নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

শুধুই একটা জীবন্ত বডি!!

মি.তানভীর

work hard in silence let your success be your noise

মি.তানভীর › বিস্তারিত পোস্টঃ

হিসাবের ডেবিট-ক্রেডিট বনাম বামপক্ষ-ডানপক্ষ

১২ ই মার্চ, ২০১৮ সকাল ১১:৩২

হিসাব সমীকরণের বর্ধিত রূপ (A=L+C+R-E-D) থেকে মোট ছয়টি (৬ টি) উপাদান পাই।

এই ৬টি উপাদনকে হিসাবের স্বাভাবিক উদ্বৃত্তের ভিত্তিতে (Based on Normal balance) দুটি ভাগে ভাগ করা হয়।

১. ডেবিট উদ্বৃত্ত (Debit Balance)
২. ক্রেডিট উদ্বৃত্ত (Credit Balance)

এই ৬টি হিসাবের মধ্যে তিনটি স্বাভাবিক উদ্বৃত্ত ডেবিট এবং তিনটি স্বাভাবিক উদ্বৃত্ত ক্রেডিট!

এখন প্রশ্ন হতে পারে কোন তিনটি ডেবিট এবং কোন তিনটি ক্রেডিট। আবার এগুলোকে দুই ভাগ করার পরও আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে কেন এগুলো ডেবিট অথবা ক্রেডিট হলো..?

এই প্রশ্নগুলো যাতে আপনার মনে আসার আগেই উত্তর পেতে পারেন সেই জন্য আমি একটি গাণিতিক কৌশল তুলে ধরব। এই কৌশলটি আমার নিজস্ব চিন্তা ভাবনা থেকে করেছি যা আগে কোন বইয়ের আমি দেখিনি।

A=L+C+R-E-D
or, A+E+D = L+C+R বীজগনিতের নিয়মে
So, L.H.S = R.H.S
So, Debit = Credit

অর্থাৎ গনিতে আমরা বামপক্ষকে L.H.S বলি আর হিসাববিজ্ঞানে আমরা বামপক্ষকে Debit বলি। পক্ষান্তরে গনিতে আমরা ডানপক্ষকে R.H.S বলি আর হিসাববিজ্ঞানে Credit বলি।

তার মানে ডেবিট এবং ক্রেডিট হচ্ছে হিসাববিজ্ঞানে ব্যবহৃত দুটি সংকেত। হিসাবের বামপক্ষকে ডেবিট বলে। আর হিসাবের ডানপক্ষকে ক্রেডিট বলে।

তাহলে আমরা ডেবিট দিকে (বামপাশে) তিনটি হিসাব এবং ক্রেডিট দিকে (ডানপাশে) তিনটি হিসাব পেলাম।

স্বাভাবিক উদ্বৃত্ত ডেবিট হিসাবগুলো হচ্ছে:

A=Assets (সম্পদ)
E= Expenses (খরচ)
D= Drawings (উত্তোলন)

সম্পদ, খরচ, উত্তোলন এই তিনটি হিসাব
বৃদ্ধি (+) পেলে ডেবিট
হ্রাস (-) পেলে ক্রেডিট

ব্যাখ্যা: উপরের সমীকরনটি লক্ষ করলে দেখা যায় A, E, D এই তিনটি উপাদান যখন বামদিকে (ডেবিট দিকে) তখন এগুলো প্লাস (+) চিহ্নযুক্ত থাকে অর্থাৎ বৃদ্ধি পায়।

পক্ষান্তরে এগুলো যখন সমীকরণের ডান দিকে (ক্রেডিট দিকে) তখন মাইনাস (-) চিহ্নযুক্ত থাকে অর্থাৎ হ্রাস পায়।

স্বাভাবিক উদ্বৃত্ত ক্রেডিট হিসাবগুলো হচ্ছে:

L= Liabilities (দায়)
C= Capital (মূলধন)
R= Revenue (রাজস্ব/আয়)

দায়, মূলধন, আয় এই তিনটি হিসাব
হ্রাস (-) পেলে ডেবিট
বৃদ্ধি (+) পেলে ক্রেডিট

ব্যাখ্যা: উপরের সমীকরনটি লক্ষ করলে দেখা যায় L,C,R এই তিনটি উপাদান যখন বামদিকে (ডেবিট দিকে) তখন এগুলো মাইনাস (-) চিহ্নযুক্ত থাকে অর্থাৎ হ্রাস পায়।

পক্ষান্তরে এগুলো যখন সমীকরণের ডান দিকে (ক্রেডিট দিকে) তখন প্লাস (+) চিহ্নযুক্ত থাকে অর্থাৎ বৃদ্ধি পায়।

(A=L+C+R-E-D সমীকরণটি গনিতের নিয়মে চেষ্টা করুন আমার ব্যাখ্যার সাথে মিলে যাবে।)

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই মার্চ, ২০১৮ সকাল ১১:৫৬

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: শুভ ব্লগিং তানভীর ভাই।

১৩ ই মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৫:৪২

মি.তানভীর বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.