্ট দিয়েছেন ভিক্টর হুগো-কে নিয়ে আর আমি আরেকজনের প্যাচাল পেরে গেলাম ![]()
বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র থেকে লা মিজারেবল আর হান্চব্যাক অব নটরডেম পড়েছি। কেমন লেগেছিল তা বলার আর দরকার নাই মনে হয়।
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:০৭
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আরেকজনের প্যাচাল ?
ব্যাপার্স না!
২০|
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:১৪
কঁাকন বলেছেন: আপনার == চিঠির গল্প (?&!)
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:২৮
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ও আচ্ছা !
এবার বুঝেছি!
ধন্যবাদ।
২১|
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:৪২
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন: প্রথম যখন লা মিজারেবল পড়ি, তখন আমি প্রবল জ্বরে আক্রান্ত। একে জ্বরের ঘোর, তারওপর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বই, মন্তব্য লেখার ঝামেলা, ফেরত দেয়ার ঝামেলা...তবু, কাহিনীটা আমার ভালো লেগেছিলো।
এতদিন পর সেই কাহিনীর আর তেমন কিছুই মনে পড়ে না। বাংলা অনুবাদের কোনো লিন্ক আছে? দিতে পারবেন কি?
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:৪৮
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ভালো বাঙলা অনুবাদের লিঙ্ক পাওয়াটা ভাগ্যের ব্যাপার।
তবু, খুঁজে দেখবো।
পেলে জানাবো।
২২|
৩১ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:৫৫
শাফ্ক্বাত বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনার এই পোস্টের জন্য। লা মিজারেবল আমি পড়েছিলাম ক্লাস ঐটে বিশ্বসাহিত্যের এক প্রজেক্টের আওতায়। আমি মনে মনে লিস্ট করেছি আমার মেয়েদের জন্য কী কী বৈয়ের কালেকশন করবো, তার মধ্যে এই বৈ ও আছে।
আমি লেখাটা শো-কেসে নিলাম।
(আপনিও কি বৈ টা পড়ে অনেক কেঁদেছিলেন?)
৩১ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:১৫
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: লেখা পড়ে কমেন্ট করার জন্য ধন্যবাদ।
সন্তানদের ভালো বই পড়তে দেবেন জেনে আরো ভালো লাগলো।
বই পড়ে আজ পর্যন্ত আমি কখনো কাঁদিনি,(এটা আমার অক্ষমতা)।
২৩|
২০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:১৮
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: এই পোস্ট সম্পর্কে সংক্ষেপে মন্তব্য করবো না। পরে করবো।
ভিক্টর হুগো আমার শৈশবের মনন কে প্রবল প্রভাবিত করেছিলেন। সেটা বুঝি যখন প্যারিসে গিয়ে নটরডেম ক্যাথেড্রাল্কেই দর্শনযোগ্য মনে হয়, আইফেল দেখতে যাওয়া নিতান্তই দ্বায়িত্ব।
২০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:২৪
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: সব লোকের কপাল আপ্নের মত ভাল না! আমরা স্বপ্ন দেখি, যাইতে পারি না!
ভেরী স্যাড!
২৪|
২০ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:১৩
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২ বলেছেন: এইটা আমি পড়েছি সিক্সে থাকতে।
একটানা পড়েছি। একসপ্তাহ ধরে। কাহিনির ভিতরে ছিলাম।
২০ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৫৩
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: শৈশবের সে দিনগুলো কী মজারই না ছিল! তাই না?
২৫|
২০ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:১৩
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের মেম্বার ছিলাম সেই কোন ক্লাস থেকে মনে নেই... কোটি কোটী বই পড়া হয়েছিল কেন্দ্রের কল্যানে এবং বাসায় ! লা মিযারেবল ফাইভ বা সিক্সের কোন একটা সময়ে পড়া ! যখন একটানা চার্লস ডিকেন্সের বইগুলো পড়ে যাচ্ছিলাম। অনুবাদ গুলো শর্ট করে বের যখন হয় , উপন্যাসের আসল ভাব সেখানে খুব কম থাকে !
২০ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:২১
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: "অনুবাদ গুলো শর্ট করে বের যখন হয় , উপন্যাসের আসল ভাব সেখানে খুব কম থাকে ! "
যে বয়সে আমরা এগুলো পড়ি, অনুবাদ্গুলো বোধ করি সে বয়সের নিরিখের করা হয়।
ধন্যবাদ।
২৬|
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:১১
প্যান্ট ঢিলা মাস্তান বলেছেন:
অবাক হইলাম। আমার লেখাটা মুক্তি পাবার আগেই চুরি গেল!! আমি খেলুম না।
অসাধারণ। অসাধারণ।
আমার প্রিয় বই। যেটা পড়ে অনেক কান্না করতে হয়েছিল।
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২৫
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: হা হা হা........
বেড়ে বলেছেন, দাদা।![]()
২৭|
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:২০
নাফসানিয়াত ফাতেমা বলেছেন: লা মিজারেবল আমি পড়েছিলাম ক্লাস সেভেনে বিশ্বসাহিত্যের এক প্রজেক্টের আওতায়। পর পর চার বছর বিশ্বসাহিত্যের ব্ই পড়া কর্মসুচিতে আমি আনেকগুলো ভাল ভাল বই পড়েছিলাম- এটা আন্যতম। খুব্ই ভাল ব্ই
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:১৯
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ভাল বই পড়ার মজাই আলাদা।
২৮|
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৬
রিমি (স. ম.) বলেছেন: অসাধারণ একটা বই। কান্না পেয়ে গিয়েছিল বইটার শেষ দিকে।
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১০
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: সবাই একই অনুভূতিতে আক্রান্ত.........
২৯|
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৮
কে এম তানভীর আহম্মেদ বলেছেন: বইটা নিয়ে ভালো আলোচনা করেছেন। আমারো অনেক প্রিয় একটা বই। এই লিংকটা দেখতে পারেন , আপনার ব্লগ বাড়িতে দাওয়াত দেবার জন্য ধন্যবাদ।
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫৪
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ধন্যবাদ আমন্ত্রন কবুলের জন্য। আপনার লিঙ্কের ১৪ নং কমেন্টটি দেখুন!![]()
৩০|
০৮ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১২:৫৭
শূণ্য উপত্যকা বলেছেন: সব ভাল ভাল বই এর রিভিউ দিয়ে ফেলল
++++++++
০৮ ই জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৩
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ![]()
![]()
![]()
![]()
৩১|
২১ শে অক্টোবর, ২০১৫ বিকাল ৪:৪১
ডাঃ মারজান বলেছেন: ' লা মিজারেবল' আমার একটি প্রিয় বই। ভালো লাগলো আপনার পোস্টটি। আমিও আপনার মতো শুভাগ্যবান। আমার মা-বাবা, ভাইয়েরা সবাই বই পড়তেন। শুভেচ্ছা রইল।
©somewhere in net ltd.
১|
১৮ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৩
মন মানে না বলেছেন: লেখক বলেছেন "তৃতীয় শ্রেনীতে পড়া অবস্থাতেই পেয়েছিলাম আলেকজান্ডার দ্যূমার থ্রী মাস্কেটিয়ার্স।"
আর ভাই ক্লাস থ্রি তে থাকাকালীন কি এই বইটা পড়ে বুঝেছিলেন ?
আপনি লিখেছেন বই পড়ার ক্ষেত্রে কেউ আপনাকে পথ দেখায় নি ।
তা ঐ বয়সে আপনাকে ঐ বই টা কে এনে দিয়েছিলো ?
আমি তো ক্লাস নাইনে থাকতে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের শাখা খোলার পর পড়ার সৌভাগ্য হয়েছিল ।
চাপা মারার জন্য মাইনাস ।