নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি লেখক নই, মাঝে মাঝে নিজের মনের ভাবনাগুলো লিখতে ভাল লাগে। যা মনে আসে তাই লিখি,নিজের ভাললাগার জন্য লিখি। বর্তমানের এই ভাবনাগুলোর সাথে ভবিষ্যতের আমাকে মেলানোর জন্যই এই টুকটাক লেখালেখি।

তারেক_মাহমুদ

পৃথিবীর সব ভাল টিকে থাকুক শেষ দিন পর্যন্ত

তারেক_মাহমুদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

কিশোর প্রেম

০৭ ই মার্চ, ২০১৯ সকাল ৯:৪৮

এএসসি পরিক্ষা শেষ, আমরা তখন মুক্ত বিহঙ্গ, শুধু আকাশে ডানামেলাটাই তখন বাকী। পাড়ার রাস্তায় স্ট্যাম্প সাজিয়ে ক্রিকেট,ফুটবল, সাতচাড়া  কোন খেলাই বাদ পড়তো না। আর বাকী সময়গুলোতে পাড়ার মেয়েদের খোজখবর রাখার মহান দায়িত্বটাও আমরা নিষ্ঠার সাথেই পালন করতাম। মাঝেমধ্যে আমাদের খেলা কিংবা আড্ডার ব্যাঘাত ঘটাতে তাবলিগ জামাতের মুরব্বীরা হাজির হতেন, একটা চিল্লা মারার আহবান করতেন।আমাদের আগেরবারের এসএসসি পরিক্ষা শেষ হওয়ার পর পাড়ার সবচেয়ে দুষ্টু তসলিম ভাইতো হুজুরদের কথা শুনে বিশাল হেদায়েত লাভ করে ফেলেছিলেন, মাথায় টুপি,জোব্বা, বিশাল দাড়ি রেখে পুরাদস্তুর হুজুর বনে গিয়েছিলেন । তাবলিগের মুরব্বীদের উৎসহ তখন থেকে দ্বিগুণ বেড়ে গিয়েছিল আমাদের সবাইকে চিল্লায় পাঠাতে উনারা আঠার মত লেগে থাকলেন। আমরাও পাজির পা ঝাড়া, হুজুরদের দেখলেই ছুট, কোনমতেই আমাদের নাগাল পেতো না হুজুরগণ, অতঃপর  আমাদেরকে হেদায়েত দানে ব্যর্থ হয়ে রণে ভঙ্গ দিলেন।

এই অবসরে আমাদের বন্ধু পবন পাড়ার মেয়ে মমীর প্রেমে পড়ে গেল।বন্ধুর শয়ণে স্বপনে জাগরণে শুধুই মমী আর মমী।  দূর থেকে মমীর বাসার দিকে লক্ষ্য রাখা, কখন ব্যালকনীতে আসে, কখন জানালার পাশে দাঁড়ায়, কখন স্কুলে যায়, কখন কোচিং সেন্টারে যায় এসবের খেয়াল রাখা ছিল আমাদের ছিল আমাদের প্রতিদিনের রুটিন।মমী মেয়েটা কালো, তাতে কি? বন্ধু আমাদের দিওয়ানা হয়েছে এই মমীর প্রেমে, তাকে সহায়তা করা আমাদের দায়িত্ব, এবং অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে আমরা সেই দায়িত্ব পালন করতে থাকলাম। মমী কালো হলেও চেহারায় একটা সুইটনেস ছিল আর তাতেই আমাদের বন্ধুর এই হাবুডুবু খাওয়ার অবস্থা। আমাদের সবারই তখন চিন্তা একটাই যেকোনো মুল্যে আমাদের বন্ধুকে মমীর সাথে প্রেম করিয়ে দিতেই হবে। কিন্তু আমরা পাড়ার ভাল ছেলে, মেয়েদের বিরক্ত করাটা আমাদের কাজ নয়, তাহলে কিভাবে হবে?এ নিয়ে আমরা বন্ধুরা একদিন মিটিং বসালাম। নানাজন নানা প্রস্তাব দিল, এরমধ্যে লিটনের প্রস্তাবটাই সবার মনে ধরলো। প্রস্তাবটা ছিল এমন
-প্রতিদিন মমীর ছোটভাই পাড়ার রাস্তায় খেলতে আসে, যেকোনো একসময় তাকে আলাদাভাবে ডেকে চকলেট চিপস দিয়ে পটাতে হবে। তারপর সুযোগ বুঝে পবনের লেখা আবেগঘন ভালবাসার চিঠিখানা তার হাতে গুজে দিয়ে মমীর কাছে পাঠাতে হবে।

পরিকল্পনা অনুয়ায়ী মমীর ভাইকে খেলার ফাকে আলাদাভাবে ডেকে নিয়ে দু'চারটে মিষ্টি কথায় ভুলিয়ে হাতে একটা ক্যাডবেরি ডেইরি মিল্ক চকলেট গুজে দেওয়া হল। প্রথমে নেবো না করলেও তার চেহারা দেখেই বোঝা গেল চকলেট দেখে তার চোখ লোভে চকচক করছে। আমরা আদর যত্ন করে বন্ধুর হবু শ্যালককে চকলেট খাওয়ালাম। এরপর হাতে পবনের চিঠি গুজে দিলাম, এবং বারবার সাবধান করে দিলাম এই চিঠি যেন অন্য কারো হাতে না পড়ে। 

এরপর বেশ কয়েকদিন কেটে গেল কিন্তু মমীর কাছ থেকে কোন উওর আসলো না। ওদিকে আমাদের বন্ধুর অবস্থা কাহিল।
একদিন মমী স্কুলে যাচ্ছিল, প্রতিদিনের মত আমরাও দূর থেকে তাকে ফলো করছিলাম, হঠাৎ করেই খেয়াল করলাম মমী তার ব্যাগ থেকে ইচ্ছে করেই একটা কাগজের টুকরা রাস্তায় ফেলে দিল। মমীর হাত থেকে ভাজ করা কাগজ পড়তে দেখে আমাদের বুঝতে বাকী রইলো না কাগজটা আমাদের উদ্দেশ্যেই ফেলা হয়েছে।   আমরা দ্রুত গতিতে কাগজটা তুলে নিলাম। কাগজে লেখা ছিল মাত্র দূটো শিশুতোষ লাইন,

'পবন নামের ছেলেটি ক্লাশ টেনে পড়ে
যতসব দুষ্টু ছেলেরা তার সাথে ঘোরে'

এই চিঠি পাওয়ার পর আমাদের সবার চোখে বিশ্বজয়ের আনন্দ। যদিও আমাদেরকে দুষ্টুছেলে বলা হয়েছে তবুও আমরা মাইন্ড করিনি। সবাই মিলে পবনকে ছেঁকে ধরলাম, 'আজ খাওয়াতেই হবে' ওর কাছে টাকা ছিল না, আমরাই ওকে টাকা ধার দিলাম।

শুরু হল ওদের দুরন্ত প্রেম, এখন আর মমীর স্কুলে বা  কোচিং সেন্টারে যাওয়ার সময় পবনকে দূর থেকে ফলো করতে হয় না পাশাপাশি হেটে স্কুল এবং কোচিং সেন্টার পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে আসতে পারে। তাই আমাদের আর ওর সাথে যাওয়ার প্রয়োজন হয় না, এভাবেই বেশ কয়েকমাস খুব ভালভাবেই চলছিল ওদের প্রেমের তরী। ঈদে এখন পবনকে আমাদের সাথে পাই না,অবশ্য এতে আমাদের খুব বেশি আক্ষেপ ছিল না,আমাদের বন্ধু ভাল আছে এতেই আমরা খুশি।

কিন্তু নিয়তি বড়ই নিষ্ঠুর, পবন এবং মমীর এই সুখ খুব বেশিদিন স্থায়ী হল না। একদিন পবনের সব চিঠিসহ মমী ধরা পড়ে গেল তার মায়ের হাতে। পরে জেনেছি মমী মা সেদিন মমীকে শুধু বকাঝকাই করেনি রীতিমতো গায়ে হাত তুলেছিল। এরপর থেকে বন্ধ হয়ে গেল মমীর সাথে পবনের গোপন অভিসার। মমীর বাবা মা শুধু পবনকে নয় আমাদেরকেও সন্দেহের চোখে দেখতো। একদিন মমীর বাবা পবন এবং আমাদের সবাইকে ডেকে রীতিমতো হুমকি দিয়ে বললেন,  তার মেয়ের আশেপাশে দেখলে আমাদেরকে জেলের ভাত খাওয়াবেন। আমরা ছোট মানুষ এই হুমকি ভয় পেয়ে পবনকে বললাম
'বন্ধু মমীর আশা ছেড়ে দেও'
এখন আর মমী একা স্কুলে বা কোচিং সেন্টারে যেতে পারে না তার সবসময়ের সঙ্গী তার মা অথবা আন্টি। মমীর সেই ছোট ভাইটিকেও এখন আর চকলেটের লোভে ভুলিয়ে চিঠি পাঠানো যায় না, আমাদের দেখলে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পবন বেচারার দুঃখে আমাদের দুঃখিত হওয়া ছাড়া কিছুই করবার নেই। পবন মমীর  বিরহে ইতিমধ্যেই সিগারেট ধরেছে।


এভাবেই প্রায় ছয়মাস কেটে গেল একসময় আমরা ধরেই নিয়েছিলাম পবন আর মমীর প্রেমের সমাপ্তি ঘটেছে। আমরা তখন কলেজে ভর্তি হয়েছি, পড়াশুনার খুবই চাপ তাই পবন মমীকে নিয়ে আমাদের মাথাব্যাথা আগের মত নেই। একদিন পবনের কাছ মমী তার বান্ধবীর মাধ্যমে একটা চিঠি আসলো চিঠি ভাষা ছিল এমন

প্রিয় পবন

আমার আব্বা তোমার আমার ব্যাপারটা জানার পর থেকে আমাকে বেশ কয়েকবার মেরেছে। এখনও  উঠতে বসতে আমার বাবা মায়ের কাছ থেকে নানারকম কটু কথা শুনতে হয়। আমার জীবনটা দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে আমার পক্ষে এভাবে বেচে থাকা সম্ভব নয়। বাবা মায়ের কাছে এভাবে কটু কথা শোনা আর মার খাওয়ার চেয়ে তোমার সাথে ফুটপাতে থাকাও ভাল। তাই আমি ঠিক করেছি আমি তোমার কাছে চলে আসবো, আগামী রবিবার আমি স্কুলের নাম করে বাসা থেকে বের হয়ে তোমার কাছে চলে আসবো।  তুমি আগামী রবিবার আমাদের স্কুলের গেটের সামনে অপেক্ষা করবে।

ইতি
তোমার মমী।

বুঝলাম বিষয়টি এখন সিরিয়াস পর্যায়ে পৌছেছে।আসলে বাবা মা তাদের মেয়েকে সুন্দরভাবে না বুঝিয়ে শুধুই মারধোর করেছে বলেই মেয়ে বিগড়ে গেছে। পবন আমাদের কাছে পরামর্শ চাইলো কি করা যায়? আমরা কোন সমাধান দিতে পারলাম না। শেষমেষ পবন সিদ্ধান্ত নিলো রবিবার  মমীর স্কুলের সামনে  ওর জন্য অপেক্ষা করবে।

নির্ধারিত দিনে পবন যথারীতি মমীর স্কুলের গেটে হাজির তার সঙ্গী ছিল আমার অপর দুই বন্ধু লিটন এবং মাসুদ। ওরা তিনজন স্কুলের গেট থেকে একটু দূরে অপেক্ষা করছিল, কিন্তু বিধিবাম সেদিন মমীর সাথে ওর আম্মুও ছিল। মমী স্কুলের গেটে ঢোকার আগ মুহুর্তে চারিদিকে তাকাচ্ছিল এবং পবনকে খোঁজার চেষ্টা করছিল। দশ পনের মিনিট অপেক্ষার পর ওরা যখন ধরেই নিয়েছিল মমী বের হবে না। তখন ওদেরকে অবাক করে দিয়ে মমী স্কুল থেকে বেরিয়ে এলো,  ততক্ষণে মমীর মা বাসায় চলে গেছেন।

একটা বেবিট্যাক্সি ভাড়া করে ওরা রওনা দিল, গন্তব্যে পবনের বোনের বাসা, পবনের বোন দুলাভাই গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিল পবনের কাছে বাসার চাবি দিয়ে। মমীর প্রথম কথা ছিল আগে বিয়ে করতে হবে পবনও তাতে সায় দিল। পবনের বোনের একটা লাল শাড়ি পারে নিল মমী আর পবন পরলো ওর দুলাভাইয়ের পাঞ্জাবি। কিন্তু বাদ সাধলো স্থানীয় কাজী, তারকথা ছেলে মেয়ে দুজনেই অপ্রাপ্ত বয়স্ক তাই এই বিয়ে তিনি পড়াবেন না। যদি ওরা নিজেদের গার্জিয়ান নিয়ে আসতে পারে তবে তিনি বিবেচনা করে দেখবেন। কি করা? লিটন আর মাসুদ বাসায় আগেই বলে এসেছিলো রাতে বাসায় ফিরবে না, তাই ওরাও পবন মমীর সাথে ওদের পবনের বোনের  বাসায় থেকে গেল।


ওদিকে মমীর মা বাবা হন্যে হয়ে পবনকে খুজতে লাগলো। লোক জানাজানির ভয়ে মমীর বাবা প্রথম দিন কাউকেই ঘটনাটা বললেন না এমনকি পবনের মা বাবাকেও নয়। লিটন মাসুদের বাসায় গিয়ে ওদেরও খুজতে লাগলেন ওদেরকে না পেলেও ওদের বাসা থেকে জানতে পারলেন ওরা তিনজন একসাথেই পবনের বোনের বাসায় আছে তখন শিওর হয়ে গেলেন ওদের সাথেই মমী আছে।

পরদিন ভোরে লিটন এবং মাসুদ বাসায় ফিরে এল ওদেরকে রেখে আর ঠিক তখনই ওরা দুজন মমীর বাবার হাতে ধরা পড়লো। মমী বাবা সাথে আরও দুইতিনজন পুরুষ মানুষ ছিলেন সম্ভাবত ওর মামা বা চাচা হবেন।
-বল আমার মেয়ে কোথায়? নইলে তোদের দুজনকে জেলে ভরবো।
ওরা ভয়ে সব স্বীকার করলো। ওদের দুজনকে নিয়ে   পবনের বোনের বাসায় হানা দিলেন এবং পবন এবং মমীকে হাতে নাতে ধরলেন। মমীর বাবা সবাইকে শপথ করালেন গত রাতের ঘটনা যেন পৃথিবীর আর কেউ না জানে,আর যদি জানাজানি হয় তবে ওদেরকে মেরে হাড়গোড় ভেঙে দেবেন।

এরপর থেকেই মমীকে পুরোপুরি বন্দী করা হল, ওর মা ওকে স্কুলে নিয়ে যেতো এবং যতক্ষণ ক্লাসে থাকতো ততক্ষণ তিনিও স্কুলের বাইরে বসে থাকতেন। ওদিকে পবনের যাচ্ছেতাই অবস্থা, মমীর বিরহে সিগারেটের পাশাপাশি গাজাও ধরেছে। আমরা ওকে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করলাম কিন্তু পৃথিবীর কোন কিছুতেই যেন ওর আর আগ্রহ নেই।

একদিন বিকেলে খেয়াল করলাম মমীদের বাসা লাইটিং করা হয়েছে, আশপাশের মানুষের কাছ থেকে জানলাম কাল মমীর বিয়ে। মমীর চেয়ে তিনগুণ বয়সের এক লোকের সাথে মমীর বিয়ে হয়ে গেল। চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া আমাদের আর কিছুই করার রইলো না। সময়ের সাথে সাথে আমাদের বন্ধু পবনও স্বাভাবিক হয়ে উঠলো। সবকিছুই স্বাভাবিক সেই একটি রাতের ঘটনাও আমরা কখনোই কারো কাছে প্রকাশ করিনি।


সৈয়দ তারেক মাহমুদ

মন্তব্য ৪০ টি রেটিং +৯/-০

মন্তব্য (৪০) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই মার্চ, ২০১৯ সকাল ৯:৫১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: Excellent

০৭ ই মার্চ, ২০১৯ সকাল ১০:০৬

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ সাজ্জাদ ভাই, অনেক অনেক ভালবাসা।

২| ০৭ ই মার্চ, ২০১৯ সকাল ১০:২১

নয়া পাঠক বলেছেন: ফাইট্টা যায় বুকটা ফাইট্টা যায়........

০৭ ই মার্চ, ২০১৯ সকাল ১১:১০

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: কিশোর প্রেমের পরিনতি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এমনই হয়। মন্তব্য অনেক ধন্যবাদ ভাই নয়া পাঠক।

৩| ০৭ ই মার্চ, ২০১৯ সকাল ১০:২৩

হাবিব স্যার বলেছেন: আহারে বিরহ

০৭ ই মার্চ, ২০১৯ সকাল ১১:৩০

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ হাবিব স্যার।

৪| ০৭ ই মার্চ, ২০১৯ সকাল ১০:৫২

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: তারেক ভাই,

অসাধারণ গল্প হয়েছে, যদিও শেষে এসে এভাবে মমীর পরিনতি না মানার হলেও সমাজ আমার মেনে নিতে প্রায়ই বাধ্য করে।
আচ্ছা, নামগুলো কি ছদ্মনাম! নাকি আপনিও.... ;)


পবনের জন্য ভাল একটা চাকর দেখে ১২-১৪ ঘন্টার লম্বা ডিউটিতে ঢুকিয়ে দিলে হয়ত মমীকে ভুলে যেতে সাহায্য হত। আচ্ছা, এটা অতি আবেগের ফসল?


০৭ ই মার্চ, ২০১৯ সকাল ১১:৫০

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: তাজুল ভাই,

গল্পতো মানুষের জীবনেরই প্রতিচ্ছবি, কিছু কল্পনা কিছু বাস্তব মিলেইতো একটা গল্প তৈরি হয়।

গল্পেতো বলা হয়েছে এটা অনেক আগের গল্প, পবনের এতদিনে মমীকে ভুলে নতুন জীবন শুরু করার কথা, আসলে এরপরের গল্প আমার জানা নেই।

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ও ভালবাসা।

৫| ০৭ ই মার্চ, ২০১৯ সকাল ১০:৫৬

আকিব হাসান জাভেদ বলেছেন: গল্পের প্রেমটা সেই সময়ে অল্প বয়সের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও একটা ভালোবাসার টান ছিলো। আজ এই টান নেই কিন্তুু ভালবাসা আছে।

০৭ ই মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৫

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: কিশোর প্রেম সত্যি খুবই সিরিয়াস টাইপের হয়, এসময় বাবা মা যদি ছেলেমেয়েদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করতে পারেন তবে তা সকলের জন্য মঙ্গলকর। অনেক ধন্যবাদ।

৬| ০৭ ই মার্চ, ২০১৯ সকাল ১১:৫১

প্রামানিক বলেছেন: চমৎকার গল্প। খুব ভালো লাগল।

০৭ ই মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৮

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ প্রামাণিক ভাই।

৭| ০৭ ই মার্চ, ২০১৯ দুপুর ১২:১১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় তারেকভাই,

পরীক্ষামূলকভাবে দেখছিলাম ব্লগে ঢোকা যায় কিনা । শুরুতেই লগ ইন করতে পারলাম। পোস্টটি পাঠ করে সুযোগ হলে আবার কমেন্ট করব।

শুভকামনা ও ভালোবাসা জানবেন।

০৭ ই মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৪:০০

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: সামুতে ঢুকতে পেরেছেন জেনে ভাল লাগলো, কলকাতাতেতো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। যাইহোক এসেছেন মন্তব্য করেছেন সেজন্য ধন্যবাদ।

৮| ০৭ ই মার্চ, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: বড় প্রেম............শুধু কাছেই টানে না, দুরেও ঠেলে দেয়!! ;)

০৭ ই মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৪:০৫

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: তা অবশ্য ঠিক, তবে কিশোর প্রেম কষ্টই দেয় বেশি সফল হয় কমই। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ মফিজ ভাই।

৯| ০৭ ই মার্চ, ২০১৯ দুপুর ১:২৮

রাজীব নুর বলেছেন: একটানা পড়ে ফেললাম।
পড়ে আণন্দ পেলাম।
এখন তারা কোথায়?
মমী নামটা খুব সুন্দর।

আমি এসএসসি পরীক্ষা দেবার পর সিগারেট ধরেছিলাম। পরীক্ষা শেষে মনে হলো আমি অনেক বড় হয়ে গেছি।

০৭ ই মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৪:০৯

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: রাজীব ভাই
পড়ার জন্য ধন্যবাদ। তারা কোথায় আমার জানা নেই।
হুম কলেজে উঠলে সবারই মনে হয় আমরা বড় হয়ে গেছি, এই ভাবনা থেকে অনেকে খারাপ পথেও চলে যায়।

১০| ০৭ ই মার্চ, ২০১৯ দুপুর ১:২৮

মুক্তা নীল বলেছেন: আপনার পুরো লিখাটা পড়ার পর এখনও বুঝতে পারছি না এটা গল্প না বাস্তব ঘটনা। এক কথায় অসাধারণ ....।
এই ঘটনাগুলো আমাদের চারপাশে বাস্তবতার সাথে মিল খুঁজে পাওয়া জীবনেরই পটভূমি। আগের দিনের মমীরা ছিলো অনেক সহজ সরল আর এই যুগের মমীরা অনেক বুদ্ধিমতী, এ-ই যা পাথক্য।
সত্যি ঘটনা হোক আর গল্পই হোক এক কথায় চমৎকার।

০৭ ই মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৫:১৯

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: প্রিয় মুক্তা নীল আপু

এগুলো আমাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া বাস্তব ঘটনাই গল্পের আকারে তুলে ধরা হয়েছে। আপনার এমন চমৎকার মন্তব্য আমাকে উৎসাহিত করেছে। আপনার জন্য অনেক শুভকামনা।

১১| ০৭ ই মার্চ, ২০১৯ দুপুর ২:০১

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: তারেক ভাই,গল্পতো সুন্দর করে বলে গেলেন। দু:খ লাগল অপরিনত প্রেমের সমাপ্তি দেখে।

০৭ ই মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৫:২২

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: সুজন ভাই
আমার পোষ্টে আপনাকে পেয়ে অনেক ভাললাগলো। বেশিরভাগ অপরিনিত প্রেমের পরিনাম মুটামুটি এমনই। অনেক ধন্যবাদ ও শুভকামনা।

১২| ০৭ ই মার্চ, ২০১৯ দুপুর ২:২০

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: পৃথিবীতে অনেক কষ্ট আছে, তবে সবচেয়ে বেশী কষ্ট হলো বিরহের।

১০ ই মার্চ, ২০১৯ সকাল ৮:৪৩

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: একদম সঠিক বলেছেন ভায়া। অনেক ধন্যবাদ ও ভালবাসা।

১৩| ০৭ ই মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৩:১৮

পুলক ঢালী বলেছেন: সুন্দর সরল বাল্যপ্রেমের গল্প, বাল্যপ্রেম সাধারনত বিয়োগান্তকই হয় । লেখনীর গুনে খুব মজা পেলাম।

১০ ই মার্চ, ২০১৯ সকাল ৮:৪৪

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: আপনার কমেন্টে মন ভরে গেল অনেক ধন্যবাদ ঢালী ভাই।

১৪| ০৭ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:০৫

সাহসী সন্তান বলেছেন: এই ধরনের লেখাগুলো পুরা কলিজায় আইসা আঘাত করে! পুরানো কত স্মৃতি যে মনের কোণে আঁকুপাঁকু কইরা ওঠে তার হিসাব নাই! জীবনে কোন প্রেমকেই সেভাবে সিরিয়াসলি গ্রহণ করা হয়ে ওঠে নাই। সেজন্য হয়তো ছ্যাঁকা খাওয়ার বেদনাতেও কখনো ভুগতে হয় নাই...

কিন্তু তারপরেও ফরচুনেটলি বা আনফরচুনেটলি সেই তাদের বিদায়ে ক্ষণিকের জন্য হইলেও বুকের একটা নির্দিষ্ট স্থানে প্রচন্ড রকম খোঁচা লাগতো!

আপনার লেখাটা ভাল হইছে! শুভ কামনা জানবেন!

১০ ই মার্চ, ২০১৯ সকাল ৮:৫৫

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: সাহিসী সন্তান ভায়া, কিশোর বয়সের এমন প্রেম অনেকের জীবনেই আসে আর বেশিরভাগের পরিনতি হয় বিয়োগান্তক ও কষ্টদায়ক। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ও ভালবাসা।

১৫| ০৭ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:৩৩

বলেছেন: অসাধারণ

১০ ই মার্চ, ২০১৯ সকাল ৮:৫৫

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: ধন্যবাদ লতিফ ভাই।

১৬| ০৭ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:২৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় তারেকভাই,

প্রথমে জানাই কলকাতা থেকে সমস্যা হওয়ার কথা নয় শুনে খুশি হলেও বাস্তবেে যে সমস্যায় পড়ছি। সব সময় লগইন সম্ভব হচ্ছেনা। গতকাল যতবার করেছি লগইন করে ও অফলাইন হয়ে যাচ্ছি। আবার লগইন করা গেলেও নিজের পোস্টেের সাম্প্রতিক মন্তব্য, প্রিয় পোস্ট, আমার করা সাম্প্রতিক মন্তব্য এসব দেখতে পারছি না। নীলপরিআপুর শেষ পোস্টের প্রতিমন্তব্য আজও দেখতে পারলামনা। চাকা ঘুরছে তো ঘুরেই যাচ্ছে।
পোস্ট প্রসঙ্গে গল্পটা দারুন লিখেছেন মনে হল যেন বয়সন্ধির কোন একটি ঘটনায় নিজেই নিজের জীবন থেকে তুলে ধরা। গল্প বাস্তব হলে তো আলাদা মাত্রা পেতে বাধ্য।গল্পটি পাঠের সঙ্গে সঙ্গে আমিও আমার বয়সন্ধির সময়ের ফিরে গেলাম । পোস্টে লাইক ।
শুভকামনা ও ভালোবাসা জানবেন।

১০ ই মার্চ, ২০১৯ সকাল ৯:০১

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: সুপ্রিয় পদাতিক ভায়া

কলকাতা থেকেও সমস্যা হচ্ছে জেনে সত্যিই মনটা খারাপ হল, সত্যি জানি না এভাবে কতদিন টিকে থাকবে আমাদের প্রিয় সামু।

গল্প ভাল লেগেছে জেনে ভাললাগলো, আপনি ঠিকই এগুলো আমাদের আশপাশে ঘটে যাওয়া একটি গল্প। অনেক অনেক ধন্যবাদ।

১৭| ০৭ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:৫০

সুমন কর বলেছেন: কিশোর-কিশোরী'র প্রেম.........কমন প্লট। খারাপ নয়।
+।

১০ ই মার্চ, ২০১৯ সকাল ৯:০৪

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: প্রিয় সুমন ভাই

পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

১৮| ০৭ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ১০:৪৮

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: মারাত্মক স্টোরি...:D

১০ ই মার্চ, ২০১৯ সকাল ৯:০৬

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: প্রিয় নিজাম ভাই

পাঠ ও মন্তব্যের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

১৯| ০৮ ই মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৫:১৩

আকতার আর হোসাইন বলেছেন: অসাধারণ লিখেছেন প্রিয় তারেক ভাই....

এক নিঃশ্বাসে পড়ে গেলাম। মমীর জন্য মায়া হচ্ছে...
বেচারি তার ৩ গুণ বেশি বয়সের স্বামীর সাথে সারাটাজীবন কাটাবে, ভাবা যায়...

যদি সুন্দরভাবে বুঝিয়ে বলা হতো তাহলে সিগারেটে গেলেও নিশ্চয় সে গাঁজারে যেত না... অন্যদিকে মেয়েটাও জিদ না ধরে ছেলেটার সাথে ভাগার দুঃসাহস করত না...

আপনি মনে হয় ভীতু ছিলেন.... বন্ধুর সাথে ডরে স্কুল গেটে যাননি... হাহাহা...

কথা রাখতে পারেন নাই তারেক ভাই... প্রকাশ তো করে দিলেন....

১০ ই মার্চ, ২০১৯ সকাল ৯:১৭

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: প্রিয় আকতার ভাই

প্রথমেই পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। গল্পটি আপনার ভাল লেগেছে জেনে ভাললাগলো।

বয়ঃসন্ধির এই প্রেমগুলো এমনই মমীদের মত শুধু দুঃখই পেতে হয়। পবনরা একসময় স্বাভাবিক জীবনে ঠিকই ফিরে আসে কিন্তু মমীদেরকে তিনগুণ বয়সী মানুষদের সাথে জীবন কাটাতে হয়।

গল্পে ইচ্ছে করলেই শেষ সময়গুলোতেও আমি পবন ও মমী সাথে থাকতে পারতাম কিন্তু ইচ্ছে করেই আমি নিজেকে ওদের সাথে রাখিনি,আসলে এর কাছাকাছি একটা গল্প আমার পরিচিত সেই গল্পে আমাদের বাসা পরিবর্তনজনিত কারণে আমি তাদের সাথে ছিলাম না তাই এই গল্পেও নিজেকে শেষ পর্যন্ত রাখিনি।

অনেক অনেক ধন্যবাদ ও ভালবাসা।

২০| ০৯ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:৫২

মা.হাসান বলেছেন: ভালো লাগলো।

১০ ই মার্চ, ২০১৯ সকাল ৯:২০

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: ম. হাসান ভাই
আপনার মন্তব্য সবসময়ই প্রেরণাদায়ক। পাঠ মন্তব্যের ও লাইকের জন্য ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.