| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
তানভীর- বিন- হাসান
ভোরের আলোয়, দুপুর রোদে আর হয়নাকো সুড়সুড়ি। হচ্ছি আমি বুড়োই ভীষণ, হচ্ছ তুমি বুড়ি। [email protected]
"... আশে পাশে কোথাও বিয়ের বাদ্য বাজছে, এক মহিলার তারস্বরে শীলার যৌবননাশী গানের কথা ভেসে আসছে। ফলাফল, বিছানা ছেড়ে আমি এখন কি- বোর্ডে।
চট্টগ্রামের টিপিক্যাল কালচার- গায়ে হলুদে ব্যান্ড বাদ্যি... একসময় এটুকুতে শেষ ছিল। এখন নাটক-প্যারোডি মিলিয়ে প্যাকেজ নামে একধরনের স্থুল বিনোদনও যোগ হয়েছে তাতে। আমার এলাকার বন্ধু মহলে আমারে নিয়ে অনেক হতাশা, আমার জীবন পডত গেসে টাইপ, কারণ এইসব গায়ে হলুদের জন্য আমি কখনো বাইরে রাত কাটাবার অর্থ খুজে পাইনা...
সংগীতে থাকবে প্রানের টান, তা হবে নিতান্তই ভালো লাগার। তা যখন কামোদ্দীপক স্থুলতা আর দর্শনের বিষয় তখন তার উদ্দেশ্য হীন হয় বৈকি। আগেকার রাজা-বাদশাহ রা বাইজী নাচাতেন। এখন দিন পাল্টেছে, এখন কিশোর ছেলে-পেলেরাই নিজেরা ভয়ানক হেঁড়ে গলার অধিকারিণী ধরে এনে নাচায়, তারা নাচের সাথে সাথে গানও গায়...কিশোর-তরুনেরা ছুঁড়ে দেয় কদর্য সব মন্তব্য। ওগুলান শুনে খুশি হয় আর্থিক দৈন্যে হাবুডুবু খাওয়া আধুনিক বাইজী।
সব ক্ষেত্রে ব্যাপারটা একই না। ঢালাও ভাবে সবাইকে এক কাতারে ফেলাটাও ঠিক নয়। অনেকেই নান্দনিকতার ও পরিচয় দেন সুস্থ বিনোদনের মাধ্যমে, অনেক মেধাবি মুখও দেখা যায়, তবে তাদের চেয়ে স্থুল-দেরই সংখ্যাটা বেশী।
সংগীত ছড়িয়ে পড়ুক চট্টগ্রামের আনাচে-কানাচে। চট্টলা আরও সংগীত মেধা উপহার দিক দেশকে, কিন্তু বন্ধ হোক এই খোলা কামুক উদ্দামতা, কাটা হোক সংগীতের সুন্দর ঢালের আড়ালে বাড়তে থাকা আগাছা। তরুণী- রা গান গেয়ে যাক কিন্তু ওই কিশোর- তরুণদের চক্ষু বিনোদিত করে নয়, বরং শ্রুতিতে আসীন হয়ে, শ্রদ্ধায়-ভালবাসায় সিক্ত হয়ে ..."
২|
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ২:২৮
শূন্য পথিক বলেছেন: কিন্তু বন্ধ হোক এই খোলা কামুক উদ্দামতা
৩|
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১২ ভোর ৬:০৬
দূর আকাশের নীল তারা বলেছেন: আমরা বাঙালীরা কেন যে ভারতীয় বাঈজীদের অনুসরণ, অনুকরণ করতে যাই - বুঝি না।
©somewhere in net ltd.
১|
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১:২৭
মোহাম্মদ সোহেল হাসান বলেছেন: তরুণী- রা গান গেয়ে যাক কিন্তু ওই কিশোর- তরুণদের চক্ষু বিনোদিত করে নয়, বরং শ্রুতিতে আসীন হয়ে, শ্রদ্ধায়-ভালবাসায় সিক্ত হয়ে ..."