| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সরকার শেষ পর্যন্ত জামাত এ ইসলামির নেতাদের গ্রেফতার করেই ছাড়ল। দলটির তিন শীর্ষ নেতা, দলটির আমির, সেক্রেটারি জেনারেল সহ নায়েবে আমীর মওলানা দেলওয়ার হোসাইন সাঈদীকে গ্রেফতার করেছে। দেশে সর্ববৃহত্তম একমাত্র গণতান্ত্রিক যে দলটি ইসলাম কায়েমের জন্য নিজেদের জীবন, সম্পদ, সবটুকু নিয়ে মাঠে দন্ডায়মান, সেই দলটির আমির’সহ শীর্ষ তিন নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে ইসলাম অবমাননার জন্য! তাঁরা নাকি মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত করেছেন, আঘাতটি করেছেন তাঁরা মওলানা নিজামিকে হযরত মুহাম্মদ সা: এঁর সাথে তুলনা করে! এটাই সরকারের অভিযোগ।
প্রথমেই যে প্রশ্নটি আসে সামনে সেটি হলো, সরকার এই বালখিল্য ও হাস্যকর অভিযোগ নিয়ে মাঠে নামল কেন? ক্ষমতায় আসার পরে আজ প্রায় উনিশ মাস পেরিয়ে গেছে, এমতাবস্থায় সরকার কেন হঠাৎ করে এমন মারমূখো হয়ে উঠল?
এর উত্তর হলো বর্তমান গণবিচ্যুত সরকারের সামনে এটা ছাড়া আর কোন উপায়ই ছিলনা। দীর্ঘ উনিশ মাস পার হয়ে গেলেও জামাত এর নেতারা সরকারকে কোন সুযোগই দেননি, শত উস্কানীর মূখেও তারা খুবই বিজ্ঞতার সাথে সরকারের উস্কানিগুলো এড়িয়ে গেছেন। ফলে সরকারও তাঁদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অধৈর্য হয়ে পড়ছিল তলে তলে।
একটা কথা মনে রাখতে হবে যে, বর্তমান সরকার চালায় ভারতের একটি মহল। সাউথ ব্লকের আমলা, ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ’র ও ভারতীয় রাজনৈতিক ব্লক। আমাদের গণতান্ত্রিক (!) সরকার কেবল শো’কেস মাত্র!
এর বাইরে আরও আছে। সেই ‘আরও’র সংগাটাও কিন্তু খুবই ‘সেনসিটিভ একটা ইস্যু’। এই ‘আরও’ বলতে যারা তারা আর কেউ নয়, তারা হল জায়নবাদী নিউকন, নিউওয়ার্ল্ড অর্ডার এর স্বপ্নদ্রষ্টারা। যারা পুরো বিশ্বব্যবস্থাটাকেই নিজেদের অনুকুলে বদলে নেবার কাজে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে। যারা এরই ধারাবাহিকতায় ইরাক, আফগানিস্থান ও পাকিস্থানকে ইতিমধ্যেই একটা পরিবর্তনের পথে নিয়ে এসেছে তারা।
বাংলাদেশে নিউকন পরিকল্পনা আঞ্চলিক পরাশক্তি হবার স্বপ্নে বিভোর ভারতের সহায়তায় শুরু করা হয়েছে বিগত চারদলীয় জোট সরকারের একবারে শেষ সময়ে এসে। এরই ধারাবাহিকতায় আঠাশে অক্টোবর, হাসিনার লগী-বৈঠার বর্বরতার জের ধরে ফখরুদ্দীন আর মঈনউদ্দিনের অবৈধ শাসনের উৎপত্তি। এরই ধারাবহিকতায় বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর একটা বিশেষ শ্রেনীর কয়েকজন অফিসারকে ভর করে আসে আওয়ামি শাসন, গণতন্ত্রের আবরণে।
কিন্তু আওয়ামি বাকশালীদের এই ক্ষমতারোহনের পেছনের ইতিহাসে আরও একটা বিষয় আছে। তা হলো, আঞ্চলিক পরাশক্তি ভারতের কর্তাবাবুদের কাছে কিছু মুচালেকা দিতে হয়েছে। দিতে হয়েছে কিছু প্রতিশ্র“তী। এই প্রতিশ্র“তীর একটা বড় অংশ দিয়ে এসেছিলেন বাংলার গাদ্দার মঈনউদ্দীন। তার সাথে আরও কিছু জুড়ে দিয়ে, এবং তা স্বীকার করে নিয়েই আওয়ামি লীগকে সরকার গঠন করতে হয়েছে। গঠন করতে হয়েছে আওয়ামি লীগের মধ্যে বাংলাদেশী স্বাধীনতা আর সার্বভৌমত্বকে যারা অন্তত কিছুটা মুল্য দেন তাদেরকে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু থেকে দুরে রেখেই। এ কারণেই মন্ত্রী সভায় ’চমক’ এর প্রলেপ জুড়তে হয়েছে শেখ হাসিনাকে।
আর এখন সরকার এই আঠারো বা উনিশ মাস পরে এসে ভারতসহ নিউকন’দের দেয়া তাদের প্রতিশ্র“তী রক্ষা করতে মাঠে নেমে পড়েছে। উদ্দেশ্য হলো, বাংলাদেশ থেকে ইসলামি রাজনীতিকে বিদেয় করা। দেশটাকে সম্পূর্ণরুপে সেকুলারাইজ করা। এ লক্ষ্যে তারা শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাঁজিয়েছে সেকুল্যার ভাবধারায়। ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর মাধ্যমেই অনৈসলামিক পোগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। আলেম ওলামাদের প্রশাসন আর সমাজ থেকে সাইডলাইন করে রাখার পাঁয়তারাও চলছে।
রাষ্ট্রযন্ত্র থেকে ইসলামের সকল প্রকার সম্পৃক্ততাকে দূর করতে ইতিমধ্যেই তারা পঞ্চম সংশোধনীর বিরুদ্ধে আপিল করেছে। উদ্দেশ্য, বাহাত্তর এর সংবিধানকে পূনরুজ্জীবিত করা। ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্যই এই আপিল তারা করতে বাধ্য হয়েছে, এ ছাড়া বাহাত্তর এর সংবিধানে ফিরে যাবার আর কোন পথ তাদের সামনে খোলা নেই। আর ক’দিন পরেই এই মামলার রায় হতে যাচ্ছে। সরকার অন্য অনেক মামলার মত প্রভাব খাটিয়ে এই মামলার রায়ও নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেবার পাঁয়তারা করছে। এর ফলে সারা দেশ জুড়ে ইসলামি দল আর সংগঠন যে মাঠে নামবে সেটা অবধারিত। আর সেক্ষেত্রে জামাত এর সাংগঠনিক শক্তি সরকারের জন্য বিরাট মাথা ব্যাথার কারণ হবে, তাই সেটাকে আগে থেকেই ট্যাকেল করার প্রচেষ্টা।
আওয়ামি লীগ এখন নিজের ঘরের আগুনেই জ্বলছে ভেতরে ভেতরে। দলটি যে হারে জনপ্রিয়তা হারিয়েছে আর সাধারণ মানুষের কাছে ঘৃণার পাত্র হয়ে উঠছে তাতে এর চিন্তাশিল গোষ্ঠি আতংকিত। চট্টগ্রামের সা¤প্রতিক ইলেকশন পরাজয় দলটিকে ভেতরে ভেতরে একটা বড় রকমের ধাক্কা দিয়েছে। এর পর পরই ২৭ শে জুন এর হরতাল এ জনগণের স্বতস্ফুর্ত হরতাল তাদের একেবারে দিশাহারা করে তুলেছে। সাধারণ জ্ঞানটুকুও তারা হারিয়ে ফেলেছে। এক এক নেতা এক এক সময় এক এক রকম কথা বার্তা বলে চলেছেন। ছাত্রলীগ আর যুবলীগের কারণে পুরো দেশবাসী যেমন, তেমনি দলটি নিজেও এতটা ত্যক্ত বিরক্ত আর বিব্রত যে, জনগণের কাছে মুখ দেখাতেই তারা হাঁপিয়ে উঠছে!
এরই মাঝে আবার শেখ হাসিনার উপদেষ্টা মন্ডলীর আভ্যন্তরীণ দ্বন্দ এখন তুঙ্গে। সাধারণ সম্পাদকের সাথে এক প্রভাবশালী কেন্দ্রিয় নেতা ও সাবেক ছাত্রনেতার দ্বন্দ শেখ হাসিনাকে ভাবিয়ে তুলেছে ভীষণভাবে। যেভাবে আভ্যন্তরীণ দ্বন্দ চলছে তাতে আবার না স্বয়ং শেখ হাসিনার নেতৃত্বই প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে যায় নিজ দলের ভেতরে! অতএব এ থেকে দলের বিবাদমান নেতা নেত্রীর দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে দিতেই এই আয়োজনটা দরকার ছিল।
এক এগারোর পর থেকেই বি এন পি ছিল বিপর্যস্থ। এমনকি ঢাকা শহরে একটা মিছিলও তারা করতে পারেনি, সেরকম কোন সাংগঠনিক শক্তিও তাদের অবশিষ্ঠ ছিলনা। এইতো মাত্র কিছুদিন আগেও এরকম অবস্থাই ছিল। অথচ সেই বি এন পি’ই আজ এমন একটা পর্যায়ে উঠে এসেছে বা আসছে যে, তা সরকারের মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে উঠছে।
এর পেছনে প্রত্যক্ষ আর পরোক্ষভাবে জামাত এর ভূমিকা কে কেউই অস্বীকার করতে পারবে না। স্বয়ং বি এন পি’ও জানে বিষয়টা। বিশেষ করে চট্টগ্রামের মেয়র নির্বচানে যে ভাবে জামাত বি এন পি’কে সমর্থন দিয়ে মাঠে অটল পা’এ দাঁড়িয়ে থেকেছে, এবং সেই সাথে শেষ মহুর্তে এসে সরকার কর্তৃক ভোটের রেজাল্ট হাইজ্যাক করার চেষ্টাকে বিজ্ঞতা এবং ক্ষিপ্রতার সাথে রুখে দিয়েছে, তা এক কথায় ছিল সাংগঠনিক শক্তি আর বিজ্ঞতার এক উজ্জল দৃষ্টান্ত। আওয়ামি লীগ এমনটা চলতে দিতে পারেনা নিজেদের স্বার্থেই। কারণ এতে করে আগামি তিন বৎসরে বি এন পি তার পুরো সাংগঠনিক শক্তিতে ফিরে আসতে পারে, যেটা সরকারের জন্য মরণফাঁদ হবে।
আরও আছে। জামাত এর যে সব সদস্য কর্মী দেশের বাইরে আছেন, তারা অত্যন্ত সফলতার সাথে বিশ্বের বিভিন্ন ফোরামে সরকারের মানবাধিকার বিরোধি কর্মকান্ড তুলে ধরছেন, যে কারণে সরকার বার বার বিব্রতকর অবস্থায় পড়ছে। বহির্বিশ্বে সরকারের উপরে মানবাধিকার নিয়ে চাপ বাড়ছে।
নির্বাচনের পূর্বে সরকারের কয়েকটা প্রতিশ্র“তির মধ্যে অন্যতম ছিল দশ টাকা সের চাল খাওয়ানো, যার ধারে কাছেও সরকার যেতে পারেনি। সন্ত্রাসের সাথে ছাত্রলীগ আর যুবলীগের নাম একাাকার হয়ে গেছে। দূর্ণীতির বিরুদ্ধে বড় বড় কথা বলা শেখ হাসিনা ও তাঁর নিজের পরিবারের সদস্যরাই জড়িয়ে পড়েছে দূর্ণীতিতে, এমন সব খবর বাতাসে ভেঁসে বেড়াচ্ছে। সরকার না হয় এখন সেগুলো চেপে রাখছে মিডিয়া, পত্রিকা বন্ধ করে দিয়ে। কিন্তু দেশে বিদেশে অনেকের হাতেই এর তথ্য প্রমান চলে গেছে।
প্রশাসনের সর্বস্তরে দূর্ণীতি ছেয়ে গেছে। আঈন শৃংখলা পরিস্থিতির এতটা অবনতি হয়েছে যে, মানুষ এখনকার সময়কালকে সেই চুয়াত্তর’র সাথে তুলনা করছে। আর ভেতরে ভেতরে সবচেয়ে বড় যে বিপদটা সরকারের সামনে সেটা হলো, প্রশাসন স্থবির হয়ে পড়েছে। প্রশাসনের কর্মকর্তা, কর্মচারীদের দলীয় দৃষ্টিতে দেখা ও বিবেচনা করায় প্রশাসনের সকল স্তর ভেংগেই কেবল পড়েনি বরং প্রশাসনে কোন শৃংখলা বলতে আর কিছু অবশিষ্ঠ নেই।
আরও একটা ওয়াদা ছিল, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা। কিন্তু সরকার কোন আঈনেই তা করতে পারছেনা। আন্তর্জাতিক মহল স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, বাংলাদেশের ৭৩ সালের ওয়ারক্রাইম ঐ্যক্ট’টি আন্তর্জাতিক মানদন্ডে উতরে যেতে পারবেনা, উক্ত আঈনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হলে তা আন্তর্জাতিক মহলে গ্রহনযোগ্য হবেনা। অথচ দেশে রাম-বাম, ঘাদানিকরা সরকারের কাছে এদের বিচাার দাবী করে সরকারকে অস্থির করে তুলছে ভেতর থেকে। তাদের তো সন্তুষ্ট করতে হবে! অতএব মাথামোটা সরকার নেমে পড়েছে।
তবে সরকারের এতসব আয়োজনে সবচেয়ে উপকৃত হবে ইসলামি আন্দোলন। এটা ইনশাআল্লাহ একরকম নিশ্চিত করেই বলা যায়। আন্দোলনের নেতা কর্মী, কারা কেবলমাত্র এক আল্লাহ’র জন্যই আন্দোলনের সাথে আছেন, কে কতটা নিষ্ঠার সাথে ত্যাগ স্বীকার করতে, জীবন, সম্পদের ঝুঁকি নিতে পারেন? সেটা যাচাই হয়ে যাবে। এটা যুগ যুগ ধরে ইসলামি আন্দোলনের পথের পাথেয়। এ পথেই সংগঠন শক্তিশালী হয়।
আরও একটা তাৎক্ষণিক লাভ হবে এতে। ইসলাম অবমাননার দায়ে গ্রেফতার করা হয়েছে জামাত এর নেতাদের। মহানবী সা: এর সাথে নাকি তুলনা করা হয়েছে নিজামি সাহেবকে। আসলেই এটা করা হয়েছে কিনা, এবং সত্যিকার অর্থেই ইসলাম এর অবমাননা হয়েছে কিনা, সেটা আলেম ওলামারা ঠিকই বুঝবেন। যখন তারা এটা বুঝবেন ( ইতিমধ্যেই বুঝে গেছেন তাঁরা ) তখন তাঁরা এটাও বুঝবেন যে, কেবলমাত্র ইসলামপন্থী হবার কারণেই ষড়যন্ত্র করে এই তিন নেতা ও তাঁদের সঙ্গী সাথীদের হেনস্থা করা হচ্ছে।
তারা এটাও বুঝবেন যে, এটা আর কিছুই নয় ইসলামপন্থীদের উপরে সরকারের আসন্ন বড় রকমের ক্রাকডাউনেরই অংশ। এই উপলব্ধিই ইসলামপন্থীদের মধ্য থেকে বড় একটা অংশকে ঐক্যবদ্ধ প্লাটফরম এ এনে দাঁড় করিয়ে দেবে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব আর ভারতের আগ্রাসী পরিকল্পনা রোধ করতে ইসলামপন্থীদের মধ্যে এরকম ঐক্যই এখন সবচেয়ে বড় প্রয়োজন। সেই প্রয়োজনই পূরণের একটা উপায় ইনশাআল্লাহ বেরিয়ে আসবে এখন।
এর জন্য অবশ্য জামাতসহ ইসলামি দল গুলোর কর্মী থেকে শুরু করে যেসব নির্দলীয় মুসলমান ইসলামকে ভালবাসেন, দেশে ইসলাম টিকে থাকুক, এমনটা চান, তাঁদের একটু সচেতন হতে হবে। সরকারসহ বিভিন্ন মহল থেকে ফাঁদ পাতা হবে তাদের জন্য। সেই্সব ফাঁদকে অত্যন্ত কৌশলের সাথে এড়িয়ে যেতে হবে। বিজ্ঞতার পরিচয় দিতে হবে প্রতিটা কাজ-কর্মে, বাদ-প্রতিবাদের বেলায়।
দেশের সাধারণ মানুষ এত জটিল হিসেব নিকেশ বোঝেনা। তাদের কাছে সুন্দর যুক্তি, সঠিক তথ্য দিয়ে বোঝাতে হবে, তুলে ধরতে হবে ষড়যন্ত্রের পুরো চিত্র। সংগঠনের প্রতিটি কর্মীকেই দায়িত্ব নিতে হবে নিজ নিজ অংগণে মিডিয়া সন্ত্রাস রোধ এ। এ ছাড়া মিডিয়া সন্ত্রাস ঠেকানোর আপাতত কোন পথ খোলা নেই। এই তথ্যসন্ত্রাসই সবচেয়ে বড় ক্ষতি করছে আন্দোলনের, সে ব্যাপারে উদাসীন বসে থাকলে, বা অন্য কেউ এই কাজটা করে দিবে, সেটা ভেবে নিশ্চিন্ত থাকলে চলবেনা।
আর সবচেয়ে বড় কথা হলো, বেশী বেশী করে আল্লাহ পাক এর কাছে ধর্ণা দিতে হবে। ভূললে চলবে না যে, এই আন্দোলনের মূল শক্তি, সমর্থন আর পুঁজি তাঁর কাছে থেকেই আসে। অতএব তাঁর কাছেই সাহায্য চাইতে হবে, এর কোন বিকল্প নেই। আমাদের মনে রাখতে হবে, সকল ষড়যন্ত্রকারীদের সম্মিলিত সকল পরিকল্পনার বিপরিতে আল্লাহর পরিকল্পনাই সবচেয়ে কার্যকর ও ফলপ্রসূ। মহান আল্লাহই উত্তম পরিকল্পনাকারী, ওয়াআল্লাহে খাইরুল মাক্বীরিণ।
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৩১
জিয়াউল হক বলেছেন: মওদুদিবাদ টা আমার জানা নেই ভাই্। আর সেরকম কোন স্বপ্নও আমার নেই। আমি কেবল জুলুমবাজ এর ধ্বংস চাই, তা যে দেশে বা যে সমাজেই হোকনা কেন।
২|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:২৮
শ্বেত সওদাগর বলেছেন: দেশে সর্ববৃহত্তম একমাত্র গণতান্ত্রিক যে দলটি ইসলাম কায়েমের জন্য নিজেদের জীবন, সম্পদ, সবটুকু নিয়ে মাঠে দন্ডায়মান
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৩২
জিয়াউল হক বলেছেন: হাঁসতে থাকুন। গ্রানাডাবাসীও এরকমই হেঁসেছিল যখন তাদের নিজেদের দেশ নিয়েই সাম্রাজ্যবাদীরা খেলে চলেছিল ঘৃণ্য খেলা। এর ফল কি হয়েছে সেটা জানতে ইতিহাসই যথেষ্ট, অবশ্য যদি সময় এবং ইচ্ছাটা থাকে আপনার।
৩|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:২৯
এবং আব্দুল্লাহ বলেছেন: আমাদের কথাগুলোকে এমনি করে বহুদিন
মুছে দিতে ওরা কেউ পারেনি
সত্যের কথা মোড়া বলেই যাবো
বাধার পাহাড় সব পেড়িয়ে।
আমরা সেইসব মিশরী ইখওয়ানদের উত্তরসূরী যাদের সামনে হায়েনার দল তাদের বোন, মা, স্ত্রী, মেয়েদের লাঞ্ছিত করেছে তবু তারা ইসলামের উপর দাঁড়িয়ে থেকেছে। যারা ১৭ বছর একটানা জেল খেটেছে কিন্তু একদিনও স্ত্রী কারাগারে এসে দেখা করুক এটা আত্নমর্যাদা হানিকর মনে করেছে। যাদের মহিলাদেরকে একটা ঘরে বন্দি করে কুকুর ঢুকিয়ে কামড়ে কামড়ে রক্তাক্ত করার পরও কোন ব্যাথা অনুভব হয়নি। আমরা যদি ঈমান ধরে রাখতে পারি তবে বিজয় আসবেই আসবে ১০/২০/৩০ অথবা ১০০ বছর অথবা তারও বেশি। কিন্তু আমাদের তো পরাজয় নাই। আল্লাহ নিশ্চয়ই মুমিনদের সাহায্য করবেন।
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৩৩
জিয়াউল হক বলেছেন: আল্লাহ নিশ্চয়ই মুমিনদের সাহায্য করবেন।
আর হ্যাঁ, আমাদের উচিৎ মু'মিন হওয়া, মু'মিন থাকা।
৪|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৩০
সাম্বাদিক বলেছেন: ডিম সিদ্ধ করে তার উপর ইসলাম লিখে শালাদের পাছা দিয়ে ঢুকিয়ে দেয়া উচিত। ইসলামের নামে কুত্তার বাচ্চারা কেন পাকিস্থানী জেনারেলদের যারা মদ আর মাগীতে অভ্যস্থ ছিল তাদের পা চাটতে গেছিল।
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৩৪
জিয়াউল হক বলেছেন: ইসলাম নিয়ে কুরুচি পূর্ণ মন্তব্য করায় আপনাকে আর স্বাগতম জানাতে পারছিনা, দু:খিত। ব্লকড।
৫|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৩২
ম্যাকানিক বলেছেন: জামাত এর যে সব সদস্য কর্মী দেশের বাইরে আছেন, তারা অত্যন্ত সফলতার সাথে বিশ্বের বিভিন্ন ফোরামে সরকারের মানবাধিকার বিরোধি কর্মকান্ড তুলে ধরছেন, যে কারণে সরকার বার বার বিব্রতকর অবস্থায় পড়ছে। বহির্বিশ্বে সরকারের উপরে মানবাধিকার নিয়ে চাপ বাড়ছে।
এই সহজ কথাটাই আমি বাংলাদেশের মানুষরে আমি বুঝাইতে পারিনা যে জামাত বাংলাদেশে ভাত না পাইলেও বাইরে তারা বেশ সংগঠিত।
এমন কোনো একটা সংগঠন নাই যেইখানে জামাত য়ার নাস্তিক হাত দেয় নাই অথচ সেইখানে লীগ বা দল কি করতেছে বইয়া বইয়া বাল ছিরতাছে।
আপনার লেখায় ব্যাপারটা খুব সুন্দর করে উঠে এসেছে।
আর সবচেয়ে বড় কথা হলো, বেশী বেশী করে আল্লাহ পাক এর কাছে ধর্ণা দিতে হবে। ভূললে চলবে না যে, এই আন্দোলনের মূল শক্তি, সমর্থন আর পুঁজি তাঁর কাছে থেকেই আসে।
দলের কর্মী সাথীদের সাথে আল্লাহর তুলনা করলেন!
নাউজুবিল্লাহ মিন জালিক।
এই জন্য মাইনাস দিলাম
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৩৬
জিয়াউল হক বলেছেন: দলের কর্মী সাথীদের সাথে আল্লাহর তুলনা করলেন!
বাহ আপনি তো ভাই বেশ বুঝেছেন? তা কোন লাইনটা পড়ে এমন বিষয় আবিস্কার করলেন আপনি? আর একবার পড়ে দেখুনতো ভাল করে। আপনার মাইনাস এ আমার কোন মাথা ব্যাথা নেই। ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
৬|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৩২
ঊষালগ্ন হুতাশন বলেছেন: সাম্বাদিক বলেছেন: ডিম সিদ্ধ করে তার উপর ইসলাম লিখে শালাদের পাছা দিয়ে ঢুকিয়ে দেয়া উচিত। ইসলামের নামে কুত্তার বাচ্চারা কেন পাকিস্থানী জেনারেলদের যারা মদ আর মাগীতে অভ্যস্থ ছিল তাদের পা চাটতে গেছিল।
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:৫৯
জিয়াউল হক বলেছেন: ইসলাম নিয়ে কুরুচি পূর্ণ মন্তব্য করায়/ কিংবা তা পূন:প্রচারে সহায়তা করায় আপনাকে আর স্বাগতম জানাতে পারছিনা, দু:খিত। ব্লকড।
৭|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৩৪
নাজমুল হক রাসেল বলেছেন: দেশে সর্ববৃহত্তম একমাত্র গণতান্ত্রিক যে দলটি ইসলাম কায়েমের জন্য নিজেদের জীবন, সম্পদ, সবটুকু নিয়ে মাঠে দন্ডায়মান
আমার তো মনে হয় শুধু দন্ডটাই দন্দায়মান ছিল
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৩৭
জিয়াউল হক বলেছেন: সেটা আপনার দৃষ্টির ব্যাপার। সম্ভবত সে জিনিসটিই নিয়েই আপনার দিন কাটে, সেটা নিয়েই আপনাদের জাত ব্যবসা, কাজেই সারাক্ষণ যদি সেটাই চোখে দেখেন, তারই তপস্যা করেন, তবে সেটাতো আমাদের কোন ব্যাপার না।
৮|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৩৫
পেরেশান বলেছেন: ঊষালগ্ন হুতাশন বলেছেন: সাম্বাদিক বলেছেন: ডিম সিদ্ধ করে তার উপর ইসলাম লিখে শালাদের পাছা দিয়ে ঢুকিয়ে দেয়া উচিত। ইসলামের নামে কুত্তার বাচ্চারা কেন পাকিস্থানী জেনারেলদের যারা মদ আর মাগীতে অভ্যস্থ ছিল তাদের পা চাটতে গেছিল।
দৌড়া ছাগুছানা ফাকিস্তান দৌড়া।
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৩৯
জিয়াউল হক বলেছেন: কেন দাদা, দেশটা কি কারও বাপের পৈত্রিক সম্পত্তি? আপনার যদি মাজায় জোর থাকে, তা হলে পারলে আপনিই পাঠিয়ে দেন দেখি।
৯|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৩৭
এবং আব্দুল্লাহ বলেছেন: ম্যাকানিক কেন মাইনাস দিছেন তা আপনার দলের নেতাদের মত ধর্মীয় অনুভূতির ছিনালীপনা মার্কা সংজ্ঞা থেকেই বুঝা যাচ্ছে। কেন সেকুলারদের ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত লাগে আর কোথায় বেদনা কেন হয় তা আলহামদুলিল্লাহ বাংলাদেশের ইসলামপন্থীরা বোঝে।
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৩৯
জিয়াউল হক বলেছেন: ঠিক বলেছেন। এদের মাইনাস বা প্লাস এর কোন পরওয়া করবেন না। যেটা বলার সেটা বলে যাবেন।
১০|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৩৮
কারিগর বলেছেন: ভাই আপনাকে শুভেচ্ছা না জানিয়ে পারছিনা। শুধু মাত্র মিথ্যার উপর ভিত্তিকের এত বড় ব্লগ লিখা সত্তি ! ! ! ভিষন পরিশ্রেমের কাজ।
১১|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৩৯
বুদ্ধু বলেছেন: যারা ধর্মই মানেনা তারা বলছে ধর্মে আঘাত করেছে! যাই হোক ইতিহাস প্রমাণ করে যে, আল্লাহ যাকে ধ্বংস করেন নানাভাবে তার পাপ বাড়িয়ে দেন। শেখ হাসিনা ইসলামের উপর প্রতিহিংসায় জ্বলেপুড়ে জামাতের পরিক্ষীত সৎ, নেককার, দেশপ্রেমিক নেতাদেরকে যেভাবে নির্যাতন এবং অপমান করেছে আল্লাহ নাজানি তার ভাগ্যে কি জঘন্য শাস্তি রেখেছেন। হিন্দু, খৃষ্টান ইহুদীদের চেয়ে অপরাধ তার যে তার জাতির লোকদের উপর অত্যাচার করে।
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৪১
জিয়াউল হক বলেছেন: সময়ই বলে দেবে এদের পরিণতি। আমরা আসুন নিজেদের চরিত্র আর যোগ্যতা বাড়াই। বাড়াই জ্ঞান আর আল্লাহভীতি। ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
১২|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৪০
ভিজামন বলেছেন: রাজাকারের বা...
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৪১
জিয়াউল হক বলেছেন: বাঁকিটা বললেন না যে দাদা! লজ্জা পেলেন বুঝি?
১৩|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৪২
কুয়াশা বলেছেন: এই ওছিলায় যদি ইসলামী দলগুলি এক মঞ্চে আসে তবে সেটাই হবে বড় স্বার্থকতা। অনেক তথ্যবহুল পোষ্ট। সহমত।
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৪৩
জিয়াউল হক বলেছেন: ধন্যবাদ।
১৪|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৪২
এবং আব্দুল্লাহ বলেছেন: বুদ্ধু বলেছেন: যারা ধর্মই মানেনা তারা বলছে ধর্মে আঘাত করেছে! যাই হোক ইতিহাস প্রমাণ করে যে, আল্লাহ যাকে ধ্বংস করেন নানাভাবে তার পাপ বাড়িয়ে দেন। শেখ হাসিনা ইসলামের উপর প্রতিহিংসায় জ্বলেপুড়ে জামাতের পরিক্ষীত সৎ, নেককার, দেশপ্রেমিক নেতাদেরকে যেভাবে নির্যাতন এবং অপমান করেছে আল্লাহ নাজানি তার ভাগ্যে কি জঘন্য শাস্তি রেখেছেন...
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৪৩
জিয়াউল হক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
১৫|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৪৪
অনিগিরি বলেছেন: ডিম সিদ্ধ করে তার উপর ইসলাম লিখে শালাদের পাছা দিয়ে ঢুকিয়ে দেয়া উচিত। ইসলামের নামে কুত্তার বাচ্চারা কেন পাকিস্থানী জেনারেলদের যারা মদ আর মাগীতে অভ্যস্থ ছিল তাদের পা চাটতে গেছিল।
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৪৮
জিয়াউল হক বলেছেন: আপনার বুঝি অভিজ্ঞতা আছে এমন? ইসলামকে নিয়ে ব্যঙ্গ করার জন্য ব্লকড।
১৬|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৪৪
মাছুম হোসেন বলেছেন: কোন কিছু ভালভাবে বুঝে পড়ে তার পর মন্তব্য করার জন্য সবাই কে অনুরোধ করছি। আল্লাহ আমাদের সবাই কে তৌফিক দান করুন । আমিন।
আল্লাহুম্মা আমিন।
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৪৮
জিয়াউল হক বলেছেন: ধন্যবাদ।
১৭|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৪৫
সাচার বলেছেন: সকল নবীদের অনুসারীদের উপরই জুলুম আর নির্যাতন এসেছে। ভবিষ্যতেও আসবে তারই ধারাবাহিকতায়। আমরা যেহেতু শেষ নবীর উম্মাত এবং তারই অনুসারী সুতরাং আমাদের উপর জুলুম নির্যাত আসতে বাধ্য। আর এই জুলুম নির্যাতন দেখে যারা নবী এবং নবীর অনুসারী ছিলো তাদেরকে উপহাস করতো তখনকার ইসলামী বিরোধী শক্তিরা। সুতরাং আজো যারা ইসলামী আন্দোলন করে এ সমাজে ইসলাম বিরোধীরা যদি তাদেরকে হেয় প্রতিপন্ন করে এবং তাদের উপর জুলুম নির্যাতন দেখে খুশী হয় তাহলে বুঝতে হবে জুলুমের শিকার যারা তারা সঠিক পথেই আছে। কারণ ইসলামের কথা বলবে আর জুলুম নির্যাতন আসবে না এটা ইসলামের ইতিহাস নয়। ইসলামের ইতহাসই হলো দ্বীন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে শরীক হওয়ার সাথে জুলুম নির্যাতন নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে যাবে যেরূপ হয়েছিল সকল নবী রাসূলদের অনুসারীদের। সুতরাং জুলুম আর নির্যাতনই হলো ইসলামী আন্দোলনের উপহার যার প্রতিদান আল্লাহ আখিরাতে অবশ্যই দিবেন। সুতরাং দুনিয়াতে জুলুম নির্যাতন সহ্য করেই এই পথে টিকে থাকতে হবে। যারা এই পথের পথিক তাদেরকে মহান আল্লাহ হাজারো জুলুম নির্যাতনের মাঝে টিকে থাকার দৃঢ়তা দান করুন। আমিন!
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৫০
জিয়াউল হক বলেছেন: এটাই ইসলামি আন্দোলনের পথ। পরীক্ষা দিতেই হবে। আজকের এই অবস্থাটা দেখে অন্তত চেনা যাচ্ছে আমাদের চারিপাশের আবুজেহেল, আবু লাহাব গং দের। এরকম পরিস্থিতির উদ্ভব না হলে এরা রয়ে যেত অপরিচিত হিসেবেই।
১৮|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৪৬
ভিজামন বলেছেন: না নুন্যতম সৌজন্যতা....
তবে আপনাদের পিতৃকূলের জন্য কোন সৌজন্যতাবোধ নাই... ওরাই আজকের দিনের গনিমতের মাল।
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৫১
জিয়াউল হক বলেছেন: তা ভোগ করতে থাকুন। ভোগে ডুবে থাকুন ভাই। এ জগত আপনার নয়। আপনি আপনার জগতেই থাকুন। ধন্যবাদ।
১৯|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৫০
জ্ঞানপিপাসু বলেছেন: জামায়াত মাওদূদীর আদর্শ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে না। এটা ভুল ধারনা। আর জামায়াত পাকী শাসকদের কর্মকান্ডে কখনোই সমর্থন করেনি। পাকী শাসকদের সমালোচনা ও বিরোধিতার কারনে পাকীরাই একবার জামায়াতকে নিষিদ্ধ করেছিল।
মাও: মাওদূদীর ইসলামী বিপ্লবের পথ বই পড়লে স্পষ্ট হয় তার মতে ইসলামী জাতিয়তাবাদের নামে যে তথাকথিত মুসলিম রাষ্ট্র পতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে তাদের নেতাদের নৈতিক চরিত্র ও কর্মকান্ড কখনোই ইসলামের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
কিন্তু জামায়াত পাকিস্থান কে ভেঙ্গে ফেলার বিরোধিতা করেছিল। এর কারনটা এ উপমহাদেশের স্বাধীনতা ও মুলমানদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত।
ঠিক যেমনটি ভারতের হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করেছিল।
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৫৩
জিয়াউল হক বলেছেন: ভাই আপনি যাদের উদ্দেশ্যে এই ঐতিহাসিক সত্যটাকে তুলে ধরলেন, তাদের বেশীর ভাগই যুক্তি আর সত্যের ধার ধারেনা। এর আছে কেবল ইসলাম এর কি করে বিরোধিতা করে যাবে সে চেষ্টায়। তার পরেও সত্যটাকে তুলে ধার জন্য ধন্যবাদ।
২০|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৫২
ভিজামন বলেছেন: @ জ্ঞানপিপাসু
ভাই তুমি জ্ঞানপাপি।
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৫৬
জিয়াউল হক বলেছেন: ভাই ভিজামন, আপানি জ্ঞানপাপি যে আসলেই একজন জ্ঞানপাপি, যুক্ত দিয়ে প্রমান করে দিলে আমাদের মত উম্মী লোকদের উপকার হতো। তিনি তো একটা ঐতিহাসেক সত্যকেই তুলে ধরেছেন মাত্র। তিনি কিন্তু এ কথা এখনও বলেন নি যে এই পাকিস্থানি সরকারই মওদুদি সাহেবকে ফাঁসির হুকুম দিয়েছিল।
২১|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৫৩
বুদ্ধু বলেছেন: 'ডিম সিদ্ধ করে তার উপর ইসলাম লিখে শালাদের পাছা দিয়ে ঢুকিয়ে দেয়া '
কথাটা অত্যন্ত আপত্তিকর। আল্লাহ এই কারণে ব্যাভিচার হারাম করেছেন, কারণ ব্যাভিচারের যারা ফসল তারা পৃথিবীর সম্মানীয় বিষয় বা ব্যক্তিকে সঙ্গত কারণেই সম্মান দিতে পারে না।
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৫৭
জিয়াউল হক বলেছেন: ধন্যবাদ, অন্তত এই দৃস্টিকোন থেকে হলেও মন্তব্য করার জন্য।
২২|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৫৩
নেকটার বলেছেন: ইসলামের অনুসারীদের উপর নির্যাতন দেথে ইসলাম বিরোধীরা তো হাসবেই। সুতরাং তারা হাসতে থাকুক। আর মহান আল্লাহ হাসতে হাসতেই তাদেরকে উপযুক্ত জায়গায় নিয়ে যাবেন তখন হাসি একবার বন্ধ হবে আর কখনও হাসতে পারবে না। তখন অনন্ত জীবন কেঁদে কেঁদে অনুতপ্ত হলেও আর কোন কাজে আসবে না। ইসলামের অনুসারীদের আল্লাহ ধৈয়্য ও দৃঢ়তা দান করুন।
২৩|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৫৫
ভিজামন বলেছেন: ভাইরে এ জগৎ আমার বৈ কি....
আমি বাংগালী... এদেশ আমার, ভাষা আমার... বাঁচিবার তরে...বাঁচাবার তরে....
তুমিও এদেশের প্রজন্ম... ভ্রমে আছো... শুধিবার তরে....বাঁচিবার তরে...বাঁচাবার তরে....
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৫৮
জিয়াউল হক বলেছেন: দুই বিপরিত মেরুর দুজনই সঠিক হতে পারেনা। আমাদের কোন একজনের ধারনায় গলদ আছে। সত্য। সেটা সময়েই বলে দেবে। তবে আমাদের দুজনের একটা জায়গায় মিল আছে, দুজনই বাংলাদেশী। এদেশ আমারও আপনারও, আমাদের সকলেরই।
২৪|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:৩২
বৃষ্টি৪০৪ বলেছেন: আমাদের গণতান্ত্রিক (!) সরকার কেবল শো’কেস মাত্র! আপনার পুরো লেখার অনেক কিছুই বুঝি নাই।হয়ত বুঝার মত ক্ষমতা হয় নাই।কিন্তু আপনি শূধু আমার একটা কথার উত্তর দেন ২০০১-২০০৬ বিনপি জামায়াত যখন ক্ষমতাই আসছিল তারা কার হয়ে আসছিল।
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:৩৭
জিয়াউল হক বলেছেন: তারা কার হয়ে এসেছিল তা আপনিই বলুন না কেন? আপনার যদি জানা থাকে তারা অন্য কারো প্রতিনিধিত্ব করেছে, তা হলে বলুন তথ্য বিশ্লেষণ সহ, জানতে পারলে তো ভালই হতো। অপেক্ষায় রইলাম।
২৫|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:৩৩
মামুন বিদ্রোহী বলেছেন: তারেক মাসউদ বলেছেন: এ আশা করবেন না। ইসলামের নামে মদুদীবাদ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখা ভুলে যান।
ইসলামের নামে ধর্মব্যবসা আর কত?
এবার ক্ষ্যামা দেন।
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:৩৯
জিয়াউল হক বলেছেন: ইসলামের নামে ধর্মব্যবসা দেখতে হলে আটরশি কিংবা দেওয়ানবাগে যেতে পারেন। সেখানে যেতে না চাইলে ঘরে বসেই হায়দার আলীর খলীফাতুল মুসলিমিনি পড়ে দেখতে পারেন। ধন্যবাদ।
২৬|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:৫৭
বৃষ্টি৪০৪ বলেছেন: আপনি আমার প্রশ্নটা এরিয়ে গেলেন।আমি কিন্তু বলি নাই আমাদের গণতান্ত্রিক (!) সরকার কেবল শো’কেস মাত্র!। কথাটা আপনি বলেছেন কাজেই উত্তরটা আপনি দিবেন আশা করেছিলাম।আর আমার মনে হয় এই সরকার র এর হয়ে কাজ করছে এই কথাটা যখন আপনি অনেকের কাছ থেকে জেনেছেন গত সরকার কার হয়ে কাজ করেছিল এইটাও আপনার অজানা থাকার কথা না। তাই উত্তর টা আপনার কাছ থেকেই শুনব আশা করেছিলাম।
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১০:০৩
জিয়াউল হক বলেছেন: গত সরকারের অন্তত দুজন মন্ত্রী তাদের হয়ে কাজ করেছেন বলে জানি। এর সাথে ছিলেন অন্তত আধা ডজন সচীব, যুগ্ম সচীব এর দল। আরও থাকতে পারে, সেটাই স্বাভাবিক।
২৭|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১০:২০
মু. নূরনবী বলেছেন: মামুন বিদ্রোহী বলেছেন: তারেক মাসউদ বলেছেন: এ আশা করবেন না। ইসলামের নামে মদুদীবাদ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখা ভুলে যান।
ইসলামের নামে ধর্মব্যবসা আর কত?
এবার ক্ষ্যামা দেন।
তোমাদের উদ্দেশ্যে বলছি......৭৫ এর পূর্ব মুহুর্তেও শেখ মুজিব অনেক রঙ্গ দেখাইছিল..তা পরক্ণণেই চিরতরে ভঙ্গ হইসে...সে সময় কেন জানি মনে হচ্ছে খুব সন্নিকটে.......
©somewhere in net ltd.
১|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:২৭
তারেক মাসউদ বলেছেন: এ আশা করবেন না। ইসলামের নামে মদুদীবাদ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখা ভুলে যান।
ইসলামের নামে ধর্মব্যবসা আর কত?
এবার ক্ষ্যামা দেন।