নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি লেখক নই, মাঝে মাঝে নিজের মনের ভাবনাগুলো লিখতে ভাল লাগে। যা মনে আসে তাই লিখি,নিজের ভাললাগার জন্য লিখি। বর্তমানের এই ভাবনাগুলোর সাথে ভবিষ্যতের আমাকে মেলানোর জন্যই এই টুকটাক লেখালেখি।

তারেক_মাহমুদ

পৃথিবীর সব ভাল টিকে থাকুক শেষ দিন পর্যন্ত

তারেক_মাহমুদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ইদের ছুটিতে নিজ গ্রামে

১২ ই জুন, ২০১৯ সকাল ১১:১৪

এবারের ইদে লম্বা ছুটি পেয়েছিলাম। এত বড় ছুটি বাবা মাকে দেখার জন্য মন আকুপাকু করছিল তাই সিদ্ধান্ত নিলাম পুরো পরিবার মিলে নিজের বাড়ি নড়াইলে যাবো। প্রায় ৯ দিনের ব্যাপার, নিজের বাসার টবে লাগলো গাছগুলোর জন্য মন খারাপ হচ্ছিল, এতদিন গাছগুলো পানিছাড়া বেচে থাকতে পারবে কিনা সেটা নিয়ে চিন্তিত ছিলাম।

নির্ধারিত দিনে যথারীতি নড়াইলের উদ্দেশ্যে রওনা হলাম। কিন্তু পাটুরিয়া ফেরি ঘাটে গিয়ে মন খারাপ হয়ে গেল। যানবাহনের দীর্ঘ সারি। একের পর এক ফেরিওয়ালারা গড়িতে উঠছে বিভিন্নরকম পন্য বিক্রি করতে, ফেরিতে উঠতে এমনিতেই দেরি তার উপর ফেরিওয়ালাদের এইসব হাকডাক অসহ্য লাগছিল। প্রায় ৫ ঘন্টা অপেক্ষার পর ফেরিতে উঠতে সক্ষম হলাম।
প্রমত্তা নদীর বুকে ১০-১৫টি গাড়ি বহণ করে অন্য পারের দিকে নিয়ে যাচ্ছে বিশাল এই ফেরিটি। যতদুর তাকানো যায় শুধু পানি আর পানি, তখন মনে গেল সেই বিখ্যাত গান
'নদীর কুল নাই কিনার নাই অথৈ দরিয়ার পানি,আমাদের ফেরির পাশ দিয়ে ছুটে চলা অন্যফেরি, লঞ্চ নৌকাগুলোকে দেখে আমার ছেলেমেয়েরা খুবই আনন্দিত।

একসময় আমাদের বাস ফেরি পার হয়ে অন্যপারে চলে আসলো, এবং দ্রুত গতিতে গাড়ি ছুটতে লাগলো । পুনরায় আরও একটি ছোট ফেরি পার হতে হবে। এটার নাম কালনা ফেরিঘাট এটি গোপালগঞ্জ জেলার উপর, এই ঘাটেই আমরা ইফতার সেরে নিলাম।

এই ভদ্রলোক একজন মসজিদের টাকা আদায়কারী, দীর্ঘ ২৮ বছর এই ফেরিঘাটে টাকা আদায় করছেন। পৃথিবীর সব কিছুই শেষ হয় কিন্তু উনার মসজিদের নির্মাণ কাজ শেষ হয় না।


যাই হোক সব ভ্রমণ ক্লান্তি দূরে ঠেলে অতঃপর নিজেদের বাড়িতে পৌছালাম। দাদা দাদীকে পেয়ে আমাদের আমার দুই ছেলেমেয়ে মহা আনন্দিত।



চলছে ফলের মৌসুম আমাদের গাছগুলোতে বাহারি ফলের সমাহার, সারাবছর যে গাছগুলোর দিকে কেউ ফিরেও তাকায় না, কিন্তু এই মৌসুমে সেই গাছগুলোর কত কদর। আসলে মানুষের জীবনটাওতো এমনই, যতক্ষণ আপনি কর্মক্ষম ততক্ষণই আপনার কদর।



আমাদের বাড়িটি এই সুন্দর খালটির পাড়ে। গ্রীষ্মে পানি কম হলেও এই খালে প্রতিদিন জোয়ার ভাটা হয়। জোয়ারের সময় পানি বেশ বেড়ে যায় এবং পানি পরিস্কার থাকে আবার ভাটায় পানি কম থাকে এবং পানি ঘোলা থাকে। বর্ষা মৌসুমে খালে প্রচুর দেশি মাছ পাওয়া যায়।

আমাদের এমপি মাশরাফি এখন ওয়ার্ল্ডকাপ খেলতে ইংল্যান্ডে থাকলেও এলাকার উন্নয়ন কাজ পুরোদমে চলছে





আমাদের ঈদগাহ পাকা করা হয়েছে, মুসল্লিদের নামাজ পড়ার সুবিধা হয়েছে।


ইটের রাস্তা ধরে ইনি গ্রামের হাটে যাচ্ছেন



টিনের চালে বুনো কবুতর



পথের পাশের অদ্ভুত সুন্দর জংলী গাছ।


এ কয়েকদিনে এমন মুশলধারে বৃষ্টি বেশ কয়েকবার হয়েছে।

আরও কিছু ছবি দেওয়ার ইচ্ছে ছিল কিন্তু আর ধৈর্য কুলাচ্ছে না।

চমৎকার কিছু সময় কাটিয়ে প্রিয়জনদের কাদিয়ে পুনরায় ঢাকায় ফিরে আসা।

মন্তব্য ৩৬ টি রেটিং +১১/-০

মন্তব্য (৩৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই জুন, ২০১৯ সকাল ১১:২২

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: ভালো লাগলো গ্রামের বাড়ি ভ্রমন কথন

সুন্দর হউক জীবন আরো।

১২ ই জুন, ২০১৯ সকাল ১১:২৫

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: ধন্যবাদ আপু, শুভেচ্ছা রইলো

২| ১২ ই জুন, ২০১৯ সকাল ১১:৩৩

মুক্তা নীল বলেছেন:
তারেক ভাই ,
অনেকদিন পর এবার একটি পোস্ট দিলেন। খুব ভালো লাগছে আপনার এই নিজ গ্রামের প্রাকৃতিক দৃশ্য , গাছ গাছালি
সব মিলিয়ে অসাধারণ । গ্রাম আমারও ভীষণ প্রিয় । আপনার মেয়েটা খুব কিউট। ভালো থাকুন ভাইয়া সবাইকে নিয়ে।

১২ ই জুন, ২০১৯ সকাল ১১:৩৯

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: আসলে রোজার মাসে লেখালেখিতে বেশ কষ্ট হচ্ছিল তাই গত একমাসে কোন পোস্ট দেয়নি , আশাকরি ভাল আছেন,
আমার গ্রামের ছবিগুলো ভাল লেগেছে জেনে ভাল লাগলো ।

৩| ১২ ই জুন, ২০১৯ সকাল ১১:৪০

মা.হাসান বলেছেন: তারেক ভাই, ইদের অভিজ্ঞতা ভালো লাগলো। এমন মসজিদের জন্য চাঁদা আদায়কারি মাঝে মাঝেই চোখে পড়ে, তবে ২৮ বছর!
পানি দেয়ার ঝামেলার জন্য গাছ রাখতে ইচ্ছে করে না, তবে মায়ের জন্য রাখতে হয়। আমি ঘন ঘন ঢাকার বাইরে যাই। প্লাস্টিকের বোতলে পানি ভরে ছিপি উল্টে ছিপিতে ছোট ছিদ্র করে দিলে সপ্তাহ খানেকের কাজ চলে যায়। এর বেশি হলে সমস্যা। আপনার গাছের কি অবস্থা? ইদে বাড়ি গেল এই আরেক কষ্ট, ফেরৎ আসার সময় উভয় পক্ষের মন খারাপ। মফস্বল শহরে এখনো জংলি কবুতর পাওয়া যায় জানতাম না। অনেক শুভকামনা।

১২ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:২৭

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: সুপ্রিয় ম হাসান ভাই,

তিনটে গাছ মারা গেছে বাকিগুলো ঠিক আছে, এ কয়েকদিনে বেশ কয়েকবার বৃষ্টি হওয়ার গাছগুলো রক্ষা পেয়েছে।

এই মসজিদের টাকা আদায়কারীকে আমিই প্রায় ১২ বছর ধরে দেখছি, উনি নিজেই জানালেন তিনি ২৮ বছর এই ঘাটে টাকা আদায় করছেন, তিনি মসজিদের একজন বেতনভুক্ত কর্মচারী। উনি জানালেন উনার ছেলেমেয়েরা সব প্রতিষ্ঠিত, এখন এখানে ব্রিজের নির্মাণ কাজ চলছে, ব্রিজ শেষ হলে উনি এই কাজ থেকে ছুটি নিয়ে নেবেন।

এই জংলী কবুতরগুলো আমাদের বাড়িতেই থাকে ওদের থাকার জন্য ঝুড়ি বেধে দেওয়া হয়েছে, তাছাড়া টিনের ঘরের পাটাতনের উপরও এরা থাকে।

৪| ১২ ই জুন, ২০১৯ সকাল ১১:৪১

নজসু বলেছেন:



গ্রাম মানেই টাটকা টাটকি ফলের সমাহার। কাঁঠালে ছেঁয়ে গেছে গাছটা।
খালের ছবিটা চমৎকার। এরকম জায়গা আমার খুব ভালো লাগে।

মসজিদের নামে টাকা আদায় করে উনি নিজের কাজে ব্যয় করেন নাকি? B:-)

১২ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:৩২

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: সুপ্রিয় নজসু ভাই
ছবিগুলো ভাল লেগেছে জেনে ভাল লাগলো,
না উনি মসজিদে বেতনভুক্ত কর্মচারী।
আপনাকে ধন্যবাদ।

৫| ১২ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:১০

পবিত্র হোসাইন বলেছেন: আপনার পোস্ট দেখে গ্রামে যেতে ইচ্ছা করছে।
অনেক দিন গ্রামে যাই না। :(

১২ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৩

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: হুম আমাদের সবারই মাঝে মাঝে গ্রামে যাওয়া উচিত।
অনেক ধন্যবাদ পবিত্র ভাই।

৬| ১২ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ১:০৯

করুণাধারা বলেছেন: ছবি এবং সাথে সাথে গল্প ভালো লাগলো। আপনার কন্যার জন্য শুভেচ্ছা। মজা লাগলো ২৮ বছর ধরে মসজিদ নির্মাণকারীর ছবিটি দেখে।

১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:০৮

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপু ,শুভকামনা রইলো।

৭| ১২ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ১:৫২

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: সুন্দর ।+

১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:০৮

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: ধন্যবাদ সেলিম ভাই।

৮| ১২ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ১:৫৪

নতুন নকিব বলেছেন:



ভালো লাগা সুন্দর পোস্টে।+

১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:০৯

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: ধন্যবাদ নকিব ভাই।

৯| ১২ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ২:০০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: সুন্দর মনমুগ্ধকর।

গ্রাম আমার কাছে ভীষণ নস্টালজিক লাগে।

পোস্টে ষষ্ঠ লাইক।

শুভকামনা জানবেন।

১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:১১

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: মাটির টান থাকলে গ্রাম নস্টালজিকতো লাগবেই, ধন্যবাদ পদাতিক ভায়া

১০| ১২ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ২:১৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: রাস্তার অবস্থা মনে হইলেই ঈদে বাড়ি যাওয়ার ইচ্ছা দূর হইয়া যায় !! মনে আছে , একবার ৫ ঘন্টার রাস্তা ১৯ ঘন্টা লাগিয়াছিল !!
তারপরও বাড়ি ! নাড়ির টান !

মসজিদ সম্ভবত ঘাটে ! বসতি নাই , একারণে যাত্রীদের পয়সাতেই চলে !

১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:১৩

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: হুম রাস্তাঘাটের দুবাবস্থার জন্য সত্যি গ্রামে যাওয়া কষ্টকর তবুও নাড়ির টান বলে একটা শব্দ আছে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

১১| ১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৮

রাজীব নুর বলেছেন: আমি মনে মনে আপনার কাছ থেকে এরকম একটা পোষ্টের অপেক্ষায় ছিলাম।

কাঠালের ছবিটা বেস্ট।

১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৯

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: ধন্যবাদ অনেক শুভেচ্ছা রইলো।

১২| ১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: বহুবছর ধরে সামনা-সামনি দেশের কোন গ্রাম দেখি না। ইচ্ছা থাকলেও হয়ে ওঠে না। আপনার ছবিগুলো দেখে খুবই ভালো লাগলো। তবে আমার ছোটবেলার দেখা গ্রাম, আর এখনকার গ্রামে আকাশ-পাতাল তফাৎ। চারিদিকে উন্নয়নের ছোয়া! :)

১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৫১

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: সময়ের সাথে সাথে উন্নয়নের ছোয়াতো থাকবেই, তবুও এখনো গ্রামগুলো সুন্দর।

১৩| ১২ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩১

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া আমারও যেতে ইচ্ছে করে তোমার বাবুদের মত দাদাবাড়ী! কি সুন্দর পথ চলে গেছে একেবেকে..... :)

১৩ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৮:১২

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: বাংলার গ্রামগুলি আসলেই অনেক সুন্দর, প্রতিবছর কক্সবাজার সিলেট না বেড়িয়ে এমন প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতে ঘুরে আসলে মন্দ লাগবে না। আমার মেয়ে ঢাকা এসেই বলছে
-বাবা আমরা আবার কবে বাড়ি যাবো?

১৪| ১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:১৪

সুমন কর বলেছেন: চমৎকার পোস্ট !! বাসার গাছগুলোর সব বেঁচে আছে তো ? +।

১৩ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৮:১৩

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: ধন্যবাদ সুমন ভাই, তিনটে গাছ মারা গেছে বাকিগুলো পানি পেয়ে বেচে উঠেছে।

১৫| ১৩ ই জুন, ২০১৯ ভোর ৪:০৬

রাকু হাসান বলেছেন:

আহ! আমার গ্রাম! আমার নাড়ির স্পন্দন ! শেষ লাইনটাতেই আমাদের গ্রাম ছবি যেন লুকিয়ে ।

১৩ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৮:১৫

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: ফিরে আসার সময় সত্যি প্রিয়জনদের ছেড়ে আসতে অনেক কষ্ট হয়, কি আর করা এটাই নিয়ম।

১৬| ১৩ ই জুন, ২০১৯ ভোর ৬:০৩

হাবিব স্যার বলেছেন: আপনাদের গ্রামে বেড়াতে নিয়ে যাইয়েন আমাকে............

১৩ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৮:১৮

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: নিমন্ত্রণ রইলো,
২০১৩ সালে আমার বিয়েতে ঢাকা আমার অনেক বন্ধুরাই গিয়েছিল, সুবিধাজনক যেকোনো সময়ে নিমন্ত্রণ রইলো।

১৭| ১৩ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:১৫

নীল আকাশ বলেছেন: ঈদের বানান কি আবার চেঞ্জ করে ফেলেছে নাকি?
উনার মসজিদের কাজ এই দুনিয়ায় শেষ হবে না। তবে ঐ দুনিয়ায় জান্নাতে না জাহান্নামে সেটা নিয়ে ঘোরতর সন্দেহ আছে!
আপনার মেয়ে সহ সবাই ভাল থাকুন।
বাবা মা এই সন্তানের জন্য রহমতের উৎস।
ধন্যবাদ।

১৩ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৮

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: হা ইদের বানান পরিবর্তন হয়েছে, ঐ ঘাটে ব্রিজ নির্মাণ কাজ চলছে অচিরেই উনার অবসর নিতে হবে। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ সুপ্রিয় নীলাকাশ ভাই।

১৮| ১৭ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: তারেক_মাহমুদ ,




ছবিতে এক অসাধারন বাংলার মুখ। এই প্রকৃতি কতোদিন এমনই নিষ্কলুষ থাকে, কে জানে!

ঈদের ছুটির কথা হলেও আমাদের হাটে-ঘাটে-মাঠে-বাজারে-শহরে-গ্রামে সর্বত্র চলতে থাকা এক ভিক্ষার চিত্রও তুলে ধরেছেন। মসজিদের নামে এই ভিক্ষা শেষ হবেনা কখনও, শেষ হবেনা মসজিদও!

১৮ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:২৫

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: সুপ্রিয় আহমেদ জি এস ভাইয়া,

গ্রামের উন্নয়ন আমরা সবাই চাই কিন্তু গ্রামের প্রাণ প্রকৃতির কোন ক্ষতি হোক এটা আমরা কেউই চাই না।
মসজিদ নির্মাণের নামে এমন ভিক্ষাবৃত্তি বাংলাদেশের খুবই সাধারণ চিত্র এটা এক ধরনের ব্যবসাও বলা যায়।

মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.