| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
-It’s BS11, CALIBRATED ALTITUde 2360, TRACk 160°, going to Land
- BS11!! আপনাকে কিছুটা বিভ্রান্ত মনে হচ্ছে আপনার উচিত রাডার অনুসরণ করা ও বিপজ্জনক পথ থেকে সরে যাওয়া..Negartive
- Copy!
-BS11 আমি আবারও বলছে রানওয়ে ২০(উত্তর প্রান্ত)এর দিকে এগোবেন না
-We are already on the track sir.
-Negative. কারণ ২০ তে আরেকটি প্লেন নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে
-Copy.We are turned to right sir
-BS11 আপনে কি রানওয়ে ০২ (দক্ষিণ প্রান্ত) নাকি ২০-এ নামতে চান?
-আমরা রানওয়ে ২০-এ নামতে চাই
-Ok. Then Get ready to land for 20
-Copy
-আপনে কি রানওয়ে দেখতে পাচ্ছেন?
- নেগেটিভ
-তাহলে ল্যান্ড করবেন না ডান দিকে ঘুরে যান!
- অ্যাফারমেটিভ! আমরা রানওয়ে ০২-এ নামার প্রস্তুতি নিচ্ছি!(যদিও এর আগে তিনি উল্টো দিকে নামার অনুমতি চেয়ে আসছিলেন)
-BS11 Go ahed!
[এদিকে তখন ১০ কিলোমিটার দূরে থাকা সেনাবাহিনীর একটি প্লেনকে এটিসি আবার ঠিক উল্টোটিই বলছিল, ‘বাংলাদেশের প্লেনটির জন্য রানওয়ে ২০ চূড়ান্ত]
- Come in..come innnnnnnnnn please….স্যার, আমরা কি নামার অনুমতি পেয়েছি?
- B…S…1..1….আমি আবারও বলছি, ঘোরাও..
- BS11..COME IN..BS11..BS11? R U OK???
বোম্বার্ডিয়ার ড্যাশ ৮ কিউ৪০০ মডেলের এস২-এজিইউ কে প্লেনকে ল্যান্ড করাতে গেলে Balanced field দরকার 4,466 feet landing distance দরকার 3,093 feet এবং প্রতি বার মেপে না দেখলে ল্যান্ড করানো অসম্ভব পায় নেপালের মত যায়গায়!
ক্যাপ্টেনের কি এসব মাথায় ছিলো? কিংবা বারবার কমান্ড দেয়ার কি সময় পেয়েছিলো?
আগের দিন চাকরি ছেড়ে দেয়া ফ্লাইটের ক্যাপ্টেন আবিদকে জোর করে ডিউটিতে পাঠানো হয়।
তিনি ছিলেন মানসিকভাবে বিধ্বস্ত ও বিভ্রান্ত।১২ মার্চ সকালে জুর করে ৪ বার উত্তরণ ও অবতরন করানো হয়! নেপালের ফ্লাইট অপারেট করতে অনিচ্ছা প্রকাশ করার পরও তাকে আইকাও নিয়ম ভেঙ্গে বাধ্য করা হয় প্লেন চালাতে। যা রীতিমতো সেফটির সঙ্গে আপোস করা। আর এ অবস্থায় তাকে পাঠানো বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক বিমানবন্দর হিসেবে পরিচিতি রয়েছে কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে যেখানে ওঠা-নামা করানোর জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ নিতে হয় হিসাব নিকাশের প্রজন হয়!
ত্রিভুবনে অবতরণের সময় প্রধান বাধা একটি বিশাল পাহাড়, এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৮৭০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত। ত্রিভুবন বিমানবন্দরের নয় মাইল দূরে রয়েছে এই পাহাড়। এ জন্য এই রানওয়েতে কোনো উড়োজাহাজই সোজা অবতরণ করতে পারে না। ওই পাহাড় পেরোনোর পরপরই দ্রুত উড়োজাহাজ অবতরণ করাতে হয়।
জোর করে ফ্লাইটে পাঠানো ,এটিসির দু’রকম নির্দেশনায় আর অসতর্ক ও বিভ্রান্ত পাইলট ফলাফল ৫০ টি প্রাণ ঝডে গেল।
দেখার কেউ নেই ছিলোও না কোনদিন!
-It’s BS11, CALIBRATED ALTITUde 2360, TRACk 160°, going to Land
- BS11!! আপনাকে কিছুটা বিভ্রান্ত মনে হচ্ছে আপনার উচিত রাডার অনুসরণ করা ও বিপজ্জনক পথ থেকে সরে যাওয়া..Negartive
- Copy!
-BS11 আমি আবারও বলছে রানওয়ে ২০(উত্তর প্রান্ত)এর দিকে এগোবেন না
-We are already on the track sir.
-Negative. কারণ ২০ তে আরেকটি প্লেন নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে
-Copy.We are turned to right sir
-BS11 আপনে কি রানওয়ে ০২ (দক্ষিণ প্রান্ত) নাকি ২০-এ নামতে চান?
-আমরা রানওয়ে ২০-এ নামতে চাই
-Ok. Then Get ready to land for 20
-Copy
-আপনে কি রানওয়ে দেখতে পাচ্ছেন?
- নেগেটিভ
-তাহলে ল্যান্ড করবেন না ডান দিকে ঘুরে যান!
- অ্যাফারমেটিভ! আমরা রানওয়ে ০২-এ নামার প্রস্তুতি নিচ্ছি!(যদিও এর আগে তিনি উল্টো দিকে নামার অনুমতি চেয়ে আসছিলেন)
-BS11 Go ahed!
[এদিকে তখন ১০ কিলোমিটার দূরে থাকা সেনাবাহিনীর একটি প্লেনকে এটিসি আবার ঠিক উল্টোটিই বলছিল, ‘বাংলাদেশের প্লেনটির জন্য রানওয়ে ২০ চূড়ান্ত]
- Come in..come innnnnnnnnn please….স্যার, আমরা কি নামার অনুমতি পেয়েছি?
- B…S…1..1….আমি আবারও বলছি, ঘোরাও..
- BS11..COME IN..BS11..BS11? R U OK???
বোম্বার্ডিয়ার ড্যাশ ৮ কিউ৪০০ মডেলের এস২-এজিইউ কে প্লেনকে ল্যান্ড করাতে গেলে Balanced field দরকার 4,466 feet landing distance দরকার 3,093 feet এবং প্রতি বার মেপে না দেখলে ল্যান্ড করানো অসম্ভব পায় নেপালের মত যায়গায়!
ক্যাপ্টেনের কি এসব মাথায় ছিলো? কিংবা বারবার কমান্ড দেয়ার কি সময় পেয়েছিলো?
আগের দিন চাকরি ছেড়ে দেয়া ফ্লাইটের ক্যাপ্টেন আবিদকে জোর করে ডিউটিতে পাঠানো হয়।
তিনি ছিলেন মানসিকভাবে বিধ্বস্ত ও বিভ্রান্ত।১২ মার্চ সকালে জুর করে ৪ বার উত্তরণ ও অবতরন করানো হয়!
নেপালের ফ্লাইট অপারেট করতে অনিচ্ছা প্রকাশ করার পরও তাকে আইকাও নিয়ম ভেঙ্গে বাধ্য করা হয় প্লেন চালাতে। যা রীতিমতো সেফটির সঙ্গে আপোস করা।
আর এ অবস্থায় তাকে পাঠানো বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক বিমানবন্দর হিসেবে পরিচিতি রয়েছে কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে যেখানে ওঠা-নামা করানোর জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ নিতে হয় হিসাব নিকাশের প্রজন হয়!
ত্রিভুবনে অবতরণের সময় প্রধান বাধা একটি বিশাল পাহাড়, এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৮৭০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত। ত্রিভুবন বিমানবন্দরের নয় মাইল দূরে রয়েছে এই পাহাড়। এ জন্য এই রানওয়েতে কোনো উড়োজাহাজই সোজা অবতরণ করতে পারে না। ওই পাহাড় পেরোনোর পরপরই দ্রুত উড়োজাহাজ অবতরণ করাতে হয়।
জোর করে ফ্লাইটে পাঠানো ,এটিসির দু’রকম নির্দেশনায় আর অসতর্ক ও বিভ্রান্ত পাইলট ফলাফল ৫০ টি প্রাণ ঝডে গেল।
দেখার কেউ নেই ছিলোও না কোনদিন!

©somewhere in net ltd.